Bartaman Patrika
চারুপমা
 

মুখ ঢেকে যায় মাস্কে 

মন্দার বোস ভূপর্যটকের মুখোশ পরেছিল বলে চিন্তায় পড়ে গিয়েছিল ফেলুদা। তবে সে রহস্য সমাধানও করে ফেলেছিল তড়িৎ গতিতে। কিন্তু কোভিড-রহস্য? এখনও কেউ জানে না, আরও কত দিন করোনাভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ চালাতে হবে আমাদের।
করোনার এমন তাড়না যে এখন দিবারাত্র মুখোশ (অবশ্যই আক্ষরিক অর্থে) পরে থাকাটাই ঘোর বাস্তব। টিভি বা খবরের কাগজ, সর্বত্র বিজ্ঞানীরা বলে যাচ্ছেন, রাতে ঘুমোনোর সময়টুকু শুধু মাস্ক ছাড়তে পারেন। অর্থাৎ মুখোশের আড়ালই এখন বাঁচার চাবিকাঠি।
অতএব পৃথিবীর যে প্রান্তেই আপনি যান বা থাকুন না কেন, ‘মাস্ক-এ-টিয়ার’ হয়ে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ। করোনা-যুদ্ধে যাঁরা সামনে থেকে লড়ছেন, সেইসব ডাক্তার বা নার্সদের জন্য যে সব মাস্ক রয়েছে, তা সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য নয়। আমার-আপনার জন্য উপযোগী সুতির কাপড়ের সাধারণ মাস্ক, যা সহজেই ধুয়ে নেওয়া যাবে এবং অনেক বার ব্যবহার করা যাবে। এমন মাস্কের চাহিদা তাই রাতারাতি বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। প্রয়োজনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এ ধরনের সাধারণ মাস্ক তৈরিতে নেমে পড়েছেন বিদেশি নামী ব্র্যান্ড থেকে শুরু করে এ শহরের ডিজাইনারেরাও।
বিদেশে হিড়িকটা শুরু হয়েছে আরও আগে থেকেই। কারণ সেখানে করোনা থাবা বসিয়েছে অনেক আগে। কোভিড-১৯-এর দাপটে যখন সব রকম কেনাবেচা বন্ধ, তখন মাস্কই হয়ে উঠেছে সবার সহায়। তা সে নামজাদা গুচ্চি বা লুই ভিতঁ হোক বা আপনার পাড়ার আশপাশে রোলের দোকান বা লটারি বেচে দিন চালানো ছেলেটি— সবার ভরসা এখন মাস্ক। শহুরে ক্রেতা অনলাইনেও বিভিন্ন ধরনের মাস্ক কিনতে পারছেন। তার মধ্যে মাসাবা গুপ্তার মতো সেলিব্রিটি ডিজাইনারও রয়েছেন। তিনি নিজের তৈরি মাস্কের নাম দিয়েছেন মাস্কাবা। আবার ওয়াল্ট ডিজনির মতো সংস্থা তাদের মাস্কে বাচ্চাদের প্রিয় চরিত্রগুলোর ছবি দিয়ে বিক্রি করছে। তার মধ্যে মিকি মাউস, মিনি মাউস আর ফ্রোজেন-এর মতো জনপ্রিয় চরিত্রের ভিড়। বসে নেই বলিউড থেকে টলিউডের সেলেবরাও। অমিতাভ বচ্চন, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, মিলিন্দ সোমান এবং এ শহরের দেব-মিমি চক্রবর্তীরাও মাস্ক পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দিচ্ছেন মানুষকে সচেতন করার জন্য।
ভারতীয় পোশাক বিপণির মধ্যে ফ্যাব ইন্ডিয়া, ওখাই, আইটোকরি— এরাও এখন ঝুঁকেছে মাস্কের দিকেই। কেউ আনছে ইক্কত কাপড়ের মাস্ক। কারও মাস্কে সুতোর সুন্দর কাজ। কোনও কোনও সংস্থার মাস্কে আবার রাজস্থানি বাগরু ছাপ।
এ শহরে কেউ সাদামাটা সুতির কাপড়, কেউ বা নাইলনের মতো সামগ্রী দিয়ে বানিয়ে ফেলছেন মাস্ক। কেউ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম মেনে দুই বা তিন পরত-বিশিষ্ট মাস্ক তৈরির। মাস্ক বানানোর গোড়া থেকেই খেয়াল রাখা হচ্ছে হাইজিনের দিকেও। শহরের দু’তিনজন ডিজাইনারের সঙ্গে কথা বলতেই জানা গেল বিষয়গুলো। বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে মাস্ক দরিদ্রদের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার দিকেও খেয়াল রাখছেন তাঁরা।
