Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মাননীয় হাইকমান্ড,
একটু আত্মবিশ্লেষণ করুন
সমৃদ্ধ দত্ত

তৃণমূল কংগ্রেস কেন গোয়ায় লড়াই করতে যাচ্ছে? তৃণমূল কংগ্রেস কেন ত্রিপুরায় গিয়েছে? তৃণমূল কংগ্রেস কেন মুম্বইয়ে গিয়ে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছে? কখনও অসম, কখনও মেঘালয়ে অন্য দলে ফাটল ধরিয়ে সেই দলের নেতানেত্রীদের নিজেদের দলে যোগদান করাচ্ছে কেন তৃণমূল? কংগ্রেসের রাগ হয়েছে। সিপিএমেরও রাগ হয়েছে। খুবই স্বাভাবিক। নিজের দল ভেঙে যাচ্ছে কিংবা দুর্বল হচ্ছে, এটা কোনও দলই পছন্দ করবে না। এক্ষেত্রে দুটি প্রশ্নকে সামনে রেখে সেই রাগকে কংগ্রেস ও সিপিএমের বিশ্লেষণ করা দরকার ছিল। প্রথম প্রশ্ন, তৃণমূল কেন এরকম ‘অনৈতিক’ কাজ করছে? দ্বিতীয় প্রশ্ন, আমরা কেন দলকে শক্তিশালী রাখতে পারছি না? কংগ্রেস ও সিপিএম সহজ পথ নিয়েছে। অর্থাৎ প্রথম প্রশ্নটি। আমার দল দুর্বল হচ্ছে। সেজন্য তৃণমূল দায়ী। আমার দোষ নেই । আমার দলকে মানুষ ভোট দিচ্ছে না, সেটা তৃণমূলের অপরাধ। আমার কোনও দায় নেই। কংগ্রেস ও সিপিএমের নেতানেত্রীরা এই যুক্তিতে অনড় থেকে বেশি বেশি প্রচার করতেই পারেন। কারণ, এটা আসলে, তাঁদের নিজেদের দায় এড়ানোর যুক্তি। নিজেদের অপরাধস্খলনের প্রয়াস। তাঁরা তা করুন, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই নেতানেত্রীদের অনুসরণ করে কংগ্রেস এবং সিপিএমের সাধারণ কর্মী ও সমর্থকরা কেন একইসুরে তৃণমূলকে আক্রমণ করছেন? তাঁরা তো নিজেদের দলের নেতানেত্রীদের ফাঁদে পা দিয়ে তাঁদেরই সুবিধা করে দিচ্ছেন! কংগ্রেস ও সিপিএমের কর্মী সমর্থকরা বরং সরাসরি নিজের দলের নেতানেত্রীদের প্রশ্ন করুন যে, তৃণমূল একটি রাজনৈতিক দল। সে নিজের ডালপালা বিস্তার করতেই চাইবে। যে আঞ্চলিক, সে চাইবে জাতীয় স্তরে পা রাখতে। সে সফল হতে পারে। ব্যর্থও হতে পারে। এই রাজনৈতিক উচ্চাশায় অন্যায়টা কী আছে বোঝা গেল না। কিন্তু সিম্পল প্রশ্ন করুন, আপনার দল কেন ব্যর্থ? 
কংগ্রেস ও সিপিএম কর্মী সমর্থকদের প্রশ্ন হওয়া দরকার যে, আমাদের দলের থেকে মানুষ কেন আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে? আমাদের দলের অগ্রগতির জন্য আপনারা অর্থাৎ এই নেতানেত্রীরা কী করেছেন? গত পাঁচ বছরের একটি প্ল্যান দেখান যে, আপনারা আমাদের দলকে শক্তিশালী করার জন্য একটি সফল রূপরেখা তৈরি করেছেন। আমাদের কোনও ইস্যুতে মানুষের সাড়া পাই না কেন? আমাদের মানুষ সিরিয়াসলি নিচ্ছে না কেন? প্রশ্ন করুন, আদৌ কি আপনারা কংগ্রেস ও সিপিএমের মতো দুটি ঐতিহ্যশালী দলের সর্বোচ্চ স্তরের নেতানেত্রী হওয়ার যোগ্য? কংগ্রেস ও সিপিএমের কর্মী সমর্থকদের উচিত তৃণমূলের এই রাজ্যে রাজ্যে গিয়ে নিজেদের সম্প্রসারিত করার মরিয়া চেষ্টা নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ সমালোচনা না করে নিজেদের দলের হাইকমান্ডদের এইসব প্রশ্ন করা যে, তৃণমূল তো সেদিনের দল। মাত্র ২৩ বছর বয়স। তাদের ভয়ে আমাদের কুঁকড়ে থাকতে হচ্ছে কেন? কেন প্রতিনিয়ত এই ২৩ বছরের দলটি  নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ করে রাখতে সক্ষম হচ্ছে? কেন আমরা পারছি না? এভাবে প্রশ্ন করলেই দেখা যাবে, কংগ্রেস ও সিপিএমের নেতৃত্ব ভয় পাবেন। তাঁরা বুঝবেন, এবার পালে বাঘ পড়েছে। এবার আমাদের কর্মী সমর্থকরা সঠিক সমস্যার জায়গাটি চিহ্নিত করে বাস্তববাদী হয়েছে। অর্থাৎ এবার আমাদের  অযোগ্যতা বেআব্রু হয়ে যাচ্ছে। 
