Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মাননীয় হাইকমান্ড,
একটু আত্মবিশ্লেষণ করুন
সমৃদ্ধ দত্ত

তৃণমূল কংগ্রেস কেন গোয়ায় লড়াই করতে যাচ্ছে? তৃণমূল কংগ্রেস কেন ত্রিপুরায় গিয়েছে? তৃণমূল কংগ্রেস কেন মুম্বইয়ে গিয়ে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছে? কখনও অসম, কখনও মেঘালয়ে অন্য দলে ফাটল ধরিয়ে সেই দলের নেতানেত্রীদের নিজেদের দলে যোগদান করাচ্ছে কেন তৃণমূল? কংগ্রেসের রাগ হয়েছে। সিপিএমেরও রাগ হয়েছে। খুবই স্বাভাবিক। নিজের দল ভেঙে যাচ্ছে কিংবা দুর্বল হচ্ছে, এটা কোনও দলই পছন্দ করবে না। এক্ষেত্রে দুটি প্রশ্নকে সামনে রেখে সেই রাগকে কংগ্রেস ও সিপিএমের বিশ্লেষণ করা দরকার ছিল। প্রথম প্রশ্ন, তৃণমূল কেন এরকম ‘অনৈতিক’ কাজ করছে? দ্বিতীয় প্রশ্ন, আমরা কেন দলকে শক্তিশালী রাখতে পারছি না? কংগ্রেস ও সিপিএম সহজ পথ নিয়েছে। অর্থাৎ প্রথম প্রশ্নটি। আমার দল দুর্বল হচ্ছে। সেজন্য তৃণমূল দায়ী। আমার দোষ নেই । আমার দলকে মানুষ ভোট দিচ্ছে না, সেটা তৃণমূলের অপরাধ। আমার কোনও দায় নেই। কংগ্রেস ও সিপিএমের নেতানেত্রীরা এই যুক্তিতে অনড় থেকে বেশি বেশি প্রচার করতেই পারেন। কারণ, এটা আসলে, তাঁদের নিজেদের দায় এড়ানোর যুক্তি। নিজেদের অপরাধস্খলনের প্রয়াস। তাঁরা তা করুন, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই নেতানেত্রীদের অনুসরণ করে কংগ্রেস এবং সিপিএমের সাধারণ কর্মী ও সমর্থকরা কেন একইসুরে তৃণমূলকে আক্রমণ করছেন? তাঁরা তো নিজেদের দলের নেতানেত্রীদের ফাঁদে পা দিয়ে তাঁদেরই সুবিধা করে দিচ্ছেন! কংগ্রেস ও সিপিএমের কর্মী সমর্থকরা বরং সরাসরি নিজের দলের নেতানেত্রীদের প্রশ্ন করুন যে, তৃণমূল একটি রাজনৈতিক দল। সে নিজের ডালপালা বিস্তার করতেই চাইবে। যে আঞ্চলিক, সে চাইবে জাতীয় স্তরে পা রাখতে। সে সফল হতে পারে। ব্যর্থও হতে পারে। এই রাজনৈতিক উচ্চাশায় অন্যায়টা কী আছে বোঝা গেল না। কিন্তু সিম্পল প্রশ্ন করুন, আপনার দল কেন ব্যর্থ? 
কংগ্রেস ও সিপিএম কর্মী সমর্থকদের প্রশ্ন হওয়া দরকার যে, আমাদের দলের থেকে মানুষ কেন আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে? আমাদের দলের অগ্রগতির জন্য আপনারা অর্থাৎ এই নেতানেত্রীরা কী করেছেন? গত পাঁচ বছরের একটি প্ল্যান দেখান যে, আপনারা আমাদের দলকে শক্তিশালী করার জন্য একটি সফল রূপরেখা তৈরি করেছেন। আমাদের কোনও ইস্যুতে মানুষের সাড়া পাই না কেন? আমাদের মানুষ সিরিয়াসলি নিচ্ছে না কেন? প্রশ্ন করুন, আদৌ কি আপনারা কংগ্রেস ও সিপিএমের মতো দুটি ঐতিহ্যশালী দলের সর্বোচ্চ স্তরের নেতানেত্রী হওয়ার যোগ্য? কংগ্রেস ও সিপিএমের কর্মী সমর্থকদের উচিত তৃণমূলের এই রাজ্যে রাজ্যে গিয়ে নিজেদের সম্প্রসারিত করার মরিয়া চেষ্টা নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ সমালোচনা না করে নিজেদের দলের হাইকমান্ডদের এইসব প্রশ্ন করা যে, তৃণমূল তো সেদিনের দল। মাত্র ২৩ বছর বয়স। তাদের ভয়ে আমাদের কুঁকড়ে থাকতে হচ্ছে কেন? কেন প্রতিনিয়ত এই ২৩ বছরের দলটি  নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ করে রাখতে সক্ষম হচ্ছে? কেন আমরা পারছি না? এভাবে প্রশ্ন করলেই দেখা যাবে, কংগ্রেস ও সিপিএমের নেতৃত্ব ভয় পাবেন। তাঁরা বুঝবেন, এবার পালে বাঘ পড়েছে। এবার আমাদের কর্মী সমর্থকরা সঠিক সমস্যার জায়গাটি চিহ্নিত করে বাস্তববাদী হয়েছে। অর্থাৎ এবার আমাদের  অযোগ্যতা বেআব্রু হয়ে যাচ্ছে। 
