Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ঐক্যভাবনার মধ্য দিয়ে
উন্নয়নই ভারতের মূল লক্ষ্য
নরেন্দ্র মোদি

জি-২০-র পূর্ববর্তী ১৭টি প্রেসিডেন্সির সময়কাল ফলাফলের দিক থেকে ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যময়। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সুনিশ্চিত করা,আন্তর্জাতিক কর ব্যবস্থাকে বাস্তবসম্মত করে তোলা, সংশ্লিষ্ট দেশগুলির উপর ঋণের বোঝা হ্রাস করা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য দেখিয়েছে পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্সিগুলি। সাফল্যের এই পথ ধরে আমরাও যে সুফল পেতে চলেছি, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ওই সাফল্যকে ভিত্তি করেই আমরা পরবর্তী সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাব। 
 জি-২০-র সভাপতিত্বের দায়িত্বভার ভারতের উপর অর্পিত হয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে খুব স্বাভাবিকভাবেই যে প্রশ্নটি আমার মনে এসেছিল তা হল, জি-২০কে কি আরও সাফল্যের দিকে আমরা নিয়ে যেতে পারি না? সমগ্র মানবজাতির কল্যাণে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তনকে এমন একটি পর্যায়ে উন্নীত করতে পারি না যা অনুঘটকের ভূমিকা পালন করবে? 
হ্যাঁ, আমরা পারি। এটাই আমার স্থির বিশ্বাস। 
আমাদের মানসিকতা গড়ে ওঠার পিছনে পরিস্থিতির এক বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে। যদি আমরা ইতিহাসের পাতা ওল্টাই তাহলে দেখতে পাব যে, সার্বিকভাবে মানবজাতিকে বেঁচে থাকতে হয়েছে অভাব-অভিযোগকে সঙ্গে করেই। সীমিত সম্পদের সেই আবহে আমরা পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছি। কারণ, আমাদের অস্তিত্ব নির্ভর করেছে অন্যকে বঞ্চিত করে যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা আহরণের মধ্য দিয়েই। মতবাদ, মতাদর্শ এবং আত্মপরিচয়— এই সবকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এক তীব্র সংঘর্ষ ও প্রতিযোগিতা। আসলে, এটাই যেন হয়ে উঠেছিল স্বাভাবিক এক নিয়ম-নীতি!
দুর্ভাগ্যবশত, আমরা আজও সেই মানসিকতার মধ্যে নিজেদের বন্দি করে রেখেছি। সম্পদ ও ভূখণ্ড  দখলের জন্য একটি দেশ অন্যটির সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হচ্ছে। অস্ত্র দেখিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যসামগ্রী। কোটি কোটি মানুষের প্রাণ সংশয় জেনেও ভ্যাকসিন অর্থাৎ প্রতিষেধককে মজুত করে রাখার প্রবণতাও আমরা লক্ষ করেছি। 
তর্কের খাতিরে অনেকেই হয়তো বলবেন , সংঘাত ও সংঘর্ষ এবং লোভ ও লালসা তো মানব প্রকৃতির সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য। না, একথা আমি স্বীকার করি না। যদি মানুষ তাঁর অন্তরাত্মার দিক থেকে স্বার্থপর হয়ে উঠত, তাহলে কীভাবে আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের বাণী এক শাশ্বত সত্য হয়ে পৌঁছে যেত বিশ্ব জগতের সর্বত্র? ঐক্যের ধ্বনি কি অনুরণিত হয়নি এই আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের মধ্যে?
এই ধরনের একটি ঐতিহ্য আমাদের ভারতবর্ষে খুবই জনপ্রিয়। পাঁচটি মূল উপাদান থেকে সমস্ত প্রাণী এবং জড়বস্তুর উদ্ভব ও উৎপত্তির কথা বলা হয়েছে সেই বিশেষ ঐতিহ্যে। ভূ (পৃথিবী), জল, অগ্নি, বায়ু এবং আকাশ হল সেই পাঁচটি বিশেষ উপাদান যা ‘পঞ্চতত্ত্ব’ নামে পরিচিত। ব্যবহারিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত দিক থেকে আমাদের ভালো থাকার পক্ষে এর অবদান অনস্বীকার্য। এইভাবেই গড়ে 
