Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কতটা আয় করলে তাকে গরিব বলা যায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই সমাজের আসল রূপ দেখতে পায়।
—হুমায়ুন আহমেদ
বহুল প্রচলিত একটা গল্প মনে পড়ল। রাজার উপর এক ভিক্ষুকের ভয়ানক ঈর্ষা। রাজার কতই না আরাম! তিনি সর্বক্ষণ ভালোমন্দ খেতে পারেন, দামি জামা পরেন, নরম গদির পালঙ্কে ঘুমোতেও পারেন। একদিন রাজার সঙ্গে দেখা করে সে কথা বলেই ফেললেন ভিক্ষুক। রাজা সব শুনে বললেন, ঠিক আছে। আজ তুমি আমার অতিথি। আমি যেমন জীবন কাটাই, তুমিও সেই আরামেই থাকবে। ভিক্ষুক দামি জামা পরলেন, চর্ব-চোষ্য খাওয়ানোও হল তাঁকে। তারপর নরম গদির পালঙ্ক। কিন্তু শুয়েই ভিক্ষুক দেখলেন, মাথার উপর একটা সুতোয় ঝুলছে তলোয়ার। ক্লান্তিতে যতই চোখ জুড়িয়ে আসে, ততই আতঙ্কে ভেঙে যায় ঘুম। এই বুঝি ছিঁড়ে পড়ল। সারারাত না ঘুমিয়ে ভোরবেলা ছুটে রাজার কাছে হাজির হলেন তিনি। বললেন, রক্ষে করুন মহারাজ। এভাবে ঘুমানো যায় না। রাজা হেসে বলেন, আমার অর্থ আছে, আরাম আছে, কিন্তু শান্তির ঘুম নেই। সেটাই তোমাকে বোঝালাম। তাহলে এই গল্পের মরাল কী? খুব সহজ—উচ্চবিত্তের টাকা থাকে, ঘুম থাকে না। আর নিম্নবিত্তের টাকা না থাকলেও শান্তির ঘুমের অভাব হয় না। কিন্তু মধ্যবিত্ত? এক অদ্ভুত জাঁতাকলে পেষাই হতে থাকা শ্রেণি। এদের খানিক টাকা আছে, কিন্তু তা দিয়ে রাজার আরাম হয় না। যদিও সমাজের একটা চাপ এই শ্রেণির উপর থাকে... স্টেটাস মেন্টেইন করার। সেই চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে রাতের ঘুমটাও যায় উড়ে। তার উপর চলতে থাকে সরকারের লাগাতার পরীক্ষা-নিরীক্ষা। তা সে যে পার্টিই সরকারে থাকুক না কেন। সমাজের গিনিপিগ শ্রেণি হয়েই থেকে যায় মধ্যবিত্ত। কেন? খুব সাদামাটা হিসেব। 
ভারতে দারিদ্র্য সীমার নীচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা সর্বাধিক। ফলে এঁরাই যে কোনও দলের সবচেয়ে বড় ভোটব্যাঙ্ক। পার্টি জানে, এঁদের তুষ্ট রাখতে হবে। সেটাও খুব সহজ। কারণ এঁদের চাহিদা সবথেকে কম। বিনামূল্যে চাল-ডাল, মাথার উপর যেমন-তেমন একটা ছাদের ব্যবস্থা, আর ছেলেমেয়েদের বিনা পয়সায় সরকারি স্কুলে পড়াশোনা। সঙ্গে ১০০ দিনের কাজের গ্যারান্টি তো রয়েইছে। এতেই তাঁরা খুশি। এবং তাতে কোনও অন্যায় নেই। কোনও সরকার যদি উপযাজক হয়ে বলে, তোমাকে কাজকর্ম করতে হবে না, থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেব... তাহলে হাতের লক্ষ্মী পায়ে তাঁরা ঠেলবেন কেন? ভোগ্যপণ্যের প্রতি মোহমায়া এই শ্রেণির সাধারণত থাকে না। তাই হাতে নগদের জোগান না থাকলেও খুব অসুবিধা নেই। যদি পকেটে টাকা থাকে, তখন তাঁরা কেনাকাটা করেন। আর কখন টাকা হাতে থাকে তাঁদের? যখন এই শ্রেণির মানুষ কাজে নামেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মানুষ কিনবেই। দাম বাড়লেও