Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সবকা বিকাশ? বিজলি
পানি সড়কই হল না! 
সমৃদ্ধ দত্ত

এত সরকারি, বেসরকারি অফিসার। এত গাড়ি। এত বড় বড় ট্রাক। ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার উপারবেড়া গ্রামের মানুষ উত্তেজিত। গ্রামে বড়সড় কোনও ঘটনা ঘটতে চলেছে নিশ্চয়ই। ট্রাকে ট্রাকে রয়েছে ইলেকট্রিক পোল, কনডাকটর, ট্র্যান্সফর্মার, ডিগিং মেশিন। কেন? কারণ  বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে ডুংগরিশাহি গ্রামে। সেই কতকাল ধরে এই গ্রামের মানুষ আবেদন নিবেদন প্রার্থনা করে আসছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার জন্য। বিদ্যুৎ আসেনি। তাহলে এবার হঠাৎ ২৫ জুন না চাইতেই কেন এই উপহার? কারণ এই গ্রাম দ্রৌপদী মুর্মুর। তাঁর পরিবার এখনও এখানেই থাকেন। ভাইপো বিরিঞ্চি নারায়ণ টুডু তটস্থ। হঠাৎ তাঁর কাছে এসে সরকারি বাবুরা বেশি বেশি ভদ্র ব্যবহার করছে। গ্রামে নিজেরাই এসে বিদ্যুৎ দিয়ে যাচ্ছে। এসব ম্যাজিক কীভাবে হচ্ছে? ডুংগরিশাহি গ্রাম, উপারবেড়া গ্রাম আনন্দে মোহিত। যতটা না তাঁদের গ্রামের মেয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি হতে পারেন এটা ভেবে, তার থেকে বেশি ঘরে বিদ্যুৎ এল ভেবে। 
এক আদিবাসী নারীকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিজেপি তাঁকে প্রার্থী করে স্বাধীনতার পর এই প্রথম উপজাতি সম্প্রদায়ের কোনও প্রতিনিধিকে ভারতের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দ্রৌপদী মুর্মু জয়ী হলে এই প্রথম আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষ পৌঁছবেন রাইসিনা হিলসের ৩৪০ ঘরের অট্টালিকায়।  ঠিক যখনই রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দ্রৌপদী মুর্মুর নাম ঘোষণা করা হল, তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ওড়িশা প্রশাসন জুড়ে এক যুদ্ধকালীন তৎপরতা দেখা গেল। একটিমাত্র গ্রামকে কেন্দ্র করে। সে হল ওই দ্রৌপদী মুর্মুর নিজের গ্রাম।  এটা ওই গ্রামের কাছে আনন্দদায়ক। আর দেশের কাছে লজ্জাজনক হল। কারণ, যতদিন না পর্যন্ত গ্রামের মেয়ে রাষ্ট্রপতি পদের দিকে পা বাড়ালেন, ততদিন গ্রাম কেন রয়ে গেল বিদ্যুৎহীন? 
ঠিক একদিন পর আরও মজার ঘটনা ঘটেছে জার্মানিতে। মিউনিখ শহরে প্রবাসী ভারতীয় এক সভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ভারত সরকারের কৃতিত্ব আর সাফল্যের কথা জানিয়ে উদাহরণ প্রদান করেন গৌরবের সঙ্গে। তিনি বলেছিলেন, ভারতের সব গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ হয়ে গিয়েছে। ভারতের সব গ্রামেই শৌচাগার আছে। