Bartaman Patrika
চারুপমা
 

আংটি নামে গয়নাটি

আংটি নামে ছোট্ট গয়নাটি মানুষের জীবনের অনেকখানি জায়গা জুড়ে আছে। সেই সঙ্গে জায়গা করে নিয়েছে জীবনের দর্পণ সাহিত্যের পাতায়ও। আংটি নিয়ে গল্প শুনিয়েছেন শ্যামলী বসু।

গয়নাটি ছোট হলেও সাজ সম্পূর্ণ হয় না আংটি ছাড়া। আর এই ছোট্ট গয়নাটির সঙ্গে এত রহস্য, রোমান্স, রোমাঞ্চ জড়িয়ে আছে, অন্য গয়নার সঙ্গে তেমন নেই! বিভিন্ন সময়ে, নানা উপলক্ষে উপহার হিসাবেও আংটির তুলনা মেলা ভার! মেয়ের বিয়ের গয়নার তালিকায়, বরাভরণের আবশ্যিক অঙ্গ হিসাবে, আংটি ছাড়া জীবন অচল। এছাড়া, বিয়ে, বউভাত, উপনয়ন, অন্নপ্রাশন, পরীক্ষার সাফল্যে আংটি বেশ প্রত্যাশিত উপহার। এছাড়া প্রণয়ীযুগল বা দম্পতির প্রণয় উপহার হিসাবেও আংটির কদর বড় কম নয়। আংটি হয় তামা, রুপো, কিন্তু প্রধানত সোনার। মিনে করা, নকশা করা, ছিলা কাটা কি পাথর বসানো। কখনও বা সোনার ওপর মিনাকারি করে ধারকের নাম বা নামের আদ্যক্ষর লেখা থাকে। হীরে, মুক্তো, পান্না, চুনি, পোখরাজ বসানো সোনার আংটির কদর ও দাম দুইই বেশি। এসব হল জড়োয়া আংটি। সোনা ছাড়া সঙ্গতি থাকলে হীরে বসানো হয় প্ল্যাটিনামের আংটিতে। আর গ্রহশান্তির জন্য জ্যোতিষীদের পরামর্শে আঙুলে ধারণ করা হয়। পলা, নীলা, ক্যাটসআই বা বৈদুর্যমণি ইত্যাদির গ্রহরত্নের আংটি।
বিয়ের সাজে মেয়েদের আঙুলে থাকে আংটি, বরাভরণে বরকেও যৌতুক দেওয়া হয় আংটি, কিন্তু বরসাজেরও একটা অঙ্গ সোনা বা জড়োয়া আংটি। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেজ ছেলে হেমেন্দ্রনাথ নিজেই লিখেছেন নিজের বিবাহ প্রসঙ্গে বর সাজের কথা। বেনারসি জোড়, হীরের কণ্ঠা, মুক্তোমালা, জড়োয়া আংটি, হীরের বালার সাজে সুপুরুষ হেমেন্দ্রনাথকে দেখে বালিকা, শ্যালিকা প্রফুল্লময়ীর মনে হয়েছিল— ‘স্বয়ং মহাদেব যেন ধরাতলে অবতীর্ণ’ হয়েছেন।
গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মেয়ে পূর্ণিমা লিখেছেন, দাদা গেহেন্দ্রের বিয়ের সাজ ছিল ‘বেনারসি জোড় পাঞ্জাবি... হীরের কণ্ঠা, হাতে (আঙুলে) হীরের আংটি’ ইত্যাদি।
উনিশ শতকের শেষের দিকে ইঙ্গবঙ্গ সমাজে বিলিতি অনুকরণ ও অনুসরণে বিয়ের আগে, ভাবী বর-ভাবী বধূকে আংটি পরিয়ে দিত ‘এনগেজমেন্টের’ চিহ্ন হিসাবে। এমনই এক বিলেত ফেরত ভূতাত্ত্বিক পাত্র প্রমথনাথ বসু ভাবী স্ত্রী, রমেশচন্দ্র দত্তের বড় মেয়ে কমলার আঙুলে পরিয়ে দিয়েছিলেন হীরের আংটি। প্রবাস থেকে তিনি কমলাকে লিখেছিলেন, ‘আমি তোমাকে যে আংটি দিয়াছিলাম, তার অন্য মানে আছে। তোমার আত্মীয় ও বন্ধু বান্ধবদের কাছে আংটি এনগেজমেন্টের চিহ্ন, কারণ লজ্জায় তুমি বলিতে পারিবে না।’ প্রথম যুগের ব্রাহ্ম বিয়ের রীতিতে কিছুটা খ্রিস্টান প্রথার অনুকরণ ছিল। তারই অনুসরণে কনের আঙুলে পরিয়ে দেওয়া হতো বিয়ের আংটি বা ‘ওয়েডিং রিং’। লীলা মজুমদার স্মৃতিচারণে লিখেছেন, বিয়ের পর তাঁর মায়ের আঙুলে থাকত ‘প্লেন সোনার বিয়ের আংটি’। নিজের বিয়ের প্রসঙ্গে লীলা লিখেছেন ‘আমার আঙুলে প্লেন সোনার একটা তিন সাইজ বড় আংটি পরানো হল।’
বিশ শতকের তিরিশের দশকে শিল্পী মুকুল দে বলেছেন, ভাবী স্ত্রী বীণাকে দেখে তাঁর ‘যাকে বলে লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট’ তাই হয়েছিল। বিয়ে করতে দেরি করেননি মুকুল। মণিকারের দোকানে বীণাকে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর পছন্দ করা আংটি পরিয়ে দেবেন বলে। বীণা লিখেছেন বীণার পছন্দ মতো ‘হীরে, মুক্তো বা কোনও পাথর বসানো নয়, কোনও কারুকাজ করা ডিজাইনও নয়, সম্পূর্ণ প্লেন একটি (সোনার) আংটি আমার আঙুলের মাপে কিনে পরিয়ে দিয়েছিলেন।’
