Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

চাই নয়া নীতি, সাহস, স্বচ্ছতা ও গতি
পি চিদম্বরম

বিশ্বাস করতে পারি না যে প্রথমবার আর্থিক নীতি পরিবর্তনের জন্য তূর্য বাজানো বা ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ভারতীয় মুদ্রার (টাকা) অবমূল্যায়ন ঘটানোর পর ৩১ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। এটি ছিল একটি নাটকীয়, বিঘ্নসৃষ্টিকারী 
এবং ভয়ানক নিন্দনীয় পদক্ষেপ। এর বিরুদ্ধে বিরোধীরা এতটাই সরব ছিল যে পি ভি নরসিমহা রাও পরবর্তী পদক্ষেপ স্থগিত রাখতে চেয়েছিলেন। পদক্ষেপ স্থগিত রাখার যে ইচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর ছিল সেটি বাস্তবায়নের ভান করেছিলেন মনমোহন সিং। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ডেপুটি গভর্নর সি রঙ্গরাজনকে পাওয়া যায়নি এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই আর একদফা অবমূল্যায়নের ঘোষণা দিয়ে ফের তূর্য বাজানো হয়েছিল! এটি ছিল একটি পূর্ব পরিকল্পিত ও দুই ধাপের একটি নৃত্য প্রদর্শনী এবং পরিবেশন করা হয়েছিল দুর্দান্ত দক্ষতার সঙ্গে।
যা অনুসৃত হয়েছে তা দুটিমাত্র শব্দে সংক্ষিপ্ত করা যেতে পারে: বিশুদ্ধ সাহস। সরকার পর্যায়ক্রমে দ্রুত ঘোষণা করে বাণিজ্য নীতির সংস্কার, নতুন শিল্পনীতি এবং একটি যুগান্তকারী বাজেট। সরকারের সাহস, স্বচ্ছতা ও গতি প্রত্যক্ষ করে সারা দুনিয়া নড়েচড়ে বসে। স্বভাবসিদ্ধ দুলকি চাল ছেড়ে হাতিও যেন তেড়েফুঁড়ে নৃত্যে মেতে উঠল।

মুক্ত বাজার অর্থনীতি নিশ্চিতকরণ
কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারই উদারীকরণের যুগের সূচনা করেছিল। তারপর থেকে গত ৩০ বছরে দেশ সম্পদসৃষ্টি করেছে। নতুন ব্যবসা-বাণিজ্য হয়েছে। নতুন নতুন উদ্যোগপতি তৈরি হয়েছেন। একটি বিশাল মধ্যবিত্ত শ্রেণি সৃষ্টি হয়েছে। চাকরি হয়েছে লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক-যুবতীর। এছাড়া হয়েছে বিপুল রপ্তানি বাণিজ্য। ওই সময়ে ২৭ কোটি মানুষ দারিদ্র্র্যের অভিশাপমুক্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে ভীষণভাবে উপকৃত হয়েছে দেশ। তবুও সন্দেহের অবকাশ নেই যে একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ চরম দারিদ্র্যকে সঙ্গী করেই বেঁচে রয়েছেন। বিশ্ব ক্ষুধা সূচক (গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স) ২০২১-এ, ভারতের র‌্যাঙ্ক ১১৬টি দেশের মধ্যে ১০১—এটাই প্রমাণ করে যে এখানে ক্ষুধা রয়েছে। অন্যদিকে, জাতীয় পারিবারিক স্বাস্থ্য সমীক্ষা-৫ (এনএফএইচএস-৫) রিপোর্ট পরিষ্কার দিয়েছে যে, নারী ও শিশুদের মধ্যে অপুষ্টি রয়েছে সর্বত্র। শিক্ষা বিষয়ক বার্ষিক রিপোর্ট (অ্যানুয়াল স্টেটাস অব এডুকেশন রিপোর্টস) সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রতিষ্ঠান থেকে ছেলেমেয়েরা বিশেষ কিছু শিখতে পারছে না। ব্যাপক বেকারত্ব তো রয়েছেই। আর আছে পর্যায়ক্রমিক উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি। আয়, সম্পদ ও লিঙ্গ বৈষম্য বেড়ে চলেছে। রয়েছে মারাত্মক আঞ্চলিক বৈষম্য। অনেক শ্রেণির মানুষ ন্যায্য ও সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত।
মুক্ত, উদার ও বাজার অর্থনীতির পথ থেকে আমরা সরে যেতে পারি না। সেটা হবে আত্মঘাতী পদক্ষেপ। তবুও, আমাদের অবশ্যই সার্বিক মূল্যায়ন করতে হবে এবং সারা পৃথিবীর ও ভারতের উন্নয়নের সত্য বিবেচনায় রেখে আমাদের অর্থনৈতিক নীতিগুলি ফের নির্ধারণ করতে হবে। তার জন্য প্রয়োজন ১৯৯১-এর সাহস, স্বচ্ছতা এবং গতি।