এমনই একজন প্রিয়াঞ্জলী বসু। তিনি যে সংস্থাটি তৈরি করেছেন, সেটি বরাবরই পরিবেশ-বান্ধব। কাপড় নষ্ট যাতে না হয়, তার জন্য বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস, কাপড় রফতানির সঙ্গে জড়িত দোকান এবং দর্জিদের থেকে টুকরো কাপড় দিয়ে পোশাক তৈরি করে সংস্থাটি। প্রিয়াঞ্জলী জানালেন, তিনি যাঁদের দিয়ে পোশাক তৈরি করান, তাঁদের বেশির ভাগই মহিলা। লকডাউনের মধ্যে তাঁরা বাড়ি থেকে কাজ করছেন। মাস্ক বানানোর কাপড় ঠিকমতো ধুয়ে প্রিয়াঞ্জলীরা তাঁদের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিয়ে আসছেন। মাস্ক তৈরি হয়ে যাওয়ার পরে সপ্তাহে দু’বার করে গিয়ে তা আবার নিয়ে আসছেন। “সেই মাস্ক বাড়িতে এনে নিয়ম মেনে আবার স্যানিটাইজ করা হচ্ছে,” বললেন তিনি। এরপরে সব শেষে যাদের মাধ্যমে বাজারে পৌঁছবে মাস্ক, দেওয়া হচ্ছে সেখানে। শুধু বিক্রি নয়, বেশ কিছু দিন ধরে প্রত্যন্ত মানুষদের কাছে বিনামূল্যে মাস্ক পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও করেছেন প্রিয়াঞ্জলী।
বালিগঞ্জ প্লেসে বিপণি চালান সুদেষ্ণা চট্টোপাধ্যায়। এখন পোশাক তৈরি নয়, সময়ে প্রয়োজনে সাড়া দিয়ে মাস্ক তৈরি করছেন তিনিও। কোভিড-হানার পরপরই মাস্ক হাতে না পেয়ে অনেকে রুমালে মুখ ঢেকে কাজ চালাচ্ছিলেন। “পথে-ঘাটে এমন লোকজনকে দেখেই কাপড়ের মাস্ক তৈরির কথা মনে হয়েছিল,” বললেন তিনি। তার সঙ্গে স্টাইলকেও মিলিয়ে দেওয়ার কথা ভেবেছেন সুদেষ্ণা। গত মাস থেকে শুরু করেছেন কাজ। দু’কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে তিনি আপাতত মাস্ক ডেলিভারি করাতে পারছেন। তার মধ্যে বিপদের সম্মুখীনও হতে হয়েছে। যাদের মাধ্যমে প্রথমে পাঠাচ্ছিলেন, তারা মাস্ক আর ডেলিভারির টাকা নিয়ে উধাও, এই আকালে এমনটাও ঘটেছে। তিনি এখন সপ্তাহে দু’দিন নিজস্ব চালককে দিয়ে ডেলিভারি করাচ্ছেন। সুদেষ্ণা জানালেন, একটি মাস্ক বিক্রির টাকায় (১৫০) আরও পাঁচটি মাস্ক বানিয়ে বিতরণ করছেন তিনিও। দরিদ্র এবং বয়স্কদের কাছে একটি সংস্থার মাধ্যমে মাস্ক পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। লকডাউন চলার জন্য বিতরণের কাজে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। লকডাউন উঠে গেলে সেটা আরও সহজে করা যাবে বলে সুদেষ্ণার দাবি।
সাধারণ সময়ে ব্যাগ বানান ঋদ্ধি কাপুর। তাঁর স্বামী একটি ই-কমার্স সংস্থায় কাজ করেন। সেই সংস্থার ডেলিভারি-বয়দের জন্য প্রথমে গোটা ৫০ কাপড়ের মাস্ক বানিয়ে দিয়েছিলেন ঋদ্ধি। তখনও লকডাউন শুরু হয়নি। তারপরে তাঁর মনে হয়েছিল, এটা তো ক্রমশ দরকারি জিনিস হয়ে উঠছে। নিজের ব্র্যান্ড থেকেও তো মাস্ক বানানো যায়। যেমন ভাবা, তেমনি কাজ। চারটি সাইজে মাস্ক তৈরির কাজ শুরু করে দেন তিনি। তারপরে সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর দেওয়া মাত্র চাহিদা বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। কিছু দিন পোস্টঅফিসের মাধ্যমে পাঠিয়েছেন মাস্ক। বেহালা-টালিগঞ্জ-বাঘাযতীন পর্যন্ত কোনওমতে পৌঁছে দিয়েছেন। এখন লকডাউনে আর পারছেন না। সব খুললে আবার পাঠাতে পারবেন বলে তাঁর আশা। যাঁরা বেশি দামে কিনতে পারবেন না, তাঁদের জন্য ১০-১৫ টাকায়ও মাস্ক বেচেছেন তিনি।
শুধু ডিজাইনাররা নন। কাপড়ের মাস্ক তৈরির কাজে হাত লাগিয়েছেন আম আদমিও। তাঁরাও জানেন, অদূর ভবিষ্যতে বড় ভরসা মুখোশই। সুতপা বিশ্বাস তাঁদেরই একজন। প্রতি বার চৈত্রের শেষ থেকে তাঁদের কাপড়ের ব্যবসার রমরমা চলে। এবার স্বামীর ব্যবসায় বজ্রাঘাত। চুপচাপ বসে না থেকে মাস্ক তৈরির বুদ্ধি বাতলেছেন সুতপা। এই দুর্দিনে তিনি নিজেই সেলাই মেশিনে ঝটপট বানাচ্ছেন মাস্ক। বিভিন্ন জায়গায় তা নিয়ে ছুটছেন স্বামী। বারো হাতের বদলে এই একটুকরো কাপড়েই আশার আলো খুঁজছেন ওঁরা। 
23rd  May, 2020
‘পুরনো জীবনটা
কেউ ফিরিয়ে দিক!’

