Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বাধীনতার মহোৎসব ও মানুষের প্রাপ্তি
হিমাংশু সিংহ

কাল সোমবার স্বাধীনতার ৭৫ বছর। দেশকে তেরঙ্গায় মুড়ে ফেলার বর্ণময় আয়োজন সম্পূর্ণ। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসবে’র ঢক্কা নিনাদ শোনা যাচ্ছে সর্বত্র। জাতীয়তাবোধে প্রতিটি নাগরিক থেকে ইট কাঠ পাথর নেতা-নেত্রী সবাই উজ্জীবিত। সাড়ে সাত দশক যে কোনও রাষ্ট্রের জীবনেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। কিন্তু একইসঙ্গে এই অভিযাত্রা প্রশ্নও তুলছে বিস্তর। শুধু পতাকার পবিত্র রঙে ঘরবাড়ি সৌধকে সাজিয়ে তুলেই কি দায়িত্ব শেষ? আমাদের সংবিধান প্রণেতারা যে দুর্নীতিমুক্ত, সব সম্প্রদায় ও বিশ্বাসের মানুষের আস্থা জিতে মিলনতীর্থ ভারতবর্ষ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা কি বাস্তবায়িত হচ্ছে? নাকি আইনকে, জাতীয়তাবোধকে শিখণ্ডী করে আখেরে প্রতিটি দল ও সংগঠন নিজের নিজের ঢাক বাজাতেই ব্যস্ত। চারদিকে শুধু বিভাজনের বিষ ছোবল। যাঁরা জীবন বিপন্ন করে একদিন দেশ স্বাধীন করেছিলেন, অনাহারে অর্ধাহারে ছুটে বেরিয়েছেন, প্রাণ দিয়েছেন তাঁরা কী বলবেন এই পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি দেখে? এক সাধারণ মন্ত্রীর বান্ধবীর বাড়ি থেকে দু’দফায় ৫০ কোটিরও বেশি নগদ, বিপুল সম্পত্তির দলিল ও কেজি কেজি সোনা উদ্ধার নিঃসন্দেহে তাঁদের হতবাক করবে। এ নাকি চাকরি বিক্রির টাকা! কয়লা পাচার, গোরু পাচারের হিস্যা! হায় বঙ্গভূমি, এই মাটিতেই নেতাজি সুভাষ, চিত্তরঞ্জন দাশ, রবীন্দ্রনাথ জন্মেছিলেন। হাসতে হাসতে প্রাণ দিয়েছিলেন বিনয়-বাদল-দীনেশ। ব্যক্তিগত সুখ স্বাচ্ছন্দ্য সম্পত্তি বিসর্জন দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন দেশের মুক্তির জন্য। সেই দেশেই ৭৫ বছর পর আজ গোরু পারাপার করে শত শত কোটি টাকার সম্পত্তি বানানোর অভিযোগে এক সামান্য শাসকদলের জেলা সভাপতিকে গ্রেপ্তার করতে হয়। সর্বক্ষেত্রে বালি থেকে পাথর, সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে সাধারণের প্রাণ ওষ্ঠাগত। একটা বাড়ির ভিত খুঁড়তেও দাদাদের মোটা নজরানা দিতে হয়। তাঁদের পাঠানো লোকের কাছ থেকে বালি, সিমেন্ট কিনতে হয়। এই তোলাবাজি ও দুর্নীতির শিকড় কতদূর বিস্তৃত কে জানে?
কিন্তু বাংলাকেই শুধু আলাদা করে দেখলে তো হবে না। দুর্নীতি ও ক্ষমতার ভণ্ডামি শুধু বাংলার ভৌগোলিক সীমানাতেই আবদ্ধ নেই। তা আজ ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যে রাজ্যে, আসমুদ্রহিমাচল। পুলিস ও প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। এমনকী বিচার বিভাগের অন্দরেও। অদৃশ্য সুতোর টানে মহামান্য আদালতের রায় পর্যন্ত বদলে যাচ্ছে আজকাল। রাতারাতি নির্বাচিত সরকার পড়ে যাচ্ছে নগদ টাকার হাত বিনিময়ে। পশুপাখি গৃহপালিত জীবজন্তুর মতো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কেনাবেচার হাটও বসছে নিয়ম করে। বোফর্স থেকে কফিন কেলেঙ্কারি, সাড়ে সাত দশকে রঙ্গ বড় কম দেখেনি জনগণ। বিজেপির এক