Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

চাকরির ভরসা... দায় সরকারের
শান্তনু দত্তগুপ্ত

‘সত্যজিৎ রায় জন-অরণ্য চলচ্চিত্রায়িত করবার কথা ভাবছেন জেনে বিগত রাতে যতটা আনন্দিত হয়েছিলাম, আজ সকালে ঠিক ততটাই দুঃখ হলো। দেশের লক্ষ লক্ষ বিপন্ন ছেলেমেয়েদের আশার আলো জ্বালিয়ে দেবার ক্ষমতা আমার নেই ভেবে লজ্জায় মাথা নিচু করে অসহায়ভাবে বসে রইলাম।’—শংকর
এই অনুভূতি কেন হয়েছিল শংকরের? কারণ তিনি দেখেছিলেন, সংসারের এই প্রাণঘাতী সংগ্রামের সঙ্গে পেরে উঠছে না যুব সমাজ। বেকারত্ব বাড়ছে। যোগ্যতাকে পিছনের সারিতে ঠেলে দখলদারি চালাচ্ছে সুপারিশ। তাই জন্ম নিচ্ছে সুকুমার বা সোমনাথরা। কেউ পাগল হয়ে যাচ্ছে... আর পেটের ভাত জোগাতে বাঁকা পথ নিতে বাধ্য হচ্ছে তার বোন। আবার কেউ এই অসম প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বের করছে দাঁত-নখ। সেই ছবিটাই জন-অরণ্যের ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলেছিলেন শংকর। দুঃখিত হয়েছিলেন... এই কি সমাজ? কেন চাকরি নেই? কেন দাম নেই যোগ্যতার? পড়াশোনার? দক্ষতার? উত্তর কিন্তু আজও মেলেনি। হতে চলল প্রায় ৫০ বছর... চাকরি নয়, এখন গালভরা টার্মিনোলজি কর্মসংস্থান। কত মানুষের কাজের সুযোগ করে দেওয়া গেল? সংখ্যাটা লক্ষে। কিন্তু বেকারত্ব? সেও যে বাড়ছে পাল্লা দিয়ে! ডোমের চাকরির জন্য আবেদন করছেন ইঞ্জিনিয়ার, স্নাতক, স্নাতকোত্তররা। ফার্স্ট ক্লাস পাওয়া মহিলারাও মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন... যদি সরকারি চাকরিটা লেগে যায়। বাড়ি ছেড়ে বছরের পর বছর শহরে মেস ভাড়া করে পড়ে থাকছেন যুবক-যুবতীরা... একটা সরকারি চাকরির জন্য। কেন? কী আছে সরকারি চাকরিতে? 
মানুষ ভরসা খোঁজে দিনে আর রাতে... এটাই যে সরকারি চাকরির মূলমন্ত্র! গ্রামেগঞ্জে গেলে দেখা যায়, ছেলেদের কাছে চাকরি বলতে পিএসসি ক্লার্কশিপ, ব্যাঙ্ক বা শিক্ষকতা। তাঁরা ছুটে চলেছেন সেই লক্ষ্যে। একটা সরকারি চাকরি জুটিয়ে নিতে পারলেই মিলবে নিরাপত্তা। জীবনভরের। বিয়ের বাজারে পাত্রীপক্ষ নাক কুঁচকাবে না। বলবে না, ‘প্রাইভেট? চাকরি গেলে মেয়েকে খাওয়াবে কী?’ করোনার মতো মহামারী এলে বেতন কেটে নেওয়া হবে না, বন্ধ হয়ে যাবে না সংস্থা। তাই সরকারেই আস্থা। তা সে যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না কেন! বিজেপি হোক বা তৃণমূল... রাজনীতিতে তাঁদের কিছু এসে যায় না। ছেলেমেয়েরা তাই আন্দোলন করেন, অনশনে বসেন... ভাবেন, আজ না হয় কাল তো এই আন্দোলনের সুফল মিলবে! সরকার একটু তো মুখ তুলে তাকাবে... আবার নেওয়া হবে শিক্ষক, ক্লার্ক বা ব্যাঙ্ক-পোস্ট অফিসের কর্মী। কিন্তু না... তা যে কিছুতেই হয়ে উঠছে না। রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করছে শিক্ষক নিয়োগের। আর ঠিক তার পরদিন চাকরিপ্রার্থীদের কোনও শুভানুধ্যায়ী মামলা ঠুকে দিচ্ছেন হাইকোর্টে। স্থগিত হয়ে যাচ্ছে নিয়োগ। বছরের পর বছর কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির পদ শূন্য... লক্ষ লক্ষ। তাও যে হুঁশ নেই সরকার বাহাদুরের! বরং তাঁরা আচমকা ঘোষণা করছেন, পাঁচ বছরের বেশি শূন্যপদ এবার তুলে দেওয়া হবে। তাতে আর লোক নেওয়ার দরকার নেই। কারণ হিসেবে ভারত সরকার বলছে, এত বছর যদি ওই সব পদে বিনা কর্মীতেই কাজ চলে গিয়ে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতেও চলবে। কোভিড মহামারী এক্ষেত্রে নয়া দিশা দেখিয়েছে মোদি প্রশাসনকে। আইএএস, আইপিএস, স্টাফ সিলেকশন থেকে নিযুক্ত কর্মী বা রেল... সর্বত্র এই এক চিত্র। মন্ত্রী বলছেন, এ তো রুটিন প্রসেস। নিয়োগ যদি রুটিন প্রক্রিয়া হয়, তাহলে পদের অবলুপ্তি নয় কেন? আর আতান্তরে পড়ছে যুব সমাজ। 
বেসরকারি ক্ষেত্রে চাকরি রয়েছে—এ বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। কিন্তু সেই সংখ্যাটা কত? যাঁর যা পড়াশোনা, সেই মতো বেতন বহু ক্ষেত্রেই দেওয়া হয় না। মাস্টার ডিগ্রি নিয়ে ময়দানে নামার পরও বহু প্রার্থী ৫-৭ হাজার টাকা মাইনের চাকরি করেন। মূল্যবৃদ্ধির আগুনে তাতে নুন আনতে পান্তা ফুরনোর দশা। এখন বাড়িতে অসুস্থ কেউ থাকলে শুধু ওষুধের খরচই ১০ হাজার টাকা ছুঁতে চায়। সব্জি বাজার হাঁফ ছাড়লেও আলুর দাম আগুন, মাছ-মাংসে হাত দেওয়া যায় না। তাহলে উপায় কী? আন্দোলন? বিক্ষোভ?
উপায় খুঁজছে যুব সম্প্রদায়। তারা ভাবছে, ভোট দিয়েছি। সরকারে এনেছি। কিছু সুবিধা তো পাব? বাড়তি চাই না। ন্যূনতম অধিকারটুকু পেলেই হবে। একটা সম্মানজনক চাকরি, মাথার উপর ছাদ, আর দু’বেলা দু’মুঠো খাবার। ভারতীয়দের ডিমান্ড খুব বেশি নয়। কিন্তু সরকার অতটুকু দিতেই ব্যর্থ। প্রশাসন চালানোর জন্য লোক দরকার ঠিকই, কিন্তু বাড়তি খরচ করব কেন? প্রযুক্তি এসেছে, কাজে লাগাব তাকেই। দশজনের কাজ হয়ে যাবে নিমেষে। নির্ভুলভাবে। তারা কেউ ধর্মঘট ডাকবে না, কামাই করবে না, বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনে নামবে না, সবচেয়ে বড় কথা—বিরুদ্ধে কথাও বলবে না। খুব দরকার হলে এজেন্সি দিয়ে চুক্তিভিত্তিতে কর্মী নিয়ে নেব। তাই অবলুপ্ত হোক পদ। পরিচালন ক্ষমতায় বসে থাকুক কিছু তাঁবেদার লোকজন। তাঁদের দিয়ে সব কাজ উতরে যাবে। এরপরও কেন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলি আন্দোলনে নামবে না? কেন থাকবে না কর্মসূচি? শুধু টুইটারে চার লাইনের বাইরেই যে বিরোধী রাজনীতির আসল জগৎ, তা বোধহয় কংগ্রেসের মতো দলগুলি ভুলে মেরে দিয়েছে। বিরোধীরা এখন ব্যস্ত শুধু ক্ষমতার রাজনীতিতে। মহাজোট হলে তার নেতৃত্বে কে থাকবে, কোন কোন দলকে খেলায় নেওয়া হবে, কারা বাদ যাবে... এই হল ধ্যানজ্ঞান। কিন্তু তারা ভুলে যাচ্ছে, মানুষের ইস্যুতে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারলে, তার থেকে বড় প্রতিষ্ঠান বিরোধী আন্দোলন কিছু হতে পারে না। মানুষের যন্ত্রণাই সরকারের ব্যর্থতাকে বেআব্রু করে দেয়। সেই যন্ত্রণার শরিক হওয়াটাই বিরোধী রাজনীতির মন্ত্র। সেই হাহাকার পৌঁছে দেওয়া সরকারের