Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কংগ্রেসের ভোটরঙ্গ ও চিতার অট্টহাসি!
হিমাংশু সিংহ

পরিবারই আশীর্বাদ, আবার পরিবারই অভিশাপ! তাকে বাদ দিয়ে কংগ্রেসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আর বৃদ্ধ বয়সে আলেকজান্ডারের দাঁতের মাজন বেচা, প্রায় সমার্থক। নেহরু-গান্ধী পরিবার বাদে শতাব্দী প্রাচীন এই রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মটা অনেকটাই সোনার পাথরবাটির মতো! ১৯৯৭ সালে নির্বাচনের মাধ্যমেই কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন দলঅন্তপ্রাণ একনিষ্ঠ সৈনিক সীতারাম কেশরী। আজীবন পরিবারের সেবায় নিয়োজিত। খুব একটা বলিয়ে কইয়ে ধোপদুরস্ত ঝকঝকে কাঁধ ঝাঁকানো নেতা তিনি ছিলেন না। তবুও তাঁর কাছে সেদিন পরাজিত হন হেভিওয়েট শারদ পাওয়ার ও রাজেশ পাইলট। সবাই ভেবেছিল, পরিবারকে বিদায় দিয়ে শতাব্দী প্রাচীন দলটায় বুঝি নতুন হাওয়া বইতে শুরু করল। কিন্তু তা হয়নি। ঠিক কী পরিণতি হয়েছিল একনিষ্ঠ সেবক কেশরীর, তা সবারই জানা। মাত্র একবছর যেতে না যেতেই নাটকীয়ভাবে নির্বাচিত দলীয় প্রধানকে ছুড়ে ফেলে সোনিয়া গান্ধী সভাপতির আসন দখল করেন। এবং তিনি ইচ্ছাপ্রকাশ করতেই তাঁর সমর্থনে প্রায় প্রতিটি প্রদেশ কংগ্রেসের থেকে প্রস্তাব পাশ করে সীতারাম কেশরীকে গলাধাক্কা দেওয়ার পথ প্রশস্ত করা হয়। সেই ১৯৯৮ সাল থেকে আজ পর্যন্ত দলীয় সভাপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ইতালির মাইনো পরিবারের কন্যাই। কঠিন অসুখ নিয়ে টানা এতগুলি বছর। দেশের প্রাচীনতম জাতীয় রাজনৈতিক দলের দীর্ঘতম সময়ের সভানেত্রী একজন বিদেশিনী! আজ নেহরু কিংবা গান্ধীজি বেঁচে থাকলে কী বলতেন জানি না। তবে লাঠি হাতে জাতির জনক চরকা কাটা ঋজু মানুষটার কপালের ভাঁজ যে আরও গভীর হতো, তা হলফ করে বলতে পারি। 
সোনিয়া যখন দায়িত্ব নেন তখন কেন্দ্রে বাজপেয়ি জমানা। একটার পর একটা ইস্যুতে হিন্দুত্ববাদীরা টগবগ করে ফুটছে। সঙ্গে উন্নয়নের দু’শো ফিরিস্তি, যার মার্কেটিং করা হয়েছিল ‘ফিলগুড’ নামে। তবুও শেষরক্ষা হয়নি আদবানিদের। নাটকীয়ভাবে ৬ বছরের মধ্যে জাতীয় রাজনীতি অদ্ভুত এক পালাবদলের সাক্ষী হয়। পতন হয় বিজেপি সরকারের। এবং সোনিয়ার সমর্থন ও সৌজন্যে সবাইকে চমকে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেন কূটকচালির রাজনীতিতে ব্রাত্য, অর্থনীতির পণ্ডিত মনমোহন সিং। টানা দশ বছর দল কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকলেও এই মুহূর্তে অবস্থান একেবারে খাদের কিনারায়। মোদি ও অমিত শাহের যুগলবন্দির দৌরাত্ম্যে চরম অস্তিত্ব সঙ্কটে রুগ্ন। মনমোহন জমানার ছিটেফোঁটা কৃতিত্বও আজ আর মানুষের মনে বেঁচে নেই। জাতীয় দলের মর্যাদাও ক্রমে বিপন্ন! সোনিয়ার এই টানা ২৪ বছর দলের সভানেত্রী থাকার মাঝে অবশ্য ২০১৭ থেকে ২০১৯, দু’বছর পুত্র রাহুল গান্ধী দায়িত্ব সামলেছেন। যথাসময়েই পরবর্তী প্রজন্মের হাতে দলের ব্যাটন তুলে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছিলেন তিনি। গান্ধী পরিবারের গ্রহণযোগ্যতা ও নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতার উচ্চকিত প্রচারে তা খুব একটা কষ্টকল্পিত ছিল না। বরং