Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভালো, খারাপ ও সন্দেহজনক
পি চিদম্বরম

জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা-৫ করা হয়েছিল ২০১৯-২০ সালে। ২০১৫-১৬ সালে হয়েছিল তার আগের সমীক্ষাটি (এনএইচএফএস-৪)। উভয় ক্ষেত্রেই ক্ষমতাসীন এনডিএ সরকার। তাই দুটি সমীক্ষার মধ্যে পরিবর্তনগুলিতে, ২০১৪-১৫ পর্যন্ত অনুসৃত নীতির পাশাপাশি, নরেন্দ্র মোদি সরকারের নীতির প্রভাবের প্রতিফলন পাওয়া যায়। 
আগের সমীক্ষার মতোই, এনএইচএফএস-৫-এর মূল সূচকগুলি হল—জনসংখ্যা ও পরিবারের গঠন, সাক্ষরতা, বিবাহ ও উর্বরতা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, টিকাকরণ, চিকিৎসা পরিষেবার মান, রক্তাল্পতা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং তামাক ও মদ খাওয়ার মতো বিষয়গুলি। সংখ্যাগুলি হল পরিসংখ্যানগত অনুমান, যা চারবছরের মধ্যে অনুষ্ঠিত পৃথক দুটি সমীক্ষার ভিত্তিতে প্রাপ্ত। যেহেতু সমীক্ষায় গৃহীত পদ্ধতি অভিন্ন ছিল, তাই সংখ্যার পরিবর্তন—পরিসংখ্যানবিদদের ভাষায় যা ‘ডেল্টা’—তা থেকে খুব দরকারি শিক্ষালাভ করা যায়। কিছু পরিবর্তন আমাদের গর্বিত করবে, কিছু করবে হতাশ এবং কিছু থেকে সন্দেহের উদ্রেক হবে ও প্রশ্ন উঠবে।

ভালো খবর
বিগ ‘ব্রেকিং’ নিউজ হল যে মোট প্রজনন হার ২.২ (মহিলা প্রতি শিশু উৎপাদন) থেকে ২.০-এ নেমে এসেছে। ‘প্রতিস্থাপন হার’ হল ২.১। সংখ্যাটি ২.০ হলে ভালো, তবে পাশাপাশি তার নেতিবাচক প্রভাবও সূচিত করে। সে অবশ্য এই সামান্য পরিসরে আলোচনার বিষয় নয়। অতএব, এটাই স্বস্তির খবর যে ভারতের জনসংখ্যা আপাতত উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে না এবং পূর্বানুমানের চেয়ে বেশি স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 
প্রথমত, সুসংবাদ। ৮৮.৬ শতাংশ শিশু প্রসব হচ্ছে কোনও প্রতিষ্ঠানে (অর্থাৎ কোনও মেডিক্যাল কেয়ারের ভিতরে)। সংখ্যাটি আগের ৭৮.৯ শতাংশ থেকে অনেকটাই বেশি। ভারতে, বিশেষ করে গ্রামীণ পরিবারগুলি খুশি মনে আরও বেশি কন্যাসন্তান নিচ্ছে। লিঙ্গ অনুপাত (প্রতি ১০০০ পুরুষে মহিলা) ৯৯১ থেকে বেড়ে ১০২০ হয়েছে। ২০১৫-১৬ সালে যেখানে জনসংখ্যার ৮৮.০ শতাংশ বিদ্যুৎ সংযুক্ত পরিবারে বাস করত, মোদি সরকার সেই অনুপাতটিকে বাড়িয়ে ৯৬.৮ শতাংশে নিয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ এই আমলে ৮.৮ শতাংশ বেশি মানুষ বাড়িতে বিদ্যুৎ পরিষেবা ভোগ করছেন (রোম এক দিনে নির্মিত হয়নি, এই দাবিও করা হয়েছে)। আইনসম্মত বিয়ের বয়স ১৮ ও ২১ বছরের আগে যথাক্রমে নারী ও পুরুষের বিবাহের প্রবণতা কমেছে। তারপরেও কিন্তু ২৩.৩ শতাংশ মেয়ে ১৮ বছর বয়সের আগেই বিয়ের পিঁড়িতে বসছে। অতএব, এই গুরুতর সমস্যার সমাধানে আমাদের এখনও অনেক পথ যেতে হবে।