অলিন্দে। তা কিন্তু হচ্ছে না। তেমনটা হলে লক্ষ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি পদ অবলুপ্তির বিরুদ্ধে পথে নামত ডান-বাম সব দল। তারা কৈফিয়ৎ চাইত, চাকরি দিতে পারো না... কেড়ে নেওয়ার অধিকার তোমাদের কে দিয়েছে? যুব সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করার লক্ষ্যে কী পদক্ষেপ নিয়েছ আট বছরে? সেই প্রশ্ন তুলছে না কেউ। আর নরেন্দ্র মোদি সরকারও আট বছরের ‘সাফল্য কাহিনি’ প্রচারের জন্য কোমর বাঁধছে। দেশজুড়ে বোঝাতে হবে, এটাই আচ্ছে দিন। আগে কিছুই ছিল না। যা করেছে, মোদি সরকার। সেই ঢক্কানিনাদে চাপা পড়ে যাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলনরত ছেলেমেয়েদের কণ্ঠ। কেউ পাগল হয়ে যাবে, কেউ মানবতার আদর্শ হারিয়ে মরিয়া চেষ্টা চালাবে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। সামনে যে আসবে, পিষে দেবে তাকে। বাড়বে অপরাধ। আর বুদ্ধিজীবীরা মাথা নেড়ে বলবেন, সমাজটা গোল্লায় গেল। 
চাকরি নেই... যতটুকু আছে, সেখানেও বাসা বেঁধেছে দুর্নীতি। প্যানেলে ২০ নম্বরে থাকা মেয়েটি হঠাৎ একদিন আবিষ্কার করছে, সে ২১ নম্বরে চলে গিয়েছে। আর তার প্রাপ্য চাকরিটি দেওয়া হয়েছে এক মন্ত্রিকন্যাকে। অথচ, সে কি না ইন্টারভিউতেই বসেনি! এক্ষেত্রে মামলা হওয়াটাই উচিত। যোগ্যকে তার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যই আইন। কিন্তু আরও হাজার হাজার প্রার্থী যাঁরা যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও বসে আছেন চাকরির একটি চিঠির অপেক্ষায়, তাঁদের পায়ে কুড়ুল মারাটা আইনের অপব্যবহার। যা চলছে প্রতিনিয়ত। সরকারের একাংশের দুর্নীতি যদি সমাজকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করে, তাহলে এই মামলাবাজরাও ঘুণপোকার থেকে কম কিছু নন। সুরাহা করতে পারছেন না তাঁরা, দিচ্ছেন না উপায়... শুধু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মননটাকে খেয়ে ফেলছেন খুঁড়ে খুঁড়ে, অন্তঃসারশূন্য হয়ে পড়ছে তারা। 
সংসার সংগ্রামে হেরে গিয়ে কণা বদলে গিয়েছিল শিউলিতে। সোমনাথ তা বুঝতে পারা মাত্র ছুটে নেমেছিলেন রাস্তায়। কিন্তু কণাকে আর খুঁজে পাননি। কারণ সে ততক্ষণে মিশে গিয়েছে জন-অরণ্যে। এভাবেই মারা যায় কণা, সোমনাথ, সুকুমাররা। জন্ম নেয় এক হতাশ, ক্ষুব্ধ জন-অরণ্য। আজও। আর তার দায় সরকারের, রাজনীতির। তারাই যে ঠিক করে, সমাজ কেমন হবে...। 
24th  May, 2022
প্যাকেজিংয়ের ঘোড়ায়
বিভাজনের সওয়ারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সংস্কারের ঘোড়ায় চেপে প্রবল গতিতে ছুটে চলেছেন মোদিজি। তাই তো দখল হচ্ছে একের পর এক রাজ্য। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই! থোড়াই কেয়ার। নানা ছক বেরিয়ে আসছে আস্তিন থেকে। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে একের পর এক রাজ্য সরকার। এত ব্যস্ততার মধ্যে নূপুর শর্মার মতো ছোট্ট ইস্যুতে কি সত্যিই কথা বলা যায়?
বিশদ