কিনবে, কমলেও। সবসময় তার একটা ব্যালান্স অর্থনীতিতে থাকেই। ভোগ্যপণ্যের চাহিদা ও সরবরাহের উপর নির্ভর করে অর্থনীতির সূচকের ওঠানামা। ভোগ্যপণ্য বিক্রি বাড়লে উৎপাদন শিল্পের গতি ও পরিধি দুই বাড়ে। অর্থনীতি সচল থাকে। যদি সমাজের বেশিরভাগ মানুষই কেনাকাটা থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখেন, তাহলে তা মোটেই ইতিবাচক নয়। এই শ্রেণির হাতে টাকা না থাকাটা তাই অর্থনীতির কাছে অবশ্যই অভিশাপ। কারণ, নগদের জোগান না থাকলে দেশের অর্থনীতিতে তাঁরা তেমন কিছুই কনট্রিবিউট করেন না। 
এবার আসা যাক উচ্চবিত্তদের হিসেবে। ধনী বলতে যা বোঝায়, সরকারি হিসেবে তাঁদের প্রত্যেকেই মাসে ২ লক্ষ টাকার উপর আয় করেন। কারণ, মোদি সরকারের মাপকাঠিই বলছে, বছরে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিম্ন আয়ের নাগরিক, আর মিডল ইনকাম গ্রুপ বা মধ্যম আয়ের নাগরিকদের আয় বছরে ১৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ, মাসে দেড় লক্ষ টাকা। এই হিসেব ধরলে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন করলে তাঁকে নিম্নবিত্ত ধরাই যায়। মোদ্দা কথা হল, সরকারি মাপকাঠি বলছে, মাসে যাঁরা ২৫ হাজার টাকার নীচে আয় করেন, তাঁরা আর্থিক দিক থেকে দুর্বল। টুইস্ট কিন্তু এখানেই। কারণ দু’টি।
১) মণ্ডল কমিশনের রিপোর্ট কার্যকর করার পর থেকে তফসিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য সংরক্ষণ শুরু হয় দেশে। তারপর তাতে যোগ হয় ওবিসি। নরেন্দ্র মোদি সরকার জেনারেল ক্যাটিগরির জন্য আলাদা একটি সংরক্ষণ নিয়ে এসেছে। তার মাপকাঠি করা হয়েছে সেই ব্যক্তি বা পরিবারের আর্থিক অবস্থাকে। যদি কেউ আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে থাকেন, তিনি এই ক্যাটিগরিতে সংরক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে এসসি, এসটি বা ওবিসির সংরক্ষণ তিনি পাবেন না। আর আর্থিকভাবে দুর্বল হতে গেলে তাঁর বার্ষিক আয় কত হতে হবে? ৮ লক্ষ টাকা। মানে মাসে প্রায় ৬৭ হাজার টাকা। যদি এই পর্যায়ের উপার্জনকারীকে আর্থিকভাবে দুর্বল ধরা হয়, তাহলে লোয়ার ইনকাম গ্রুপের মাপকাঠি কেন ২৫ হাজারি হবে? আর্থিকভাবে সত্যিই দুর্বল হলে তো তাঁর আয়কর দেওয়ার কথা নয়। কিন্তু সরকারিভাবে নিম্নবিত্ত বা গরিবরা এদেশে আয়কর দিয়ে থাকেন। আড়াই লক্ষ টাকা বার্ষিক আয় টপকে গেলেই তাঁকে ৫ শতাংশ হারে ট্যাক্স দিতে হয়। যাঁর আয় ৫ থেকে ১০ লক্ষ টাকা, তাঁকে দিতে হয় ২০ শতাংশ আয়কর। সঙ্গে যোগ হয় আগের স্ল্যাবের সাড়ে ১২ হাজার টাকা। তৃতীয় স্ল্যাব, অর্থাৎ ১০ লক্ষ টাকার বেশি আয় হলে ১ লক্ষ ১২ হাজার টাকার সঙ্গে ইনকামের ৩০ শতাংশ টাকা ট্যাক্স দিতে হয় ভারতীয় নাগরিককে। সরকারের হিসেবে নিম্ন মধ্যবিত্তের আয় হওয়া উচিত ৬ থেকে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এই শ্রেণির একাংশকে সরকারই ‘আর্থিকভাবে দুর্বল বলছে।’ তারপরও তাঁদের থেকে এই বিপুল হারে আয়কর কেটে নেওয়ার যুক্তি কী?
