Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বুলডোজার রাজনীতিই
চিনিয়ে দেয় স্বৈরতন্ত্রকে
সন্দীপন বিশ্বাস

জরুরি অবস্থার সময় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের কথা আমরা কেউ ভুলিনি। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এবং অসাধারণ এক ব্যক্তিত্ব ইন্দিরা গান্ধীকে আজও জরুরি অবস্থার কাঁটা বিদ্ধ করে। এই একটি ব্যাপারে তিনি ভারতের নিন্দিত চরিত্র হয়ে রয়েছেন। ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন চালু হওয়া সেই কালো দিনের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ২১ মাসের। সেই জরুরি অবস্থার কথা মানুষ আজও ঘৃণার সঙ্গে উচ্চারণ করেন। কয়েকদিন আগেই গেল ২৫ জুন। এই কালো দিনটি বিজেপির কাছে একটা অস্ত্র। তারা বারবার সেটা নিয়ে খেলা করে বুঝিয়ে দেয়, এই দিনে দেশের গণতন্ত্রকে নিকেশ করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। এই দিন এলেই মোদি থেকে একেবারে চুনোপুঁটি নেতারা ইন্দিরা গান্ধী ও কংগ্রেসকে তেড়ে গাল পাড়েন।  
সেটা হয়তো ভুল নয়, কিন্তু দেখা যাচ্ছে, অনেক সময় চালুনিও ছুঁচের বিচার করে ফেলছে। সেই সময়কার অভিজ্ঞতা বলে, ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থাকে চেনা যায়। কেননা সেটা ছিল একটা ঘোষিত ব্যবস্থা। কিন্তু মোদিজির শাসনের কৌশলকে চেনা যায় না। কেননা বর্তমানে অঘোষিত জরুরি অবস্থার মধ্য দিয়ে তিনি দেশকে নিয়ে যাচ্ছেন এক শ্বাসরুদ্ধ পরিণতির দিকে। সুতরাং আজ মোদি যে পথে হাঁটছেন, সেখানে তাঁর এসব কথা বলা সাজে না। মোদি-শাসনের গেরুয়া ফাঁসে এখানে প্রতি মুহূর্তে লাঞ্ছিত, দলিত, নিপীড়িত হচ্ছে মানবাত্মা তথা দেশের গণতন্ত্র। বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে গণতন্ত্রের মহান সৌধকে, ব্যক্তির মৌলিক অধিকারকে। তাই ইন্দিরা গান্ধীকে চেনা যায়, কিন্তু মোদিজিকে সহজে চেনা যায় না। ফ্যাসিজিমের লক্ষণই এটা। কিছুদিন ফ্যাসিস্তদের বন্ধুর মতো মনে হয়। প্রথমে কাঁধে হাত রাখে। তারপর কণ্ঠরোধ করে। সার্বিক বিচারে এবং প্রকৃত অর্থেই তিনি ক্রমে ক্রমে এক বিশাল মাপের ডিক্টেটর হয়ে উঠছেন। আগামী দিনে তাঁর স্বৈরতন্ত্রের স্বরূপ হয়তো বল্লভভাই প্যাটেলের মূর্তির উচ্চতাকেও ছাড়িয়ে চলে যাবে। ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা এমন অনেক মানুষ দেখি, যাঁদের কাছে একনায়কতন্ত্র একটা নেশা। সেই নেশায় ডুবে তাঁরা মানুষকে মানুষ মনে করেননি। 
মোদির মধ্যেও সমতুল লক্ষণগুলি দেখা যায়। যেমন তিনি শুধু বলতে ভালোবাসেন, কারও কথা শুনতে রাজি নন। কোনও প্রশ্নের জবাব তিনি দেন না। তিনি চান প্রশ্নাতীত আনুগত্য। তিনি চান ভক্তমণ্ডলী। তিনি চান জাতীয়তাবাদ এবং নরেন্দ্র মোদি শব্দ দু’টি সমার্থক হয়ে উঠুক। বারবার দেখা গিয়েছে লোকসভাকে এড়িয়ে তিনি বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গণতন্ত্রের কাছে দায়বদ্ধতা দেখানোর ক্ষেত্রে তিনি ততটা নিষ্ঠাবান নন। নোট বাতিলের মতো অতবড় একটা সিদ্ধান্ত নিলেন, অথচ কারও সঙ্গে আলোচনাও করলেন না! নিজের ভুল