Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সিলেবাস
সমৃদ্ধ দত্ত

আমাদের মনের উপর কোনটা বেশি প্রভাব ফেলতে পারে? যা শুনেছি? নাকি যা দেখেছি? স্বাভাবিক উত্তর হল, চোখের সামনে যা ঘটছে অথবা আমার স্মৃতিতে যে ঘটনাগুলি সুস্পষ্ট, সেই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার অভিঘাত অনেক বেশি গভীর। বহু আগে কী ঘটেছিল ইতিহাসের মোড় ঘোরানো অধ্যায় না হলে, সেটির সম্পর্কে তীব্র আবেগ থাকে না। অন্যের কাছে শোনা অথবা পড়া কাহিনি অথবা ঘটনাপঞ্জি আমাদের মনকে অতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, যতটা পারে আমাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। খুব অনুসন্ধিৎসু হলে কিংবা ইতিহাসের প্রতি আগ্রহ থাকলে, অতীতে কী ঘটেছিল, সে সম্পর্কে আগ্রহ থাকে। কিন্তু ১৪০ কোটি মানুষের ভারতে এই আগ্রহ ও উদ্যোগ যে কম, সেটি আমরা নিজেরাই বুঝতে পারি। মোবাইল এখন বিনোদন, তথ্য, নথি, মতামত, ঝগড়া, মতান্তর, ভালোবাসা, পড়াশোনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অথবা চাকরির সন্ধান, সবকিছুর একটি কমন প্ল্যাটফর্ম। নতুন প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে সর্বদাই নতুন প্রজন্ম এগিয়ে থাকে। মোবাইলের ক্ষেত্রেও তাই। মূলত তারাই যে কোনও মোবাইল নির্মাতা সংস্থা অথবা সার্ভিস প্রোভাইডারদের টার্গেট অডিয়েন্স হয়। শুধুই মোবাইল সংস্থা কেন? যে কোনও ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রেই এই ফর্মুলাই প্রযোজ্য।  অর্থাৎ গেট দ্য ইয়ং। অল্পবয়সিদের অ্যাড্রেস করো, তাদের টার্গেট করে  বোঝাও যে এই পণ্যটি কেন তাদের দরকার। এর মধ্যে নতুন ফিচার আছে। 
ঠিক এই কারণেই রাজনীতির ক্ষেত্রে নতুন ফর্মুলা নিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঠিক ফর্মুলা বলা যাবে না। বরং বলা ভালো রাজনীতির নতুন সিলেবাস। প্রথমত, নরেন্দ্র মোদি বারংবার সভা সমাবেশে, সরকারি অনুষ্ঠানে, বক্তৃতায় একটি তথ্যকে লাগাতার প্রতিষ্ঠা করতে মরিয়া। সেটি হল, এখন সরকারি স্তরে যা ভালো ভালো কাজ হচ্ছে, সবই তিনি অর্থাৎ তাঁর সরকার প্রথম করেছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরেই দেখেছি যে, তিনি বলেছেন, গরিবদের জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, গরিবের জন্য আবাসন, গরিবের জন্য বিদ্যুৎ, উপজাতিদের জন্য প্রকল্প, প্রত্যেক ভারতবাসীর জন্য পানীয় জল ইত্যাদি উদ্যোগ একমাত্র তাঁরই। তিনি যে কথাটি এসব ক্ষেত্রে বলে থাকেন, সেটি হল, স্বাধীনতার পর থেকে আর কোনও সরকার এসব নিয়ে ভাবেইনি। আমরা করে দেখালাম। অর্থাৎ সব উদ্যোগই নতুন। নতুন বৈশিষ্ট্য শুনলে মানুষের আগ্রহ বেড়ে যায়। 
