Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার
ট্র্যাডিশন সমানে চলছে ...
হিমাংশু সিংহ

জওহরলাল নেহরু থেকে হালের নরেন্দ্র মোদি। ভারতের ইতিহাসকে নিজের মতো করে তুলে ধরার চেষ্টায় খামতি নেই কোথাও। নেহরু-গান্ধী পরিবারের আখ্যানে দেশের শ্রেষ্ঠ বীর সন্তান নেতাজি সুভাষের ভূমিকাকে ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর করার প্রয়াস আজও অব্যাহত। বারে বারে যা নিয়ে গর্জে উঠেছেন ইতিহাসবিদরা। স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। কিন্তু সেসবের তোয়াক্কা না করেই যত আলো আর গৌরব বর্ষিত হয়েছে মহাত্মা গান্ধীর আশীর্বাদধন্য একটি বিশেষ পরিবার ও তার বশংবদদের উপর। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের সিংহভাগই ছিল ওই পরিবারেরই নিয়ন্ত্রণে। আর আজ স্বাধীনতার ৭৫ বছরের অমৃত মহোৎসব পালনের ঠিক প্রাক্কালেও সেই একই ঘটনার আশ্চর্য পুনরাবৃত্তি। সমাপতনও বলা যায়। এবার পরিবার নয়, একটি সাম্প্রদায়িক দলের হাতে বন্দি দেশের ইতিহাস। অতীত বিচ্যুতি সংশোধনের নামে শুরু হয়েছে বিভাজনের তাস খেলার আরও সঙ্কীর্ণ প্রয়াস। রাষ্ট্রক্ষমতা একটি দল, একটি পরিবার কিংবা একক ব্যক্তিত্বের হাতে বন্দি হলে ক্ষমতার অহঙ্কারে ইতিহাসকে নিজের মতো করে চালিত করার নেশা শাসককে পেয়ে বসে বারেবারে। ইতিহাসই তার সাক্ষী! আজ একবিংশ শতাব্দীতেও তার নগ্ন চেহারা দেখা যাচ্ছে আরএসএস ও বিজেপির হাত ধরে। ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে, ভারতের সনাতন সহাবস্থান ও ‘মিলাবে মিলিবে’-র মহান আদর্শ। বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের ভাবনাই তাই আজ বড় বিপন্ন। 
কাশী বিশ্বনাথ ও জ্ঞানবাপীর পাশাপাশি থাকার ইতিবৃত্ত তো আজকের নয়। কয়েকশো বছরের পুরনো। মোঘল আমলের। তা নিয়ে বিতর্কও নতুন নয়। হঠাৎ আজ মূল্যবৃদ্ধি, আর্থিক সঙ্কট আর কাজ হারিয়ে বেকার হওয়া মানুষের দুঃসময়ে আওরঙ্গজেবের তাণ্ডবকে খুঁচিয়ে তুলে কোন স্বার্থসিদ্ধি হবে? কার লাভ এতে? জ্ঞানবাপীর ইতিহাস নতুন করে লিখে প্রধানমন্ত্রীর লোকসভা কেন্দ্রে বাহবা কুড়বে হিন্দুত্ববাদীরা। ভোটের বাক্স ভরে উঠবে হিন্দি বলয়ে। তাই সব ভুলিয়ে মন্দিরের পরিধি বিস্তারের লক্ষ্যেই কি এই ‘মামলা মামলা’ খেলার সুচিন্তিত স্ক্রিপ্টের অবতারণা। 
মথুরার কৃষ্ণ জন্মস্থানের পাশেই ঈদগার উপস্থিতি নিয়েও বিতর্ক বড় কম হয়নি। শেষে ১৯৬৮ সালে একটা সমঝোতা হয়। তারপর দীর্ঘদিন সব শান্তই ছিল। কিন্তু ওই যে সেদিন মোদিজি বলেছেন, এখনও অনেক কাজ তাঁর বাকি। কাজ বলতে তো দারিদ্র্য দূর করার কথা বলেননি তিনি। কর্মসংস্থানের অভীষ্ট লক্ষ্যপূরণও নয়। পরিযায়ী শ্রমিকের দুঃখমোচনও টার্গেট নয়। এজেন্ডা একটাই হিন্দুরাষ্ট্র গড়া। তাই মথুরাতেও সমঝোতা ভেঙে নতুন করে নিজেদের খেলায় মেতেছে হিন্দুত্ববাদীরা। মহামান্য আদালত চোর পুলিস ঠগ বাটপাড় ছেড়ে মন্দির মসজিদ বিরোধ মেটাতেই আজ হিমশিম। নির্বাচনী বৈতরণী পেরতে ওটাই আজ শাসকের প্রধান মূলধন যে!
