Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ধর্ম বিদ্বেষীরা কখনও
নেতাজিপ্রেমী হতে পারেন না
সন্দীপন বিশ্বাস

১৯৪৩ সালের নভেম্বরের শেষ সপ্তাহের ঘটনা। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু তখন সিঙ্গাপুরে। সেখানকার বিখ্যাত চেট্টিয়ার মন্দিরে যাওয়ার জন্য নেতাজিকে আমন্ত্রণ জানাতে এলেন বিশাল ধনী ব্যক্তি ব্রিজলাল জয়সওয়াল। তিনি মন্দির কমিটির প্রধান। তিনি বললেন, আজাদ হিন্দ বাহিনীর তহবিলে মন্দির কমিটি দশ লক্ষ ডলার দান করতে চায়। তবে একটাই অনুরোধ, নেতাজি যদি একবার মন্দিরে এসে চেকটা নেন, তবে অনেকেই তাঁকে দেখার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারেন। 
নেতাজি জানতেন, চেট্টিয়ার মন্দিরে কোনওদিন কোনও অ-হিন্দু ব্যক্তিকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। তাই নেতাজি বললেন, ‘আজাদ হিন্দ বাহিনীর একজন সর্বাধিনায়ক হিসেবে কোনও ধর্মস্থানে গিয়ে সেখানকার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকাটা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।’ 
ব্রিজলালজি তাঁকে বললেন, ‘আপনি তো হিন্দু? অসুবিধা কোথায়?’
নেতাজি উত্তরে তাঁকে বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ, সুভাষচন্দ্র বসু অবশ্যই একজন হিন্দু। কিন্তু আজাদ হিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়কের একমাত্র পরিচয় তিনি ভারতীয়। তাই সেখানে যদি আমার সহকর্মীদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়, তবেই আমি যেতে পারি। আমার বাহিনীতে সব ধর্মের মানুষই আছেন।’ 
ব্রিজলালজি উপায়ন্তর না দেখে ফিরে গেলেন। তখন নেতাজির পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁর স্টেনো ভাস্করণ। তিনি বললেন, ‘স্যার, দশ লক্ষ ডলার কম নয় কিন্তু। সেটা আপনি ফিরিয়ে দিলেন?’ 
নেতাজি হেসে বলেছিলেন, ‘আমার বিবেক দশ লক্ষ ডলারের থেকে অনেক বেশি।’ 
পরদিন সকালে ব্রিজলালজি আবার হাজির। সঙ্গে মন্দির কমিটির আরও কয়েকজন লোক। তাঁরা এসে নেতাজির সামনে হাতজোড় করে দাঁড়ালেন। বললেন, ‘আমাদের ভুল আমরা বুঝতে পেরেছি। আপনি আমাদের ক্ষমা করে দিন। আমরা শুধু ঈশ্বরের পুজো করি সামান্য ফুল দিয়ে, কিন্তু নেতাজি, আপনি বুকের রক্ত দিয়ে ভারতমাতার পুজো করেন। আপনারা সবাই চলুন মন্দিরে।’ 
নেতাজি এভাবেই ধর্ম ও সম্প্রদায় নিয়ে মানুষের ভ্রান্ত ধারণা ঘুচিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর তিনি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের একশো সঙ্গী নিয়ে চেট্টিয়ার মন্দিরে উপস্থিত হন। সেখানে ছিলেন এস এ আইয়ার, জি এস ধীলন, হবিবুর রহমান, মহম্মদ জামান কিয়ানি, শাহনওয়াজ খান, আবিদ হাসান প্রমুখ। তাঁরা সকলেই মন্দিরে বিগ্রহের সামনে বসলেন। ভক্তিভরে প্রণাম করলেন এবং সমস্বরে বললেন, ‘জয়হিন্দ।’
এই কাহিনিটা বলার বিশেষ উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য রয়েছে। কিছুদিন আগেই গেল ভারতের ইতিহাসে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ তারিখ। একটি নেতাজি সুভাষচন্দ্রের জন্মদিন। অন্যটি ভারতের সাধারণতন্ত্র দিবস। এই দু’টি দিনকে কেন্দ্র করে ইদানীং বিজেপির মাতামাতি বেড়ে গিয়েছে। বিশেষ করে নেতাজিকে নিয়ে। যে  মানুষটির একদিন রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার কথা ছিল, সেই শ্রেষ্ঠ পুরুষকে নিয়ে কংগ্রেস এবং হিন্দুত্ববাদী দল শ্রদ্ধা জানানোর নামে রাজনীতি করে গেল। কংগ্রেসের 