উঠতে পারে সমস্ত প্রাণীর মধ্যেই সম্প্রীতির এক 
উন্নত বাতাবরণ।
এই ঐক্যের বাণীই আমরা পৌঁছে দিতে চেষ্টা করব ভারতের জি-২০র সভাপতিত্বকালে। তাই, আমাদের মূল থিম বা বিষয়বস্তু হয়ে উঠবে— ‘বসুধৈবকুটুম্বকম’। এর অন্তর্নিহিত অর্থ হল, সমগ্র পৃথিবীই হল এক অভিন্ন পরিবার। তাই, আমাদের সকলের ভবিষ্যৎ-ও এক ও অভিন্ন। এটি একটি স্লোগানমাত্র নয়। যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে বর্তমানে মানবজাতি এগিয়ে চলেছে, সাম্প্রতিককালে তার কিছু কিছু পরিবর্তন অবশ্যই ঘটেছে, যা আমরা সার্বিকভাবে অনুভব বা উপলব্ধি করতে পারিনি। কিন্তু আজ, বিশ্ব মানবতার ন্যূনতম চাহিদা পূরণের পথ বা উপায় আমাদের সামনে রয়েছে। বেঁচে থাকার জন্য, টিকে থাকার জন্য আমাদের এখন আর পরস্পরের সঙ্গে লড়াই করার প্রয়োজন নেই। কারণ, এই যুগ যুদ্ধবিগ্রহে লিপ্ত হওয়ার যুগ নয়। আর কখনওই তা হতে পারে না!
জলবায়ু পরিবর্তন, সন্ত্রাস এবং অতিমারীর মতো বড় বড় চ্যালেঞ্জগুলির আমরা এখন মুখোমুখি। মনে রাখতে হবে, পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে এই চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলায় আমরা সফল হতে পারব না। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই এই সমস্যাগুলির সমাধান সম্ভব। 
সৌভাগ্যবশত, বর্তমান প্রযুক্তি মানবজাতির বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে আমাদের পথ দেখাতে পারে। প্রযুক্তির কল্যাণে ভার্চুয়াল বিশ্বসংসার এখন আমাদের হাতের মুঠোয়। ডিজিটাল প্রযুক্তির আজ প্রসার ঘটেছে সর্বত্র। সমগ্র মানবজাতির এক-ষষ্ঠাংশের বাসভূমি হল ভারত। ভাষা, ধর্ম, রীতি-নীতি ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের ক্ষেত্রে এখানে বৈচিত্র্যের কোনও অভাব নেই। তাই, ভারতকে একটি ছোটখাটো বিশ্ব সংসার বললেও অত্যুক্তি হয় না। 
সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার এক প্রাচীনতম ঐতিহ্যের দেশ হল ভারত। সেই অর্থে গণতান্ত্রিক মতাদর্শের ডিএনএ-র সন্ধান পাওয়া যাবে আমাদের এই ভারতেই। কারণ ভারত হল ‘গণতন্ত্রের জননী’। ভারতের জাতীয় মতৈক্য গড়ে উঠেছে কারও অঙ্গুলিহেলনে নয়, বরং কোটি কোটি মানুষের নির্ভয় ও অবাধ সমর্থনের মধ্য দিয়ে। এইভাবেই এক সম্প্রীতির সুর বেজে উঠেছে ভারতীয় গণতন্ত্রের প্রতিটি তন্ত্রীতে।
ভারত বর্তমানে দ্রুততম গতিতে গড়ে ওঠা এক বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। দেশের প্রান্তিক নাগরিকদের অভাব, অভিযোগ ও প্রয়োজনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে আমাদের প্রশাসনিক ব্যবস্থা। একইসঙ্গে, তরুণ প্রজন্মের মেধা ও প্রতিভাকে উৎসাহিত করে তাঁদের সৃজনশীলতার আবেগকে আমরা কাজে লাগিয়েছি।
আমাদের উন্নয়ন প্রচেষ্টার মূল লক্ষ্য কিন্তু শুরু হয় নাগরিকদের জন-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। আমাদের কাজের ধারা হল এমনই, যেখানে সমাজের উচ্চস্তরের মানুষের কল্যাণের দিকে আমরা প্রথমেই নজর দিই না, বরং সাধারণ নাগরিকদের কল্যাণকেই আমরা একটি অগ্রাধিকার বলে মনে করি। সাধারণের স্বার্থে প্রযুক্তিকে সম্বল করে আমরা এমন কিছু ডিজিটাল ব্যবস্থা গড়ে তুলেছি যা একাধারে মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। সামাজিক সুরক্ষা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং ইলেক্ট্রনিক ব্যবস্থায় লেনদেনের ক্ষেত্রে তা এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনে দিয়েছে। 
