Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ধন্যি রাজনৈতিক অধ্যাবসায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শ্রদ্ধেয় নীতীশবাবু,
রাষ্ট্রপতি আর উপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সৌজন্যে বিরোধী জোট রাজনীতির উনুনটা কেমন যেন নিবু নিবু হয়ে পড়েছিল। আচমকা আপনি তাতে জোরদার একটা ফুঁ মেরেছেন। বিরোধিতার যাবতীয় চর্চা আপাতত আপনাকে ঘিরে। কী কী করেছেন আপনি? প্রথমত, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে আর সি পি সিংকে যে আপনার চূড়ান্ত নাপসন্দ, তা স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, প্রধানমন্ত্রীর ডাক উপেক্ষা করে নীতি আয়োগের বৈঠকে যাননি। এবং তৃতীয়ত, সোনিয়া গান্ধীকে ফোন লাগিয়েছেন। আর আপনার এই তৃতীয় পদক্ষেপের পরই বিহারের রাজনীতি আচমকা গনগন করতে শুরু করেছে। সবাই আশ্চর্য হয়ে বলছে, নীতীশ কুমারের হলটা কী!
আসলে তারা বুঝতে পারছে না, আপনার কাছে রাজনৈতিক সম্মান এবং ক্ষমতাটাই শেষ কথা। এই প্রাপ্তিযোগ নিশ্চিত করতে আপনি যে কোনও নৌকায় পা রাখতে পারেন। এই তো সেদিনের কথা... ২০১৫ সালে লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডি এবং কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েছিলেন। মাত্র ২০ মাস। তারপরই সব মধুচন্দ্রিমা শেষ। আচমকাই আপনি ঘোষণা করলেন, ইস্তফা দেব। আর মুখ্যমন্ত্রী থাকব না। কতকটা সেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের পদত্যাগের মতো ঘটনা। চোরেদের সরকারে তিনি থাকতে চাননি। তাই রেগেমেগে সরে গিয়েছিলেন। তবে তাঁর ক্ষমতার অত চাহিদা ছিল না। ওটা আপনার খানিক ছিল বটে। তাই দুর্নীতির নামে সরকার ভেঙে দিলেও সবটাই যে চটে গিয়ে করেছিলেন, তা নয়। বরং আপনার লক্ষ্য ছিল, বিজেপির লেজ ধরে আবার সরকারে আসার। নিখুঁত পরিকল্পনা। বিজেপি আপনাকে সমর্থন দিল, আপনি আবার মুখ্যমন্ত্রী হলেন।
এবার কি বিজেপির পালা? মশাই, আপনার হাবভাব কিন্তু তেমনই ঠেকছে। বিহারে শেষ বিধানসভা ভোট হয়েছিল ২০২০ সালে। ঠিক কোভিডের মারণ ঢেউয়ের পরপর। বিজেপির সঙ্গে জেডিইউয়ের জোট। সরকার গঠন এবং আবার বছর দুয়েক পর গোঁসা। ঠিক যেমনটা লালুর দলের সঙ্গে হয়েছিল। এবার অবশ্য কারণ বহু। একেই আর সি পি সিং ভদ্রলোকের সঙ্গে আপনার বিরোধ সর্বজনবিদিত। তাই আপনি চেয়েছিলেন, জেডিইউ থেকে যদি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় কাউকে নিতেই হয়, সেটা অন্য কেউ। আর সি পি নন। তা সত্ত্বেও অমিত শাহ আপনাকে অবজ্ঞা করলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পাত্তা দিলেন না। হতে পারে বিজেপি আপনাদের শরিক, হতে পারে আসন সংখ্যাতেও তারা জেডিইউয়ের থেকে এগিয়ে... তা সত্ত্বেও কিন্তু আপনি ওদের বশ্যতা স্বীকার করেননি! উল্টে কী করেছেন? আর সি পি সিংকে রাজ্যসভার টিকিটই আর