Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অসুখের নাম হাবরিস সিনড্রোম!
মৃণালকান্তি দাস

বিশ্ব ইতিহাসে নিন্দিত শাসকদের চরিত্রের উপর বিস্তর গবেষণা করেছেন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ও চিকিৎসক লর্ড ডেভিড ওয়েন। এই প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ব্রিটিশ সরকারের ফরেন সেক্রেটারি ছাড়াও আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
হাউস অব লর্ডসের আজীবন সদস্য ওয়েন লিখেছেন অনেক বইও। রাষ্ট্রক্ষমতার উৎকট অনাচার নিয়ে তাঁর গবেষণাধর্মী বই ‘ইন সিকনেস অ্যান্ড ইন পাওয়ার’। বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদদের মনোজগৎ রাষ্ট্রচিন্তায় কিংবা রাষ্ট্রপরিচালনায় কী প্রভাব ফেলে তা নিয়ে গবেষণা। তিনি এমন শাসকদের খোঁজ দিয়েছেন, যাঁদের কাছে রাজনীতি সত্য, বাকি সব কিছু মিথ্যে। মূল্যহীন। নিজেকে ছাড়া বাকিদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করাও ওইসব শাসকের মনোজগতে অহংবোধ। এতেই তাঁরা আনন্দ উপভোগ করেন। ক্ষমতার চোরাবালিতে সমস্ত গ্লানিবোধ ব্রহ্মতালু পর্যন্ত নিমজ্জিত হয়।
ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের মনোজগতের এই আচরণকে লর্ড ডেভিড ওয়েন বলেছেন ‘হাবরিস সিনড্রোম’। শুধু ক্ষমতায় থাকলেই এই সিনড্রোম দেখা দেয়। হাবরিস সিনড্রোমকে তিনি বিশেষায়িত করে বলেছেন, ‘এই রোগ বাস্তবতার সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে যাওয়া বেপরোয়া ও অস্থির প্রবণতা। যা শেষ পর্যন্ত তাঁকে অযোগ্য বলেই প্রমাণিত করে।’ তিনি দেখিয়েছেন ‘হাবরিস সিনড্রোম’ যেসব রাষ্ট্রনেতার রয়েছে তাঁরা বেশি আত্মবিশ্বাসে ভোগেন। নিজেকে জনগণের ঊর্দ্ধে মনে করেন। এসব কারণে অনেক সময় হাবরিস সিনড্রোমে আক্রান্ত ক্ষমতাবানরা রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী হয়ে ওঠেন। তাঁরা শুধু চান লজ্জাহীন স্তাবকতার প্রদর্শনী...।
ইতিহাস জানায়, হিটলার ক্ষমতাবান হওয়ার পর নিজেকে কখনও স্থির রাখতে পারেননি। তিনি প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠেছিলেন। তাঁর এই চরিত্রের উপর গবেষণা করার জন্য ১৯৪৩ সালে ইউএস অফিস অব স্ট্র্যাটেজিক সার্ভিসেস এবং সিআইএ-র প্রসিকিউটর দায়িত্ব দিয়েছিলেন মনোবিজ্ঞানী হেনরি মুরের উপর। মনোবিজ্ঞানী হেনরি মুর হিটলার সম্পর্কে ২২৯ পাতার রিপোর্ট তৈরি করেন। হার্ভার্টের এই প্রফেসরের মতে, হিটলার প্রতিশোধ নিতে নিতে ‘সিজোফ্রেনিয়ার’ মতো মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। অতিমাত্রায় উগ্র জাতীয়তাবাদী হয়ে উঠেছিলেন। এই কারণে তিনি নিজে যা ভালো মনে করতেন তাই-ই করতেন। কাউকে তোয়াক্কা করা তাঁর স্বভাববিরুদ্ধ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের সময়ে হিটলারের জাত্যভিমানের কারণেই কয়েক লক্ষ মানুষকে প্রাণ হারাতে হয়েছে। ৬০ লক্ষ ইহুদিকে হত্যা একই কারণে।
প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাই ধরুন। আমেরিকার মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে উগ্র ও দক্ষিণপন্থী এই নেতা ‘আমরা-ওরা’ বলে গোটা দেশ, বিশ্বকে বিভাজিত করে ফেলেছিলেন। শ্বেতাঙ্গ উগ্রবাদকে উস্কে দিয়েছেন। সংখ্যালঘু অভিবাসীদের দমন-পীড়নের হুমকি দিয়েছেন। খামখেয়ালি এই নেতাও সব কিছুই তাঁর ইচ্ছে মতোই করতেন এবং কারও কাছে কোনও প্রশ্নের জবাব দেওয়ার প্রয়োজনবোধ করতেন না। কাউকে তোয়াক্কাও করতেন না। সবাইকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে কথা বলাই ছিল তাঁর অভ্যাস। শোনা যায়, তাঁর নার্সিসিজম, ডিল্যুশন বা বিভ্রান্তি রয়েছে। এ ছাড়া আছে প্যারানইয়া এবং অল্প পরিমাণে সিজোফ্রেনিয়া। ইয়েলে এক কনফারেন্সে এমনই দাবি করেছিলেন মনস্তত্ত্ববিদ ডাক্তার গ্রাটনার। বলেছিলেন, মনের অসুখের জন্যই ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট থাকার যোগ্যতা নেই। তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হোক।