প্রশ্ন: এই লম্বা সময়টা কাটছে কী করে, মাথা কীভাবে ঠান্ডা রাখছ?
নন্দিনী: মাথা ঠান্ডা রাখাটা সত্যি খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে। চারদিক থেকে এত রকম চাপ! বাড়ি বসে অফিসের কাজ। তার মধ্যে আমাদের যাঁরা সব সময় সাহায্য করেন, সেই পরিচারিকারাও আসতে পারছেন না। তাই বাচ্চাকে দেখা, রান্নাবান্না... সবই তো করতে হচ্ছে মিলিয়ে মিশিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2020
‘তিনজনে বেশ আনন্দেই আছি’

প্রশ্ন: লকডাউনে দিন কাটছে কীভাবে? মাথা কীভাবে ঠান্ডা রাখছ?
সৃজা: সকালটা কাজ আর এক্সারসাইজ করে কেটে যাচ্ছে। প্রথমে রান্না, অবন্তিকাকে (কন্যা) খাওয়ানো, স্নান করানো এই সব চলে। তার পরে ৪৫ মিনিট ধরে ওয়েট ট্রেনিং করি। দুপুরে খাওয়ার পরে মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে একটু ওয়েব সিরিজ দেখি। বিকেলে চা খেতে খেতে আমি আর অর্জুন আড্ডা দিই।
বিশদ

