Bartaman Patrika
আমরা মেয়েরা
 

ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা... 

‘ভাইফোঁটা’, ‘ভ্রাতৃদ্বিতীয়া’ বা ‘যমদ্বিতীয়া’ যে নামই প্রচলিত থাকুক না কেন এই শব্দগুলোর কিন্তু একটা অন্য তাৎপর্য রয়েছে। জীবনের সঙ্গে জীবন যোগের অভিজ্ঞান স্বরূপ যেন পালিত হয় গোটা ভারত জুড়ে। এ এক অনন্য সামাজিক উৎসব। ধর্মকে দূরে সরিয়ে এক উৎসবের পরম্পরাকে ঘিরে যুগ যুগ ধরে চলছে এই আনন্দময়, নির্মল পবিত্র পার্বণ। যদিও এই ভাইফোঁটা উৎসবের সূচনা হয়েছিল পৌরাণিক কাহিনীকে কেন্দ্র করে। সূর্যদেব ও তাঁর স্ত্রী সংজ্ঞার যমুনা নামে একটি কন্যা ও যম নামে একটি পুত্রসন্তান ছিল। সন্তানদ্বয় জন্মের পরে সংজ্ঞার কাছে সূর্যের তাপ অসহনীয় হয়ে ওঠায় সে কর্তাকে কিছু না জানিয়ে নিজের প্রতিলিপি ছায়াকে দেবলোকে রেখে মর্তে প্রত্যাবর্তন করে। সংজ্ঞার প্রতিরূপ হওয়ায় ছায়াকে কেউ চিনতে পারে না। বিমাতা ছায়া দিনে দিনে যমুনা ও যমের প্রতি দুর্ব্যবহার করতে থাকেন। এমনকি যমুনাকে স্বর্গ থেকে বিতাড়িতও করেন। পরে যমুনার পরিণয় সম্পন্ন হয় এক বিত্তশালী পরিবারে।
এদিকে দীর্ঘদিন দিদিকে দেখতে না পাওয়ায় যমের মন বিষণ্ণ হয়ে পড়ে। সে ঠিক করে যেমন করেই হোক দিদির সঙ্গে দেখা করতেই হবে। রাজদূত মারফৎ যম যমুনার কাছে বার্তা পাঠায়। এতদিন বাদে ভাইয়ের আসার খবরে যমুনা তো ভীষণ খুশি। কার্তিকের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়ার দিনে যম যমুনার বাড়ি পৌঁছয়। এবং দিদির আতিথ্যে মুগ্ধ হয়। নানান ধরনের সুখাদ্যের আয়োজন ছিল প্রচুর। উচ্ছ্বসিত যম যমুনাকে উপহার হিসেবে বরদান প্রার্থনার কথা বলেন। সেই সময় দিদি যমুনা এমন এক বর প্রার্থনা করেছিলেন যা চিরন্তন। যমুনা বলেছিলেন—ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার দিন প্রত্যেক ভাই যেন তার বোনের কথা স্মরণ করে। আর প্রত্যেক বোন যেন তার ভাইয়ের মঙ্গলময় দীর্ঘজীবন কামনা করেন। যমুনার প্রার্থনার