Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

তথ্য সুরক্ষা বিল এবং
শাসকের ‘দূরের লক্ষ্য’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

‘সাত বছর... মার্কিন গুপ্তচরবৃত্তির ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ এক পরিবর্তনের অংশ ছিলাম আমি। টার্গেট? আর কোনও নির্দিষ্ট মানুষ নয়, এবার জনতা...। ওয়ার্ল্ড পপুলেশন। একটা প্রযুক্তি প্রত্যেকটা মানুষকে এনে দিয়েছিল সরকারের নজরদারির আওতায়। এমন এক প্রযুক্তি তৈরি করেছিলাম, যা ব্যবহার করে একটা সরকার বিশ্বের যাবতীয় ডিজিটাল মাধ্যমের নিরাপত্তা ভেঙে দেবে। প্রত্যেকটা তথ্য চলে আসবে তার হাতের মুঠোয়। যুগ যুগ ধরে সরকার সেই তথ্য মজুত করবে, আর তার ব্যবহার হবে... সঠিক সময়ে। প্রয়োজন মতো!’
—এডওয়ার্ড স্নোডেন
 
তথ্য সুরক্ষা বা ডেটা সিকিওরিটি। আজকের দিনে এই দু’টি শব্দই সবচেয়ে বড় আতঙ্ক। কারণ, প্রতিদ্বন্দ্বী আমাদের চোখে ধরা পড়ছে না। ভার্চুয়াল দুনিয়ায় এক একটা কোম্পানি নিজের নিজের মতো চুরি করছে আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য। বিশ্লেষণ করছে। তারপর আমাদেরই বিরুদ্ধে সেই তথ্য ব্যবহার করছে। স্রেফ উপার্জনের খাতিরে। কোন কোন ধরনের বিষয় আমাদের আকর্ষণ করছে, কী বিষয় আমরা খুঁজছি, আমাদের ছবির গ্যালারি... সবই চলে যাচ্ছে কোম্পানিগুলির হাতের মুঠোয়। এর জন্য কি আপনার-আমার অনুমতি তারা নিচ্ছে? না, নিচ্ছে না। শুধু কোনও একটি অ্যাপ ইনস্টল করার সময় আপনি দেখছেন, সেটি আপনার ফোনের কনট্যাক্টস, গ্যালারি এবং আরও কিছু ব্যক্তিগত তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে সংযোগ চাইছে। আপনি ভাবছেন, এটা অ্যালাও না করলে তো অ্যাপটাই চলবে না! আপনি ‘ইয়েস’ ছুঁয়ে দিচ্ছেন, আর সেই অ্যাপ বা কোম্পানিও ঢুকে পড়ছে আপনার ব্যক্তিগত জগতে। তারা স্মার্ট ফোন বা ল্যাপটপ ব্যবহারকারীর পছন্দ বুঝে বিজ্ঞাপন চালাচ্ছে, জালিয়াতির সংখ্যাও বাড়ছে লাফিয়ে। ভারত সরকার নাকি এই ঘটনাক্রমে রীতিমতো 
উদ্বিগ্ন। তাই তারা আনতে চলেছে তথ্য সুরক্ষা 
আইন। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বা 
নানাবিধ অন্যান্য অ্যাপ-ওয়েবসাইট যাতে দেশের নাগরিকদের তথ্য নিয়ে অসাধু ব্যবসা না চালাতে পারে, তার জন্যই মহান উদ্যোগ। 
প্রধান উদ্দেশ্য
১) হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটারের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় যা তথ্য ব্যবহার হয়, তার জন্য প্ল্যাটফর্মগুলিকে দায়বদ্ধ করা। অর্থাৎ, তোমার প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ হচ্ছে মানে এর সুফল বা কুফলের দায় তোমাকে নিতেই হবে। ফরওয়ার্ডেড মেসেজ বলে হাত তুলে নিতে পারবে না। যে ব্যক্তি বা সংগঠন মেসেজটি পোস্ট করছে, দায় নিতে হবে তাকেও। অর্থাৎ, ‘ফেক নিউজ’ বন্ধ করতে পদক্ষেপ। আশা করা যায়, এই আইন কার্যকর হলে শিলচরের কোনও হিংসার ছবি বাংলার দুবরাজপুরের বলে চালানো যাবে না। আইন যেহেতু সবার ক্ষেত্রে সমান, কেন্দ্রের শাসক দলের ছাপ্পা থাকলেও সেই ব্যক্তি, সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিতে পারবে। পাশাপাশি এই আইনে নথিভুক্ত না হলে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বা ওই ধরনের কোনও সংস্থা ভারতে ব্যবসা করতে পারবে না। 