দু’টি বিভক্ত গণতন্ত্র
পি চিদম্বরম

ভারত এমনিতেই বর্ণ, ধর্ম, ভাষা এবং লিঙ্গ বৈষম্যে বিভক্ত। এরপর বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিপত্যবাদ এবং নীতির কেন্দ্রীকরণে ভারত নতুনভাবে আরও বিভক্ত হয়ে চলেছে। … আপনি কি কখনও কল্পনা করেছিলেন যে এমন একটি দিন আসবে যখন দু’টি বৃহৎ যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতন্ত্র বিভক্ত হবে?
বিশদ

04th  July, 2022
বিজেপির পরের লক্ষ্য কি বিহার ও রাজস্থান?
হিমাংশু সিংহ

জার্মানির মাটিতে দাঁড়িয়ে জরুরি অবস্থার আদ্যশ্রাদ্ধ করছেন প্রধানমন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে লম্বা চওড়া সওয়াল করে বেআব্রু করছেন কংগ্রেস থুড়ি ইন্দিরা জমানার কালো সময়টাকে।
বিশদ

03rd  July, 2022
নিঃস্ব বামেরা বিজেপিকে
শক্তি জোগাচ্ছে
তন্ময় মল্লিক

উস্কানি এভারেস্ট ছুঁলেও বিজেপি তা থেকে ফায়দা তুলতে পারল না। মহকুমা পরিষদের নির্বাচন বুঝিয়ে দিল, বাংলা ভাগের ফাঁদে পা দেয়নি শিলিগুড়ি। তাই কর্পোরেশনের পর মহকুমা পরিষদের নির্বাচনেও ভরসা থাকল সেই শাসক দলেই। বিশদ

02nd  July, 2022
সবকা বিকাশ? বিজলি
পানি সড়কই হল না! 
সমৃদ্ধ দত্ত

এত সরকারি, বেসরকারি অফিসার। এত গাড়ি। এত বড় বড় ট্রাক। ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার উপারবেড়া গ্রামের মানুষ উত্তেজিত। গ্রামে বড়সড় কোনও ঘটনা ঘটতে চলেছে নিশ্চয়ই।
বিশদ

01st  July, 2022
মোদি জমানায় সুইস
ব্যাঙ্কে কালো টাকার পাহাড়!
মৃণালকান্তি দাস

২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার আগে বিজেপির দাবি ছিল, সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের সাড়ে ১৭ লক্ষ কোটি কালো টাকা লুকনো রয়েছে। সেই টাকা তাঁরা উদ্ধার করবেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি। ‘কালো টাকা’ উদ্ধারের গাজর ঝুলিয়ে দেশবাসীকে আজও বোকা বানিয়ে চলেছেন। আর উল্টো দিকে, কোটি কোটি টাকা ঋণখেলাপ করে ‘ঘনিষ্ঠ’ শিল্পপতিরা একে একে বিদেশ চলে যাচ্ছেন।
বিশদ

