Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নেতা ও সভাপতি
পি চিদম্বরম

কংগ্রেস দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন ঘিরে এক ধরনের অস্বাভাবিক এবং প্রায় গায়ে-পড়া গোছের আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। দু’বছর আগে জে পি নাড্ডা যখন বিজেপির সভাপতি ‘নির্বাচিত’ হন তখন বিষয়টিকে সাধারণ বিজেপি কর্মীসহ ভারতের কেউই এবং অবশ্যই কংগ্রেস দলের কোনও সদস্য একটুও গুরুত্ব দেননি। ‘ভোটার তালিকা’ নিয়ে প্রশ্ন করার প্রয়োজন বোধ করেননি কেউ। কেউ জানেন না—রিটার্নিং অফিসার কে ছিলেন কিংবা জে পি নাড্ডা আদৌ ‘মনোনয়নপত্র’ দাখিল করেছিলেন কি না। বিজেপি হল শাসক দল। তারা এই অহঙ্কারও করে যে বিশ্বের সমস্ত রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিজেপির সদস্য সংখ্যাই ‘সর্বাধিক’। জে পি নাড্ডার নির্বাচন একটি মামুলি ব্যাপার। 
কংগ্রেস দলের নির্বাচন নিয়ে বিজেপি এবং মিডিয়া অস্বাভাবিক আগ্রহ দেখাচ্ছে। এ থেকে দুটি বিষয়ের প্রমাণ মেলে: (এক), ‘কংগ্রেস-মুক্ত’ ভারত হল একটি মিথ এবং ভ্রান্ত ধারণা বা মায়া-মরীচিকা; এটা কোনওদিনই ঘটবে না। (দুই), ভারত জোড়ো যাত্রা বিজেপির আত্মতুষ্টি গুঁড়িয়ে দিয়েছে এবং ভাবতে বাধ্য করেছে মিডিয়াকেও। না-হলে কংগ্রেসকে রীতিমতো হুঁশিয়ার হয়ে যেতে হতো।  
পার্টি এবং গান্ধীরা
আগামী মাসে (অক্টোবর) কংগ্রেস তাদের পরবর্তী সভাপতি নির্বাচন করবে। কে হবেন, বলতে পারছি না। সাধারণ কর্মীরা ভীষণভাবে চান যে রাহুল গান্ধীই ফের দায়িত্ব গ্রহণ করুন, ২০১৯-এর জুলাইতে যে-পদটি তিনি ছেড়ে এসেছিলেন। এটা তাঁদের অধিকার। তবে, রাহুল গান্ধী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে পুনরায় কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার কোনও বাসনা তাঁর নেই। 
রাহুল গান্ধীর মত বদলের ব্যাপারে দলের নেতারা আপ্রাণ ও শেষ চেষ্টা করতে পারেন। কিন্তু, তারপরেও যদি তিনি তাঁর পূর্ব সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন, তবে অবশ্যই রাহুল গান্ধীর ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে, অন্তর্বর্তী সভাপতির জায়গায়, নির্বাচকরা অবশ্যই অন্য একজনকে সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন। গান্ধীদের বাইরে অন্য একজনকে কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত করার অর্থ, আমার মতে, এই নয় যে পার্টি গান্ধীদের ত্যাগ করেছে কিংবা তার উল্টো কিছু ঘটেছে। 
ইতিহাসের পাঠ
কংগ্রেস দলের ইতিহাসে রয়েছে কিছু মূল্যবান অধ্যায় বা শিক্ষা। ভারতের রাজনীতিতে পদার্পণের পর, মহাত্মা গান্ধী কংগ্রেস দলের নেতার স্বীকৃতি পান। অনেক উচ্চ নেতার মধ্যে তিনিই ছিলেন সর্বোচ্চ। ১৯২১-৪৮ সময়কালে, ১৪ জন ভিন্ন ব্যক্তি কংগ্রেস সভাপতির পদ অলঙ্কৃত করেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন চিত্তরঞ্জন দাশ, সরোজিনী নাইডু, এস শ্রীনিবাস আয়েঙ্গার, এম এ আনসারি, মতিলাল নেহরু, জওহরলাল নেহরু, বল্লভভাই প্যাটেল, রাজেন্দ্র প্রসাদ, সুভাষচন্দ্র বসু, আবুল কালাম আজাদ এবং আচার্য কৃপালনির মতো বাঘা নেতারা। দলের সাধারণ সদস্যরা, এমনকী সদস্য নন এমন ব্যক্তিরাও সূক্ষ্ম অথচ গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যটি উপলব্ধি করেন যে, মহাত্মা গান্ধী ছিলেন ‘কংগ্রেসের নেতা’ এবং অন্য ব্যক্তিরা ছিলেন ‘কংগ্রেসের সভাপতি’। একটি পদ বা ব্যক্তি অন্যটির উপর খবরদারি করার চেষ্টা করেননি।
১৯৪৮ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যেও অনুরূপ ব্যবস্থা ছিল: সাতজন বিভিন্ন ব্যক্তি কংগ্রেসের সভাপতির কুর্সিতে আসীন হলেও কংগ্রেসের স্বীকৃত নেতাটি ছিলেন জওহরলাল নেহরু। ১৯৬৫-৮৪ পর্বেও অন্যরকম কিছু হয়নি: ইন্দিরা গান্ধী ছিলেন কংগ্রেসের নেত্রী আর কংগ্রেস সভাপতির পদ সামলেছেন বিভিন্ন আটজন ব্যক্তি।
