Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নেতাজি: বহু অসম্মান
জয় করা এক মহাপ্রাণ
সমৃদ্ধ দত্ত

বন্দেমাতরমকে কি কংগ্রেসের অধিবেশনে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করা উচিত হবে? ১৯৩৭ সালে এই বিতর্ক তুঙ্গে উঠল। কারণ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলিম নেতা কর্মী সদস্যরা আপত্তি তুললেন যে, এখানে সরাসরি মা দুর্গার সঙ্গে দেশমাতৃকাকে তুলনা করা হয়েছে। মুসলিম ধর্মবিশ্বাসে যেহেতু মূর্তিপুজোয় নিষেধ, তাই এরকম একটি সঙ্গীতকে সাংগঠনিক সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে ধর্মীয় সংশয় তৈরি হচ্ছে। এই নিয়ে কংগ্রেসের হিন্দুত্ববাদী অংশ এবং মুসলিম নেতৃত্বের মধ্যে চাপা টেনশনও শুরু হল। কীভাবে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব? সুভাষচন্দ্র বসু প্রস্তাব দিলেন, একজন ব্যক্তিত্বের কাছে পরামর্শ নেওয়া হোক। তিনি যা বলবেন, সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। সেই ব্যক্তিত্ব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটি বিবৃতি জারি করে জানালেন, বন্দে মাতরম উচ্চারণ করে বহু যুববিপ্লবী প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন। আত্মবলিদান দিয়েছেন। এটি একটি মন্ত্র হিসেবে কাজ করেছে। কিন্তু একইসঙ্গে গোটা সঙ্গীত এবং তার ইতিহাসটিতে মুসলিমদের আহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্বাধীনতা আন্দোলনে অগ্রণী একটি সংগঠনে এরকম হিন্দু বনাম মুসলিম বিরোধ রয়ে যাওয়া কাঙ্ক্ষিত নয়। সবথেকে ভালো হয় প্রথম স্তবকটিকে যদি জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কারণ, প্রথম স্তবকটি সম্পূর্ণ পৃথক সত্তা হিসেবেই ভারতমাতার প্রতি এক শ্রদ্ধার নিবেদন রূপে ভাস্বর। সেটি এক অনুপ্রেরণা। রবীন্দ্রনাথের এই পরামর্শ কংগ্রেস গ্রহণ করে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এবার থেকে বন্দেমাতরমের প্রথম স্তবকই কংগ্রেসের জাতীয় মঞ্চের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গীত হবে। কিন্তু এই কারণে রবীন্দ্রনাথ এবং সুভাষচন্দ্র, দুজনকেই চরম আক্রমণ, সমালোচনা এবং অসম্মান করেছিল কংগ্রেসের অন্দরে এবং বাইরে থাকা অন্য হিন্দুত্ববাদী দলের নেতৃত্ব। কিন্তু সেই সমালোচনায় ভীত হননি সুভাষচন্দ্র। তিনি বন্দেমাতরম স্লোগান প্রতিটি ভাষণের শেষে দিয়েছেন। কিন্তু প্রথম স্তবককেই দলের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। এই ইস্যুতে দেখা গেল, কংগ্রেসের বাছাই করা কিছু নেতা কিংবা অন্য অকংগ্রেসি হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দলের নেতাদের আচরণে কোনও পার্থক্য রইল না। তাঁদের সম্মিলিত টার্গেট হয়েছিলেন দুই বাঙালি। রবীন্দ্রনাথ এবং সুভাষচন্দ্র।
২০২২ সাল স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষ। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী। অথচ ঠিক সেই বছরেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নামাঙ্কিত ট্যাবলোকে সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে অংশ নিতে দেওয়া হল না। যে বাংলা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের দীপশিখা প্রজ্জ্বলিত করেছে, অসংখ্য বাঙালি যুবক যুবতী আহুতি দিয়েছে প্রাণ, সেই বাংলাকে অনুপস্থিত রাখা হচ্ছে গণতন্ত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসবে। ইতিহাস থেকে বাংলার অবদান কি এভাবে মুছে ফেলা যায়?