চেষ্টা ছিল, নেতাজিকে খাটো করে জওহরলাল এবং গান্ধীজিকে বড় করে দেখানো। আবার অন্যদিকে, বিজেপির পূর্বসূরীরা স্বাধীনতা আন্দোলনের 
সময় নেতাজির বিরুদ্ধাচরণ করে যে পাপ করেছিলেন, তাকে মুছে দিতে বর্তমান নেতারা তাঁরই প্রেমে  গদগদ হয়ে উঠেছেন। নেতাজি-প্রেমের অভিনয়ে মেতেছে গেরুয়া বাহিনী। তাই নেতাজি-কন্যা অনিতা পাফ বসু যখন বলেন, বিজেপি তথা হিন্দুত্ববাদী পার্টির সঙ্গে নেতাজির আদর্শ কখনওই মেলে না, তখন 
পদ্ম-নেতাদের গোঁসা হয় এবং তাঁরা তাঁকে পাল্টা আক্রমণে নামেন। তবে মনে রাখা দরকার, পূর্বের নেতাজি-বিদ্বেষ নিয়ে এখনও বিজেপি নেতারা কিন্তু ভুল স্বীকার করেননি।  
দেশের সাধারণতন্ত্র নিয়েও একই কথা বলা যায়। বিজেপির যত বেশি দেশপ্রেমের ভঙ্গি, তার থেকেও বেশি পদে পদে সংবিধানকে অস্বীকার করার নিত্য চেষ্টা। আমাদের সংবিধানের মূল বার্তাই হল একতা, সাম্য। সব ধর্মের সমান অধিকার, নিজস্ব ধর্ম পালন করার অধিকার, প্রতিটি মানুষের সমানাধিকার। কিন্তু বিজেপির শাসনকালে দেশের সংখ্যালঘু মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা বিপন্ন হয়ে উঠেছে। স্বাধীনতা আন্দোলন কালে যখন দেশের সমস্ত মানুষ স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষায় আত্মবলিদান দিচ্ছেন, তখন গেরুয়া নেতা ও সমর্থকরা চাইতেন ইংরেজ থাকুক, ওদের তাড়ানোর দরকার নেই। বরং দেশ থেকে মুসলমানদের তাড়ানো হোক। নানা স্বার্থে তাঁরা একের পর এক গোপন নোট পাঠিয়েছেন ইংরেজ প্রভুর কাছে। তাই স্বাধীনতা সংগ্রামীর নমস্য কোনও আইকন বিজেপির তৈরি হয়নি। দলীয় বৃত্তের বাইরে সাভারকর আজও দেশবাসীর কাছ থেকে সেই স্বীকৃতি আদায় করতে পারেননি। সেই অভাব দূর করতে বিজেপি আজ ভোট-মুনাফার তাগিদে হঠাৎ করে নেতাজিকে আঁকড়ে ধরতে চাইছে। 
বহু অপ্রিয় সত্যকে চাপা দিতে আজ বিজেপির দরকার অনেকগুলি মুখোশের। মোদি জমানার প্রায় নয় বছর পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এরা আসলে ধর্মেতে বীর, কর্মেতে ধীর। ধর্ম সংক্রান্ত কাজে 
এদের যে বীরত্ব, আগ্রহ বা আগ্রাসী মনোভাব দেখা যায়, কর্মের ক্ষেত্রে তা পুরোপুরি উধাও। তাই 
কাজের ক্ষেত্রে, দেশের উন্নতির ক্ষেত্রে ব্যর্থতা তাদের পায়ে পায়ে শিকল হয়ে জড়িয়ে পড়ছে। সেই ব্যর্থতার কাঁটায় বিদ্ধ হচ্ছেন দেশের আপামর জনগণ। নেতাজির ধর্মনিরপেক্ষ ভাবনার কণাটুকু এরা গ্রহণ করতে পারলে দেশের হাল ফিরে যেত। শুধু নেতাজিকে আঁকড়ে ধরে ভোটজয়ের কড়ি 
জোগাড় করার ছক। একদিন ব্রিজলাল জয়সওয়াল তাঁর ভুল বুঝতে পেরেছিলেন। কিন্তু মোদি-ব্রিগেড তা বুঝতে চাইবে না। একই সঙ্গে দেশাত্মবোধের 
পুরিয়ায় এবং ধর্মবিদ্বেষের পাশাখেলায় তারা ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার স্বপ্ন দেখে চলেছে। ক্ষমতায় ফেরা যত কঠিন হয়ে উঠছে, তাদের হিন্দুত্বের আবেগও ততই কট্টর হয়ে উঠছে। 