একটি বৃহৎ দেশের একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে এমন ব্যবস্থা বিশেষ অর্থবোধক হয়ে ওঠে। একজন নেতার কাজ হল নেতৃত্বদান, জনগণকে দিশা দেখানো এবং দলের পক্ষে ভোট প্রদানে তাদের প্রাণিত করা। সভাপতির প্রধান কাজ হল সংগঠনের আগাপাশতলা ঠিক রাখা, তার ঘাটতি-খামতি দূর করা এবং তাকে নির্বাচন মোকাবিলার একটি মেশিনে পরিণত করা। এই দুটি কাজের একটি অন্যটির পরিপূরক। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদনের উপযুক্ত একজন ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে সেই পার্টি অবশ্যই ভাগ্যবান। তবে দু’জন ব্যক্তির মধ্যে দায়িত্ব দুটি ভাগ করে দিলে বুঝতে হবে যে দলটির যথেষ্ট বাস্তবজ্ঞান রয়েছে।
অনুপ্রাণিত ও পুনর্নির্মাণ করুন
যেমনটা বলেছি, একজন নেতা অবশ্যই অনুপ্রাণিত করবেন। মহাত্মা গান্ধী সেটাই করেছিলেন তাঁর অহিংসা, অসহযোগ ও আইন অমান্যের মতো অভিনব রাজনৈতিক ভাবনা দিয়ে। এই কৌশল শেষ পর্যন্ত ভারত ছাড়ো আন্দোলনেরও হাতিয়ার হয়েছিল। জওহরলাল নেহেরু জোটনিরপেক্ষতা, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সমাজতন্ত্রের উচ্চ ধারণার প্রতি জনগণকে আগ্রান্বিত এবং প্রাণিত করেছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী জাতিকে স্বপ্ন বড় আকারে দেখার আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং নিয়েছিলেন ব্যাঙ্ক জাতীয়করণ ও সবার জন্য গৃহের মতো কিছু সাহসী পদক্ষেপ। সোনালি চতুর্ভুজের মতো উচ্চাভিলাষী প্রকল্পের মাধ্যমে জাতির কাছ থেকে গুরুত্ব আদায় করেছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ি। একটি প্রবাদের (‘ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’) বিশেষ ব্যবহার বা একটি শিহরন জাগানো স্লোগান (‘গরিবি হটাও’) কিংবা একটি উদার দৃষ্টিভঙ্গি (‘ইনসানিয়াত, জামহুরিয়াত এবং কাশ্মীরিয়াত’) একজন নেতাকে বিরাট উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে।
অন্যদিকে, একটি দলের সভাপতিকে অবশ্যই বাস্তব ভিত্তির উপর দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। তাঁকে হতে হবে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা প্রদান এবং প্রতিপালনের উপযুক্ত। কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাহস থাকা জরুরি তাঁর। কংগ্রেস পার্টি মেশিনারির ভয়ানক দৈন্যদশা চলছে এবং জরুরি ভিত্তিতে এটাকে চাঙ্গা করা দরকার। আর তার জন্য দীর্ঘসময় ধরে রাস্তায় নেমে কাজ করতে হবে এবং দলীয় কর্মীদের সঙ্গে থাকতে হবে আরও দীর্ঘক্ষণ। বুথ থেকে ব্লক থেকে জেলা থেকে রাজ্য পর্যন্ত দলের প্রতিটি ইউনিটের কর্মক্ষমতার উপর একজন সভাপতিকে অবশ্যই তীক্ষ্ণ নজর রাখতে হবে। সভাপতিকে অবশ্যই কর্মীদের প্রশ্রয় ও ভর্ৎসনা করতে হবে, পুরস্কৃত ও শাস্তি দিতে হবে নেতাদের এবং ‘পার্টি মেশিনের’ সেকেলে বা বিকল ‘পার্টস’ বাদ দিয়ে তার জায়গায় নতুন পার্টস যোগ করতে হবে। এটা সারা বছরের রোজকার (সভাপতির জন্মদিন বাদে ৩৬৪ দিন!) এবং সর্বক্ষণের (২৪×৭)  কাজ। একটি বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং চলমান সংসদের চাবিকাঠি হল কংগ্রেস। কংগ্রেসের অনুপস্থিতিতে, আমরা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে একটি একদলীয় রাষ্ট্র এবং মায়া-গণতন্ত্রে যোগ দিতে পারি।
কংগ্রেস একজন নেতা-তথা-সভাপতি কিংবা একজন নেতা ‘এবং’ একজন সভাপতি পাবে কি না, তা দিন কয়েকের মধ্যেই জানা যাবে। এটা কংগ্রেস দলের পাশাপাশি দেশের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ সপ্তাহ হয়ে উঠবে। অন্যভাবে দেখলে, কংগ্রেস দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন নিয়ে যে অস্বাভাবিক এবং অযাচিত আগ্রহ দেখা যাচ্ছে তার পুরোটা অযৌক্তিক নাও হতে পারে।
 লেখক সাংসদ ও ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত 
26th  September, 2022
বাংলার বিরোধীদের
ব্যর্থতা ঘরে ও বা‌ইরে
সমৃদ্ধ দত্ত