বিরোধিতাও হয়। বিরোধীরা পরিসংখ্যান ও তথ্য দিয়ে বলেন, অতীতে কোন কোন সরকারের আমলেও এসব প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এমন মোটেই নয় যে, মো঩দিই প্রথম করলেন, তিনি অতীতকে ভুলিয়ে দিতে চাইছেন ইত্যাদি ইত্যাদি। এসব হয়তো সত্য। কিন্তু এই কণ্ঠস্বর অথবা যুক্তিগুলি ১৪০ কোটি মানুষের মধ্যে যতজনের কাছে পৌঁছবে, তার তুলনায় অনেক বেশি মানুষের কাছে মোদির ভাষণ পৌঁছয়। কারণ নির্দিষ্ট প্রফেশনাল প্রচার টিম থাকে। মোবাইলবাহিত হয়ে সেই বার্তা চলে যায় অনেক দ্রুত। নরেন্দ্র মোদির এই কথাগুলি বলার কারণই হল, একটি বিশেষ শ্রেণির কাছে পৌঁছনো। তারা হল যুবসমাজ। তিনি টার্গেট করেছেন নতুন প্রজন্মকে। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে দেখা গিয়েছিল, ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি ভোটারের শতকরা হার ৩৪ শতাংশ। স্বাভাবিকভাবেই এই হার বেড়ে চলেছে ক্রমাগত। 
এই ফর্মুলা নেওয়ার কারণ হল, নতুন প্রজন্মের কাছে অতীতে কী ঘটেছিল সেটি অনেক সময়ই বিস্মৃত। কোন প্রধানমন্ত্রী কী কী করেছিলেন অথবা স্বাধীনতা সংগ্রামে কোন দলের কী ভূমিকা ছিল, এসব নিয়ে এই সদ্য সাবালক অথবা যুবসমাজের অনেকের আগ্রহ ও চর্চা থাকলেও, সিংহভাগ অংশই অবগত নয়। যা স্বাভাবিক। তাই তাদের লক্ষ্য করে নরেন্দ্র মোদি বারংবার বলতে থাকেন যে, যা কিছু হচ্ছে সব তিনিই প্রথম করছেন। নতুন করছেন। 
এই দাবি যে সব নতুন প্রজন্মই বিশ্বাস করছে তা নয়। কিন্তু মোদির নিশ্চিত ধারণা সিংহভাগকে অন্তত তিনি প্রভাবিত করতে পারছেন। বিশেষ করে, নতুন প্রজন্ম তো সব শ্রেণিরই। ধনী, দরিদ্র, শিক্ষিত, অশিক্ষিত, নাগরিক, গ্রামীণ, নারী, পুরুষ, কোনওমতে খেটে খাওয়া সকলেই নতুন প্রজন্ম। ইতিহাস অথবা রাজনীতি সম্পর্কে অজ্ঞ যুবসমাজ কিংবা যে কোনও বয়সি মানুষও অসংখ্য। কিন্তু সকলেই তো ভোটার। তাই বারংবার একটি কথা চমকপ্রদ বাগ্মীতায় বলতে থাকলে সেটি বিশ্বাসযোগ্য হবেই। 
ধরা যাক, ২০০০ সালে যাদের জন্ম হয়েছে। তাদের রাজনীতির বোধ কিংবা নিজস্ব মতামত যখন গড়ে উঠছে তখন মোদি ক্ষমতাসীন। অর্থাৎ ১৪ বছর বয়স তাদের তখন। সুতরাং মোদির আগে পূর্বতন প্রধানমন্ত্রীরা কী করেছেন সেটা তাদের প্রত্যক্ষ জানার কথা নয়। নতুন প্রজন্মের মস্তিষ্ক যে সর্বদা অতীতের তুলনাগুলি যাচা‌ই করে দেখে, তা নয়। তাই নতুন প্রজন্মকে মোদি  বার্তা দিতে চান, আমিই নতুন এবং প্রথমবার এই কাজটি করলাম।  ‘এই প্রথমবার’—সরকারি বেসরকারি কোনও প্ল্যানের ক্ষেত্রে এটা  শুনলেই একটা আগ্রহ, কৌতূহল ও সম্ভ্রম তৈরি হয়। 