কংগ্রেস ও সিপিএম কর্মী সমর্থককুলকে তাঁদের নেতারা নিজেদের অপদার্থতা থেকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। তাঁদের দলকে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে, ভোটের এই বাস্তব ফলাফলের জন্য তৃণমূল দায়ী হবে কেন? কংগ্রেস ত্রিপুরায় মুছে গিয়েছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক কী? বিজেপি এসেছে, কংগ্রেস ও সিপিএমকে গুরুত্বহীন করে দিয়েছে। এর অর্থ কী? এর অর্থ হল, কংগ্রেস ও সিপিএম নিজেদের দল রাখতে পারেনি। সমর্থক ধরে রাখতে পারেনি। ভোটব্যাঙ্ক ছিনতাই হয়ে গিয়েছে। 
তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেস ও সিপিএমের সবথেকে বড় অভিযোগ হল, আসলে তৃণমূল বিজেপির বন্ধু। তাই রাজ্যে রাজ্যে বিরোধী ভোটে বিভাজন ঘটাতেই তৃণমূল ময়দানে নেমেছে ওইসব রাজ্যে। যেমন গোয়া, যেমন ত্রিপুরা, যেমন মেঘালয় ইত্যাদি। এই অভিযোগটির অন্তর্নিহিত মেসেজটি কী? সেটা হল, কংগ্রেস চায় আমি খোলা মাঠে গোল করব। বিজেপির প্রতি ভোটাররা যখন বিরক্ত হবে, তখন যেন একমাত্র বিরোধী ও বিকল্প হিসেবে কংগ্রেসকেই দেখা যায়। সুতরাং, মানুষের যেন আর কোনও অপশন  না থাকে। কংগ্রেস এটা কেন মনে করছে যে, যখনই বিজেপি বিরোধী তৃতীয় শক্তির আগমন ঘটবে, তখনই আমার জমি কেঁপে উঠবে? কংগ্রেসের এই কনফিডেন্স নেই কেন, আমি যে রাজ্যে বিজেপি বিরোধী শক্তি, সেখানে আমিই শেষ কথা হওয়ার মতো শক্তি ও সাংগঠনিক প্রভাব অর্জন করেছি? অন্য কোনও দল এলেও সে আমার আসন টলাতে পারবে না? সে তৃণমূল কিংবা আম আদমি পার্টি যতই আসুক না কেন? কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব আসলে লড়াই করার মানসিকতা আর প্রবল একরোখা রাজনৈতিক আগ্রাসী মনোভাবটি হারিয়ে ফেলেছে। তাই প্রতিপক্ষ দেখলেই ভয় পায়। সে যত ক্ষুদ্র প্রতিপক্ষই হোক। 
কংগ্রেসের এই আতঙ্ক অত্যন্ত স্বাভাবিক। কারণ, বছরের পর বছর এটাই হয়ে আসছে সাম্প্রতিক ইতিহাসে। যে রাজ্যেই বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেস ছাড়াও অন্য বিরোধী দল আছে, সেখানেই কংগ্রেস পিছনের সারিতে চলে যেতে থাকে। ক্রমে একসময় গুরুত্বহীন হয়ে যায়। উত্তরপ্রদেশে যেই সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টির উত্থান ঘটল, কংগ্রেস জমি হারাতে শুরু করল। তখন কোথায় তৃণমূল? সেই হারানো জমি, হারানো ভোটব্যাঙ্ক কংগ্রেস আজও ফিরে পেল না। দলিত ভোট নিয়ে চলে গেলেন মায়াবতী। যাদব ও মুসলিম ভোট কংগ্রেসের থেকে ছিনিয়ে নিলেন মুলায়ম সিং যাদব। উচ্চবর্ণের ভোট দখল করল বিজেপি। কংগ্রেসের হাতে কী রইল? 
