Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পরিবার বনাম পদযাত্রা:
শেষ চেষ্টা রাহুলের
সমৃদ্ধ দত্ত

তিনি ক্রাউড পুলার নয়। তাঁর মধ্যে সেই স্পার্ক নেই, যা জনমানসে বিদ্যুতের মতো ছড়িয়ে পড়ে। তিনি যা বলেন, মন্ত্রমুগ্ধের মতো মানুষ শুনছে, এমন একেবারেই নয়। কোনও একটি জনপদে তিনি আসছেন সভা সমাবেশ করতে, আর শুধুমাত্র তাঁকে দেখতেই লক্ষ মানুষের জমায়েত হয়ে গেল, এরকম দৃশ্য দেখা যায়নি কখনও। তাঁর জন্মদিন কবে? কতজন জানেন তারিখটি? সেই জন্মদিনে কি তাঁর মঙ্গলকামনায় দেশের মন্দির মসজিদ গীর্জায় প্রার্থনা করেন তাঁর ফ্যানবেস অথবা ভক্ত কিংবা সমর্থকরা? সেরকম শোনা যায় না। আগুনের উপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার মতো কৃচ্ছ্রসাধন করে তাঁর ক্যারিশমায় নিবেদিতপ্রাণ কর্মী সমর্থক? যেমন জয়ললিতার ক্ষেত্রে দেখা যেত? প্রশ্নই নেই। দেশবাসীর কথা বাদ দেওয়া যাক। নিজের দলের উপরই কি তাঁর কোনও প্রভাব আছে? তিনি তাঁর ঠাকুমার মতো একাধারে প্রবল জনপ্রিয়, আবার একনায়কতন্ত্রের ইমেজ কখনও ধারণ করতে পারবেন? ১০০ শতাংশ সেই সম্ভাবনা নেই। ভারতবর্ষকে তিনি কি খুব ভালো করে চেনেন? একথা তিনি নিজেও দাবি করেন না। বরং চেষ্টা করেন চিনতে অবিরত। ভারতের সমাজ, ভারতের শ্রেণিবিভাগ, জাতিচেতনা, ক্লাস বনাম কাস্ট স্ট্রাগল, সংস্কৃতি, বিনোদন ধর্মীয় রিচুয়ালস ইত্যাদি সম্পর্কে আমাদের একটা ধারণা তৈরি হয় ছেলেবেলা থেকে। সেগুলিকে কেন্দ্র করেই আমরা বেড়ে উঠি ক্রমেই শৈশব থেকে কৈশোর হয়ে যৌবনে।
কিন্তু এই সুযোগটি তাঁর ছিল না। তাঁর  ঠাকুমাকে সন্ত্রাসবাদীরা হত্যা করার পর একদিন সেন্ট কলম্বাস স্কুল থেকে তাঁকে ও জেসাস অ্যান্ড মেরি স্কুল থেকে তাঁর বোনকে দিল্লির সফদরজং রোডের একটি বাংলোয় সেই যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তারপর গোটা কৈশোর হয়ে তারুণ্যে প্রবেশ করার পর্বটি একপ্রকার বন্দি জীবন কেটেছে। তাই সহজেই মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করা, ইচ্ছে করলেই বন্ধুদের জন্মদিনে অথবা বিয়েবাড়িতে যাতায়াত ইত্যাদি সম্ভব ছিল না। স্পেশাল সিকিউরিটি গ্রুপের উপর নির্ভর করত এই ভাইবোনের সামাজিক জীবন। সাত বছরের মধ্যে একইভাবে তাঁদের বাবাকেও হত্যা করা হয়। তাঁকে আর দেশেই রাখলেন না ভীতসন্ত্রস্ত মা ও বোন। তিনি চলে গেলেন আমেরিকায়। অতএব তাঁর এই দেশটাকে জানা হল না সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সময়টায়। 
২০০৪ সালে রাজনৈতিক করিডরে প্রাথমিকভাবে অনিচ্ছাসহকারে সেই যে হাঁটা শুরু করলেন রাহুল গান্ধী, সেই হাঁটা আজও চলছে। রাহুল গান্ধীর রাজনৈতিক সাফল্য আসবে কি না সেই উত্তর ভবিষ্যতের কালের গর্ভে নিহিত আছে। কিন্তু সম্ভবত ভারতের সবথেকে কঠিন রাজনৈতিক লড়াইটা তিনি করছেন। একদিকে আছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদির মতো প্রবল শক্তিশালী, ক্যারিশম্যাটিক, জনপ্রিয় ও দলের উপর একচ্ছত্র প্রভাবসম্পন্ন