Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

তাজমহলের নিয়তি!
মৃণালকান্তি দাস

রামমন্দির আন্দোলন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের থেকেও বড়! বলেছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈন। তাঁর দাবি, এই পথেই রামরাজ্যের দিকে দেশ যাত্রা শুরু করেছে।
১৯৮৪ সালের লোকসভা ভোটে গোটা দেশে বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ২টি আসন। দেশের সংখ্যাগুরু মন টলিয়ে দেওয়ার ইস্যুর খোঁজ চলছিল গেরুয়া শিবিরে। বেছে নেওয়া হয়েছিল মহাকাব্যের নায়ককেই। বাবরি নিয়ে মহন্ত রঘুবীর দাস প্রথম মামলা করেছিলেন ফৈজাবাদ জেলা আদালতে। মসজিদের বাইরে রামচবুতরার উপরে একটি চন্দ্রাতপ বা ছাউনি তৈরির জন্য আদালতের সম্মতি চান তিনি। ফৈজাবাদ আদালত কিন্তু সম্মতি দেয়নি। আবেদন বাতিল করে। সেটা ১৯৮৫ সাল। বিজেপি বুঝতে পারে, এই ইস্যুতেই টলিয়ে দেওয়া যায় গোবলয়— গোটা দেশকেও। অতএব, রামকে প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে টেনে আনা হয় ১৯৮৯ সালে। হিমাচলপ্রদেশের পালমপুর কনভেনশনে বিজেপি সরাসরি প্রস্তাব আনে অযোধ্যায় রামমন্দির স্থাপনের। ৫০০ বছরের বিতর্কিত জায়গায় রামমন্দির নির্মাণের কথা বলে প্রস্তাব দেওয়া হয় নির্বাচনী ইস্তাহারে। সেই শুরু।
১৯৯২ সালে অযোধ্যার বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয় করসেবকদের হাতে। তারপর থেকে চলেছে শুধু মন্দির নিয়ে রাজনীতি আর অন্ধ ভক্তিবাদ। ১৯৯৬-এর ভোটে বিজেপি লোকসভায় জিতেছিল ১৬১টি আসন। মন্দির ইস্যুকে আঁকড়ে ধরেই ২৩ বছর পরে ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে সেই বিজেপি ৩০৩টি আসনে জিতে আসে। বিজেপি একাই সংখ্যাগরিষ্ঠ, শরিকদের ছাড়াই। সেই বছরই সর্বোচ্চ আদালত মন্দিরের পক্ষে রায় দেয়। বিতর্কিত জমিতে রামমন্দির তৈরির অনুমতি মেলে।
অযোধ্যায় দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাম-রাজ্যের স্বপ্ন দেখিয়ে বলেছিলেন, স্বাধীনতা আন্দোলনের মতোই রামমন্দির আন্দোলনে দেশের বহু মানুষ দীর্ঘসময় আত্মত্যাগ করেছেন। রামমন্দিরের শিলান্যাস সেই আত্মত্যাগেরই পরিণতি। দেশের উন্নয়নযজ্ঞে অনেককেই আত্মত্যাগ করতে হবে। সেই আত্মত্যাগেই ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ হবে। ভয় বিনু হোই ন প্রীতি’, অর্থাৎ ভীতি জাগাতে না পারলে প্রীতিও পাওয়া যায় না, বলেছিলেন মোদি। প্রধানমন্ত্রীর সেই ভয়ের আয়ুধে প্রীতি আদায়ের কৌশল এখন প্রতিদিন টের পাচ্ছে দেশবাসী। অযোধ্যা সূচনামাত্র, কাশী-মথুরা এখনও বাকি— এই স্লোগান ধীর লয়ে এখন গোটা দেশে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। এর সঙ্গে কখনও শোনা যাচ্ছে কুতুব মিনারকে ‘বিষ্ণু স্তম্ভ’ ঘোষণা করার দাবি, কখনও তাজমহলের নাম পরিবর্তনের স্লোগান। মোদির জমানার অন্যতম অভিজ্ঞান হিন্দুত্ববাদী কার্যকলাপগুলিকে রাষ্ট্রীয় প্রকল্পে পরিণত করা।