কংগ্রেস এখন কোন কোন রাজ্যে এককভাবে শক্তিশালী? ঠিক যেখানে যেখানে কোনও তৃতীয় পক্ষ নেই। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, গোয়া, কেরল, পাঞ্জাব, গুজরাত। হয় কংগ্রেস বনাম বিজেপি। অথবা কংগ্রেস বনাম সিপিএম। কিংবা কংগ্রেস বনাম অকালি দল। অর্থাৎ দুটি দল প্রতিপক্ষ। তৃতীয় কেউ নেই। যে কোনও একটি দল ক্ষমতায় আসবে ভোট থেকে ভোটান্তরে। এই তালিকায় এতকাল ধরে ছিল দিল্লি। কিন্তু মাত্র এক বছর বয়সি একটা দল কংগ্রেসকে সরিয়ে বিজেপি বিরোধী জায়গাটি কায়েম করে নিল শুধু নয়, লাগাতার বিজেপিকে হারিয়ে সরকারও গঠন করে চলেছে। আম আদমি পার্টি। এবার সেই আম আদমি পার্টি যেই পাঞ্জাবে পা রাখছে, আবার কংগ্রেসের অন্দরে আশঙ্কার ছায়া। ইতিমধ্যেই আম আদমি পার্টি বিপুলভাবে সাফল্য পেয়েছে গত বিধানসভা ও লোকসভা ভোটে এই রাজ্যে। অর্থাৎ যেখানেই তৃতীয় শক্তির উদয় হয়, সে ব্যর্থ হয় না। বরং ব্যর্থ হয়ে দ্বিতীয় স্থান তাকে ছেড়ে দেয় কংগ্রেস। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র। সর্বত্র বিজেপির বিরুদ্ধে আর একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক দল আছে। ওইসব রাজ্যে কংগ্রেস সর্বদাই তৃতীয় পক্ষ। এসব কার দোষে? তৃণমূলের? 
তেলেঙ্গানা নামক নতুন রাষ্ট্র কে দিল? ইউপিএ সরকার। সেই প্রচার করতে পেরেছে কংগ্রেস? পারেনি। তাহলে তেলেঙ্গানায় এখন ক্রমেই তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি বনাম বিজেপির লড়াই হচ্ছে কেন? কোথায় কংগ্রেস? অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ুতে কোথায় কংগ্রেস? কেন নেই? যে দক্ষিণ ভারত ১৯৭৭ সালে গোটা উত্তর ভারতের ইন্দিরা গান্ধী বিরোধী ঝড়ের বিপরীত অবস্থানে দাঁড়িয়ে শ্রীমতী গান্ধীকে বিপুল ভোট দিয়েছিল, সেই দাক্ষিণাত্যে কংগ্রেস কেন শক্তিশালী হতে পারছে না? কেন কর্ণাটকে দেবগৌড়ার দলের সাহায্য ছাড়া কংগ্রেসের একার পক্ষে বিজেপিকে ঠেকানো সম্ভব হয় না? তৃণমূলের দোষ? গুজরাত কেন নরেন্দ্র মোদি প্রাইভেট লিমিটেড নামক একটি জমিদারির চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হয়ে গেল? কার দোষে? তৃণমূলের? উত্তর পূর্ব ভারতে কংগ্রেস কেন ক্রমেই গুরুত্বহীন হয়ে যাচ্ছে? ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস সবেমাত্র পা রাখল, আর তৎক্ষণাৎ সাফল্য পেল কেন? কোথায় কংগ্রেস? 
সুতরাং, তৃণমূল কেন আমাদের পাড়ায় মাঠে খেলতে এসেছে! এই শিশুসুলভ কান্নাকাটি না করে কংগ্রেস হাইকমান্ড বরং টুইটার ছেড়ে আগ্রাসীভাবে ময়দানে নেমে বিজেপি বিরোধিতা করুক। মানুষের স্বার্থে দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছুটে ছুটে যাক। জনতা অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও সজাগ। জনতার আস্থা অর্জনকেই পাখির চোখ করুন কংগ্রেস নেতৃত্ব। সারাক্ষণ অন্য দল, রেফারি, দর্শক এবং প্লেয়িং কন্ডিশনকে  দোষারোপ করে কারা? যারা সর্বদাই হেরে যায়! ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের আসন সংখ্যা ছিল ২০৬। ২০১৪ সালে ৪৪! কার দোষে? ২০০৪ সালে লোকসভায় বাংলা থেকে বামফ্রন্টের আসন সংখ্যা ছিল ৩৫। ২০১৯ সালে শূন্য! কার দোষে?
03rd  December, 2021
লক্ষ্য যখন আজ্ঞা পালন
তন্ময় মল্লিক