আজ যাঁদের সরকারের রাজত্বকালে নেতাজির ট্যাবলোকে বাতিল করে দেওয়া হল, তাঁরা সবথেকে বেশি ভিলেন এবং নেতাজি বিরোধী হিসেবে কাকে প্রতিপন্ন করেন? কার বিরুদ্ধে লাগাতার প্রচার করেন? পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। কিন্তু সত্যিই তাই? তিনি কি সবথেকে বেশি নেতাজি বিরোধী ছিলেন? দেখা যাক ইতিহাস কী বলছে। 
১৯৩৯ সালের ১৭ এপ্রিল পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু মহাত্মা গান্ধীকে একটি চিঠি লিখলেন। কিছুদিন আগেই কংগ্রেসের সভাপতি পদে আবার নির্বাচিত হয়েছেন সুভাষচন্দ্র বসু। কংগ্রেসের অন্দরের একঝাঁক নেতা যা অপছন্দ করেছেন। তাঁর সঙ্গে অসহযোগিতার বার্তাও দেওয়া হয়েছে। এরকম সময়ে ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করাই সুভাষচন্দ্র বসুর পক্ষে সবথেকে কঠিন হল। প্রায় এক অচলাবস্থা। জওহরলাল নেহরু দীর্ঘ চিঠি লিখলেন গান্ধীজিকে। সেখানে তিনি বললেন, ‘একটু আগে সুভাষের একটি চিঠি পেলাম। সে বলেছে, কয়েকঘণ্টার জন্য তাঁর সঙ্গে দেখা করতে।  বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য। যদিও আমার সংশয় আছে যে, আদৌ আমি কোনও ইতিবাচক সমাধান দিতে পারব কি না। কিন্তু দেখা করার প্রস্তাবে অবশ্যই আমি অরাজি হতে পারব না। তাঁকে কী বলব জানি না। সম্ভবত তাঁকে বলব, যাতে সে আপনাকেই বলে ওয়ার্কিং কমিটির সম্ভাব্য নাম নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে।  হয়তো সে কিছু নাম প্রস্তাব করতে পারে। সেগুলি গ্রহণ কিংবা বর্জন করার সিদ্ধান্ত আপনার। ...যদি সুভাষ এরকম প্রস্তাবে রাজি হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কিন্তু সম্পূর্ণ দায়িত্ব আপনার এবং আপনি সেই দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। তবে আমি এই দিল্লিতে বসে এটা মনে করি যে, সুভাষকে আপনার সভাপতি হিসেবে মেনে নেওয়া উচিত।  তাঁকে কোণঠাসা করে দেওয়ার চেষ্টা হলে, আমার মতে সেটা হবে মাত্রাতিরিক্ত এক ভুল পদক্ষেপ..’’। 
ত্রিপুরী কংগ্রেসে সভাপতি হিসেবে গান্ধীজি প্রথমে দেখতে চেয়েছিলেন মৌলানা আবুল কালাম আজাদকে। গুজরাতের বরদোলিতে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে তাঁর নাম ঘোষণাও হয়ে যায়। প্রথমে তিনি আপত্তি করেননি। কিন্তু পরে নিজেই নাম প্রত্যাহার করেন। কারণ একটাই। সুভাষচন্দ্র বসুর বিরুদ্ধে তিনি প্রার্থী হতে চান না। সুভাষচন্দ্র বসু দ্বিতীয়বার সভাপতি হন, এটা সবথেকে বেশি চেয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি প্রকাশ্যেই মতপ্রকাশ করেছিলেন যে, তাঁর কাছে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে দুজন মানুষই সবথেকে আধুনিক চিন্তাধারার। জওহরলাল এবং সুভাষচন্দ্র। গান্ধীজিকে রবীন্দ্রনাথ চিঠিতেও লিখেছিলেন যে, সুভাষের দ্বিতীয়বার সুযোগ পাওয়া উচিত। 
কিন্তু সুভাষচন্দ্রের সভাপতিত্বের বিরুদ্ধে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যরা প্রথম থেকেই ছিলেন সরব। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল এবং অন্য ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যরা একাধিক যৌথ বিবৃতিও জারি করেন সুভাষচন্দ্রের বিরুদ্ধ অবস্থান নিয়ে। এরকম এক চরম বিরোধের মধ্যেই কংগ্রেস সভাপতির ভোটাভুটি হয়। গান্ধীজির প্রার্থী পট্টভী সীতারামাইয়া পরাস্ত হন সুভাষচন্দ্রের কাছে। কিন্তু এভাবে যে চরম বিদ্রোহ ও অসহযোগিতার আবহে তিনি সংগঠন চালাতে পারবেন না সেটা বুঝে জওহরলাল নেহরু ফেব্রুয়ারি মাসে শান্তিনিকেতেনে দেখা করেন সুভাষচন্দ্রের সঙ্গে। তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনাও হয় (‘নেহরু অ্যান্ড বোস, প্যারালাল লাইভস’, রুদ্রাংশু মুখার্জি)। কিন্তু কী কথা হয়েছিল? পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। 
