Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিজেপির গিমিক পলিটিক্স
বনাম ‘লালগুণ্ডা’
তন্ময় মল্লিক

‘আমি ভয় করব না ভয় করব না। দু’বেলা মরার আগে মরব না, ভাই, মরব না।’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের এই কলিই হোক বঙ্গ বিজেপির থিম সং। তাতে হতাশাগ্রস্ত বিজেপি নেতৃত্ব হয়তো পঞ্চায়েত ভোটে লড়াইয়ের কিছুটা শক্তি পাবে। কারণ গেরুয়া শিবিরের কথাতেই স্পষ্ট, তারা হতাশায় ভুগছে। তা না হলে পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানাত না। কিন্তু 
কেন এই হতাশা? এবার আর সিপিএম তাদের 
‘ভোট শিফ্টিং’ করাবে না। ‘শূন্য’ বামেদের কাছে পঞ্চায়েত ভোটই শক্তি প্রমাণের সুবর্ণ সুযোগ। তাই তারা ভোট শিফ্ট করিয়ে নিজের পায়ে নিজে কুড়ুল মারতে চাইবে না। সেটা টের পাচ্ছে বিজেপিও। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানিয়ে পরাজয়ের অজুহাত তৈরি করে রাখতে চাইছে।
গিমিক পলিটিক্সে অভ্যস্ত বিজেপি ইস্যুভিত্তিক রাজনীতি করে। বিভিন্ন সময় এক একটি ইস্যুকে ভাসিয়ে দিয়ে মানুষকে মাতিয়ে দেয়। কখনও ৩৭০ ধারা, কখনও এনআরসি, কখনও সিএএ, কখনও আবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক। তা থেকেই তোলে রাজনৈতিক ফায়দা। তবে, সেটা অনেকে ধরে ফেলায় ক্ষমতা দখলের জন্য এখন ঘোড়া কেনাবেচার নীতিকে আঁকড়ে ধরেছে। আর সেই কাজে বিজেপির প্রধান হাতিয়ার কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তবে, বেশি দুধের আশায় ক্রমাগত ইঞ্জেকশনের ‘সাইড এফেক্ট’ও মারাত্মক। সাময়িক লাভ পেতে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করে ফেলছে বিজেপি। তাতে দুর্বল হচ্ছে সংগঠন, বাড়ছে এজেন্সি নির্ভরতা। পঞ্চায়েত ভোট কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে করানোর দাবি বঙ্গ বিজেপির সেই দেউলিয়াপনাকেই করেছে প্রকট।
কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে ভোট করালে বিজেপির নেতাদের আস্ফালন বাড়ে, কিন্তু তাতে ভোট বাড়ে না। ভোটারদের গুলি করে মারলেও ভোটে জেতা যায় না। আর সেটা যায় না বলেই দেশে প্রথম হ্যাটট্রিক করা মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ বঙ্গে ডেলি প্যাসেঞ্জারি করেও বাংলার মানুষের রায় বদলে দিতে পারেননি। এমনকী নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী, সিবিআই, ইডি পাশে থাকা সত্ত্বেও নয়। 
জনসমর্থন থাকলে যে বিরোধীরাও ভোটে বাজিমাত করে, তা পুরনির্বাচনে প্রমাণ করেছে তাহেরপুর। তাহেরপুরেও রাজ্য পুলিসের পাহারাতেই ভোট হয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস দাঁত ফোটাতে পারেনি। কারণ সেখানে বামেদের সংগঠন ও জনসমর্থন ছিল অটুট। নেপাল মাহাতর সৌজন্যে ঝালদা পুরসভায় তৃণমূলের সঙ্গে সমানে সমানে টক্কর নিয়েছে কংগ্রেস। বিধানসভা ভোটে দু’টি দলই শূন্য। কিন্তু রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি একটি পুরসভাতেও সেই ফাইট দিতে পারেনি। 