মোদি জমানায় সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ বলেই অযোধ্যা মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে নবরূপে গড়ে ওঠা রামমন্দিরের উদ্বোধন কবে, তা এখনও ঘোষণা হয়নি। সেই প্রহর গুনছে অযোধ্যা। আসন্ন লোকসভা ভোটের আগেই চোখ ধাঁধানো মন্দিরের যে আত্মপ্রকাশ ঘটবে তা একপ্রকার নিশ্চিত। বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়েছিল প্রায় ৩০ বছর আগে। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর। তিন দশক পর সেখানে রামমন্দির গড়ে নয়া ইতিহাস তৈরির পথে ‘হিন্দু হৃদয় সম্রাট’ নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু তার চেয়েও বড় লক্ষ্য, চব্বিশের আগেই কাশী বিশ্বনাথ ও মথুরার কৃষ্ণ জন্মস্থানের শুদ্ধিকরণ। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের ব্যাপক সংস্কারের সঙ্গেই যুগ যুগ ধরে পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা জ্ঞানবাপী মসজিদেরও অস্তিত্ব প্রায় বিলোপ করে মন্দির সম্প্রসারণের কাজ শুরু করে দিয়েছে হিন্দুত্ববাদীরা। সবমিলিয়ে হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ। ঘটা করে আইনি সক্রিয়তা বাড়ানো তারই অঙ্গ। প্রাচীন পুষ্করিণী থেকে কখনও মিলছে শিবলিঙ্গ, কখনও ত্রিশূল। ঘিরে রাখা হয়েছে বিতর্কিত গোটা এলাকা। মোতায়েন হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আবার কোর্টে সিল করা খামে গোপনে পেশ করা সমীক্ষক সংস্থার সেইসব রিপোর্টও নিমেষে চলে আসছে মিডিয়ার হাতে। সবই হিন্দুত্ববাদীদের কৃপায়। যখন এমনটা হয়, তখন কেন্দ্রের শাসক দলের মনের ইচ্ছেটা বুঝতে অসুবিধা হয় না। ঠিক সেই দেখানো পথেই অগ্রসর হয় প্রশাসন। ফলে বিজেপি ও আরএসএসের এজেন্ডা অনুসরণ করেই কাজ চলছে। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি শুনছেন মহামান্য বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। তাঁর ঐতিহাসিক রায়ই অযোধ্যায় মন্দির তৈরির পথ প্রশস্ত করেছে। এবার জ্ঞানবাপী নিয়েও তাঁর সাড়া জাগানো রায় শোনার অপেক্ষায় দেশ। তারপর কৃষ্ণজন্মস্থান মথুরা। আরও কত আছে! ওই জন্যই তো একান্তে মোদিজি বলেছেন, বহু কাজ বাকি! সমঝদারদের জন্য ওই ইশারাটুকই যথেষ্ট। তার থেকেই নিন্দুকেরা বলছেন, জিতে এলে চব্বিশ থেকে ঊনত্রিশ তিনিই প্রধানমন্ত্রী। টানা ১৫ বছর। নেহরুকে ছুঁয়ে ফেলার মাহেন্দ্রক্ষণ। একইসঙ্গে মুছে ফেলারও। ২০২৬ সালে তাঁর বয়স ৭৫ অতিক্রম করলেও আপাতত অমিত শাহ কিংবা যোগী আদিত্যনাথের ভাগ্যে শিকে ছিড়বে না। আদবানি-যোশির মতো তাঁকে বানপ্রস্থেও যেতে হবে না। হিন্দুত্বের যাবতীয় এজেন্ডা পূরণ করে তবেই তিনি থামবেন। তার আগে নয়। 
কিন্তু হঠাৎ এই তাড়াহুড়োটা কেন? সব ফেলে একটা মসজিদ নিয়ে দেশ উত্তাল কেন? এতে কি রান্নার গ্যাসের দাম কমবে, না বাড়ির বেকার ছেলেটা চাকরি পাবে! না, কিছুই হবে না। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানার কোনও চেষ্টাই সফল হবে না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েই টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসতে ধর্মের এই আফিম বিতরণের পথে এগচ্ছেন মোদি সরকারের বাজনদাররা। যুক্তিবাদী বিজ্ঞান শিক্ষায় পারদর্শী এই দেশে এখনও যে শেষ কথা বলে ধর্ম, কুসংস্কার আর অদৃষ্টের দোহাই! ধুরন্ধর রাজনীতিকদের তা জানতে বাকি নেই!