লর্ড ডেভিড ওয়েন বলছেন, হাবরিস সিনড্রোমে ভোগা নেতারা প্রথমে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এলেও, ক্ষমতা থেকে আর সরতে চান না। তারা আজীবন ক্ষমতাকে আঁকড়ে রাখতে চান। বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর একনায়ক হিটলারও গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়ী হয়ে সবচেয়ে বড় স্বৈরাচারী-ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠেছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পও ২০২০ সালে নির্বাচনে পরাজিত হয়েও ক্ষমতা না ছাড়ার চক্রান্ত করেছিলেন। তাতে মার্কিন গণতন্ত্রের চেহারায় কালো কালি লেগে গিয়েছে। একইসঙ্গে আমেরিকার রাজনীতিতে ক্ষমতা না ছাড়ার একটি নিকৃষ্ট রাজনৈতিক সংস্কৃতির উদ্ভব হয়েছে। যা আমেরিকায় অকল্পনীয়। যদিও উন্নয়নশীল দেশে এমন সংস্কৃতির উদাহরণ কাঁড়ি কাঁড়ি। ক্ষমতার মোহ শাসকদলকে এতটাই আবিষ্ট করে ফেলে যে, তারা একবার ক্ষমতায় যেতে পারলেই, ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী ভাবতে শুরু করে। ক্ষমতার পালাবদল মানেই অশান্তি, রক্ত ঝরিয়ে আন্দোলন।
জানি না, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহরা এমন ভয়ঙ্কর রোগে ভোগেন কি না!
তবে তাঁদের দল ও সরকার আজ যে নির্দিষ্ট মতে, পথে ও রঙে গোটা দেশকে পরিবর্তন করতে চাইছে—তা বহুত্বের ইতিহাস মুছে একরঙা হিন্দু জাতীয়তাবাদের ইতিহাস। তাঁদের আমলেই প্রকৃত ইতিহাসের নামে অসত্য, অর্ধসত্য এবং বিকৃত কাহিনি গলাধঃকরণ করানোর সুবন্দোবস্ত হয়েছে। মোগল শাসক ও ইসলামি শাসনকে অস্বীকার করা, ইতিহাসের বাস্তব মুছে ফেলে হিন্দু রাজা-শাসনকর্তাদের বিজয়ী বলে দাগিয়ে দেওয়া আসলে তাঁদের হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিরই শিক্ষামুখ। আজ তা প্রকাশ্য ও নির্লজ্জভাবে আগ্রাসী, কারণ বিজেপি সরকারের হাতে ‘ক্ষমতা’ আছে, ক্ষমতা আগ্রাসনকে সহজ করে দেয়। ইতিহাস শুধু শাসক, রাজা, সম্রাটদের নয়, সাধারণ মানুষেরও। একটি দেশের ইতিহাস হল সেই দেশের জাতীয় স্মৃতি। কারও যদি স্মৃতি লোপ পায়, তাতে তাঁর জীবনে যেমন বিপদ নেমে আসে, একই ভাবে কোনও দেশের জাতীয় স্মৃতি বা ইতিহাস যদি ভ্রান্ত হয়, তা হলে সেই জাতিরও সমূহ বিপদ। দুর্ভাগ্য, মোদির ভারত সেই বিপজ্জনক পথেই পা বাড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে সব পরিসরই রাজনীতির, সব সুযোগই বিভাজনের।
এই আগ্রাসনই দেশজুড়ে স্থান-নাম বদলের তাণ্ডবে মাতে। মসজিদের মাটির নীচে শিবলিঙ্গ খোঁজে। বিজেপির আইটি সেলের অক্লান্ত পরিশ্রমে ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে দেওয়া হয় ছোট-বড় অজস্র মিথ্যার বিষ। যার প্রতিটিরই অভীষ্ট ভারতের বহুত্বকে আক্রমণ করা। সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অসহিষ্ণুতার মাত্রা বৃদ্ধি। প্রতিবাদ করলেই, তাকে হিন্দুবিদ্বেষী ও দেশদ্রোহী বলে দাগায়। মহম্মদ জুবেরের মতো ঠাঁই হয় জেল। শুধুমাত্র সত্যের পক্ষে থাকার জন্যই যদি রাষ্ট্রক্ষমতা কোনও নাগরিককে কঠোরভাবে দমন করতে চায়, তাতে একনায়কতন্ত্রের পদধ্বনি প্রকট হয়। একে কি ‘হাবরিস সিনড্রোম’ বলা যায়? 