বিজয়া রায় স্মৃতিচারণে লিখেছেন, বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের আগে বোম্বাই-এ তাঁকে নিয়ে সত্যজিৎ গিয়েছিলেন ‘এনগেজমেন্ট রিং’ কিনতে। ‘শেষকালে ফিরোজ শাহ মেহেতা রোডে একটা দোকানে ‘রুপোর উপর সোনার জল করা কৃষ্ণের মূর্তি, মুখে বাঁশি আর পিছনে একটা গোরু গা ঘেঁষে রয়েছে দেখে আমার ভারী পছন্দ হল। উনি (সত্যজিৎ) অবাক হয়ে বললেন ‘সেকি, হীরে, রুবি সব ছেড়ে শেষকালে সোনার জল করা একটা রুপোর আংটি?’
অবশ্য পরে পঁচিশ বছরের বিবাহবার্ষিকীতে বিজয়াকে হীরের কানফুল ও হীরের আংটি উপহার দিয়েছিলেন সত্যজিৎ। হীরের আংটি পছন্দ করতেন বলে বিজয়া স্বোপার্জিত অর্থে আরও একটি হীরের আংটি কিনেছিলেন। তবে দাদাশ্বশুর উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরির হীরে বসানো সোনার আংটিটি হারিয়ে ফেলে খুবই দুঃখ পেয়েছিলেন।
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন বাবা গুণেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রসঙ্গে। গুণেন্দ্রনাথ শৌখিন পুরুষ ছিলেন। হাতে কাট গ্লাসের আতরের শিশি বসানো ছড়ি, আঙুলে ‘বনস্পতি’ হীরের আংটি পরে যেতেন বেড়াতে। একবার হীরেটি আংটি থেকে খুলে পড়ে যায়। তাঁর বুদ্ধু বেহারা একটা সাধারণ পাথর ভেবেই সেটি আলমারিতে তুলে রেখেছিল!
অবনীন্দ্রনাথ একবার একটি আশ্চর্য সুন্দর ছোট্ট পাথর খুঁজে পান। দৌহিত্র মোহনলাল লিখেছেন, ‘এতটুকু তেঁতুল বীচির মতো অদ্ভুত একটি পাথর। বাদামি তার রং। আলোর দিকে ধরলে স্বচ্ছ দেখায়। আর অবাক কাণ্ড! তার ঠিক মাঝখানে একটি মৌমাছি জমে পাথর হয়ে রয়েছে। দাদামশায় সেই অপূর্ব পাথরটি বাঁধিয়ে আংটি করিয়েছিলেন। প্রায়ই পরতেন।’
মুকুল দে’কে এক জ্যোতিষী বলেছিলেন, সোনা বাঁধানো ক্যাটস ‘আই’ বা বৈদুর্যমণি ধারণ করতে। একবার সপরিবারে সিংহলে গিয়েছিলেন। সেখানে এক সম্ভ্রান্ত মহিলা তাঁকে উপহার দিয়েছিলেন বৈদুর্যমণি বা ‘ক্যাটস আই’ খচিত সোনার আংটি। আংটি পরে মুকুলের ছবি প্রদর্শনী হলে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে চতুর্দিকে। খুবই সম্মান পেয়েছিলেন সেখানে। প্রচুর ছবি বিক্রি হয়। অনেক পোর্ট্রেট করেন, ছবি আঁকেন। বহু অর্থ উপার্জন করেন, খরচও করেন দু’হাতে। ফেরার পথে ট্রেনে আংটি থেকে পাথরটি কোথায় যেন পড়ে যায়। তারপর থেকেই মুকুল আবার নিঃস্ব। বীণা তাঁর ঝুলি ঝেড়ে কুলি বিদায় করেন। মুকুল নিজেই বলেছেন ‘পুনর্মূষিক হওয়া গেল!’
সেকালের অভিজাত পরিবারের মেয়ে-বউদের অলঙ্কার প্রাচুর্য যে পরিবারের অর্থকৌলীন্য আর বনেদিয়ানা— দুইই বোঝাত। দামি বা বিরল গয়নাপত্র কি দুষ্প্রাপ্য রত্ন নিয়ে বনেদি পরিবারের মধ্যে অলিখিত রেষারেষিও চলত সেকালে। এমন এক অতি ধনী প্রতিদ্বন্দ্বী পরিবারে নিমন্ত্রণ রাখতে এসেছিলেন। আরেক ধনী বনেদি পরিবারের চূড়ামণি দত্তর মেয়ে। মেয়ে এসে নিমন্ত্রণ বাড়িতে দাঁড়ালে, দেখা গেল, গোটা শামিয়ানার রং পাল্টে ময়ূরকণ্ঠি আভা লেগেছে! এর কারণ অনুসন্ধান করে দেখা গেল ওই মেয়ের আঙুলের আংটির পাথর থেকেই এমন আভা দেখাচ্ছে। গল্পের আর শেষ নেই আংটি নিয়ে।
তেমনই শেষ নেই বাঙালির সাহিত্যে আংটি প্রসঙ্গের। বঙ্কিমচন্দ্রের দুর্গেশনন্দিনী, দেবী চৌধুরানী, যুগলাঙ্গুরীয় উপন্যাসে পাঠক তার পরিচয় পেয়েছেন। ভূদেব মুখোপাধ্যায় লিখেছিলেন— অঙ্গুরীয় বিনিময়। রবীন্দ্রনাথের ‘বিচারক’ গল্পে আংটি প্রসঙ্গ পাঠকের মন ভিজিয়ে দেয়। আর রহস্য গল্পে হেমেন্দ্রকুমার রায়, নীহাররঞ্জন গুপ্ত, সত্যজিৎ রায় বারবার এনেছেন আংটির কথা। সহৃদয় পাঠকের তা অজানা নেই!
আংটির ছবি: শ্যামসুন্দর কোং জুয়েলার্স                                                                              
ফোন: গড়িয়াহাট, ফোন: ২৪৬৪২৪৬৪, বেহালা ফোন: ২৩৯৮৮৮২২, বারাসত, ফোন: ২৫৫২৮৮২২
06th  July, 2019
পুজোর ফ্যাশন 