দ্বিতীয় ফর্মুলা হল, যা কিছু হচ্ছে, সেটা যতই সামান্য অথবা ক্ষুদ্র হোক, চিৎকার করে বলতে হবে। অর্থাৎ উচ্চগ্রামে প্রচার। সরকারের প্রতিদিনের রুটিন কাজও ঘোষণা করে যেতে হবে এমনভাবে, যেন এটা একটা বিরাট সংবাদ। বাজেট ঘোষণা করা হয় ফেব্রুয়ারিতে। কিন্তু বাজেটে যা যা ঘোষণা করা হয়েছে, সেটা সারা বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার এখন বারংবার প্রচার করে চলে। একটি বিশেষ উপ-ফর্মুলা হল, সর্বদাই উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা বলে যেতে হবে। আজ কী হচ্ছে সেটা নয়। পাঁচ বছর পর কী হবে সেই স্বপ্ন দেখাতে হবে। এই যেমন ২০১৭ সালে বলা হতো, ২০২২ সালের মধ্যে সব ঘরে পানীয় জল, সব ঘরে বিদ্যুৎ হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতি হবে ভারত। এসব কিছুই হয়নি। তাই এখন নতুন মডেল হল, ২০৪৭ সালে ভারত জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ হবে। উন্নতির সব অধরা সেই বছরে ধরা হয়ে যাবে। সবাইকে আহ্বান করা হচ্ছে ২০৪৭ সালের সর্বশ্রেষ্ঠ দেশ গড়তে। তার মানে কারা টার্গেট? নতুন প্রজন্ম। অর্থাৎ ২০৪৭ সালের অমৃতকাল দেখার জন্য আমাদের দলকে ভোট দিয়ে যাও ততদিন। 
মনমোহন সিং কিংবা অটলবিহারী বাজপেয়িরা স্বভাবে ও রাজনীতিতে পরস্পরের বিপরীত হলেও, প্রতিদিন একজন প্রধানমন্ত্রী কিছু না কিছু বলছেন, এরকম মনোভাব তাঁদের দুজনেরই ছিল না। খুব বড় কোনও প্রকল্প অথবা অনুষ্ঠান ছাড়া প্রধানমন্ত্রীদের অংশগ্রহণ ভাবাই যেত না। নরেন্দ্র মোদি কিন্তু একদিনের জন্যও নিজের অস্তিত্ব ও উপস্থিতি জনগণকে ভুলতে দিতে চান না। তাই নিয়ম হল, প্রতিদিনই কোনও না কোনও অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছেন,  উদ্বোধন করছেন, শিলান্যাস করছেন, এমনকী রাজ্যের ক্ষুদ্র প্রকল্পেরও সূচনা করছেন তিনি। ফলে ভারতবাসী রোজ তাঁর কথা শুনছে। উত্তরপ্রদেশের এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন অথবা মধ্যপ্রদেশের অভয়ারণ্যে আফ্রিকার চিতাকে ছেড়ে দেওয়া। সব কিছুতেই প্রধানমন্ত্রী আছেন। এই যে নিজেকে সর্বদাই ভাসিয়ে রাখা, এটাই হল তাঁর বিশেষ মডেল। অতীতের প্রধানমন্ত্রীরা ভাবতেন, কাজের মাধ্যমেই ইতিহাসে স্থান হয়। মোদি ভাবেন, কাজ করছি এই প্রচারটি এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, যাতে জনমনে বিভ্রম তৈরি হয় যে, হ্যাঁ, তাহলে বোধহয় সত্যিই কাজ হচ্ছে। ওই বিভ্রমই হবে ইতিহাস। 
তৃতীয় ফর্মুলা হল, নতুন কিছু নির্মাণ না করতে না পারলে নাম বদলে দিয়ে সেটিকে নতুন রূপ দেওয়া। তাই নাম পরিবর্তন, নোট পরিবর্তন, পার্লামেন্ট পরিবর্তন, ইতিহাস পরিবর্তন হয়ে চলেছে। যাতে আগামী যুগ সর্বদাই ডাইনে বাঁয়ে সামনে পিছনে দেখতে পায় নতুন ভারতকে। প্রধানমন্ত্রীর একটাই প্রত্যাশা, তাঁর সরকারকে যেমন বলা হয় মোদি সরকার, তাঁর দলকে যেমন বলা হয় মোদির দল, তেমনই আগামী যুগ যেন এই পরিবর্তিত দেশ সম্পর্কে ভাবে, মোদির ভারত!
23rd  September, 2022
বাংলার বিরোধীদের
ব্যর্থতা ঘরে ও বা‌ইরে
সমৃদ্ধ দত্ত