প্যাটেল ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৯ সালে ড. রাজেন্দ্র প্রসাদকে চিঠি লিখে বলেন, এভাবে তাঁর (সুভাষচন্দ্র) সঙ্গে কাজ করা অসম্ভব এবং তাঁকেও আমাদের ফ্রি হ্যান্ড দেওয়া উচিত। তাঁর অনুগামী ওয়ার্কিং কমিটির সক঩লেই পদত্যাগ করেন। এরপর যখন মার্চ মাসে ত্রিপুরী কংগ্রেসে সকলে মিলিত হন, তখন গোবিন্দবল্লভ পন্থ একটি প্রস্তাব ইস্যু করেন। যাকে বলা হয় পন্থ রেজোলিউশন। নামে পন্থ রেজোলিউশন হলেও সেটি আদতে লিখেছিলেন চক্রবর্তী রাজাগোপালাচারী। এমন সব প্রস্তাব দেওয়া হয় যা সুভাষচন্দ্রের পক্ষে ছিল চরম অসম্মানজনক। সেই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়ে যায়। একটা সম্মানজনক মধ্যস্থতার শেষ চেষ্টা কিন্তু করা হয়েছিল। সুভাষচন্দ্রের দাদা শরৎচন্দ্র বসু প্যাটেলকে বলেছিলেন, সুভাষ ও তাঁর অনুগামীরা এই প্রস্তাবকেই সমর্থন করতে রাজি আছেন, যদি কিছু কিছু অংশ সংশোধন ও পরির্বর্তন করা হয় আলোচনার মাধ্যমে। কিন্তু প্যাটেল বলেছিলেন, একটা শব্দ, একটা কমাও পরিবর্তন করা হবে না। ক্রমেই পরিস্থিতি এমন এক অসহনীয় অসম্মানজনক জায়গায় চলে গেল যে, সুভাষচন্দ্র পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন। 
জেনিভায় সুভাষচন্দ্র ও বল্লভভাই প্যাটেলের দাদা বিঠ্ঠল ভাই প্যাটেল ছিলেন একসঙ্গে। ছোটভাইয়ের মতোই ভালোবাসতেন বিঠ্ঠলভাই প্যাটেল সুভাষকে। তিনি যখন অসুস্থ ছিলেন, তখন সুভাষচন্দ্র দিনরাত সেবা করেছেন। মৃত্যুর আগে সেই বিঠ্ঠলভাই প্যাটেল নিজের উইলে সুভাষচন্দ্রকে নিজের সম্পত্তির কিয়দংশ দিয়ে লিখে যান যে, প্রবাসে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে এই অর্থ ব্যয় করবেন সুভাষ। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল এই উইলকে জাল হিসেবে মনে করেন। সুভাষচন্দ্রকে প্রতারক আখ্যা দিয়ে বম্বে হাইকোর্টে মামলাও করা হয়। 
সুতরাং, সুভাষচন্দ্রকে অসম্মান করা, তাচ্ছিল্য করা নতুন নয়। সুভাষচন্দ্রকে অবহেলায় কংগ্রেস, অকংগ্রেস, সব দলেরই একই সুর। তাই যে দলই দিল্লিতে বসুক, যত সরকারই বদল হোক, 
তাঁর অন্তর্ধান রহস্যের আজও কিনারা হয় না। 
সব গোপন ফাইল আজও উন্মুক্ত হয় না। যারা সাধারণতন্ত্র দিবসের ট্যাবলো বাছাই করেন এবং বাতিল করেন, তাঁদেরও নেতাজি ট্যাবলো বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের মুহূর্তটিতে একটুও চোখের তারা কাঁপে না। ঠিক যেমন ভারতের সবথেকে উঁচু মর্মরমূর্তিটিও নেতাজির হয় না।  
সুভাষচন্দ্র বসু সমস্ত পদ কিংবা ক্ষমতালোভের ঊর্ধ্বে উঠে একটি একক নৌকায় সফর করেছেন বরাবর। যে নৌকার চালিকাশক্তি ছিল, সত্য ও স্বাধীনতা। ‘আমার জীবনদর্শন’ শীর্ষক রচনায় সুভাষচন্দ্র বসু লিখেছেন, ‘‘আমার কাছে সত্যের অর্থ হল, সজ্ঞানে একটা উদ্দেশ্য সাধনে আত্মা দেশ ও কালের মধ্যে দিয়ে কাজ করে চলেছে।...আমার নিজের জীবনে একটি ‘ক্রমবর্ধমান উদ্দেশ্য’ লক্ষ্য করি’’। নেতাজি আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন প্রত্যেকের জীবনে সত্যের পথে একটি উদ্দেশ্য স্থির করতে। 
21st  January, 2022
মতাদর্শ শিকেয় তুলে রেখেছেন মোদি-শাহ
মৃণালকান্তি দাস

দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তখন লালকৃষ্ণ আদবানি। আর স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আমেদাবাদ পূর্ব লোকসভা আসনে সাত-সাতবার ভোটে জেতা সাংসদ, আদবানি ঘনিষ্ঠ হারিন পাঠক।
বিশদ

চাকরির আকাল ঘোচাবে
মমতার সাইকেল শিল্প
হারাধন চৌধুরী

আমরা আশা রাখব, খড়্গপুরের প্রস্তাবিত সাইকেল পার্ক বাংলার সেই ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারেরই এক সোনালি অধ্যায় হয়ে উঠবে। রাজ্যের বিপুল চাহিদাকে পাথেয় করে সাইকেল কারখানার সংখ্যাও বাড়বে ধীরে ধীরে। সাইকেল শিল্পের পথ ধরেই গড়ে উঠবে যন্ত্রাংশ ও টায়ার শিল্প। জোয়ার আসবে বাংলার চাকরির বাজারে।
বিশদ

25th  May, 2022
চাকরির ভরসা... দায় সরকারের
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকারও আট বছরের ‘সাফল্য কাহিনি’ প্রচারের জন্য কোমর বাঁধছে। দেশজুড়ে বোঝাতে হবে, এটাই আচ্ছে দিন। আগে কিছুই ছিল না। যা করেছে, মোদি সরকার। সেই ঢক্কানিনাদে চাপা পড়ে যাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলনরত ছেলেমেয়েদের কণ্ঠ। কেউ পাগল হয়ে যাবে, কেউ মানবতার আদর্শ হারিয়ে মরিয়া চেষ্টা চালাবে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর।
বিশদ

24th  May, 2022
চাই নয়া নীতি, সাহস, স্বচ্ছতা ও গতি
পি চিদম্বরম

যেসব পরিশ্রমী পরিবার ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করার জন্য তাদের যথাসর্বস্ব ব্যয় করে দেখছে চাকরিই নেই—মোদি সরকার তাদের হতাশ করেছে। হিন্দুত্বের আবেগে ভাসিয়ে দিয়ে মোদি সরকার হয়তো সাময়িকভাবে পিঠ বাঁচাতে পারবে, কিন্তু  তরুণরা অচিরেই বুঝতে পারবেন যে হিন্দুত্ব (এবং একটি মেরুকৃত ও বিভক্ত সমাজ) কাউকে চাকরি দেবে না—তিনি নারী/পুরুষ, হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ, অন্যকোনও ধর্মবিশ্বাসী কিংবা নাস্তিক যেটাই হোন না কেন। বিশদ

23rd  May, 2022
ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার
ট্র্যাডিশন সমানে চলছে ...
হিমাংশু সিংহ

সব ফেলে একটা মসজিদ নিয়ে দেশ উত্তাল কেন? এতে কি রান্নার গ্যাসের দাম কমবে, না বাড়ির বেকার ছেলেটা চাকরি পাবে! না, কিছুই হবে না। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানার কোনও চেষ্টাই সফল হবে না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েই টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসতে ধর্মের এই আফিম বিতরণের পথে এগচ্ছেন মোদি সরকারের বাজনদাররা।
বিশদ