সাভারকর থেকে আজকের বিজেপি—উগ্র হিন্দুত্বের সেই ধারা প্রতিদিন ধর্মনিরপেক্ষ ভারতকে রক্তাক্ত করে চলেছে। এই হিন্দুত্ব মোটেই দেশের সিংহভাগ হিন্দুদের নয়। এই হিন্দুত্বকেই দেশাত্ববোধ বলে চিহ্নিত করার অপচেষ্টা চলছে। কিন্তু পাপ যেমন বাপকে ছাড়ে না, তেমনই সত্যকে কখনও চাপা দিয়ে রাখা যায় না। বিবিসির মোদি সংক্রান্ত তথ্যচিত্রে সেই সত্যের আংশিক প্রকাশ হয়েছে মাত্র। সেই আংশিক সত্যকে চাপা দিতে মরিয়া চেষ্টা বিজেপির। নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে দুই খণ্ডের কড়া ডোজের তথ্যচিত্র, ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদি কোয়েশ্চেন’। দুই খণ্ডের তথ্যচিত্রে প্রশাসক মোদির কার্যকলাপ নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তাঁর উদ্দেশ্য ও ভূমিকা নিয়ে চুলচেরা বিচার করা হয়েছে। গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মোদির নানা কাজের সমালোচনা করা হয়েছে সেই তথ্যচিত্রে। এর মধ্যে আছে গোধরা কাণ্ড, সিএএ, এনআরসি, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার ইত্যাদি। মোদি সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘নরেন্দ্র মোদির শাসনকালে দেশের আবহ বদলে গিয়েছে। তিনি যতটাই জনপ্রিয় হয়েছেন, ততটাই বিভেদ সৃষ্টি করেছেন।’ এটাই তো বিজেপির মূল এজেন্ডা। সেই এজেন্ডা নিয়েই তারা স্বাধীনতা পূর্ব কাল থেকে একটু একটু করে এগিয়েছে। মুসলিম ইতিহাস মুছে ফেলতে তারা বদ্ধপরিকর। তাই মুসলিম সম্পর্কিত সমস্ত নাম তারা বদলে ফেলছে। কিন্তু এভাবে কি সত্যিই ইতিহাসকে মুছে ফেলা যায়?
শুধু ইতিহাস নয়, দেশের সংস্কৃতির মধ্যেও জোর করে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে হিন্দুত্ব, মিথ্যা ইতিহাস। সম্প্রতি শাহরুখ খান অভিনীত ‘পাঠান’ নিয়ে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অর্থাৎ মানুষ কী খাবেন, মানুষ কী পরবেন ও পড়বেন, মানুষ কী দেখবেন, সরকার যদি তা ঠিক করতে নামে, সেটা হয়ে দাঁড়ায় দেশের সাধারণতন্ত্রের বার্তাকেই অস্বীকার করা। মানুষের এই মৌলিক অধিকার ভাঙার স্পর্ধা দেখান একমাত্র ফ্যাসিস্তরাই। মানুষ সবসময় নিজেই তার বিনোদনের ভাষা খুঁজে নেয়। রাষ্ট্রের খবরদারি বা চোখ রাঙানিকে সে ঘৃণা করে। এতে সবসময় বিপরীত প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। শাহরুখের ছবির ক্ষেত্রেও তাই হল। ছবিটি পাঁচদিনে সাড়ে পাঁচশো কোটি টাকার ব্যবসা করে ফেলল। মানুষের অধিকারকে খর্ব করলে মানুষ পাল্টা রুখে দাঁড়াবেই। ছবিটিকে আটকানোর চেষ্টা না হলে হয়তো পাঁচদিনে ‘পাঠান’ এই ব্যবসা দিতে পারত না। উল্টে তারা ‘কাশ্মীর ফাইলস’-এর মতো প্রোপাগান্ডামূলক ছবি করে মানুষকে গেলানোর চেষ্টা করছে। একেই বলে সাংস্কৃতিক ফ্যাসিজিম। 
সুতরাং নেতাজিকে প্রকৃত শ্রদ্ধা জানাতে গেলে এবং সাধারণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা করতে গেলে দরকার ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি, মানুষকে ধর্মের দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার না করা, মানুষের সমানাধিকারকে স্বীকতি দেওয়া এবং তার মৌলিক অধিকারগুলিকে যথাযথভাবে পালন করার সুযোগ দেওয়া। সেক্ষেত্রে দেশ এমনিতেই হাসবে। একইসঙ্গে বিদেশিরাও প্রশস্তিমূলক তথ্যচিত্র বানাবেন।
01st  February, 2023
মোদিবাবুর আপন দেশে, গণতন্ত্র সর্বনেশে
সন্দীপন বিশ্বাস