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে (৫) সরকারি পরিসংখ্যান। সেখানে বলা হয়েছে এখনও প্রায় ৭ শতাংশ পরিবারের কাছে শৌচাগার নেই। প্রকাশ্য স্থানই ভরসা। আর যেখানে যেখানে সত্যিই সরকারি অর্থে শৌচাগার হয়েছে? তার মধ্যে আবার আকর্ষণীয় ঘটনা ঘটছে। কোথাও দেখা যাচ্ছে, শৌচালয় থাকলেও জলের ব্যবস্থা নেই। তাই সেগুলির ব্যবহারও নেই। মধ্যপ্রদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যেমন সরকারের করে দেওয়া শৌচাগার পরিণত হয়েছে স্টোররুমে। কারণ জল নেই। টয়লেট দিয়ে কী হবে? ওড়িশার কান্দামাল জেলার দাশিগুড়া গ্রামের প্রবেশপথেই সিমেন্ট ব্লকের উপর লেখা রয়েছে, প্রকাশ্যে শৌচকার্যহীন এই গ্রামে আপনাদের স্বাগত। অর্থাৎ এখানে প্রত্যেকেই ব্যবহার করে টয়লেট। সরকারি পরিভাষায় যাকে বলা হয় ওপেন ডেফিকেশন ফ্রি গ্রাম। এরকম অসংখ্য গ্রাম আছে ভারতে। খুবই গর্বের কথা। কিন্তু দাশিগুড়া গ্রামের আদিবাসী মানুষের সমস্যা হল, বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে শৌচালয়। আসলে একটা কাঠামো। সিমেন্ট রিং বসানো হয়নি। ট্যাঙ্ক বসানো হয়নি। জলের সাপ্লাই নেই। বাইরে থেকে ছবি তুলেই সরকারি দপ্তরে জমা দিয়ে টাকা নিয়ে পালিয়েছে কন্ট্রাক্টর। এরকম ঘটনা প্রচুর।
দ্রৌপদী মুর্মুর গ্রামের মতো হাজার হাজার গ্রাম এখনও অপেক্ষা করছে বিদ্যুতের জন্য, সেসব আমরা সকলেই জানি। কিন্তু বিদ্যুৎ আছে যেখানে? সেখানে কী অবস্থা? কয়েকদিন আগেই বিহারের মুঙ্গেরে আর ডি অ্যান্ড ডিজে কলেজে পরীক্ষা দিতে এসেছে জে আর এস কলেজের বিএ ফার্স্ট ইয়ার এবং সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্রছাত্রীরা। বিদ্যুৎহীন সেই সেন্টার। দেখা গেল জেনারেটরও বিকল। রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। তাহলে পরীক্ষা হল কীভাবে? প্রত্যেককে অ্যালাউ করা হল মোবাইল সঙ্গে রাখতে। পরীক্ষার্থীরা একহাতে মোবাইলের টর্চ জ্বেলে প্রশ্ন এবং উত্তরপত্রের উপর ফেলল। আর অন্য হাতে উত্তর লিখল। যাদের মোবাইলের চার্জ চলে গেল তারা কী করল? অন্যদের পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করল। মুঙ্গের কি গ্রাম? মোটেই নয়। আস্ত এক বনেদী শহর। 
অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমের বহু প্রত্যন্ত গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়ির প্রধান টার্গেট একটি ঘোড়া কেনা। মাদুগুলা, থান্ডাস, সুরলপালেম, পাদেরু, আরাকু। রাস্তা নেই। স্বাধীনতার এত বছর পরও সড়ক সংযোগ না হওয়ায় এই জঙ্গল আর পাহাড়ি অঞ্চলগুলির একমাত্র পরিবহণ ঘোড়া। জল আনতে যেতে হবে ১২ কিলোমিটার দূরে। ঘোড়ায় চেপে। কলেজে যেতে হবে ঘোড়ায় চেপে। সরকারি দপ্তরে যেতে হয় ঘোড়ায় চেপে। এসব বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভোটিং মেশিন আর ভোটকর্মী আসে ঘোড়ায় চেপে। ওড়িশার ১২৪২টি গ্রাম আছে যেখানে কোনও রাস্তা সংযোগ নেই। মধ্যপ্রদেশের কুকশী, প্যাটেলপুরাল বিরালির মতো জনপদে একটা মাত্র সেতু করে দিলেই নিকটবর্তী ব্লক হেলথ সেন্টারে যেতে পারে গ্রামবাসীরা। রাস্তা অথবা সেতু না থাকায় অসুস্থ অথবা গর্ভবতীদের খাটে চাপিয়ে চারজন সেটা বহন করে কুকশী নদী পেরয়। 