মানুষের চাওয়ার উপরেই নির্ভর করে ভোটে হারজিত। তার প্রমাণ সদ্য হওয়া নন্দীগ্রামের ভেকুটিয়া সমবায় সমিতির নির্বাচন। ১২টি আসনের মধ্যে ১১টিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। সমবায় নির্বাচনের দিন বুথের পাহারায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, ছিল রাজ্য পুলিস। বিজেপির ভাষায় তৃণমূলের ‘দলদাস পুলিস’। তা সত্ত্বেও বিজেপি জিতল। কী করে? সমবায়ের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য তৃণমূল অপেক্ষা বিজেপি প্রার্থীদের যোগ্য মনে করেছেন। সুতরাং কেন্দ্রীয় বাহিনী বা পুলিস নয়, নির্বাচনে জয়লাভের আসল চাবিকাঠি জনসমর্থন। বঙ্গে বিজেপির সেটার বড়ই অভাব। দিন যত যাচ্ছে তাদের জনসমর্থন ততই কমছে। পরাজয়ের আশঙ্কা থেকেই জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট করানোর দাবি।
বিজেপি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি। তাই বাংলায় পড়ে পাওয়া ষোলো আনা সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম হয়েছে বিজেপির। ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকা সিপিএম মাত্র ১১ বছরেই শূন্য। কেন এমন পাহাড়প্রমাণ ধস? কারণ বিপদের সময় কর্মীদের পাশে ছিল না নেতৃত্ব। ২০০৯ সালেই বেজে গিয়েছিল বামেদের বিদায়ঘণ্টা। তা সত্ত্বেও ২০১১ সালে বামেরা পেয়েছিল প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট। ক্ষমতাচ্যুত সিপিএম নেতারা ব্যস্ত ছিলেন নিজেদের পিঠ বাঁচাতেই। কৃতকর্মের খেসারতের অঙ্ক কষে আতঙ্কিত নেতারা বেছে নিয়েছিলেন স্বেচ্ছা গৃহবন্দি জীবন। অসহায় কর্মীরা নেতৃত্বকে পাশে পাননি। সেই সুযোগেই বিজেপি আজ প্রধান বিরোধী। 
একুশের নির্বাচনে বিজেপি নেতাদের গরম গরম ভাষণে দলের অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, বাংলা তাঁদের হাতের মুঠোয়। দিল্লির দম খেয়ে ছুটিয়েছিলেন হুমকির ফোয়ারা। নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়ায় তাঁদের অবস্থাই হয়েছিল সবচেয়ে বেশি করুণ। কিন্তু রাজ্য নেতৃত্বকে পাশে পাননি। তাই আক্রান্তরা কেউ ছেড়েছিলেন ঘর, কেউ বাধ্য হয়েছিলেন আত্মসমর্পণে। ফলে বামেদের ছেড়ে আসা কর্মী-সমর্থকরা বিজেপিকে ভরসা করে আঙুল কামড়েছেন। বিপদের সময় কর্মীদের পাশে না থাকলে কী হয়, সেটা সিপিএমকে দেখে গেরুয়া শিবিরের শেখা উচিত ছিল। সেই শিক্ষা বিজেপি নিলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি করতে হতো না। 
৩৪ বছর একটানা রাজ্যপাট চালানোয় বহু সিপিএম নেতার ক্ষমতায় থাকাটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। এখন তাঁদের দমবন্ধ অবস্থা। জীবিত অবস্থায় ফের ক্ষমতার স্বাদ পাওয়ার জন্য শুরু হয়েছে ছটফটানি। তাই ভাঙচুর করে, পুলিস পিটিয়ে বিজেপিতে যাওয়া কর্মীদের ফেরাতে চাইছেন। বর্ধমানের ভাঙচুর তারই বহিঃপ্রকাশ। সেই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন খোদ রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। কিন্তু তাতে যে হার্মাদদের অত্যাচারের স্মৃতি মানুষের মনে নতুন করে ফিরে এল, সেটা নেতৃত্ব উপলব্ধি করতে পারল না। 