আজ থেকে ঠিক দু’শো বছর আগে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণের প্রতিবাদে রাজা রামমোহন রায় তাঁর ফারসি ভাষায় প্রকাশিত সংবাদপত্র ‘মীরাৎ-উল-আখবার’-এর পাতায় এক অগ্নিস্রাবী নিবন্ধ লিখেছিলেন।
বিশদ

মোদিজি, অস্ত্র ব্যুমেরাং হবে না তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সাল ২০১৩। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহর। লেখাটা হাত থেকে নামালেন মনমোহন সিং—‘আমার কি পদত্যাগ করা উচিত?’ উল্টোদিকে বসে মন্টেক সিং আলুয়ালিয়া। তৎকালীন যোজনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান। আর মনমোহন সিংয়ের বন্ধু।
বিশদ

28th  March, 2023
আইনের নামে রাষ্ট্রের শক্তি প্রদর্শন চলছে
পি চিদম্বরম

শক্তি প্রদর্শন বিচার বিভাগের স্বাধীনতার উপর তিনি এবং তাঁর সরকার হস্তক্ষেপ করেন না, এবং তাঁরা কখনও হস্তক্ষেপ করেননিও। সুযোগ পেলেই, এটা জোরের সঙ্গে দাবি করেন মাননীয় আইন ও বিচার মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।
বিশদ

27th  March, 2023
মমতা রসায়নের তল পাবে বিরোধীরা?
হিমাংশু সিংহ

১৯৮৪ সালে ইন্দিরা হত্যার পর পর সাধারণ নির্বাচনে ধূমকেতুর মতো রাজনীতিতে উত্থান মমতার। যাদবপুরে সিপিএমের কুলীন ব্যারিস্টার সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে তিনি যে অমন হেলায় হারাবেন তা বিশ্বাস করতে চাননি কেউ। বিশদ

26th  March, 2023
মমতা-মডেল ছাড়া গতি নেই বিজেপির
তন্ময় মল্লিক

টার্গেট সবসময় উঁচুতে বাঁধা হয়। তাতে লক্ষ্যের ধারেকাছে না হোক, অর্ধেকটা গেলেও সম্মান বাঁচে। বিজেপির দিল্লি নেতৃত্বও সেই নীতিতেই নির্বাচনে আসন লাভের লক্ষ্য স্থির করে। কখনও সখনও শিকে ছিঁড়লেও বেশিরভাগ সময়েই তা মুখ থুবড়ে পড়ে। তাই কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় ফেরা নিয়ে সন্দিহান বিজেপির এবার লোকসভার টার্গেট চারশো। বিশদ

25th  March, 2023
মোদি সরকার এত স্বল্পে ভীত কেন?
সমৃদ্ধ দত্ত

১৯৭৫ সালের এপ্রিল মাসে মোরারজি দেশাই অনশনে বসেছিলেন। তাঁর অন্যতম দাবি ছিল এক বছর আগে ভেঙে দেওয়া গুজরাত বিধানসভা আবার গঠনের জন্য অবিলম্বে নতুন করে নির্বাচন ঘোষণা করা হোক। বিশদ