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অনেক সমস্যার সমাধানের পথ এখন ভারত বাতলে দিতে পারে আমাদের এই প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন প্রচেষ্টার মাধ্যমে।
জি-২০-র সভাপতিত্বকালে ভারতের শিক্ষা, অভিজ্ঞতা এবং উন্নয়নের মডেলগুলিকে আমরা অন্যদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করব। বিশেষত, উন্নয়নশীল দেশগুলির কাছে তা অনুসরণযোগ্য 
হয়ে উঠতে পারে। জি-২০-র সভাপতিত্বকালে অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রগুলি আমরা চিহ্নিত করব 
শুধুমাত্র জি-২০ ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে পরামর্শের মাধ্যমেই নয়, সেইসঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে যাঁরা সফর করতে আসবেন তাঁদের সঙ্গে 
আলাপ-আলোচনা করেও। কারণ, এই দেশে সফরে আসা পর্যটকদের কথা অনেক সময়েই আমাদের 
কানে এসে পৌঁছয় না।
তবে, এক ‘অভিন্ন পৃথিবী’ গড়ে তোলাই যে আমাদের অগ্রাধিকারের একটি ক্ষেত্র হয়ে উঠতে চলেছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এক 
‘অভিন্ন পরিবার’-এর সঙ্গে সম্প্রীতির সম্পর্ক সৃষ্টি করাই হবে আমাদের লক্ষ্য। তবেই এক ‘অভিন্ন ভবিষ্যৎ’-এর আশার বাণী আমরা পৌঁছে দিতে পারব সকলের কাছে। 
আমাদের এই পৃথিবীকে সুস্থ রাখতে নিরন্তর এবং পরিবেশবান্ধব জীবনশৈলীকে আমরা উৎসাহ দিয়ে যাব। প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও একাত্মবোধের যে ভারতীয় ঐতিহ্য আজও বহমান, তাকে অবলম্বন করেই এই প্রচেষ্টায় আমরা শামিল হব। সমগ্র মানবজাতির মধ্যে সম্প্রীতির প্রসারে বিশ্বের সর্বত্র খাদ্য, সার ও চিকিৎসার সাজ-সরঞ্জামের জোগানকে রাজনীতির কবল থেকে মুক্ত করার চেষ্টা আমরা চালিয়ে যাব। ভূ-রাজনৈতিক দ্বিধা-দ্বন্দ ও টানাপোড়েন যাতে কখনওই মানবজাতির কাছে সঙ্কটজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি না করতে পারে তা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের লক্ষ্য। কোনও একটি পরিবারে যার বা যাঁদের প্রয়োজন সবথেকে বেশি, খুব স্বাভাবিকভাবেই সেদিকে আমরা প্রথম নজর দিই।
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মগুলির মধ্যে আশাকে আরও সজীব করে তুলতে শক্তিধর রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে আমরা খোলামেলা মনে আলোচনার বাতাবরণকে উৎসাহ দিয়ে যাব। অস্ত্রের যথেচ্ছ ব্যবহার যাতে কমিয়ে আনা যায় এবং বিশ্ব নিরাপত্তাকে যাতে নিশ্চিত করা যায়, সেই লক্ষ্যে আমরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।
জি-২০-র সভাপতিত্বকালে আমাদের সবক’টি কর্মসূচিই হয়ে উঠবে উচ্চাকাঙ্ক্ষী, অন্তর্ভুক্তিমূলক, কর্মপ্রচেষ্টা-কেন্দ্রিক এবং সুনির্দিষ্ট।
আসুন, আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করি ভারতের জি-২০-র সভাপতিত্বের সময়কালটিকে সার্বিক কল্যাণ, সম্প্রীতি ও আশার এক বিশেষ সময়কালরূপে তুলে ধরার।
আমাদের বিশ্বায়নের লক্ষ্য হয়ে উঠুক পুরোপুরি মানবকেন্দ্রিক। এই সময়কালকে অনুসরণযোগ্য এক দৃষ্টান্ত রূপে তুলে ধরতে আমরা আগ্রহী। তাই আমি সকলকেই আহ্বান জানাই একত্রে কাজ করে যাওয়ার জন্য।
 লেখক ভারতের প্রধানমন্ত্রী
01st  December, 2022
দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ন্তা শাসক নয়, জনগণই
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের ইতিহাস পুনর্লিখন হবে! বিশেষ করে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিবৃত্ত। দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার পক্ষে সেটা নাকি বিশেষ জরুরি। এমনই নির্দেশ এসেছে দেশের শাসক দলের কাছ থেকে। বিশদ