সারা বিশ্বের ও দেশীয় উন্নয়ন
বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন চিত্রে চোখ রাখুন। ধনী দেশগুলি আরও ধনী হয়েছে এবং উদাহরণস্বরূপ উল্লেখ করা যায়—চীন ও ভারতের মধ্যে ব্যবধানটি হয়েছে অনেক চওড়া। ২০২২ সালে চীনের নমিনাল জিডিপির পরিমাণ দাঁড়াবে ১৬.৭  ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং সেটা ভারতের ক্ষেত্রে হবে ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিজিটাল প্রযুক্তি মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের দখল নেবে। ডেটা হবে নতুন সম্পদ। অটোমেশন, রোবোটিক্স, মেশিন লার্নিং এবং 
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশ্ব শাসন করবে এবং মানুষের ভূমিকা সংজ্ঞায়িত হবে আর একবার। ফাইভ জি, ইন্টারনেট ৩.০, ব্লকচেইন, মেটাভার্স এবং 
অজ্ঞাত বিষয়গুলি নয়া বিশ্বের নানা স্পেস-এর ব্যাখ্যা দেবে। জলবায়ু পরিবর্তনের পরিণতি আছড়ে পড়বে এবং মানবজাতি তারই মোকাবিলায় লড়তে থাকবে। জীবাশ্ম জ্বালানি আমরা শেষ করে ফেলব এবং এই গ্রহে বেঁচে থাকতে ‘ক্লিন এনার্জি’-র উত্স বাড়াতে বাধ্য হব। 
দেশীয় উন্নয়নের কথা ভাবুন। টোটাল ফার্টিলিটি রেট (টিএফআর) ২.০-এ নেমে এসেছে, যা রিপ্লেসমেন্ট রেটের নীচে। ১৫ বছরের কম বয়সি জনসংখ্যার অনুপাত ২০১৫-১৬ সালে ছিল ২৮.৬ শতাংশ, সেটি ২০১৯-২১ সালে ২৬.৫ শতাংশে নেমে এসেছে। এটি ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের শেষের সূচনা বলে চিহ্নিত করে। গড়পড়তা কৃষকরা বেশিই ফসল ফলাচ্ছেন, তবুও তাঁদের জীবনযাপনের মানের উন্নতি হয়নি। অতএব, একজন কৃষক বিশ্বাস করেন যে কৃষিকাজে বাস্তবিক কোনও লাভ নেই ঩এবং তাঁদের সন্তানরাও আর কৃষিকাজকে জীবিকা হিসেবে নিতে চায় না। নগরায়ণ হচ্ছে দ্রুত এবং হু হু করে বাড়ছে শহুরে বেকারত্বের হার। প্রসার ঘটছে ডিজিটাইজেশনের। গরিব এবং মধ্যবিত্ত/ধনীর মধ্যে অনুরূপ ডিজিটাল বিভাজনও ঘটছে। সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিপত্যচিন্তা জায়গা পাচ্ছে সাধারণ নাগরিকদের কথাবার্তায়। মেরুকরণ ও ঘৃণার রাজনীতি অর্থনীতির উপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। জনসংখ্যার ২০ শতাংশকে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো থেকে বাদ রেখে কোনও জাতি ইকনমিক পাওয়ার বা অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে উঠতে পারে না।