সমালোচকরা বলছেন, রামরাজ্য নয়। অযোধ্যা থেকে নরেন্দ্র মোদি আসলে হিন্দুরাষ্ট্রের পথে যাত্রা শুরু করেছেন। উত্তরপ্রদেশের বিজেপি নেতা রজনীশ সিং-রা সেই যাত্রাপথের কুশীলব। তাঁদের লক্ষ্য এবার তাজমহল! ওই সৌধের ‘প্রকৃত’ ইতিহাস খুঁজে বের করার ছকে তথ্যানুসন্ধানী কমিটি গঠনের আর্জি জানিয়েছিলেন বিজেপির ‘মিডিয়া ইনচার্জ’ রজনীশ সিং। একই সঙ্গে ওই স্মৃতিসৌধের ২২টি বন্ধ ঘর খুলে দেওয়ার আর্জিও জানিয়েছিলেন তিনি। রজনীশ সিংরা মনে করেন, তাজমহলের বাইশটি বন্ধ ঘরেই লুকানো আছে তার ‘আসল ইতিহাস’। তাঁর মতে, ওই বন্ধ ঘরগুলি খুললেই নাকি বেরিয়ে আসবে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি, আর তাতেই বোঝা যাবে ‘তেজো মহালয়’ (‘তাজমহল’ নয়) আদতে ছিল শিবমন্দির। যা ১২১২ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন রাজা পরমর্দি দেব।
প্রিয় বেগম মমতাজের স্মৃতি রক্ষার্থে সম্রাট শাহজাহান ১৬৩১ সালে যে কাজে হাত দিয়েছিলেন, ২২ বছর ধরে ২২ হাজার শ্রমিকের উদয়াস্ত পরিশ্রম শেষে তা শেষ হয় ১৬৫৩ সালে। সেই বিস্ময়-স্থাপত্য তাজমহলকে ঘিরে বিতর্ক অবশ্য এই প্রথম নয়। মাঝেমধ্যেই তা মাথাচাড়া দেয়। ২০১৫ সালে উত্তরপ্রদেশের একদল আইনজীবীও এ নিয়ে মামলা করেছিলেন। ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশের কট্টরবাদী বিজেপি নেতা বিনয় কাটিয়ার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছে দাবি জানিয়েছিলেন, তাজমহলের অভ্যন্তরে কোনও হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে কি না খতিয়ে দেখতে। ২০১৯ সালে কর্ণাটকের বিজেপি নেতা অনন্ত কুমার হেগড়ে দাবি করেন, শাহজাহান নাকি আদৌ তাজমহল তৈরি করেননি। ওটা তিনি কিনেছিলেন রাজা জয় সিংয়ের কাছ থেকে। ১৯৮৯ সাল থেকেই ধারাবাহিকভাবে মত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে নানা হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। রামমন্দিরের সাফল্য সেই মতকে আরও গতি দিয়েছে।
বাজার গরম করতে তাজমহল নিয়ে মন্তব্য করেন রাজস্থানের জয়পুর রাজপরিবারের রানি দীয়া কুমারীও। বিজেপির লোকসভা সদস্য জয়পুরের শেষ মহারাজা মান সিংয়ের এই নাতনির দাবি, যে জমিতে তাজমহল তৈরি, একসময় তা ছিল জয়পুর রাজপরিবারের। এই সংক্রান্ত কাগজপত্রও তাঁদের রাজ পরিবারে রয়েছে। প্রয়োজনে তা দাখিলও করতে পারবেন। দীয়া কুমারী বলেন, ‘আমি বলছি না তাজমহল ভেঙে ফেলা হোক। কিন্তু সত্য উদ্‌ঘাটনে বন্ধ দরজা খোলা দরকার। সব রহস্য ওখানেই।’ কিন্তু গত ১২ মে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দুই বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় ও সুভাষ বিদ্যার্থী মামলাকারীকে ভর্ৎসনা করে বলেন, ‘জনস্বার্থ মামলাকে এভাবে উপহাসে পরিণত করবেন না। এরপর তো আমাদের চেম্বার খুলে দেখতে চাওয়া হবে, কী রয়েছে!’ ১৬ মে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (আর্কিয়োলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা এএসআই)-এর তরফে সেই ‘গোপন’ কুঠুরিগুলির ছবি প্রকাশ করা হয়। তাজমহল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত এএসআই-এর ‘আগরা সেল’ জানিয়ে দেয়, ওই কুঠুরিগুলিতে কোনও গোপনীয়তা নেই। এগুলি মূল কাঠামোর অংশমাত্র। ২০২১-এর ডিসেম্বর থেকে ২০২২-এর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যমুনা নদীখাত লাগোয়া ওই ভূগর্ভস্থ ঘরগুলিতে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হয়েছিল। সেই সময়ই ছবিগুলি তোলা হয়। প্রকাশিত চারটি ছবি গত ডিসেম্বরে তোলা। তাহলে কি তাজমহল নিয়ে যাবতীয় শোরগোলের ইতি এখানেই? গেরুয়া শিবিরের ইতিহাস সেকথা বলে না। এলাহাবাদ হাইকোর্ট রজনীশ সিংয়ের আর্জিকে অযৌক্তিক অ্যাখ্যা দিয়ে খারিজ করে দিলেও ভয়ঙ্কর বিপদের ইঙ্গিত টের পাওয়া যায়।