২) তথ্য চুরি রোখা। আপনার অনুমতি ছাড়া কোনও সংস্থাই আপনার ফোনে জমা রাখা তথ্যের নাগাল পাবে না। তেমন কিছু হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার রাস্তা সরকারের কাছে খোলা থাকছে। বিশেষত শিশুদের তথ্য নিয়ে ভারত সরকার খুবই উদ্বিগ্ন। তাদের তথ্য নিয়ে ব্যবসা! চলতে দেওয়া যাবে না। 
৩) ব্যক্তিগত তথ্য ছাড়াও এমন কিছু বিষয় আছে, যা এই আইনের আওতায় আনতে চলেছে কেন্দ্র। যেমন একটি রাজ্যের ইনকাম গ্রুপ, বা বয়স, পুরুষ-মহিলার অনুপাত, ধর্মের নিরিখে জনসংখ্যার বিভাজন... এই ধরনের তথ্য চুরি বা অপব্যবহারেও ব্যবস্থা নেওয়ার পথ খুলে রেখেছে সরকার। 
৪) একটি নীতি নির্ধারক এবং নিয়ন্ত্রক পর্ষদ গঠন। তাদের হাতে বিচারের ক্ষমতাও থাকবে। বাদী-বিবাদী দুই পক্ষের সওয়াল তারা শুনবে এবং প্রয়োজন মতো সিদ্ধান্ত নেবে।
ফাঁক কোথায়?
সরকারি এজেন্সিগুলিকে এই আইনে বাঁধা যাবে না। খসড়া বিলে এমনই একটি ফাঁক রেখে দিয়েছে ভারত সরকার। অর্থাৎ, কেন্দ্রীয় এজেন্সি বা গোয়েন্দারা যে কোনও নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্যভাণ্ডারে ঢুকে পড়তে পারবেন। সে ক্ষেত্রে তাঁদের কোনওরকম অনুমতির প্রয়োজন হবে না। আপনার ফোনে কোন ধরনের লেখা স্টোর করে রাখা আছে, কার সঙ্গে আপনি দু’বছর আগে সেলফি তুলেছিলেন... এই সবই যখন ইচ্ছে হাতিয়ে নিতে পারবে কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্য সরকারের কিন্তু সেই অধিকার থাকবে না! কারণ, আইনে তেমন সুযোগই যে রাখা হয়নি। 
যদি আপনি এমন কোনও ঘটনায় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন? সরকার বলবে, এটা আমাদের আইনসিদ্ধ অধিকার। চেন্নাইয়ের কোন ঘরে কোন মাওবাদী সমর্থক লুকিয়ে আছে, সেটা আমরা দেখব না? জাতীয় নিরাপত্তার খাতিরে এটা আমাদের করতেই হবে। আপনিও মাথা নিচু করে ফিরে আসবেন, কিংবা সরকারের পাতা জালে ধরা দিয়ে আপনার ভবিতব্য হবে জেলের চার দেওয়াল। 
বিতর্ক এখানেই
পেগাসাস নিয়ে তোলপাড় সুপ্রিম কোর্ট থেকে সংসদ। সর্বত্র ছিল একটাই প্রশ্ন—সরকার কি ভারতের বিশিষ্ট নাগরিকদের ফোনে পেগাসাস ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল? ঘুরিয়ে নাক ধরার মতো বিবিধ উত্তর দিয়েছে কেন্দ্র। সংসদে মন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রশাসন বা এজেন্সিগুলি নির্দেশ বহির্ভূত কোনও কাজই করেনি। আদালতে কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী দাবি করেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সবকিছু 
খুল্লমখুল্লা বলা যায় না। তারপরও শীর্ষ আদালত 
প্রশ্ন করেছে, সাধারণ নাগরিকের গোপনীয়তার অধিকার কি সরকার লঙ্ঘন করেছে? পেগাসাস সামনের চৌমাথার ফোনের দোকানে আপনি 