দেননি। সোজা বার্তা বিজেপিকে—নীতীশ কুমারের দল থেকে প্রতিনিধি নিতে হলে তাঁরই মন মতো নিতে হবে। আপনাদের পোষ্য বেছে নেওয়ার থাকলে অন্য দল দেখুন। অথচ আপনি নিজেও জানেন, আপনার এই ‘বিদ্রোহ’ খুব ভালোভাবে নেবে না গেরুয়া কর্মকর্তারা। তাও আপনি কেন এমনটা করলেন? কারণ আপনি ওদের দুর্বলতাটা বুঝে গিয়েছেন। বিজেপি যতই হম্বিতম্বি করুক না কেন, বিহারে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা আদায় করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে জেডিইউ এবং লালুপ্রসাদের আরজেডি বিজেপিকে অনেকটাই পিছনে ফেলবে। পাশাপাশি কংগ্রেসেরও একটা ভোটব্যাঙ্ক রয়েছে। আগের থেকে কম হলেও সেটা অস্বীকার করার মতো জায়গায় পৌঁছয়নি। মানে বাংলার মতো বিহারে কংগ্রেস একেবারে শূন্য হয়ে যাবে না। আসন্ন লোকসভা নির্বাচন নরেন্দ্র মোদির কাছে বড়সড় পরীক্ষা। গত দু’বার হেলায় জিতে এসেছেন তিনি। হ্যাটট্রিক করতে পারলে ইন্দিরা গান্ধীকে ছাপিয়ে যাবেন মোদি। জওহরলাল নেহরুর সঙ্গে বসবেন একাসনে। এমন সুযোগ তিনি কোনওভাবে হাতছাড়া করবেন না। তার জন্য প্রত্যেকটি রাজ্যে বিজেপির একচ্ছত্র আধিপত্য চাই। ইংরেজিতে একটা কথা আছে, বাই হুক অর ক্রুক। এটাই বিজেপি সরকারের মূলমন্ত্র। ভোটে জিততে না পারি, বিধায়ক কিনে সরকার ফেলে দেব। বিজেপি ছড়িয়ে পড়বে ভারতের ম্যাপের প্রত্যেকটা কোণায়। কিন্তু নীতীশবাবু, আপনি আচমকাই উল্টো চাল দিয়েছেন। ফলে বস্তুতই বিজেপি অস্বস্তিতে। অমিত শাহ এবং জে পি নাড্ডা, দু’জনেই বলেছেন, নীতীশকুমারই আসন্ন ভোটে আমাদের জোটের নেতা। তাতেও চিঁড়ে ভিজছে না। কিছুতেই না। আসলে বিজেপি বুঝতে পারছে না, আপনি ঠিক কী চাইছেন! হয় এসপার নয় ওসপার রাজনীতি? নাকি সোজাসাপ্টা ব্ল্যাকমেলিং? আসলে আপনার অভিমানটাই এরা কেউ বুঝল না। মুখে না বললেও রাজনীতির আনাচে কানাচে সক্কলে জানত, নীতীশ কুমার রাষ্ট্রপতি হতে চান। এনডিএ তাঁকে পদপ্রার্থী হিসেবে দাঁড় করাতেই পারত! করল না। তারা নিয়ে এল আদিবাসী মুখ। তাতেই মারমার কাটকাট। নবীন পট্টনায়েককে সম্পূর্ণ কনফিডেন্সে নিয়ে প্রার্থী ঘোষণা করলেন মোদি। আর আদিবাসী হওয়ায় হেমন্ত সোরেনের কাছেও দ্রৌপদী মুর্মু হয়ে গেলেন অটোম্যাটিক চয়েজ। বাকি রইল বিরোধীরা? ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি সবাই বিস্তর করে থাকে। ফলে ফাটল আবশ্যিক। এটাই চেয়েছিলেন মোদি। বিরোধী মহাজোটের নামে ভারতজুড়ে অবিজেপি যে মঞ্চের পাটাতন পাতা চলছিল, সেটাকে নড়বড়ে করে দেওয়া। এখন যদি সত্যিই আপনি বিরোধীদের শিবিরে চলে আসেন, সেটা জ্বরের মুখে প্যারাসিটামলের শামিল। 