বিরোধীরা সরকার বিরোধী ইস্যু তৈরি করার মুন্সিয়ানা দেখাতে ব্যর্থ। তারা শুধু অপেক্ষা করে সরকার অথবা শাসক দল কখন কী ভুল করবে, সেটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে। কিন্তু কোনও ইস্যুকেই দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের রূপ দিতে পারছে না। তাই দলের ব্যর্থতা এবং ব্যক্তিগত ক্যারিশ্মাহীনতায় বিরোধী দলের পক্ষে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলা সম্ভব হচ্ছে না। এই দুর্বলতাগুলিকে ভুলে গিয়ে, তারা সাময়িক হাততালি পেতে সবথেকে বড় একটি ভুলও দীর্ঘদিন ধরে করে এসেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আন্ডারএস্টিমেট করা!
  বিশদ

ঐক্যভাবনার মধ্য দিয়ে
উন্নয়নই ভারতের মূল লক্ষ্য
নরেন্দ্র মোদি

জি-২০-র পূর্ববর্তী ১৭টি প্রেসিডেন্সির সময়কাল ফলাফলের দিক থেকে ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যময়। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সুনিশ্চিত করা,আন্তর্জাতিক কর ব্যবস্থাকে বাস্তবসম্মত করে তোলা, সংশ্লিষ্ট দেশগুলির উপর ঋণের বোঝা হ্রাস করা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য দেখিয়েছে পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্সিগুলি। বিশদ

01st  December, 2022
কাতার বিশ্বকাপ বনাম পাশ্চাত্য মিডিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 

বিশ্বের বাগান হল ইউরোপ। আর বাকি দুনিয়ার অধিকাংশ জঙ্গল। ব্রাসেলসে একটি কূটনৈতিক অ্যাকাডেমি উদ্বোধন করতে গিয়ে এমনই বলেছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদেশনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল। ভয়ঙ্কর বৈষম্যমূলক এই ধ্যান-ধারণাই পশ্চিমের সর্বত্র লক্ষণীয়। বিশদ

01st  December, 2022
বিজেপি মাছরাঙারই একটি নগণ্য প্রজাতি
হারাধন চৌধুরী

শনিবার প্রকাশিত সঙ্কল্পপত্রে যে ৪০ দফা প্রতিশ্রুতি গেরুয়া শিবির থেকে দেওয়া হয়েছে তার বেশিরভাগই ভোটের উপহার। এগুলির বেশিরভাগই কংগ্রেস অথবা আম আদমি পার্টির (আপ) টুকলি! আর আছে বাংলার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুয়ারে রেশন, কন্যাশ্রী এবং সবুজসাথীর অক্ষম অনুকরণ। 
বিশদ