সিপিএম নেতারা বুঝতে পারছেন না, ‘লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই’ স্লোগান এখন ব্যাক ডেটেড। মহামারীর সঙ্কটও বাংলার মানুষকে শেষ করে দিতে পারেনি। কারণ পাশে আছে বিনা পয়সার রেশন, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, বার্ধক্য ভাতা, শিল্পীভাতা। আর আছে স্বাস্থ্যসাথী।
একই ইস্যুতে সিপিএমের ছাত্র ও যুব সংগঠন কলকাতায় মিছিল করল। সভার ভিড় হয়েছিল ভালোই। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়রা চাইলেই সেদিন কলকাতায় বিজেপির চেয়ে বেশি অশান্তি করতে পারতেন। কিন্তু করেননি। কারণ মিছিলে ভিড় হলে নজরকাড়ার জন্য ভাঙচুরের দরকার হয় না। সেলিম সাহেবরা যা পারেননি, সেটা করে দেখালেন তাঁরই দলের ছাত্র-যুবরা।
বামেদের যুবনেতারা কেন্দ্রীয় বাহিনীতে নয়, ভরসা রেখেছেন বুথ ভিত্তিক সংগঠনে। তাঁরা বয়সে নবীন। হয়তো সেই কারণে শূন্য থেকেই লড়াইটা শুরু করতে চাইছেন। অবশ্য সেটা তাঁদের মুখের কথা কি না, তা বলবে সময়। তবে চেষ্টা করছেন। আর তাতেই চটেছে বঙ্গ বিজেপি। সুকান্ত মজুমদারের কথায়, ‘বামেদের হাতে অনেক লালগুণ্ডা এখনও আছে। ওদের দিয়েই হয়তো বুথ রক্ষার কথা ভাবছে। আমাদের তো ওসব নেই। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কথা বলছি।’
২০১৯ সাল থেকে এপর্যন্ত বাংলায় হওয়া নির্বাচনের ফলাফলে প্রমাণ হয়েছে, বিরোধী ভোট ভাগাভাগি হচ্ছে মূলত বিজেপি ও সিপিএমের মধ্যে। এক দলের ভোট বাড়লে অন্য দলের কমে। কিন্তু তৃণমূলের ভোট মোটামুটি অটুট। এই পরিস্থিতিতে সিপিএম বুথ ভিত্তিক সংগঠনে নজর দিলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে বিজেপির। সম্ভবত সেই আশঙ্কা থেকেই সুকান্তবাবু বলেছেন, ‘বামেদের হাতে অনেক লালগুণ্ডা এখনও আছে’। এতদিন কিন্তু বিজেপি নেতৃত্বের মুখে এসব কথা শোনা যায়নি। উল্টে তৃণমূলকে হেয় করার জন্য বামেদের দেওয়া হতো দরাজ সার্টিফিকেট। 
শত্রুর শত্রু, আমার বন্ধু। এই নীতিতেই বিজেপি ও সিপিএমের মধ্যে গড়ে উঠেছিল পারস্পরিক বোঝাপড়া। এক সুরে বাঁধা ছিল মমতা বিরোধী লড়াই। বিজেপিকে দিয়েই সিপিএম তাদের ‘পথের কাঁটা’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে চেয়েছিল। তাই শুরু হয়েছিল গোপন ক্যাম্পেন, ‘একুশে রাম ছাব্বিশে বাম’। তার পরিণতি? বিজেপি ৭৭, সিপিএম জিরো। 
ক্ষমতায় ফেরার নেশায় বুঁদ ‘বৃদ্ধ সিপিএম’ বিজেপির ঘাড়ে বন্দুক রেখে ফায়ার করতে গিয়ে হাতিয়ারটাই তাদের হাতে তুলে দিয়েছে। বিজেপির ঘরে গচ্ছিত সেই ‘ধন’ ফেরানোই ‘তরুণ সিপিএম’ এর চ্যালেঞ্জ। এবারের পঞ্চায়েত ভোটে হবে তার লড়াই। সেই জন্যই শঙ্কিত বঙ্গ বিজেপির চোখে ‘ভালো সিপিএম’ এখন ‘লালগুণ্ডা’।
24th  September, 2022
বাংলার বিরোধীদের
ব্যর্থতা ঘরে ও বা‌ইরে
সমৃদ্ধ দত্ত