নেতানেত্রী। তাঁরা এক ডাকে লক্ষ লক্ষ মানুষকে জমায়েত করেন। তাঁরা হাজারো সমালোচনা ও আক্রমণ সত্ত্বেও দেখা যাচ্ছে নিজেদের ভোটার ও সমর্থকদের কাছে সমানভাবে আরাধ্য হয়ে থাকছেন ভোটের পর পর ভোটে। অন্যদিকে আছেন তেজস্বী যাদব, অখিলেশ যাদব, এম কে স্ট্যালিন, নবীন পট্টনায়ক, জগনমোহন রেড্ডির মতো পৈতৃক রাজনৈতিক পরিচয়ের উচ্চতম পে-ডিগ্রি সম্পন্ন মানুষ এবং তাঁদের একান্ত নিজস্ব ভোটব্যাঙ্ক। তাঁরা প্রত্যেকেই সেই উত্তরাধিকারকে সম্মান দিয়ে তারপর নিজেদের নেতৃত্ব ক্ষমতার মাধ্যমে স্থাপন করতে পেরেছেন। এ এক চরম সফলতা। এছাড়াও আছেন প্রাদেশিক আবেগকে পুঁজি করে ভোটারদের নয়নের মণি হয়ে ওঠা কে চন্দ্রশেখর রাও। ভারতের রাজনীতি আবর্তিত এই তিন ফর্মুলায়। 
এই মডেলগুলি থেকে সম্পূর্ণ অনেক দূরের এক নির্জন প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে রাহুল গান্ধী। এই নিবন্ধের শুরুতেই বলা হয়েছে যে, তাঁর না আছে প্রবল জনপ্রিয়তা, না আছে দলে একচ্ছত্র প্রভাব খাটানোর ব্যক্তিত্ব। এমনকী তিনি যে সর্বদা সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন তাও নয়। এই প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী দলটির ইতিহাস এতই উচ্চমার্গের যে, সেই উত্তরাধিকার বহন করাও এক সাংঘাতিক বড় দায়িত্ব ও মানসিক চাপ। একইভাবে তাঁর পদবিটির ওজন ও ঐতিহ্য সমানভাবে পর্বতপ্রতিম। ঐতিহাসিকভাবে তাঁর দল সবথেকে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে কোনও সন্দেহ নেই। তাঁর ঠাকুমা দলকে একদা লোকসভা নির্বাচনে ৩৫২টি আসন, তাঁর বাবা চারশোর বেশি আসন এনে দেওয়ার ইতিহাস রচনা করেছেন। আর তাঁর আমলে সেই দল কখনও ৪৪, কখনও ৫২ পেয়েছে। 
যাঁর বিরুদ্ধে তাঁকে জাতীয় স্তরে লড়াই করতে হচ্ছে, সেই নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা, বাগ্মিতা, তাৎক্ষণিক হাততালিবান্ধব স্লোগান দেওয়া অথবা চটকদারি আকর্ষণীয় ইমেজের ধারেকাছে তিনি নেই। ঠিক এটাই রাহুল গান্ধীর লড়াইটাকে প্রবল আকর্ষণীয় করে তুলেছে। অর্থাৎ তাঁর পুঁজি প্রায় শূন্য। নিশ্চিত ভোটব্যাঙ্ক নেই, একক জনপ্রিয়তা নেই, একচ্ছত্র প্রভাব নেই, দলে শৃঙ্খলা নেই, নিবেদিতপ্রাণ টিম নেই, যখন তখন যে সে যেকোনও সময় বিজেপির প্রলোভনে পা দিয়ে দলত্যাগ করে চলে যাচ্ছে। 
রাহুল গান্ধীর মতো এই কঠিন লড়াইটা আর কেউ লড়ছেন না। কেন তাঁর এই লড়াইটা আকর্ষণীয়? কারণ, তিনি মাঠ ছেড়ে পালাচ্ছেন না। তিনি বারংবার ভুলুণ্ঠিত হচ্ছেন। বারংবার অপমানিত হচ্ছেন। তাঁকে নিয়ে প্রচুর হাসিতামাশা হয়। কিন্তু সব সহ্য করে এই শতাব্দীপ্রাচীন দলকে বাঁচিয়ে রাখা এবং আরও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই চালিয়েই যাচ্ছেন। বহু রাজনৈতিক ভ্রান্তি করে, বহু ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে, বহুবার বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়ে অবশেষে ২০২২ সালে রাহুল গান্ধী সম্ভবত শেষ বাজিটি