প্রধানমন্ত্রী মাঝেমধ্যেই ঘোষণা করেন ভারতের ব্যাঙ্কিং, উপজাতি উন্নয়ন, গরিবের জন্য খাদ্য, অর্থনীতি, সব বিষয়ে চরম উন্নতি হয়েছে গত আট বছরে।  ৭০ বছরে অন্য সরকারগুলি কিছু করেনি 
বলে তাঁর বিশ্বাস। কিন্তু স্বাধীনতার পর আজও ভারত যতই অন্তরীক্ষজয়ের স্বপ্নে মশগুল থাকুক, মানুষের ন্যূনতম চাহিদা বিজলি, পানি, সড়কের সমস্যাই কেন এখনও মেটানো যাচ্ছে না? সমস্যা একটাই। পরিকল্পনার অভাব। প্রধানমন্ত্রী তাঁর পূর্বসূরিদের এতটাই অপছন্দ করেন যে, ক্ষমতায় এসেই সর্বাগ্রে যোজনা কমিশনের নাম বদলে দিয়েছেন। যোজনার অন্য নাম হল পরিকল্পনা। সেটা শুনতে ছোট শব্দ হলেও বোঝা এবং কার্যকর করা অনেক কঠিন। সভা সমাবেশে উচ্চকিত সংলাপ, জয়ধ্বনি এবং প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে মানুষের মন জয়ের অভ্যাস হয়ে গেলে পরিকল্পনা শব্দটির অর্থ বোঝা যাবে না। 
১৯৩৮ সালে কংগ্রেসের নতুন সভাপতি সুভাষচন্দ্র বসু একটি কমিটি গঠন করেন। ন্যাশনাল প্ল্যানিং কমিটি। স্বাধীন ভারতের উন্নয়নের আগাম রূপরেখা। সেই সময় লন্ডনে থাকা জওহরলাল নেহরুকে টেলিগ্রাম করে সুভাষচন্দ্র লিখেছিলেন, আপনাকে এই কমিটির চেয়ারম্যান হতে হবে। এই কমিটির উদ্দেশ্য সফল হবে একমাত্র তখনই, যখন আপনি এই 
দায়িত্ব নেবেন। নেহরু নিয়েছিলেন দায়িত্ব। ১৫ জন সদস্যের সেই কমিটির প্রধান অর্থনীতিবিদ ছিলেন কে টি শাহ। ক্ষুদ্র শিল্প, বৃহৎ শিল্প, লগ্নি ইত্যাদির 
পাশাপাশি ভারত নির্মাণের প্রধান শর্ত হিসেবে সেই কমিটির বৈঠকে বলা হয়েছিল, সর্বাগ্রে গ্রামে গ্রামে জল, সড়ক এবং বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে হবে। এরপর অনেক বছর কেটে গিয়েছিল। সুভাষচন্দ্রের সেই স্বপ্নটির বীজ কিন্তু রয়ে যায়। তাই স্বাধীনতার পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জওহরলাল নেহরু আর এক বাঙালি প্রশান্তচন্দ্র মহলনাবিশকে দায়িত্ব দিয়ে শুরু করলেন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। যা নিছক উন্নয়নের ভিত্তি নয়, গণতন্ত্রের চালিকাশক্তি হবে। তারই ফসল ছিল পরিকল্পনা কমিশন। 
শুধুই প্রতিপক্ষের ঘর ভাঙিয়ে রাজ্যে রাজ্যে সরকার দখল, বিদ্বেষ বিভাজনের রাজনীতি, সরকার অথবা দলের সমালোচনা করা হলেই জেলে দেওয়া আর অবাস্তব মনভোলানো প্রচার করলে হবে? পুরনো ইতিহাস থেকে একটু আধটু শিক্ষা নিয়ে ভারতনির্মাণের কাজও তো করতে হবে। শুধুই ফাইভ জি স্পেকট্র্যাম আর বুলেট ট্রেন তো আধুনিক ভারত নয়!  সকলের জন্য রোজগার, রাস্তা, পানীয় জল, বিদ্যুৎ এসব কবে হবে? বেলা যে বয়ে যায়! 
01st  July, 2022
স্বাধীনতার মহোৎসব ও মানুষের প্রাপ্তি
হিমাংশু সিংহ