সেটা আজও সমানভাবে স্বাভাবিক ও বাস্তব। কিন্তু সামনে থেকেও বারবার কোথায় যেন নিজেকে লুকিয়ে ফেলছেন রাহুল। ঠিক আন্দোলনের সামনে এসে বুক ঠুকে ‘আমিই নেতা’ বলে রুখে দাঁড়ানোর কঠিন মানসিকতার বদলে যুদ্ধের ক্লাইম্যাক্সে তিনি বারবার নিখোঁজ হয়ে যান। উৎসাহ, উদ্যোগ, সামনে থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতাটা অর্জন করতে হয়। সঙ্গে চাই দিনরাত পরিশ্রম করার অসম্ভব খিদে। এই সহজাত গুণগুলি উত্তরাধিকার সূত্রে মেলে না। তাই ২০১৯ সালে অনেক সম্ভাবনা জাগিয়েও সাধারণ নির্বাচনে ভরাডুবির পর রণেভঙ্গ দেন রাজীব পুত্র। অগত্যা অসুস্থ সোনিয়াকেই অস্থায়ী সভানেত্রীর দায়িত্ব দেয় এআইসিসির ‘সাজানো’ নেতারা। সেই ‘স্টপগ্যাপ অ্যারেঞ্জমেন্ট’ এখনও চলছে। ২৩ জন তথাকথিত শিক্ষিত নেতার বিদ্রোহ নিয়ে বাইরে যতটা ঝড় উঠেছে, ভিতরে ততটা কাঁপন কিন্তু ধরেনি। আর ধরেনি বলেই আজও নিমরাজি রাহুলকে বোঝাতে একটার পর একটা প্রদেশ নেতৃত্ব প্রস্তাব নিচ্ছে। সমর্থন জানাচ্ছে। কিন্তু কতদিন এভাবে অপেশাদার সুলভ শখের রাজনীতি চলতে পারে? বিশেষত গেরুয়া আগ্রাসনে দলের ভিত্তি ও ভোটব্যাঙ্ক দুই-ই যখন প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জের মুখে। টাকা, ক্ষমতা এবং রাজনৈতিক কৌশলের খেলায় প্রতিপক্ষ কিন্তু অনেক বেশি সংগঠিত ও পরিশ্রমী!
কংগ্রেসের সঙ্কট বাড়ছে ঠিক আরও একটি কারণে। রাহুল সভাপতি না থাকলেও কি দলের একটাও সিদ্ধান্ত তাঁকে বাদ দিয়ে আজ নেওয়া সম্ভব? একেবারেই  নয়। আগামী ১৭ অক্টোবর শেষপর্যন্ত যদি ভোট হয় এবং গান্ধী পরিবারের বাইরে কেউ নেতৃত্বে বসেন, তাহলেও অবস্থার লেশমাত্র পরিবর্তন হবে বলে হয় না। এটা আশীর্বাদ না অভিশাপ, তা ইতিহাস বলবে। তবে পরিবারের বাইরের কেউ দলের নেতৃত্বে এলেও তিনি যে দশ জনপথ কিংবা রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে অস্বীকার করে একচুল এগতে পারবেন না, তার সত্যতা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। 
তবু সব জেনেবুঝেও আবার একটা প্রহসনের দিকে এগচ্ছে দলটা। কেন? নরেন্দ্র মোদি বারবার পরিবারতন্ত্র তুলে গাল দিচ্ছেন বলে? নাকি সামনে আরও বড় ভরাডুবি অপেক্ষা করছে, তাই রাহুল কিংবা প্রিয়াঙ্কা আপাতত আর কলঙ্কের ভাগী হতে আগ্রহী নন। ঘটনা যাই ঘটুক, আসন্ন আলোর পার্বণে যে নতুন ‘গণতান্ত্রিক’ কংগ্রেসের জন্ম হবে, তার সামনে এটাই কোটি টাকার প্রশ্ন। সবাই নিশ্চিত জানে রাহুল ও সোনিয়ার অঙ্গুলিহেলন ছাড়া কোনও নীতিগত সিদ্ধান্ত বা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার ক্ষমতা নয়া সভাপতির থাকবে না। তাহলে এই লোক হাসানো ‘নৌটঙ্কি’র প্রয়োজন কেন? অশোক গেহলট যদি সভাপতি হন, তাহলে তিনি কি রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী পদে নিজের পছন্দের লোককে বসাতে পারবেন? দেখে শুনে মনে হচ্ছে, শচীন পাইলটকে পাকা কথা দেওয়া হয়ে গিয়েছে গান্ধী পরিবারের। কৌশলে রাজস্থান থেকে গেহলটকে সরানোই তাই কৌশল। এইসব হাজারো সংশয় আর প্রশ্নেই আবর্তিত হচ্ছে কংগ্রেস রাজনীতি। আর এই আবর্তেই অক্সিজেনের অভাবে মৃতপ্রায় হবে বিরোধী পরিসর। কে না জানে, উজ্জীবিত কংগ্রেস ছাড়া এই মুহূর্তে মোদিকে গদিচ্যুত করা প্রায় অসম্ভব কাজ। আবার এও সত্যি, সেই সুযোগ সামনে এলে নির্বাচিত সভাপতিকে তুড়ি মেরে সরিয়ে অধিকার বুঝে নিতে এক মুহূর্তও দেরি করবেন না রাহুল- প্রিয়াঙ্কা।
সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা এইখানেই। এই দফায় দলীয় গণতন্ত্রের টানাপোড়েনে বলি হবেন কংগ্রেসের 
কোন একনিষ্ঠ সেবক? অশোক গেহলট কি কংগ্রেসের পরবর্তী সীতারাম কেশরী হতে চলেছেন। যদি রাহুল না হয়ে গেহলট, থারুর কিংবা কমলনাথের মতো কেউ সভাপতির আসনে বসেন, তাহলে কি দলের ভিতরকার আকচাআকচি থামবে? গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে দীর্ণ কংগ্রেস নেতৃত্বের দিশাহারা চেহারাটাই যদি প্রকট হয়, তাহলে বিরোধীদের সঙ্কট বাড়বে বই কমবে না। সেক্ষেত্রে আরও দুটো আঞ্চলিক দল মাথা তুলবে। ভারতীয় রাজনীতি আজ গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে দাঁড়িয়ে। সামনের দু’বছরও যদি এভাবে ‘তু তু ম্যায় ম্যায়’ চলতে থাকে, তাহলে শুধু শতাব্দী প্রাচীন দলটাই লাটে উঠবে না, বিরোধী মুছে দেশটা নরেন্দ্র মোদি ও সঙ্ঘ পরিবারের গোলামে পরিণত হবে। এক ঐতিহাসিক সঙ্কটের মুখোমুখি হবে দেশের ভূগোল-ইতিহাস। আমূল বদলে যাবে জনভিত্তির মানচিত্র।
হিউমের হাতে কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা ১৮৮৫’র ২৮ ডিসেম্বর। কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার বেশ কিছুদিন আগে থেকেই কোনও এক রহস্যজনক কারণে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী গোটা দলটাকে জওহরলাল নেহরুর হাতে বেঁধে দিয়েছিলেন। এমন নয় যে আর কোনও যোগ্য নেতা তখন ছিল না। কিন্তু মহাত্মার স্নেহ ও সমর্থন পেয়ে নেহরুর হাতেই দলের রাশ চলে যায়। সেই থেকে স্বাধীনতা উত্তর ৭৫ বছরের ইতিহাসে কংগ্রেস নেহরু-গান্ধী পরিবারের  সম্পত্তিতে পরিণত। এই ৭৫ বছরের অর্ধেকেরও বেশি সময় কংগ্রেস দেশটাকে শাসন করেছে। কিন্তু গত আটবছরে গেরুয়া শক্তি অনেকটা সঙ্ঘবদ্ধ। রাজ্যে রাজ্যে কংগ্রেসের শূন্যস্থান পূরণের খেলায় মেতেছে আঞ্চলিক দলগুলি। নরেন্দ্র মোদির আক্রমণের মুখে পড়ে এবং দলের জনভিত্তি কমতে থাকায় আজ মেকি গণতন্ত্রের নাটক করলেও কংগ্রেস দলটার জিন কিন্তু একই থাকবে। অশোক গেহলট, শশী থারুর, কমলনাথদের মধ্যে যে-ই ভোটের মাধ্যমে সভাপতি হোন না কেন, তাদের মেয়াদ গান্ধী পরিবারের খেয়ালের উপর নির্ভরশীল। যেদিনই রাহুল গান্ধীর মন হবে, দেশের সবক’টি প্রদেশ কংগ্রেস একযোগে প্রস্তাব পাশ করে অশোক গেহলটদের গলাধাক্কা দেবে। এখন দেখার ১৯৯৮ সালে রিলিজ করা ‘সীতারাম কেশরী’ নামক ট্র্যাজিক নাটকের রিমেক ছবিটা কবে রিলিজ করে! কারণ সেটাও ছবির পরিচালক ও প্রযোজক সংস্থা গান্ধী পরিবারের উপরই ষোলোআনা নির্ভরশীল। প্রায় ১৩৭ বছরের দলটার এটাই শক্তি ও একইসঙ্গে সীমাবদ্ধতাও! এই সীমাবদ্ধতা যত চওড়া হবে, ততই মোদি, অমিত শাহের খামখেয়ালিপনাও বাড়বে। দাউদ আসবে না, পরিবর্তে আসবে নামিবিয়ার চিতা। মধ্যপ্রদেশের জাতীয় উদ্যানে ছাড়া চিতাও ছত্রভঙ্গ বিরোধীদের দেখে অট্টহাসিতে ফেটে পড়বে। দুয়ো দেবে। বিপন্ন হবে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান।
25th  September, 2022
বাংলার বিরোধীদের
ব্যর্থতা ঘরে ও বা‌ইরে
সমৃদ্ধ দত্ত