30th  November, 2022
কতটা আয় করলে তাকে গরিব বলা যায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই সমাজের আসল রূপ দেখতে পায়। —হুমায়ুন আহমেদ
বহুল প্রচলিত একটা গল্প মনে পড়ল। রাজার উপর এক ভিক্ষুকের ভয়ানক ঈর্ষা। রাজার কতই না আরাম! তিনি সর্বক্ষণ ভালোমন্দ খেতে পারেন, দামি জামা পরেন, নরম গদির পালঙ্কে ঘুমোতেও পারেন।
বিশদ

29th  November, 2022
মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা প্রত্যাশীরা
পি চিদম্বরম

কিছু লোকের আবার ওয়েস্টমিনস্টার সিস্টেম পছন্দ নয়। একইভাবে, তারা রাজ্যটাজ্য পছন্দ করে না; তাদের পছন্দ নয় নির্বাচিত বিধানসভা; এবং তারা মুখ্যমন্ত্রীদেরও পছন্দ করে না। সংক্ষেপে এটাই বলতে হয় যে, তারা রাজ্য সরকারগুলির থেকে পরিত্রাণ চায়। ১৪২ কোটি ৬০ লক্ষ জনসংখ্যার চীনের যদি একটি সরকার থাকতে পারে, তবে ১৪১ কোটি ২০ লক্ষ জনসংখ্যার ভারতেরও তা থাকবে না কেন?
বিশদ

28th  November, 2022
গুজরাত নিয়ে মোদির এত ভয় কীসের?
হিমাংশু সিংহ

‘গত দু’দশক ধরে পাকাপাকি শান্তি বিরাজ করছে গুজরাতে। ওদের উচিত শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।’ ভোটপ্রচারের চূড়ান্ত পর্বে অমিত শাহের মুখে এই ‘সাম্প্রদায়িক’ কথাগুলি কীসের ইঙ্গিত? সমঝদার মানুষ মাত্রই বলবেন, ‘ইশারাই কাফি।’ বিশদ

27th  November, 2022
দেউচা-পাঁচামি ও কিছু অঙ্ক
তন্ময় মল্লিক

মহম্মদবাজারের দেওয়ানগঞ্জে মেঠো রাস্তার ধারে লুলু টুডুর ছোট্ট চায়ের দোকান। দোকান নয়, ঝুপড়ি বলাই ভালো। এলাকায় বসতি তেমন নেই।
বিশদ

26th  November, 2022
মোদির রাজত্বে ক্ষতি বিজেপিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

সেই স্লোগানের নাম ছিল শাইনিং ইন্ডিয়া। ২০০৪ সাল। আর এখন নয়া স্লোগানের নাম অমৃতকাল। সামনেই ২০২৪ সাল। ২০ বছরে ভারত অনেক পাল্টেছে। পাল্টেছে রাজনীতি। রাজনৈতিক সমীকরণ। পাল্টেছে নেতা-নেত্রী। পাল্টে গিয়েছে জনতার মনোভাব। বিশদ

25th  November, 2022
সন্ত্রাসের মুদ্রা তৈরির নেপথ্যে
মৃণালকান্তি দাস

গোপন খবর ছিল সিবিআইয়ের কাছে। সেই সূত্র ধরেই ভারত-নেপাল সীমান্তের বিভিন্ন ব্যাঙ্কের প্রায় ৭০টি শাখায় আচমকা হানা। উদ্ধার বিপুল পরিমাণ জাল নোট। সালটা ২০০৯-১০। বিশদ

24th  November, 2022
দেশের অর্থনীতি এগচ্ছে আরও ধ্বংসের দিকে
সন্দীপন বিশ্বাস

এর আগে আমাদের দেশে দু’বার রিসেশনের আভাস দেখা গিয়েছিল। ১৯৯১ সালে এবং ২০০৮ সালে। মনে রাখা দরকার, দু’বারই ভারত যে মানুষটির হাত ধরে তা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল, তাঁর নাম মনমোহন সিং। একবার তিনি ছিলেন অর্থমন্ত্রী, অন্যবার প্রধানমন্ত্রী। এখন মোদির পরীক্ষা। অবশ্য এর মোকাবিলার জন্য শিক্ষা, মেধা, বিচক্ষণতার প্রয়োজন। গত সাড়ে আট বছরের রাজত্বকালে এই সরকার তার কণামাত্রও দেখাতে পারেনি। দেশের মানুষের আতঙ্কটা সেখানেই।
বিশদ

23rd  November, 2022
মোদিজি, আপনি হয়তো জানেন না...
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যোগী আদিত্যনাথ কি অনামিকা শুক্লাকে চেনেন? নাঃ, তিনি কোনও সেলিব্রিটি বা গো-রক্ষক নন, একজন ‘প্রাক্তন শিক্ষিকা’। এঁর বিশেষত্ব হল, ধাপ্পাটাকে তিনি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন।
বিশদ

22nd  November, 2022
একনজরে
টেস্টে একদিনে পাঁচশো রান! বৃহস্পতিবার রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এমন কাণ্ডই ঘটাল ইংল্যান্ড। ...