সিদ্ধান্ত এইভাবে দেশের মানুষের উপর চাপিয়ে দেওয়াই হল স্বৈরতন্ত্রের প্রধান লক্ষণ। আমাদের দেশে কত সমস্যা—আর্থিক সমস্যা, স্বাস্থ্যের সমস্যা, শিক্ষার সমস্যা, শিল্পের সমস্যা, রাস্তার সমস্যা, বেকারত্বের সমস্যা, পানীয় জলের সমস্যা। কিন্তু ওসবকে তিনি সমস্যা বলেই মনে করেন না। আসলে এদেশে বহু সমস্যার সৃষ্টিই হয়েছে তাঁর ভুল সিদ্ধান্তের কারণে। তাঁর কাছে দেশশাসনের অর্থ হল বড় বড় মূর্তি নির্মাণ, মন্দির নির্মাণ, হিন্দুত্বের শক্তি দিয়ে সংখ্যালঘুদের দাবিয়ে রাখা, সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ তৈরি, মানুষের যুক্তি এবং বোধকে পুরাণের শিক্ষার ছাঁচে ফেলে তাঁকে মানসিকভাবে ক্রীতদাসে পরিণত করা। 
স্বৈরতন্ত্রের আরও একটি লক্ষণ, বিরোধীদের নিকেশ করা। আমরাও দেখি, বিজেপি কীভাবে এখানে নানা কৌশলে বিরোধীদের কুচলে দিচ্ছে। ক্ষমতা এবং অর্থবল দিয়ে বিরোধী শক্তিকে একেবারে ছন্নছাড়া করে দেওয়ার অবিরাম চেষ্টা চলছেই। আসলে গণতন্ত্রের কাঠামো ভেঙে শাসক যখন নিজের মতো করে গণতন্ত্রের একটা সংজ্ঞা তৈরি করে, তখন সেটাকেই বলে স্বৈরতন্ত্র।  
আমাদের মতো দেশে যেখানে রাজনীতিতে ক্রিমিনাল কেস খাওয়া নেতা, আর মন্ত্রীদেরই আধিক্য, সেখানকার রাজনীতিতে অন্তত নীতি বলে কিছু থাকে না। তাই অনায়াসেই লোভ দেখিয়ে ভেঙে ফেলা যায় নির্বাচিত একটি সরকারকে। বিরোধী রাজনীতিকদের লোভের বশবর্তী করে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করা যায়। গণতন্ত্রে এই প্রহসন মোদি জমানায় বেড়েই চলেছে। সাম্প্রতিকতম নিদর্শন মহারাষ্ট্র। পরবর্তী লক্ষ্য নাকি তাদের বাংলা! তবে এর চেয়ে বড় কমেডি বোধহয় আর কিছু হয় না। 
আর একটা প্রহসনের কথা বলতেই হয়। কালো টাকা ধরার লক্ষ্যে মোদি রাতারাতি নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ভারতীয়দের জমা টাকা টেনে বের করে এনে দেশের মানুষের অ্যাকাউন্টে ঢুকিয়ে দেওয়ার নামে মস্করাও করেছিলেন তিনি। সেই ব্যাপারটা এখন কোন পর্যায়ে গড়িয়েছে একটু দেখা যাক। সুইস ব্যাঙ্কের সাম্প্রতিক একটা রিপোর্ট বলছে, ২০২১ সালে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমানো টাকার পরিমাণ সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ২০২০ সালে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের টাকার পরিমাণ ছিল ২০ হাজার কোটি টাকা। এক বছরের মধ্যেই সেখানে জমানো ভারতীয়দের টাকার পরিমাণ হয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। এই টাকার অনেকটাই অবশ্যই সাদা টাকা নয়। তাহলে এই করোনাকালে সুযোগ নিয়ে কারা এই বিশাল পরিমাণ কালো টাকা সংগ্রহ করল, তা দেশবাসীর জানা দরকার। কাদের মদতেই বা হল এমন অবৈধ সম্পদ, তাও মানুষ জানতে চান। 