সর্বভারতীয় সভাপতি ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা পড়েছেন হাতেনাতে। কিন্তু এই দুর্নীতির সঙ্গেই উদ্বেগজনক হচ্ছে বেছে বেছে বিরোধী রাজ্যে সিবিআই, ইডির অতি সক্রিয়তা। একদা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুখরামের বাড়ি থেকেও  ঘুষের টাকা উদ্ধার হতে ঘুম ছুটে গিয়েছিল দেশবাসীর। এই অবৈধ লেনদেন বন্ধ করতেই ঘটা করে বর্তমান নরেন্দ্র মোদি সরকার কালো টাকা রুখতে নোটবন্দি করে লম্বা চওড়া ভাষণ দিয়েছিল। কিন্তু মানুষের অশেষ দুর্গতি আর সরকারের বিপুল নোট ছাপানোর খরচ ছাড়া গোটা প্রক্রিয়াটাই ছিল আখেরে অশ্বডিম্ব। অবৈধ টাকার দাপট একটুও কমেনি। বিপুল খরচে ছাপানো দু’হাজার টাকার নতুন নোটও বাজার থেকে গায়েব। আর জিএসটি ৩০ সপ্তাহের মাথায় ভূমিষ্ঠ হওয়া অপরিণত শিশু। রোগব্যাধি লেগেই আছে। দুই পরীক্ষাতেই বিজেপি সরকার ডাহা ফেল! স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরও সেই কালো টাকার হাটেই নির্ধারিত হচ্ছে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের ভাগ্য। জনপ্রতিনিধিদের দাম। ডান বাম সবাই এই খেলায় ওস্তাদ। 
মহারাষ্ট্রে বিজেপি আর শিবসেনা একসঙ্গে মিলে ভোটে লড়েছিল। কিন্তু ভোটের ফল বেরনোর পর বিজেপিকে দূরে ফেলে বিপরীত মেরুর দুই রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারে। পরিণতি দু’বছর পর তাঁর দলটাই ভেঙে চৌচির। নীতি-আদর্শ নয়, সেখানেও নিয়ন্ত্রক সেই টাকা আর মন্ত্রিত্বের টোপ! সিংহভাগ বিধায়ক গেরুয়া শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে আবার ক্ষমতা দখলের নেশায় একটা নীতিহীন সরকার উপহার দিলেন। এক মাস পেরিয়ে গেলেও মন্ত্রিসভা নিয়েই দড়ি টানাটানির শেষ নেই। সবাই মন্ত্রী হতে চান, পয়সা কামাতে চান, কিন্তু দেশের কাজ করতে চান না। তাহলে কী দাঁড়াল ৭৫ বছরের এই অভিযাত্রায়? নীতি, আদর্শ, দেশসেবা নয়, যেনতেন ক্ষমতাদখল আর লাফিয়ে সম্পত্তি বৃদ্ধিই প্রধান বিবেচ্য। পিছনে পড়ে থাকে স্বাধীনতা, উন্নয়ন, মূল্যবোধের রাজনীতি আর ক্লিশে হয়ে যাওয়া কিছু উচ্ছিষ্ট ফাঁকা বুলি! এসবই গরিবকে আরও পাঁচ বছরের জন্য ধোঁকা দেওয়ার চমৎকার পুরিয়া। বিহারের নাটক আরও করুণ। বছর বছর মুখ্যমন্ত্রী একজনই থাকেন, শুধু বদলে যায় সহযোগী। একবার পাশে গেরুয়া তো পরক্ষণেই লালুর লণ্ঠন। সেই নিভু নিভু আলোতেই নীতীশ কুমার পথ চলেন বেমালুম। আয়ারাম গয়ারাম সরকার আর গোরুর মতো যে হাটে জনপ্রতিনিধি কেনাবেচা হয় রাতের নিশুতি আলোয়, সেখানে বড় বড় কথা কি আর সাজে? অচিরেই ভেঙে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো। আর এসব নীরবে সহ্য করাই আজকের দস্তুর। ‘দেখিয়া শুনিয়া খেপিয়া গিয়েছি’... এটুকু বলার মতো সাহসী প্রতিবাদী মুখের সন্ধান মেলা বড় মুশকিল।