করোনার দাপটে এবারের পুজোয় কিছুটা হলেও জৌলুস হয়তো কম হবে। তাই বলে কি পিছিয়ে থাকতে হবে ফ্যাশনে? একেবারেই না। পুজোর ভিড়ে হারিয়ে গিয়ে আনন্দ করার সুযোগ না হলেও ভিডিও কল বা বাড়ির ছোট্ট আড্ডায় সাজগোজ তো লাগবেই। সবাইকে তাক লাগিয়ে দেওয়ার আগে জেনে নিন এবার ফ্যাশনে কোনটা ইন, আর কোনটা চলবে না। চারূপমার পাতায় শুরু হল তারই খোঁজ।   বিশদ

ভালো লাগছে!
নিজেই বলুন নিজেকে

বয়স আর সৌন্দর্য কি হাত ধরাধরি করে চলে? অনেকেই হয়তো বলবেন, না। তাহলে বয়স হলে সৌন্দর্য কি ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকবে? একেবারেই না। ষাটের উপান্তে এসেও কীভাবে নিজের লাবণ্য থাকবে অটুট, জাতীয় পুরস্কারজয়ী কস্টিউম ডিজাইনার এবং স্টাইলিস্ট সাবর্ণী দাসের সঙ্গে আলোচনায় অন্বেষা দত্ত।
বিশদ