বিরোধীরা সরকার বিরোধী ইস্যু তৈরি করার মুন্সিয়ানা দেখাতে ব্যর্থ। তারা শুধু অপেক্ষা করে সরকার অথবা শাসক দল কখন কী ভুল করবে, সেটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে। কিন্তু কোনও ইস্যুকেই দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের রূপ দিতে পারছে না। তাই দলের ব্যর্থতা এবং ব্যক্তিগত ক্যারিশ্মাহীনতায় বিরোধী দলের পক্ষে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলা সম্ভব হচ্ছে না। এই দুর্বলতাগুলিকে ভুলে গিয়ে, তারা সাময়িক হাততালি পেতে সবথেকে বড় একটি ভুলও দীর্ঘদিন ধরে করে এসেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আন্ডারএস্টিমেট করা!
  বিশদ

ঐক্যভাবনার মধ্য দিয়ে
উন্নয়নই ভারতের মূল লক্ষ্য
নরেন্দ্র মোদি

জি-২০-র পূর্ববর্তী ১৭টি প্রেসিডেন্সির সময়কাল ফলাফলের দিক থেকে ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যময়। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সুনিশ্চিত করা,আন্তর্জাতিক কর ব্যবস্থাকে বাস্তবসম্মত করে তোলা, সংশ্লিষ্ট দেশগুলির উপর ঋণের বোঝা হ্রাস করা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য দেখিয়েছে পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্সিগুলি। বিশদ

01st  December, 2022
কাতার বিশ্বকাপ বনাম পাশ্চাত্য মিডিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 

বিশ্বের বাগান হল ইউরোপ। আর বাকি দুনিয়ার অধিকাংশ জঙ্গল। ব্রাসেলসে একটি কূটনৈতিক অ্যাকাডেমি উদ্বোধন করতে গিয়ে এমনই বলেছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদেশনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল। ভয়ঙ্কর বৈষম্যমূলক এই ধ্যান-ধারণাই পশ্চিমের সর্বত্র লক্ষণীয়। বিশদ

01st  December, 2022
বিজেপি মাছরাঙারই একটি নগণ্য প্রজাতি
হারাধন চৌধুরী

শনিবার প্রকাশিত সঙ্কল্পপত্রে যে ৪০ দফা প্রতিশ্রুতি গেরুয়া শিবির থেকে দেওয়া হয়েছে তার বেশিরভাগই ভোটের উপহার। এগুলির বেশিরভাগই কংগ্রেস অথবা আম আদমি পার্টির (আপ) টুকলি! আর আছে বাংলার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুয়ারে রেশন, কন্যাশ্রী এবং সবুজসাথীর অক্ষম অনুকরণ। 
বিশদ

30th  November, 2022
কতটা আয় করলে তাকে গরিব বলা যায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই সমাজের আসল রূপ দেখতে পায়। —হুমায়ুন আহমেদ
বহুল প্রচলিত একটা গল্প মনে পড়ল। রাজার উপর এক ভিক্ষুকের ভয়ানক ঈর্ষা। রাজার কতই না আরাম! তিনি সর্বক্ষণ ভালোমন্দ খেতে পারেন, দামি জামা পরেন, নরম গদির পালঙ্কে ঘুমোতেও পারেন।
বিশদ

29th  November, 2022
মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা প্রত্যাশীরা
পি চিদম্বরম