খুব ভালো খবর নয়
বিগ, ‘ব্রেকিং’ ব্যাড নিউজ হল, ভারতের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি ১০ বছরের স্কুলশিক্ষা সম্পূর্ণ করতে পারেনি—যা মহিলাদের ক্ষেত্রে ৫৯ শতাংশ এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে ৪৯.৮ শতাংশ। ২১ শতকের উপযোগী চাকরি এবং ব্যবসায় নিযুক্ত হতে প্রয়োজন উচ্চশিক্ষা, উন্নত প্রযুক্তি এবং বিশেষ দক্ষতা। এর অর্থ হল, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও দেশের অর্ধেক মানুষ এগুলিতে শামিল হওয়ার উপযুক্ত হতে পারলেন না। ভারতের জনসংখ্যা এখনও তরুণ (২৬.৫ শতাংশের বয়স ১৫ বছরের নীচে), আবার অনুপাতটি হ্রাসের অর্থ বয়স্ক মানুষের অনুপাত বাড়ছে। আমরা যে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ (জনসংখ্যার চিত্র বদলের কারণে অর্থনৈতিক প্রগতির সম্ভাবনা বৃদ্ধি) নিয়ে গর্ব করি তা চিরস্থায়ী হবে না। বেশিরভাগ মহিলাই রক্তাল্পতার শিকার: ১৫-৪৯ বছর বয়সিদের মধ্যে ৫৭.০ শতাংশ এবং আরও উদ্বেগজনকভাবে, ১৫-১৯ বছর বয়সিদের মধ্যে ৫৯.১ শতাংশ। এনএইচএফএস-৪ থেকে দুটি অনুপাতই বেড়েছে। অন্য খারাপ খবরটি হল, ৬-২৩ মাস বয়সি শিশুদের মধ্যে মাত্র ১১.৩ শতাংশ পর্যাপ্ত খাবার পেয়েছে। তার পরিণাম এটাই হয়েছে যে, ৫ বছরের কম বয়সি শিশুদের মধ্যে ৩২.১ শতাংশ আন্ডারওয়েট।  ৩৫.৫ শতাংশ শিশু স্টান্টেড বা সার্বিক বৃদ্ধি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ১৯.৩ শতাংশ ওয়েস্টেড বা সার্বিক রুগ্নতার শিকার এবং ৭.৭ শতাংশ শিশুর ক্ষেত্রে সার্বিক রুগ্নতা মারাত্মক। প্রতি এক হাজার জীবিত শিশু জন্মের পরিপ্রেক্ষিতে শিশুমৃত্যুর হার (আইএমআর) ৩৫.২ এবং অনূর্ধ্ব-৫ শিশুমৃত্যুর হার (ইউ৫এমআর) ৪১.৯। দুটি সংখ্যাই এখনও অনেক বেশি এবং বিশ্বের সর্বনিম্ন হারের থেকে অনেক উপরে।