একদিন মোদি বলেছিলেন, সুইস ব্যাঙ্কের সব কালো টাকা নিয়ে এসে গরিবের অ্যাকাউন্টে ঢোকাবেন। এখন দেখা যাচ্ছে, মোদি সরকারের অপদার্থতায়  গরিব ও মধ্যবিত্তের ঘর শূন্য হয়ে অতুল বৈভবে ভরে উঠছে বড় বড় শিল্পপতিদের অ্যাকাউন্ট। করোনাকালে মানুষ যখন দিশাহারা, পথের মধ্যে প্রাণ যাচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের, তারই আড়ালে চলছিল দেশের ধনী শিল্পপতি, উদ্যোগপতিদের স্বার্থরক্ষার অমানবিক খেলা। সেই সময় লক্ষ লক্ষ মানুষ চাকরি খুইয়ে বেকার হয়েছিলেন, তাঁদের মাসিক আয় কমে গিয়েছিল। এর উপর হু হু করে মূ্ল্যবৃদ্ধি আর পেট্রল, ডিজেল, রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানোর বেহিসেবি খেলায় ধনীরা আরও ধনী হয়েছেন। গরিব আরও গরিব হয়েছেন। সুইস ব্যাঙ্কের এই রিপোর্ট মোদি শাসনের ব্যর্থতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।  
তাই এখন মোদিজির সামনে প্রশ্নপত্র। জবাব দিতে হবে তাঁকেই। কেননা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখন তো তিনিই দায়বদ্ধ। তিনি অনায়াসেই বলতে পারেন, তাঁর আমলে কাদের টাকা সুইস ব্যাঙ্কে ঢুকেছে। তাহলে কি দেখা যাচ্ছে? নোট বাতিলে ধরা পড়ল না একটাও কালো টাকা। উল্টে তারপরেই সুইস ব্যাঙ্কে বেড়ে গেল কালো টাকার পরিমাণ। নোট বাতিলের ‘সুফল’ কারা ভোগ করলেন, এটা তো একেবারে জলের মতোই পরিষ্কার হয়ে গেল। তাই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচিত সুইস ব্যাঙ্কের তথ্যপ্রকাশ করে প্রকৃত রাজধর্ম পালন করা।
রাজধর্মের কথা বললেই আবার একরাশ হতাশা জেগে ওঠে। কেননা অনেক ক্ষেত্রেই শাসক মানেন না তাঁর সীমাবদ্ধতার কথা। শাসক একজন জনপ্রতিনিধি। আইন তৈরি করার ক্ষমতা গণতন্ত্র তাঁকে দিয়েছে। কিন্তু বিচারের ভার তাঁর হাতে নেই। একমাত্র স্বৈরতন্ত্রেই আইন প্রস্তুতকারী ও বিচারক একই ব্যক্তি হন। তাই মানুষ প্রতিবাদ করলেই কোনও সরকার সেই প্রতিবাদীকে শাস্তি দিতে পারে না। সেই অধিকার গণতন্ত্র তাকে দেয়নি। প্রশাসনকে অভিযোগ নিয়ে আদালতের দরজায় দাঁড়াতেই হয়। এটা মধ্যযুগ নয় যে, রাজার নির্দেশে বিদ্রোহী প্রজাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে কিংবা গিলোটিনে গলা কেটে নেওয়া হবে। কিন্তু সরকার-বিরোধীদের এদেশে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। নানা অজুহাতে বিজেপি সরকার বিরোধীদের বাড়িতে বুলডোজার চালিয়ে দিচ্ছে। একদিকে বুলডোজার, অন্যদিকে ঠোক দো—এই দুই অস্ত্র দিয়ে বিরোধীদের দমন করার অগণতান্ত্রিক চেষ্টা চলছে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশে বিরোধী স্বর যত বাড়ে, বুলডোজারের আস্ফালনও ততই বাড়ে। মোদিও তার প্রশংসা করেন। বুলডোজারের এই অহমিকা আর রোষই বলে দেয়, স্বৈরতন্ত্রী শাসকের আকার, মন, মানসিকতা আসলে একটা বুলডোজার। তিনি মনে করেন, তাঁর বিপরীত দিকে যাঁরা আছেন, সবাইকে গুঁড়িয়ে দেব। তবেই আমার শান্তি।  শাসকের যখন গণতন্ত্রের উপর আস্থা থাকে না, আইনের উপর আস্থা থাকে না, বিচারকের উপর আস্থা থাকে না, তখন তিনি তাঁর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়ালেই নিজ হাতে শাস্তির দণ্ড তুলে নেন। পাশাপাশি, গণতন্ত্রেও রয়েছে বুলডোজারের পাল্টা মন্ত্র। সেটা আমরা সত্যজিৎ রায়ের থেকে জেনেও গিয়েছে। ‘দড়ি ধরে মারো টান, রাজা হবে খান খান।’ এটাই ইতিহাসের শেষ সত্য।  
29th  June, 2022
স্বাধীনতার মহোৎসব ও মানুষের প্রাপ্তি
হিমাংশু সিংহ