বর্জন হল আত্ম-পরাজয়
পুনর্নির্ধারণ অনিবার্য। গত কয়েক বছরে যেমনটা হয়েছে—চাকরি-বাকরি নেই—এমন একটি বৃদ্ধি দেশ মেনে নেবে না। ‘চাকরি’-ই হবে বৃদ্ধির ভিত্তি। এক-একটি চাকরি সৃষ্টির স্রোতেই বাকি কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। বছরে ২ কোটি চাকরি সৃষ্টির উচ্চকিত প্রতিশ্রুতি থেকে মোদি সরকার ‘পাকোড়া বিক্রি করা’ একটি চাকরির পক্ষে করুণ যুক্তিজাল বিস্তার করেছে। যেসব পরিশ্রমী পরিবার ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করার জন্য তাদের যথাসর্বস্ব ব্যয় করে দেখছে চাকরিই নেই—মোদি সরকার তাদের হতাশ করেছে। হিন্দুত্বের আবেগে ভাসিয়ে দিয়ে মোদি সরকার হয়তো সাময়িকভাবে পিঠ বাঁচাতে পারবে, কিন্তু  তরুণরা অচিরেই বুঝতে পারবেন যে হিন্দুত্ব (এবং একটি মেরুকৃত ও বিভক্ত সমাজ) কাউকে চাকরি দেবে না—তিনি নারী/পুরুষ, হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ, অন্যকোনও ধর্মবিশ্বাসী কিংবা নাস্তিক যেটাই হোন না কেন।
এই আলোচনা আমাদের, অনিবার্যভাবে, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কের পরিবর্তিত ভারসাম্যের দিকে নিয়ে যায়। সম্পর্কগুলি অতীতে এতটা আশঙ্কাভরা ছিল না। আগে রাজ্যগুলির অর্থব্যবস্থাও এতটা নাজুক ছিল না কখনও। রাজ্যগুলির নিজস্ব সম্পদ হ্রাস পেয়েছে। জিএসটির প্রতি হতাশা ক্রমে বাড়ছে। এর জন্য এর পরিচালন ব্যবস্থাকেই দায়ী করতে হয়। কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে আস্থার সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভাঙন ধরেছে। এমনকী ‘ব্রেক্সিট’ ধাঁচে, কথাবার্তা চলছে ‘জিএসটি-এক্সিট’ নিয়ে। রাজ্যগুলির আইন প্রণয়নের এক্তিয়ারের দখল নিয়েছে কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলি যাতে সেসব চুপচাপ মেনে নেয় তার জন্য কেন্দ্রের নির্বাহী ও আর্থিক ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে। শুধু মোদি সরকারের নীতিই নয়, এরা যে পন্থায় এগচ্ছে তাতে ফেডারেল কাঠামোটি ধ্বংস হয়ে যাবে। 
লেখক ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত
23rd  May, 2022
প্যাকেজিংয়ের ঘোড়ায়
বিভাজনের সওয়ারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সংস্কারের ঘোড়ায় চেপে প্রবল গতিতে ছুটে চলেছেন মোদিজি। তাই তো দখল হচ্ছে একের পর এক রাজ্য। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই! থোড়াই কেয়ার। নানা ছক বেরিয়ে আসছে আস্তিন থেকে। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে একের পর এক রাজ্য সরকার। এত ব্যস্ততার মধ্যে নূপুর শর্মার মতো ছোট্ট ইস্যুতে কি সত্যিই কথা বলা যায়?
বিশদ

দু’টি বিভক্ত গণতন্ত্র
পি চিদম্বরম

ভারত এমনিতেই বর্ণ, ধর্ম, ভাষা এবং লিঙ্গ বৈষম্যে বিভক্ত। এরপর বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিপত্যবাদ এবং নীতির কেন্দ্রীকরণে ভারত নতুনভাবে আরও বিভক্ত হয়ে চলেছে। … আপনি কি কখনও কল্পনা করেছিলেন যে এমন একটি দিন আসবে যখন দু’টি বৃহৎ যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতন্ত্র বিভক্ত হবে?
বিশদ

04th  July, 2022
বিজেপির পরের লক্ষ্য কি বিহার ও রাজস্থান?
হিমাংশু সিংহ

জার্মানির মাটিতে দাঁড়িয়ে জরুরি অবস্থার আদ্যশ্রাদ্ধ করছেন প্রধানমন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে লম্বা চওড়া সওয়াল করে বেআব্রু করছেন কংগ্রেস থুড়ি ইন্দিরা জমানার কালো সময়টাকে।
বিশদ

03rd  July, 2022
নিঃস্ব বামেরা বিজেপিকে
শক্তি জোগাচ্ছে
তন্ময় মল্লিক

উস্কানি এভারেস্ট ছুঁলেও বিজেপি তা থেকে ফায়দা তুলতে পারল না। মহকুমা পরিষদের নির্বাচন বুঝিয়ে দিল, বাংলা ভাগের ফাঁদে পা দেয়নি শিলিগুড়ি। তাই কর্পোরেশনের পর মহকুমা পরিষদের নির্বাচনেও ভরসা থাকল সেই শাসক দলেই। বিশদ