পুণ্যপ্রভাবে যম অমরত্ব লাভ করেন। তারপর থেকেই এই ভাইফোঁটার প্রচলন। ভাইয়ের মঙ্গল কামনায় দীর্ঘ জীবনের বাসনায় যুগ যুগ ধরে বোনেরা এই সংস্কারটি পালন করে আসছে। এইজন্যই এই তিথির নাম যমদ্বিতীয়া। আরও একটি কিংবদন্তি রয়েছে এই উৎসবকে নিয়ে। কারও মতে, শ্রীকৃষ্ণ ভয়ঙ্কর দৈত্য নরকাসুরকে হত্যা করে ক্ষুধার্ত ও ক্লান্ত শরীরে বোন সুভদ্রার গৃহে যখন আসেন তখন বিজয়ী শ্রীকৃষ্ণের কপালে সুভদ্রা ফোঁটা দেন এবং শ্রীকৃষ্ণকে নানান ধরনের মিষ্টি ও ঠান্ডা পানীয় দিয়ে আপ্যায়ন করেন। সেই থেকেই ভাইফোঁটার উৎসবের শুরু হয়। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার অন্তর্গত বিরহী নামক স্থানে বোনেদের ফোঁটা আগে পান স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ। তারপর মেয়েরা ভাইদের কপালে ফোঁটা দেন।
আরও আছে। সেও বহুশ্রুত এক কাহিনী। একবার প্রবল পরাক্রমশালী বলির হাতে বিষ্ণু পাতালে বন্দি হলে দেবতারা মহা বিপদে পড়েন। এই সময় স্বয়ং মা লক্ষ্মী এসে বলিকে ভাই হিসেবে স্বীকার করেন এবং তাঁর কপালে তিলক এঁকে দেন। তখন বলি উপহার দিতে চাইলে লক্ষ্মী চেয়ে নেন ভগবান বিষ্ণুকে। অনেকে আবার বলেন এই থেকে ভাইফোঁটা উৎসবের সূচনা।
এই সমস্ত পৌরাণিক ব্যাখ্যা, কাহিনী বা লোকগাথা যাই থাকুক না কেন সম্প্রীতির এই উৎসবকে ঘিরে সূচিত হয় এক নিবিড় পারিবারিক উৎসব। আপামর বাঙালি তথা ভারতবাসীর চির প্রিয় উৎসব ভ্রাতৃ-দ্বিতীয়া। যার মূল লক্ষ্যই হল ভাইয়ের কল্যাণ কামনা। রীতিমতো নিয়ম মেনে বোনেরা না খেয়ে, সমস্ত মাঙ্গলিক সামগ্রী যেমন দই, কাজল, ধান, দুব্বো বড় কাঁসার বা রূপার থালায় সাজিয়ে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে স্নান সেরে ভাই বা দাদাকে সামনে বসিয়ে কপালে ফোঁটা দিয়ে তাদের সুদীর্ঘ জীবন কামনায় উচ্চারণ করে যুগ যুগান্ত ধরে চলে আসা সেই অমোঘ মন্ত্র—‘ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা/যম দুয়ারে পড়ল কাঁটা/আমি দিই আমার ভাইকে ফোঁটা...’