যে খবর প্রশ্ন উত্থাপন করে
যে-সব তথ্য সম্পর্কে ব্যাখ্যার অবকাশ রয়েছে সেগুলি আরও প্রশ্ন উত্থাপন করে। মোদি সরকারের তথ্য দাবি করে যে, জনসংখ্যার ৯৫.৯ শতাংশ ‘উন্নত পানীয় জলের উৎস’ সংযুক্ত বাড়িতে বসবাস করে। এই সংক্রান্ত পাদটীকায় ‘উন্নত পানীয় জলের উৎস’ কথাটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এইভাবে—সেখানে নলবাহিত জল দেওয়া হয়—পাবলিক ট্যাপ কিংবা টিউবওয়েলের মাধ্যমে। এসব ঠিক আছে। কিন্তু এই সংজ্ঞার ভিতরে যখন ‘একটি সুরক্ষিত খনন কূপ, একটি সুরক্ষিত ঝরনা ও বৃষ্টির জল’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তখন এটাই স্পষ্ট হয় যে ৯৫.৯ শতাংশের মতো চমৎকার এক ছবি তুলে ধরতে পুরনো, অরক্ষিত জলের উত্সগুলিকেও অন্তর্ভুক্ত করার একটি বিরাট চেষ্টা হয়েছিল। আমার সন্দেহ হচ্ছে যে, লক্ষ্যবর্ষ ২০২৪-এর মধ্যে সমস্ত পরিবারে নিজস্ব ট্যাপ সংযোগ প্রদান সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার সাফল্য ঘোষণা করার পূর্বে এটাই চূড়ান্ত পদক্ষেপ!
‘উন্নত স্যানিটেশন সুবিধা’ প্রদানের তথ্যটিও সন্দেহজনক। উন্নত স্যানিটেশন ফেসিলিটির মধ্যে রয়েছে ফ্লাশ টু পিট ল্যাট্রিন, কোথায় ফ্লাশ করা হচ্ছে তা অজ্ঞাত, স্ল্যাব-সহ পিট ল্যাট্রিন এবং টুইন পিট/কম্পোস্টিং টয়লেট। অর্থাৎ খোলা স্থানে মলত্যাগ ছাড়া সবকিছুই, আপনার হিসেবে, উন্নত স্যানিটেশন ফেসিলিটি!
উজ্জ্বলা যোজনা নিয়ে হইচই ফেলা প্রচার করে শেষমেশ মাত্র ৫৮.৬ শতাংশ পরিবার (৪৩.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে) রান্নার জন্য পরিষ্কার জ্বালানি (ক্লিন ফুয়েল) ব্যবহার করছে। তাও আবার এই শতাংশের হিসেবটা দেওয়া হয়েছে আসলে এলপিজি বা পাইপযুক্ত গ্যাস সংযোগ যতটা আছে তার ভিত্তিতে, নিয়মিত এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারকারীদের প্রকৃত সংখ্যা এতে প্রতিফলিত হয়নি। 
বৃদ্ধির হার বিষয়ে নিরপেক্ষ হিসেবের জন্য ধন্যবাদ, বহু লক্ষ মানুষ দরিদ্র এবং অনেকেই হয়তো চরম দারিদ্র্যের মধ্যে জীবন কাটাচ্ছেন। খাদ্য গ্রহণের মতো শুধুমাত্র একটি সূচকে চোখ রাখা যাক। একটি পরিবারের আয় থেকে প্রথম খরচের লক্ষ্য হল খাদ্য। যদি মহিলাদের একটি বড় অংশ রক্তাল্পতায় ভোগেন এবং শিশুদের মধ্যে একটি বিরাট অংশ কম ওজনের কিংবা রক্তাল্পতার শিকার হয়, পাশাপাশি অনেক শিশু স্টান্টেড অথবা ওয়েস্টেড হয়, তবে তার কারণ পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব। আমার মনে হয় যে খাদ্যের অভাব হল, দারিদ্র্যের একটি নির্ধারক সূচক। একজন খুদে ভগবানের সন্তান হিসেবে ওই গরিব মানুষগুলিকে এই সরকার ভুলিয়ে দিতে চাইছে।
লেখক ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত
16th  May, 2022
প্যাকেজিংয়ের ঘোড়ায়
বিভাজনের সওয়ারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সংস্কারের ঘোড়ায় চেপে প্রবল গতিতে ছুটে চলেছেন মোদিজি। তাই তো দখল হচ্ছে একের পর এক রাজ্য। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই! থোড়াই কেয়ার। নানা ছক বেরিয়ে আসছে আস্তিন থেকে। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে একের পর এক রাজ্য সরকার। এত ব্যস্ততার মধ্যে নূপুর শর্মার মতো ছোট্ট ইস্যুতে কি সত্যিই কথা বলা যায়?
বিশদ

দু’টি বিভক্ত গণতন্ত্র
পি চিদম্বরম

ভারত এমনিতেই বর্ণ, ধর্ম, ভাষা এবং লিঙ্গ বৈষম্যে বিভক্ত। এরপর বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিপত্যবাদ এবং নীতির কেন্দ্রীকরণে ভারত নতুনভাবে আরও বিভক্ত হয়ে চলেছে। … আপনি কি কখনও কল্পনা করেছিলেন যে এমন একটি দিন আসবে যখন দু’টি বৃহৎ যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতন্ত্র বিভক্ত হবে?
বিশদ

04th  July, 2022
বিজেপির পরের লক্ষ্য কি বিহার ও রাজস্থান?
হিমাংশু সিংহ

জার্মানির মাটিতে দাঁড়িয়ে জরুরি অবস্থার আদ্যশ্রাদ্ধ করছেন প্রধানমন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে লম্বা চওড়া সওয়াল করে বেআব্রু করছেন কংগ্রেস থুড়ি ইন্দিরা জমানার কালো সময়টাকে।
বিশদ

03rd  July, 2022
নিঃস্ব বামেরা বিজেপিকে
শক্তি জোগাচ্ছে
তন্ময় মল্লিক

উস্কানি এভারেস্ট ছুঁলেও বিজেপি তা থেকে ফায়দা তুলতে পারল না। মহকুমা পরিষদের নির্বাচন বুঝিয়ে দিল, বাংলা ভাগের ফাঁদে পা দেয়নি শিলিগুড়ি। তাই কর্পোরেশনের পর মহকুমা পরিষদের নির্বাচনেও ভরসা থাকল সেই শাসক দলেই। বিশদ