24th  March, 2023
সিআইএ প্রধানের
কুনজরে আসলে কে?
মৃণালকান্তি দাস

মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ’র ডিরেক্টর উইলিয়াম জে বার্নস গোটা বিশ্বের কাছে বিশেষ পরিচিত মুখ নন। ফলে, ডিরেক্টর কবে কোথায় যাচ্ছেন, তা নিয়ে এজেন্সি যেমন কোনও আলোচনা করে না, তেমনই দুনিয়ার কেউ ঘুণাক্ষরে টের পায় না তাঁর গতিবিধি। বিশদ

23rd  March, 2023
অন্য স্বাধীনতার লড়াই কি দুর্বল হচ্ছে?
হারাধন চৌধুরী

শেষ জনগণনা রিপোর্ট সামনে এসেছে ২০১১ সালে। ওই রিপোর্টে ভারতের যে নারীচিত্র প্রকাশিত হয়, তা ভয়াবহ। ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটসের (এনসিপিসিআর) রিপোর্ট অনুসারে, ২০০১ পরবর্তী একদশকে ভারতে ২৯ লক্ষ বাল্যবিবাহের ঘটনা সামনে আসে। বিশদ

22nd  March, 2023
রাজনীতির জটিল জ্যামিতি এবং বিরোধী জোট
শান্তনু দত্তগুপ্ত

রাজনীতি বিষয়টার সঙ্গে বিজ্ঞানের এক অদ্ভুত যোগাযোগ। কখনও মনে হয়, নিউটনের তৃতীয় সূত্রের সঙ্গে এর মিলমিশ সবচেয়ে বেশি। যেমন ক্রিয়া, তার ঠিক সমান এবং বিপরীত প্রতিক্রিয়া। বিশদ

21st  March, 2023
সংসদীয় গণতন্ত্রের ধ্বংসযজ্ঞ চলছে
পি চিদম্বরম

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক সংস্থা ফ্রিডম হাউস ভারতকে ‘আংশিকভাবে মুক্ত গণতন্ত্র’-এর স্তরে রেখেছে। এটা ভারতের গণতন্ত্রের পক্ষে অবনমন বলেই ধরতে হবে। অন্যদিকে, সুইডেনের ভি-ডেম ইনস্টিটিউট ভারতকে ‘ইলেক্টোরাল অটোক্রেসি’ আখ্যা দিয়েছে।
বিশদ

20th  March, 2023
দেশের অপমান নিয়েও রাজনীতি!
হিমাংশু সিংহ

রাজনীতি আমাদের মজ্জায়। দুর্নীতি, লোভ আর উচ্চাকাঙ্ক্ষা শিরায় শিরায়। ডানবাম সবাই এই দোষে কমবেশি দুষ্ট। শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি বড় কম হয়নি। ধর্ম, সম্প্রদায় নিয়েও লড়াই সপ্তমে। অর্থনীতি, সমাজনীতি, কর্মসংস্থান, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক, দুর্নীতির আমি তুমি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, সবই সঙ্কীর্ণ দলীয় আকচাআকচির শিকার। বিশদ

19th  March, 2023
মমতাকে চাষি-বিরোধী
প্রমাণ অত সোজা নয়
তন্ময় মল্লিক

মন জয়ের সহজতম উপায় হল, বঞ্চনার অভিমানকে উস্কে দেওয়া। পঞ্চায়েত ভোট আসন্ন। তাই বাংলায় শুরু হয়েছে চাষিদের খ্যাপানোর চেষ্টা। বিরোধীদের দাবি, এরাজ্যের চাষিরা আলুর দাম পাচ্ছেন না। অবস্থা এতটাই নাকি খারাপ যে আলুচাষি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হচ্ছেন। বিশদ

18th  March, 2023
একনজরে
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এক ...

মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের পথশ্রী-রাস্তাশ্রী প্রকল্পে হাওড়া জেলার ২৭২টি রাস্তার কাজের সূচনা হল। এগুলির মোট দৈর্ঘ্য ২৬৫.৭৯ কিলোমিটার, তৈরি করতে খরচ হবে প্রায় ৯০ কোটি টাকা। ...