এরপর থাকে ভূরিভোজনের পর্ব। উৎসবের পুরোটাই ভাই বা দাদাকে ঘিরে। দিনভর রান্নাঘরে কাটিয়ে ঘেমে নেয়ে বোন বা দিদির হাতে তৈরি করা খাবারেও থাকে স্নেহমাখা পরশ। স্বাদে গন্ধে আর স্পর্শে যা একেবারে মহার্ঘ। আজকের দিনে অবশ্য সবাই কর্মব্যস্ত। বেশির ভাগ ভাইও দেশ পেরিয়ে বিদেশ বিভূঁইয়ে জীবিকার্জনের উদ্দেশে। তবে ভুবনায়নের সৌজন্যে অবশ্য টেক্সাসে বসবাসকারী ভাইকে দিব্য টালিগঞ্জের দিদি ফোঁটা দিচ্ছেন স্কাইপে। তবে একথাও ঠিক যে সবার এমন সুযোগ থাকবে তা তো নয়। সেইখানে দূরদূরান্তে প্রবাসে বিয়ে হওয়া বোন ভাইফোঁটায় আসতে না পেরে দেওয়ালে ভাইকে স্মরণ করে সযত্নে আঁকেন মঙ্গল ফোঁটা। আবার দূর গাঁয়ে চাকরিরত ভাই ছুটি না পাওয়ার আক্ষেপে লুকিয়ে চোখের জল ফেলেন বোন বা দিদির জন্য।
উপহারের ধরনধারন বদলেছে, বদলেছে উপহারের চমকও। রবীন্দ্র রচনাবলী, বঙ্কিম রচনাবলী অথবা ধূপছায়া রঙের কাছাপেড়ে শাড়ি আর বোনেদের দেওয়া ধুতি পাঞ্জাবী বা শার্টের পিস রূপান্তরিত হয়েছে আজকের ব্র্যান্ডেড উপহারে। মাল্টিপ্লেক্সের সিনেমার টিকিটে, গিফট কুপন আর নামী রেস্তরাঁর দামি বুফে লাঞ্চ বা ডিনারে। তবু অনাবিল আনন্দ, ভালোবাসা শ্রদ্ধা, উচ্ছ্বসিত আবেগ আর সুগভীর আন্তরিকতার কোনও পরিবর্তন হয়নি। পাশাপাশি আরও একটা বিষয় যে, যাদের ভাই বা বোন নেই একমাত্র সন্তান তারাও কিন্তু পড়শি, জামাইবাবু বা বিভিন্ন সম্পর্কের পুরুষকে ভাই বা দাদা সম্পর্ক পাতিয়ে ফোঁটা দেন। সব মিলিয়ে ভাইফোঁটা, যমদ্বিতীয়া বা ভ্রাতৃদ্বিতীয়া এক সর্বজনীন সৌভ্রাতৃত্বের উৎসব। যার মধ্যে জড়িয়ে থাকে শুভকামনা ও মঙ্গল আকাঙ্ক্ষা।
ভারতবর্ষের বিভিন্ন জায়গায় এই উৎসব বিভিন্ন নামে পরিচিত। পশ্চিম ভারতে এই উৎসব ‘ভাইদুজা’ নামে পরিচিত। আবার মহারাষ্ট্র, গোয়া ও কর্ণাটকে ভাইফোঁটা ‘ভাইবিজ’ নামে আর পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে ‘ভাইটিকা’ নামে পরিচিত।
তনুশ্রী কাঞ্জিলাল মাশ্চরক