বিরোধীরা সরকার বিরোধী ইস্যু তৈরি করার মুন্সিয়ানা দেখাতে ব্যর্থ। তারা শুধু অপেক্ষা করে সরকার অথবা শাসক দল কখন কী ভুল করবে, সেটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে। কিন্তু কোনও ইস্যুকেই দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের রূপ দিতে পারছে না। তাই দলের ব্যর্থতা এবং ব্যক্তিগত ক্যারিশ্মাহীনতায় বিরোধী দলের পক্ষে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলা সম্ভব হচ্ছে না। এই দুর্বলতাগুলিকে ভুলে গিয়ে, তারা সাময়িক হাততালি পেতে সবথেকে বড় একটি ভুলও দীর্ঘদিন ধরে করে এসেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আন্ডারএস্টিমেট করা!
  বিশদ

ঐক্যভাবনার মধ্য দিয়ে
উন্নয়নই ভারতের মূল লক্ষ্য
নরেন্দ্র মোদি

জি-২০-র পূর্ববর্তী ১৭টি প্রেসিডেন্সির সময়কাল ফলাফলের দিক থেকে ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যময়। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সুনিশ্চিত করা,আন্তর্জাতিক কর ব্যবস্থাকে বাস্তবসম্মত করে তোলা, সংশ্লিষ্ট দেশগুলির উপর ঋণের বোঝা হ্রাস করা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য দেখিয়েছে পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্সিগুলি। বিশদ

01st  December, 2022
কাতার বিশ্বকাপ বনাম পাশ্চাত্য মিডিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 

বিশ্বের বাগান হল ইউরোপ। আর বাকি দুনিয়ার অধিকাংশ জঙ্গল। ব্রাসেলসে একটি কূটনৈতিক অ্যাকাডেমি উদ্বোধন করতে গিয়ে এমনই বলেছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদেশনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল। ভয়ঙ্কর বৈষম্যমূলক এই ধ্যান-ধারণাই পশ্চিমের সর্বত্র লক্ষণীয়। বিশদ

01st  December, 2022
বিজেপি মাছরাঙারই একটি নগণ্য প্রজাতি
হারাধন চৌধুরী

শনিবার প্রকাশিত সঙ্কল্পপত্রে যে ৪০ দফা প্রতিশ্রুতি গেরুয়া শিবির থেকে দেওয়া হয়েছে তার বেশিরভাগই ভোটের উপহার। এগুলির বেশিরভাগই কংগ্রেস অথবা আম আদমি পার্টির (আপ) টুকলি! আর আছে বাংলার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুয়ারে রেশন, কন্যাশ্রী এবং সবুজসাথীর অক্ষম অনুকরণ। 
বিশদ

30th  November, 2022
কতটা আয় করলে তাকে গরিব বলা যায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই সমাজের আসল রূপ দেখতে পায়। —হুমায়ুন আহমেদ
বহুল প্রচলিত একটা গল্প মনে পড়ল। রাজার উপর এক ভিক্ষুকের ভয়ানক ঈর্ষা। রাজার কতই না আরাম! তিনি সর্বক্ষণ ভালোমন্দ খেতে পারেন, দামি জামা পরেন, নরম গদির পালঙ্কে ঘুমোতেও পারেন।
বিশদ