মতুয়া সম্প্রদায়ের উন্নয়নে দু’বছর আগে মতুয়া ওয়েলফেয়ার বোর্ড তৈরি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পর্ষদের মাধ্যমে গত দেড় বছরে মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে খরচ করা হয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। ...

বৃহস্পতিবার পুকুরে স্নান করতে নেমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক মহিলার। পুলিস জানিয়েছে, মৃত মহিলার নাম সমলা সং (৫২) ...

পূর্বস্থলীর পাটুলিতে সদগুরু স্বামী দেবানন্দ আশ্রমে গিয়ে খোল বাজিয়ে মাতালেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। বৃহস্পতিবার আশ্রমের কীর্তনের আসরে যোগ দেন তিনি। ভাগীরথীর তীরে আশ্রমিকদের জন্য শৌচাগার ও স্নানের ঘাট তৈরিরও প্রতিশ্রুতি দেন মন্ত্রী।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পেশাদারি কর্ম কৃতিত্বে সুনাম। পৈতৃক সম্পত্তি থেকে অর্থলাভ ও সঞ্চয় বৃদ্ধি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুফল। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮১: কার্ল মার্কসের স্ত্রী ও আমৃত্যু সহযোদ্ধা জেনি মার্কসের মৃত্যু
১৮৮৮: গবেষক, সংগ্রাহক এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ক্ষিতিমোহন সেনের জন্ম
১৮৯৮: প্রথম ভারতীয় (বাঙালি) বিমান চালক যিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির পক্ষে যুদ্ধ করেন এবং মৃত্যুবরণ করেন, সেই  ইন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৯১৮:কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯২৫: বিশিষ্ট অভিনেতা সন্তোষ দত্তর জন্ম
১৯৪২:  বিশ্বের প্রথম আণবিক চুল্লি পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু হয় শিকাগোতো 
১৯৫৯: অভিনেতা বমান ইরানীর জন্ম
১৯৭৬: কিউবার প্রেসিডেন্ট হলেন ফিদেল কাস্ত্রো
১৯৮৪: ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনায় কমপক্ষে আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৮৮: পাকিস্তানের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হলেন বেনজির ভুট্টো
১৯৮৯: ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হলেন ভিপি সিং
১৯৯১: কথাসাহিত্যিক বিমল মিত্রের মৃত্যু 
 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.২৮ টাকা ৮২.০২ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৪২ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৩.০৯ টাকা ৮৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২। নবমী ০/২৭ প্রাতঃ ৬/১৫ পরে দশমী ৫৮/৫৯ শেষ রাত্রি ৫/৪০। সূর্যোদয় ৬/৪/২২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৭/২৯ গতে ৯/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ৩/২৫ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪৫ গতে ১১/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৬ মধ্যে। 
১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২। নবমী দিবা ৯/৪৮। সূর্যোদয় ৬/৬, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ৩/৩৮ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৬ গতে ১১/২৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৭ মধ্যে। 
৭ জমাদিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ ২০২২: কালকের ফল
জাপান ২ : স্পেন ১ কোস্টারিকা ২ : জার্মানি ৪ ক্রোয়েশিয়া ০ ...বিশদ

03:30:00 AM

বিশ্বকাপ ২০২২: কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় মরক্কো

01-12-2022 - 10:32:12 PM

বিশ্বকাপ ২০২২: বিশ্বকাপ থেকে বিদায় বেলজিয়ামের, ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র

01-12-2022 - 10:29:16 PM

বিশ্বকাপ: কানাডা-১ : মরক্কো-২ (হাফটাইম)

01-12-2022 - 09:24:22 PM

বিশ্বকাপ ২০২২: ক্রোয়েশিয়া- ০: বেলজিয়াম- ০ (হাফ টাইম)

01-12-2022 - 09:23:39 PM

বিশ্বকাপ ২০২২: কানাডা-১  : মরক্কো-২ (৪০ মিনিট)

01-12-2022 - 09:16:05 PM