26th  January, 2023
গণতন্ত্র রক্ষায় মমতা মডেল
হারাধন চৌধুরী

কোভিড বিধি ভেঙে পার্টিতে যোগ দিয়ে জরিমানার মুখে পড়েছিলেন বরিস জনসন, তাঁর স্ত্রী এবং ঋষি সুনাক। ওই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন মোট ৫০ জন। জরিমানার নোটিস ধরানো হয় বাকিদেরও। ঘটনাস্থল ব্রিটেন, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন। সময়টা ২০২০-র ১৯ জুন। বিশদ

25th  January, 2023
প্রত্যাশা যে আপনারই কাছে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

দর্শনশাস্ত্রে প্রত্যাশা শব্দের সংজ্ঞা বলা হয়েছে, ‘কোনও কর্মকাণ্ডের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি সম্পর্কে তীব্র বিশ্বাস’। এখানেই একটু গোল বাধে। প্রত্যাশা আর বিশ্বাস কি এক জিনিস? আমরা আপনার কাছে আশা করি, আপনি কোনও না কোনওদিন আমাদের সবার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে ফেলে দেবেন। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, এই কাজটা আপনি কখনও করবেন না। দু’টো কীভাবে এক হয়? বিশদ

24th  January, 2023
সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ বনাম সংবিধান
পি চিদম্বরম

বলা হয় যে উক্তিটি এডমান্ডক বার্ক, জর্জ সান্টায়ানা এবং উইনস্টন চার্চিলের। প্রায়ই উদ্ধৃতি দেওয়া হয়, ‘যারা অতীত মনে রাখতে পারে না, পুনরাবৃত্তির দোষে তারা নিন্দিত হয়।’
বিশদ

23rd  January, 2023
আজও আক্রোশের
অভিমুখ সেই বাংলা...
হিমাংশু সিংহ

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ২৩ জানুয়ারি এলেই মনটা কেমন আনচান করে ওঠে। একটা আশ্চর্য শ্রদ্ধা মাখা সম্ভ্রমে মাথাটা আপনি হেঁট হয়ে যায়। আজাদ হিন্দ ফৌজ গড়েই যিনি অন্তর্ধানে হারিয়ে গিয়েছেন। তাঁর লক্ষ্যপূরণ হলেও আসব আসব করে আর অসেননি এই বাংলায়। বিশদ