29th  November, 2022
মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা প্রত্যাশীরা
পি চিদম্বরম

কিছু লোকের আবার ওয়েস্টমিনস্টার সিস্টেম পছন্দ নয়। একইভাবে, তারা রাজ্যটাজ্য পছন্দ করে না; তাদের পছন্দ নয় নির্বাচিত বিধানসভা; এবং তারা মুখ্যমন্ত্রীদেরও পছন্দ করে না। সংক্ষেপে এটাই বলতে হয় যে, তারা রাজ্য সরকারগুলির থেকে পরিত্রাণ চায়। ১৪২ কোটি ৬০ লক্ষ জনসংখ্যার চীনের যদি একটি সরকার থাকতে পারে, তবে ১৪১ কোটি ২০ লক্ষ জনসংখ্যার ভারতেরও তা থাকবে না কেন?
বিশদ

28th  November, 2022
গুজরাত নিয়ে মোদির এত ভয় কীসের?
হিমাংশু সিংহ

‘গত দু’দশক ধরে পাকাপাকি শান্তি বিরাজ করছে গুজরাতে। ওদের উচিত শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।’ ভোটপ্রচারের চূড়ান্ত পর্বে অমিত শাহের মুখে এই ‘সাম্প্রদায়িক’ কথাগুলি কীসের ইঙ্গিত? সমঝদার মানুষ মাত্রই বলবেন, ‘ইশারাই কাফি।’ বিশদ

27th  November, 2022
দেউচা-পাঁচামি ও কিছু অঙ্ক
তন্ময় মল্লিক

মহম্মদবাজারের দেওয়ানগঞ্জে মেঠো রাস্তার ধারে লুলু টুডুর ছোট্ট চায়ের দোকান। দোকান নয়, ঝুপড়ি বলাই ভালো। এলাকায় বসতি তেমন নেই।
বিশদ

26th  November, 2022
মোদির রাজত্বে ক্ষতি বিজেপিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

সেই স্লোগানের নাম ছিল শাইনিং ইন্ডিয়া। ২০০৪ সাল। আর এখন নয়া স্লোগানের নাম অমৃতকাল। সামনেই ২০২৪ সাল। ২০ বছরে ভারত অনেক পাল্টেছে। পাল্টেছে রাজনীতি। রাজনৈতিক সমীকরণ। পাল্টেছে নেতা-নেত্রী। পাল্টে গিয়েছে জনতার মনোভাব। বিশদ

25th  November, 2022
সন্ত্রাসের মুদ্রা তৈরির নেপথ্যে
মৃণালকান্তি দাস

গোপন খবর ছিল সিবিআইয়ের কাছে। সেই সূত্র ধরেই ভারত-নেপাল সীমান্তের বিভিন্ন ব্যাঙ্কের প্রায় ৭০টি শাখায় আচমকা হানা। উদ্ধার বিপুল পরিমাণ জাল নোট। সালটা ২০০৯-১০। বিশদ

24th  November, 2022
দেশের অর্থনীতি এগচ্ছে আরও ধ্বংসের দিকে
সন্দীপন বিশ্বাস

এর আগে আমাদের দেশে দু’বার রিসেশনের আভাস দেখা গিয়েছিল। ১৯৯১ সালে এবং ২০০৮ সালে। মনে রাখা দরকার, দু’বারই ভারত যে মানুষটির হাত ধরে তা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল, তাঁর নাম মনমোহন সিং। একবার তিনি ছিলেন অর্থমন্ত্রী, অন্যবার প্রধানমন্ত্রী। এখন মোদির পরীক্ষা। অবশ্য এর মোকাবিলার জন্য শিক্ষা, মেধা, বিচক্ষণতার প্রয়োজন। গত সাড়ে আট বছরের রাজত্বকালে এই সরকার তার কণামাত্রও দেখাতে পারেনি। দেশের মানুষের আতঙ্কটা সেখানেই।
বিশদ

23rd  November, 2022
মোদিজি, আপনি হয়তো জানেন না...
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যোগী আদিত্যনাথ কি অনামিকা শুক্লাকে চেনেন? নাঃ, তিনি কোনও সেলিব্রিটি বা গো-রক্ষক নন, একজন ‘প্রাক্তন শিক্ষিকা’। এঁর বিশেষত্ব হল, ধাপ্পাটাকে তিনি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন।
বিশদ

22nd  November, 2022
একনজরে
টেস্টে একদিনে পাঁচশো রান! বৃহস্পতিবার রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এমন কাণ্ডই ঘটাল ইংল্যান্ড। ...