অর্থনীতির কী অবস্থা সবাই দেখছে? টাকার তুলনায় ডলারের দাম বাড়তে বাড়তে আজ ৮০ টাকার আশপাশে ঘুরছে। স্বাধীনতার সময় ছিল ৪ টাকার কিছু বেশি। আট বছর আগে ডলারের দাম ছিল ৬২ টাকা। টাকা দুর্বল হয়েছে, আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য মার খেলে দেশ এগিয়েছে কি বলা সাজে? ১৯৪৭ সালে এক লিটার পেট্রলের দাম ছিল ২৭ পয়সা। মোদিজি ক্ষমতায় আসার বছরে পেট্রলের দাম ছিল ৭৯ টাকা। আর আজ সগৌরবে একশো টাকা অতিক্রান্ত। এমনিতেই বিশ্বজোড়া মহামারীর আঘাতে মানুষ রোজগার হারিয়ে বেসামাল, তার উপর জিনিসের দামে লাগাম পরাতে সরকার ব্যর্থ। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের হাতেও দাওয়াই শেষ। সুদ কমানো বাড়ানোর পুরনো অ্যান্টিবায়োটিকে আর কাজ হয় না। অতি ব্যবহারে রেজিস্ট্যান্ট হয়ে গিয়েছে। তাহলে উপায়?
উপায় একটাই ধর্মের আফিমে গরিব মানুষকে বুঁদ করে দাও। বছরে দু’কোটি চাকরি, অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা—সবই মিথ্যে স্তোকবাক্য! ঝাঁ চকচকে বিদেশি পাথরে মোড়া মন্দির বানাও। বিগ্রহ সাজাও। উস্কানি দিয়ে সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে সংঘাত লাগিয়ে দাও। এর নামই নাকি মেরুকরণের তাস খেলা। ব্যাপারটা আদিম হলেও এটাই ভোটে জেতার আধুনিকতম স্টেরয়েড। মন্ত্রের মতো কাজ করবে। শিক্ষা, খাদ্য, বাসস্থান, চাকরির দাবিতে আর সেভাবে সোচ্চার হওয়ার কথা ভুলেই যাবে জনগণ। ভাইয়ে ভাইয়ে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের আবর্তেই যে ধুরন্ধর শাসকের গদি দখলের স্বর্গসুখ তা আমরা বুঝব কবে?
কিন্তু বড্ড গোল বাঁধে যখন দেখি, একদিন যাঁরা স্বাধীনতা আন্দোলনে সেভাবে অংশই নেয়নি, উল্টে বিরোধিতা করেছে, নেতাজিকে পদে পদে অপদস্থ করার চেষ্টা করেছে, মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারীকে মদত জুগিয়েছে, পুজো করেছে, তাঁরাই এখন সবচেয়ে বড় স্বাধীনতা সংগ্রামীর মর্যাদা পাচ্ছে। এ জিনিস মোটেও সমর্থন করা যায় না। কংগ্রেসকে মুছে দিতে নরেন্দ্র মোদি সফল হবেন কি না, তা সময় বলবে। কিন্তু সাভারকর, হেডগেওয়াররা স্বাধীনতা সংগ্রামীর পুজো পাবেন আর নেহরুর ভাগ্যে জুটবে শুধু ঘৃণা, এটাও দেশের মানুষ বেশিদিন সহ্য করবেন বলে মনে হয় না। এই ৭৫ বছরের অভিযাত্রায় দেশের মানুষ যেমন বিরাট সময়জুড়ে একটি পরিবারের শাসনে অতিষ্ঠ, তেমনি আদবানি-বাজপেয়ির দলও ক্ষমতা প্রসারের নেশায় যেভাবে আজ একজন ব্যক্তিরই মুখাপেক্ষী হয়ে গিয়েছে, তাও খুব উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হতে পারে না। যে কোনও গণতান্ত্রিক দল ও সংগঠনের পক্ষে এই বিবর্তন আখেরে আশীর্বাদ না অভিশাপ, তাও অচিরেই বোঝা যাবে। অতিমাত্রায় ভাষণ ও নিজেকে জাহির করার মানসিকতাও দেশের পক্ষে মোটেই স্বস্তিদায়ক হতে পারে না। নতুন সংসদ ভবন, নবরূপে রাজধানীকে সাজানোর আড়ালে দেশের ইতিহাস আর একবার ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে মানুষ রুখবেই। আজকের ক্ষমতাবানরা যেন মনে রাখেন ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না। আজ পঁচাত্তরে যাঁরা মধ্যগগনে, আরও ২৫ বছর পর স্বাধীনতার শতবর্ষে তাঁরাও কিন্তু অতীতের আস্তাকুঁড়েই হারিয়ে যাবেন। জনতার আদালতে বেশিদিন একচ্ছত্র ক্ষমতার আস্ফালন চলে না। 
14th  August, 2022
রাজনীতি এমন করে মেলাতে পারে না কেন?