16th  May, 2020
রান্নাঘরের রবিঠাকুর 

পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়: নবনীতা দেবসেন তখন খুব ছোট। বাবা নরেন্দ্র দেব ও মা রাধারানি দেবী দু’জনেই ছিলেন সাহিত্যক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত । শরৎচন্দ্র তাঁদের স্নেহ করতেন, পেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথের ভালোবাসা। কবির আমন্ত্রণে শিশুকন্যা নবনীতাকে নিয়ে তাঁরা একবার গিয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে।  
বিশদ

09th  May, 2020
সত্যেরে লও সহজে 

রবীন্দ্রনাথ নিজেও জানতেন সত্যকে সহজে মেনে নেওয়া কত কঠিন। যেমন এই মুহূর্তে হচ্ছে আমাদের। কবিগুরুর জন্মদিনে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি শুনশান, রবীন্দ্রসদনে কোনও সুরের মূর্ছনা নেই, কবিপক্ষ জুড়ে অনুষ্ঠানের আলো নেই - এ সত্য যেন অসহনীয়। তারই মাঝে আশার আলো জ্বালাল সোশ্যাল মিডিয়া। ইউ টিউব,ফেসবুক আর ওয়েব পেজ জুড়ে কীভাবে পালন করা হচ্ছে কবিগুরুর জন্মদিন, শিল্পীরা কে কী ভাবছেন তারই ঝলক রইল সোমা লাহিড়ীর প্রতিবেদনে। 
বিশদ

09th  May, 2020
রান্নায় ঠাকুরবাড়ির স্বাদ  

ঠাকুরবাড়ির হেঁশেলে নানারকম রান্না হতো। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও রান্না নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে ভালবাসতেন। ঠাকুরবাড়ির রান্নার কয়েকরকম রেসিপি দিলেন সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রপৌত্রবধূ শুভ্রা ঠাকুর। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন কমলিনী চক্রবর্তী।  
বিশদ

09th  May, 2020
 ফ্রি হ্যান্ডে রোগ দূরে

 জিম বন্ধ। তাতে কী? ইচ্ছে থাকলেই উপায় হয়। বললেন প্রাক্তন মিস্টার ইন্ডিয়া ফাইনালিস্ট মডেল অভিনেতা সম্রাট মুখোপাধ্যায়। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানোর ১০টি পরামর্শ দিয়েছেন আজ আপনাদের। লিখেছেন চৈতালি দত্ত।
বিশদ

25th  April, 2020
দ্রুত প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান

প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ১২টি জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ আশিস মিত্র। কথা বলেছেন স্নেহাশিস সাউ। বিশদ

25th  April, 2020
বাই বাই অবসাদ 

মনকে শান্ত রাখার পরামর্শে যোগাচার্য প্রেমসুন্দর দাস। লিখেছেন স্নেহাশিস সাউ। 
বিশদ

18th  April, 2020
ডিপ্রেশনের ১০ দাওয়াই 

টানা চল্লিশ দিন ঘরবন্দি থাকলে তো অবসাদ আসতেই পারে। তবে তাকে দূরে সরিয়ে দিতে হবে। উপায় কী? মনোবিদ ডাঃ রিমা মুখোপাধ্যায়ের পরামর্শ নিয়ে বিষয়টিতে আলোকপাত করলেন সোমা লাহিড়ী।  
বিশদ

18th  April, 2020
নববর্ষে স্বাস্থ্যবিধি মানার শপথ নিচ্ছি 

বললেন টলিউডের ব্যস্ততম অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। লক ডাউনের আগেই তিনি পাড়ি দিয়েছেন সিঙ্গাপুরে। স্বামী ছেলে মেয়ের সঙ্গে কাটবে এবার বাংলা নববর্ষের দিনটি। কীভাবে কাটাবেন আর কী কী অঙ্গীকার নেবেন জানলেন পাঠকদের।  জীবনে কখনও ভাবিনি এমন অখণ্ড অবসর পাবো। কল্পনাতেও ছিল না স্বামী ছেলে মেয়ের সঙ্গে নিভৃতে এতগুলো দিন কাটাতে পারব। করোনা ভাইরাস সংক্রমণে সারা বিশ্ব বিপর্যস্ত। 
বিশদ