শুধু পতাকার পবিত্র রঙে ঘরবাড়ি সৌধকে সাজিয়ে তুলেই কি দায়িত্ব শেষ? আমাদের সংবিধান প্রণেতারা যে দুর্নীতিমুক্ত, সব সম্প্রদায় ও বিশ্বাসের মানুষের আস্থা জিতে মিলনতীর্থ ভারতবর্ষ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা কি বাস্তবায়িত হচ্ছে?  বিশদ

জাতীয় স্বার্থই প্রাধান্য পাওয়া উচিত
মোহনরাও ভাগবত

‘স্বাধীনতার  অমৃত মহোৎসব’ উদযাপনের এই শুভক্ষণ আমরা অনেক ত্যাগ ও কষ্টের বিনিময়ে অর্জন করেছি। ভারতকে তার গৌরবের শিখরে প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের একইভাবে নিষ্ঠার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করে যেতে হবে। এই শুভক্ষণে আমাদের আত্মসমীক্ষা করা উচিত যে, স্বাধীনতার উদ্দেশ্য যদি স্বনির্ভরতা অর্জন করা হয়, তবে আজ ৭৫ বছর পর, ভারত কি সম্পূর্ণ আত্মনির্ভর হতে পেরেছে!  
বিশদ

বিহারে পালাবদলে
আসল নায়ক তেজস্বীই
তন্ময় মল্লিক

এই নিয়ে আট আটবার মুখ্যমন্ত্রিত্বের কুর্সিতে। তারজন্য কখনও কংগ্রেসের, কখনও আরজেডির, কখনও আবার বিজেপির কাঁধে ভর করেছেন। গদির জন্য নীতি বিসর্জন দিয়েছেন বারবার। ডিগবাজি পলিটিক্সে তাঁর সমগোত্রীয় বলতে একমাত্র মুলায়ম সিং যাদব। বিশদ

13th  August, 2022
ভারতবর্ষের গণতন্ত্র এবং
সরকারি সাম্প্রদায়িকতা
হুমায়ুন কবীর

গত জুলাইতে লন্ডনের কিংস কলেজে ভারতীয় ছাত্র এবং অ্যালামনি ইউনিয়নের উদ্যোগে ‘ইন্ডিয়া অ্যাট ৭৫’ নামে এক লেকচার সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়। তাতে ‘গণতন্ত্র এবং উন্নয়নে’র উপর ভাষণ প্রসঙ্গে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন উন্নয়নের লক্ষ্যে শক্তিশালী নেতা, আরও প্রগতিশীল সরকার এবং উন্মুক্ত গণতন্ত্রের নিদান দেন। বিশদ

13th  August, 2022
গরিষ্ঠতা নিয়ে নার্ভাস
বরং নরেন্দ্র মোদিই

সমৃদ্ধ দত্ত

শুধু কংগ্রেসমুক্ত ভারত নির্মাণ করাই যে যথেষ্ট নয়, সেটা মোদি এবং অমিত শাহ বুঝেছেন। কারণ, রাজ্যে রাজ্যে একঝাঁক আঞ্চলিক দল রয়েছে, যাঁদের শক্তি অনেক বেশিই রয়ে যাচ্ছে। তাই আঞ্চলিক দলগুলিকে ধ্বংস করতে উদ্যত বিজেপি। ফর্মুলাটি হল, প্রথমে তাদের সঙ্গে জোট করে বন্ধুত্ব পাতানো। তারপর ধীরে ধীরে তাদের ভোটব্যাঙ্কে  ভাগ বসানো। বিশদ

12th  August, 2022
তাইওয়ান নিয়ে সংঘাতের পিছনে চিপযুদ্ধ
মৃণালকান্তি দাস

ন্যান্সি পেলোসির সঙ্গে বেজিংয়ের লড়াই সেই ১৯৮৯ সাল থেকেই। পেলোসি যেমন বরাবরই চীনের ঘোর সমালোচক, তেমনই আমেরিকার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকারকে ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিপূর্ণ তথ্যে ভরপুর’ বলে মনে করে বেজিংও।
বিশদ