কিছু লোকের আবার ওয়েস্টমিনস্টার সিস্টেম পছন্দ নয়। একইভাবে, তারা রাজ্যটাজ্য পছন্দ করে না; তাদের পছন্দ নয় নির্বাচিত বিধানসভা; এবং তারা মুখ্যমন্ত্রীদেরও পছন্দ করে না। সংক্ষেপে এটাই বলতে হয় যে, তারা রাজ্য সরকারগুলির থেকে পরিত্রাণ চায়। ১৪২ কোটি ৬০ লক্ষ জনসংখ্যার চীনের যদি একটি সরকার থাকতে পারে, তবে ১৪১ কোটি ২০ লক্ষ জনসংখ্যার ভারতেরও তা থাকবে না কেন?
বিশদ

28th  November, 2022
গুজরাত নিয়ে মোদির এত ভয় কীসের?
হিমাংশু সিংহ

‘গত দু’দশক ধরে পাকাপাকি শান্তি বিরাজ করছে গুজরাতে। ওদের উচিত শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।’ ভোটপ্রচারের চূড়ান্ত পর্বে অমিত শাহের মুখে এই ‘সাম্প্রদায়িক’ কথাগুলি কীসের ইঙ্গিত? সমঝদার মানুষ মাত্রই বলবেন, ‘ইশারাই কাফি।’ বিশদ

27th  November, 2022
দেউচা-পাঁচামি ও কিছু অঙ্ক
তন্ময় মল্লিক

মহম্মদবাজারের দেওয়ানগঞ্জে মেঠো রাস্তার ধারে লুলু টুডুর ছোট্ট চায়ের দোকান। দোকান নয়, ঝুপড়ি বলাই ভালো। এলাকায় বসতি তেমন নেই।
বিশদ

26th  November, 2022
মোদির রাজত্বে ক্ষতি বিজেপিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

সেই স্লোগানের নাম ছিল শাইনিং ইন্ডিয়া। ২০০৪ সাল। আর এখন নয়া স্লোগানের নাম অমৃতকাল। সামনেই ২০২৪ সাল। ২০ বছরে ভারত অনেক পাল্টেছে। পাল্টেছে রাজনীতি। রাজনৈতিক সমীকরণ। পাল্টেছে নেতা-নেত্রী। পাল্টে গিয়েছে জনতার মনোভাব। বিশদ

25th  November, 2022
সন্ত্রাসের মুদ্রা তৈরির নেপথ্যে
মৃণালকান্তি দাস

গোপন খবর ছিল সিবিআইয়ের কাছে। সেই সূত্র ধরেই ভারত-নেপাল সীমান্তের বিভিন্ন ব্যাঙ্কের প্রায় ৭০টি শাখায় আচমকা হানা। উদ্ধার বিপুল পরিমাণ জাল নোট। সালটা ২০০৯-১০। বিশদ

24th  November, 2022
দেশের অর্থনীতি এগচ্ছে আরও ধ্বংসের দিকে
সন্দীপন বিশ্বাস

এর আগে আমাদের দেশে দু’বার রিসেশনের আভাস দেখা গিয়েছিল। ১৯৯১ সালে এবং ২০০৮ সালে। মনে রাখা দরকার, দু’বারই ভারত যে মানুষটির হাত ধরে তা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল, তাঁর নাম মনমোহন সিং। একবার তিনি ছিলেন অর্থমন্ত্রী, অন্যবার প্রধানমন্ত্রী। এখন মোদির পরীক্ষা। অবশ্য এর মোকাবিলার জন্য শিক্ষা, মেধা, বিচক্ষণতার প্রয়োজন। গত সাড়ে আট বছরের রাজত্বকালে এই সরকার তার কণামাত্রও দেখাতে পারেনি। দেশের মানুষের আতঙ্কটা সেখানেই।
বিশদ

23rd  November, 2022
মোদিজি, আপনি হয়তো জানেন না...
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যোগী আদিত্যনাথ কি অনামিকা শুক্লাকে চেনেন? নাঃ, তিনি কোনও সেলিব্রিটি বা গো-রক্ষক নন, একজন ‘প্রাক্তন শিক্ষিকা’। এঁর বিশেষত্ব হল, ধাপ্পাটাকে তিনি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন।
বিশদ

22nd  November, 2022
একনজরে
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নাক গলাবেন না— আমেরিকাকে এভাবেই হুমকি দিয়েছিল চীন। পেন্টাগনের রিপোর্টে এমন দাবিই করা হয়েছে। মঙ্গলবার মার্কিন কংগ্রেসে সংশ্লিষ্ট রিপোর্টটি জমা পড়েছে। ...

