Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

তথ্য সুরক্ষা বিল এবং
শাসকের ‘দূরের লক্ষ্য’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

‘সাত বছর... মার্কিন গুপ্তচরবৃত্তির ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ এক পরিবর্তনের অংশ ছিলাম আমি। টার্গেট? আর কোনও নির্দিষ্ট মানুষ নয়, এবার জনতা...। ওয়ার্ল্ড পপুলেশন। একটা প্রযুক্তি প্রত্যেকটা মানুষকে এনে দিয়েছিল সরকারের নজরদারির আওতায়। এমন এক প্রযুক্তি তৈরি করেছিলাম, যা ব্যবহার করে একটা সরকার বিশ্বের যাবতীয় ডিজিটাল মাধ্যমের নিরাপত্তা ভেঙে দেবে। প্রত্যেকটা তথ্য চলে আসবে তার হাতের মুঠোয়। যুগ যুগ ধরে সরকার সেই তথ্য মজুত করবে, আর তার ব্যবহার হবে... সঠিক সময়ে। প্রয়োজন মতো!’
—এডওয়ার্ড স্নোডেন
 
তথ্য সুরক্ষা বা ডেটা সিকিওরিটি। আজকের দিনে এই দু’টি শব্দই সবচেয়ে বড় আতঙ্ক। কারণ, প্রতিদ্বন্দ্বী আমাদের চোখে ধরা পড়ছে না। ভার্চুয়াল দুনিয়ায় এক একটা কোম্পানি নিজের নিজের মতো চুরি করছে আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য। বিশ্লেষণ করছে। তারপর আমাদেরই বিরুদ্ধে সেই তথ্য ব্যবহার করছে। স্রেফ উপার্জনের খাতিরে। কোন কোন ধরনের বিষয় আমাদের আকর্ষণ করছে, কী বিষয় আমরা খুঁজছি, আমাদের ছবির গ্যালারি... সবই চলে যাচ্ছে কোম্পানিগুলির হাতের মুঠোয়। এর জন্য কি আপনার-আমার অনুমতি তারা নিচ্ছে? না, নিচ্ছে না। শুধু কোনও একটি অ্যাপ ইনস্টল করার সময় আপনি দেখছেন, সেটি আপনার ফোনের কনট্যাক্টস, গ্যালারি এবং আরও কিছু ব্যক্তিগত তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে সংযোগ চাইছে। আপনি ভাবছেন, এটা অ্যালাও না করলে তো অ্যাপটাই চলবে না! আপনি ‘ইয়েস’ ছুঁয়ে দিচ্ছেন, আর সেই অ্যাপ বা কোম্পানিও ঢুকে পড়ছে আপনার ব্যক্তিগত জগতে। তারা স্মার্ট ফোন বা ল্যাপটপ ব্যবহারকারীর পছন্দ বুঝে বিজ্ঞাপন চালাচ্ছে, জালিয়াতির সংখ্যাও বাড়ছে লাফিয়ে। ভারত সরকার নাকি এই ঘটনাক্রমে রীতিমতো 
উদ্বিগ্ন। তাই তারা আনতে চলেছে তথ্য সুরক্ষা 
আইন। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বা 
নানাবিধ অন্যান্য অ্যাপ-ওয়েবসাইট যাতে দেশের নাগরিকদের তথ্য নিয়ে অসাধু ব্যবসা না চালাতে পারে, তার জন্যই মহান উদ্যোগ। 
প্রধান উদ্দেশ্য
১) হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটারের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় যা তথ্য ব্যবহার হয়, তার জন্য প্ল্যাটফর্মগুলিকে দায়বদ্ধ করা। অর্থাৎ, তোমার প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ হচ্ছে মানে এর সুফল বা কুফলের দায় তোমাকে নিতেই হবে। ফরওয়ার্ডেড মেসেজ বলে হাত তুলে নিতে পারবে না। যে ব্যক্তি বা সংগঠন মেসেজটি পোস্ট করছে, দায় নিতে হবে তাকেও। অর্থাৎ, ‘ফেক নিউজ’ বন্ধ করতে পদক্ষেপ। আশা করা যায়, এই আইন কার্যকর হলে শিলচরের কোনও হিংসার ছবি বাংলার দুবরাজপুরের বলে চালানো যাবে না। আইন যেহেতু সবার ক্ষেত্রে সমান, কেন্দ্রের শাসক দলের ছাপ্পা থাকলেও সেই ব্যক্তি, সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিতে পারবে। পাশাপাশি এই আইনে নথিভুক্ত না হলে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বা ওই ধরনের কোনও সংস্থা ভারতে ব্যবসা করতে পারবে না। 
২) তথ্য চুরি রোখা। আপনার অনুমতি ছাড়া কোনও সংস্থাই আপনার ফোনে জমা রাখা তথ্যের নাগাল পাবে না। তেমন কিছু হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার রাস্তা সরকারের কাছে খোলা থাকছে। বিশেষত শিশুদের তথ্য নিয়ে ভারত সরকার খুবই উদ্বিগ্ন। তাদের তথ্য নিয়ে ব্যবসা! চলতে দেওয়া যাবে না। 
৩) ব্যক্তিগত তথ্য ছাড়াও এমন কিছু বিষয় আছে, যা এই আইনের আওতায় আনতে চলেছে কেন্দ্র। যেমন একটি রাজ্যের ইনকাম গ্রুপ, বা বয়স, পুরুষ-মহিলার অনুপাত, ধর্মের নিরিখে জনসংখ্যার বিভাজন... এই ধরনের তথ্য চুরি বা অপব্যবহারেও ব্যবস্থা নেওয়ার পথ খুলে রেখেছে সরকার। 
৪) একটি নীতি নির্ধারক এবং নিয়ন্ত্রক পর্ষদ গঠন। তাদের হাতে বিচারের ক্ষমতাও থাকবে। বাদী-বিবাদী দুই পক্ষের সওয়াল তারা শুনবে এবং প্রয়োজন মতো সিদ্ধান্ত নেবে।
ফাঁক কোথায়?
সরকারি এজেন্সিগুলিকে এই আইনে বাঁধা যাবে না। খসড়া বিলে এমনই একটি ফাঁক রেখে দিয়েছে ভারত সরকার। অর্থাৎ, কেন্দ্রীয় এজেন্সি বা গোয়েন্দারা যে কোনও নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্যভাণ্ডারে ঢুকে পড়তে পারবেন। সে ক্ষেত্রে তাঁদের কোনওরকম অনুমতির প্রয়োজন হবে না। আপনার ফোনে কোন ধরনের লেখা স্টোর করে রাখা আছে, কার সঙ্গে আপনি দু’বছর আগে সেলফি তুলেছিলেন... এই সবই যখন ইচ্ছে হাতিয়ে নিতে পারবে কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্য সরকারের কিন্তু সেই অধিকার থাকবে না! কারণ, আইনে তেমন সুযোগই যে রাখা হয়নি। 