ডিটেনশন ক্যাম্পে আগুন লেগে মৃত্যু হল ৩৯ জন শরণার্থীর। আহত আরও ২৯। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আমেরিকায় অবৈধভাবে ঢোকার ...

শক্তিগড়ের গাংপুর স্টেশনের বাইরে যাত্রী তোলা নিয়ে মঙ্গলবার টোটো ও অটোচালকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পুলিস এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। দু’পক্ষের মধ্যে কয়েকজনকে আটক করা হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যালাভের পক্ষে দিনটি উত্তম। ব্যবসার উন্নতি, পেশায় সুনাম। উপার্জন বাড়বে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৫- পিয়ানো বাদক হিসেবে বেটোভেনের আত্মপ্রকাশ
১৮০৭- জার্মান জ্যোর্তিবিদ উইলহেম অলবার্স ক্ষুদ্রতম গ্রহ ভেস্টা আবিষ্কার করেন
১৮৪৯- লর্ড ডালহৌসি সমগ্র পাঞ্জাবকে ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে ঘোষণাপত্র প্রচার করেন
১৮৫৭- বারাকপুরে মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে শুরু হল সিপাহী বিদ্রোহ
১৯২০- ব্রিটিশবিরোধী অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়
১৯২৭- জন রবার্ট ভেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ ফার্মাকোলজিস্ট ও শিক্ষাবিদের জন্ম
১৯৩৯- অভিনেতা জগদীপের জন্ম
১৯৮২- গায়ক অনুপম রায়ের জন্ম
১৯২৯- অভিনেতা উৎপল দত্তের জন্ম
১৯৮২- তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠা



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮১.৩৪ টাকা ৮৩.০৮ টাকা
পাউন্ড ৯৯.৬০ টাকা ১০৩.০০ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৬ টাকা ৯০.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৯,৬০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৬,৫৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৭,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৯,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৯,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ১৪ চৈত্র, ১৪২৯, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩।  অষ্টমী ৩৮/৪৮ রাত্রি ৯/৮। আর্দ্রা নক্ষত্র ৩৬/১৬ রাত্রি ৮/৭। সূর্যোদয় ৫/৩৬/৩৩, সূর্যাস্ত ৫/৪৬/৫৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৩ মধ্যে পুনঃ ৯/৪০ গতে ১১/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/২০ গতে ৪/৫৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৩ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৩৮ গতে ১০/১০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪১ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩৭ গতে ৪/৬ মধ্যে।  
১৪ চৈত্র, ১৪২৯, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩।  অষ্টমী রাত্রি ১০/১৯। আর্দ্রা নক্ষত্র রাত্রি ৯/২৭। সূর্যোদয় ৫/৩৮, সূর্যাস্ত ৫/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/৩৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৪০ গতে ১০/১১ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪০ গতে ৪/৯ মধ্যে।  
৬ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রেড রোডে ধর্না মঞ্চ থেকে কী বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
কেউ কেউ বলছেন আমি নাকি ধর্নায় বসতে পারিনা। আমি তো ...বিশদ

07:07:15 PM

জোকার ইএসআই হাসপাতালের হস্টেলে উদ্ধার ডাক্তারি পড়ুয়ার ঝুলন্ত দেহ
হস্টেল রুমে আত্মঘাতী মেডিক্যাল ছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে, আজ, বুধবার সকাল ...বিশদ

04:54:26 PM

ধর্নামঞ্চ থেকে সেভ ইন্ডিয়া সেভ ডেমোক্রেসির ডাক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতাকে এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করতে 'সেভ ইন্ডিয়া ...বিশদ

04:00:03 PM

দুর্নীতিতে আমার যোগসাজশ প্রমাণ করতে পারলে মৃত্যুবরণ করব: অভিষেক

03:46:28 PM

জয় বাংলা যখন বলবেন, গর্ব করে বলবেন: অভিষেক

03:46:00 PM

একুশের ভোট প্রচারে মহিলাদের অপমান করার পরও প্রধানমন্ত্রীর পদ কেন খারিজ হবে না?: অভিষেক

03:40:00 PM