কিছুই হারায়নি। এই সুপ্রাচীন সংস্কৃতি আর স্বতঃস্ফূর্ত মিলনমেলা ঠিক যেমনটি ছিল তেমনই আছে। হাতের কাছেই নিখুঁত গোছানো টানটান। প্রবাসীর ঘরে ফেরা, রাত জেগে উদ্বেল ঠাকুর দেখা, ভোররাতে পায়ে ফোস্কা—সব একই আছে। গত দু’বছর বিশ্বব্যাপী মহামারীর আঘাত, ভোটের স্বার্থে মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরির কুটিল ষড়যন্ত্র, মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা, কাজ হারানো শ্রমিকের কান্না, নেতাদের কথা না রাখা, এখানে ওখানে টাকার পাহাড় আবিষ্কার নিশ্চিতভাবে নাড়া দিয়েছে বঙ্গজীবনকে, কিন্তু বদলে দিতে পারেনি অনাবিল মনটাকে।
বিশদ

বিজেপির নয়া স্টান্ট,
সরকার পড়বে ডিসেম্বরে
তন্ময় মল্লিক

আজ মহাষষ্ঠী, দেবীর বোধন। মা আনন্দময়ীর আগমনে বাংলা আনন্দমুখরিত। বন্ধ হয়েছে করোনার চোখ রাঙানি। থেমে গিয়েছে মৃত্যুর মিছিল। তাই উৎসবে মেতেছে বাংলা। তবে, সুকান্ত মজুমদারের ডিসেম্বরে সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি সেই উৎসবের আবহেও রাজনীতির চর্চায় জুগিয়েছে ইন্ধন। বিশদ

01st  October, 2022
পরিবার বনাম পদযাত্রা:
শেষ চেষ্টা রাহুলের
সমৃদ্ধ দত্ত

রাহুল গান্ধীর মতো কঠিন লড়াইটা আর কেউ লড়ছেন না। কেন তাঁর এই লড়াইটা আকর্ষণীয়? কারণ, তিনি মাঠ ছেড়ে পালাচ্ছেন না। তিনি বারংবার ভুলুণ্ঠিত হচ্ছেন। তাঁকে নিয়ে প্রচুর হাসিতামাশা হয়। কিন্তু সব সহ্য করে এই শতাব্দীপ্রাচীন দলকে বাঁচিয়ে রাখা এবং আরও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই চালিয়েই যাচ্ছেন। বহু রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে, বহুবার বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়ে অবশেষে ২০২২ সালে রাহুল গান্ধী সম্ভবত শেষ বাজিটি খেলতে নেমেছেন তাঁর দলের অস্তিত্ব রক্ষায়।
বিশদ