22nd  January, 2023
জনতার দাবিকে বিক্ষোভ ভাবাটাই ভুল
তন্ময় মল্লিক

‘আমরা এখানে প্রশংসা শুনতে আসিনি। মানুষের সমস্যা ও অভাব অভিযোগ শুনে তার সমাধান করতে চাই। এটাই আমাদের এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য।’ কথাটা মেদিনীপুরের অভিনেত্রী বিধায়ক জুন মালিয়ার। ‘দিদির দূত’ হয়ে তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার গোকুলপুর পঞ্চায়েতের কাজিপাটনা গ্রামে গিয়েছিলেন। বিশদ

21st  January, 2023
বাঙালিকে বিভাজিত করার চক্রান্ত চলছেই
সমৃদ্ধ দত্ত

১২০ বছর কেটে গেল। বদলে গেল শাসক। অথচ একটিমাত্র জাতির প্রতি শাসকের ক্রোধ একইভাবে রয়ে গেল। এটা বেশ আশ্চর্যের। সকলেই অবগত যে, লর্ড জর্জ নাথানিয়েল কার্জন ১৮৯৮ সালে ভারতের ভাইসরয় হয়ে আসার পর থেকে তাঁর প্রধান কাজই যেন হয়ে দাঁড়ায় বাঙালি নামক জাতিকে শায়েস্তা করা। বিশদ

20th  January, 2023
বিচারব্যবস্থাকে ‘বশংবদ’ করার আপ্রাণ চেষ্টা
মৃণালকান্তি দাস

বিচারবিভাগ, সংসদ-বিধানসভা ও প্রশাসনের মধ্যে বিবাদ বা প্রতিযোগিতার কোনও জায়গা সংবিধানের আত্মায় নেই। একসময় এই মহার্ঘ ভাষণ দিতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

19th  January, 2023
ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে পঞ্চায়েত দখলের স্বপ্ন বিজেপির
সন্দীপন বিশ্বাস

কথায় বলে, দুঃখের দিনে অথবা বিপদের দিনে সঠিকভাবে মানুষকে চেনা যায়। কথাটা আক্ষরিক অর্থেই সত্য। কিছুদিন আগেই মানুষ ভয়ঙ্কর করোনা মহামারীর খপ্পরে পড়েছিল।
বিশদ

18th  January, 2023
আরএসএস এবং ‘এক’ আধিপত্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

গত কয়েকদিন ধরে ‘আধিপত্য’ শব্দটি ভারতের নানা প্রান্তে বিশেষভাবে আলোচিত। অবশ্য আলোড়িত বললেও খুব ভুল বলা হবে না। আর এই আলোড়নের নেপথ্যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সুপ্রিমো মোহন ভাগবত। বিশদ

17th  January, 2023
২০২৩-২৪ সালের জন্য প্রথম হুঁশিয়ারি
পি চিদম্বরম

জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (এনএসও) ২০১৬-১৭ সালে অর্থবর্ষভিত্তিক জাতীয় আয়ের যে ফার্স্ট অ্যাডভান্স এস্টিমেটস (এফএই) প্রকাশের ফলপ্রসূ ব্যবস্থা চালু করেছে, সেটা এখন শেষ পর্যায়ে।
বিশদ

16th  January, 2023
স্বামীজি-নেতাজির বঙ্গে বিজেপির হিন্দুত্ব চলবে না
হিমাংশু সিংহ

ধু নতুন বছরের শুরু বলেই নয়, জানুয়ারি মাসটার সবচেয়ে বড় তাৎপর্য এই বঙ্গের দুই শ্রেষ্ঠ মহামানবের জন্মদিন উপহার দেওয়ার জন্য।
বিশদ

15th  January, 2023
একনজরে
আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। এই মেলাকে দূষণমুক্ত করার আর্জি জানাল ‘সবুজ মঞ্চ’। দূষণমুক্ত করতে যাতে সকল পরিবেশগত নিয়মাবলীর মেনে চলা হয়, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করতে ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে পাবলিসার্স ও বুক সেলার্স গিল্ড, রাজ্য ...