আর সি পি সিং আপনার দল ছেড়ে দিয়েছেন। যাওয়ার আগে বলেছেন, আপনি নাকি বড্ড হিংসে করেন। সাত জন্মেও আপনি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। হঠাৎ উনি প্রধানমন্ত্রীর প্রসঙ্গটাই কেন টানলেন? আসলে ঠিক জায়গাতেই আঘাত করেছেন আর সি পি। আপনি রাষ্ট্রপতি হতে পারেননি। এবার রাজনৈতিক উৎকর্ষের শেষ সীমায় পৌঁছতে গেলে সামনে একটিই পদ বাকি রয়েছে—প্রধানমন্ত্রীর। বিরোধীদের জোট এখনও পর্যন্ত জমাট বাঁধতে পারেননি। নানা মুনির নানা মত থাকবেই। সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই। এমন পরিস্থিতিতে একজন কাউকে এগিয়ে আসতে হয়, যিনি প্রত্যেককে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে সক্ষম। হাঁকডাক করা নেতা নন, বরং মেরুদণ্ডের মতো পিছনে থেকে বিরোধী আদর্শকে দাঁড় করিয়ে রাখা। এ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া এমন কোনও নেতাকে রাজনীতির দরবারে দেখা যায়নি। কিন্তু তাঁর নেতৃত্ব কি রাহুল গান্ধীরা মেনে নেবেন? কংগ্রেস জাতীয় পার্টি। সারা দেশে আসন সংখ্যা ৫০ না পেরতে পারে, কিন্তু ঐতিহ্য তো আছে! ফলে কংগ্রেসই থাকবে জোটের মাথায়। আর একদিকে রয়েছেন শারদ পাওয়ার। অসুস্থ, কথা বলতে পারেন না, তাও ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে তাঁর অবস্থান চাই। উপ রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঠিক করার জন্য বৈঠক ডাকলেন, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়া। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এতদিন বিরোধীদের একজোট করার কঠিন কাজটা সামলে এসেছেন। তিনিই বা মানবেন কেন? মমতা বলে দিলেন, উপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ভোট দেবে না। ব্যস, ফাটল আরও একটু বাড়ল। আর এই পরিস্থিতিতে আপনি মঞ্চে অবতীর্ণ হলেন। ফোন করলেন সোনিয়া গান্ধীকে। সিগন্যাল পাঠালেন তেজস্বী যাদবের কাছে। ফলে এখন দিকে দিকে পরিষদীয় মিটিং চলছে। সবাই অঙ্ক করছে। প্রথম পদক্ষেপ, বিজেপিকে সরিয়ে বিহারে নতুন অঙ্কে ক্ষমতা দখল। এই ছকে সাফল্য পেলে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্ব আরও বাড়বে আপনার। তখন আপনি তাসটা ফেলবেন। বলবেন, আমি ছাড়া বিরোধীদের প্রধানমন্ত্রী মুখ আর কে হতে পারে?
নীতীশবাবু, আপনার রাজনৈতিক মস্তিষ্ক ধনধান্যে পুষ্পে ভরা। এ ব্যাপারে কারও কোনও সন্দেহ নেই। সংশয় রয়েছে আপনার উদ্দেশ্য নিয়ে। আপনি কতটা বিরোধী আদর্শের জন্য করবেন, আর কতটা নিজের জন্য... সে ব্যাপারে এখনও কেউ নিশ্চিত হতে পারছে না। বিরোধীরা তাই ভাববে... আরও ভাববে। আপনাকে নিয়ে। আজ বাদে কাল আপনি যদি বিজেপির থেকে বেটার কোনও অফার পেয়ে যান, তাহলে সেদিকে চলে যাবেন না তো? বেসরকারি চাকরির বাজারে এটা চলতি কৌশল—ভালো অফারের জন্য ছিপ ফেলা। আর নতুন অফার দেখিয়ে পুরনো সংস্থার সঙ্গে দর কষাকষি। 
ছিপ আপনি ফেলে দিয়েছেন। চারপাশে মাছেরা এখন ঘোরাফেরা করছে। আর আপনি? অপেক্ষায় আছেন। আপনি জানেন, ধৈর্য ধরতে হবে। দিল্লি এখনও বহু দূর।
09th  August, 2022
অপরিণতমনস্ক
রাজনীতির দিশাহীনতা
সমৃদ্ধ দত্ত