কংগ্রেস ও সিপিএম কর্মী সমর্থককুলকে তাঁদের নেতারা নিজেদের অপদার্থতা থেকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। তাঁদের দলকে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে, ভোটের এই বাস্তব ফলাফলের জন্য তৃণমূল দায়ী হবে কেন? কংগ্রেস ত্রিপুরায় মুছে গিয়েছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক কী? বিজেপি এসেছে, কংগ্রেস ও সিপিএমকে গুরুত্বহীন করে দিয়েছে। এর অর্থ কী? এর অর্থ হল, কংগ্রেস ও সিপিএম নিজেদের দল রাখতে পারেনি। সমর্থক ধরে রাখতে পারেনি। ভোটব্যাঙ্ক ছিনতাই হয়ে গিয়েছে। 
তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেস ও সিপিএমের সবথেকে বড় অভিযোগ হল, আসলে তৃণমূল বিজেপির বন্ধু। তাই রাজ্যে রাজ্যে বিরোধী ভোটে বিভাজন ঘটাতেই তৃণমূল ময়দানে নেমেছে ওইসব রাজ্যে। যেমন গোয়া, যেমন ত্রিপুরা, যেমন মেঘালয় ইত্যাদি। এই অভিযোগটির অন্তর্নিহিত মেসেজটি কী? সেটা হল, কংগ্রেস চায় আমি খোলা মাঠে গোল করব। বিজেপির প্রতি ভোটাররা যখন বিরক্ত হবে, তখন যেন একমাত্র বিরোধী ও বিকল্প হিসেবে কংগ্রেসকেই দেখা যায়। সুতরাং, মানুষের যেন আর কোনও অপশন  না থাকে। কংগ্রেস এটা কেন মনে করছে যে, যখনই বিজেপি বিরোধী তৃতীয় শক্তির আগমন ঘটবে, তখনই আমার জমি কেঁপে উঠবে? কংগ্রেসের এই কনফিডেন্স নেই কেন, আমি যে রাজ্যে বিজেপি বিরোধী শক্তি, সেখানে আমিই শেষ কথা হওয়ার মতো শক্তি ও সাংগঠনিক প্রভাব অর্জন করেছি? অন্য কোনও দল এলেও সে আমার আসন টলাতে পারবে না? সে তৃণমূল কিংবা আম আদমি পার্টি যতই আসুক না কেন? কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব আসলে লড়াই করার মানসিকতা আর প্রবল একরোখা রাজনৈতিক আগ্রাসী মনোভাবটি হারিয়ে ফেলেছে। তাই প্রতিপক্ষ দেখলেই ভয় পায়। সে যত ক্ষুদ্র প্রতিপক্ষই হোক। 
কংগ্রেসের এই আতঙ্ক অত্যন্ত স্বাভাবিক। কারণ, বছরের পর বছর এটাই হয়ে আসছে সাম্প্রতিক ইতিহাসে। যে রাজ্যেই বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেস ছাড়াও অন্য বিরোধী দল আছে, সেখানেই কংগ্রেস পিছনের সারিতে চলে যেতে থাকে। ক্রমে একসময় গুরুত্বহীন হয়ে যায়। উত্তরপ্রদেশে যেই সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টির উত্থান ঘটল, কংগ্রেস জমি হারাতে শুরু করল। তখন কোথায় তৃণমূল? সেই হারানো জমি, হারানো ভোটব্যাঙ্ক কংগ্রেস আজও ফিরে পেল না। দলিত ভোট নিয়ে চলে গেলেন মায়াবতী। যাদব ও মুসলিম ভোট কংগ্রেসের থেকে ছিনিয়ে নিলেন মুলায়ম সিং যাদব। উচ্চবর্ণের ভোট দখল করল বিজেপি। কংগ্রেসের হাতে কী রইল? 