সাপ্লাই লাইন কাটলেই বন্ধ হবে গোরু ও কয়লা পাচার। কিন্তু কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি সেটা করছে না। উল্টে গোমুখের সন্ধান না করে ঘুরপাক খাচ্ছে গাঙ্গেয় বঙ্গে। কারণ সমস্যার সমাধান নয়, ইস্যুটাকে জিইয়ে রেখে বিরোধীদের টাইট দেওয়াই তাদের উদ্দেশ্য। কারণ মিশন-২০২৪ গেরুয়া শিবিরের কাছে দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
বিশদ

প্রতিশ্রুতির অন্তহীন পতাকা উড়ছে
সমৃদ্ধ দত্ত

হর ঘর তিরঙ্গা। গত ৭৫ বছরের মধ্যে এটাই সম্ভবত সেরা স্লোগান। এরকম একটি স্লোগানের অন্তর্নিহিত অর্থ হল, ভারতের সকলের কাছে ঘর আছে। তাহলেই তো সম্ভব হর ঘর তিরঙ্গা লাগানো! হর ঘর তিরঙ্গা যে সফল হবে, এটা রাষ্ট্র কখন ভাববে?  বিশদ

19th  August, 2022
প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির সাতকাহন
মৃণালকান্তি দাস