দুটি ভিন্ন মতাবলম্বীর দল নিজেদের নীতি ও আদর্শ প্রচার করে। দু পক্ষেরই প্রধান লক্ষ্য হল, সাধারণ মানুষকে নিজেদের দলে টানা। কখনও কর্মী হিসেবে। কখনও সমর্থক হিসেবে।
বিশদ

রাজনীতি এমন করে মেলাতে পারে না কেন?

কিছুই হারায়নি। এই সুপ্রাচীন সংস্কৃতি আর স্বতঃস্ফূর্ত মিলনমেলা ঠিক যেমনটি ছিল তেমনই আছে। হাতের কাছেই নিখুঁত গোছানো টানটান। প্রবাসীর ঘরে ফেরা, রাত জেগে উদ্বেল ঠাকুর দেখা, ভোররাতে পায়ে ফোস্কা—সব একই আছে। গত দু’বছর বিশ্বব্যাপী মহামারীর আঘাত, ভোটের স্বার্থে মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরির কুটিল ষড়যন্ত্র, মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা, কাজ হারানো শ্রমিকের কান্না, নেতাদের কথা না রাখা, এখানে ওখানে টাকার পাহাড় আবিষ্কার নিশ্চিতভাবে নাড়া দিয়েছে বঙ্গজীবনকে, কিন্তু বদলে দিতে পারেনি অনাবিল মনটাকে।
বিশদ

02nd  October, 2022
বিজেপির নয়া স্টান্ট,
সরকার পড়বে ডিসেম্বরে
তন্ময় মল্লিক

আজ মহাষষ্ঠী, দেবীর বোধন। মা আনন্দময়ীর আগমনে বাংলা আনন্দমুখরিত। বন্ধ হয়েছে করোনার চোখ রাঙানি। থেমে গিয়েছে মৃত্যুর মিছিল। তাই উৎসবে মেতেছে বাংলা। তবে, সুকান্ত মজুমদারের ডিসেম্বরে সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি সেই উৎসবের আবহেও রাজনীতির চর্চায় জুগিয়েছে ইন্ধন। বিশদ

01st  October, 2022
পরিবার বনাম পদযাত্রা:
শেষ চেষ্টা রাহুলের
সমৃদ্ধ দত্ত

রাহুল গান্ধীর মতো কঠিন লড়াইটা আর কেউ লড়ছেন না। কেন তাঁর এই লড়াইটা আকর্ষণীয়? কারণ, তিনি মাঠ ছেড়ে পালাচ্ছেন না। তিনি বারংবার ভুলুণ্ঠিত হচ্ছেন। তাঁকে নিয়ে প্রচুর হাসিতামাশা হয়। কিন্তু সব সহ্য করে এই শতাব্দীপ্রাচীন দলকে বাঁচিয়ে রাখা এবং আরও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই চালিয়েই যাচ্ছেন। বহু রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে, বহুবার বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়ে অবশেষে ২০২২ সালে রাহুল গান্ধী সম্ভবত শেষ বাজিটি খেলতে নেমেছেন তাঁর দলের অস্তিত্ব রক্ষায়।
বিশদ

30th  September, 2022
অসুখের নাম হাবরিস সিনড্রোম!
মৃণালকান্তি দাস

বিশ্ব ইতিহাসে নিন্দিত শাসকদের চরিত্রের উপর বিস্তর গবেষণা করেছেন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ ও চিকিৎসক লর্ড ডেভিড ওয়েন। এই প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ব্রিটিশ সরকারের ফরেন সেক্রেটারি ছাড়াও আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বিশদ

29th  September, 2022
দীর্ঘদিনের ঘাটতি পূরণের উদ্যোগ 

সাধারণ মানুষের আয়-রোজগারের ব্যবস্থা করার দিকেই আন্তরিক পদক্ষেপ করতে হবে মোদি সরকারকে। এই কাজ কেন্দ্র একা পারবে না। সব রাজ্য সরকারকে পাশে নিয়ে, তাদের পূর্ণ সহযোগিতাতেই করতে হবে। গণতন্ত্র এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার আদ্যশ্রাদ্ধের ভিতরে এরকম পথ কখনও ছিল না, এখনও নেই, ভবিষ্যতেও খুঁজে পাওয়া যাবে না।
বিশদ