বৃহস্পতিবার পুকুরে স্নান করতে নেমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক মহিলার। পুলিস জানিয়েছে, মৃত মহিলার নাম সমলা সং (৫২) ...

টেস্টে একদিনে পাঁচশো রান! বৃহস্পতিবার রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এমন কাণ্ডই ঘটাল ইংল্যান্ড। ...

পূর্বস্থলীর পাটুলিতে সদগুরু স্বামী দেবানন্দ আশ্রমে গিয়ে খোল বাজিয়ে মাতালেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। বৃহস্পতিবার আশ্রমের কীর্তনের আসরে যোগ দেন তিনি। ভাগীরথীর তীরে আশ্রমিকদের জন্য শৌচাগার ও স্নানের ঘাট তৈরিরও প্রতিশ্রুতি দেন মন্ত্রী।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পেশাদারি কর্ম কৃতিত্বে সুনাম। পৈতৃক সম্পত্তি থেকে অর্থলাভ ও সঞ্চয় বৃদ্ধি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুফল। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮১: কার্ল মার্কসের স্ত্রী ও আমৃত্যু সহযোদ্ধা জেনি মার্কসের মৃত্যু
১৮৮৮: গবেষক, সংগ্রাহক এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ক্ষিতিমোহন সেনের জন্ম
১৮৯৮: প্রথম ভারতীয় (বাঙালি) বিমান চালক যিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির পক্ষে যুদ্ধ করেন এবং মৃত্যুবরণ করেন, সেই  ইন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৯১৮:কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯২৫: বিশিষ্ট অভিনেতা সন্তোষ দত্তর জন্ম
১৯৪২:  বিশ্বের প্রথম আণবিক চুল্লি পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু হয় শিকাগোতো 
১৯৫৯: অভিনেতা বমান ইরানীর জন্ম
১৯৭৬: কিউবার প্রেসিডেন্ট হলেন ফিদেল কাস্ত্রো
১৯৮৪: ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনায় কমপক্ষে আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৮৮: পাকিস্তানের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হলেন বেনজির ভুট্টো
১৯৮৯: ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হলেন ভিপি সিং
১৯৯১: কথাসাহিত্যিক বিমল মিত্রের মৃত্যু 
 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.২৮ টাকা ৮২.০২ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৪২ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৩.০৯ টাকা ৮৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২। নবমী ০/২৭ প্রাতঃ ৬/১৫ পরে দশমী ৫৮/৫৯ শেষ রাত্রি ৫/৪০। সূর্যোদয় ৬/৪/২২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৭/২৯ গতে ৯/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ৩/২৫ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪৫ গতে ১১/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৬ মধ্যে। 
১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২। নবমী দিবা ৯/৪৮। সূর্যোদয় ৬/৬, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ৩/৩৮ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৬ গতে ১১/২৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৭ মধ্যে। 
৭ জমাদিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ ২০২২: কালকের ফল
জাপান ২ : স্পেন ১ কোস্টারিকা ২ : জার্মানি ৪ ক্রোয়েশিয়া ০ ...বিশদ

03:30:00 AM

বিশ্বকাপ ২০২২: কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় মরক্কো

01-12-2022 - 10:32:12 PM

বিশ্বকাপ ২০২২: বিশ্বকাপ থেকে বিদায় বেলজিয়ামের, ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র

01-12-2022 - 10:29:16 PM

বিশ্বকাপ: কানাডা-১ : মরক্কো-২ (হাফটাইম)

01-12-2022 - 09:24:22 PM

বিশ্বকাপ ২০২২: ক্রোয়েশিয়া- ০: বেলজিয়াম- ০ (হাফ টাইম)

01-12-2022 - 09:23:39 PM

বিশ্বকাপ ২০২২: কানাডা-১  : মরক্কো-২ (৪০ মিনিট)

01-12-2022 - 09:16:05 PM