৮৪ বছরের বৃদ্ধ লর্ড ডেভিড ওয়েন আমাদের নেতাদের খোঁজ রাখেন কি না জানি না। রাখলে, নিশ্চিত খোঁজ পেতেন ভয়ঙ্কর ক্ষমতার আস্ফালনের নজির। যেখানে হিতাহিত জ্ঞান ভুলে গিয়ে শাসকদল ক্ষমতার অহংবোধে ধরাকে সরাজ্ঞান করেন। মাটিতে মিশে যায় মনোজগতের ন্যায়বোধ। যেভাবে বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের লুকিয়ে রেখে অভ্যুত্থানের মতো সরকার-বদল ঘটানোর চেষ্টা চলে, তা দেখে একুশ শতকের অভ্যস্ত চোখও অসুস্থ বোধ করে। আসলে বর্তমান কেন্দ্রীয় শাসক দল নিজেকে আয়নায় দেখতে শুরু করছে প্রায় অপরাজেয় সাম্রাজ্যবাদী শক্তির মতো!
নিরন্তর শক্তিপ্রদর্শন, অকারণ হিংস্রতা এবং ভীতিপ্রদর্শনের এই সংস্কৃতি গণতন্ত্রের জমিকে ক্রমশ গ্রাস করছে। সাধারণ মানুষের নাগরিক সত্তাকে সঙ্কীর্ণ করে আনছে কোনও এক দলীয় সমর্থকের পরিচয়ে। কে বোঝাবে, ভয় দেখিয়ে চৌকিদারের শাসন চলে, গণতন্ত্রের শাসন নয়। মতের আদান-প্রদানের মাধ্যমে সমাধানের দক্ষতা যে রাজনীতিতে অপরিহার্য, বিরুদ্ধ মতকে সম্মান করা, বিরোধীর প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যে রাজনীতিকদের পেশাদারিত্বের পরিচয়, সেই বোধ আজ সর্বস্তরে প্রবল ক্ষয়িষ্ণু। গণতন্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে শুধুমাত্র ‘ভোটযুদ্ধ’— একটা যুদ্ধ শেষ হলেই ফের চলে প্রস্তুতি। 
বিভিন্ন রাজ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতারা একটি কঠোর সত্য স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন দেশবাসীকে— সংবিধান যা-ই বলুক, দেশের উচ্চ আদালতগুলি সংবিধানের সেই সত্য রক্ষায় যত গুরুত্বই দিক— শেষ পর্যন্ত সেই আদর্শগুলি কিছু মুদ্রিত শব্দমাত্র। একনায়কতন্ত্র এভাবেই নিজের অস্তিত্বের কথা ঘোষণা করে। আশঙ্কা হয়, সংবিধানকে তাঁরা ভারতের আত্মা হিসাবে গ্রহণ করেননি। বরং, সদ্য স্বাধীন দেশে উদারবাদী রাজনৈতিক যুগপুরুষরা যে গৈরিক সঙ্কীর্ণতাকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে এক নতুন ভারত রচনা করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান শাসকরা সংবিধানকে সম্ভবত গৈরিক রাজনীতির সেই পরাজয়ের প্রতীক হিসেবে দেখেন। ফলে, সেই সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতা, তার আদর্শ থেকে চ্যুত হওয়ার লজ্জা, কোনওটিই তাঁদের নেই। তাঁদের দাপটের সামনে বহুত্ববাদী ভারতের আদর্শ অসহায়। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে বিরোধী দলকে দমন-নিপীড়নের মাধ্যমে আজীবন ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রবণতাও ‘হাবরিস সিনড্র্রোম’ ছাড়া অন্য কিছু নয়।
লর্ড ডেভিড ওয়েন মনে করাচ্ছেন, হাবরিস সিনড্রোমে ভোগা ক্ষমতাধর শাসকদের লজ্জা-শরম বলতে কিছুই থাকে না। জনগণের কোনও সমালোচনাতেই তাঁরা কর্ণপাত করেন না। এমনকী সমালোচনার প্রধানমাধ্যম সংবাদপত্র এবং সাংবাদিকদের দমন করতেও দ্বিধা করেন না। একইভাবে শিল্প-সাহিত্য থেকে শুরু করে রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটি সেক্টরকে ধ্বংসের শেষ সীমানায় পৌঁছে দেওয়া হয়। আর ক্ষমতাধররা রাষ্ট্রময় ছড়িয়ে দিতে চান তাঁদের গালগল্প...।
এই রোগের একমাত্র প্রতিষেধক কী? লর্ড ওয়েন মনে করেন, হাবরিস সিনড্রোমে আক্রান্ত শাসকদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া জনগণেরই দায়িত্ব। যত দ্রুত সম্ভব!
 