28th  September, 2022
দাবিসর্বস্ব ‘চাঙ্গা অর্থনীতি’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারবার বলেন, কংগ্রেস ৭০ বছর সরকারে থেকে কী করেছে? এ কথা ঠিক, কংগ্রেসের জমানায় জরুরি অবস্থা আছে, পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি আছে, খানকতক যুদ্ধও আছে। কিন্তু যে ভিতের উপর দাঁড়িয়ে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন-ঘোষণা করেছেন, সেটা তৈরি কংগ্রেসেরই এক অর্থমন্ত্রীর—মনমোহন সিং। আপনার তো সরকারের একচ্ছত্র আধিপত্য পাওয়া মাত্র দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর খোলনলচে বদলে দেওয়া  উচিত ছিল। সেটাও আপনি করেননি।
বিশদ

27th  September, 2022
নেতা ও সভাপতি
পি চিদম্বরম

কংগ্রেস দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন ঘিরে এক ধরনের অস্বাভাবিক এবং প্রায় গায়ে-পড়া গোছের আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। দু’বছর আগে জে পি নাড্ডা যখন বিজেপির সভাপতি ‘নির্বাচিত’ হন তখন বিষয়টিকে সাধারণ বিজেপি কর্মীসহ ভারতের কেউই এবং অবশ্যই কংগ্রেস দলের কোনও সদস্য একটুও গুরুত্ব দেননি।
বিশদ

26th  September, 2022
কংগ্রেসের ভোটরঙ্গ ও চিতার অট্টহাসি!
হিমাংশু সিংহ

পরিবারই আশীর্বাদ, আবার পরিবারই অভিশাপ! তাকে বাদ দিয়ে কংগ্রেসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আর বৃদ্ধ বয়সে আলেকজান্ডারের দাঁতের মাজন বেচা, প্রায় সমার্থক। নেহরু-গান্ধী পরিবার বাদে শতাব্দী প্রাচীন এই রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মটা অনেকটাই সোনার পাথরবাটির মতো! বিশদ

25th  September, 2022
বিজেপির গিমিক পলিটিক্স
বনাম ‘লালগুণ্ডা’
তন্ময় মল্লিক

শত্রুর শত্রু, আমার বন্ধু। এই নীতিতেই বিজেপি ও সিপিএমের মধ্যে গড়ে উঠেছিল পারস্পরিক বোঝাপড়া। এক সুরে বাঁধা ছিল মমতা বিরোধী লড়াই। বিজেপিকে দিয়েই সিপিএম তাদের ‘পথের কাঁটা’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে চেয়েছিল। তাই শুরু হয়েছিল গোপন ক্যাম্পেন, ‘একুশে রাম ছাব্বিশে বাম’। তার পরিণতি? বিজেপি ৭৭, সিপিএম জিরো।
বিশদ

24th  September, 2022
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সিলেবাস
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কিন্তু একদিনের জন্যও নিজের অস্তিত্ব ও উপস্থিতি জনগণকে ভুলতে দিতে চান না। তাই নিয়ম হল, প্রতিদিনই কোনও না কোনও অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছেন,  উদ্বোধন করছেন, এমনকী রাজ্যের ক্ষুদ্র প্রকল্পেরও সূচনা করছেন তিনি। ফলে ভারতবাসী রোজ তাঁর কথা শুনছে। অতীতের প্রধানমন্ত্রীরা ভাবতেন, কাজের মাধ্যমেই ইতিহাসে স্থান হয়। মোদি ভাবেন, কাজ করছি এই প্রচারটি এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, যাতে জনমনে বিভ্রম তৈরি হয় যে, হ্যাঁ, তাহলে বোধহয় সত্যিই কাজ হচ্ছে। ওই বিভ্রমই হবে ইতিহাস।
বিশদ

23rd  September, 2022
জ্ঞানবাপী মামলা, উত্তেজনার চোরাস্রোত
মৃণালকান্তি দাস

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সভাপতি অলোক কুমার নাকি উত্তেজনার চোরাস্রোতে ভাসছেন! ইতিউতি যা মন্তব্য করছেন তাতেই টের পাওয়া যাচ্ছে সেই উত্তেজনা। 
বিশদ

22nd  September, 2022
একনজরে
আজ, শুক্রবার গৌড়বঙ্গের তিন জেলা শহরে পুজো কার্নিভাল ঘিরে প্রশাসন জোর প্রস্তুতি নিয়েছে। সেই সঙ্গে তিন জেলার নির্বাচিত ক্লাবগুলিও তাদের সমস্ত প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শেষ করেছে। ...