11th  August, 2022
পূর্বসূরিদের কলঙ্ক মুছতে প্রয়াসী বিজেপি
সন্দীপন বিশ্বাস

বেলাগাম হয়ে ছুটছে মূল্যবৃদ্ধির অশ্বমেধের ঘোড়া। মানুষকে দলিত করে, আহত করে সে ছুটছে আপন খেয়ালে। তাকে রোখার ক্ষমতা নেই রাজাধিরাজের।
বিশদ

10th  August, 2022
ধন্যি রাজনৈতিক অধ্যাবসায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শ্রদ্ধেয় নীতীশবাবু, রাষ্ট্রপতি আর উপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সৌজন্যে বিরোধী জোট রাজনীতির উনুনটা কেমন যেন নিবু নিবু হয়ে পড়েছিল। আচমকা আপনি তাতে জোরদার একটা ফুঁ মেরেছেন।
বিশদ

09th  August, 2022
আমি যে বক্তব্য
রাখতে পারতাম
পি চিদম্বরম

এই বিতর্ক কয়েকদিন আগে হওয়া উচিত ছিল। বিধি ২৬৭-র অধীনে আলোচনা এবং অন্যকোনও নিয়মের মধ্যে ‘বাস্তবিক’ পার্থক্য বুঝতে আমি ব্যর্থ হয়েছি। সরকার একগুঁয়ে, জনগণ এজন্য তার হামবড়া ভাবকে দায়ী করে।
বিশদ

08th  August, 2022
সোনিয়া গান্ধী কি গ্রেপ্তার হবেন?
হিমাংশু সিংহ

পরতে পরতে নাটক দেখছে দেশের জনগণ। যার স্ক্রিপ্ট রচিত হয়েছে সাততারা দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গের ঝাঁ চকচকে অফিসের কনফারেন্স রুমে। তারই প্রতিফলন আজ দিল্লির রাজপথ থেকে রাজ্যে রাজ্যে অলিগলি তস্য গলিতে। মঞ্চস্থ নাটকের নাম ‘বিরোধী ধরো জেল ভরো’। বিশদ

07th  August, 2022
ভয় থেকেই কি সিআইডি তদন্তে বাধা
তন্ময় মল্লিক

‘এমন সুযোগ আর আসবে না কোনো দিন/ বাছবাছাই না করে হাতের কাছে যা পাস/ তাই দিয়ে পোঁটলাপুঁটলি বেঁধে নে হুট করে।/ বেরিয়ে পড়,/দেরি করলেই পস্তাতে হবে/’ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের ‘উদ্বাস্তু’ কবিতার ভূষণ পাল এভাবেই গোটা পরিবারটাকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। বিশদ

06th  August, 2022
মাননীয় অর্থমন্ত্রী, মূল্যবৃদ্ধি কাকে বলে?
সমৃদ্ধ দত্ত

মূল্যবৃদ্ধিকে ঠিক কেমন দেখতে? জিডিপির মতো? পেট্রল ডিজেলের দামের মতো? ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের মতো? ডলার ও টাকার বিনিময় মূল্যের মতো? আমদানি রপ্তানি শুল্কের কঠিন অঙ্কের মতো? রেপো রেটের মতো? কেমন হয় মূল্যবৃদ্ধি? সরকার কী বলে আমাদের? বিশদ

05th  August, 2022
একনজরে
আশঙ্কাজনক সলমন রুশদি ভেন্টিলেশনে। শনিবার তাঁর এজেন্ট অ্যান্ড্রু ওয়াইলি ইমেল বার্তায় লিখেছেন, ‘খবর ভালো নয়। সম্ভবত একটি চোখ হারাতে হবে সলমনকে। হাতের স্নায়ু ছিঁড়ে গিয়েছে। ছুরি বিঁধে তাঁর লিভার ক্ষতিগ্রস্ত।’ তিনি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। ...

শনিবার ঝাড়গ্রাম থানার রঘুনাথপুর লক্ষ্মীপল্লি এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে একটি বাড়ি ভস্মীভূত হয়।  পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর ১টা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দা প্রশান্ত শীলের বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন লাগে। নিমেষের মধ্যে ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ...