02nd  July, 2022
সবকা বিকাশ? বিজলি
পানি সড়কই হল না! 
সমৃদ্ধ দত্ত

এত সরকারি, বেসরকারি অফিসার। এত গাড়ি। এত বড় বড় ট্রাক। ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার উপারবেড়া গ্রামের মানুষ উত্তেজিত। গ্রামে বড়সড় কোনও ঘটনা ঘটতে চলেছে নিশ্চয়ই।
বিশদ

01st  July, 2022
মোদি জমানায় সুইস
ব্যাঙ্কে কালো টাকার পাহাড়!
মৃণালকান্তি দাস

২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার আগে বিজেপির দাবি ছিল, সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের সাড়ে ১৭ লক্ষ কোটি কালো টাকা লুকনো রয়েছে। সেই টাকা তাঁরা উদ্ধার করবেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি। ‘কালো টাকা’ উদ্ধারের গাজর ঝুলিয়ে দেশবাসীকে আজও বোকা বানিয়ে চলেছেন। আর উল্টো দিকে, কোটি কোটি টাকা ঋণখেলাপ করে ‘ঘনিষ্ঠ’ শিল্পপতিরা একে একে বিদেশ চলে যাচ্ছেন।
বিশদ

30th  June, 2022
বুলডোজার রাজনীতিই
চিনিয়ে দেয় স্বৈরতন্ত্রকে
সন্দীপন বিশ্বাস

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখন তো তিনিই দায়বদ্ধ। তিনি অনায়াসেই বলতে পারেন, তাঁর আমলে কাদের টাকা সুইস ব্যাঙ্কে ঢুকেছে। তাহলে কি দেখা যাচ্ছে? নোট বাতিলে ধরা পড়ল না একটাও কালো টাকা। উল্টে তারপরেই সুইস ব্যাঙ্কে বেড়ে গেল কালো টাকার পরিমাণ। নোট বাতিলের ‘সুফল’ কারা ভোগ করলেন? তাই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচিত সুইস ব্যাঙ্কের তথ্যপ্রকাশ করে প্রকৃত রাজধর্ম পালন করা। বিশদ

29th  June, 2022
দেশকে গনগনে আগুনের পথেই ঠেলে দিতে অগ্নিপথ
হুমায়ুন কবীর

ভারতের স্বাধীনতার দিনেই ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মি’-র আনুগত্য পাল্টে যায়। তবে, আমাদের সেনার পথ চলা শুরু ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সংবিধান কার্যকর হওয়ার দিন থেকে।
বিশদ

28th  June, 2022
একটি আত্মনির্ভরতার কাহিনি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট। মাস দুয়েক আগের ছবিটাও ছিল এক্কেবারে অন্যরকম। ঈদ আসছে... আর বাড়ি ফিরছে মানুষ। এই সময়টার জন্যই যে অপেক্ষায় থাকে মুজিবুর রহমানের দেশ। 
বিশদ

28th  June, 2022
ছুঁচ গলে না, হাতি পেরিয়ে যায়
পি চিদম্বরম

সরকার যেসব তথাকথিত পরিবর্তন করেছে এবং কিছু ছাড় দিয়েছে তা থেকে এই মৌলিক প্রশ্নের উত্তর মিলছে না যে, যৎসামান্য-প্রশিক্ষিত, নামমাত্র অনুপ্রাণিত এবং মূলত চুক্তিভিত্তিক প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভীষণভাবে দুর্বল করে দেবে কি না।
বিশদ

27th  June, 2022
বালাসাহেব থাকলে এই
দিন দেখতে হতো না...
হিমাংশু সিংহ

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস পতন ডেকে আনে। বালা সাহেবের উগ্র হিন্দুত্বের লাইন থেকে সরে শারদ পাওয়ারের কথায় পথ চলা একদিন না একদিন যে ব্যুমেরাং হবেই, তাও নিশ্চিতই ছিল। সেই সুযোগটারই ফায়দা তুলতে নেমেছে গেরুয়া শিবির। সঙ্গে শিবসেনার হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক দখলের হাতছানি! এই খেলার অন্তিম পরিণতি জানতে আরও বেশকিছুটা সময় অপেক্ষা করতেই হবে। শিবসৈনিকদের রাশ কার হাতে থাকবে তা এখনও অনিশ্চিত।
বিশদ