বিরোধীরা সরকার বিরোধী ইস্যু তৈরি করার মুন্সিয়ানা দেখাতে ব্যর্থ। তারা শুধু অপেক্ষা করে সরকার অথবা শাসক দল কখন কী ভুল করবে, সেটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে। কিন্তু কোনও ইস্যুকেই দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের রূপ দিতে পারছে না। তাই দলের ব্যর্থতা এবং ব্যক্তিগত ক্যারিশ্মাহীনতায় বিরোধী দলের পক্ষে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলা সম্ভব হচ্ছে না। এই দুর্বলতাগুলিকে ভুলে গিয়ে, তারা সাময়িক হাততালি পেতে সবথেকে বড় একটি ভুলও দীর্ঘদিন ধরে করে এসেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আন্ডারএস্টিমেট করা!
  বিশদ

ঐক্যভাবনার মধ্য দিয়ে
উন্নয়নই ভারতের মূল লক্ষ্য
নরেন্দ্র মোদি

জি-২০-র পূর্ববর্তী ১৭টি প্রেসিডেন্সির সময়কাল ফলাফলের দিক থেকে ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যময়। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সুনিশ্চিত করা,আন্তর্জাতিক কর ব্যবস্থাকে বাস্তবসম্মত করে তোলা, সংশ্লিষ্ট দেশগুলির উপর ঋণের বোঝা হ্রাস করা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য দেখিয়েছে পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্সিগুলি। বিশদ

01st  December, 2022
কাতার বিশ্বকাপ বনাম পাশ্চাত্য মিডিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 

বিশ্বের বাগান হল ইউরোপ। আর বাকি দুনিয়ার অধিকাংশ জঙ্গল। ব্রাসেলসে একটি কূটনৈতিক অ্যাকাডেমি উদ্বোধন করতে গিয়ে এমনই বলেছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদেশনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল। ভয়ঙ্কর বৈষম্যমূলক এই ধ্যান-ধারণাই পশ্চিমের সর্বত্র লক্ষণীয়। বিশদ

01st  December, 2022
বিজেপি মাছরাঙারই একটি নগণ্য প্রজাতি
হারাধন চৌধুরী

শনিবার প্রকাশিত সঙ্কল্পপত্রে যে ৪০ দফা প্রতিশ্রুতি গেরুয়া শিবির থেকে দেওয়া হয়েছে তার বেশিরভাগই ভোটের উপহার। এগুলির বেশিরভাগই কংগ্রেস অথবা আম আদমি পার্টির (আপ) টুকলি! আর আছে বাংলার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুয়ারে রেশন, কন্যাশ্রী এবং সবুজসাথীর অক্ষম অনুকরণ। 
বিশদ

30th  November, 2022
কতটা আয় করলে তাকে গরিব বলা যায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই সমাজের আসল রূপ দেখতে পায়। —হুমায়ুন আহমেদ
বহুল প্রচলিত একটা গল্প মনে পড়ল। রাজার উপর এক ভিক্ষুকের ভয়ানক ঈর্ষা। রাজার কতই না আরাম! তিনি সর্বক্ষণ ভালোমন্দ খেতে পারেন, দামি জামা পরেন, নরম গদির পালঙ্কে ঘুমোতেও পারেন।
বিশদ

29th  November, 2022
মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা প্রত্যাশীরা
পি চিদম্বরম

কিছু লোকের আবার ওয়েস্টমিনস্টার সিস্টেম পছন্দ নয়। একইভাবে, তারা রাজ্যটাজ্য পছন্দ করে না; তাদের পছন্দ নয় নির্বাচিত বিধানসভা; এবং তারা মুখ্যমন্ত্রীদেরও পছন্দ করে না। সংক্ষেপে এটাই বলতে হয় যে, তারা রাজ্য সরকারগুলির থেকে পরিত্রাণ চায়। ১৪২ কোটি ৬০ লক্ষ জনসংখ্যার চীনের যদি একটি সরকার থাকতে পারে, তবে ১৪১ কোটি ২০ লক্ষ জনসংখ্যার ভারতেরও তা থাকবে না কেন?
বিশদ