শুধু হিন্দুত্ববাদের প্রসারই নয় সামরিক সাফল্যের নিরিখেও অতীত ইতিহাস ভুলিয়ে দিতে মরিয়া চেষ্টা চলছে বর্তমান গেরুয়া জমানায়। ১৯৬৫, ১৯৭১ এবং ২০০১ ভারতের সামরিক ইতিহাসে অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। লালবাহাদুর শাস্ত্রী, ইন্দিরা গান্ধী ও বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অটলবিহারী বাজপেয়ির যুদ্ধজয়ের সেই গৌরব গাথাও মুছে দিতেও তৎপরতা তুঙ্গে। সদর্পে বলা হচ্ছে, আগে কোনও সুস্পষ্ট সামরিক নীতিই ছিল না দেশটার। ২০১৪ সালে সরকারে এসে নরেন্দ্র মোদিই প্রথম সুস্পষ্ট প্রতিরক্ষা নীতি ও কৌশল তৈরি করেন। অথচ চীন ও রাশিয়ার যে চোখ রাঙাচ্ছে। আমেরিকা যেমন ইচ্ছা নাচাচ্ছে, সেকথা বলা মানা। কিন্তু এই একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মতো কোনও সার্বিক বিরোধী জোট যেমন নেই, তেমনি সম্মিলিত প্রতিবাদও শোনা যাচ্ছে না। এটাই এই মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য!
উল্টে জোট যাতে না হয় সেজন্য একদল সক্রিয়। কংগ্রেসের ‘পাপ্পু’ রাহুল গান্ধী তো বলেই দিয়েছেন, আঞ্চলিক দলের জোটের কোনও ভবিষ্যৎ নেই, কংগ্রেসকেই নেতৃত্বে মেনে নিতে হবে। এই অবস্থায় বিরোধী জোটও সোনার পাথরবাটি ছাড়া এখনও কিছুই নয়। রাহুল গান্ধী নিজের নাক কেটে অন্য বিরোধী শক্তির যাত্রাভঙ্গের পথ দেখিয়ে দিয়েছেন উদয়পুরের পাঁচতারা রিসর্টে। সেই ঐতিহাসিক ভাষণের পর তাঁর দল শক্তিশালী হওয়ার বদলে আরও ভাঙছে। আর ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর রাগে হোক কিংবা অভিমানে সাফ বলে দিয়েছেন, হিমাচল ও গুজরাতেও ভরাডুবির জন্য তৈরি থাকুক কংগ্রেস। বলা বাহুল্য, উত্তর ভারতে হঠাৎ বিরোধী ভোট ভাঙতে নতুন শক্তির উদয় হচ্ছে। রাজ্যে রাজ্যে ভোট কেটে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আপ আখেরে বিজেপিরই সুবিধা করে দিচ্ছে। আরও দেবে। এতে শুধু ভোট ভাগই হবে না, বিরোধী জোটের পথে কাঁটা ছড়িয়ে বিজেপির সুবিধাও করে দেবে বিভিন্ন দল।
আর পশ্চিমবঙ্গে যথারীতি চলছে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তুঘলকি আচরণ। দুর্নীতি কেউ সহ্য করে না। তার বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থাই সময়ের দাবি। কিন্তু সিবিআইকে দেখে মনে হচ্ছে, আর সব রাজ্য সরকার আর তার মন্ত্রীরা বুঝি ধোয়া তুলসিপাতা। তাই সব কেন্দ্রীয় এজেন্সির একমাত্র গন্তব্য বাংলা। রাজ্যের এই বদনামও মেনে নেওয়া যায় না। আমরা দুর্নীতির সমর্থক নই। দুর্নীতিপরায়ণদের পক্ষেও নেই। অপরাধ করলে তার কঠোরতম শাস্তি হওয়াই উচিত। এক্ষেত্রে কোনও দল-রং দেখা চলবে না। কিন্তু একইসঙ্গে রাজনৈতিক প্রয়োজনে শুধু একটা রাজ্যে সব কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে নামিয়ে দেওয়ার এই কুনাট্যও বন্ধ হওয়া উচিত।
22nd  May, 2022
প্যাকেজিংয়ের ঘোড়ায়
বিভাজনের সওয়ারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সংস্কারের ঘোড়ায় চেপে প্রবল গতিতে ছুটে চলেছেন মোদিজি। তাই তো দখল হচ্ছে একের পর এক রাজ্য। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই! থোড়াই কেয়ার। নানা ছক বেরিয়ে আসছে আস্তিন থেকে। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে একের পর এক রাজ্য সরকার। এত ব্যস্ততার মধ্যে নূপুর শর্মার মতো ছোট্ট ইস্যুতে কি সত্যিই কথা বলা যায়?
বিশদ

