Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সিলেবাস
সমৃদ্ধ দত্ত

আমাদের মনের উপর কোনটা বেশি প্রভাব ফেলতে পারে? যা শুনেছি? নাকি যা দেখেছি? স্বাভাবিক উত্তর হল, চোখের সামনে যা ঘটছে অথবা আমার স্মৃতিতে যে ঘটনাগুলি সুস্পষ্ট, সেই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার অভিঘাত অনেক বেশি গভীর। বহু আগে কী ঘটেছিল ইতিহাসের মোড় ঘোরানো অধ্যায় না হলে, সেটির সম্পর্কে তীব্র আবেগ থাকে না। অন্যের কাছে শোনা অথবা পড়া কাহিনি অথবা ঘটনাপঞ্জি আমাদের মনকে অতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, যতটা পারে আমাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। খুব অনুসন্ধিৎসু হলে কিংবা ইতিহাসের প্রতি আগ্রহ থাকলে, অতীতে কী ঘটেছিল, সে সম্পর্কে আগ্রহ থাকে। কিন্তু ১৪০ কোটি মানুষের ভারতে এই আগ্রহ ও উদ্যোগ যে কম, সেটি আমরা নিজেরাই বুঝতে পারি। মোবাইল এখন বিনোদন, তথ্য, নথি, মতামত, ঝগড়া, মতান্তর, ভালোবাসা, পড়াশোনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অথবা চাকরির সন্ধান, সবকিছুর একটি কমন প্ল্যাটফর্ম। নতুন প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে সর্বদাই নতুন প্রজন্ম এগিয়ে থাকে। মোবাইলের ক্ষেত্রেও তাই। মূলত তারাই যে কোনও মোবাইল নির্মাতা সংস্থা অথবা সার্ভিস প্রোভাইডারদের টার্গেট অডিয়েন্স হয়। শুধুই মোবাইল সংস্থা কেন? যে কোনও ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রেই এই ফর্মুলাই প্রযোজ্য।  অর্থাৎ গেট দ্য ইয়ং। অল্পবয়সিদের অ্যাড্রেস করো, তাদের টার্গেট করে  বোঝাও যে এই পণ্যটি কেন তাদের দরকার। এর মধ্যে নতুন ফিচার আছে। 
ঠিক এই কারণেই রাজনীতির ক্ষেত্রে নতুন ফর্মুলা নিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঠিক ফর্মুলা বলা যাবে না। বরং বলা ভালো রাজনীতির নতুন সিলেবাস। প্রথমত, নরেন্দ্র মোদি বারংবার সভা সমাবেশে, সরকারি অনুষ্ঠানে, বক্তৃতায় একটি তথ্যকে লাগাতার প্রতিষ্ঠা করতে মরিয়া। সেটি হল, এখন সরকারি স্তরে যা ভালো ভালো কাজ হচ্ছে, সবই তিনি অর্থাৎ তাঁর সরকার প্রথম করেছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরেই দেখেছি যে, তিনি বলেছেন, গরিবদের জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, গরিবের জন্য আবাসন, গরিবের জন্য বিদ্যুৎ, উপজাতিদের জন্য প্রকল্প, প্রত্যেক ভারতবাসীর জন্য পানীয় জল ইত্যাদি উদ্যোগ একমাত্র তাঁরই। তিনি যে কথাটি এসব ক্ষেত্রে বলে থাকেন, সেটি হল, স্বাধীনতার পর থেকে আর কোনও সরকার এসব নিয়ে ভাবেইনি। আমরা করে দেখালাম। অর্থাৎ সব উদ্যোগই নতুন। নতুন বৈশিষ্ট্য শুনলে মানুষের আগ্রহ বেড়ে যায়। 