শুধু পতাকার পবিত্র রঙে ঘরবাড়ি সৌধকে সাজিয়ে তুলেই কি দায়িত্ব শেষ? আমাদের সংবিধান প্রণেতারা যে দুর্নীতিমুক্ত, সব সম্প্রদায় ও বিশ্বাসের মানুষের আস্থা জিতে মিলনতীর্থ ভারতবর্ষ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা কি বাস্তবায়িত হচ্ছে?  বিশদ

জাতীয় স্বার্থই প্রাধান্য পাওয়া উচিত
মোহনরাও ভাগবত

‘স্বাধীনতার  অমৃত মহোৎসব’ উদযাপনের এই শুভক্ষণ আমরা অনেক ত্যাগ ও কষ্টের বিনিময়ে অর্জন করেছি। ভারতকে তার গৌরবের শিখরে প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের একইভাবে নিষ্ঠার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করে যেতে হবে। এই শুভক্ষণে আমাদের আত্মসমীক্ষা করা উচিত যে, স্বাধীনতার উদ্দেশ্য যদি স্বনির্ভরতা অর্জন করা হয়, তবে আজ ৭৫ বছর পর, ভারত কি সম্পূর্ণ আত্মনির্ভর হতে পেরেছে!  
বিশদ

বিহারে পালাবদলে
আসল নায়ক তেজস্বীই
তন্ময় মল্লিক

এই নিয়ে আট আটবার মুখ্যমন্ত্রিত্বের কুর্সিতে। তারজন্য কখনও কংগ্রেসের, কখনও আরজেডির, কখনও আবার বিজেপির কাঁধে ভর করেছেন। গদির জন্য নীতি বিসর্জন দিয়েছেন বারবার। ডিগবাজি পলিটিক্সে তাঁর সমগোত্রীয় বলতে একমাত্র মুলায়ম সিং যাদব। বিশদ

13th  August, 2022
ভারতবর্ষের গণতন্ত্র এবং
সরকারি সাম্প্রদায়িকতা
হুমায়ুন কবীর

গত জুলাইতে লন্ডনের কিংস কলেজে ভারতীয় ছাত্র এবং অ্যালামনি ইউনিয়নের উদ্যোগে ‘ইন্ডিয়া অ্যাট ৭৫’ নামে এক লেকচার সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়। তাতে ‘গণতন্ত্র এবং উন্নয়নে’র উপর ভাষণ প্রসঙ্গে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন উন্নয়নের লক্ষ্যে শক্তিশালী নেতা, আরও প্রগতিশীল সরকার এবং উন্মুক্ত গণতন্ত্রের নিদান দেন। বিশদ

13th  August, 2022
গরিষ্ঠতা নিয়ে নার্ভাস
বরং নরেন্দ্র মোদিই

সমৃদ্ধ দত্ত

শুধু কংগ্রেসমুক্ত ভারত নির্মাণ করাই যে যথেষ্ট নয়, সেটা মোদি এবং অমিত শাহ বুঝেছেন। কারণ, রাজ্যে রাজ্যে একঝাঁক আঞ্চলিক দল রয়েছে, যাঁদের শক্তি অনেক বেশিই রয়ে যাচ্ছে। তাই আঞ্চলিক দলগুলিকে ধ্বংস করতে উদ্যত বিজেপি। ফর্মুলাটি হল, প্রথমে তাদের সঙ্গে জোট করে বন্ধুত্ব পাতানো। তারপর ধীরে ধীরে তাদের ভোটব্যাঙ্কে  ভাগ বসানো। বিশদ