নয়াদিল্লি: মাঝ আকাশে বিমানে পাখির ধাক্কা। গত কয়েক মাসে এহেন ঘটনায় একাধিক বার জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়েছে বেশ কয়েকটি বিমান। এবার সেই সমস্যা রুখতে নড়েচড়ে বসল ডিজিসিএ। শনিবার  এ ব্যাপারে   নির্দেশিকা জারি করেছে বিমান পরিবহণ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ। ...

দরজায় কড়া নাড়ছে এশিয়া কাপ। তার আগে জিম্বাবোয়ে সফরে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের মতো মহতারকাদের পাশাপাশি কোচ রাহুল দ্রাবিড়কেও বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সামাজিক কর্মে সম্মান লাভ। স্ত্রী’র শরীর-স্বাস্থ্য খারাপ হতে পারে। দেরীতে অর্থপ্রাপ্তি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৩৭ - মুদ্রণ যন্ত্রের আবিষ্কার
১৮২৫ - অনেক পরীক্ষা-নীরিক্ষা ও গবেষণার পর বৃটিশ পদার্থ বিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ মাইকেল ফ্যারাড অপরিশোধিত তেল থেকে পেট্রোল আবিষ্কার করতে সক্ষম হন
১৮৮৫ - জাপান জং প্রতিরোধক রং প্যাটেন্ট করে
১৯৪৭- পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস
১৯৪৮- শেষ ইনিংসে শূন্য রানে আউট হলনে ডন ব্র্যাডম্যান
১৯৫৬- জার্মা নাট্যকার বের্টোল্ট ব্রেখটের মৃত্যু
১৯৫৭ – বিশিষ্ট বলিউড অভিনেতা জনি লিভারের জন্ম
১৯৬১ – বিশিষ্ট অভিনেতা মণিষ বহলের জন্ম
১৯৬২ - পাকিস্তানি ক্রিকেটার রমিজ রাজার জন্ম
১৯৮৩ - জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী সুনিধি চৌহানের জন্ম
২০১১- অভিনেতা শাম্মি কাপুরের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৭.৮৪ টাকা ৮১.৩৭ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৮০ টাকা ৯৯.৪১ টাকা
ইউরো ৮০.২১ টাকা ৮৪.১০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
13th  August, 2022
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৩৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৬০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ শ্রাবণ, ১৪২৯, রবিবার, ১৪ আগস্ট ২০২২। তৃতীয়া ৪৩/১৯ রাত্রি ১০/৩৬। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র ৪১/৩৮ রাত্রি ৯/৫৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৪০, সূর্যাস্ত ৬/৬/৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৭ গতে ৯/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৬ গতে ৯/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ১/৪৯ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ৩/৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/৫ গতে ১/১৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৫ গতে ২/২৯ মধ্যে। 
২৮ শ্রাবণ, ১৪২৯, রবিবার, ১৪ আগস্ট ২০২২।  তৃতীয়া রাত্রি ২/৮। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র রাত্রি ২/১৫। সূর্যোদয় ৫/১৬, সূর্যাস্ত ৬/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/১২ গতে ৯/৩১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/১২ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ১/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৬ গতে ৭/২২ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ৩/৪ মধ্যে। বারবেলা ১০/৬ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৬ গতে ২/২৯ মধ্যে।
১৫ মহরম।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাংলা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, এখানে ওসব চলবে না: মমতা

07:26:30 PM

বিজেপি নেতারা, মীরজাফররা শুধু হুমকি দিচ্ছে: মমতা

07:18:32 PM

আমাদের অফিসারদের ভয় দেখাচ্ছে, ওদের ডেকে পাঠিয়েছে: মমতা

07:10:56 PM

কেউ ভয় পাবেন না, এদের বিচার হবে জনতার আদালতে: মমতা

07:04:20 PM

২০২৪-এ মোদি জিতবে না, তাই ওরা খেলা শুরু করেছে: মমতা

06:57:18 PM

পরশুদিন কেষ্টকে কেন গ্রেপ্তার করেছেন, ও কী করেছে: মমতা

06:57:08 PM