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নাক গলাবেন না— আমেরিকাকে এভাবেই হুমকি দিয়েছিল চীন। পেন্টাগনের রিপোর্টে এমন দাবিই করা হয়েছে। মঙ্গলবার মার্কিন কংগ্রেসে সংশ্লিষ্ট রিপোর্টটি জমা পড়েছে। ...

মতুয়া সম্প্রদায়ের উন্নয়নে দু’বছর আগে মতুয়া ওয়েলফেয়ার বোর্ড তৈরি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পর্ষদের মাধ্যমে গত দেড় বছরে মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে খরচ করা হয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। ...

বৃহস্পতিবার পুকুরে স্নান করতে নেমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক মহিলার। পুলিস জানিয়েছে, মৃত মহিলার নাম সমলা সং (৫২) ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পেশাদারি কর্ম কৃতিত্বে সুনাম। পৈতৃক সম্পত্তি থেকে অর্থলাভ ও সঞ্চয় বৃদ্ধি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুফল। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮১: কার্ল মার্কসের স্ত্রী ও আমৃত্যু সহযোদ্ধা জেনি মার্কসের মৃত্যু
১৮৮৮: গবেষক, সংগ্রাহক এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ক্ষিতিমোহন সেনের জন্ম
১৮৯৮: প্রথম ভারতীয় (বাঙালি) বিমান চালক যিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির পক্ষে যুদ্ধ করেন এবং মৃত্যুবরণ করেন, সেই  ইন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৯১৮:কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯২৫: বিশিষ্ট অভিনেতা সন্তোষ দত্তর জন্ম
১৯৪২:  বিশ্বের প্রথম আণবিক চুল্লি পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু হয় শিকাগোতো 
১৯৫৯: অভিনেতা বমান ইরানীর জন্ম
১৯৭৬: কিউবার প্রেসিডেন্ট হলেন ফিদেল কাস্ত্রো
১৯৮৪: ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনায় কমপক্ষে আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৮৮: পাকিস্তানের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হলেন বেনজির ভুট্টো
১৯৮৯: ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হলেন ভিপি সিং
১৯৯১: কথাসাহিত্যিক বিমল মিত্রের মৃত্যু 
 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.২৮ টাকা ৮২.০২ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৪২ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৩.০৯ টাকা ৮৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২। নবমী ০/২৭ প্রাতঃ ৬/১৫ পরে দশমী ৫৮/৫৯ শেষ রাত্রি ৫/৪০। সূর্যোদয় ৬/৪/২২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৭/২৯ গতে ৯/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ৩/২৫ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪৫ গতে ১১/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৬ মধ্যে। 
১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২। নবমী দিবা ৯/৪৮। সূর্যোদয় ৬/৬, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ৩/৩৮ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৬ গতে ১১/২৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৭ মধ্যে। 
৭ জমাদিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ক্যালিফোর্নিয়ায় আটক সিধু মুসেওয়ালা খুনের মাস্টারমাইন্ড
 

ক্যালিফোর্নিয়া থেকে পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা খুনের মূলচক্রীকে গ্রেপ্তার করা ...বিশদ

09:02:59 AM

গ্রেপ্তার লুধিয়ানা বিস্ফোরণের মূলচক্রী
দিল্লি বিমানবন্দর থেকে লুধিয়ানা বিস্ফোরণের প্রধান ষড়যন্ত্রকারী জঙ্গি হরপ্রীত সিংকে ...বিশদ

08:49:00 AM

এবার বিমানবন্দরে ‘পেপারলেস’ চেক-ইন
এবার বোর্ডিং পাস ছাড়াই বিমানে সফর করা যাবে। শুধুমাত্র ‘মুখ ...বিশদ

08:45:24 AM

বিশ্বকাপ ২০২২: আজকের খেলা
দক্ষিণ কোরিয়া : পর্তুগাল  (রাত ৮.৩০) ঘানা : উরুগুয়ে  (রাত ৮.৩০) সার্বিয়া ...বিশদ

08:37:10 AM

বিশ্বকাপ ২০২২: কালকের ফল
জাপান ২ : স্পেন ১ কোস্টারিকা ২ : জার্মানি ৪ ক্রোয়েশিয়া ০ ...বিশদ

08:33:57 AM

আইসিএসই-আইএসসির পরীক্ষাসূচি প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কোভিড পূর্ববর্তী নিয়মে ফিরছে আইসিএসই ও আইএসসি ...বিশদ

08:28:00 AM