কংগ্রেস এখন কোন কোন রাজ্যে এককভাবে শক্তিশালী? ঠিক যেখানে যেখানে কোনও তৃতীয় পক্ষ নেই। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, গোয়া, কেরল, পাঞ্জাব, গুজরাত। হয় কংগ্রেস বনাম বিজেপি। অথবা কংগ্রেস বনাম সিপিএম। কিংবা কংগ্রেস বনাম অকালি দল। অর্থাৎ দুটি দল প্রতিপক্ষ। তৃতীয় কেউ নেই। যে কোনও একটি দল ক্ষমতায় আসবে ভোট থেকে ভোটান্তরে। এই তালিকায় এতকাল ধরে ছিল দিল্লি। কিন্তু মাত্র এক বছর বয়সি একটা দল কংগ্রেসকে সরিয়ে বিজেপি বিরোধী জায়গাটি কায়েম করে নিল শুধু নয়, লাগাতার বিজেপিকে হারিয়ে সরকারও গঠন করে চলেছে। আম আদমি পার্টি। এবার সেই আম আদমি পার্টি যেই পাঞ্জাবে পা রাখছে, আবার কংগ্রেসের অন্দরে আশঙ্কার ছায়া। ইতিমধ্যেই আম আদমি পার্টি বিপুলভাবে সাফল্য পেয়েছে গত বিধানসভা ও লোকসভা ভোটে এই রাজ্যে। অর্থাৎ যেখানেই তৃতীয় শক্তির উদয় হয়, সে ব্যর্থ হয় না। বরং ব্যর্থ হয়ে দ্বিতীয় স্থান তাকে ছেড়ে দেয় কংগ্রেস। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র। সর্বত্র বিজেপির বিরুদ্ধে আর একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক দল আছে। ওইসব রাজ্যে কংগ্রেস সর্বদাই তৃতীয় পক্ষ। এসব কার দোষে? তৃণমূলের? 
তেলেঙ্গানা নামক নতুন রাষ্ট্র কে দিল? ইউপিএ সরকার। সেই প্রচার করতে পেরেছে কংগ্রেস? পারেনি। তাহলে তেলেঙ্গানায় এখন ক্রমেই তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি বনাম বিজেপির লড়াই হচ্ছে কেন? কোথায় কংগ্রেস? অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ুতে কোথায় কংগ্রেস? কেন নেই? যে দক্ষিণ ভারত ১৯৭৭ সালে গোটা উত্তর ভারতের ইন্দিরা গান্ধী বিরোধী ঝড়ের বিপরীত অবস্থানে দাঁড়িয়ে শ্রীমতী গান্ধীকে বিপুল ভোট দিয়েছিল, সেই দাক্ষিণাত্যে কংগ্রেস কেন শক্তিশালী হতে পারছে না? কেন কর্ণাটকে দেবগৌড়ার দলের সাহায্য ছাড়া কংগ্রেসের একার পক্ষে বিজেপিকে ঠেকানো সম্ভব হয় না? তৃণমূলের দোষ? গুজরাত কেন নরেন্দ্র মোদি প্রাইভেট লিমিটেড নামক একটি জমিদারির চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হয়ে গেল? কার দোষে? তৃণমূলের? উত্তর পূর্ব ভারতে কংগ্রেস কেন ক্রমেই গুরুত্বহীন হয়ে যাচ্ছে? ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস সবেমাত্র পা রাখল, আর তৎক্ষণাৎ সাফল্য পেল কেন? কোথায় কংগ্রেস? 
সুতরাং, তৃণমূল কেন আমাদের পাড়ায় মাঠে খেলতে এসেছে! এই শিশুসুলভ কান্নাকাটি না করে কংগ্রেস হাইকমান্ড বরং টুইটার ছেড়ে আগ্রাসীভাবে ময়দানে নেমে বিজেপি বিরোধিতা করুক। মানুষের স্বার্থে দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছুটে ছুটে যাক। জনতা অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও সজাগ। জনতার আস্থা অর্জনকেই পাখির চোখ করুন কংগ্রেস নেতৃত্ব। সারাক্ষণ অন্য দল, রেফারি, দর্শক এবং প্লেয়িং কন্ডিশনকে  দোষারোপ করে কারা? যারা সর্বদাই হেরে যায়! ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের আসন সংখ্যা ছিল ২০৬। ২০১৪ সালে ৪৪! কার দোষে? ২০০৪ সালে লোকসভায় বাংলা থেকে বামফ্রন্টের আসন সংখ্যা ছিল ৩৫। ২০১৯ সালে শূন্য! কার দোষে?
03rd  December, 2021
ওমিক্রনের মতোই ছড়াচ্ছে
বঙ্গ বিজেপির বিদ্রোহ
তন্ময় মল্লিক

