Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কামরাজ প্ল্যানেই বাজিমাতের লক্ষ্যে মোদি?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সালটা ১৯৬২। তৃতীয়বার নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর আসনে আসীন জওহরলাল নেহরু। কিন্তু স্বস্তিতে নেই তিনি। আতঙ্কের কারণ চীনা অনুপ্রবেশ। লাদাখ সীমান্তে লাগাতার চলছে লালফৌজের দাপট। দেশের মানুষ ক্ষুব্ধ। তাহলে কি চীনের সামনে মাথা নত করতে হবে ভারতের গণতন্ত্রকে? কংগ্রেসের এই সরকার এতটাই ব্যর্থ? লালবাহাদুর শাস্ত্রী বললেন, ‘পণ্ডিতজি যব ছোটি আহুতি নেহি দি যাতি, তব বড়ি আহুতি দেনি পড় যাতি হ্যায়।’ বুঝলেন নেহরু। সরিয়ে দেওয়া হল প্রতিরক্ষামন্ত্রী কৃষ্ণ মেননকে। ছোট একটা আহুতি। মানুষের উদ্বেগ এবং ক্ষোভের ক্ষতে খানিক প্রলেপ। কিন্তু তাতেও খুব একটা লাভ হল না। পণ্ডিতজি বুঝলেন, কংগ্রেসের উপর থেকে আস্থা সরে যাচ্ছে মানুষের। দলের নেতারা কিছুতেই সাধারণের সঙ্গে কানেক্ট করে উঠতে পারছেন না। দেশবাসীর কাছে তাঁরা যেন বহু দূরের... ভিন গ্রহের জীব। প্রভাব পড়ছে উপনির্বাচনে। সিঁদুরে মেঘ দেখলেন নেহরু। কিন্তু কী করা যায়? আসরে নামলেন মাদ্রাজের মুখ্যমন্ত্রী তথা নেহরুর ঘনিষ্ঠ নেতা কুমারস্বামী কামরাজ। বললেন, ‘চীন কী করবে, সেটা আপনার হাতে নেই। আপনি খুব বেশি হলে আলাপ আলোচনা চালিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার কথা ভাবতে পারেন। কিন্তু আপনার হাতে আছে সরকার... দল। মন্ত্রিত্ব নিয়ে যাঁরা বছরের পর বছর জাঁকিয়ে বসে রয়েছে, তাঁদের সবাইকে সরিয়ে দিন। তাঁরা সবাই পার্টির কাজে ফিরবেন। মানুষ আবার তাদের চেনা পরিচিত নেতাদের নিজেদের মধ্যে পাবে। আর নতুন মুখ নিয়ে আসুন মন্ত্রিত্বে। পূর্ণ উদ্যমে কাজ করবেন তাঁরা।’ নেহরু বুঝলেন, এটাই হবে দাওয়াই। নিজেও সরে যেতে চাইলেন তিনি। কিন্তু কামরাজ বললেন, ‘এটা করবেন না। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার আলাদা একটা গ্রহণযোগ্যতা আছে। সেই জায়গায় এখনও কেউ পৌঁছতে পারেনি।’ সেটাই করেছিলেন নেহরু। ফলও পেয়েছিলেন... ভোটে। ভারতের রাজনীতিতে এটাই মিথ হয়ে যাওয়া কামরাজ প্ল্যান।
কামরাজ এখন আর নেই। কিন্তু তাঁর প্ল্যানটি পুরোমাত্রায় রয়ে গিয়েছে। সেই পরিকল্পনা এখন অবশ্য কংগ্রেস কার্যকর করছে না! বরং ওই পথে হাঁটা শুরু করেছে তাদেরই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী—বিজেপি। দশ বছর সরকারে থাকার পর প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়া গায়ে লাগবেই। আর তার সঙ্গে যদি থাকে বেকারত্ব, বেহাল অর্থনীতি, আকাশছোঁয়া পেট্রল-ডিজেল, অগ্নিমূল্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, তাহলে তো সোনায় সোহাগা। তারপরও ছাতি উঁচিয়ে বিজেপি কীভাবে সরকার চালিয়ে যেতে পারছে? কারণ একটাই, দীর্ঘদিন ধরেই লাট খাচ্ছে প্রধান বিকল্প কংগ্রেস। নেতৃত্বহীনতায় তারা পক্ষাঘাতগ্রস্ত। ঢাকঢোল পিটিয়ে হচ্ছে চিন্তন