ভাইফোঁটার মিষ্টি
ভাইফোঁটা মানেই রকমারি মিষ্টি সাজিয়ে ভাই-বোনের ভালোবাসা নিবেদন। তবে রোজকার একই রকমের মিষ্টির থেকে মুখ সরিয়ে নতুন কিছু কেনার দিকেই ব্যস্ত হয়ে পড়ে দিদি-বোনেরা। তাই ভাইফোঁটার জন্য রইল কয়েকটি মিষ্টির দোকানের নাম ও তাদের স্পেশাল মিষ্টির তালিকা।
গিরিশচন্দ্র দে অ্যান্ড নকুড়চন্দ্র নন্দী
ভাইফোঁটার সময় অনেক রকমের মিষ্টি পাবেন এই দোকানে।
 রোস্টেড আমন্ড: এই মিষ্টিটি অর্ধ গোলাকার, দেখতে অনেকটা আধখানা ডিমের মতো। ছানার সঙ্গে রোস্টেড আমন্ড দিয়ে তৈরি হয় বাইরের কোটিং এবং ভেতরে থাকে কেশর, পেস্তার স্টাফিং। দাম ২৫ টাকা।
 ম্যাঙ্গো বাটি: ছানার সঙ্গে আমের পাল্প দিয়ে বানানো হয়। প্লাস্টিক বাটিতে করে পরিবেশন করা হচ্ছে আপনাদের জন্য। সন্দেশটিকে আরও সুন্দর করে তোলা হয়েছে আমসত্ত্ব টুকরো দিয়ে সাজিয়ে। দাম ৫০ টাকা।
 ডার্ক চকোলেট: চৌকো আকারের। যারা ব্ল্যাক কফি খেতে পছন্দ করেন তাদের কাছে খুবই ভালো লাগবে এই সন্দেশটি। পুরো ডার্ক চকোলেট দিয়ে বানানো। সন্দেশের ওপরে আছে চকোলেট ক্রিম। দাম ২৫ টাকা।
 ম্যাঙ্গো উৎসব: ছানা ও আমের পাল্প দিয়ে সন্দেশটি বানানো হয়। ভেতরে থাকে দুধ, ম্যাঙ্গো ক্রাশ, ম্যাঙ্গো পাল্প, কাঠবাদামের স্টাফিং। পানের মতো দেখতে। দাম ২০ টাকা।
 সাদা মৌসুমী: ছানা ও চিনির তৈরি গোলাকার সন্দেশটির ভেতরের স্টাফিং নারকেল, এলাচ দিয়ে বানানো হয়। দাম ২৫ টাকা।
 বাটারস্কচ: পিওর বাটারস্কচের ক্রাশের সঙ্গে ছানার মিশ্রণে বানানো। এই সন্দেশ থেকে বাটারস্কচের ফ্লেভারও পাওয়া যাবে। চৌকো আকারের এই সন্দেশের দাম ২৫ টাকা।
 পারিজাত: ছানার সঙ্গে পেস্তা বাদাম ও আর এক ধরনের বাদাম দিয়ে তৈরি। এই দোকানের অন্যতম সুস্বাদু সন্দেশের মধ্যে এটি অন্যতম। দাম ১৫ টাকা।
বলরাম মল্লিক অ্যান্ড রাধারমণ মল্লিক
এই দোকান প্রতিবছরের মতো এই বছরও নতুন কিছুর সন্ধান দিচ্ছে যেমন—
 সাউথ ইন্ডিয়ান ফিল্টার কফি সন্দেশ: সাউথ ইন্ডিয়া থেকে আনা কফিবিন ক্রাশ করে ছানার সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করা হয় এই সন্দেশ। চৌকো আকারের। দাম ২৫ টাকা।
 হানি অ্যান্ড সিনামন সন্দেশ: আমেরিকান সিনামন পাউডার ও হিমালয়ান মধু, ছানার সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি এই সন্দেশ। ত্রিভুজাকার। দাম ২৫ টাকা।
 অ্যাঞ্জিরা: ছানার সঙ্গে ড্রাই ফ্রুট অ্যাঞ্জির মিশিয়ে রোলের মতো বানানো হয়। একে অ্যাঞ্জির রোল সন্দেশও বলে। দাম ২৫ টাকা।
 মিল্ক চকোলেট ট্রাফেল: দুধ ও চকোলেটের কোটিং থাকে বাইরের দিকে। ভেতরে থাকে নলেন গুড়। গোলাকার এই সন্দেশের দাম ২৫ টাকা।