যদি আপনি এমন কোনও ঘটনায় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন? সরকার বলবে, এটা আমাদের আইনসিদ্ধ অধিকার। চেন্নাইয়ের কোন ঘরে কোন মাওবাদী সমর্থক লুকিয়ে আছে, সেটা আমরা দেখব না? জাতীয় নিরাপত্তার খাতিরে এটা আমাদের করতেই হবে। আপনিও মাথা নিচু করে ফিরে আসবেন, কিংবা সরকারের পাতা জালে ধরা দিয়ে আপনার ভবিতব্য হবে জেলের চার দেওয়াল। 
বিতর্ক এখানেই
পেগাসাস নিয়ে তোলপাড় সুপ্রিম কোর্ট থেকে সংসদ। সর্বত্র ছিল একটাই প্রশ্ন—সরকার কি ভারতের বিশিষ্ট নাগরিকদের ফোনে পেগাসাস ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল? ঘুরিয়ে নাক ধরার মতো বিবিধ উত্তর দিয়েছে কেন্দ্র। সংসদে মন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রশাসন বা এজেন্সিগুলি নির্দেশ বহির্ভূত কোনও কাজই করেনি। আদালতে কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী দাবি করেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সবকিছু 
খুল্লমখুল্লা বলা যায় না। তারপরও শীর্ষ আদালত 
প্রশ্ন করেছে, সাধারণ নাগরিকের গোপনীয়তার অধিকার কি সরকার লঙ্ঘন করেছে? পেগাসাস সামনের চৌমাথার ফোনের দোকানে আপনি 
কিনতে পারবেন না। ইজরায়েলের সংস্থাটি এই সফ্টওয়্যার শুধুই সরকারকে বিক্রি করে। অর্থাৎ, কোনও না কোনও দেশের সরকার ভারতের নাগরিকদের ফোনে এটি পাঠিয়েছে (নরেন্দ্র মোদি সরকার নাই বা বললাম)! এ দেশের ক্ষেত্রে যদি নজরদারি চালানোটা আইনসিদ্ধ হয়ে যায়, তাহলে তো আর আড়াল-আবডালের প্রয়োজনই থাকবে না। সেটাই চাইছে কেন্দ্র। আইনি সিলমোহর। সরকার বিরোধী মতামত দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে সরকারের ভাড়া করা সৈন্যরা। টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাবে গারদের ওপারে। আতঙ্কের ভূত ভর করবে তামাম ভারতবাসীর কাঁধে। 
দূরের লক্ষ্য
নিশানায় ২০২৪। গত তিন-চার বছর ধরেই মোক্ষম এক অস্ত্র নিয়ে ভোটের বাজারে নেমেছে বিজেপি। আইটি সেল। তারা এলাকা ভাগ করে কাজ শুরু করে। একটা পাড়া বা অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক অবস্থা তারা আগে বুঝে নেওয়ার চেষ্টায় থাকে। এক্ষেত্রে বছর দুয়েক আগেও এই ধরনের ‘প্রফেশনালদের’ নজর থাকত ইলেকট্রিক বিলে। যে বাড়িতে ইলেকট্রিক বিল ৫০০ টাকা আসে, তার পছন্দ বা দরকারের সঙ্গে ৫ হাজার টাকাওয়ালা বিলের মালিকের ‘টেস্ট’ মিলবে না। তাই সবার আগে ছেঁকে নেওয়া হতো আর্থ-সামাজিক কাঠামো। প্রত্যেক স্তরের জন্য থাকত আলাদা আলাদা প্রোপাগান্ডা। কারও ক্ষেত্রে একটু চড়া দাগের, কারও জন্য একটু আঁতলামি। উদ্দেশ্য একটাই, নানা ধরনের ভুয়ো খবর ছড়িয়ে বা ধর্মীয় মেরুকরণের মাধ্যমে ভোটারকে উত্তেজিত করে তোলা। তারই ফল দেখা যাবে ভোটের যন্ত্রে। এ এক বিরাট পরিকাঠামো। একটু ঝুঁকি অবশ্য থাকেই। কারণ, ভোটার যদি একবার এই ধরনের প্রচারের উপর থেকে আস্থা হারায়, কিছুতেই আর তাকে ফেরানো যাবে না। আর যদি নজরদারিটা আইনসিদ্ধ হয়? যদি দেশের সেরা গোয়েন্দারা ভোটারদের হাল হকিকত বিশ্লেষণ করে? সে ক্ষেত্রে কিন্তু ঝুঁকিটা নগণ্য। অর্থাৎ, শাসক দল আগেভাগেই জানবে, ওই এলাকার ভোটাররা কার পক্ষে। সেইমতো চলবে প্রভাবিত করা, কিংবা দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বলা... ‘মাসিমা, ভোটটা আপনাকে আর কষ্ট করে দিতে যেতে হবে না। ওটা আমরাই করে দেব।’ 
মানেটা খুব পরিষ্কার... আতঙ্ক বাড়বে... গণতন্ত্রের আকাশে দীর্ঘতর হবে একনায়কতন্ত্রের মেঘ। গুপ্তচর লেগে থাকবে আপনার-আমার পিছনে। আজ কী বাজার করলেন, জানবে শাসক। হঠাৎ দূরের কোনও আত্মীয় বিয়োগে আপনার অ্যাকাউন্টে এসে গিয়েছে কিছু টাকা। কেন এল? নজরদার রয়েছে পাহারায়। আর অস্ত্র? আপনার ফোন।
ফিলিপ কে ডিক মারা গিয়েছেন প্রায় ৪০ বছর আগে। মার্কিন সাহিত্যিক। লিখতেন সায়েন্স ফিকশন। তাঁর একটামাত্র লাইন কীভাবে যেন এই সবের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ছে। কাঁপুনি ধরছে বুকে... ‘একটা সময় আসবে, যখন আমার ফোনের মাধ্যমে আর আমার উপর চরবৃত্তি হবে না। বরং ফোনই আমার উপর নজরদারি চালাবে’। 
শাসকের নজরদারি। রাষ্ট্রের নজরদারি।
30th  November, 2021
বিহারে পালাবদলে
আসল নায়ক তেজস্বীই
তন্ময় মল্লিক