বিক্ষুব্ধদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নেওয়ায় একের পর এক জেলাকে গ্রাস করছে বিদ্রোহের আগুন। বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতেও শোনা যাচ্ছে বিদ্রোহের সুর। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল। উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন না মেটা পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত বিক্ষুব্ধদের সামনে এনে দিয়েছে ‘ফ্রি হিট’এর সুযোগ। তাই তাঁরা ব্যাট চালাচ্ছেন হাঁকিয়ে। কারণ আউটের ভয় নেই।
বিশদ

নেতাজি: বহু অসম্মান
জয় করা এক মহাপ্রাণ
সমৃদ্ধ দত্ত

বন্দেমাতরমকে কি কংগ্রেসের অধিবেশনে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করা উচিত হবে? ১৯৩৭ সালে এই বিতর্ক তুঙ্গে উঠল। কারণ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলিম নেতা কর্মী সদস্যরা আপত্তি তুললেন যে, এখানে সরাসরি মা দুর্গার সঙ্গে দেশমাতৃকাকে তুলনা করা হয়েছে। বিশদ

21st  January, 2022
কাশ্মীর দখলের নতুন চক্রান্ত!
মৃণালকান্তি দাস

জম্মুতে জয়ধ্বনি। কাশ্মীর থমথমে। দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রবল প্রকোপে যখন ভারতীয় উপমহাদেশীয় ভূখণ্ড ভেঙে দু’টুকরো হচ্ছিল, সেই সময় ‘দুই জাতি’র কাল্পনিক দ্বন্দ্বের জাঁতাকলের মাঝখানে পড়ে গিয়েছিল যে কয়েকটি অঞ্চল, তার মধ্যে কাশ্মীরের পরিস্থিতিই ছিল সবচেয়ে জটিল।
বিশদ

20th  January, 2022
মেরুদণ্ড বাঁচাবার লড়াই
হারাধন চৌধুরী 

অর্থনীতি ধুঁকছে। তির গতি নিয়েছে দারিদ্র। আর যেসব ক্ষতির পরিমাপ টাকার অঙ্কে অসম্ভব, সেটাই হয়তো সবচেয়ে বড়। ... শিক্ষা যদি মেরুদণ্ড হয়ে থাকে, তবে আমাদের আজকের সমস্যা ও লড়াইটা মেরুদণ্ড বাঁচাবার।  
বিশদ

19th  January, 2022
বিজেপির খিচুড়ি রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘটনাটা লকডাউন শুরুর ঠিক পরের। ২০২০ সালের এপ্রিলের ১০ তারিখ। উত্তরপ্রদেশের কুশীনগরের এক কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। রান্নার লোক আসেনি বলে গ্রামপ্রধান লীলাবতী দেবী নিজেই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছিলেন। ভেবেছিলেন, জনা পাঁচেকের রান্না... একাই সামলে দিতে পারব। বিশদ

18th  January, 2022
ভারতীয় অর্থনীতি নিয়ে বৃথা অহঙ্কার
পি চিদম্বরম

মানুষের কথাবার্তায় আলোচনায় অবশ্য জিডিপির চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে গ্যাস, ডিজেল ও পেট্রলের দাম। বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। সিএমআইই-র হিসেবে, শহুরে বেকারত্বের হার ৮.৫১ শতাংশ এবং গ্রামীণ বেকারত্বের হার ৬.৭৪ শতাংশ। তবে বাস্তবটা আরও ভয়াবহ! বিশদ