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর শা-জাহান কবিতায় তাজমহল সম্পর্কে লিখেছেন, ‘একবিন্দু নয়নের জল, কালের কপোলতলে শুভ্র সমুজ্জ্বল, এ তাজমহল।’ দুনিয়ার সপ্তম আশ্চর্য। তিন দশক আগে তাজমহলের টানে এসেছিলেন যুবরানি ডায়ানা। ছবি তুলেছিলেন মার্বেলের বেঞ্চে বসে। সেই থেকে বেঞ্চটির নামই হয়ে যায় ‘ডায়ানা বেঞ্চ’। চার্লসের সঙ্গে তখনও বিবাহবিচ্ছেদ না হলেও তাজ-সফরে ডায়ানার সঙ্গী হননি তিনি। তারিখটা ছিল ১৯৯২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি। দু’যুগ পরে সেই তাজেই এসেছিলেন ডায়ানার পুত্র-পুত্রবধূ। ‘ডায়ানা বেঞ্চে’ বসেই ছবি তুলেছিলেন উইলিয়াম-কেট। তবে রাজদম্পতি বসার আগে ভিজে তোয়ালে জড়িয়ে ঠান্ডা করতে হয় ৪০ ডিগ্রি গরমে তেতে ওঠা বেঞ্চটিকে। এমন কোনও রাষ্ট্রনেতা নেই, যিনি ভারত সফরে এসে তাজমহলের মাটিতে পা দেননি। অথচ, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর যোগী আদিত্যনাথ বলেছিলেন, তাজমহল ভারতীয় সংস্কৃতির অংশ নয় এবং বিদেশি পর্যটকদের তাজমহলের প্রতিকৃতি উপহার দেওয়ার প্রথা বন্ধ হওয়া উচিত। পরিবর্তে বিশেষ অতিথিদের গীতা কিংবা রামায়ণ উপহার দেওয়া যেতে পারে। যোগীর কথা অনুযায়ী, এই দু’টি বই ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতীক।
ক্ষমতায় আসার ছ’মাস পূর্তি উপলক্ষে যোগী সরকারের তরফে রাজ্যের পর্যটন সংক্রান্ত একটি বই প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই বইয়ের শিরোনাম ‘উত্তর প্রদেশ পর্যটন-অসীম সম্ভাবনা’। এই বইয়ে রাজ্যের যে সমস্ত পর্যটনস্থলের উল্লেখ রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম গোরখনাথ পীঠ। যার প্রধান খোদ মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ। এই বইতে দর্শনীয় স্থান হিসেবে ঠাঁই পায়নি তাজমহল। আসলে ছলে-বলে তাজমহলকে ভারতীয় ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার মরিয়া চেষ্টা।
লোকসভা নির্বাচন ক্রমশ এগিয়ে আসছে। হিন্দুত্ব যে অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হবে বিজেপির কাছে, তা বলাই বাহুল্য। তবে তার জন্য হিন্দুত্বর হাওয়া নতুন করে তুলতে হবে দেশে। আচমকা তাজমহল বিরোধী জিগির দেখে আশঙ্কা হচ্ছে, হাওয়া তোলার পরিকল্পনা নয় তো এ সব? রক্ষণশীলতার বিভিন্ন বিন্দুতে বিভিন্ন অবস্থান গড়ে ভোট আকর্ষণ, এটাই বিজেপির স্ট্র্যাটেজি। এটাই হয়তো তাজমহলের নিয়তি! তাহাই ইতিহাস যা রচিবে সঙ্ঘ...।
19th  May, 2022
প্যাকেজিংয়ের ঘোড়ায়
বিভাজনের সওয়ারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সংস্কারের ঘোড়ায় চেপে প্রবল গতিতে ছুটে চলেছেন মোদিজি। তাই তো দখল হচ্ছে একের পর এক রাজ্য। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই! থোড়াই কেয়ার। নানা ছক বেরিয়ে আসছে আস্তিন থেকে। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে একের পর এক রাজ্য সরকার। এত ব্যস্ততার মধ্যে নূপুর শর্মার মতো ছোট্ট ইস্যুতে কি সত্যিই কথা বলা যায়?
বিশদ