29th  September, 2022
কতটা আয় করলে তাকে গরিব বলা যায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই সমাজের আসল রূপ দেখতে পায়। —হুমায়ুন আহমেদ
বহুল প্রচলিত একটা গল্প মনে পড়ল। রাজার উপর এক ভিক্ষুকের ভয়ানক ঈর্ষা। রাজার কতই না আরাম! তিনি সর্বক্ষণ ভালোমন্দ খেতে পারেন, দামি জামা পরেন, নরম গদির পালঙ্কে ঘুমোতেও পারেন।
বিশদ

মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা প্রত্যাশীরা
পি চিদম্বরম

কিছু লোকের আবার ওয়েস্টমিনস্টার সিস্টেম পছন্দ নয়। একইভাবে, তারা রাজ্যটাজ্য পছন্দ করে না; তাদের পছন্দ নয় নির্বাচিত বিধানসভা; এবং তারা মুখ্যমন্ত্রীদেরও পছন্দ করে না। সংক্ষেপে এটাই বলতে হয় যে, তারা রাজ্য সরকারগুলির থেকে পরিত্রাণ চায়। ১৪২ কোটি ৬০ লক্ষ জনসংখ্যার চীনের যদি একটি সরকার থাকতে পারে, তবে ১৪১ কোটি ২০ লক্ষ জনসংখ্যার ভারতেরও তা থাকবে না কেন?
বিশদ

28th  November, 2022
গুজরাত নিয়ে মোদির এত ভয় কীসের?
হিমাংশু সিংহ

‘গত দু’দশক ধরে পাকাপাকি শান্তি বিরাজ করছে গুজরাতে। ওদের উচিত শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।’ ভোটপ্রচারের চূড়ান্ত পর্বে অমিত শাহের মুখে এই ‘সাম্প্রদায়িক’ কথাগুলি কীসের ইঙ্গিত? সমঝদার মানুষ মাত্রই বলবেন, ‘ইশারাই কাফি।’ বিশদ

27th  November, 2022
দেউচা-পাঁচামি ও কিছু অঙ্ক
তন্ময় মল্লিক

মহম্মদবাজারের দেওয়ানগঞ্জে মেঠো রাস্তার ধারে লুলু টুডুর ছোট্ট চায়ের দোকান। দোকান নয়, ঝুপড়ি বলাই ভালো। এলাকায় বসতি তেমন নেই।
বিশদ

26th  November, 2022
মোদির রাজত্বে ক্ষতি বিজেপিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

সেই স্লোগানের নাম ছিল শাইনিং ইন্ডিয়া। ২০০৪ সাল। আর এখন নয়া স্লোগানের নাম অমৃতকাল। সামনেই ২০২৪ সাল। ২০ বছরে ভারত অনেক পাল্টেছে। পাল্টেছে রাজনীতি। রাজনৈতিক সমীকরণ। পাল্টেছে নেতা-নেত্রী। পাল্টে গিয়েছে জনতার মনোভাব। বিশদ