26th  June, 2022
মানুষ কিনতে না পেরেই ‘রায়’ কেনার মরিয়া চেষ্টা
তন্ময় মল্লিক

‘পারিব না—এ কথাটি বলিও না আর,...একবার না-পারিলে দেখ শতবার।’ কবি কালীপ্রসন্ন ঘোষ। বিজেপির দিল্লির নেতৃত্ব কি কবির এই কথাতেই অনুপ্রাণিত? সেই কারণেই কি প্রথম দু’বারের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় মুখে কালি লাগলেও হাল ছাড়েনি!​​​​ 
বিশদ

25th  June, 2022
একনজরে
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এবার বেসরকারি স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, আবাসনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ির পথে হাঁটছে কলকাতা পুরসভা। এ সংক্রান্ত যে আইন রয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে চাইছে পুর কর্তৃপক্ষ। দিনে ১০০ কেজি বা তার বেশি আবর্জনা জমা হয়, এমন বহুতলের জঞ্জাল ব্যবস্থাপনা তাদেরই করতে হবে। ...

‘গর্বের পদ্মা সেতু’ নিয়ে আবেগে ভাসছে গোটা বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে দেশবাসীর প্রশংসাও কুড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ২৫ জুন বাংলাদেশের দীর্ঘতম পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন ...

মেমারির আমাদপুর দিঘিরপাড়ের বাবু ঘোষ ও অনিতা ঘোষ পাঁচ মাস আগেই ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন। দু’জনের এটা ছিল দ্বিতীয় বিয়ে। তাঁদের দু’জনেরই আগের পক্ষের একটি করে ছেলে রয়েছে। দ্বিতীয়বার বিয়ে করার পর প্রথম দু’-তিন মাস তাঁদের ভালোই চলছিল। হঠাৎ করেই অনিতার ...

এবার লালবাড়ির রং বদলের অপেক্ষা। ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল প্রকাশ হওয়ার পরই শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের ভবনের রং নীল-সাদা করার দাবি ওঠে। সেই দাবি পূরণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ভবনে পদাধিকারিকদের ঘর সাফাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। গ্রামে গ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

দেবকর্মে অমনোযোগিতা ও বাধা। আইনজীবীদের কর্মোন্নতি ও উপার্জন বৃদ্ধি। স্বাস্থ্য চলনসই থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৮৭: ইংরেজ বিজ্ঞানী এবং আধুনিক বিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ স্যার আইজাক নিউটনের লেখা ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা  প্রকাশিত হয়
১৮৪১: টমাস কুক প্রথম ট্রাভেল এজেন্সি চালু করেন
১৯০১:বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও কলকাতার নিউ থিয়েটার্সের প্রতিষ্ঠাতা  বীরেন্দ্রনাথ সরকারের জন্ম
 ১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
১৯৭৩: নৃত্যশিল্পী তথা বিশিষ্ট কোরিওগ্রাফার গীতা কাপুরের জন্ম
১৯৮২: সঙ্গীত শিল্পী জাভেদ আলির জন্ম
১৯৯৩: অভিনেতা  কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৫: বিশিষ্ট ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পি ভি সিন্ধুর জন্ম 
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৮.১৩ টাকা ৭৯.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৯১ টাকা ৯৭.২৪ টাকা
ইউরো ৮০.৯০ টাকা ৮৩.৯০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
03rd  July, 2022
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৯০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
03rd  July, 2022

দিন পঞ্জিকা

২০ আষাঢ়, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২। ষষ্ঠী ৩৬/১১ রাত্রি ৭/২৯। পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র ১৩/৪৪ দিবা ১০/৩০। সূর্যোদয় ৫/০/৩৯, সূর্যাস্ত ৬/২১/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১২/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে ৪/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ১২/২ গতে ২/১০ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ গতে ৯/৫৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ৩/১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/১ মধ্যে। 
২০ আষাঢ়, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২। ষষ্ঠী দিবা ৩/১৩। পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ মধ্যে ও ৯/২৯ গতে ১২/৯ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪৩ গতে ৯/৩ মধ্যে। 
৫ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পঞ্চম টেস্ট: ভারতকে হারিয়ে ৭ উইকেটে জিতল ইংল্যান্ড, সিরিজ ড্র (২-২)

04:45:14 PM

রেকর্ড, ডলার প্রতি টাকার দাম কমে হল ৭৯.৩৬

04:31:00 PM

বার্মিংহাম টেস্ট: পঞ্চম দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড ৩৫৮/৩, জয়ের জন্য প্রয়োজন ২০ রান

04:27:00 PM

১০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

04:01:29 PM

হলদিয়ায় শিল্প সংস্থাগুলিকে নিয়ে জেলা প্রশাসনের বৈঠক

04:00:56 PM

নেপালের দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১

03:13:39 PM