30th  June, 2022
বুলডোজার রাজনীতিই
চিনিয়ে দেয় স্বৈরতন্ত্রকে
সন্দীপন বিশ্বাস

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখন তো তিনিই দায়বদ্ধ। তিনি অনায়াসেই বলতে পারেন, তাঁর আমলে কাদের টাকা সুইস ব্যাঙ্কে ঢুকেছে। তাহলে কি দেখা যাচ্ছে? নোট বাতিলে ধরা পড়ল না একটাও কালো টাকা। উল্টে তারপরেই সুইস ব্যাঙ্কে বেড়ে গেল কালো টাকার পরিমাণ। নোট বাতিলের ‘সুফল’ কারা ভোগ করলেন? তাই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচিত সুইস ব্যাঙ্কের তথ্যপ্রকাশ করে প্রকৃত রাজধর্ম পালন করা। বিশদ

29th  June, 2022
দেশকে গনগনে আগুনের পথেই ঠেলে দিতে অগ্নিপথ
হুমায়ুন কবীর

ভারতের স্বাধীনতার দিনেই ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মি’-র আনুগত্য পাল্টে যায়। তবে, আমাদের সেনার পথ চলা শুরু ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সংবিধান কার্যকর হওয়ার দিন থেকে।
বিশদ

28th  June, 2022
একটি আত্মনির্ভরতার কাহিনি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট। মাস দুয়েক আগের ছবিটাও ছিল এক্কেবারে অন্যরকম। ঈদ আসছে... আর বাড়ি ফিরছে মানুষ। এই সময়টার জন্যই যে অপেক্ষায় থাকে মুজিবুর রহমানের দেশ। 
বিশদ

28th  June, 2022
ছুঁচ গলে না, হাতি পেরিয়ে যায়
পি চিদম্বরম

সরকার যেসব তথাকথিত পরিবর্তন করেছে এবং কিছু ছাড় দিয়েছে তা থেকে এই মৌলিক প্রশ্নের উত্তর মিলছে না যে, যৎসামান্য-প্রশিক্ষিত, নামমাত্র অনুপ্রাণিত এবং মূলত চুক্তিভিত্তিক প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভীষণভাবে দুর্বল করে দেবে কি না।
বিশদ

27th  June, 2022
বালাসাহেব থাকলে এই
দিন দেখতে হতো না...
হিমাংশু সিংহ

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস পতন ডেকে আনে। বালা সাহেবের উগ্র হিন্দুত্বের লাইন থেকে সরে শারদ পাওয়ারের কথায় পথ চলা একদিন না একদিন যে ব্যুমেরাং হবেই, তাও নিশ্চিতই ছিল। সেই সুযোগটারই ফায়দা তুলতে নেমেছে গেরুয়া শিবির। সঙ্গে শিবসেনার হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক দখলের হাতছানি! এই খেলার অন্তিম পরিণতি জানতে আরও বেশকিছুটা সময় অপেক্ষা করতেই হবে। শিবসৈনিকদের রাশ কার হাতে থাকবে তা এখনও অনিশ্চিত।
বিশদ

26th  June, 2022
মানুষ কিনতে না পেরেই ‘রায়’ কেনার মরিয়া চেষ্টা
তন্ময় মল্লিক

‘পারিব না—এ কথাটি বলিও না আর,...একবার না-পারিলে দেখ শতবার।’ কবি কালীপ্রসন্ন ঘোষ। বিজেপির দিল্লির নেতৃত্ব কি কবির এই কথাতেই অনুপ্রাণিত? সেই কারণেই কি প্রথম দু’বারের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় মুখে কালি লাগলেও হাল ছাড়েনি!​​​​ 
বিশদ

25th  June, 2022
একনজরে
‘গর্বের পদ্মা সেতু’ নিয়ে আবেগে ভাসছে গোটা বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে দেশবাসীর প্রশংসাও কুড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ২৫ জুন বাংলাদেশের দীর্ঘতম পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন ...