12th  August, 2022
তাইওয়ান নিয়ে সংঘাতের পিছনে চিপযুদ্ধ
মৃণালকান্তি দাস

ন্যান্সি পেলোসির সঙ্গে বেজিংয়ের লড়াই সেই ১৯৮৯ সাল থেকেই। পেলোসি যেমন বরাবরই চীনের ঘোর সমালোচক, তেমনই আমেরিকার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকারকে ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিপূর্ণ তথ্যে ভরপুর’ বলে মনে করে বেজিংও।
বিশদ

11th  August, 2022
পূর্বসূরিদের কলঙ্ক মুছতে প্রয়াসী বিজেপি
সন্দীপন বিশ্বাস

বেলাগাম হয়ে ছুটছে মূল্যবৃদ্ধির অশ্বমেধের ঘোড়া। মানুষকে দলিত করে, আহত করে সে ছুটছে আপন খেয়ালে। তাকে রোখার ক্ষমতা নেই রাজাধিরাজের।
বিশদ

10th  August, 2022
ধন্যি রাজনৈতিক অধ্যাবসায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শ্রদ্ধেয় নীতীশবাবু, রাষ্ট্রপতি আর উপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সৌজন্যে বিরোধী জোট রাজনীতির উনুনটা কেমন যেন নিবু নিবু হয়ে পড়েছিল। আচমকা আপনি তাতে জোরদার একটা ফুঁ মেরেছেন।
বিশদ

09th  August, 2022
আমি যে বক্তব্য
রাখতে পারতাম
পি চিদম্বরম

এই বিতর্ক কয়েকদিন আগে হওয়া উচিত ছিল। বিধি ২৬৭-র অধীনে আলোচনা এবং অন্যকোনও নিয়মের মধ্যে ‘বাস্তবিক’ পার্থক্য বুঝতে আমি ব্যর্থ হয়েছি। সরকার একগুঁয়ে, জনগণ এজন্য তার হামবড়া ভাবকে দায়ী করে।
বিশদ

08th  August, 2022
সোনিয়া গান্ধী কি গ্রেপ্তার হবেন?
হিমাংশু সিংহ

পরতে পরতে নাটক দেখছে দেশের জনগণ। যার স্ক্রিপ্ট রচিত হয়েছে সাততারা দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গের ঝাঁ চকচকে অফিসের কনফারেন্স রুমে। তারই প্রতিফলন আজ দিল্লির রাজপথ থেকে রাজ্যে রাজ্যে অলিগলি তস্য গলিতে। মঞ্চস্থ নাটকের নাম ‘বিরোধী ধরো জেল ভরো’। বিশদ

07th  August, 2022
ভয় থেকেই কি সিআইডি তদন্তে বাধা
তন্ময় মল্লিক

‘এমন সুযোগ আর আসবে না কোনো দিন/ বাছবাছাই না করে হাতের কাছে যা পাস/ তাই দিয়ে পোঁটলাপুঁটলি বেঁধে নে হুট করে।/ বেরিয়ে পড়,/দেরি করলেই পস্তাতে হবে/’ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের ‘উদ্বাস্তু’ কবিতার ভূষণ পাল এভাবেই গোটা পরিবারটাকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। বিশদ

06th  August, 2022
মাননীয় অর্থমন্ত্রী, মূল্যবৃদ্ধি কাকে বলে?
সমৃদ্ধ দত্ত

মূল্যবৃদ্ধিকে ঠিক কেমন দেখতে? জিডিপির মতো? পেট্রল ডিজেলের দামের মতো? ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের মতো? ডলার ও টাকার বিনিময় মূল্যের মতো? আমদানি রপ্তানি শুল্কের কঠিন অঙ্কের মতো? রেপো রেটের মতো? কেমন হয় মূল্যবৃদ্ধি? সরকার কী বলে আমাদের? বিশদ

05th  August, 2022
একনজরে
শনিবার সকালে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার থানার গোটলু এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস নেতার নলি কাটা মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। এতে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে খুনের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ...