25th  November, 2022
সন্ত্রাসের মুদ্রা তৈরির নেপথ্যে
মৃণালকান্তি দাস

গোপন খবর ছিল সিবিআইয়ের কাছে। সেই সূত্র ধরেই ভারত-নেপাল সীমান্তের বিভিন্ন ব্যাঙ্কের প্রায় ৭০টি শাখায় আচমকা হানা। উদ্ধার বিপুল পরিমাণ জাল নোট। সালটা ২০০৯-১০। বিশদ

24th  November, 2022
দেশের অর্থনীতি এগচ্ছে আরও ধ্বংসের দিকে
সন্দীপন বিশ্বাস

এর আগে আমাদের দেশে দু’বার রিসেশনের আভাস দেখা গিয়েছিল। ১৯৯১ সালে এবং ২০০৮ সালে। মনে রাখা দরকার, দু’বারই ভারত যে মানুষটির হাত ধরে তা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল, তাঁর নাম মনমোহন সিং। একবার তিনি ছিলেন অর্থমন্ত্রী, অন্যবার প্রধানমন্ত্রী। এখন মোদির পরীক্ষা। অবশ্য এর মোকাবিলার জন্য শিক্ষা, মেধা, বিচক্ষণতার প্রয়োজন। গত সাড়ে আট বছরের রাজত্বকালে এই সরকার তার কণামাত্রও দেখাতে পারেনি। দেশের মানুষের আতঙ্কটা সেখানেই।
বিশদ

23rd  November, 2022
মোদিজি, আপনি হয়তো জানেন না...
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যোগী আদিত্যনাথ কি অনামিকা শুক্লাকে চেনেন? নাঃ, তিনি কোনও সেলিব্রিটি বা গো-রক্ষক নন, একজন ‘প্রাক্তন শিক্ষিকা’। এঁর বিশেষত্ব হল, ধাপ্পাটাকে তিনি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন।
বিশদ

22nd  November, 2022
গুজরাত, কোনও অনুসরণযোগ্য মডেল নয়
পি চিদম্বরম

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অক্টোবর থেকে বেশ কয়েকবার গুজরাত সফর করেছেন। আশা করা হচ্ছে, রাজ্যে ১ ও ৫ ডিসেম্বর নির্বাচনের আগে, নভেম্বরে আরও কয়েকবার সফর করবেন তিনি।
বিশদ

21st  November, 2022
তিন বছরের শিশুর ‘জন্মদিন’ নিয়েও রাজনীতি?
হিমাংশু সিংহ

একুশের বিধানসভা ভোটের বিপর্যয় কাটার কোনও দিশা নেই। উল্টে আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে জেলায় জেলায় গেরুয়া দলের নিচুতলার প্রতিনিধি খুঁজতে হিমশিম অবস্থা। সঙ্গে গা-ঝাড়া দেওয়া বামেদের ভোটবৃদ্ধি সঙ্কটে ফেলেছে।  বাধ্য হয়ে তাই টেট পরীক্ষার্থীদের পর্যন্ত ভোটে দাঁড়ানোর টোপ দিতে হচ্ছে। কিন্তু এক শিশুর জন্মদিন ঘিরে মিথ্যে রটনা করে রাজ্যেরই একজন পোড়-খাওয়া নেতা যা করলেন তাকে আর যাই হোক সভ্যতার উদাহরণ বলা যায় না।
বিশদ

20th  November, 2022
মার খেয়েছে ভোটে, তাই
বাংলাকে মারছে ‘ভাতে’
তন্ময় মল্লিক

বিজেপি ভাবছে, ১০০ দিনের কাজে টাকা বন্ধ করে দিলে গরিব মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ক্ষেপে গিয়ে ঝুঁকবে গেরুয়া শিবিরের দিকে। পঞ্চায়েত ভোটে কিছু কিছু জায়গায় বিজেপির এটাই গেমপ্ল্যান। কিন্তু শুধু কিছু ভোট পাওয়ার আশায় ১০০ দিনের মতো জনপ্রিয় সামাজিক প্রকল্পকে গোটা রাজ্যে বন্ধ করে দিতে হবে? দুর্নীতি যারা করেছে, তাদের ঘাড় ধরে জেলে ঢোকানো হোক, কিন্তু লক্ষ লক্ষ গরিব মানুষের পেটে লাথি মারা হচ্ছে কেন? একটা বা দু’টো পরীক্ষা কেন্দ্রে গণটোকাটুকি হলে কি বাতিল করে দেওয়া যায় গোটা বোর্ডের পরীক্ষা?
বিশদ