গেরুয়া শিবির জানে, ভক্তির সামনে যুক্তি টেকে না, যুক্তি দিয়ে ভক্তি খণ্ডনও করা যায় না। অতএব, ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ দেশ যন্ত্রণাবিদ্ধ হয়েও তাঁর মনের কথা শুনে বিগলিত হয়। ‘নমো নমো’ ধ্বনিতে গোপন রয়ে যায় আসল চেহারা। কেউ বলার সাহস পায় না, কংগ্রেসের দুর্নীতির সঙ্গে বিজেপির দুর্নীতির তফাৎ একটাই: কংগ্রেস দুর্নীতি করে আইন ভেঙে, আর বিজেপি দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক চেহারা দিতে আইনটাকেই বদলে নেয়। বিশদ

18th  August, 2022
শঠতার কারাগার থেকে রাজনীতির মুক্তি
হারাধন চৌধুরী

স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্বপ্নপূরণ সেদিনই সম্ভব হবে যেদিন শঠতার কারাগার থেকে মুক্তি ঘটবে ভারতীয় রাজনীতির। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্বাধীনতাই দেশকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের পথ দেখাবে। নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দল বা একজনমাত্র রাজনীতিকের পক্ষে এই হিমালয়তুল্য ভার সরানো সম্ভব হবে না। দায়িত্ব গোটা জাতির। বিশদ

17th  August, 2022
এই ভারত কতটা সার্বভৌম, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক? 
পি চিদম্বরম

ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনায় উল্লিখিত সার্বভৌম, ধর্মনিরপেক্ষ এবং গণতান্ত্রিক এই শব্দ তিনটি পাঠকরা স্মরণ করবেন। একটি আধুনিক সাধারণতন্ত্রের সংজ্ঞা এই গুণাবলির ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।
বিশদ

15th  August, 2022
স্বাধীনতার মহোৎসব ও মানুষের প্রাপ্তি
হিমাংশু সিংহ

শুধু পতাকার পবিত্র রঙে ঘরবাড়ি সৌধকে সাজিয়ে তুলেই কি দায়িত্ব শেষ? আমাদের সংবিধান প্রণেতারা যে দুর্নীতিমুক্ত, সব সম্প্রদায় ও বিশ্বাসের মানুষের আস্থা জিতে মিলনতীর্থ ভারতবর্ষ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা কি বাস্তবায়িত হচ্ছে?  বিশদ

14th  August, 2022
জাতীয় স্বার্থই প্রাধান্য পাওয়া উচিত
মোহনরাও ভাগবত

‘স্বাধীনতার  অমৃত মহোৎসব’ উদযাপনের এই শুভক্ষণ আমরা অনেক ত্যাগ ও কষ্টের বিনিময়ে অর্জন করেছি। ভারতকে তার গৌরবের শিখরে প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের একইভাবে নিষ্ঠার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করে যেতে হবে। এই শুভক্ষণে আমাদের আত্মসমীক্ষা করা উচিত যে, স্বাধীনতার উদ্দেশ্য যদি স্বনির্ভরতা অর্জন করা হয়, তবে আজ ৭৫ বছর পর, ভারত কি সম্পূর্ণ আত্মনির্ভর হতে পেরেছে!  
বিশদ

14th  August, 2022
বিহারে পালাবদলে
আসল নায়ক তেজস্বীই
তন্ময় মল্লিক

এই নিয়ে আট আটবার মুখ্যমন্ত্রিত্বের কুর্সিতে। তারজন্য কখনও কংগ্রেসের, কখনও আরজেডির, কখনও আবার বিজেপির কাঁধে ভর করেছেন। গদির জন্য নীতি বিসর্জন দিয়েছেন বারবার। ডিগবাজি পলিটিক্সে তাঁর সমগোত্রীয় বলতে একমাত্র মুলায়ম সিং যাদব। বিশদ