02nd  July, 2022
সবকা বিকাশ? বিজলি
পানি সড়কই হল না! 
সমৃদ্ধ দত্ত

এত সরকারি, বেসরকারি অফিসার। এত গাড়ি। এত বড় বড় ট্রাক। ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার উপারবেড়া গ্রামের মানুষ উত্তেজিত। গ্রামে বড়সড় কোনও ঘটনা ঘটতে চলেছে নিশ্চয়ই।
বিশদ

01st  July, 2022
মোদি জমানায় সুইস
ব্যাঙ্কে কালো টাকার পাহাড়!
মৃণালকান্তি দাস

২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার আগে বিজেপির দাবি ছিল, সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের সাড়ে ১৭ লক্ষ কোটি কালো টাকা লুকনো রয়েছে। সেই টাকা তাঁরা উদ্ধার করবেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি। ‘কালো টাকা’ উদ্ধারের গাজর ঝুলিয়ে দেশবাসীকে আজও বোকা বানিয়ে চলেছেন। আর উল্টো দিকে, কোটি কোটি টাকা ঋণখেলাপ করে ‘ঘনিষ্ঠ’ শিল্পপতিরা একে একে বিদেশ চলে যাচ্ছেন।
বিশদ

30th  June, 2022
বুলডোজার রাজনীতিই
চিনিয়ে দেয় স্বৈরতন্ত্রকে
সন্দীপন বিশ্বাস

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখন তো তিনিই দায়বদ্ধ। তিনি অনায়াসেই বলতে পারেন, তাঁর আমলে কাদের টাকা সুইস ব্যাঙ্কে ঢুকেছে। তাহলে কি দেখা যাচ্ছে? নোট বাতিলে ধরা পড়ল না একটাও কালো টাকা। উল্টে তারপরেই সুইস ব্যাঙ্কে বেড়ে গেল কালো টাকার পরিমাণ। নোট বাতিলের ‘সুফল’ কারা ভোগ করলেন? তাই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচিত সুইস ব্যাঙ্কের তথ্যপ্রকাশ করে প্রকৃত রাজধর্ম পালন করা। বিশদ

29th  June, 2022
দেশকে গনগনে আগুনের পথেই ঠেলে দিতে অগ্নিপথ
হুমায়ুন কবীর

ভারতের স্বাধীনতার দিনেই ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মি’-র আনুগত্য পাল্টে যায়। তবে, আমাদের সেনার পথ চলা শুরু ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সংবিধান কার্যকর হওয়ার দিন থেকে।
বিশদ

28th  June, 2022
একটি আত্মনির্ভরতার কাহিনি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট। মাস দুয়েক আগের ছবিটাও ছিল এক্কেবারে অন্যরকম। ঈদ আসছে... আর বাড়ি ফিরছে মানুষ। এই সময়টার জন্যই যে অপেক্ষায় থাকে মুজিবুর রহমানের দেশ। 
বিশদ

28th  June, 2022
ছুঁচ গলে না, হাতি পেরিয়ে যায়
পি চিদম্বরম

সরকার যেসব তথাকথিত পরিবর্তন করেছে এবং কিছু ছাড় দিয়েছে তা থেকে এই মৌলিক প্রশ্নের উত্তর মিলছে না যে, যৎসামান্য-প্রশিক্ষিত, নামমাত্র অনুপ্রাণিত এবং মূলত চুক্তিভিত্তিক প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভীষণভাবে দুর্বল করে দেবে কি না।
বিশদ

27th  June, 2022
বালাসাহেব থাকলে এই
দিন দেখতে হতো না...
হিমাংশু সিংহ

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস পতন ডেকে আনে। বালা সাহেবের উগ্র হিন্দুত্বের লাইন থেকে সরে শারদ পাওয়ারের কথায় পথ চলা একদিন না একদিন যে ব্যুমেরাং হবেই, তাও নিশ্চিতই ছিল। সেই সুযোগটারই ফায়দা তুলতে নেমেছে গেরুয়া শিবির। সঙ্গে শিবসেনার হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক দখলের হাতছানি! এই খেলার অন্তিম পরিণতি জানতে আরও বেশকিছুটা সময় অপেক্ষা করতেই হবে। শিবসৈনিকদের রাশ কার হাতে থাকবে তা এখনও অনিশ্চিত।
বিশদ