'বিক্ষোভ' বলবেন না, মানুষ বিষয়টি নজরে আনছেন। দিদির দূত'দের গ্রামের অঞ্চলে যাওয়া প্রসঙ্গে এমনটাই জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি শুরু হওয়ার প্রথম ১৫ দিনের রিপোর্ট তুলে ধরে তৃণমূল দাবি করল, বিরোধীরা যে অভিযোগ করছে তা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহ পরিবেশে চাপ ও মানসিক চিন্তা বৃদ্ধি। কপট লোকের দ্বার কর্মে বিপত্তি ও অর্থক্ষতির যোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৮২: বাঁশের কেল্লা খ্যাত বিপ্লবী তিতুমীর তথা সৈয়দ মীর নিসার আলীর জন্ম
১৮৮০: টমাস আলভা এডিসন বৈদ্যুতিক বাতির বাণিজ্যিক পেটেন্ট করেন।
১৯২২: অভিনেতা অজিত খানের জন্ম
১৯২৬: জন লগি বেয়ার্ড লন্ডনে প্রথম টেলিভিশন সিস্টেমকে জনসমক্ষে নিয়ে আসেন
১৯৩৬: জনগণের জন্য লন্ডনে শুরু হল বিবিসি-র সম্প্রচার
১৯৩৯: আমেরিকায় নিয়মিতভাবে টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু
১৯৬৯: অভিনেতা ববি দেওলের জন্ম
১৯৬৯: চিত্রপরিচালক বিক্রম ভাটের জন্ম
১৯৮৬: বিশিষ্ট সেতারবাদক নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৩: অভিনেত্রী তথা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সায়নী ঘোষের জন্ম
২০০৯: ভারতের অষ্টম রাষ্ট্রপতি আর ভেঙ্কটরামনের মৃত্যু
২০০২: নাইজেরিয়ার লেগোস শহরে এক বিস্ফোরণে এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি মানুন গৃহহীন হন।
২০০৬: ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, টেলিগ্রাফি ও বাণিজ্যিক মেসেজিং সেবা বন্ধ করে দেয়



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.৭৮ টাকা ৮২.৫২ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৯৬ টাকা ১০২.৩৪ টাকা
ইউরো ৮৭.৪৪ টাকা ৯০.৫৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
26th  January, 2023
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৭,৯০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৪,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৫,৮০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
26th  January, 2023

দিন পঞ্জিকা

১২ মাঘ, ১৪২৯, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩। পঞ্চমী ১০/১৭ দিবা ১০/২৯। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ৩১/২৮ রাত্রি ৭/৫৮। সূর্যোদয় ৬/২১/৪০, সূর্যাস্ত ৫/১৬/২৪। অমৃতযোগ রাত্রি ১/৭ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ২/৩২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে। 
১১ মাঘ, ১৪২৯, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩। পঞ্চমী অপরাহ্ন ৪/৪০। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র রাত্রি ১/৯। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৫। অমৃতযোগ রাত্রি ১/৮ গতে ৩/৪২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৪৬ মধ্যে ও ১০/৪৩ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৩৩ গতে ৫/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫০ গতে ১/২৯ মধ্যে।  
৩ রজব।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ড ৯৬/২ (১২ ওভার)

08:01:39 PM

প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ড ৪৩/২ (৫ ওভার)

07:33:21 PM

প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত ভারতের

06:58:00 PM

বিয়ে সারলেন ক্রিকেটার ভিভ রিচার্ডসের কন্যা মাসাবা গুপ্তা

04:21:00 PM

জিটিএ ছাড়ল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা
গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন(জিটিএ) ছেড়ে বেরিয়ে গেল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। ২০১১ ...বিশদ

03:30:00 PM

সাঁকরাইলে যুবকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার
হাওড়ার সাঁকরাইলে গলার নলি কেটে খুন। মৃতের নাম রবি রাই ...বিশদ

01:30:01 PM