19th  November, 2022
সরকার শীতঘুমে,
হচ্ছে দক্ষ কর্মী ছাঁটাই
সমৃদ্ধ দত্ত

বিশ্বের বৃহত্তম ই-মার্কেটিং সংস্থা আমাজন প্রায় ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন। টুইটার কোম্পানির মালিকানা বদল হওয়ার পর নতুন মালিক বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি এলন মাস্ক প্রথম যে কাজটি করেছেন, সেটি হল ছাঁটাই। বিশদ

18th  November, 2022
একনজরে
রবিবার রাতে কালনা মধুপুর এলাকায় প্রাক্তন সেনাকর্মী বাসুদেব দেবনাথের বাড়ি অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হল। ঘরের আসবাবপত্র ও কয়েক হাজার টাকা পুড়ে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ও দমকলের একটি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় বাসুদেববাবু অসুস্থ হয়ে পড়েন। ...

গোরুপাচার মামলায় এবার তিন আইপিএস আধিকারিককে দিল্লিতে তলব করতে চলেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এর মধ্যে একজন প্রাক্তন ও দু’জন বর্তমানে কর্মরত। ...

সোমবার সকালে নকশালবাড়ির অটল সংলগ্ন এলাকা থেকে মাদক সহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করল পুলিস। পাশাপাশি ধৃতের কাছ থেকে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম মিন্টু সরকার। বাড়ি নকশালবাড়ির দক্ষিণ কোটিয়াজোতে ...

ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। শেষপর্যন্ত ক্যামেরুন ও সার্বিয়ার ম্যাচটি ৩-৩ গোলে শেষ হয়। সোমবার আল জানুব স্টেডিয়ামে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে প্রতি মুহূর্তে পেন্ডুলামের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সব কর্মেই শুভ ফল প্রাপ্তির সম্ভাবনা। হঠকারী সিদ্ধান্তে ক্ষতির আশঙ্কা। ধনপ্রাপ্তি যোগ অনুকূল। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৫: স্যার জেমস জে অদৃশ্য কালি আবিষ্কার করেন
১৭৯২: মার্ক উডের করা সমগ্র কলকাতার নকশা প্রথম প্রকাশ করেন মি. বেইলি
১৮৯৭: ইংল্যান্ডের সারেতে প্রথম মোটরসাইকেল রেস হয়
১৯১০: ট্রাফিক বাতির পেটেন্ট হয়
১৯৩৬: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৪: ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান অ্যানিমেটর ও লেজারশিল্পী তথা জাদুকর পিসি সরকারের জ্যেষ্ঠ পুত্র মানিক সরকারের জন্ম
১৯৪৯: রস-সাহিত্যিক কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৫১: অভিনেতা প্রমথেশ বড়ুয়ার মৃত্যু
১৯৯৩: জে আর ডি টাটার মৃত্যু
২০০১: জনপ্রিয় গায়ক এবং গিটারিস্ট জর্জ হ্যারিসনের মৃত্যু
২০১১: লেখিকা ইন্দিরা গোস্বামীর মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.৮৬ টাকা ৮২.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৩৬ টাকা ১০০.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৩.৮৯ টাকা ৮৬.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৪০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২। ষষ্ঠী ১২/৩৬ দিবা ১১/৫। শ্রবণা নক্ষত্র ৬/২৯ দিবা ৮/৩৮। সূর্যোদয় ৬/২/২৯, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ৮/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে।  
১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২। ষষ্ঠী দিবা ৩/৪৫। শ্রবণা নক্ষত্র দিবা ১/৪৩। সূর্যোদয় ৬/৪, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ 
মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে।
৪ জমাদিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দুয়ারে সরকারে জমা পড়া সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখুন: মুখ্যমন্ত্রী

02:00:09 PM

কেন্দ্রের কাছে সুন্দরবন উন্নয়ন নিয়ে মাস্টার প্ল্যান পাঠাব: মুখ্যমন্ত্রী

01:39:46 PM

ভোটার তালিকায় নাম তুলুন, আধার কার্ড বাধ্যতামূলক নয়: মুখ্যমন্ত্রী

01:38:12 PM

সুন্দরবন নতুন জেলা হচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী

01:36:08 PM

সরকার ভুল করলে দায় নিতে হয় আমাকে: মুখ্যমন্ত্রী

01:32:33 PM

৫ জয়েশ জঙ্গিকে যাবজ্জীবন
জয়েশ ই মহম্মদের পাঁচ জঙ্গিকে সোমবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল দিল্লির ...বিশদ

01:26:35 PM