12th  September, 2020
 বয়স বাড়ে বাড়ুক

 মনের বয়স বাড়তে না দিলে ত্বকের বয়স অনেকটা বেঁধে রাখা যায়, বললেন ত্বক বিশেষজ্ঞ ডা: সুব্রত মালাকার। তাঁর পরামর্শ শোনাচ্ছেন সোমা লাহিড়ী। বিশদ

12th  September, 2020
মুগ্ধ করুন বাহারি চুলে 

নামেই উৎসব। সে মরশুমেও এবার স্বস্তি নেই। আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না। তবু কেশসজ্জা ছাড়া আর কত দিন চলে? বাহারি চুলের কেতায় মুগ্ধ করুন নিজেকে, সঙ্গে বাকিদেরও। হেয়ার এক্সপার্ট জাভেদ হাবিব এবং প্রিসিলা কর্নারের সঙ্গে কথা বলেছেন অন্বেষা দত্ত। 
বিশদ

05th  September, 2020
যত্নে রাখুন ঠোঁট 

মাস্কে ঢাকা পড়ছে বলে যত্ন নেবেন না ঠোঁটের? তাই কি হয়? কীভাবে যত্ন নেবেন ঠোঁট, আপার লিপ ও চিনের?  জানাচ্ছেন বিউটি এক্সপার্ট ঐশ্বর্য বিশ্বাস। 
বিশদ

05th  September, 2020
ত্বকের যত্নে
ঘরোয়া ফেস প্যাক 

বাড়িতে আছেন বলে ত্বকের যত্ন নেওয়ার কথা ভুললে চলবে না। নিয়মমাফিক ত্বকের সঠিক যত্ন না নিলে তা রুক্ষ হয়ে যাবে। তাই ঘরোয়া প্যাক দিয়েই ত্বকের পরিচর্যা বা ফেসিয়াল করুন, জানালেন বিউটি থেরাপিস্ট এবং স্কিন এক্সপার্ট শাহনাজ হুসেন। তাঁর সঙ্গে কথা বললেন কমলিনী চক্রবর্তী। 
বিশদ

05th  September, 2020
সুরক্ষা ব্যান্ডানার ফাঁসেই 

এক টুকরো কাপড়। আর তাতেই সুরক্ষাবলয় নিশ্চিত। পোশাকি নাম ব্যান্ডানা। ডাকনাম স্কার্ফ। করোনা আতঙ্কে একদিন জানা গেল, চুলেও আটকে থাকতে পারে ভাইরাস। সেদিন থেকেই মাথা ঢাকতে স্কার্ফকে আঁকড়ে ধরলেন ফ্যাশন সচেতনরা।
বিশদ

29th  August, 2020
রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার রহস্যজামদানিতে 

অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন ডিজাইনার দেবযানী রায়চৌধুরী। তাঁর আঁকা নকশায় তাঁতশিল্পীরা বাংলার তাঁতের জমিনে ফুটিয়ে তুলছেন বাঘ, জেব্রা, জিরাফ, চড়ুই, এমনকী আইসক্রিম ললিপপের মতো মজাদার মোটিফ। তাঁর কাজ দেখে লিখেছেন সোমা লাহিড়ী।
 
বিশদ

29th  August, 2020
হাতে ইউনিকর্ন ভালো লাগে 

কেন ভালো লাগে ট্যাটু? প্রথম ট্যাটুর স্মৃতি কেমন, যাঁরা ভবিষ্যতে করাবেন, তাঁদের কী পরামর্শ দেবেন? ট্যাটু নিয়ে নিজেদের মনের কথা বললেন
মুমতাজ সরকার
বিশদ

22nd  August, 2020
আরও ডিজাইন করানোর ইচ্ছে 

কেন ভালো লাগে ট্যাটু? প্রথম ট্যাটুর স্মৃতি কেমন, যাঁরা ভবিষ্যতে করাবেন, তাঁদের কী পরামর্শ দেবেন? ট্যাটু নিয়ে নিজেদের মনের কথা বললেন অর্জুন চক্রবর্তী।
বিশদ

22nd  August, 2020
ভেবে নিন সব দিক 

ট্যাটু যতই মন ভোলাক, সেটার কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। সেদিকেও রাখতে হবে খেয়াল। পরামর্শ দিলেন প্রফেসর ডাঃ সঞ্জয় ঘোষ।  
বিশদ

22nd  August, 2020
ট্যাটুর টানে 

ট্যাটু বা বডি আর্ট এখন আর নতুন কোনও ব্যাপার নয়। তাই বলে ট্যাটু করানোর আগ্রহ বা উৎসাহ কমে গিয়েছে, এমনটা একেবারেই নয়। ট্যাটু করানোর ভালো-মন্দ দিকগুলো নিয়ে আলোচনায় অন্বেষা দত্ত। 
বিশদ