কিনতে পারবেন না। ইজরায়েলের সংস্থাটি এই সফ্টওয়্যার শুধুই সরকারকে বিক্রি করে। অর্থাৎ, কোনও না কোনও দেশের সরকার ভারতের নাগরিকদের ফোনে এটি পাঠিয়েছে (নরেন্দ্র মোদি সরকার নাই বা বললাম)! এ দেশের ক্ষেত্রে যদি নজরদারি চালানোটা আইনসিদ্ধ হয়ে যায়, তাহলে তো আর আড়াল-আবডালের প্রয়োজনই থাকবে না। সেটাই চাইছে কেন্দ্র। আইনি সিলমোহর। সরকার বিরোধী মতামত দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে সরকারের ভাড়া করা সৈন্যরা। টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাবে গারদের ওপারে। আতঙ্কের ভূত ভর করবে তামাম ভারতবাসীর কাঁধে। 
দূরের লক্ষ্য
নিশানায় ২০২৪। গত তিন-চার বছর ধরেই মোক্ষম এক অস্ত্র নিয়ে ভোটের বাজারে নেমেছে বিজেপি। আইটি সেল। তারা এলাকা ভাগ করে কাজ শুরু করে। একটা পাড়া বা অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক অবস্থা তারা আগে বুঝে নেওয়ার চেষ্টায় থাকে। এক্ষেত্রে বছর দুয়েক আগেও এই ধরনের ‘প্রফেশনালদের’ নজর থাকত ইলেকট্রিক বিলে। যে বাড়িতে ইলেকট্রিক বিল ৫০০ টাকা আসে, তার পছন্দ বা দরকারের সঙ্গে ৫ হাজার টাকাওয়ালা বিলের মালিকের ‘টেস্ট’ মিলবে না। তাই সবার আগে ছেঁকে নেওয়া হতো আর্থ-সামাজিক কাঠামো। প্রত্যেক স্তরের জন্য থাকত আলাদা আলাদা প্রোপাগান্ডা। কারও ক্ষেত্রে একটু চড়া দাগের, কারও জন্য একটু আঁতলামি। উদ্দেশ্য একটাই, নানা ধরনের ভুয়ো খবর ছড়িয়ে বা ধর্মীয় মেরুকরণের মাধ্যমে ভোটারকে উত্তেজিত করে তোলা। তারই ফল দেখা যাবে ভোটের যন্ত্রে। এ এক বিরাট পরিকাঠামো। একটু ঝুঁকি অবশ্য থাকেই। কারণ, ভোটার যদি একবার এই ধরনের প্রচারের উপর থেকে আস্থা হারায়, কিছুতেই আর তাকে ফেরানো যাবে না। আর যদি নজরদারিটা আইনসিদ্ধ হয়? যদি দেশের সেরা গোয়েন্দারা ভোটারদের হাল হকিকত বিশ্লেষণ করে? সে ক্ষেত্রে কিন্তু ঝুঁকিটা নগণ্য। অর্থাৎ, শাসক দল আগেভাগেই জানবে, ওই এলাকার ভোটাররা কার পক্ষে। সেইমতো চলবে প্রভাবিত করা, কিংবা দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বলা... ‘মাসিমা, ভোটটা আপনাকে আর কষ্ট করে দিতে যেতে হবে না। ওটা আমরাই করে দেব।’ 
মানেটা খুব পরিষ্কার... আতঙ্ক বাড়বে... গণতন্ত্রের আকাশে দীর্ঘতর হবে একনায়কতন্ত্রের মেঘ। গুপ্তচর লেগে থাকবে আপনার-আমার পিছনে। আজ কী বাজার করলেন, জানবে শাসক। হঠাৎ দূরের কোনও আত্মীয় বিয়োগে আপনার অ্যাকাউন্টে এসে গিয়েছে কিছু টাকা। কেন এল? নজরদার রয়েছে পাহারায়। আর অস্ত্র? আপনার ফোন।
ফিলিপ কে ডিক মারা গিয়েছেন প্রায় ৪০ বছর আগে। মার্কিন সাহিত্যিক। লিখতেন সায়েন্স ফিকশন। তাঁর একটামাত্র লাইন কীভাবে যেন এই সবের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ছে। কাঁপুনি ধরছে বুকে... ‘একটা সময় আসবে, যখন আমার ফোনের মাধ্যমে আর আমার উপর চরবৃত্তি হবে না। বরং ফোনই আমার উপর নজরদারি চালাবে’। 
শাসকের নজরদারি। রাষ্ট্রের নজরদারি।
30th  November, 2021
বিজেপির খিচুড়ি রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘটনাটা লকডাউন শুরুর ঠিক পরের। ২০২০ সালের এপ্রিলের ১০ তারিখ। উত্তরপ্রদেশের কুশীনগরের এক কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। রান্নার লোক আসেনি বলে গ্রামপ্রধান লীলাবতী দেবী নিজেই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছিলেন। ভেবেছিলেন, জনা পাঁচেকের রান্না... একাই সামলে দিতে পারব। বিশদ