22nd  May, 2022
অনলাইন পরীক্ষায় ফিরতে
পারে নকশাল আমলের লজ্জা
তন্ময় মল্লিক

‘ভারতরত্ন’ এপিজে আব্দুল কালামের কথায়, ‘ফেল (FAIL) মানে ফার্স্ট অ্যাটেম্পট ইন লার্নিং। অর্থাৎ শেখার প্রথম ধাপ। বিফলতাই সফল হওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দেবে।’ অনলাইনে বই দেখে লিখে পাশ করলে সেই রাস্তাটা বন্ধ হয়ে যাবে। তাই অনলাইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের দায়িত্ব শুধু শিক্ষক, অধ্যাপকদের ঘাড়ে চাপালেই চলবে না, সন্তানদের অন্যায় আবদারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে অভিভাবকদেরও। বিশদ

21st  May, 2022
উচ্চশিক্ষা কি গরিবের
হাতের বাইরে যাচ্ছে?
সমৃদ্ধ দত্ত

পুরসভা পরিচালিত স্কুলগুলি একে একে বন্ধ হয়ে যায়। ছাত্রছাত্রী পাওয়া যায় না। কলকাতা অথবা জেলার ব্র্যান্ডেড নামজাদা সরকারি অথবা স্পনসর্ড স্কুল বাদ দিলে বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলির চিত্রটি খুব উজ্জ্বল নয়।
বিশদ

20th  May, 2022
তাজমহলের নিয়তি!
মৃণালকান্তি দাস

রামমন্দির আন্দোলন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের থেকেও বড়! বলেছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈন। তাঁর দাবি, এই পথেই রামরাজ্যের দিকে দেশ যাত্রা শুরু করেছে।
বিশদ

19th  May, 2022
বিদ্বেষের এই পাশাখেলা...
সন্দীপন বিশ্বাস

মিথ্যা প্রচার কিংবা বিদ্বেষ যে কোনও সরকারের প্রধান লক্ষ্য হতে পারে, মোদি অ্যান্ড কোম্পানিকে না দেখলে বিশ্বাসই করা যেত না। সরকার এই দু’টো ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রতিদিন ভারতের গণতন্ত্রকে টুকরো টুকরো করে দিচ্ছে।
বিশদ

18th  May, 2022
কানে ‘কান্ট্রি অব অনার’-এর মর্যাদা পেল ভারত
অনুরাগ সিং ঠাকুর

ফ্রেঞ্চ রিভিয়েরার নিস্তব্ধ উপকূলে এখন কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭৫ তম সংস্করণ আয়োজনের ব্যস্ততা। এবছর ‘মার্শে ডু ফিল্মস’-এর উদ্বোধনী সন্ধ্যার মূল ভাবনার দেশ হিসেবে ভারত বিশ্বের দর্শকদের সামনে দেশীয় চলচ্চিত্রের উৎকর্ষ, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং গল্প বলার অসামান্য ঐতিহ্য তুলে ধরতে চায়।
বিশদ

18th  May, 2022
কামরাজ প্ল্যানেই বাজিমাতের লক্ষ্যে মোদি?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেন কিছুতেই বিরোধী শক্তির সামনের সারিতে আসতে না পারেন—এটাই লক্ষ্য বিজেপির। বরং এলেবেলের স্তরে পৌঁছে যাওয়া কংগ্রেস যত খুশি গুরুত্ব পাক, ক্ষতি নেই। কিছুতেই যেন জোটের জমি শক্ত না হয়। তাহলেই মানুষ বিকল্প না খুঁজে মোদিজিতে ফের আস্থা রাখবেন। চব্বিশেও পদ্ম ফুটবে সংসদে। বিশদ

17th  May, 2022
ভালো, খারাপ ও সন্দেহজনক
পি চিদম্বরম

যদি মহিলাদের একটি বড় অংশ রক্তাল্পতায় ভোগেন এবং শিশুদের মধ্যে একটি বিরাট অংশ কম ওজনের কিংবা রক্তাল্পতার শিকার হয়, পাশাপাশি অনেক শিশু স্টান্টেড অথবা ওয়েস্টেড হয়, তবে তার কারণ পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব। আমার মনে হয় যে খাদ্যের অভাব হল, দারিদ্র্যের একটি নির্ধারক সূচক। একজন খুদে ভগবানের সন্তান হিসেবে ওই গরিব মানুষগুলিকে এই সরকার ভুলিয়ে দিতে চাইছে। বিশদ

16th  May, 2022
একনজরে
মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে ন’মাসের ট্রেনিং হয়েছিল ইকনার। প্রশিক্ষণ শেষে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে সুন্দরবনের সজনেখালিতে তাকে নিয়ে আসা হয়েছিল। তার বয়স তখন পাঁচ বছর।  জঙ্গল থেকে লোকালয়ে ...