17th  January, 2022
উত্তরপ্রদেশ মোদির
ওয়াটারলু হবে না তো!
হিমাংশু সিংহ

গত এপ্রিলে যখন কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে মিরাট থেকে শাহাজাহানপুর, অযোধ্যা থেকে বারাণসী, তখন এক যুবক ক্রমাগত ছুটছেন উত্তরপ্রদেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত। দলিত আর পিছড়ে বর্গের মানুষের ঘরে ঘরে। কোনওকিছুতেই যেন ভ্রুক্ষেপ নেই তাঁর। বয়স ৪৮।
বিশদ

16th  January, 2022
বিজেপির গেম প্ল্যানে জল
ঢেলে দিল সুপ্রিম কোর্ট
তন্ময় মল্লিক

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা এবং কার গাফিলতিতে ফিরোজপুরের ঘটনা তার যথাযথ তদন্ত চায় সুপ্রিম কোর্ট। দেশের মানুষের সামনে সত্যিটা তুলে ধরতে চায়। তাই গঠন করেছে তদন্ত কমিটি। এই কমিটি যেমন বিজেপির তোলা প্রধানমন্ত্রীকে খুনের চক্রান্তের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে, তেমনি তদন্তের আতসকাচের নীচে যাচাই হবে এসপিজির সেদিনের ভূমিকাও। সুপ্রিম কোর্ট বুঝিয়ে দিল, তদন্তের অজুহাতে রাজনীতি আর চলবে না।
বিশদ

15th  January, 2022
সার্বিক টিকাকরণ ও কোভিড
স্বাস্থ্যবিধিতেই বাগ মানবে ওমিক্রন
মৃন্ময় চন্দ

গোটা পৃথিবীর রাতের ঘুম কেড়েছে ওমিক্রন। সংক্রমণ লাগামছাড়া, ডেল্টার তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি। মানবশরীরে ডেল্টার তুলনায় পাঁচগুণ দ্রুতগতিতে বংশবিস্তার শুরু করে ওমিক্রন। ওমিক্রনের ‘আরনট’ বর্তমানে ১০-এর (ল্যানসেট রেসপিরেটরি মেডিসিন, ১৭ ডিসেম্বর ২০২১) বেশি। হাম বা মিজলস-এর মতোই ছোঁয়াচে ওমিক্রন। বিশদ

15th  January, 2022
দেশের যে সমস্যাগুলি
আড়ালে থেকে যাচ্ছে
সমৃদ্ধ দত্ত

লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের এডিটোরিয়াল পেজ এডিটর সিউয়েল চ্যান বলেছিলেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে, কেবল নিউজের মাধ্যমে জন্ম হচ্ছে নন স্টপ ওপিনিয়ন মেশিনের।
বিশদ

14th  January, 2022
স্বামীজি ধর্মের নামে কারবার ঘৃণা করতেন
মৃণালকান্তি দাস

 

ছেলেবেলায় বাবার বৈঠকখানায় সব গড়গড়ার নল মুখে নিয়ে জাত যায় কী করে, পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন।
বাবা বিশ্বনাথ দত্তের রসুইখানার বাবুর্চিও ছিলেন মুসলিম।
বিশদ

13th  January, 2022
নেমে আসুক সেই
উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের আলো
সন্দীপন বিশ্বাস

যে ভারত গড়ার স্বপ্ন স্বামীজি দেখেছিলেন, সেই ভারতকে আজ খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেই মহামানব নরেন্দ্রর বাণীকে জীবনে ও কর্মে আত্মস্থ করতে পারেননি। বারবার তাঁর কথায় স্বামীজির প্রতি ভক্তির প্রকাশ দেখা যায় বটে, কিন্তু কর্মে তাঁর অবস্থান একেবারে বিপরীত মেরুতে। বিগত কয়েক বছরে তাঁর শাসন দক্ষতার নিদর্শন বুঝিয়ে দিয়েছে, যে ভরসা মানুষ তাঁর উপর করেছিলেন, সেখানে তিনি পুরোপুরি ব্যর্থ।
বিশদ

12th  January, 2022
একনজরে
জেলা ও মহাকুমা আদালতগুলিতে ভার্চুয়ালের  পাশাপাশি সশরীরে হাজির থেকে মামলার শুনানি শুরুর জন্য জোরালো দাবি জানাল রাজ্য বার কাউন্সিল। শুক্রবার কলকাতায় এক সাংবাদিক বৈঠকে ওই দাবি জানান কাউন্সিলের কর্তারা। ...