ভারতীয় অর্থনীতি নিয়ে বৃথা অহঙ্কার
পি চিদম্বরম

মানুষের কথাবার্তায় আলোচনায় অবশ্য জিডিপির চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে গ্যাস, ডিজেল ও পেট্রলের দাম। বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। সিএমআইই-র হিসেবে, শহুরে বেকারত্বের হার ৮.৫১ শতাংশ এবং গ্রামীণ বেকারত্বের হার ৬.৭৪ শতাংশ। তবে বাস্তবটা আরও ভয়াবহ! বিশদ

17th  January, 2022
উত্তরপ্রদেশ মোদির
ওয়াটারলু হবে না তো!
হিমাংশু সিংহ

গত এপ্রিলে যখন কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে মিরাট থেকে শাহাজাহানপুর, অযোধ্যা থেকে বারাণসী, তখন এক যুবক ক্রমাগত ছুটছেন উত্তরপ্রদেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত। দলিত আর পিছড়ে বর্গের মানুষের ঘরে ঘরে। কোনওকিছুতেই যেন ভ্রুক্ষেপ নেই তাঁর। বয়স ৪৮।
বিশদ

16th  January, 2022
বিজেপির গেম প্ল্যানে জল
ঢেলে দিল সুপ্রিম কোর্ট
তন্ময় মল্লিক

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা এবং কার গাফিলতিতে ফিরোজপুরের ঘটনা তার যথাযথ তদন্ত চায় সুপ্রিম কোর্ট। দেশের মানুষের সামনে সত্যিটা তুলে ধরতে চায়। তাই গঠন করেছে তদন্ত কমিটি। এই কমিটি যেমন বিজেপির তোলা প্রধানমন্ত্রীকে খুনের চক্রান্তের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে, তেমনি তদন্তের আতসকাচের নীচে যাচাই হবে এসপিজির সেদিনের ভূমিকাও। সুপ্রিম কোর্ট বুঝিয়ে দিল, তদন্তের অজুহাতে রাজনীতি আর চলবে না।
বিশদ

15th  January, 2022
সার্বিক টিকাকরণ ও কোভিড
স্বাস্থ্যবিধিতেই বাগ মানবে ওমিক্রন
মৃন্ময় চন্দ

গোটা পৃথিবীর রাতের ঘুম কেড়েছে ওমিক্রন। সংক্রমণ লাগামছাড়া, ডেল্টার তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি। মানবশরীরে ডেল্টার তুলনায় পাঁচগুণ দ্রুতগতিতে বংশবিস্তার শুরু করে ওমিক্রন। ওমিক্রনের ‘আরনট’ বর্তমানে ১০-এর (ল্যানসেট রেসপিরেটরি মেডিসিন, ১৭ ডিসেম্বর ২০২১) বেশি। হাম বা মিজলস-এর মতোই ছোঁয়াচে ওমিক্রন। বিশদ

15th  January, 2022
দেশের যে সমস্যাগুলি
আড়ালে থেকে যাচ্ছে
সমৃদ্ধ দত্ত

লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের এডিটোরিয়াল পেজ এডিটর সিউয়েল চ্যান বলেছিলেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে, কেবল নিউজের মাধ্যমে জন্ম হচ্ছে নন স্টপ ওপিনিয়ন মেশিনের।
বিশদ

14th  January, 2022
স্বামীজি ধর্মের নামে কারবার ঘৃণা করতেন
মৃণালকান্তি দাস

 

ছেলেবেলায় বাবার বৈঠকখানায় সব গড়গড়ার নল মুখে নিয়ে জাত যায় কী করে, পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন।
বাবা বিশ্বনাথ দত্তের রসুইখানার বাবুর্চিও ছিলেন মুসলিম।
বিশদ

13th  January, 2022
নেমে আসুক সেই
উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের আলো
সন্দীপন বিশ্বাস