শিবির। তবে সেখান থেকে কিন্তু কোনও নেতা উঠে আসছেন না! ঘোষণা হচ্ছে, এক পরিবার এক টিকিট। ব্যতিক্রম গান্ধীরা। তাঁদের জন্য বেশি টিকিট ধার্য। বছরের পর বছর ধরে যোগ্যতা প্রমাণে ব্যর্থ রাহুল গান্ধীকেই নেতৃত্বে ফেরানোর জন্য ঝুলোঝুলি চলছে। আর নিভৃতে বসে হাসছেন নরেন্দ্র মোদি। সমস্যা তিনি জানেন। উপায়? নিজেরা মাথা খুঁড়ে বের করতে নাই পারেন, ভারতের রাজনীতির ইতিহাসে রয়েছে মারাত্মক সব বিশল্যকরণী প্ল্যান। তারই মধ্যে অন্যতম কামরাজের থিওরি। বিজেপি শাসিত কোনও রাজ্যে ভোট এলেই ইদানীং দেখা যাচ্ছে, সেখানকার মুখ্যমন্ত্রীকে বদলে দিচ্ছেন মোদি-শাহ। তাঁরা জানেন, আদপে তাঁদের দলের এইসব সরকার ব্যর্থ। যদি মুখ বদলে ব্যর্থতাকেই একটা মোড়কে সাজিয়ে পেশ করা যায়? পাবলিক খেয়ে যাবে। কারণ তারাও জানে, বিকল্প নেই। এই গেরুয়াদের ধরেকরেই চলতে হবে। নতুন মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চয়ই ভালো হবেন! ঠিক যেমনটা করলেন ত্রিপুরার ক্ষেত্রে। দিনের বেলা বিপ্লব দেব দেখা করলেন অমিত শাহের সঙ্গে, আর বিকেলে ফিরেই রাজ্যপালের কাছে পৌঁছে দিলেন ইস্তফাপত্র। কারণ কী? তিনি নাকি দলের জন্য কাজ করতে চান। একই নজির বিজেপি সম্প্রতি রেখেছিল গুজরাত, উত্তরাখণ্ড (দু’বার), কর্ণাটকে। শুধু কি তাই? কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও একদফা রদবদল করে ফেলেছেন মোদিজি। বহু নতুন মুখ এসেছেন, অনেক পুরনো মুখকে বিদেয় দেওয়া হয়েছে। আশা করা যায়, চব্বিশের লোকসভা ভোটের আগেও বড়সড় আর একদফা রদবদল তিনি করতেই পারেন। সেটাও হবে কিন্তু ওই কামরাজ প্ল্যানেরই অঙ্গ। মোদিজি নিজে অবশ্য প্রধানমন্ত্রী থেকে যাবেন। তিনি নিজেই সেই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন। অনেক কাজ বাকি তাঁর। ফলে ৭৫ ঊর্ধ্বদের জন্য যে রাজনৈতিক সন্ন্যাস তিনি দলের মধ্যে বাধ্যতামূলক করেছেন, মোদিজি নিজেই নিজেকে সে সব থেকে ছাড় দিয়েছেন। ফলে রাজা থাকবেন, বদলে যাবে তাঁর নীচের তলা। ঠিক যেমন নেহরু করেছিলেন। মোদি জানেন, এভাবে অন্তত মানুষের সামনে একটা সংস্কারমুখী ক্যানভাস সাজাতে পারলেই কেল্লা ফতে। আপামর ভোটারকুল বলবে, ‘এই তো মোদিজি অযোগ্যদের পোষেন না। দুর্নীতির সঙ্গে আপস করেন না। ক্ষমতার লোভ তাঁর একটুও নেই। সব বদলে দিতে হাত কাঁপে না তাঁর।’ বড় বড় নেতাদের দলের কাজে নামাবেন তিনি। আরও বেশি প্রচার হবে বিজেপি সরকারের সাফল্যের। প্রকাশ্যে আসবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির এজেন্ডা, হিন্দুত্ব রাজনীতি, বিভাজন। দেশের ছোট ছোট জনপদে বাধবে অশান্তি... ফলে দেশ, রাজনীতি, অপদার্থতা নিয়ে ভাবার সময়ও আর থাকবে না। মানতেই হবে, এটা কামরাজ প্ল্যানের একটা নয়া রূপ। আর সেই ফাঁকে কংগ্রেস কী করবে? চিন্তন শিবির?