26th  June, 2022
মানুষ কিনতে না পেরেই ‘রায়’ কেনার মরিয়া চেষ্টা
তন্ময় মল্লিক

‘পারিব না—এ কথাটি বলিও না আর,...একবার না-পারিলে দেখ শতবার।’ কবি কালীপ্রসন্ন ঘোষ। বিজেপির দিল্লির নেতৃত্ব কি কবির এই কথাতেই অনুপ্রাণিত? সেই কারণেই কি প্রথম দু’বারের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় মুখে কালি লাগলেও হাল ছাড়েনি!​​​​ 
বিশদ

25th  June, 2022
একনজরে
তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে রাজ্যে বিনিয়োগ টানাই যে তাঁর মূল লক্ষ্য তা আগেই পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিল্পে বিনিয়োগ টানার পাশাপাশি কৃষি ক্ষেত্রে আরও ...

বাস খাদে পড়ে মৃত্যু হল ১২ জনের। গুরুতর জখম আরও তিনজন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার হিমাচল প্রদেশের কুলুতে।  এদিন সকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে যায়। ...

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এবার বেসরকারি স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, আবাসনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ির পথে হাঁটছে কলকাতা পুরসভা। এ সংক্রান্ত যে আইন রয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে চাইছে পুর কর্তৃপক্ষ। দিনে ১০০ কেজি বা তার বেশি আবর্জনা জমা হয়, এমন বহুতলের জঞ্জাল ব্যবস্থাপনা তাদেরই করতে হবে। ...

রবিবার বিরাট কোহলির সঙ্গে তরজাকে খেলার অঙ্গ হিসেবেই দেখছেন জনি বেয়ারস্টো। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের শতরানকারীর তা নিয়ে কোনও রাগ বা ক্ষোভ নেই। বরং বিরাটের স্লেজিং ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

দেবকর্মে অমনোযোগিতা ও বাধা। আইনজীবীদের কর্মোন্নতি ও উপার্জন বৃদ্ধি। স্বাস্থ্য চলনসই থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৮৭: ইংরেজ বিজ্ঞানী এবং আধুনিক বিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ স্যার আইজাক নিউটনের লেখা ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা  প্রকাশিত হয়
১৮৪১: টমাস কুক প্রথম ট্রাভেল এজেন্সি চালু করেন
১৯০১:বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও কলকাতার নিউ থিয়েটার্সের প্রতিষ্ঠাতা  বীরেন্দ্রনাথ সরকারের জন্ম
 ১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
১৯৭৩: নৃত্যশিল্পী তথা বিশিষ্ট কোরিওগ্রাফার গীতা কাপুরের জন্ম
১৯৮২: সঙ্গীত শিল্পী জাভেদ আলির জন্ম
১৯৯৩: অভিনেতা  কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৫: বিশিষ্ট ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পি ভি সিন্ধুর জন্ম 
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৮.১৩ টাকা ৭৯.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৯১ টাকা ৯৭.২৪ টাকা
ইউরো ৮০.৯০ টাকা ৮৩.৯০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
03rd  July, 2022
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৯০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
03rd  July, 2022

দিন পঞ্জিকা

২০ আষাঢ়, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২। ষষ্ঠী ৩৬/১১ রাত্রি ৭/২৯। পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র ১৩/৪৪ দিবা ১০/৩০। সূর্যোদয় ৫/০/৩৯, সূর্যাস্ত ৬/২১/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১২/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে ৪/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ১২/২ গতে ২/১০ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ গতে ৯/৫৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ৩/১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/১ মধ্যে। 
২০ আষাঢ়, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২। ষষ্ঠী দিবা ৩/১৩। পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ মধ্যে ও ৯/২৯ গতে ১২/৯ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪৩ গতে ৯/৩ মধ্যে। 
৫ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পঞ্চম টেস্ট: ভারতকে হারিয়ে ৭ উইকেটে জিতল ইংল্যান্ড, সিরিজ ড্র (২-২)

04:45:14 PM

রেকর্ড, ডলার প্রতি টাকার দাম কমে হল ৭৯.৩৬

04:31:00 PM

বার্মিংহাম টেস্ট: পঞ্চম দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড ৩৫৮/৩, জয়ের জন্য প্রয়োজন ২০ রান

04:27:00 PM

১০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

04:01:29 PM

হলদিয়ায় শিল্প সংস্থাগুলিকে নিয়ে জেলা প্রশাসনের বৈঠক

04:00:56 PM

নেপালের দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১

03:13:39 PM