দু’টি বিভক্ত গণতন্ত্র
পি চিদম্বরম

ভারত এমনিতেই বর্ণ, ধর্ম, ভাষা এবং লিঙ্গ বৈষম্যে বিভক্ত। এরপর বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিপত্যবাদ এবং নীতির কেন্দ্রীকরণে ভারত নতুনভাবে আরও বিভক্ত হয়ে চলেছে। … আপনি কি কখনও কল্পনা করেছিলেন যে এমন একটি দিন আসবে যখন দু’টি বৃহৎ যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতন্ত্র বিভক্ত হবে?
বিশদ

04th  July, 2022
বিজেপির পরের লক্ষ্য কি বিহার ও রাজস্থান?
হিমাংশু সিংহ

জার্মানির মাটিতে দাঁড়িয়ে জরুরি অবস্থার আদ্যশ্রাদ্ধ করছেন প্রধানমন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে লম্বা চওড়া সওয়াল করে বেআব্রু করছেন কংগ্রেস থুড়ি ইন্দিরা জমানার কালো সময়টাকে।
বিশদ

03rd  July, 2022
নিঃস্ব বামেরা বিজেপিকে
শক্তি জোগাচ্ছে
তন্ময় মল্লিক

উস্কানি এভারেস্ট ছুঁলেও বিজেপি তা থেকে ফায়দা তুলতে পারল না। মহকুমা পরিষদের নির্বাচন বুঝিয়ে দিল, বাংলা ভাগের ফাঁদে পা দেয়নি শিলিগুড়ি। তাই কর্পোরেশনের পর মহকুমা পরিষদের নির্বাচনেও ভরসা থাকল সেই শাসক দলেই। বিশদ

02nd  July, 2022
সবকা বিকাশ? বিজলি
পানি সড়কই হল না! 
সমৃদ্ধ দত্ত

এত সরকারি, বেসরকারি অফিসার। এত গাড়ি। এত বড় বড় ট্রাক। ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার উপারবেড়া গ্রামের মানুষ উত্তেজিত। গ্রামে বড়সড় কোনও ঘটনা ঘটতে চলেছে নিশ্চয়ই।
বিশদ