30th  September, 2022
অসুখের নাম হাবরিস সিনড্রোম!
মৃণালকান্তি দাস

বিশ্ব ইতিহাসে নিন্দিত শাসকদের চরিত্রের উপর বিস্তর গবেষণা করেছেন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ও চিকিৎসক লর্ড ডেভিড ওয়েন। এই প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ব্রিটিশ সরকারের ফরেন সেক্রেটারি ছাড়াও আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বিশদ

29th  September, 2022
দীর্ঘদিনের ঘাটতি পূরণের উদ্যোগ 

সাধারণ মানুষের আয়-রোজগারের ব্যবস্থা করার দিকেই আন্তরিক পদক্ষেপ করতে হবে মোদি সরকারকে। এই কাজ কেন্দ্র একা পারবে না। সব রাজ্য সরকারকে পাশে নিয়ে, তাদের পূর্ণ সহযোগিতাতেই করতে হবে। গণতন্ত্র এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার আদ্যশ্রাদ্ধের ভিতরে এরকম পথ কখনও ছিল না, এখনও নেই, ভবিষ্যতেও খুঁজে পাওয়া যাবে না।
বিশদ

28th  September, 2022
দাবিসর্বস্ব ‘চাঙ্গা অর্থনীতি’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারবার বলেন, কংগ্রেস ৭০ বছর সরকারে থেকে কী করেছে? এ কথা ঠিক, কংগ্রেসের জমানায় জরুরি অবস্থা আছে, পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি আছে, খানকতক যুদ্ধও আছে। কিন্তু যে ভিতের উপর দাঁড়িয়ে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন-ঘোষণা করেছেন, সেটা তৈরি কংগ্রেসেরই এক অর্থমন্ত্রীর—মনমোহন সিং। আপনার তো সরকারের একচ্ছত্র আধিপত্য পাওয়া মাত্র দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর খোলনলচে বদলে দেওয়া  উচিত ছিল। সেটাও আপনি করেননি।
বিশদ

27th  September, 2022
নেতা ও সভাপতি
পি চিদম্বরম

কংগ্রেস দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন ঘিরে এক ধরনের অস্বাভাবিক এবং প্রায় গায়ে-পড়া গোছের আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। দু’বছর আগে জে পি নাড্ডা যখন বিজেপির সভাপতি ‘নির্বাচিত’ হন তখন বিষয়টিকে সাধারণ বিজেপি কর্মীসহ ভারতের কেউই এবং অবশ্যই কংগ্রেস দলের কোনও সদস্য একটুও গুরুত্ব দেননি।
বিশদ

26th  September, 2022
কংগ্রেসের ভোটরঙ্গ ও চিতার অট্টহাসি!
হিমাংশু সিংহ

পরিবারই আশীর্বাদ, আবার পরিবারই অভিশাপ! তাকে বাদ দিয়ে কংগ্রেসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আর বৃদ্ধ বয়সে আলেকজান্ডারের দাঁতের মাজন বেচা, প্রায় সমার্থক। নেহরু-গান্ধী পরিবার বাদে শতাব্দী প্রাচীন এই রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মটা অনেকটাই সোনার পাথরবাটির মতো! বিশদ

25th  September, 2022
বিজেপির গিমিক পলিটিক্স
বনাম ‘লালগুণ্ডা’
তন্ময় মল্লিক

শত্রুর শত্রু, আমার বন্ধু। এই নীতিতেই বিজেপি ও সিপিএমের মধ্যে গড়ে উঠেছিল পারস্পরিক বোঝাপড়া। এক সুরে বাঁধা ছিল মমতা বিরোধী লড়াই। বিজেপিকে দিয়েই সিপিএম তাদের ‘পথের কাঁটা’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে চেয়েছিল। তাই শুরু হয়েছিল গোপন ক্যাম্পেন, ‘একুশে রাম ছাব্বিশে বাম’। তার পরিণতি? বিজেপি ৭৭, সিপিএম জিরো।
বিশদ