বিরোধিতাও হয়। বিরোধীরা পরিসংখ্যান ও তথ্য দিয়ে বলেন, অতীতে কোন কোন সরকারের আমলেও এসব প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এমন মোটেই নয় যে, মো঩দিই প্রথম করলেন, তিনি অতীতকে ভুলিয়ে দিতে চাইছেন ইত্যাদি ইত্যাদি। এসব হয়তো সত্য। কিন্তু এই কণ্ঠস্বর অথবা যুক্তিগুলি ১৪০ কোটি মানুষের মধ্যে যতজনের কাছে পৌঁছবে, তার তুলনায় অনেক বেশি মানুষের কাছে মোদির ভাষণ পৌঁছয়। কারণ নির্দিষ্ট প্রফেশনাল প্রচার টিম থাকে। মোবাইলবাহিত হয়ে সেই বার্তা চলে যায় অনেক দ্রুত। নরেন্দ্র মোদির এই কথাগুলি বলার কারণই হল, একটি বিশেষ শ্রেণির কাছে পৌঁছনো। তারা হল যুবসমাজ। তিনি টার্গেট করেছেন নতুন প্রজন্মকে। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে দেখা গিয়েছিল, ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি ভোটারের শতকরা হার ৩৪ শতাংশ। স্বাভাবিকভাবেই এই হার বেড়ে চলেছে ক্রমাগত। 
এই ফর্মুলা নেওয়ার কারণ হল, নতুন প্রজন্মের কাছে অতীতে কী ঘটেছিল সেটি অনেক সময়ই বিস্মৃত। কোন প্রধানমন্ত্রী কী কী করেছিলেন অথবা স্বাধীনতা সংগ্রামে কোন দলের কী ভূমিকা ছিল, এসব নিয়ে এই সদ্য সাবালক অথবা যুবসমাজের অনেকের আগ্রহ ও চর্চা থাকলেও, সিংহভাগ অংশই অবগত নয়। যা স্বাভাবিক। তাই তাদের লক্ষ্য করে নরেন্দ্র মোদি বারংবার বলতে থাকেন যে, যা কিছু হচ্ছে সব তিনিই প্রথম করছেন। নতুন করছেন। 
এই দাবি যে সব নতুন প্রজন্মই বিশ্বাস করছে তা নয়। কিন্তু মোদির নিশ্চিত ধারণা সিংহভাগকে অন্তত তিনি প্রভাবিত করতে পারছেন। বিশেষ করে, নতুন প্রজন্ম তো সব শ্রেণিরই। ধনী, দরিদ্র, শিক্ষিত, অশিক্ষিত, নাগরিক, গ্রামীণ, নারী, পুরুষ, কোনওমতে খেটে খাওয়া সকলেই নতুন প্রজন্ম। ইতিহাস অথবা রাজনীতি সম্পর্কে অজ্ঞ যুবসমাজ কিংবা যে কোনও বয়সি মানুষও অসংখ্য। কিন্তু সকলেই তো ভোটার। তাই বারংবার একটি কথা চমকপ্রদ বাগ্মীতায় বলতে থাকলে সেটি বিশ্বাসযোগ্য হবেই। 
ধরা যাক, ২০০০ সালে যাদের জন্ম হয়েছে। তাদের রাজনীতির বোধ কিংবা নিজস্ব মতামত যখন গড়ে উঠছে তখন মোদি ক্ষমতাসীন। অর্থাৎ ১৪ বছর বয়স তাদের তখন। সুতরাং মোদির আগে পূর্বতন প্রধানমন্ত্রীরা কী করেছেন সেটা তাদের প্রত্যক্ষ জানার কথা নয়। নতুন প্রজন্মের মস্তিষ্ক যে সর্বদা অতীতের তুলনাগুলি যাচা‌ই করে দেখে, তা নয়। তাই নতুন প্রজন্মকে মোদি  বার্তা দিতে চান, আমিই নতুন এবং প্রথমবার এই কাজটি করলাম।  ‘এই প্রথমবার’—সরকারি বেসরকারি কোনও প্ল্যানের ক্ষেত্রে এটা  শুনলেই একটা আগ্রহ, কৌতূহল ও সম্ভ্রম তৈরি হয়। 
দ্বিতীয় ফর্মুলা হল, যা কিছু হচ্ছে, সেটা যতই সামান্য অথবা ক্ষুদ্র হোক, চিৎকার করে বলতে হবে। অর্থাৎ উচ্চগ্রামে প্রচার। সরকারের প্রতিদিনের রুটিন কাজও ঘোষণা করে যেতে হবে এমনভাবে, যেন এটা একটা বিরাট সংবাদ। বাজেট ঘোষণা করা হয় ফেব্রুয়ারিতে। কিন্তু বাজেটে যা যা ঘোষণা করা হয়েছে, সেটা সারা বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার এখন বারংবার প্রচার করে চলে। একটি বিশেষ উপ-ফর্মুলা হল, সর্বদাই উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা বলে যেতে হবে। আজ কী হচ্ছে সেটা নয়। পাঁচ বছর পর কী হবে সেই স্বপ্ন দেখাতে হবে। এই যেমন ২০১৭ সালে বলা হতো, ২০২২ সালের মধ্যে সব ঘরে পানীয় জল, সব ঘরে বিদ্যুৎ হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতি হবে ভারত। এসব কিছুই হয়নি। তাই এখন নতুন মডেল হল, ২০৪৭ সালে ভারত জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ হবে। উন্নতির সব অধরা সেই বছরে ধরা হয়ে যাবে। সবাইকে আহ্বান করা হচ্ছে ২০৪৭ সালের সর্বশ্রেষ্ঠ দেশ গড়তে। তার মানে কারা টার্গেট? নতুন প্রজন্ম। অর্থাৎ ২০৪৭ সালের অমৃতকাল দেখার জন্য আমাদের দলকে ভোট দিয়ে যাও ততদিন। 
মনমোহন সিং কিংবা অটলবিহারী বাজপেয়িরা স্বভাবে ও রাজনীতিতে পরস্পরের বিপরীত হলেও, প্রতিদিন একজন প্রধানমন্ত্রী কিছু না কিছু বলছেন, এরকম মনোভাব তাঁদের দুজনেরই ছিল না। খুব বড় কোনও প্রকল্প অথবা অনুষ্ঠান ছাড়া প্রধানমন্ত্রীদের অংশগ্রহণ ভাবাই যেত না। নরেন্দ্র মোদি কিন্তু একদিনের জন্যও নিজের অস্তিত্ব ও উপস্থিতি জনগণকে ভুলতে দিতে চান না। তাই নিয়ম হল, প্রতিদিনই কোনও না কোনও অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছেন,  উদ্বোধন করছেন, শিলান্যাস করছেন, এমনকী রাজ্যের ক্ষুদ্র প্রকল্পেরও সূচনা করছেন তিনি। ফলে ভারতবাসী রোজ তাঁর কথা শুনছে। উত্তরপ্রদেশের এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন অথবা মধ্যপ্রদেশের অভয়ারণ্যে আফ্রিকার চিতাকে ছেড়ে দেওয়া। সব কিছুতেই প্রধানমন্ত্রী আছেন। এই যে নিজেকে সর্বদাই ভাসিয়ে রাখা, এটাই হল তাঁর বিশেষ মডেল। অতীতের প্রধানমন্ত্রীরা ভাবতেন, কাজের মাধ্যমেই ইতিহাসে স্থান হয়। মোদি ভাবেন, কাজ করছি এই প্রচারটি এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, যাতে জনমনে বিভ্রম তৈরি হয় যে, হ্যাঁ, তাহলে বোধহয় সত্যিই কাজ হচ্ছে। ওই বিভ্রমই হবে ইতিহাস। 
তৃতীয় ফর্মুলা হল, নতুন কিছু নির্মাণ না করতে না পারলে নাম বদলে দিয়ে সেটিকে নতুন রূপ দেওয়া। তাই নাম পরিবর্তন, নোট পরিবর্তন, পার্লামেন্ট পরিবর্তন, ইতিহাস পরিবর্তন হয়ে চলেছে। যাতে আগামী যুগ সর্বদাই ডাইনে বাঁয়ে সামনে পিছনে দেখতে পায় নতুন ভারতকে। প্রধানমন্ত্রীর একটাই প্রত্যাশা, তাঁর সরকারকে যেমন বলা হয় মোদি সরকার, তাঁর দলকে যেমন বলা হয় মোদির দল, তেমনই আগামী যুগ যেন এই পরিবর্তিত দেশ সম্পর্কে ভাবে, মোদির ভারত!
23rd  September, 2022
জিডিপির শ্রীবৃদ্ধি ও আম আদমির ঋণের বোঝা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মাস ছয়েক আগে লন্ডনের ‘ফিনান্সিয়াল টাইমস’ একটি প্রতিবেদন ছেপেছিল। ওই লেখাতেই ছিল কিরণের কথা। বেঙ্গালুরুর ছেলে। বয়স ২৯। কলেজ পাশ করে বহুদিন চাকরির চেষ্টা করেছিল সে। পেরে ওঠেনি। এখন সে ক্যাব ড্রাইভার। গাড়ি চালায়। দিনরাত পড়ার সময় এই ভবিষ্যৎ স্বপ্নে দেখেনি সে।
বিশদ