যে ভারত গড়ার স্বপ্ন স্বামীজি দেখেছিলেন, সেই ভারতকে আজ খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেই মহামানব নরেন্দ্রর বাণীকে জীবনে ও কর্মে আত্মস্থ করতে পারেননি। বারবার তাঁর কথায় স্বামীজির প্রতি ভক্তির প্রকাশ দেখা যায় বটে, কিন্তু কর্মে তাঁর অবস্থান একেবারে বিপরীত মেরুতে। বিগত কয়েক বছরে তাঁর শাসন দক্ষতার নিদর্শন বুঝিয়ে দিয়েছে, যে ভরসা মানুষ তাঁর উপর করেছিলেন, সেখানে তিনি পুরোপুরি ব্যর্থ।
বিশদ

12th  January, 2022
মহামারীর ব্যবসা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শিয়ালদহ স্টেশন। রাত ৯টা ৩৭ মিনিট। তীব্র হর্নে কেঁপে উঠল শিয়ালদহ সাউথ। লাস্ট ক্যানিং লোকাল ছেড়ে যাচ্ছে। আর ব্যাগ কাঁধে পিছন পিছন ছুটছেন এক বৃদ্ধ। বছর ৬৫ বয়স। এই ট্রেনটা বেরিয়ে গেলে রাতটা কাটাতে হবে প্ল্যাটফর্মেই। তাই ছুটছেন তিনি। কোনওমতে শেষ কামরার রডটা ধরলেন। বিশদ

11th  January, 2022
বেলাগাম গোঁড়ামি
পি চিদম্বরম

প্রথমে ওরা কমিউনিস্টদের জন্য এসেছিল, এবং আমি প্রতিবাদ করিনি—
কারণ আমি কমিউনিস্ট নই।
তারপরে তারা সমাজতন্ত্রীদের জন্য এসেছিল, এবং আমি প্রতিবাদ করিনি—
কারণ আমি সমাজতন্ত্রী নই।
বিশদ

10th  January, 2022
বাংলারই রিপ্লে দেখছি পাঞ্জাবে...
হিমাংশু সিংহ

আপাতভাবে বিরোধীরা হীনবল হলেও আন্দোলন আর প্রতিবাদের নতুন চালিকা শক্তি আজ কৃষকরা। যাঁদের সামনে মাথা ঝোঁকাতে হয়েছে সর্বশক্তিমানকেও। পার্লামেন্টে গরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও। সেই পথ ধরেই শ্রমিক, সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ তাঁদের হক বুঝে নিতে চাইছে। লোকসভা ভোটের দু’বছর আগে এই বার্তা মোটেও শুভ সঙ্কেত নয় নোট বাতিলের ব্যর্থ নায়কের পক্ষে!
বিশদ

09th  January, 2022
মনমোহন পারলেও
মোদি পারলেন না
তন্ময় মল্লিক

মোদিজির ‘বেঁচে ফেরা’র মন্তব্য প্রাণহানির আশঙ্কা থেকে নাকি রাজনৈতিক গিমিক, তা নিয়ে বিতর্ক চলবে। তবে যখন কমান্ডো পরিবেষ্টিত একজন প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজের দেশে দাঁড়িয়ে প্রাণ সংশয়ের কথা বলেন, তখন তাঁর রাজনৈতিক দেউলিয়াপনাই প্রকাশ পেয়ে যায়।
বিশদ

08th  January, 2022
একনজরে
মাত্র ২৪ ঘণ্টা। এর মধ্যেই ধর্মগুরু যতি নরসিংহানন্দের গ্রেপ্তারি নিয়ে সাফাই দিল পুলিস। নরসিংহানন্দকে মহিলাদের প্রতি আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে রবিবার জানিয়েছিল ...

হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট সারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে হোম সিরিজে ফিরতে চলেছেন রোহিত শর্মা। ফেব্রুয়ারির গোড়ায় ভারতে আসছে ক্যারিবিয়ানরা। খেলবে তিনটি ওয়ান ডে এবং তিনটি টি-২০ ম্যাচ। ...

নিউ দোমোহনি ও নিউ ময়নাগুড়ি স্টেশনের মাঝে কীভাবে বিকানির এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়েছিল, সোমবার তার সরেজমিনে তদন্ত করল ফরেন্সিক দল। বিধ্বস্ত ট্রেনটির বগি ও ইঞ্জিন খতিয়ে ...