24th  September, 2022
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সিলেবাস
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কিন্তু একদিনের জন্যও নিজের অস্তিত্ব ও উপস্থিতি জনগণকে ভুলতে দিতে চান না। তাই নিয়ম হল, প্রতিদিনই কোনও না কোনও অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছেন,  উদ্বোধন করছেন, এমনকী রাজ্যের ক্ষুদ্র প্রকল্পেরও সূচনা করছেন তিনি। ফলে ভারতবাসী রোজ তাঁর কথা শুনছে। অতীতের প্রধানমন্ত্রীরা ভাবতেন, কাজের মাধ্যমেই ইতিহাসে স্থান হয়। মোদি ভাবেন, কাজ করছি এই প্রচারটি এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, যাতে জনমনে বিভ্রম তৈরি হয় যে, হ্যাঁ, তাহলে বোধহয় সত্যিই কাজ হচ্ছে। ওই বিভ্রমই হবে ইতিহাস।
বিশদ

23rd  September, 2022
জ্ঞানবাপী মামলা, উত্তেজনার চোরাস্রোত
মৃণালকান্তি দাস

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সভাপতি অলোক কুমার নাকি উত্তেজনার চোরাস্রোতে ভাসছেন! ইতিউতি যা মন্তব্য করছেন তাতেই টের পাওয়া যাচ্ছে সেই উত্তেজনা। 
বিশদ

22nd  September, 2022
চিতা নিয়ে নৌটঙ্কি বনাম আত্মহত্যার পাঁচালি
সন্দীপন বিশ্বাস

এরাজ্যে শুরু থেকেই বিজেপির অস্তিত্ব অনেকটা নেতিয়ে যাওয়া বাসি কচুরির মতো। মোদি-শাহরা মাঝেমাঝে এসে কিছুটা গরম করে দিয়ে যান বটে, কিন্তু আবার তাঁরা দিল্লি ফিরে গেলেই এখানকার নেতৃত্ব নেতিয়ে পড়ে।
বিশদ

21st  September, 2022
একনজরে
পঞ্চমীর রাতে ডোমকলে রাজ্য সড়কে বেপরোয়া বাইক দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বাইকের আর এক আরোহী গুরুতর জখম হয়েছেন। বেপরোয়া বাইক চলাচল রুখতে শনিবার থেকে কড়া ব্যবস্থা নিল মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিস। ...

শুক্রবার আইএসএল অভিযান শুরু করছে ইস্ট বেঙ্গল। প্রতিপক্ষ কেরল ব্লাস্টার্স। বুধবার কোচি পৌঁছনোর কথা ইভান গঞ্জালেস-শৌভিক চক্রবর্তীদের। ইস্ট বেঙ্গলের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। শনিবার কোচ ...

ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত করেছে রাশিয়া। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলে আনা খসড়া নিন্দা প্রস্তাবে ভোটদানে বিরত থাকল ভারত। তবে অবিলম্বে আলোচনার মাধ্যমে হিংসা বন্ধের দাবি জানিয়েছে ভারত।  ...