এই যুদ্ধের পক্ষ দু’টি স্পষ্ট
পি চিদম্বরম

একজন ইংরেজি শিক্ষক যদি তাঁর ক্লাসে ‘অতিশয়োক্তি’ শব্দটি উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করতে চান, তবে গত সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বুলেটিনে উল্লেখিত নীচের বাক্যটিই সেরা: ‘সবচেয়ে শক্তিশালী দেশগুলির নেতারা, দেশভিত্তিক গোষ্ঠীগুলি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি নতুন দিল্লিতে সমবেত হওয়ার কারণে গত মাসে পৃথিবীর ভরকেন্দ্র স্থানান্তরিত হয়ে গিয়েছিল ভারতে।’
বিশদ

02nd  October, 2023
অভিষেককে ভয় পাচ্ছে বিজেপি
হিমাংশু সিংহ

অশ্বডিম্ব থেকে শূন্য এবং তারপর মাইনাস ২। ইডির তলবে ৩ অক্টোবর যদি অভিষেক যানও রাত ৯টার আশপাশে আবার সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে বেরিয়ে তাঁকে বলতেই হবে, এবার জিজ্ঞাসাবাদের নিটফল মাইনাস ৪। হতেও পারে মাইনাস ৬। কিন্তু মমতার মতোই অভিষেকও চিরদিন আন্দোলন ও প্রতিবাদে অনড়।
বিশদ

01st  October, 2023
চিচিং ফাঁক: এ কেমন চৌকিদার?
তন্ময় মল্লিক

তমলুক শহরের ধারিন্দার বাসিন্দা সোমনাথ দাস একজন কাঠমিস্ত্রি। কোনও রকমে সংসার চলে। ক্যান্সার ধরা পড়েছে তাঁর দু’বছরের মেয়ের। কী করে মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাবেন, সেই চিন্তায় রাতের ঘুম উবে গিয়েছে। সম্বল বলতে ব্যাঙ্কে জমানো অল্প কিছু টাকা। বিশদ

30th  September, 2023
জল্পনার আড়ালে কি স্মৃতি ইরানি এগিয়ে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সুরাতে চালু হবে নতুন একটি জুয়েলারি ব্র্যান্ড। সেই প্রথম আউটলেট উদ্বোধন করবেন স্মৃতি ইরানি। মিডিয়ার ভিড়। তবে সিংহভাগ‌ই এন্টারটেনমেন্ট চ্যানেল। তাদের আগ্রহ হল, তুলসীর হাতে পিস্তল দেখা গিয়েছে। তাহলে কি তুলসী নিজের ছেলেকেই গুলি করবে? বিশদ

29th  September, 2023
ভারতের সঙ্গে লড়াইয়ে বিশ্বমঞ্চে একা ট্রুডো
মৃণালকান্তি দাস

সবরমতী আশ্রমে চরকা কাটা থেকে মুম্বইয়ে শাহরুখ খানের সঙ্গে ছবি তোলা কিংবা অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরে রুটি বেলা— এতকিছুর পরও কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর ভারত সফর ছিল মূষিক প্রসব! বিশদ

28th  September, 2023
পুরীর মন্দিরের রাজনীতি ও অভুক্ত জগন্নাথ
সন্দীপন বিশ্বাস

সামান্য একটা তুচ্ছ কারণে পুরীর মন্দিরে প্রভু জগন্নাথদেবকে ব্রেকফাস্ট করতে হল সেই বিকেল সাড়ে পাঁচটায়। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা সারা বিশ্বের জগন্নাথ ভক্তদের মানসিকভাবে আহত করেছে।  ২০১৭ সালে মন্দিরের এক সেবায়েত অসবর্ণ বিবাহ করেছিলেন। বিশদ