২) দেশের গরিব জনগণের মাপকাঠি স্থির করার আর একটি উপাদান হল প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা। গ্রামীণ আবাস প্রকল্পে সরকার কিন্তু ঠিক করেছে, পারিবারিক আয় ১০ হাজার টাকার বেশি হলে কোনও ব্যক্তি এই যোজনায় নাম লেখাতে পারবেন না। মানে, সরকার তাঁর বাড়ি তৈরি করে দেবে না। তাঁর বাড়িতে ফ্রিজ থাকতে পারবে না, দু’চাকার মোটরচালিত যানও নয়। এমন একটা মানদণ্ড ধরে বিচার করলে এই শ্রেণিকে গরিব বলতে অসুবিধা নেই। তাহলে বাকি মাপকাঠিগুলি এর সঙ্গে মিলছে না কেন? 
এখানেই এক্সপেরিমেন্ট। আর গিনিপিগ মধ্যবিত্ত। সরকার ধরে নিচ্ছে, কোনও ব্যক্তি আড়াই লক্ষ টাকা বছরে আয় করছেন মানে, তিনি কর দিতে বাধ্য। সরকারি সুবিধার জন্য যা খুশি হিসেব থাকুক না কেন, তাতে কিছু আসে যায় না। ওটা ভোট রাজনীতির জন্য তোলা থাক। সারা বছর কোষাগার তো ভরাতে হবে! মধ্যবিত্তরা চাকরি হারাবে, মূল্যবৃদ্ধির আঁচে পুড়বে, ধার করবে, ট্যাক্স দেবে, তারপর ভোগ্যপণ্যও কিনবে। কারণ, অর্থনীতি সচল রাখার দায় তো তাদেরই! রক্ত জল করে তারা ইনকাম করবে, আর তার একটা অংশ সরকার কেটেও নেবে। এ এক বিষম বিড়ম্বনা। তার উপর সরকারি সুবিধার আর্জি জানাতে গেলে তাদের শুনতে হবে, মশাই আপনার ক্রাইটেরিয়া মিলছে না। বাড়িতে অশান্তি, বাইরেও। মাথার উপর সুতোয় ঝুলছে তরবারি। শান্তির ঘুম? দূরঅস্ত। সমাজের আসল রূপটা দেখতে দেখতেই রাত কাটে তাদের। আর ভোট এলে শত ক্ষোভ নিয়েও লাইন দিতে হবে বুথের সামনে। মধ্যবিত্ত জানে, তারা পার্টির ভোটব্যাঙ্ক নয়... কিন্তু ভোট পাওয়ার ঘুঁটি। এই শ্রেণি সেটাই মেনে নিয়েছে। 
সরকার চলছে, রাজনীতিও। নেতারা আসবেন, ভাষণ দেবেন... মধ্যবিত্তের সুরাহা হবে না। এটাই নতুন ভারতের দস্তুর। বণিকসভা থেকে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ... প্রত্যেকেই বলছেন, আয়করের স্ল্যাব বদল করুন। জিএসটি কমান। একমাত্র তাহলেই মধ্যবিত্তের হাতে টাকা আসবে। অর্থনীতির চাকা ঘুরবে। তাতে কি কান দিচ্ছে মহামান্য ভারত সরকার? এখনও তার কোনও নামগন্ধ পাওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতি দিয়ে ঢাকা চেহারার আড়ালে তারা সুবিধা দেবে ধনীদের, উৎকোচ তত্ত্বে ভোটব্যাঙ্ক সুনিশ্চিত করবে। নাঃ, তালিকায় জায়গা হচ্ছে না মধ্যবিত্তের।
29th  November, 2022
দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ন্তা শাসক নয়, জনগণই
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের ইতিহাস পুনর্লিখন হবে! বিশেষ করে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিবৃত্ত। দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার পক্ষে সেটা নাকি বিশেষ জরুরি। এমনই নির্দেশ এসেছে দেশের শাসক দলের কাছ থেকে। বিশদ