লখিমপুর খেরি কাণ্ডের বর্ষপূর্তিতে ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি পাঠালেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। সেই চিঠির অন্যতম প্রধান দাবিই হল, অবিলম্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনিকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

যে কোনও কর্মেই একটু বাধা থাকবে। তবে উপার্জন মন্দ হবে না। ললিতকলায় ব্যুৎপত্তি ও স্বীকৃতি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস
ভারতে গান্ধী জয়ন্তী
পথশিশু দিবস 
১৭৯০: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আদমশুমারি শুরু হয়
১৮১৪: সমাজ সংস্কারক দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৮৬৬: হিন্দু সন্ন্যাসী ও রামকৃষ্ণ বেদান্ত মঠের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী অভেদানন্দর জন্ম
১৮৬৮: কলকাতায় জেনারেল পোস্ট অফিস উদ্বোধন হয়
১৮৬৯: মহাত্মা গান্ধীর জন্ম
১৮৮৯: অভিনেতা ও নাট্যাচার্য শিশিরকুমার ভাদুড়ীর জন্ম
১৯০৪: দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্ম
১৯০৬: শিল্পী রাজা রবি বর্মার মৃত্যু
১৯১৭: কবি অক্ষয়চন্দ্র সরকারের মৃত্যু
১৯২৪: বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক তপন সিংহের জন্ম
১৯৫০ - কিংবদন্তি ফুটবলার ও কোচ সুভাষ ভৌমিকের জন্ম
১৯৬২: ‘টারজান’ খ্যাত হলিউড তারকা জো লারার জন্ম
১৯৭২: মুম্বই তথা তৎকালিন বোম্বেতে ভারতের প্রথম টেলিভিশন কেন্দ্র চালু হয়
১৯৯৬ : মাদার তেরেসা আমেরিকার সম্মানিক নাগরিকত্ব লাভ করেন



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.৭৮ টাকা ৮২.৫৩ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৫৪ টাকা ৯২.৭৬ টাকা
ইউরো ৭৮.৫৬ টাকা ৮১.৫৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৮,২৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৬,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৬,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ আশ্বিন, ১৪২৯, রবিবার, ২ অক্টোবর, ২০২২।  সপ্তমী ৩৩/১০ রাত্রি ৬/৪৮। মূলা নক্ষত্র ৫০/৫১ রাত্রি ১/৫৩। সূর্যোদয় ৫/৩১/৫২, সূর্যাস্ত ৫/২০/৩২। অমৃতযোগ দিবা ৩/১৯ গতে ৮/৪০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৭ গতে ৯/২৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫১ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৪৬ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৮ গতে ২/২৯ মধ্যে। 
১৫ আশ্বিন, ১৪২৯, রবিবার, ২ অক্টোবর, ২০২২। সপ্তমী রাত্রি ৬/২২। মূলা নক্ষত্র রাত্রি ২/২৬। সূর্যোদয় ৫/৩২, সূর্যাস্ত ৫/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৬ গতে ৮/৪২ মধ্যে ও ১১/৪৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৪ গতে ৯/১৫ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৮ মধ্যে ও ২/১৮ গতে ৫/৩২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৩১ গতে ৪/১৬ মধ্যে। 
৫ রবিউল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শারদ শুভেচ্ছা ও ছুটি
দেবীর আবাহনে গোটা বাংলা মেতেছে উৎসবের আনন্দে। শারদোৎসব উপলক্ষে ‘বর্তমান’-এর সকল ...বিশদ

04:00:00 AM

সাংসদ পদ ছাড়লেন খাড়্গে
কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কংগ্রেস নেতা ...বিশদ

01-10-2022 - 02:42:50 PM

দিল্লিতে পিইউসি ছাড়া মিলবে না তেল
২৫ অক্টোবরের পর থেকে দূষণ নিয়ন্ত্রণের ছাড়পত্র  ছাড়া দিল্লিতে পাওয়া ...বিশদ

01-10-2022 - 02:32:37 PM

চিকিৎসক নীলরতন সরকার ও সঙ্গিতজ্ঞ শচীনদেব বর্মণের জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন মন্ত্রী অরূপ রায়

01-10-2022 - 01:21:00 PM

ভারতে বন্ধ করা হল পাকিস্তানি সরকারের টুইটার অ্যাকাউন্ট

01-10-2022 - 12:54:30 PM

ভারতীয় সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল আমেরিকা
ইরান থেকে তেল কেনার জন্য একটি ভারতীয় কোম্পানিকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ ...বিশদ

01-10-2022 - 12:42:02 PM