27th  September, 2023
রাজ্যভাগ, পুনর্বিন্যাস ও একনায়কতন্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

চলতি বছরের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ছবির নাম কী? আপনি হয়তো বলবেন ‘জওয়ান’। কারণ, এই ছবিতে অস্ত্র দুর্নীতি আছে, কৃষক মৃত্যু, সিস্টেমের সর্বত্র কাটমানি খাওয়া, বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, ইভিএম এমনকী ধর্ম ও সাম্প্রদায়িকতার নামে ভোট না দেওয়ার আবেদনও রয়েছে। বিশদ

26th  September, 2023
মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ ক্রমাগত পিছচ্ছে
পি চিদম্বরম

ভারতের সাংবিধানিক এবং সংসদীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলির মধ্যে তিনটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য:
১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬: প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়ার সরকার সংবিধান (৮১তম সংশোধন) বিল সংসদে পেশ করেছিল। লোকসভা এবং রাজ্য বিধানসভাগুলিতে এক-তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বিলটির মাধ্যমে। কিন্তু তারপর আর কোনও অগ্রগতি হয়নি।
বিশদ

25th  September, 2023
দেশে অসন্তোষ, বিপদের গন্ধ পাচ্ছেন মোদিজি
হিমাংশু সিংহ

কৃষি বিল পাশ হয়েছে, কিন্তু কৃষক খুশি হওয়ার বদলে বিদ্রোহ করেছে। এক বছর ঠায় রাস্তায় বসে থাকতে বাধ্য হয়েছে ফসল ফলানোর কারিগররা।
বিশদ

24th  September, 2023
বিল যখন স্বপ্নপূরণের ‘গাজর’
তন্ময় মল্লিক

শাস্ত্রে আছে, শুভস্য শীঘ্রম অশুভস্য কাল হরণং। যে কোনও শুভ কাজ তাড়াতাড়ি সেরে ফেলা উচিত। দেরি করলে সেই কাজে বিঘ্ন ঘটতে পারে।
বিশদ

23rd  September, 2023
নতুন সংসদ ভবনে উদারতার আলো আসবে?
সমৃদ্ধ দত্ত

পুরনো সংসদ ভবন এবং নতুন সংসদ ভবনের মধ্যে পার্থক্য কী? অসংখ্য। কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে প্রধান পার্থক্য হল, আলো এবং বাতাস! সূর্যের আলো। প্রাকৃতিক বাতাস।
বিশদ

22nd  September, 2023
একনজরে
ঘর থেকে সবে পুনর্ভবার জল নেমেছে। বেশকিছু গ্রামে বাড়িতেও ফিরেছেন বাসিন্দারা। কিন্তু জল নেমে গেলেও এখন পরিশুদ্ধ পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে তপনে। আগে থেকেই তপনে পরিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাব। তারউপর টিউবওয়েলের জল দূষিত হয়ে পড়ায় পানীয় জলের সঙ্কট আরও ...

দু’শো বছরের ইতিহাস বয়ে নিয়ে আজও দেবী দুর্গার পুজো হয় টাকির জমিদার বাড়িতে। তবে জমিদারদের বংশধররা এখন আর তেমন কেউ নেই, এই বাড়ি দেখভালের দায়িত্বে ...

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে দিল্লিতে তৃণমূলের বিক্ষোভের পাল্টা হিসেবে সোমবার কলকাতার মেয়ো রোডে অবস্থানে বসেছিল বিজেপি। একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পে দুর্নীতি ও জনমুখী প্রকল্পগুলির সুবিধা থেকে রাজ্যবাসীকে বঞ্চিত করার বিরুদ্ধে মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে তাঁরই মূর্তির পাদদেশে জড়ো হয়েছিল গেরুয়া পার্টির সদস্যরা। ...