 ফ্রুটস অ্যান্ড নাট: ৫-৬ রকমের ড্রাই ফ্রুট অর্থাৎ কিসমিস, মোরব্বা, কাজু, আমন্ড, খেজুর, তাল এগুলো ছানার সঙ্গে পাক দিয়ে বানানো হয় সন্দেশটিকে। দাম ২৫ টাকা।
এছাড়াও পাবেন সীতাফল সন্দেশ, বাটারস্কচ সন্দেশ, ব্লুবেরি সন্দেশ, আইসক্রিম সন্দেশ ও আরও অনেক কিছু।
ভীমচন্দ্র নাগ
খাজা, গজা, লবঙ্গ লতিকা, ক্ষীরমোহন, পরিতৃপ্তি, আবার খাবো, রাজভোগ, কমলাভোগ—এতসব মিষ্টি বাদেও পাবেন আরও রকমারি আইটেম।
 ভাইফোঁটা সন্দেশ: ছানার তৈরি গোলাকার বড় সাইজের এই সন্দেশটির মাঝখানে কড়াপাকের ভ্রাতৃদ্বিতীয়া লেখা থাকে। দাম ৩০ টাকা।
 বাদশাভোগ: ছানার সঙ্গে জাফরান মিশিয়ে গোলাকার এই সন্দেশটি বানানো হয়েছে। ভেতরে রয়েছে পেস্তার স্টাফিং এবং বাইরে গোলাপের পাপড়ি দিয়ে সাজানো রয়েছে। দাম ২৫ টাকা।
 শকুন্তলা: সন্দেশের উপরিভাগে আছে জাফরান ও ছানা পাক এবং ভেতরের স্টাফিংটি কাজু, কিসমিস ও খোয়া ক্ষীরের। জাফরান থাকায় সন্দেশের রংটি একটু হলদেটে এবং উপরিভাগ সাজানো রয়েছে গোলাপি রং ও কিসমিস দিয়ে। দাম ৪৫ টাকা।
চিত্রকূট: ময়দা দিয়ে বানানো ভাজা মিষ্টি এটি। বরফির মতো দেখতে। দাম ৩০ টাকা। ভেতরে আছে ছানা ও ক্ষীরের পুর। একইরকমভাবে বানানো গোলাকার মিষ্টি মাতৃভোগও পেয়ে যাবেন। এটির দামও ৩০ টাকা।
 অ্যালফানডেনা ম্যাঙ্গো: ছানার সঙ্গে ম্যাঙ্গো পাল্প দিয়ে আমের আকারে বানানো। দাম ২০ টাকা।
 কালোজাম: ছানা ও ক্ষীর দিয়ে বানানো ভাজা রসের মিষ্টি। দাম ২০ টাকা।
পুঁটিরাম
ঐতিহ্য বজায় রেখে একইরকমভাবে আজও নানারকম মিষ্টির স্বাদের উপহার দিচ্ছে এই দোকান।
 লবঙ্গ লতিকা: বাইরের আবরণটি ময়দা দিয়ে বানানো এবং ভেতরে থাকে ক্ষীরের পুর। মুখটি বন্ধ করার জন্য লবঙ্গ ব্যবহার করা হয়। দাম ১০ টাকা। একইরকমের আরও একটি মিষ্টি পাবেন বালুশাহী। দাম ১০ টাকা।
 ক্ষীরকান্তি: ভেতরে থাকে ক্ষীরের পুর ও বাইরের আবরণটি ময়দার। দাম ১০ টাকা।
 খেজুর: ময়দা দিয়ে বানানো। কুকিজ বিস্কুটের মতো দেখতে। দাম ১০ টাকা।
 প্যাড়াক্ষীর: আকারে লম্বা, নারকেল ও ক্ষীর দিয়ে বানানো। সন্দেশের ভেতরে নারকেল ও ক্ষীরের পুর আছে। দাম ১০ টাকা।
 রাজভোগ: এটি কড়াপাকের রসগোল্লা। দাম ১০ টাকা, ২০ টাকা।
 স্ট্রবেরি সন্দেশ: ছানা ও স্ট্রবেরি ক্রাশ দিয়ে বানানো। দাম ২০ টাকা।
 তালশাস সন্দেশ: পুরো সন্দেশটি ছানা ও গুড় দিয়ে বানানো। তালশাসের মতো দেখতে। ভেতরে গুড়ের ফিলিং থাকে। দাম ২০ টাকা।
 ম্যাঙ্গো সন্দেশ: ছানা ও আমের ক্রাশ দিয়ে বানানো। দাম ২০ টাকা।
পাপিয়া মণ্ডল
03rd  November, 2018
বাজির জগতেও মেয়েরা 