খেলতে নেমেছেন তাঁর দলের অস্তিত্ব রক্ষায়। দুটি কর্মসূচি। দুটিই চমকপ্রদ। প্রথমত গান্ধী পরিবারের পক্ষ থেকে আর কেউ সভাপতি সভানেত্রী হবেন না কংগ্রেসের। গান্ধী পরিবারের বাইরে থেকে কেউ হোক। এটাই অনড় ঘোষণা। আগামী ১৯ অক্টোবরই জানা হয়ে যাবে যে, কে হচ্ছেন পরবর্তী কংগ্রেস সভাপতি। সিদ্ধান্তটির অভিঘাত বিশেষ করে তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপির কাছে অনেক বেশি। গান্ধী পরিবারের কেউ যদি সভাপতি পদেই না থাকেন, অর্থাৎ সরাসরি দলের চালিকাশক্তি না হন, তাহলে বিজেপির আাক্রমণের মূল অস্ত্রটিই অনেকটা ভোঁতা হয়ে যাবে। কারণ নরেন্দ্র মোদি অথবা বিজেপির যে কোনও নিচুতলার কর্মী, সকলের টার্গেট গান্ধী পরিবার। কিন্তু যদি অন্য কেউ সভাপতি হন, তাহলে আক্রমণের অভিমুখ এবার স্থির করতে হবে বিজেপিকে। 
আর দ্বিতীয় বিস্ময়কর যে কাজটি তিনি হাতে নিয়েছেন, সেটা একপ্রকার বেনজির। কন্যাকুমারী থেকে শুরু করে কাশ্মীর পর্যন্ত তিনি হাঁটা শুরু করেছেন। অর্থাৎ এই গোটা পথ তিনি হেঁটে হেঁটে পার করবেন। অবিশ্বাস্য এক কর্মসূচি। কারণ, রথযাত্রা নয়। পদযাত্রা। রাহুল গান্ধী যে পরিবার ও জীবন থেকে উঠে এসেছেন, সেখানে আরাম বিলাস ও সুরক্ষিত এক যাপনই স্বাভাবিক। কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি অথবা ঘটনায় কয়েকদিন একটানা শারীরিক পরিশ্রম করাই হয়। নির্বাচনের সময় সকল নেতা-নেত্রীই তা করেন। কিন্তু কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর হেঁটে চলা এক আশ্চর্য কর্মসূচি। তাও আবার আমাদের সকলের চোখের আড়ালে। ভারতকে চেনার, ভারতকে জোড়ার যাত্রা। অর্থাৎ তাঁর নিজের কথায়, এখন ভারতে বিদ্বেষ ও বিভাজন এতটাই ছড়িয়েছে, তিনি তাঁর বিপরীত পথে হেঁটে ভারতের মূল আত্মার সন্ধান করছেন। রাহুল গান্ধীর এই কর্মসূচি আদৌ কতটা সফল হবে অথবা নির্বাচনে কোনও প্রভাব ফেলবে কি না, সেটা সময় বলবে। কিন্তু আমরা লক্ষ করছি, তিনি চেষ্টা করছেন একটি হেরে যাওয়া লড়াইয়ের ময়দানে আবার প্রাণপণে ফিরতে। আর সেই ফেরার পথটি শর্টকার্ট করতে চাইছেন না। বরং কঠিন। শারীরিক কৃচ্ছ্রসাধন তো বটেই, পাশাপাশি একটি এক্সপেরিমেন্টও। অর্থাৎ এই ধরনের রাজনীতি আদৌ ২০২২ সালে গ্রহণযোগ্য কি না কিংবা সাফল্য পায় কি না এটারও একটা পরীক্ষা হয়ে যাচ্ছে।
সুতরাং বিস্ময়কর এক পদযাত্রা এবং অগান্ধী এক সভাপতি। রাহুল গান্ধীর রাজনৈতিক কেরিয়ারের মোক্ষম দুটি অন্তিম বাজি। তিনি কি পারবেন ইতিহাসের চাকা ঘোরাতে? পরিবার পারেনি, পদযাত্রা কি পারবে কংগ্রেসের জমি পুনরুদ্ধার করতে?
30th  September, 2022
কতটা আয় করলে তাকে গরিব বলা যায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই সমাজের আসল রূপ দেখতে পায়। —হুমায়ুন আহমেদ
বহুল প্রচলিত একটা গল্প মনে পড়ল। রাজার উপর এক ভিক্ষুকের ভয়ানক ঈর্ষা। রাজার কতই না আরাম! তিনি সর্বক্ষণ ভালোমন্দ খেতে পারেন, দামি জামা পরেন, নরম গদির পালঙ্কে ঘুমোতেও পারেন।
বিশদ

মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা প্রত্যাশীরা
পি চিদম্বরম

কিছু লোকের আবার ওয়েস্টমিনস্টার সিস্টেম পছন্দ নয়। একইভাবে, তারা রাজ্যটাজ্য পছন্দ করে না; তাদের পছন্দ নয় নির্বাচিত বিধানসভা; এবং তারা মুখ্যমন্ত্রীদেরও পছন্দ করে না। সংক্ষেপে এটাই বলতে হয় যে, তারা রাজ্য সরকারগুলির থেকে পরিত্রাণ চায়। ১৪২ কোটি ৬০ লক্ষ জনসংখ্যার চীনের যদি একটি সরকার থাকতে পারে, তবে ১৪১ কোটি ২০ লক্ষ জনসংখ্যার ভারতেরও তা থাকবে না কেন?
বিশদ

28th  November, 2022
গুজরাত নিয়ে মোদির এত ভয় কীসের?
হিমাংশু সিংহ

‘গত দু’দশক ধরে পাকাপাকি শান্তি বিরাজ করছে গুজরাতে। ওদের উচিত শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।’ ভোটপ্রচারের চূড়ান্ত পর্বে অমিত শাহের মুখে এই ‘সাম্প্রদায়িক’ কথাগুলি কীসের ইঙ্গিত? সমঝদার মানুষ মাত্রই বলবেন, ‘ইশারাই কাফি।’ বিশদ

27th  November, 2022
দেউচা-পাঁচামি ও কিছু অঙ্ক
তন্ময় মল্লিক

মহম্মদবাজারের দেওয়ানগঞ্জে মেঠো রাস্তার ধারে লুলু টুডুর ছোট্ট চায়ের দোকান। দোকান নয়, ঝুপড়ি বলাই ভালো। এলাকায় বসতি তেমন নেই।
বিশদ

26th  November, 2022
মোদির রাজত্বে ক্ষতি বিজেপিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

সেই স্লোগানের নাম ছিল শাইনিং ইন্ডিয়া। ২০০৪ সাল। আর এখন নয়া স্লোগানের নাম অমৃতকাল। সামনেই ২০২৪ সাল। ২০ বছরে ভারত অনেক পাল্টেছে। পাল্টেছে রাজনীতি। রাজনৈতিক সমীকরণ। পাল্টেছে নেতা-নেত্রী। পাল্টে গিয়েছে জনতার মনোভাব। বিশদ

25th  November, 2022
সন্ত্রাসের মুদ্রা তৈরির নেপথ্যে
মৃণালকান্তি দাস

গোপন খবর ছিল সিবিআইয়ের কাছে। সেই সূত্র ধরেই ভারত-নেপাল সীমান্তের বিভিন্ন ব্যাঙ্কের প্রায় ৭০টি শাখায় আচমকা হানা। উদ্ধার বিপুল পরিমাণ জাল নোট। সালটা ২০০৯-১০। বিশদ