শুরুতে কেউই গুরুত্ব দেয়নি। কিন্তু হার্দিক পান্ডিয়ার নেতৃত্বে আইপিএলে আবির্ভাবেই চমকে দিয়েছে গুজরাত টাইটান্স। স্বপ্নপূরণের থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে তারা। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে ইডেনে শেষ ওভারে নাটকীয় জয়ে পৌঁছে গিয়েছে ফাইনালে। নিজেদের শহর আমেদাবাদেই খেতাবি লড়াইয়ে নামবেন ...

কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিক। দিল্লির বিশেষ এনআইএ আদালতে তখন তাঁর সাজা ঘোষণা চলছে। আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা বলয়ে কোর্ট চত্বর। ঠিক একই সময়ে শ্রীনগরের প্রাণকেন্দ্র লালচক থেকে কিছু দূরে মইসুমায় ইয়াসিনের বাড়ির সামনেও মোতায়েন বাড়তি নিরাপত্তা বাহিনী। ...

ফের বন্দুকবাজের হামলা আমেরিকায়। মঙ্গলবার সকালে টেক্সাসের উভালদে শহরের একটি প্রাথমিক স্কুলে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় এক কিশোর। ঘটনায় নিহত কমপক্ষে ২১ জন। তাদের মধ্যে ১৯ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

স্ত্রীর সূত্রে বিত্তলাভ যোগ আছে। ব্যবসায়িক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতেও মনোমতো ফলের অভাব। মনে অস্থিরতা থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১২৯৩: জাপানে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হয় ৩০ হাজার মানুষের
১৮৯৭: ব্রাম স্টোকারের উপন্যাস ড্রাকুলা প্রকাশিত হয়
১৯৪৫: মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখের জন্ম
১৯৪৯: মার্কিন কম্পিউটার প্রোগামিং বিশেষজ্ঞ ওয়ার্ড কানিংহামের জন্ম, তিনিই উইকিপিডিয়ার প্রথম সংস্করণ বের করেছিলেন
১৯৭৭: ইতালির ফুটবলার লুকা তোনির জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৬.৭০ টাকা ৭৮.৪৪ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৪৯ টাকা ৯৮.৮৭ টাকা
ইউরো ৮১.৫৭ টাকা ৮৪.৬০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,২০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,৯৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯, বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২। একাদশী ১৪/৫৫ দিবা ১০/৫৫। রেবতী নক্ষত্র ৪৯/১৫ রাত্রি ১২/৩৯। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৪০, সূর্যাস্ত ৬/১০/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৫/৪৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২১ গতে ১১/৭ মধ্যে। বারবেলা ২/৫১ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৩ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯, বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২। একাদশী দিবা ১/৫। রেবতী নক্ষত্র রাত্রি ২/৩২। সূর্যোদয় ৪/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৫/৪৮ মধ্যে ও ৯/২২ গতে ১১/১০ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৩ গতে ৬/১২ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। 
২৪ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: ১৪ রানে জিতল আরসিবি
 

25-05-2022 - 12:23:11 AM

আইপিএল: লখনউ ১৫৩-৩ (১৬ ওভার)
 

25-05-2022 - 11:51:43 PM

আইপিএল: লখনউ ৮৯-২ (১০ ওভার)
 

25-05-2022 - 11:17:05 PM

আইপিএল: লখনউ ৪৫-২ (৫ ওভার)
 

25-05-2022 - 10:48:59 PM

আইপিএল: লখনউকে ২০৮ রানের টার্গেট দিল আরসিবি
 

25-05-2022 - 10:07:23 PM

আইপিএল: আরসিবি ১২৩-৪ (১৫ ওভার)

 

25-05-2022 - 09:37:03 PM