22nd  August, 2020
খাদির বুনটে মুক্তির উড়ান

খাদি মানেই সাবেকি নকশা আর গতানুগতিক ডিজাইন নয়। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খাদির নকশায় এসেছে বিবর্তনের ছোঁয়া। তেমনই বক্তব্য খাদির ডিজাইনার ঐশী গুপ্তর। তাঁর সঙ্গে কথা বললেন কমলিনী চক্রবর্তী। বিশদ

15th  August, 2020
 প্রসাধনে খাদি

আমাদের ত্বক ও চুলের যত্নে প্রাকৃতিক সামগ্রীর ব্যবহার বহু আগে থেকেই চলে আসছে। সত্যি বলতে কী, সেই সময় মানুষ কেমিক্যাল কসমেটিক্স কী, তা জানতেন না। আবিষ্কারও হয়নি এসব কিছু। তাই নিজেকে পরিষ্কার রাখতে, নিজেকে সাজিয়ে তুলতে তাঁরা ভেষজ উপাদানেই ভরসা রাখতেন।
বিশদ

15th  August, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি: শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা ব্যক্তিগত কারণে নিজেকে আইপিএল থেকে সরিয়ে নিয়েছেন। যার অভাব অনুভূত হবে বলে ইতিমধ্যেই মন্তব্য করেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিশেষজ্ঞদেরও ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মেডিক্যাল পরীক্ষা এবং পুলিস ভেরিফিকেশন না হওয়ায় বহু শিক্ষকের চাকরি পাকা হয়নি। অথচ চাকরি পাওয়ার পর কেটে গিয়েছে দু’বছর। নিয়ম অনুযায়ী, দু’বছর পর চাকরি পাকা হবে। কিন্তু তার জন্য পুলিস ও মেডিক্যাল রিপোর্ট ইতিবাচক হতে হবে।  ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই, একটি দোকানের সামনের অংশে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল হবিবপুর ব্লকের কেন্দপুকুর আকতৈল গ্রাম পঞ্চায়েতে। শুক্রবার সকালে এলাকার বাসিন্দারা দেহটি দেখতে পান। তাঁদের দাবি, ওই ব্যক্তিকে খুন করে সেখানে ঝুলিয়ে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা পরিস্থিতির জন্য এমবিবিএস, বিডিএস, আয়ুষ, নার্সিং সহ বিভিন্ন চিকিৎসা পাঠ্যক্রমের বহু ছাত্রছাত্রীর পরবর্তী বছরে প্রোমোশন হয়নি। মার্কশিটও পাননি। ফলে বৃত্তিও আটকে গিয়েছে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কথাবার্তা ও আচরণে সংযমের অভাবে বিপত্তির আশঙ্কা। কোনও হঠকারী বা দুঃসাহসিক কাজ না করাই ভালো। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,২৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৬০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া ৯/১৬ দিবা ৯/১১। চিত্রা নক্ষত্র ৪৯/৪১ রাত্রি ১/২১। সূর্যোদয় ৫/২৮/২, সূর্যাস্ত ৫/৩২/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৪/২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি।  
২ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া দিবা ১২/২৯। হস্তানক্ষত্র দিবা ৭/৫৬। সূর্যোদয় ৫/২৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৮ মধ্যে ও ১/২ গতে ২/৩৩ মধ্যে ও ৪/৪ গতে ৫/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪ মধ্যে ও ৩/৫৮ গতে ৫/২৮ মধ্যে।  
মোসলেম: ১ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩,১৯২ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩,১৯২ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

18-09-2020 - 08:42:07 PM

ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে পেটিএম অ্যাপ 
ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ই-ওয়ালেট অ্যাপ ...বিশদ

18-09-2020 - 07:40:01 PM

পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই
দোকানে মিলল ঝুলন্ত দেহ 

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই, একটি দোকানের সামনের অংশে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:50:00 PM

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু শর্বরী দত্তর
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু হয়েছে শর্বরী দত্তর। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:41:00 PM

বনগাঁয় ধৃত ৩ বাইক চোর 
বাইক চুরির চক্রের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতদের ...বিশদ

18-09-2020 - 04:41:27 PM

হাবড়ায় জোড়া খুনের ঘটনায় ধৃত অভিযুক্ত 
হাবড়ায় প্রৌঢ় দম্পতি খুনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কিনারা করল ...বিশদ

18-09-2020 - 04:16:42 PM