24th  November, 2022
দেশের অর্থনীতি এগচ্ছে আরও ধ্বংসের দিকে
সন্দীপন বিশ্বাস

এর আগে আমাদের দেশে দু’বার রিসেশনের আভাস দেখা গিয়েছিল। ১৯৯১ সালে এবং ২০০৮ সালে। মনে রাখা দরকার, দু’বারই ভারত যে মানুষটির হাত ধরে তা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল, তাঁর নাম মনমোহন সিং। একবার তিনি ছিলেন অর্থমন্ত্রী, অন্যবার প্রধানমন্ত্রী। এখন মোদির পরীক্ষা। অবশ্য এর মোকাবিলার জন্য শিক্ষা, মেধা, বিচক্ষণতার প্রয়োজন। গত সাড়ে আট বছরের রাজত্বকালে এই সরকার তার কণামাত্রও দেখাতে পারেনি। দেশের মানুষের আতঙ্কটা সেখানেই।
বিশদ

23rd  November, 2022
মোদিজি, আপনি হয়তো জানেন না...
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যোগী আদিত্যনাথ কি অনামিকা শুক্লাকে চেনেন? নাঃ, তিনি কোনও সেলিব্রিটি বা গো-রক্ষক নন, একজন ‘প্রাক্তন শিক্ষিকা’। এঁর বিশেষত্ব হল, ধাপ্পাটাকে তিনি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন।
বিশদ

22nd  November, 2022
গুজরাত, কোনও অনুসরণযোগ্য মডেল নয়
পি চিদম্বরম

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অক্টোবর থেকে বেশ কয়েকবার গুজরাত সফর করেছেন। আশা করা হচ্ছে, রাজ্যে ১ ও ৫ ডিসেম্বর নির্বাচনের আগে, নভেম্বরে আরও কয়েকবার সফর করবেন তিনি।
বিশদ

21st  November, 2022
তিন বছরের শিশুর ‘জন্মদিন’ নিয়েও রাজনীতি?
হিমাংশু সিংহ

একুশের বিধানসভা ভোটের বিপর্যয় কাটার কোনও দিশা নেই। উল্টে আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে জেলায় জেলায় গেরুয়া দলের নিচুতলার প্রতিনিধি খুঁজতে হিমশিম অবস্থা। সঙ্গে গা-ঝাড়া দেওয়া বামেদের ভোটবৃদ্ধি সঙ্কটে ফেলেছে।  বাধ্য হয়ে তাই টেট পরীক্ষার্থীদের পর্যন্ত ভোটে দাঁড়ানোর টোপ দিতে হচ্ছে। কিন্তু এক শিশুর জন্মদিন ঘিরে মিথ্যে রটনা করে রাজ্যেরই একজন পোড়-খাওয়া নেতা যা করলেন তাকে আর যাই হোক সভ্যতার উদাহরণ বলা যায় না।
বিশদ

20th  November, 2022
মার খেয়েছে ভোটে, তাই
বাংলাকে মারছে ‘ভাতে’
তন্ময় মল্লিক

বিজেপি ভাবছে, ১০০ দিনের কাজে টাকা বন্ধ করে দিলে গরিব মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ক্ষেপে গিয়ে ঝুঁকবে গেরুয়া শিবিরের দিকে। পঞ্চায়েত ভোটে কিছু কিছু জায়গায় বিজেপির এটাই গেমপ্ল্যান। কিন্তু শুধু কিছু ভোট পাওয়ার আশায় ১০০ দিনের মতো জনপ্রিয় সামাজিক প্রকল্পকে গোটা রাজ্যে বন্ধ করে দিতে হবে? দুর্নীতি যারা করেছে, তাদের ঘাড় ধরে জেলে ঢোকানো হোক, কিন্তু লক্ষ লক্ষ গরিব মানুষের পেটে লাথি মারা হচ্ছে কেন? একটা বা দু’টো পরীক্ষা কেন্দ্রে গণটোকাটুকি হলে কি বাতিল করে দেওয়া যায় গোটা বোর্ডের পরীক্ষা?
বিশদ