01st  July, 2022
মোদি জমানায় সুইস
ব্যাঙ্কে কালো টাকার পাহাড়!
মৃণালকান্তি দাস

২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার আগে বিজেপির দাবি ছিল, সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের সাড়ে ১৭ লক্ষ কোটি কালো টাকা লুকনো রয়েছে। সেই টাকা তাঁরা উদ্ধার করবেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি। ‘কালো টাকা’ উদ্ধারের গাজর ঝুলিয়ে দেশবাসীকে আজও বোকা বানিয়ে চলেছেন। আর উল্টো দিকে, কোটি কোটি টাকা ঋণখেলাপ করে ‘ঘনিষ্ঠ’ শিল্পপতিরা একে একে বিদেশ চলে যাচ্ছেন।
বিশদ

30th  June, 2022
বুলডোজার রাজনীতিই
চিনিয়ে দেয় স্বৈরতন্ত্রকে
সন্দীপন বিশ্বাস

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখন তো তিনিই দায়বদ্ধ। তিনি অনায়াসেই বলতে পারেন, তাঁর আমলে কাদের টাকা সুইস ব্যাঙ্কে ঢুকেছে। তাহলে কি দেখা যাচ্ছে? নোট বাতিলে ধরা পড়ল না একটাও কালো টাকা। উল্টে তারপরেই সুইস ব্যাঙ্কে বেড়ে গেল কালো টাকার পরিমাণ। নোট বাতিলের ‘সুফল’ কারা ভোগ করলেন? তাই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচিত সুইস ব্যাঙ্কের তথ্যপ্রকাশ করে প্রকৃত রাজধর্ম পালন করা। বিশদ

29th  June, 2022
দেশকে গনগনে আগুনের পথেই ঠেলে দিতে অগ্নিপথ
হুমায়ুন কবীর

ভারতের স্বাধীনতার দিনেই ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মি’-র আনুগত্য পাল্টে যায়। তবে, আমাদের সেনার পথ চলা শুরু ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সংবিধান কার্যকর হওয়ার দিন থেকে।
বিশদ

28th  June, 2022
একটি আত্মনির্ভরতার কাহিনি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট। মাস দুয়েক আগের ছবিটাও ছিল এক্কেবারে অন্যরকম। ঈদ আসছে... আর বাড়ি ফিরছে মানুষ। এই সময়টার জন্যই যে অপেক্ষায় থাকে মুজিবুর রহমানের দেশ। 
বিশদ

28th  June, 2022
ছুঁচ গলে না, হাতি পেরিয়ে যায়
পি চিদম্বরম

সরকার যেসব তথাকথিত পরিবর্তন করেছে এবং কিছু ছাড় দিয়েছে তা থেকে এই মৌলিক প্রশ্নের উত্তর মিলছে না যে, যৎসামান্য-প্রশিক্ষিত, নামমাত্র অনুপ্রাণিত এবং মূলত চুক্তিভিত্তিক প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভীষণভাবে দুর্বল করে দেবে কি না।
বিশদ

27th  June, 2022
বালাসাহেব থাকলে এই
দিন দেখতে হতো না...
হিমাংশু সিংহ

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস পতন ডেকে আনে। বালা সাহেবের উগ্র হিন্দুত্বের লাইন থেকে সরে শারদ পাওয়ারের কথায় পথ চলা একদিন না একদিন যে ব্যুমেরাং হবেই, তাও নিশ্চিতই ছিল। সেই সুযোগটারই ফায়দা তুলতে নেমেছে গেরুয়া শিবির। সঙ্গে শিবসেনার হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক দখলের হাতছানি! এই খেলার অন্তিম পরিণতি জানতে আরও বেশকিছুটা সময় অপেক্ষা করতেই হবে। শিবসৈনিকদের রাশ কার হাতে থাকবে তা এখনও অনিশ্চিত।
বিশদ

26th  June, 2022
মানুষ কিনতে না পেরেই ‘রায়’ কেনার মরিয়া চেষ্টা
তন্ময় মল্লিক

‘পারিব না—এ কথাটি বলিও না আর,...একবার না-পারিলে দেখ শতবার।’ কবি কালীপ্রসন্ন ঘোষ। বিজেপির দিল্লির নেতৃত্ব কি কবির এই কথাতেই অনুপ্রাণিত? সেই কারণেই কি প্রথম দু’বারের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় মুখে কালি লাগলেও হাল ছাড়েনি!​​​​ 
বিশদ

25th  June, 2022
একনজরে
‘গর্বের পদ্মা সেতু’ নিয়ে আবেগে ভাসছে গোটা বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে দেশবাসীর প্রশংসাও কুড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ২৫ জুন বাংলাদেশের দীর্ঘতম পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন ...