13th  August, 2022
ভারতবর্ষের গণতন্ত্র এবং
সরকারি সাম্প্রদায়িকতা
হুমায়ুন কবীর

গত জুলাইতে লন্ডনের কিংস কলেজে ভারতীয় ছাত্র এবং অ্যালামনি ইউনিয়নের উদ্যোগে ‘ইন্ডিয়া অ্যাট ৭৫’ নামে এক লেকচার সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়। তাতে ‘গণতন্ত্র এবং উন্নয়নে’র উপর ভাষণ প্রসঙ্গে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন উন্নয়নের লক্ষ্যে শক্তিশালী নেতা, আরও প্রগতিশীল সরকার এবং উন্মুক্ত গণতন্ত্রের নিদান দেন। বিশদ

13th  August, 2022
গরিষ্ঠতা নিয়ে নার্ভাস
বরং নরেন্দ্র মোদিই

সমৃদ্ধ দত্ত

শুধু কংগ্রেসমুক্ত ভারত নির্মাণ করাই যে যথেষ্ট নয়, সেটা মোদি এবং অমিত শাহ বুঝেছেন। কারণ, রাজ্যে রাজ্যে একঝাঁক আঞ্চলিক দল রয়েছে, যাঁদের শক্তি অনেক বেশিই রয়ে যাচ্ছে। তাই আঞ্চলিক দলগুলিকে ধ্বংস করতে উদ্যত বিজেপি। ফর্মুলাটি হল, প্রথমে তাদের সঙ্গে জোট করে বন্ধুত্ব পাতানো। তারপর ধীরে ধীরে তাদের ভোটব্যাঙ্কে  ভাগ বসানো। বিশদ

12th  August, 2022
তাইওয়ান নিয়ে সংঘাতের পিছনে চিপযুদ্ধ
মৃণালকান্তি দাস

ন্যান্সি পেলোসির সঙ্গে বেজিংয়ের লড়াই সেই ১৯৮৯ সাল থেকেই। পেলোসি যেমন বরাবরই চীনের ঘোর সমালোচক, তেমনই আমেরিকার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকারকে ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিপূর্ণ তথ্যে ভরপুর’ বলে মনে করে বেজিংও।
বিশদ

11th  August, 2022
পূর্বসূরিদের কলঙ্ক মুছতে প্রয়াসী বিজেপি
সন্দীপন বিশ্বাস

বেলাগাম হয়ে ছুটছে মূল্যবৃদ্ধির অশ্বমেধের ঘোড়া। মানুষকে দলিত করে, আহত করে সে ছুটছে আপন খেয়ালে। তাকে রোখার ক্ষমতা নেই রাজাধিরাজের।
বিশদ

10th  August, 2022
একনজরে
মালদহে এবার বৃষ্টির ব্যাপক ঘাটতির জেরে আমন ধান চাষে জলসেচ সমস্যা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি জেলার বরিন্দ ব্লকগুলিতে  আমন ধান এখনও রোপণের কাজ শেষ হয়নি। ...

ইতিহাস গড়লেন মনীষা কল্যাণ। মহিলাদের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ভারতের এই ফুটবলার সাইপ্রাসের ক্লাব অ্যাপোলন লেডিজের হয়ে খেললেন। ...

প্রথা মেনেই মহা সমরোহে বেলুড় মঠে জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান পালিত হল। বৃহস্পতিবার মঠের অস্থায়ী বেদিতে পুজোপাঠ সহ বক্তৃতা ও গানের মধ্যে দিয়ে জন্মাষ্টমী পালিত হয়। একই সঙ্গে শুক্রবার হয়ে গেলে দেবীদুর্গার আরাধনার জন্য প্রস্তুতি। ...