26th  January, 2023
গণতন্ত্র রক্ষায় মমতা মডেল
হারাধন চৌধুরী

কোভিড বিধি ভেঙে পার্টিতে যোগ দিয়ে জরিমানার মুখে পড়েছিলেন বরিস জনসন, তাঁর স্ত্রী এবং ঋষি সুনাক। ওই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন মোট ৫০ জন। জরিমানার নোটিস ধরানো হয় বাকিদেরও। ঘটনাস্থল ব্রিটেন, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন। সময়টা ২০২০-র ১৯ জুন। বিশদ

25th  January, 2023
প্রত্যাশা যে আপনারই কাছে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

দর্শনশাস্ত্রে প্রত্যাশা শব্দের সংজ্ঞা বলা হয়েছে, ‘কোনও কর্মকাণ্ডের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি সম্পর্কে তীব্র বিশ্বাস’। এখানেই একটু গোল বাধে। প্রত্যাশা আর বিশ্বাস কি এক জিনিস? আমরা আপনার কাছে আশা করি, আপনি কোনও না কোনওদিন আমাদের সবার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে ফেলে দেবেন। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, এই কাজটা আপনি কখনও করবেন না। দু’টো কীভাবে এক হয়? বিশদ

24th  January, 2023
সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ বনাম সংবিধান
পি চিদম্বরম

বলা হয় যে উক্তিটি এডমান্ডক বার্ক, জর্জ সান্টায়ানা এবং উইনস্টন চার্চিলের। প্রায়ই উদ্ধৃতি দেওয়া হয়, ‘যারা অতীত মনে রাখতে পারে না, পুনরাবৃত্তির দোষে তারা নিন্দিত হয়।’
বিশদ

23rd  January, 2023
আজও আক্রোশের
অভিমুখ সেই বাংলা...
হিমাংশু সিংহ

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ২৩ জানুয়ারি এলেই মনটা কেমন আনচান করে ওঠে। একটা আশ্চর্য শ্রদ্ধা মাখা সম্ভ্রমে মাথাটা আপনি হেঁট হয়ে যায়। আজাদ হিন্দ ফৌজ গড়েই যিনি অন্তর্ধানে হারিয়ে গিয়েছেন। তাঁর লক্ষ্যপূরণ হলেও আসব আসব করে আর অসেননি এই বাংলায়। বিশদ

22nd  January, 2023
জনতার দাবিকে বিক্ষোভ ভাবাটাই ভুল
তন্ময় মল্লিক

‘আমরা এখানে প্রশংসা শুনতে আসিনি। মানুষের সমস্যা ও অভাব অভিযোগ শুনে তার সমাধান করতে চাই। এটাই আমাদের এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য।’ কথাটা মেদিনীপুরের অভিনেত্রী বিধায়ক জুন মালিয়ার। ‘দিদির দূত’ হয়ে তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার গোকুলপুর পঞ্চায়েতের কাজিপাটনা গ্রামে গিয়েছিলেন। বিশদ

21st  January, 2023
বাঙালিকে বিভাজিত করার চক্রান্ত চলছেই
সমৃদ্ধ দত্ত

১২০ বছর কেটে গেল। বদলে গেল শাসক। অথচ একটিমাত্র জাতির প্রতি শাসকের ক্রোধ একইভাবে রয়ে গেল। এটা বেশ আশ্চর্যের। সকলেই অবগত যে, লর্ড জর্জ নাথানিয়েল কার্জন ১৮৯৮ সালে ভারতের ভাইসরয় হয়ে আসার পর থেকে তাঁর প্রধান কাজই যেন হয়ে দাঁড়ায় বাঙালি নামক জাতিকে শায়েস্তা করা। বিশদ

20th  January, 2023
বিচারব্যবস্থাকে ‘বশংবদ’ করার আপ্রাণ চেষ্টা
মৃণালকান্তি দাস

বিচারবিভাগ, সংসদ-বিধানসভা ও প্রশাসনের মধ্যে বিবাদ বা প্রতিযোগিতার কোনও জায়গা সংবিধানের আত্মায় নেই। একসময় এই মহার্ঘ ভাষণ দিতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

19th  January, 2023
ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে পঞ্চায়েত দখলের স্বপ্ন বিজেপির
সন্দীপন বিশ্বাস

কথায় বলে, দুঃখের দিনে অথবা বিপদের দিনে সঠিকভাবে মানুষকে চেনা যায়। কথাটা আক্ষরিক অর্থেই সত্য। কিছুদিন আগেই মানুষ ভয়ঙ্কর করোনা মহামারীর খপ্পরে পড়েছিল।
বিশদ

18th  January, 2023
আরএসএস এবং ‘এক’ আধিপত্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

গত কয়েকদিন ধরে ‘আধিপত্য’ শব্দটি ভারতের নানা প্রান্তে বিশেষভাবে আলোচিত। অবশ্য আলোড়িত বললেও খুব ভুল বলা হবে না। আর এই আলোড়নের নেপথ্যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সুপ্রিমো মোহন ভাগবত। বিশদ

17th  January, 2023
২০২৩-২৪ সালের জন্য প্রথম হুঁশিয়ারি
পি চিদম্বরম

জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (এনএসও) ২০১৬-১৭ সালে অর্থবর্ষভিত্তিক জাতীয় আয়ের যে ফার্স্ট অ্যাডভান্স এস্টিমেটস (এফএই) প্রকাশের ফলপ্রসূ ব্যবস্থা চালু করেছে, সেটা এখন শেষ পর্যায়ে।
বিশদ

16th  January, 2023
স্বামীজি-নেতাজির বঙ্গে বিজেপির হিন্দুত্ব চলবে না
হিমাংশু সিংহ