কংগ্রেস হল শতাব্দীপ্রাচীন পার্টি। একটু ঠাঁটবাট থাকবেই। কিন্তু তার সঙ্গে রাজনৈতিক বোধ এবং বাস্তবতা থাকাটা বাঞ্ছনীয়। সেটারই বড্ড অভাব। তারপরও হাঁকডাকের শেষ নেই। উদয়পুরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে রাহুল গান্ধী কী বলছেন? আঞ্চলিক দলগুলিকে দিয়ে নেতৃত্ব হবে না। ওই ভারটা কংগ্রেসের কাঁধেই থাক। কিন্তু রাহুল মহাশয়, আপনার নিজের দলেরই তো নেতৃত্বের ঠিকঠিকানা নেই। অসুস্থ সোনিয়া গান্ধীকে এখনও দলের হাল ধরতে হিল্লি দিল্লি করতে হয়। বাঘা বাঘা ‘প্রাচীন’ নেতারা আলাদা অংশ তৈরি করে বিদ্রোহ করেন। আর প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘আমাকে নেতৃত্বে টেনে পরিবারের মধ্যে ঝগড়া বাধাবেন না’! এই দলই নাকি মহাজোটের নেতৃত্বে অটোম্যাটিক চয়েজ? 
আসলে বিজেপির এটাই এজেন্ডা। কংগ্রেসকে লাগাতার নিশানায় রেখে যাওয়া। তারা জানে, কংগ্রেস ছাড়া মহাজোট এবং মোদিজিকে পর্যুদস্ত করার কাজটা কঠিন। আঞ্চলিক দলগুলি ফুলেফেঁপে উঠতেই পারে, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া এখনও কেউ নেতৃত্বের স্বার্থচিন্তা ছেড়ে বেরিয়ে আসার সাহস দেখাতে পারেননি। তাই কংগ্রেসকে নিশানা করে গেলেই হবে। এই ধুঁকতে থাকা অবস্থাতেও তারা নিজেদের মহান দল হিসেবে ভাববে, আর তার ফল? রাহুল গান্ধীরা তোয়াক্কাই করবে না আঞ্চলিক শক্তিগুলির। রাজনীতির ময়দানে গুরুত্বহীন করে রাখার ছকটাই অনন্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেন কিছুতেই বিরোধী শক্তির সামনের সারিতে আসতে না পারেন—এটাই লক্ষ্য বিজেপির। বরং এলেবেলের স্তরে পৌঁছে যাওয়া কংগ্রেস যত খুশি গুরুত্ব পাক, ক্ষতি নেই। কিছুতেই যেন জোটের জমি শক্ত না হয়। তাহলেই মানুষ বিকল্প না খুঁজে মোদিজিতে ফের আস্থা রাখবেন। চব্বিশেও পদ্ম ফুটবে সংসদে। 
নির্দিষ্ট লক্ষ্যে ছুটছেন মোদি—তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রিত্ব। আঞ্চলিক দলগুলি যেন জাতীয় রাজনীতির মূল মঞ্চে উঠে আসার সুযোগ না পায়। তাহলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে। শাসক যা বলবে, তাকেই ধ্যানজ্ঞান হিসেবে মানুষ আর মানবে না। হ্যাটট্রিকের ক্ষেত্রে এ যে বিরাট বাধা! ইন্দিরা গান্ধী দু’বার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনবারের শিরোপা একজনেরই—জওহরলাল নেহরু। চীনের চোখরাঙানি আজও আছে। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় রয়েছে যে কামরাজ প্ল্যানও! রাহুল গান্ধী চিন্তন শিবির করুন... ভারত জোড়োর স্লোগান তুলুন। মোদির লক্ষ্য স্পষ্ট—বিভাজনেই ধরা দেবে নেহরুর রেকর্ড।
17th  May, 2022
প্যাকেজিংয়ের ঘোড়ায়
বিভাজনের সওয়ারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সংস্কারের ঘোড়ায় চেপে প্রবল গতিতে ছুটে চলেছেন মোদিজি। তাই তো দখল হচ্ছে একের পর এক রাজ্য। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই! থোড়াই কেয়ার। নানা ছক বেরিয়ে আসছে আস্তিন থেকে। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে একের পর এক রাজ্য সরকার। এত ব্যস্ততার মধ্যে নূপুর শর্মার মতো ছোট্ট ইস্যুতে কি সত্যিই কথা বলা যায়?
বিশদ