তিনি দোর্দণ্ডপ্রতাপ শাসক। তাঁর কূটনৈতিক চালে ঘুম উড়ে যায় বিপক্ষের। কিন্তু রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ব্যক্তিগত জীবন ঠিক কেমন? তাঁর সম্পর্কে এই কৌতূহল নতুন নয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সামাজিক কল্যাণ কর্মে বিঘ্নের সম্ভাবনা। অফিসকর্মী/ উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের সাফল্য ও সুনাম। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯১: ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম মাসিক পত্রিকা ‘ক্যালকাটা ম্যাগাজিন অ্যান্ড ওরিয়েন্টাল মিউজিয়াম’ প্রকাশ শুরু হয়
১৮৭৭: পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল হরেন্দ্রকুমার মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯১১: ক্রিকেটার সুঁটে বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯২০: বিশিষ্ট ধারাভাষ্যকার অজয় বসুর জন্ম 
১৯২৩: প্রথম মহিলা স্নাতক ও ডাক্তার কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৪৫: বিশ্ব ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত হয়
১৯৪৯: পরিচালক জে পি দত্তের জন্ম
১৯৭৮: বিশ্বের দ্বিতীয় ও ভারতের প্রথম টেস্ট টিউব শিশুর জন্ম
১৯৮৯: বিশিষ্ট সরোদ শিল্পী ওস্তাদ বাহাদুর হোসেন খান কলকাতায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন
১৯৯০: অক্টোবরে দুই জার্মানি অর্থাৎ পূর্ব জার্মানি এবং পশ্চিম জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হবার ঘোষণা করে



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৩৩ টাকা ৮৪.০৭ টাকা
পাউন্ড ৯৯.৭৮ টাকা ১০৩.২২ টাকা
ইউরো ৮৬.৪১ টাকা ৮৯.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
01st  October, 2023
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৭,৯০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৮,২০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৫,৩০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭০,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭০,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
01st  October, 2023

দিন পঞ্জিকা

১৬ আশ্বিন ১৪৩০, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩। চতুর্থী ১/৪১ প্রাতঃ ৬/১২। কৃত্তিকা নক্ষত্র  ৩১/১৯ সন্ধ্যা ৬/৪। সূর্যোদয় ৫/৩২/৬, সূর্যাস্ত ৫/১৯/৫০। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৯ মধ্যে পুনঃ ৭/৬ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৭ গতে ৮/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৯/২৪ গতে ১১/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/২৮ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৩ গতে উদয়াবধি।  মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৪ গতে ২/২৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫১ গতে ৮/২৩ মধ্যে। 
১৫ আশ্বিন ১৪৩০, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩। চতুর্থী দিবা ৯/৪৩ । কৃত্তিকা নক্ষত্র  রাত্রি ১০/২৮।  সূর্যোদয় ৫/৩২, সূর্যাস্ত ৫/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৭ মধ্যে ও ৭/১২ গতে  ১০/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৩ মধ্যে ও ৯/১৪ গতে ১১/৪৬ মধ্যে ও ১/২৮ গতে ৩/৯ মধ্যে ও ৪/৫১ গতে ৫/৩৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/১ গতে  ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ২/২৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫৩ গতে ৮/২৪ মধ্যে। 
১৭ রবিউল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সানি দেওলের পরবর্তী ছবির প্রযোজক আমির খান
সদ্য গদর ২-এর মাধ্যমে বিরাট সাফল্যের মুখ দেখেছেন সানি দেওল। ...বিশদ

03:17:12 PM

দিল্লিতে ভূ-কম্পণ অনুভূত, মাত্রা ৪.৬
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দিল্লি ও সংলগ্ন অঞ্চল। আজ দুপুর ২টো ...বিশদ

03:13:33 PM

মণিপুর হিংসা: ধৃত সেইমিনলুন গাংতেকে আরও ৮ দিনের এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

03:08:27 PM

রাজ্য প্রশাসনের উদ্যোগে গুজরাত থেকে পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ ফিরল মহিষাদলের গ্রামে, মৃতের বাড়িতে গেলেন বিডিও

03:07:37 PM

নতুন করে ৯৭ টি তেজস যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা

03:07:37 PM

অসমে নাবালিকাদের বিয়ে রুখতে অভিযান পুলিসের, গ্রেপ্তার বহু ব্যক্তি

03:05:06 PM