ধু নতুন বছরের শুরু বলেই নয়, জানুয়ারি মাসটার সবচেয়ে বড় তাৎপর্য এই বঙ্গের দুই শ্রেষ্ঠ মহামানবের জন্মদিন উপহার দেওয়ার জন্য।
বিশদ

15th  January, 2023
একনজরে
আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। এই মেলাকে দূষণমুক্ত করার আর্জি জানাল ‘সবুজ মঞ্চ’। দূষণমুক্ত করতে যাতে সকল পরিবেশগত নিয়মাবলীর মেনে চলা হয়, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করতে ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে পাবলিসার্স ও বুক সেলার্স গিল্ড, রাজ্য ...

'বিক্ষোভ' বলবেন না, মানুষ বিষয়টি নজরে আনছেন। দিদির দূত'দের গ্রামের অঞ্চলে যাওয়া প্রসঙ্গে এমনটাই জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি শুরু হওয়ার প্রথম ১৫ দিনের রিপোর্ট তুলে ধরে তৃণমূল দাবি করল, বিরোধীরা যে অভিযোগ করছে তা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহ পরিবেশে চাপ ও মানসিক চিন্তা বৃদ্ধি। কপট লোকের দ্বার কর্মে বিপত্তি ও অর্থক্ষতির যোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৮২: বাঁশের কেল্লা খ্যাত বিপ্লবী তিতুমীর তথা সৈয়দ মীর নিসার আলীর জন্ম
১৮৮০: টমাস আলভা এডিসন বৈদ্যুতিক বাতির বাণিজ্যিক পেটেন্ট করেন।
১৯২২: অভিনেতা অজিত খানের জন্ম
১৯২৬: জন লগি বেয়ার্ড লন্ডনে প্রথম টেলিভিশন সিস্টেমকে জনসমক্ষে নিয়ে আসেন
১৯৩৬: জনগণের জন্য লন্ডনে শুরু হল বিবিসি-র সম্প্রচার
১৯৩৯: আমেরিকায় নিয়মিতভাবে টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু
১৯৬৯: অভিনেতা ববি দেওলের জন্ম
১৯৬৯: চিত্রপরিচালক বিক্রম ভাটের জন্ম
১৯৮৬: বিশিষ্ট সেতারবাদক নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৩: অভিনেত্রী তথা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সায়নী ঘোষের জন্ম
২০০৯: ভারতের অষ্টম রাষ্ট্রপতি আর ভেঙ্কটরামনের মৃত্যু
২০০২: নাইজেরিয়ার লেগোস শহরে এক বিস্ফোরণে এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি মানুন গৃহহীন হন।
২০০৬: ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, টেলিগ্রাফি ও বাণিজ্যিক মেসেজিং সেবা বন্ধ করে দেয়



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.৭৮ টাকা ৮২.৫২ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৯৬ টাকা ১০২.৩৪ টাকা
ইউরো ৮৭.৪৪ টাকা ৯০.৫৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
26th  January, 2023
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৭,৯০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৪,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৫,৮০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
26th  January, 2023

দিন পঞ্জিকা

১২ মাঘ, ১৪২৯, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩। পঞ্চমী ১০/১৭ দিবা ১০/২৯। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ৩১/২৮ রাত্রি ৭/৫৮। সূর্যোদয় ৬/২১/৪০, সূর্যাস্ত ৫/১৬/২৪। অমৃতযোগ রাত্রি ১/৭ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ২/৩২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে। 
১১ মাঘ, ১৪২৯, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩। পঞ্চমী অপরাহ্ন ৪/৪০। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র রাত্রি ১/৯। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৫। অমৃতযোগ রাত্রি ১/৮ গতে ৩/৪২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৪৬ মধ্যে ও ১০/৪৩ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৩৩ গতে ৫/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫০ গতে ১/২৯ মধ্যে।  
৩ রজব।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত ভারতের

06:58:00 PM

বিয়ে সারলেন ক্রিকেটার ভিভ রিচার্ডসের কন্যা মাসাবা গুপ্তা

04:21:00 PM

জিটিএ ছাড়ল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা
গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন(জিটিএ) ছেড়ে বেরিয়ে গেল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। ২০১১ ...বিশদ

03:30:00 PM

সাঁকরাইলে যুবকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার
হাওড়ার সাঁকরাইলে গলার নলি কেটে খুন। মৃতের নাম রবি রাই ...বিশদ

01:30:01 PM

১০১৬ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

01:22:18 PM

৯৬৬ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

01:14:42 PM