ছোটবেলা থেকে কালীপুজো মানেই চকোলেট বোম। আর চকোলেট বোম মানেই ‘বুড়িমার চকোলেট বোম’। বুড়িমা ছিলেন একজন লড়াকু মহিলা। তাঁর আসল নাম অন্নপূর্ণা দাস। বাংলাদেশের ফরিদপুরের মেয়ে অন্নপূর্ণা স্বামীর মৃত্যুর পর ছেলেমেয়েদের নিয়ে এদেশে চলে আসেন।
বিশদ

03rd  November, 2018
২৪৪ বছরে পড়ল পালবাড়ির কালীপুজো 

প্রাচীন পুজো বলতে বেশিরভাগ মানুষই শোভাবাজার রাজবাড়ি, রানিরাসমণি বাড়ির মতো কয়েকটি বনেদিবাড়ির পুজোর কথা ভাবেন। কিন্তু সেই তালিকায় যে তালতলা পালবাড়ির সাবেকি কালীপুজো আছে তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই।
বিশদ

03rd  November, 2018
কালো মেয়ে কালিকা 

মাতৃরূপিণী দেবী কালীর গায়ের রং কালো। তাই তিনি কালিকা। মুণ্ডমালিনী, রণরঙ্গিণী। দেবী কালীর এহেন উৎপত্তি নিয়ে নানা মুনির নানা মত। শুম্ভ নিশুম্ভ নামের দুই অসুরের সঙ্গে যুদ্ধে দেবতারা পরাজিত হন। সর্বশক্তিমান দেবতারা কোনওমতেই মোকাবিলা করতে পারছিলেন না অসুর, দৈত্যদের।  
বিশদ

03rd  November, 2018
দেবী কালিকার স্বরূপ সন্ধানে 

যিনি সর্বভূতকে গ্রাস করেন তিনি মহাকাল। আর সেই মহাকালকেও যিনি গ্রাস করেন তিনিই আদ্যশক্তি স্বরূপিনী দেবী কালিকা।... তিনিই মহাকাল ও মহাকালী রূপে বিরাজ করেন।
বিশদ

03rd  November, 2018
সব মেয়ের নিজের পায়ে দাঁড়ানো উচিত: দিতিপ্রিয়া রায়

রানি রাসমণির জীবন নিয়ে জি-বাংলায় শুরু হয়েছে মেগা ধারাবাহিক ‘রানি রাসমণি’। আজ আমরা মেগাধারাবাহিকের কেন্দ্রিয় চরিত্র রানি রাসমণি তথা দ্বিতিপ্রিয়া রায়ের মুখোমুখি।
বিশদ

27th  October, 2018
মেয়েদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার অধিকার

ঘটনা এক: বাবা মা গত হয়েছেন বছর দুই হল। বিপাশা বাবার বাড়িতেই থাকে। কিন্তু ভয়ঙ্কর লাঞ্ছনা-গঞ্জনা মাথায় নিয়ে। কথায় কথায় ভাই দাদাদের হুঙ্কার ‘বাড়ি থেকে বের করে দেব। বাবার বাড়িতে পড়ে আছিস লজ্জা করে না।’ অবিবাহিতা বিপাশার বুক কেঁপে ওঠে এইরকম হুঙ্কারে।
বিশদ

27th  October, 2018
২২৫তম বর্ষে মহীয়সী রানি রাসমণি

ইংরেজের সঙ্গে রাসমণিদেবীর যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়, তাতে ইংরেজ সরকারকে শেষমেশ হার মানতেই হয়। তখন থেকেই লোকে রাসমণিদেবীকে ‘রানি রাসমণি’ ডাকা শুরু করে।
বিশদ

27th  October, 2018
 সিদ্ধিদায়িনী সিদ্ধেশ্বরী

বাঙালির প্রাণের উত্‌সব দুর্গাপুজো। এই দেবীর আগমন মানেই বাঙালির বাড়তি উন্মাদনা ও উত্‌সাহ। দেবী মহামায়াকে কেন্দ্র করেই তো তৈরি হয় নতুন নতুন পরিবেশ। মোহময় আলোকসজ্জার কারিকুরি দেখতে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে উপচে পড়ে ভিড়। বিশদ