দু’টি বিভক্ত গণতন্ত্র
পি চিদম্বরম

ভারত এমনিতেই বর্ণ, ধর্ম, ভাষা এবং লিঙ্গ বৈষম্যে বিভক্ত। এরপর বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিপত্যবাদ এবং নীতির কেন্দ্রীকরণে ভারত নতুনভাবে আরও বিভক্ত হয়ে চলেছে। … আপনি কি কখনও কল্পনা করেছিলেন যে এমন একটি দিন আসবে যখন দু’টি বৃহৎ যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতন্ত্র বিভক্ত হবে?
বিশদ

04th  July, 2022
বিজেপির পরের লক্ষ্য কি বিহার ও রাজস্থান?
হিমাংশু সিংহ

জার্মানির মাটিতে দাঁড়িয়ে জরুরি অবস্থার আদ্যশ্রাদ্ধ করছেন প্রধানমন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে লম্বা চওড়া সওয়াল করে বেআব্রু করছেন কংগ্রেস থুড়ি ইন্দিরা জমানার কালো সময়টাকে।
বিশদ

03rd  July, 2022
নিঃস্ব বামেরা বিজেপিকে
শক্তি জোগাচ্ছে
তন্ময় মল্লিক

উস্কানি এভারেস্ট ছুঁলেও বিজেপি তা থেকে ফায়দা তুলতে পারল না। মহকুমা পরিষদের নির্বাচন বুঝিয়ে দিল, বাংলা ভাগের ফাঁদে পা দেয়নি শিলিগুড়ি। তাই কর্পোরেশনের পর মহকুমা পরিষদের নির্বাচনেও ভরসা থাকল সেই শাসক দলেই। বিশদ

02nd  July, 2022
সবকা বিকাশ? বিজলি
পানি সড়কই হল না! 
সমৃদ্ধ দত্ত

এত সরকারি, বেসরকারি অফিসার। এত গাড়ি। এত বড় বড় ট্রাক। ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার উপারবেড়া গ্রামের মানুষ উত্তেজিত। গ্রামে বড়সড় কোনও ঘটনা ঘটতে চলেছে নিশ্চয়ই।
বিশদ

01st  July, 2022
মোদি জমানায় সুইস
ব্যাঙ্কে কালো টাকার পাহাড়!
মৃণালকান্তি দাস

২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার আগে বিজেপির দাবি ছিল, সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের সাড়ে ১৭ লক্ষ কোটি কালো টাকা লুকনো রয়েছে। সেই টাকা তাঁরা উদ্ধার করবেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি। ‘কালো টাকা’ উদ্ধারের গাজর ঝুলিয়ে দেশবাসীকে আজও বোকা বানিয়ে চলেছেন। আর উল্টো দিকে, কোটি কোটি টাকা ঋণখেলাপ করে ‘ঘনিষ্ঠ’ শিল্পপতিরা একে একে বিদেশ চলে যাচ্ছেন।
বিশদ