 সপ্তমীর রাত। ঘড়িতে তখন ১১টা। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ধরে একের পর এক বাইক ছুটছে। না আছে চালকের মাথায় হেলমেট, না আছে পিছনের সওয়ারির। ...

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সম্পর্কে চাটুকারিতার অভিযোগ তুলে বিতর্কে কংগ্রেস নেতা উদিত রাজ। তাঁর ব্যবহার করা শব্দবন্ধ মানহানিকর ও অপমানজনক বলে অভিযোগ করে ওই কংগ্রেস নেতাকে নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশন। ...

কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে সত্তরোর্ধ্ব এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পরই তাঁর চোখের দুটি কর্নিয়া দান করলেন পরিবারের সদস্যরা। হাসপাতালে এই প্রথম এইচডিইউ বিভাগের মধ্যে কর্নিয়া সংগ্রহ করা হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সদসঙ্গে মানসিক প্রফুল্লতা। পারিবারিক সম্পত্তি মামলায় জয়ের সম্ভাবনা। ক্রীড়াবিদদের সাফল্য আর সুনাম। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭০৮: দশম শিখগুরু গুরু গোবিন্দ সিং নিহত
১৯১৪: গায়িকা বেগম আখতারের জন্ম
১৯৫০: কলকাতায় মিশনারিজ অব চ্যারিটির কাজ শুরু করলেন মাদার টেরিজা
২০০৮: ক্রিকেট থেকে অবসরের কথা ঘোষণা করলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.৮৮ টাকা ৮২.৬২ টাকা
পাউন্ড ৯১.০৩ টাকা ৯৪.২৪ টাকা
ইউরো ৭৯.৫৫ টাকা ৮২.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬০,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬০,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২০ আশ্বিন, ১৪২৯, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২। দ্বাদশী ৪/৪৩ দিবা ৭/২৭ পরে ত্রয়োদশী ৫৯/৩৯ শেষ রাত্রি ৫/২৫। শতভিষা নক্ষত্র ৩১/৪৯ সন্ধ্যা ৬/১৭। সূর্যোদয় ৫/৩৩/৪৫, সূর্যাস্ত ৫/১৫/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে পুনঃ ৭/৭ গতে ৯/২৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ২/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৬ গতে ৯/২৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/২১ গতে ৯/৫২ মধ্যে। 
২০ আশ্বিন, ১৪২৯, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২। দ্বাদশী দিবা ৬/৪৯ পরে ত্রয়োদশী শেষরাত্রি ৪/৫৯। শতভিষা নক্ষত্র রাত্রি ৬/৪৯। সূর্যোদয় ৫/৩৪, সূর্যাস্ত ৫/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৮ মধ্যে ও ৭/১৩ গতে ৯/২৮ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ২/৪৩মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৯ গতে ৯/১৩ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে ও ৪/১ গতে ৫/৩৪ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩০ গতে ১১/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/২১ গতে ৯/৫২ মধ্যে। 
১০ রবিউল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রথম ওয়ান ডে: ভারতকে ২৫০ রানের টার্গেট দিল দঃ আফ্রিকা

06-10-2022 - 07:04:00 PM

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ির পথে ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়

06-10-2022 - 06:44:23 PM

প্রথম ওয়ান ডে: দঃ আফ্রিকা ১৯৫/৪ (৩৫ ওভার)

06-10-2022 - 06:42:07 PM

প্রথম ওয়ান ডে: দঃ আফ্রিকা ৪৪/০ (১১ ওভার)

06-10-2022 - 04:50:26 PM

২০২২ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন সাহিত্যিক অ্যানি এরনাউক্স

06-10-2022 - 04:44:00 PM

এখনও সঙ্কটজনক মুলায়ম সিং যাদব, রয়েছেন লাইভ সেভিং ড্রাগ সাপোর্টে

06-10-2022 - 04:26:10 PM