সারা রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুর  জেলাতেও এখন স্কুল পড়ুয়াদের টিকাকরণ চলছে। ...

এমন কিছু হতে চলেছে আন্দাজই মেলেনি! সিরিজ হারের যন্ত্রণা ছিল শিবিরে। ড্রেসিং-রুম থেকে হোটেলে ফেরার পথেও হতাশার চাদরে নিজেদের মুড়ে রেখেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা।  ...

সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে বিস্ফোরক উদ্ধার হল পাঞ্জাবে। গুরুদাসপুর থানার দীনানগর এলাকা থেকে দু’কিলোগ্রাম আরডিএক্স উদ্ধার করেছে পুলিস। স্থানীয় এক পুলিসকর্তা জানান, শুক্রবার গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অযথা ঝামেলা ঝঞ্ঝাটে যাবেন না, ফেঁসে যেতে পারেন। কর্ম ও ব্যবসায় গতিমন্থরতা। খেলাধূলায় সাফল্য ও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৬৬: মুঘল সম্রাট শাহজাহানের মৃত্যু
১৮৯৭ - কবি, লেখক সঙ্গীতশিল্পী তথা সুরকার দিলীপকুমার রায়ের জন্ম
১৯০০ - টেলিপ্রিন্টার ও মাইক্রোফেনের উদ্ভাবক ডেভিট এ্যাডওয়ার্ড হিউজ।
১৯০১- রানি ভিক্টোরিয়ার মৃত্যু
১৯২৭ - প্রথমবারের মতো বেতারে ফুটবল খেলার ধারাবিবরণী প্রচার।
১৯৭২: অভিনেত্রী নম্রতা শিরোদকরের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৭১ টাকা ৭৫.৪৩ টাকা
পাউন্ড ৯৯.৬৬ টাকা ১০৩.১৫ টাকা
ইউরো ৮২.৯২ টাকা ৮৬.০৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,২০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা(২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৮ মাঘ, ১৪২৮, শনিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২২। চতুর্থী ৭/১১ দিবা ৯/১৫। পূর্ব্বফল্গুনী নক্ষত্র ১০/৩৯ দিবা ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৬/২২/৩৬, সূর্যাস্ত ৫/১৩/১৫। অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫০ গতে ১০/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭। বারবেলা ৭/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১/৯ গতে ২/৩১ মধ্যে। পুনঃ ৩/২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি।  
৮ মাঘ, ১৪২৮, শনিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২২। চতুর্থী দিবা ৭/৪১। পূর্ব্বফল্গুনী নক্ষত্র দিবা ৯/৩৯। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১২। অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/১০ গতে ২/৩০ মধ্যে ও ৩/৫১ গতে ৫/১২ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫১ মধ্যে ও ৪/৪৭ গতে ৬/২৬ মধ্যে। 
১৮ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিয়ের মণ্ডপে কনেকে চড় মারল বর, পাল্টা চড় কনেরও
অভিনব ঘটনার সাক্ষী থাকল তামিলনাড়ুর পানরুতি। সম্প্রতি এখানে একটি বিয়ের ...বিশদ

06:04:12 PM

ভয়াবহ আগুনে ভস্মীভূত ডোমজুড়ের থার্মোকল কারখানা
হাওড়া: ভরদুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড হাওড়ায়। আজ, শনিবার দুপুর ১টা নাগাদ ...বিশদ

05:06:00 PM

রাজ্যকে এক হাজার কোটি টাকা ঋণ দিল বিশ্বব্যাঙ্ক
রাজ্যের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের সহযোগিতায় এবার এগিয়ে এল বিশ্বব্যাঙ্ক। মমতা ...বিশদ

04:23:16 PM

বঙ্গোপসাগরে ভূমিকম্প
ওড়িশা উপকূলের কাছে বঙ্গোপসাগরে ভূমিকম্প। শনিবার দুপুরে অনুভূত হয় এই ...বিশদ

03:34:22 PM

মুম্বইয়ের অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার

03:02:33 PM

মুম্বইয়ের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করল মহারাষ্ট্র সরকার

02:59:31 PM