সোমবার সকালে তমলুকের শ্রীরামপুর থেকে পাঁশকুড়া যাওয়ার গ্রামীণ সড়ক যোজনার রাস্তায় দোবাঁধি এলাকায় ধস নেমে প্রায় ২০ ফুট নীচে চলে গেল ২৫টি দোকানঘর। ভেঙে পড়েছে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায়িক কর্মোন্নতির প্রবল যোগ। আর্থিক প্রাপ্তি হবে মোটা অঙ্কে। কর্মপ্রাপ্তির সুখবরে মনে প্রফুল্লতা। স্বাস্থ্য এক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৮ - ব্রিটিশ অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন জেমস কুক হাওয়াই দ্বীপ আবিষ্কার করেন
১৮৫৪ -আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেলের সহকারী তথা টেলিফোন আবিষ্কারের অন্যতম প্রবর্তক  টমাস আউগুস্তুস ওয়াটসনের জন্ম
১৮৬২ - বঙ্গীয় আইন পরিষদ গঠিত হয়
১৯৪৭: সঙ্গীতশিল্পী কে এল সায়গলের মৃত্যু
১৯৪৮ - হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা বন্ধ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গান্ধী তার ১২১ ঘণ্টার অনশনের অবসান ঘটিয়েছিলেন ১৯৭২: ক্রিকেটার বিনোদ কাম্বলির জন্ম
১৯৯৬: রাজনীতিক ও অভিনেতা এন টি রামারাওয়ের মৃত্যু
২০০৩: কবি হরিবংশ রাই বচ্চনের মৃত্যু
২০১৮: বিশিষ্ট বাঙালি সাংবাদিক ও কার্টুনিস্ট চন্ডী লাহিড়ীর মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৩৭ টাকা ৭৫.০৮ টাকা
পাউন্ড ৯৯.৮২ টাকা ১০৩.২৭ টাকা
ইউরো ৮৩.২৪ টাকা ৮৬.৩০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৮০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ মাঘ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২২। প্রতিপদ অহোরাত্র। পুষ্যা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৬/২৩/৩, সূর্যাস্ত ৫/১০/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩২ গতে ১০/৪১ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ২/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/০ গতে ৪/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১১/১৯ মধ্যে পুনঃ ১/৫৮ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ গতে ৯/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৭ গতে ২/২৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৪৯ গতে ৮/২৮ মধ্যে। 
৪ মাঘ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৮  জানুয়ারি ২০২২। প্রতিপদ শেষরাত্রি ৬/১৫। পুষ্যা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১০। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩১ গতে ১০/৪৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ২/২৫ মধ্যে ও ৩/৯ গতে ৪/৩৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৩ মধ্যে ও ৮/৪৯ গতে ১১/২৪ মধ্যে ও ১/৫৯ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৬ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ১/৮ গতে ২/২৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৪৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে। 
১৪ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ওমিক্রন মোকাবিলায় টিকা তৈরি ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার
করেনার ‘ওমিক্রন’ ভ্যারিয়েন্টের মোকাবিলায় একটি ভ্যাকসিন তৈরি করেছে ভারতীয় ওষুধ ...বিশদ

08:58:25 AM

উচ্চ মাধ্যমিকের প্রজেক্ট খাতা সংগ্রহ ২০ জানুয়ারি থেকে
স্কুল থেকে নন-ল্যাবরেটরি বিষয়ের প্রজেক্ট নোটবুক সংগ্রহ করতে শুরু করবে ...বিশদ

08:50:00 AM

কাশ্মীরে অস্ত্র পাচারের ঘটনায় চার্জশিট
গত বছর লস্করের সহযোগী জঙ্গিনেতাকে গ্রেপ্তার করে নাশকতার ছক বানচাল ...বিশদ

08:40:00 AM

পিএফ পেনশন ৫ হাজার চায় বিএমএস
প্রভিডেন্ট ফান্ডের (পিএফ) অন্তর্ভুক্ত দেশের ৬৫ লক্ষ পেনশনভোগীর হয়ে দাবি ...বিশদ

08:30:00 AM

সাংবাদিকদের জন্যও পোস্টাল ব্যালট
আগামী মাসে উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, গোয়া ও মণিপুরে বিধানসভা নির্বাচন। ...বিশদ

08:20:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৭৭৮ - ব্রিটিশ অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন জেমস কুক হাওয়াই দ্বীপ আবিষ্কার ...বিশদ

08:14:42 AM