13th  October, 2018
 স্বদেশি গানে দুর্গা

আমাদের দেশের জাতীয় ও আঞ্চলিক কবি সকল স্বদেশ বলতে বুঝতেন ভারতবর্ষকে। স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর হয়ে এক উন্মাদিনী প্রেরণায় ভারতমাতার জয়গান গেয়ে তাঁরা দেশ ও দেবীকে এক করে দেখেছেন। দেশের সাহিত্যে অঙ্কিত করেছিলেন দেশলক্ষ্মী দুর্গার এক পরিপূর্ণ মূর্তি।
বিশদ

13th  October, 2018
 সমপ্রাণ সর্বজনীন দুর্গাপুজোত্তরপাড়া

এক বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় পাড়ার কয়েকজন মহিলা মিলে ঠিক করেন যে, এভাবে বাড়িতে বসে না থেকে কিছু একটা করা উচিত। পরের দিনই তাঁরা ওই এলাকার সমস্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে জানিয়ে দিয়ে আসেন তাঁরা পাড়ার মহিলাদের নিয়ে একটা ক্লাব গঠন করতে চান এবং সেই ক্লাবের প্রথম কাজ হবে দুর্গাপুজো করা।
বিশদ

13th  October, 2018
 ১০ দুর্গার জীবনকথা

 আজ সে সময় এসেছে যখন জেগে উঠছে সমাজ, জেগে উঠছে চেতনা, জেগে উঠছি আমরা সবাই। আর তাই, সমাজের বিভিন্ন স্তরে ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে আমরা খুঁজে পেয়েছি দশজন সশরীরী দুর্গা। তাঁদের কারও অস্ত্র গাড়ির স্টিয়ারিং, কারও বা কালো কোট, কারও জাদুকাঠির গিলি গিলি ফুঁ কারও আবার নাচের ছন্দ। পরিচয় করাচ্ছেন ঋতুপর্ণা চট্টোপাধ্যায়। বিশদ

13th  October, 2018
দুর্গাপূজা মানেই নস্টালজিয়া: তনুশ্রী

 দুর্গাপূজা মানেই আমার কাছে অদ্ভুত এক নস্টালজিয়ায় ভর করে উড়ে চলা। ছোটবেলায় পুজোর সময় যেন বাঁধন ছাড়া একটা আনন্দের জোয়ারে ভেসে চলতাম। পড়াশুনো, স্কুল, বাবা-মায়ের বকুনি সবকিছু থেকে ছুটি। নিয়মহীন কয়েকটা দিন। এ যেন মজার ছুটি। ছোটবেলায় পুজোর জামা নিয়ে ভীষণ একটা ক্রেজ ছিল।
বিশদ

06th  October, 2018
নেদারল্যান্ডসে কল্লোলের
দুর্গাপুজোয় দেশি স্বাদ

দলের নাম কল্লোল। কয়েকজন প্রবাসী বাঙালি মিলে গড়ে তুলেছেন দলটা। বিদেশে দেশি সংস্কৃতিকে ছড়িয়ে দেওয়াই এই দলের উদ্দেশ্য। প্রতিবছর জাঁকজমক করে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে এই দল। তাঁদের কথায় কমলিনী চক্রবর্তী।
বিশদ

06th  October, 2018
একনজরে
বিএনএ, জলপাইগুড়ি: লোকসভা ভোটের মুখে জলপাইগুড়িতে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল তীব্র হয়ে উঠেছে। দলের জেলা সভাপতিকে সরানোর দাবিতে দলের একাংশের ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যেই এসটি-এসসি সেলের জেলা সভাপতি বদল নিয়ে দলে জোর চর্চা ছড়িয়েছে। ...

 নিজস্ব প্রতিবেদন: চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ৬টি ম্যাচ পরে তিনি গোল পেলেন। এই পর্বে মোট ২০টি শট বিপক্ষের গোল লক্ষ্য করে নিয়েও তিনি ছিলেন অভুক্ত। দীর্ঘ ...

  সংবাদদাতা, কান্দি: বুধবার গভীর রাতে বড়ঞা থানার কুলি গ্রামে ভস্মীভূত হয় ছ’টি দোকান। খবর পেয়ে কান্দি থেকে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নেভায়। এই ...