30th  June, 2022
বুলডোজার রাজনীতিই
চিনিয়ে দেয় স্বৈরতন্ত্রকে
সন্দীপন বিশ্বাস

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখন তো তিনিই দায়বদ্ধ। তিনি অনায়াসেই বলতে পারেন, তাঁর আমলে কাদের টাকা সুইস ব্যাঙ্কে ঢুকেছে। তাহলে কি দেখা যাচ্ছে? নোট বাতিলে ধরা পড়ল না একটাও কালো টাকা। উল্টে তারপরেই সুইস ব্যাঙ্কে বেড়ে গেল কালো টাকার পরিমাণ। নোট বাতিলের ‘সুফল’ কারা ভোগ করলেন? তাই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচিত সুইস ব্যাঙ্কের তথ্যপ্রকাশ করে প্রকৃত রাজধর্ম পালন করা। বিশদ

29th  June, 2022
দেশকে গনগনে আগুনের পথেই ঠেলে দিতে অগ্নিপথ
হুমায়ুন কবীর

ভারতের স্বাধীনতার দিনেই ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মি’-র আনুগত্য পাল্টে যায়। তবে, আমাদের সেনার পথ চলা শুরু ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সংবিধান কার্যকর হওয়ার দিন থেকে।
বিশদ

28th  June, 2022
একটি আত্মনির্ভরতার কাহিনি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট। মাস দুয়েক আগের ছবিটাও ছিল এক্কেবারে অন্যরকম। ঈদ আসছে... আর বাড়ি ফিরছে মানুষ। এই সময়টার জন্যই যে অপেক্ষায় থাকে মুজিবুর রহমানের দেশ। 
বিশদ

28th  June, 2022
ছুঁচ গলে না, হাতি পেরিয়ে যায়
পি চিদম্বরম

সরকার যেসব তথাকথিত পরিবর্তন করেছে এবং কিছু ছাড় দিয়েছে তা থেকে এই মৌলিক প্রশ্নের উত্তর মিলছে না যে, যৎসামান্য-প্রশিক্ষিত, নামমাত্র অনুপ্রাণিত এবং মূলত চুক্তিভিত্তিক প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভীষণভাবে দুর্বল করে দেবে কি না।
বিশদ

27th  June, 2022
বালাসাহেব থাকলে এই
দিন দেখতে হতো না...
হিমাংশু সিংহ

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস পতন ডেকে আনে। বালা সাহেবের উগ্র হিন্দুত্বের লাইন থেকে সরে শারদ পাওয়ারের কথায় পথ চলা একদিন না একদিন যে ব্যুমেরাং হবেই, তাও নিশ্চিতই ছিল। সেই সুযোগটারই ফায়দা তুলতে নেমেছে গেরুয়া শিবির। সঙ্গে শিবসেনার হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক দখলের হাতছানি! এই খেলার অন্তিম পরিণতি জানতে আরও বেশকিছুটা সময় অপেক্ষা করতেই হবে। শিবসৈনিকদের রাশ কার হাতে থাকবে তা এখনও অনিশ্চিত।
বিশদ

26th  June, 2022
মানুষ কিনতে না পেরেই ‘রায়’ কেনার মরিয়া চেষ্টা
তন্ময় মল্লিক

‘পারিব না—এ কথাটি বলিও না আর,...একবার না-পারিলে দেখ শতবার।’ কবি কালীপ্রসন্ন ঘোষ। বিজেপির দিল্লির নেতৃত্ব কি কবির এই কথাতেই অনুপ্রাণিত? সেই কারণেই কি প্রথম দু’বারের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় মুখে কালি লাগলেও হাল ছাড়েনি!​​​​ 
বিশদ

25th  June, 2022
একনজরে
এবার লালবাড়ির রং বদলের অপেক্ষা। ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল প্রকাশ হওয়ার পরই শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের ভবনের রং নীল-সাদা করার দাবি ওঠে। সেই দাবি পূরণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ভবনে পদাধিকারিকদের ঘর সাফাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। গ্রামে গ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ...