28th  November, 2022
গুজরাত নিয়ে মোদির এত ভয় কীসের?
হিমাংশু সিংহ

‘গত দু’দশক ধরে পাকাপাকি শান্তি বিরাজ করছে গুজরাতে। ওদের উচিত শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।’ ভোটপ্রচারের চূড়ান্ত পর্বে অমিত শাহের মুখে এই ‘সাম্প্রদায়িক’ কথাগুলি কীসের ইঙ্গিত? সমঝদার মানুষ মাত্রই বলবেন, ‘ইশারাই কাফি।’ বিশদ

27th  November, 2022
দেউচা-পাঁচামি ও কিছু অঙ্ক
তন্ময় মল্লিক

মহম্মদবাজারের দেওয়ানগঞ্জে মেঠো রাস্তার ধারে লুলু টুডুর ছোট্ট চায়ের দোকান। দোকান নয়, ঝুপড়ি বলাই ভালো। এলাকায় বসতি তেমন নেই।
বিশদ

26th  November, 2022
মোদির রাজত্বে ক্ষতি বিজেপিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

সেই স্লোগানের নাম ছিল শাইনিং ইন্ডিয়া। ২০০৪ সাল। আর এখন নয়া স্লোগানের নাম অমৃতকাল। সামনেই ২০২৪ সাল। ২০ বছরে ভারত অনেক পাল্টেছে। পাল্টেছে রাজনীতি। রাজনৈতিক সমীকরণ। পাল্টেছে নেতা-নেত্রী। পাল্টে গিয়েছে জনতার মনোভাব। বিশদ

25th  November, 2022
সন্ত্রাসের মুদ্রা তৈরির নেপথ্যে
মৃণালকান্তি দাস

গোপন খবর ছিল সিবিআইয়ের কাছে। সেই সূত্র ধরেই ভারত-নেপাল সীমান্তের বিভিন্ন ব্যাঙ্কের প্রায় ৭০টি শাখায় আচমকা হানা। উদ্ধার বিপুল পরিমাণ জাল নোট। সালটা ২০০৯-১০। বিশদ

24th  November, 2022
দেশের অর্থনীতি এগচ্ছে আরও ধ্বংসের দিকে
সন্দীপন বিশ্বাস

এর আগে আমাদের দেশে দু’বার রিসেশনের আভাস দেখা গিয়েছিল। ১৯৯১ সালে এবং ২০০৮ সালে। মনে রাখা দরকার, দু’বারই ভারত যে মানুষটির হাত ধরে তা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল, তাঁর নাম মনমোহন সিং। একবার তিনি ছিলেন অর্থমন্ত্রী, অন্যবার প্রধানমন্ত্রী। এখন মোদির পরীক্ষা। অবশ্য এর মোকাবিলার জন্য শিক্ষা, মেধা, বিচক্ষণতার প্রয়োজন। গত সাড়ে আট বছরের রাজত্বকালে এই সরকার তার কণামাত্রও দেখাতে পারেনি। দেশের মানুষের আতঙ্কটা সেখানেই।
বিশদ

23rd  November, 2022
মোদিজি, আপনি হয়তো জানেন না...
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যোগী আদিত্যনাথ কি অনামিকা শুক্লাকে চেনেন? নাঃ, তিনি কোনও সেলিব্রিটি বা গো-রক্ষক নন, একজন ‘প্রাক্তন শিক্ষিকা’। এঁর বিশেষত্ব হল, ধাপ্পাটাকে তিনি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন।
বিশদ

22nd  November, 2022
একনজরে
বৃহস্পতিবার পুকুরে স্নান করতে নেমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক মহিলার। পুলিস জানিয়েছে, মৃত মহিলার নাম সমলা সং (৫২) ...

৪০ লক্ষ। ৩০ লক্ষ। কিংবা ২০ লক্ষ। সারা দেশে গাঁজা, আফিম অথবা অন্য সেডিটিভ ব্যবহারকারীর সংখ্যা লক্ষ লক্ষ। নেশার এইসব দ্রব্য ব্যবহারকারীদের গড় বয়স ১০ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। সামাজিক ন্যায়বিচার মন্ত্রকের ২০১৮ সালের এই সংক্রান্ত সর্বশেষ সমীক্ষায় উঠে এসেছে ...