 ওয়াশিংটন, ৮ নভেম্বর (পিটিআই): দেশের সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্পর্ক বরাবরই অম্ল-মধুর। হোয়াইট হাউসের কোনও সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসিডেন্টকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন করার উপর ‘অলিক্ষিত নিষেধাজ্ঞা’ জারি থাকে সবসময়। কিন্তু, সিএনএন-এর হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্ট জিম অ্যাকোস্টা এই সব নিয়মের ধার ধারেননি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা-শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। আধ্যাত্মিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৩: হুগলি নদীতে পৌঁছালেন ব্যাপ্তিস্ত মিশনারি মিশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম কেরি
১৮৬১: কানাডায় টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে সরকারিভাবে নথিভুক্ত প্রথম ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়
১৮৭৭: ‘সারে জাহাঁ সে আচ্ছা’র রচয়িতা মহম্মদ ইকবালের জন্ম
১৯৬০: জার্মান ফুটবলার আন্দ্রে ব্রেহমের জন্ম
১৯৭৪: ইতালির ফুটবলার আলেকজান্দ্রো দেল পিয়েরোর জন্ম
১৯৮৯: বার্লিন দেওয়ালের পতন
২০০৫: ভারতের দশম রাষ্ট্রপতি কে আর নারায়ণনের মৃত্যু
২০১১: নোবেল পুরস্কার জয়ী হরগোবিন্দ খুরানার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১৪ টাকা ৭৩.৮৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৬০ টাকা ৯৬.৯৩ টাকা
ইউরো ৮১.৭০ টাকা ৮৪.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  November, 2018
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৩৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৬৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  November, 2018

দিন পঞ্জিকা

২৩ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া ৩৮/৪৮ রাত্রি ঘ ৯/২০। নক্ষত্র-অনুরাধা ৩৬/৫৩ রাত্রি ঘ ৮/৩৫, সূ উ ৫/৪৯/১২, অ ৪/৫১/৪৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
২২ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ঘ ৯/১৩/৫৭। অনুরাধানক্ষত্র রাত্রি ঘ ৯/২২/৫৭। সূ উ ৫/৪৯/১১, অ ৪/৫১/১৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩/২০ মধ্যে ও ঘ ৭/১৭/২৮ থেকে ঘ ৯/২৯/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২/২৯ থেকে ২/৩৮/৫৩ মধ্যে ও ৩/২৩/২ থেকে ৪/৫১/১৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩/১০ থেকে ঘ ৯/১০/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৬/১১ থেকে ৩/১৩/৩৭ মধ্যে ও ৪/৫/২৮ থেকে ৫/৪৯/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩৪/৪৩ থেকে ৯/৫৭/২৯ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৭/২৯ থেকে ঘ ১১/২০/১৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫/৪৭ থেকে ঘ ৯/৪৩/১ মধ্যে। আজ ভ্রাতৃদ্বিতীয়া।
 
এই মুহূর্তে
গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত পুলিস 
সল্টলেক করুণাময়ীতে গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত হলেন দুই ...বিশদ

04:59:28 PM

৭৯ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:52:11 PM

চায়না ওপেনে হার কিদাম্বি শ্রীকান্তের 

03:34:00 PM

১৭ নভেম্বর মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:29:00 PM

মুর্শিদাবাদে প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ 
বৃহস্পতিবার রাতে মুর্শিদাবাদের গোদাপাড়া গ্রামে এক প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার অভিযোগে ...বিশদ

03:25:00 PM

মুর্শিদাবাদের শেরপুর মোড়ে দেড় কুইন্টাল গাঁজা সহ গ্রেপ্তার ৪ 
বৃহস্পতিবার রাতে খড়গ্রাম থানার শেরপুর মোড়ে প্রায় দেড় কুইন্টাল গাঁজা ...বিশদ

03:21:00 PM