19th  November, 2022
সরকার শীতঘুমে,
হচ্ছে দক্ষ কর্মী ছাঁটাই
সমৃদ্ধ দত্ত

বিশ্বের বৃহত্তম ই-মার্কেটিং সংস্থা আমাজন প্রায় ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন। টুইটার কোম্পানির মালিকানা বদল হওয়ার পর নতুন মালিক বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি এলন মাস্ক প্রথম যে কাজটি করেছেন, সেটি হল ছাঁটাই। বিশদ

18th  November, 2022
একনজরে
সোমবার সকালে নকশালবাড়ির অটল সংলগ্ন এলাকা থেকে মাদক সহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করল পুলিস। পাশাপাশি ধৃতের কাছ থেকে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম মিন্টু সরকার। বাড়ি নকশালবাড়ির দক্ষিণ কোটিয়াজোতে ...

পশ্চিমবঙ্গ মাছ উৎপাদনে স্বয়ম্ভর হওয়ার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ভিন রাজ্য থেকে মাছের সরবরাহ আগের তুলনায় অনেক কমেছে। ...

ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। শেষপর্যন্ত ক্যামেরুন ও সার্বিয়ার ম্যাচটি ৩-৩ গোলে শেষ হয়। সোমবার আল জানুব স্টেডিয়ামে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে প্রতি মুহূর্তে পেন্ডুলামের ...

কোয়ারেন্টাইন পর্ব শেষ। এবার দু’টি মেয়ে চিতাকে মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় পার্কের বড় এনক্লোজারে ছাড়া হল। ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার পি কে ভার্মা জানিয়েছেন, সাফল্যের সঙ্গেই এই ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সব কর্মেই শুভ ফল প্রাপ্তির সম্ভাবনা। হঠকারী সিদ্ধান্তে ক্ষতির আশঙ্কা। ধনপ্রাপ্তি যোগ অনুকূল। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৫: স্যার জেমস জে অদৃশ্য কালি আবিষ্কার করেন
১৭৯২: মার্ক উডের করা সমগ্র কলকাতার নকশা প্রথম প্রকাশ করেন মি. বেইলি
১৮৯৭: ইংল্যান্ডের সারেতে প্রথম মোটরসাইকেল রেস হয়
১৯১০: ট্রাফিক বাতির পেটেন্ট হয়
১৯৩৬: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৪: ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান অ্যানিমেটর ও লেজারশিল্পী তথা জাদুকর পিসি সরকারের জ্যেষ্ঠ পুত্র মানিক সরকারের জন্ম
১৯৪৯: রস-সাহিত্যিক কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৫১: অভিনেতা প্রমথেশ বড়ুয়ার মৃত্যু
১৯৯৩: জে আর ডি টাটার মৃত্যু
২০০১: জনপ্রিয় গায়ক এবং গিটারিস্ট জর্জ হ্যারিসনের মৃত্যু
২০১১: লেখিকা ইন্দিরা গোস্বামীর মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.৮৬ টাকা ৮২.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৩৬ টাকা ১০০.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৩.৮৯ টাকা ৮৬.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৪০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২। ষষ্ঠী ১২/৩৬ দিবা ১১/৫। শ্রবণা নক্ষত্র ৬/২৯ দিবা ৮/৩৮। সূর্যোদয় ৬/২/২৯, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ৮/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে।  
১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২। ষষ্ঠী দিবা ৩/৪৫। শ্রবণা নক্ষত্র দিবা ১/৪৩। সূর্যোদয় ৬/৪, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ 
মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে।
৪ জমাদিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রয়াত সিপিএম নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মানব মুখোপাধ্যায়

01:12:22 PM

হিঙ্গলগঞ্জ এলাকায় বাস পরিষেবা বাড়ানো হবে প্রতিশ্রুতি মুখ্যমন্ত্রীর

01:11:14 PM

মঞ্চে কেন নেই শীতবস্ত্র, আইসি ও বিডিওকে ধমক মুখ্যমন্ত্রীর

01:10:46 PM

বনবিবির মন্দির পাকা করতে হবে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের

01:06:12 PM

সরকার ভুল করলে দায় নিতে হয় আমাকে: মুখ্যমন্ত্রী

01:05:00 PM

হিঙ্গলগঞ্জে একাধিক প্রকল্পের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

01:03:00 PM