বাস খাদে পড়ে মৃত্যু হল ১২ জনের। গুরুতর জখম আরও তিনজন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার হিমাচল প্রদেশের কুলুতে।  এদিন সকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে যায়। ...

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এবার বেসরকারি স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, আবাসনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ির পথে হাঁটছে কলকাতা পুরসভা। এ সংক্রান্ত যে আইন রয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে চাইছে পুর কর্তৃপক্ষ। দিনে ১০০ কেজি বা তার বেশি আবর্জনা জমা হয়, এমন বহুতলের জঞ্জাল ব্যবস্থাপনা তাদেরই করতে হবে। ...

তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে রাজ্যে বিনিয়োগ টানাই যে তাঁর মূল লক্ষ্য তা আগেই পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিল্পে বিনিয়োগ টানার পাশাপাশি কৃষি ক্ষেত্রে আরও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

দেবকর্মে অমনোযোগিতা ও বাধা। আইনজীবীদের কর্মোন্নতি ও উপার্জন বৃদ্ধি। স্বাস্থ্য চলনসই থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৮৭: ইংরেজ বিজ্ঞানী এবং আধুনিক বিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ স্যার আইজাক নিউটনের লেখা ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা  প্রকাশিত হয়
১৮৪১: টমাস কুক প্রথম ট্রাভেল এজেন্সি চালু করেন
১৯০১:বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও কলকাতার নিউ থিয়েটার্সের প্রতিষ্ঠাতা  বীরেন্দ্রনাথ সরকারের জন্ম
 ১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
১৯৭৩: নৃত্যশিল্পী তথা বিশিষ্ট কোরিওগ্রাফার গীতা কাপুরের জন্ম
১৯৮২: সঙ্গীত শিল্পী জাভেদ আলির জন্ম
১৯৯৩: অভিনেতা  কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৫: বিশিষ্ট ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পি ভি সিন্ধুর জন্ম 
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৮.১৩ টাকা ৭৯.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৯১ টাকা ৯৭.২৪ টাকা
ইউরো ৮০.৯০ টাকা ৮৩.৯০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
03rd  July, 2022
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৯০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
03rd  July, 2022

দিন পঞ্জিকা

২০ আষাঢ়, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২। ষষ্ঠী ৩৬/১১ রাত্রি ৭/২৯। পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র ১৩/৪৪ দিবা ১০/৩০। সূর্যোদয় ৫/০/৩৯, সূর্যাস্ত ৬/২১/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১২/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে ৪/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ১২/২ গতে ২/১০ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ গতে ৯/৫৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ৩/১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/১ মধ্যে। 
২০ আষাঢ়, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২। ষষ্ঠী দিবা ৩/১৩। পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ মধ্যে ও ৯/২৯ গতে ১২/৯ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪৩ গতে ৯/৩ মধ্যে। 
৫ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পঞ্চম টেস্ট: ভারতকে হারিয়ে ৭ উইকেটে জিতল ইংল্যান্ড, সিরিজ ড্র (২-২)

04:45:14 PM

রেকর্ড, ডলার প্রতি টাকার দাম কমে হল ৭৯.৩৬

04:31:00 PM

বার্মিংহাম টেস্ট: পঞ্চম দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড ৩৫৮/৩, জয়ের জন্য প্রয়োজন ২০ রান

04:27:00 PM

১০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

04:01:29 PM

হলদিয়ায় শিল্প সংস্থাগুলিকে নিয়ে জেলা প্রশাসনের বৈঠক

04:00:56 PM

নেপালের দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১

03:13:39 PM