শনিবার ঝাড়গ্রাম থানার রঘুনাথপুর লক্ষ্মীপল্লি এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে একটি বাড়ি ভস্মীভূত হয়।  পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর ১টা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দা প্রশান্ত শীলের বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন লাগে। নিমেষের মধ্যে ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ...

ছাত্রছাত্রীদের স্কুলের ইউনিফর্ম তুলে দিতে প্রস্তুত অধিকংশ জেলা। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনটি জেলায় প্রথম সেট তৈরির কাজ শেষ। আরও দু’টি জেলায় তা একেবারে শেষের ...

দরজায় কড়া নাড়ছে এশিয়া কাপ। তার আগে জিম্বাবোয়ে সফরে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের মতো মহতারকাদের পাশাপাশি কোচ রাহুল দ্রাবিড়কেও বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সামাজিক কর্মে সম্মান লাভ। স্ত্রী’র শরীর-স্বাস্থ্য খারাপ হতে পারে। দেরীতে অর্থপ্রাপ্তি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৩৭ - মুদ্রণ যন্ত্রের আবিষ্কার
১৮২৫ - অনেক পরীক্ষা-নীরিক্ষা ও গবেষণার পর বৃটিশ পদার্থ বিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ মাইকেল ফ্যারাড অপরিশোধিত তেল থেকে পেট্রোল আবিষ্কার করতে সক্ষম হন
১৮৮৫ - জাপান জং প্রতিরোধক রং প্যাটেন্ট করে
১৯৪৭- পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস
১৯৪৮- শেষ ইনিংসে শূন্য রানে আউট হলনে ডন ব্র্যাডম্যান
১৯৫৬- জার্মা নাট্যকার বের্টোল্ট ব্রেখটের মৃত্যু
১৯৫৭ – বিশিষ্ট বলিউড অভিনেতা জনি লিভারের জন্ম
১৯৬১ – বিশিষ্ট অভিনেতা মণিষ বহলের জন্ম
১৯৬২ - পাকিস্তানি ক্রিকেটার রমিজ রাজার জন্ম
১৯৮৩ - জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী সুনিধি চৌহানের জন্ম
২০১১- অভিনেতা শাম্মি কাপুরের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৭.৮৪ টাকা ৮১.৩৭ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৮০ টাকা ৯৯.৪১ টাকা
ইউরো ৮০.২১ টাকা ৮৪.১০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
13th  August, 2022
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৩৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৬০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ শ্রাবণ, ১৪২৯, রবিবার, ১৪ আগস্ট ২০২২। তৃতীয়া ৪৩/১৯ রাত্রি ১০/৩৬। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র ৪১/৩৮ রাত্রি ৯/৫৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৪০, সূর্যাস্ত ৬/৬/৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৭ গতে ৯/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৬ গতে ৯/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ১/৪৯ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ৩/৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/৫ গতে ১/১৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৫ গতে ২/২৯ মধ্যে। 
২৮ শ্রাবণ, ১৪২৯, রবিবার, ১৪ আগস্ট ২০২২।  তৃতীয়া রাত্রি ২/৮। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র রাত্রি ২/১৫। সূর্যোদয় ৫/১৬, সূর্যাস্ত ৬/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/১২ গতে ৯/৩১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/১২ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ১/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৬ গতে ৭/২২ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ৩/৪ মধ্যে। বারবেলা ১০/৬ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৬ গতে ২/২৯ মধ্যে।
১৫ মহরম।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাংলা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, এখানে ওসব চলবে না: মমতা

07:26:30 PM

বিজেপি নেতারা, মীরজাফররা শুধু হুমকি দিচ্ছে: মমতা

07:18:32 PM

আমাদের অফিসারদের ভয় দেখাচ্ছে, ওদের ডেকে পাঠিয়েছে: মমতা

07:10:56 PM

কেউ ভয় পাবেন না, এদের বিচার হবে জনতার আদালতে: মমতা

07:04:20 PM

২০২৪-এ মোদি জিতবে না, তাই ওরা খেলা শুরু করেছে: মমতা

06:57:18 PM

পরশুদিন কেষ্টকে কেন গ্রেপ্তার করেছেন, ও কী করেছে: মমতা

06:57:08 PM