দু’টি বিভক্ত গণতন্ত্র
পি চিদম্বরম

ভারত এমনিতেই বর্ণ, ধর্ম, ভাষা এবং লিঙ্গ বৈষম্যে বিভক্ত। এরপর বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিপত্যবাদ এবং নীতির কেন্দ্রীকরণে ভারত নতুনভাবে আরও বিভক্ত হয়ে চলেছে। … আপনি কি কখনও কল্পনা করেছিলেন যে এমন একটি দিন আসবে যখন দু’টি বৃহৎ যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতন্ত্র বিভক্ত হবে?
বিশদ

04th  July, 2022
বিজেপির পরের লক্ষ্য কি বিহার ও রাজস্থান?
হিমাংশু সিংহ

জার্মানির মাটিতে দাঁড়িয়ে জরুরি অবস্থার আদ্যশ্রাদ্ধ করছেন প্রধানমন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে লম্বা চওড়া সওয়াল করে বেআব্রু করছেন কংগ্রেস থুড়ি ইন্দিরা জমানার কালো সময়টাকে।
বিশদ

03rd  July, 2022
নিঃস্ব বামেরা বিজেপিকে
শক্তি জোগাচ্ছে
তন্ময় মল্লিক

উস্কানি এভারেস্ট ছুঁলেও বিজেপি তা থেকে ফায়দা তুলতে পারল না। মহকুমা পরিষদের নির্বাচন বুঝিয়ে দিল, বাংলা ভাগের ফাঁদে পা দেয়নি শিলিগুড়ি। তাই কর্পোরেশনের পর মহকুমা পরিষদের নির্বাচনেও ভরসা থাকল সেই শাসক দলেই। বিশদ

02nd  July, 2022
সবকা বিকাশ? বিজলি
পানি সড়কই হল না! 
সমৃদ্ধ দত্ত

এত সরকারি, বেসরকারি অফিসার। এত গাড়ি। এত বড় বড় ট্রাক। ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার উপারবেড়া গ্রামের মানুষ উত্তেজিত। গ্রামে বড়সড় কোনও ঘটনা ঘটতে চলেছে নিশ্চয়ই।
বিশদ