মায়ানমারে অশান্তি অব্যাহত। ক্ষমতা দখলকারী জুন্টা প্রশাসনের সঙ্গে স্থানীয় প্রতিরোধ বাহিনীর সংঘর্ষ চলছে নানা প্রান্তে। বিশেষ করে তার প্রভাব পড়েছে ভারত সীমান্তে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সংসারে অশান্তি, মনে চাঞ্চল্য। ভুল সিদ্ধান্তে কর্মে বাধা। অর্থকড়ি উপার্জন মনোমতো হবে না।   ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মশা দিবস
১৮২৮: ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করলেন রাজা রামমোহন রায়
১৮৬৪: লেখক রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদির জন্ম
১৮৯৬: ফুটবলার গোষ্ঠ পালের জন্ম
১৮৯৭: চিকিৎসক রোনাল্ড রস অ্যানোফিলিস মশা বাহিত ম্যালেরিয়া রোগের কারণ আবিষ্কার করেছিলেন
১৯০৬: প্রথম ভারতীয় র‌্যাংলার আনন্দমোহন বসুর মৃত্যু
১৯৪৪: ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর জন্ম
১৯৭৬- বলিউড অভিনেতা রণদীপ হুডার জন্মদিন
১৯৮৬: গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের মৃত্যু 
 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৮.৯৩ টাকা ৮০.৬৭ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৪৯ টাকা ৯৬.৭৬ টাকা
ইউরো ৭৮.৯৭ টাকা ৮১.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম)  
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম)  
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম)  
রূপার বাট (প্রতি কেজি)  
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি)  
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ ভাদ্র, ১৪২৯, শনিবার, ২০ আগস্ট ২০২২। নবমী ৪৯/৩৭ রাত্রি ১/৯। রোহিণী নক্ষত্র ৫৮/২২ রাত্রি ৪/৪০। সূর্যোদয় ৫/১৮/৪৭, সূর্যাস্ত ৬/১/২৭। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৩ গতে ১২/৫৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/১৬ গতে ১০/৩২ মধ্যে। পুনঃ ১২/২ গতে ১/৩৩ মধ্যে, পুনঃ ২/১৮ গতে ৩/৪৮ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/২৬ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/২৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৪ গতে উদয়াবধি। 
 
৩ ভাদ্র, ১৪২৯, শনিবার, ২০ আগস্ট ২০২২। নবমী রাত্রি ২/৪২। রোহিণী নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১৮, সূর্যাস্ত ৬/৪। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১৪ গতে ১০/৩০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ১/৩১ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৫১ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৪ মধ্যে ও ১/১৭ গতে ২/৫৩ মধ্যে  ও ৪/২৯ গতে ৬/৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২৯ মধ্যে ও ৩/৫৪ গতে৫/১৮ মধ্যে। 
 
২১ মহরম।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সাগরে তিনটি ট্রলার ডুবি
খারাপ আবহাওয়ার জেরে সাগরে মোট তিনটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ...বিশদ

19-08-2022 - 04:16:33 PM

নিউ ইয়র্কে ফের ভাঙা হল মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি
নিউ ইয়র্কে ফের মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি ভাঙা হল। এক মন্দিরের ...বিশদ

19-08-2022 - 04:02:51 PM

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গুলিতে শহিদ জওয়ান
ত্রিপুরায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফকে লক্ষ্য করে গুলি। ঘটনায় শহিদ হয়েছেন ...বিশদ

19-08-2022 - 03:56:58 PM

মানিকতলায় নাবালিকার রহস্যমৃত্যু
মানিকতলায় এক নাবালিকার রহস্যমৃত্যু। মৃতার নাম সুই দাস (১৬)। কলকাতা ...বিশদ

19-08-2022 - 03:01:51 PM

নাগরাকাটায় খাদে পড়ল মারুতি, মৃত ২
জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় দুর্ঘটনা। আজ, শুক্রবার বেলা ১১ টা নাগরাকাটার চম্পাগুড়ি ...বিশদ

19-08-2022 - 02:46:33 PM

সাগরে ট্রলার ডুবি, নিখোঁজ ১৮ জন মৎস্যজীবী
সাগরে দুর্যোগের মাঝে বিপত্তি। কেঁদো দ্বীপে ট্রলার ডুবি। চরে ধাক্কা ...বিশদ

19-08-2022 - 12:50:24 PM