রবিবার বিরাট কোহলির সঙ্গে তরজাকে খেলার অঙ্গ হিসেবেই দেখছেন জনি বেয়ারস্টো। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের শতরানকারীর তা নিয়ে কোনও রাগ বা ক্ষোভ নেই। বরং বিরাটের স্লেজিং ...

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এবার বেসরকারি স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, আবাসনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ির পথে হাঁটছে কলকাতা পুরসভা। এ সংক্রান্ত যে আইন রয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে চাইছে পুর কর্তৃপক্ষ। দিনে ১০০ কেজি বা তার বেশি আবর্জনা জমা হয়, এমন বহুতলের জঞ্জাল ব্যবস্থাপনা তাদেরই করতে হবে। ...

বাস খাদে পড়ে মৃত্যু হল ১২ জনের। গুরুতর জখম আরও তিনজন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার হিমাচল প্রদেশের কুলুতে।  এদিন সকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে যায়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

দেবকর্মে অমনোযোগিতা ও বাধা। আইনজীবীদের কর্মোন্নতি ও উপার্জন বৃদ্ধি। স্বাস্থ্য চলনসই থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৮৭: ইংরেজ বিজ্ঞানী এবং আধুনিক বিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ স্যার আইজাক নিউটনের লেখা ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা  প্রকাশিত হয়
১৮৪১: টমাস কুক প্রথম ট্রাভেল এজেন্সি চালু করেন
১৯০১:বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও কলকাতার নিউ থিয়েটার্সের প্রতিষ্ঠাতা  বীরেন্দ্রনাথ সরকারের জন্ম
 ১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
১৯৭৩: নৃত্যশিল্পী তথা বিশিষ্ট কোরিওগ্রাফার গীতা কাপুরের জন্ম
১৯৮২: সঙ্গীত শিল্পী জাভেদ আলির জন্ম
১৯৯৩: অভিনেতা  কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৫: বিশিষ্ট ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পি ভি সিন্ধুর জন্ম 
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৮.১৩ টাকা ৭৯.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৯১ টাকা ৯৭.২৪ টাকা
ইউরো ৮০.৯০ টাকা ৮৩.৯০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
03rd  July, 2022
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৯০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
03rd  July, 2022

দিন পঞ্জিকা

২০ আষাঢ়, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২। ষষ্ঠী ৩৬/১১ রাত্রি ৭/২৯। পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র ১৩/৪৪ দিবা ১০/৩০। সূর্যোদয় ৫/০/৩৯, সূর্যাস্ত ৬/২১/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১২/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে ৪/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ১২/২ গতে ২/১০ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ গতে ৯/৫৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ৩/১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/১ মধ্যে। 
২০ আষাঢ়, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২। ষষ্ঠী দিবা ৩/১৩। পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ মধ্যে ও ৯/২৯ গতে ১২/৯ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪৩ গতে ৯/৩ মধ্যে। 
৫ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পঞ্চম টেস্ট: ভারতকে হারিয়ে ৭ উইকেটে জিতল ইংল্যান্ড, সিরিজ ড্র (২-২)

04:45:14 PM

রেকর্ড, ডলার প্রতি টাকার দাম কমে হল ৭৯.৩৬

04:31:00 PM

বার্মিংহাম টেস্ট: পঞ্চম দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড ৩৫৮/৩, জয়ের জন্য প্রয়োজন ২০ রান

04:27:00 PM

১০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

04:01:29 PM

হলদিয়ায় শিল্প সংস্থাগুলিকে নিয়ে জেলা প্রশাসনের বৈঠক

04:00:56 PM

নেপালের দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১

03:13:39 PM