এবার লালবাড়ির রং বদলের অপেক্ষা। ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল প্রকাশ হওয়ার পরই শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের ভবনের রং নীল-সাদা করার দাবি ওঠে। সেই দাবি পূরণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ভবনে পদাধিকারিকদের ঘর সাফাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। গ্রামে গ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ...

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এবার বেসরকারি স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, আবাসনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ির পথে হাঁটছে কলকাতা পুরসভা। এ সংক্রান্ত যে আইন রয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে চাইছে পুর কর্তৃপক্ষ। দিনে ১০০ কেজি বা তার বেশি আবর্জনা জমা হয়, এমন বহুতলের জঞ্জাল ব্যবস্থাপনা তাদেরই করতে হবে। ...

বাস খাদে পড়ে মৃত্যু হল ১২ জনের। গুরুতর জখম আরও তিনজন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার হিমাচল প্রদেশের কুলুতে।  এদিন সকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে যায়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

দেবকর্মে অমনোযোগিতা ও বাধা। আইনজীবীদের কর্মোন্নতি ও উপার্জন বৃদ্ধি। স্বাস্থ্য চলনসই থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৮৭: ইংরেজ বিজ্ঞানী এবং আধুনিক বিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ স্যার আইজাক নিউটনের লেখা ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা  প্রকাশিত হয়
১৮৪১: টমাস কুক প্রথম ট্রাভেল এজেন্সি চালু করেন
১৯০১:বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও কলকাতার নিউ থিয়েটার্সের প্রতিষ্ঠাতা  বীরেন্দ্রনাথ সরকারের জন্ম
 ১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
১৯৭৩: নৃত্যশিল্পী তথা বিশিষ্ট কোরিওগ্রাফার গীতা কাপুরের জন্ম
১৯৮২: সঙ্গীত শিল্পী জাভেদ আলির জন্ম
১৯৯৩: অভিনেতা  কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৫: বিশিষ্ট ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পি ভি সিন্ধুর জন্ম 
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৮.১৩ টাকা ৭৯.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৯১ টাকা ৯৭.২৪ টাকা
ইউরো ৮০.৯০ টাকা ৮৩.৯০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
03rd  July, 2022
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৯০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
03rd  July, 2022

দিন পঞ্জিকা

২০ আষাঢ়, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২। ষষ্ঠী ৩৬/১১ রাত্রি ৭/২৯। পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র ১৩/৪৪ দিবা ১০/৩০। সূর্যোদয় ৫/০/৩৯, সূর্যাস্ত ৬/২১/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১২/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে ৪/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ১২/২ গতে ২/১০ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ গতে ৯/৫৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ৩/১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/১ মধ্যে। 
২০ আষাঢ়, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২। ষষ্ঠী দিবা ৩/১৩। পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ মধ্যে ও ৯/২৯ গতে ১২/৯ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪৩ গতে ৯/৩ মধ্যে। 
৫ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পঞ্চম টেস্ট: ভারতকে হারিয়ে ৭ উইকেটে জিতল ইংল্যান্ড, সিরিজ ড্র (২-২)

04:45:14 PM

রেকর্ড, ডলার প্রতি টাকার দাম কমে হল ৭৯.৩৬

04:31:00 PM

বার্মিংহাম টেস্ট: পঞ্চম দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড ৩৫৮/৩, জয়ের জন্য প্রয়োজন ২০ রান

04:27:00 PM

১০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

04:01:29 PM

হলদিয়ায় শিল্প সংস্থাগুলিকে নিয়ে জেলা প্রশাসনের বৈঠক

04:00:56 PM

নেপালের দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১

03:13:39 PM