11th  April, 2020
জড়োয়া গয়না পুরাতন প্রসঙ্গ 

জড়োয়া গয়না ছিল আভিজাত্য, বনেদিয়ানার প্রতীক। পরিবারের অর্থ কৌলীন্য ঠিকরে পড়ত জড়োয়া গয়নার দামি পাথরের দ্যুতিতে। লিখেছেন শ্যামলী বসু।
বিশদ

28th  March, 2020
বসন্ত সাজে 

বসন্ত মানেই ফুরফুরে মেজাজ। তাই রঙিন সাজে সেজে উঠতে মন চায়। এমন দিনে কেমন হবে প্রসাধন পরামর্শ দিচ্ছেন মেকআপ এক্সপার্ট গৌরী বোস।   বিশদ

21st  March, 2020
বসন্ত এসে গেছে 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে যখন বক্ষ দুরু দুরু, তখন কি আর বসন্ত মনে দোলা দেয়? তবু বসন্ত সম্ভারে তো চোখ রাখতেই হয়। লিখেছেন সোমা লাহিড়ী। 
বিশদ

21st  March, 2020
বসন্ত বাহার

বসন্ত মানেই রঙবাহারি শাড়ির আয়োজন। সঙ্গে সঙ্গত দিতে চাই অভিনব অলঙ্কার। লিখেছেন সোমা লাহিড়ী।  বিশদ

14th  March, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি, ২৭ মে: বিভিন্ন হোটেলের শ্রেণিবিন্যাস ও অনুমোদনের সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করল পর্যটন মন্ত্রক। এই অনুমোদনের মেয়াদ থাকে পাঁচ বছর। মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমানে আতিথেয়তা শিল্প একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এগচ্ছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: লকডাউনে কাজ হারানো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাড়ে আট হাজার মানুষকে প্রচেষ্টা প্রকল্পে মাথাপিছু ১০০০ টাকা দিল রাজ্য সরকার। লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ‘স্নেহের পরশ’ এবং কাজ হারানো দুঃস্থ মানুষদের জন্য ‘প্রচেষ্টা’ প্রকল্প ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।   ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ভিনরাজ্যে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিক, তীর্থ যাত্রী বা চিকিৎসার কাজে বাইরে যাওয়া মানুষজনকে নিয়ে একের পর এক ট্রেন আসছে হাওড়া স্টেশনে। প্রায় প্রতিদিনই কমপক্ষে একটি ট্রেন তো ঢুকছেই হাওড়ায়। ...

সংবাদদাতা, গাজোল, রতুয়া ও পতিরাম: জামাইষষ্ঠীতে মালদহের বাজারগুলিতে পোল্ট্রির মাংসের দাম বাড়ল প্রায় দ্বিগুণ। দু’এক সপ্তাহ আগেও ইংলিশবাজার ও পুরাতন মালদহ শহরের বাজারগুলিতে পোল্ট্রির মুরগীর ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যাধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪২ - লন্ডনে প্রথম ইনডোর সুইমিংপুল চালু
১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৬.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯৪.১২ টাকা
ইউরো ৮১.২৯ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ৪৬/১৯ রাত্রি ১১/২৮। পুষ্যা নক্ষত্র ৬/১৬ দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৭, সূর্যাস্ত ৬/১১/২০। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৮/৫৩। পুষ্যানক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৩৫ পরে অশ্লেষানক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৪৫। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৪ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
৪ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯০ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬,৯৪৮ 

27-05-2020 - 09:09:17 PM

 কলকাতার উপর দিয়ে ঝড় বইল ঘণ্টায় ৯৬ কিমি বেগে

27-05-2020 - 07:45:15 PM

বাংলায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১৮৩ 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

27-05-2020 - 07:08:26 PM

অসমে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৬০
অসমে নতুন করে আরও ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। ...বিশদ

27-05-2020 - 06:56:31 PM

একদিনে তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত ৮১৭
একদিনে তামিলনাড়ুতে ৮১৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

27-05-2020 - 06:50:00 PM

শুরু হল বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি 
কলকাতা সহ জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি। যদিও আবহাওয়া ...বিশদ

27-05-2020 - 06:43:33 PM