টেস্টে একদিনে পাঁচশো রান! বৃহস্পতিবার রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এমন কাণ্ডই ঘটাল ইংল্যান্ড। ...

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নাক গলাবেন না— আমেরিকাকে এভাবেই হুমকি দিয়েছিল চীন। পেন্টাগনের রিপোর্টে এমন দাবিই করা হয়েছে। মঙ্গলবার মার্কিন কংগ্রেসে সংশ্লিষ্ট রিপোর্টটি জমা পড়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পেশাদারি কর্ম কৃতিত্বে সুনাম। পৈতৃক সম্পত্তি থেকে অর্থলাভ ও সঞ্চয় বৃদ্ধি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুফল। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮১: কার্ল মার্কসের স্ত্রী ও আমৃত্যু সহযোদ্ধা জেনি মার্কসের মৃত্যু
১৮৮৮: গবেষক, সংগ্রাহক এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ক্ষিতিমোহন সেনের জন্ম
১৮৯৮: প্রথম ভারতীয় (বাঙালি) বিমান চালক যিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির পক্ষে যুদ্ধ করেন এবং মৃত্যুবরণ করেন, সেই  ইন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৯১৮:কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯২৫: বিশিষ্ট অভিনেতা সন্তোষ দত্তর জন্ম
১৯৪২:  বিশ্বের প্রথম আণবিক চুল্লি পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু হয় শিকাগোতো 
১৯৫৯: অভিনেতা বমান ইরানীর জন্ম
১৯৭৬: কিউবার প্রেসিডেন্ট হলেন ফিদেল কাস্ত্রো
১৯৮৪: ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনায় কমপক্ষে আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৮৮: পাকিস্তানের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হলেন বেনজির ভুট্টো
১৯৮৯: ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হলেন ভিপি সিং
১৯৯১: কথাসাহিত্যিক বিমল মিত্রের মৃত্যু 
 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.২৮ টাকা ৮২.০২ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৪২ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৩.০৯ টাকা ৮৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২। নবমী ০/২৭ প্রাতঃ ৬/১৫ পরে দশমী ৫৮/৫৯ শেষ রাত্রি ৫/৪০। সূর্যোদয় ৬/৪/২২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৭/২৯ গতে ৯/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ৩/২৫ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪৫ গতে ১১/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৬ মধ্যে। 
১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২। নবমী দিবা ৯/৪৮। সূর্যোদয় ৬/৬, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ৩/৩৮ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৬ গতে ১১/২৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৭ মধ্যে। 
৭ জমাদিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ ২০২২: আজকের খেলা
দক্ষিণ কোরিয়া : পর্তুগাল  (রাত ৮.৩০) ঘানা : উরুগুয়ে  (রাত ৮.৩০) সার্বিয়া ...বিশদ

08:15:00 AM

এবার বিমানবন্দরে ‘পেপারলেস’ চেক-ইন
এবার বোর্ডিং পাস ছাড়াই বিমানে সফর করা যাবে। শুধুমাত্র ‘মুখ ...বিশদ

08:15:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
  ১৮৮১: কার্ল মার্কসের স্ত্রী ও আমৃত্যু সহযোদ্ধা জেনি মার্কসের মৃত্যু ১৮৮৮: গবেষক, ...বিশদ

08:14:18 AM

আপনার আজকের দিনটি
মেষ: অর্থলাভ ও সঞ্চয় বৃদ্ধি। বৃষ: বিদ্যা অধ্যয়নে শুভ। মিথুন: বিজ্ঞান গবেষণায় বিশেষ অগ্রগতি। কর্কট: ধন প্রাপ্তির ...বিশদ

08:11:47 AM

হাইকোর্টেও ব্রাজিল-আর্জেন্তিনা!
ফুটবল বিশ্বকাপ জ্বরে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। আর্জেন্তিনা-ব্রাজিলে দ্বিধাবিভক্ত বাঙালির তো ...বিশদ

08:10:00 AM

আইসিএসই-আইএসসির পরীক্ষাসূচি প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কোভিড পূর্ববর্তী নিয়মে ফিরছে আইসিএসই ও আইএসসি ...বিশদ

08:05:00 AM