01st  July, 2022
মোদি জমানায় সুইস
ব্যাঙ্কে কালো টাকার পাহাড়!
মৃণালকান্তি দাস

২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার আগে বিজেপির দাবি ছিল, সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের সাড়ে ১৭ লক্ষ কোটি কালো টাকা লুকনো রয়েছে। সেই টাকা তাঁরা উদ্ধার করবেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি। ‘কালো টাকা’ উদ্ধারের গাজর ঝুলিয়ে দেশবাসীকে আজও বোকা বানিয়ে চলেছেন। আর উল্টো দিকে, কোটি কোটি টাকা ঋণখেলাপ করে ‘ঘনিষ্ঠ’ শিল্পপতিরা একে একে বিদেশ চলে যাচ্ছেন।
বিশদ

30th  June, 2022
বুলডোজার রাজনীতিই
চিনিয়ে দেয় স্বৈরতন্ত্রকে
সন্দীপন বিশ্বাস

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখন তো তিনিই দায়বদ্ধ। তিনি অনায়াসেই বলতে পারেন, তাঁর আমলে কাদের টাকা সুইস ব্যাঙ্কে ঢুকেছে। তাহলে কি দেখা যাচ্ছে? নোট বাতিলে ধরা পড়ল না একটাও কালো টাকা। উল্টে তারপরেই সুইস ব্যাঙ্কে বেড়ে গেল কালো টাকার পরিমাণ। নোট বাতিলের ‘সুফল’ কারা ভোগ করলেন? তাই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচিত সুইস ব্যাঙ্কের তথ্যপ্রকাশ করে প্রকৃত রাজধর্ম পালন করা। বিশদ

29th  June, 2022
দেশকে গনগনে আগুনের পথেই ঠেলে দিতে অগ্নিপথ
হুমায়ুন কবীর

ভারতের স্বাধীনতার দিনেই ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মি’-র আনুগত্য পাল্টে যায়। তবে, আমাদের সেনার পথ চলা শুরু ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সংবিধান কার্যকর হওয়ার দিন থেকে।
বিশদ

28th  June, 2022
একটি আত্মনির্ভরতার কাহিনি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট। মাস দুয়েক আগের ছবিটাও ছিল এক্কেবারে অন্যরকম। ঈদ আসছে... আর বাড়ি ফিরছে মানুষ। এই সময়টার জন্যই যে অপেক্ষায় থাকে মুজিবুর রহমানের দেশ। 
বিশদ

28th  June, 2022
ছুঁচ গলে না, হাতি পেরিয়ে যায়
পি চিদম্বরম

সরকার যেসব তথাকথিত পরিবর্তন করেছে এবং কিছু ছাড় দিয়েছে তা থেকে এই মৌলিক প্রশ্নের উত্তর মিলছে না যে, যৎসামান্য-প্রশিক্ষিত, নামমাত্র অনুপ্রাণিত এবং মূলত চুক্তিভিত্তিক প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভীষণভাবে দুর্বল করে দেবে কি না।
বিশদ

27th  June, 2022
বালাসাহেব থাকলে এই
দিন দেখতে হতো না...
হিমাংশু সিংহ

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস পতন ডেকে আনে। বালা সাহেবের উগ্র হিন্দুত্বের লাইন থেকে সরে শারদ পাওয়ারের কথায় পথ চলা একদিন না একদিন যে ব্যুমেরাং হবেই, তাও নিশ্চিতই ছিল। সেই সুযোগটারই ফায়দা তুলতে নেমেছে গেরুয়া শিবির। সঙ্গে শিবসেনার হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক দখলের হাতছানি! এই খেলার অন্তিম পরিণতি জানতে আরও বেশকিছুটা সময় অপেক্ষা করতেই হবে। শিবসৈনিকদের রাশ কার হাতে থাকবে তা এখনও অনিশ্চিত।
বিশদ

26th  June, 2022
মানুষ কিনতে না পেরেই ‘রায়’ কেনার মরিয়া চেষ্টা
তন্ময় মল্লিক

‘পারিব না—এ কথাটি বলিও না আর,...একবার না-পারিলে দেখ শতবার।’ কবি কালীপ্রসন্ন ঘোষ। বিজেপির দিল্লির নেতৃত্ব কি কবির এই কথাতেই অনুপ্রাণিত? সেই কারণেই কি প্রথম দু’বারের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় মুখে কালি লাগলেও হাল ছাড়েনি!​​​​ 
বিশদ

25th  June, 2022
একনজরে
বাস খাদে পড়ে মৃত্যু হল ১২ জনের। গুরুতর জখম আরও তিনজন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার হিমাচল প্রদেশের কুলুতে।  এদিন সকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে যায়। ...

তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে রাজ্যে বিনিয়োগ টানাই যে তাঁর মূল লক্ষ্য তা আগেই পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিল্পে বিনিয়োগ টানার পাশাপাশি কৃষি ক্ষেত্রে আরও ...

রবিবার বিরাট কোহলির সঙ্গে তরজাকে খেলার অঙ্গ হিসেবেই দেখছেন জনি বেয়ারস্টো। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের শতরানকারীর তা নিয়ে কোনও রাগ বা ক্ষোভ নেই। বরং বিরাটের স্লেজিং ...

এবার লালবাড়ির রং বদলের অপেক্ষা। ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল প্রকাশ হওয়ার পরই শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের ভবনের রং নীল-সাদা করার দাবি ওঠে। সেই দাবি পূরণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ভবনে পদাধিকারিকদের ঘর সাফাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। গ্রামে গ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

দেবকর্মে অমনোযোগিতা ও বাধা। আইনজীবীদের কর্মোন্নতি ও উপার্জন বৃদ্ধি। স্বাস্থ্য চলনসই থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৮৭: ইংরেজ বিজ্ঞানী এবং আধুনিক বিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ স্যার আইজাক নিউটনের লেখা ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা  প্রকাশিত হয়
১৮৪১: টমাস কুক প্রথম ট্রাভেল এজেন্সি চালু করেন
১৯০১:বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও কলকাতার নিউ থিয়েটার্সের প্রতিষ্ঠাতা  বীরেন্দ্রনাথ সরকারের জন্ম
 ১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
১৯৭৩: নৃত্যশিল্পী তথা বিশিষ্ট কোরিওগ্রাফার গীতা কাপুরের জন্ম
১৯৮২: সঙ্গীত শিল্পী জাভেদ আলির জন্ম
১৯৯৩: অভিনেতা  কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৫: বিশিষ্ট ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পি ভি সিন্ধুর জন্ম 
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৮.১৩ টাকা ৭৯.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৯১ টাকা ৯৭.২৪ টাকা
ইউরো ৮০.৯০ টাকা ৮৩.৯০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
03rd  July, 2022
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৯০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
03rd  July, 2022

দিন পঞ্জিকা

২০ আষাঢ়, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২। ষষ্ঠী ৩৬/১১ রাত্রি ৭/২৯। পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র ১৩/৪৪ দিবা ১০/৩০। সূর্যোদয় ৫/০/৩৯, সূর্যাস্ত ৬/২১/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১২/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে ৪/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ১২/২ গতে ২/১০ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ গতে ৯/৫৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ৩/১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/১ মধ্যে। 
২০ আষাঢ়, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২। ষষ্ঠী দিবা ৩/১৩। পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ মধ্যে ও ৯/২৯ গতে ১২/৯ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪৩ গতে ৯/৩ মধ্যে। 
৫ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পঞ্চম টেস্ট: ভারতকে হারিয়ে ৭ উইকেটে জিতল ইংল্যান্ড, সিরিজ ড্র (২-২)

04:45:14 PM

রেকর্ড, ডলার প্রতি টাকার দাম কমে হল ৭৯.৩৬

04:31:00 PM

বার্মিংহাম টেস্ট: পঞ্চম দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড ৩৫৮/৩, জয়ের জন্য প্রয়োজন ২০ রান

04:27:00 PM

১০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

04:01:29 PM

হলদিয়ায় শিল্প সংস্থাগুলিকে নিয়ে জেলা প্রশাসনের বৈঠক

04:00:56 PM

নেপালের দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১

03:13:39 PM