এই নিয়ে আট আটবার মুখ্যমন্ত্রিত্বের কুর্সিতে। তারজন্য কখনও কংগ্রেসের, কখনও আরজেডির, কখনও আবার বিজেপির কাঁধে ভর করেছেন। গদির জন্য নীতি বিসর্জন দিয়েছেন বারবার। ডিগবাজি পলিটিক্সে তাঁর সমগোত্রীয় বলতে একমাত্র মুলায়ম সিং যাদব। বিশদ

ভারতবর্ষের গণতন্ত্র এবং
সরকারি সাম্প্রদায়িকতা
হুমায়ুন কবীর

গত জুলাইতে লন্ডনের কিংস কলেজে ভারতীয় ছাত্র এবং অ্যালামনি ইউনিয়নের উদ্যোগে ‘ইন্ডিয়া অ্যাট ৭৫’ নামে এক লেকচার সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়। তাতে ‘গণতন্ত্র এবং উন্নয়নে’র উপর ভাষণ প্রসঙ্গে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন উন্নয়নের লক্ষ্যে শক্তিশালী নেতা, আরও প্রগতিশীল সরকার এবং উন্মুক্ত গণতন্ত্রের নিদান দেন। বিশদ

গরিষ্ঠতা নিয়ে নার্ভাস
বরং নরেন্দ্র মোদিই

সমৃদ্ধ দত্ত

শুধু কংগ্রেসমুক্ত ভারত নির্মাণ করাই যে যথেষ্ট নয়, সেটা মোদি এবং অমিত শাহ বুঝেছেন। কারণ, রাজ্যে রাজ্যে একঝাঁক আঞ্চলিক দল রয়েছে, যাঁদের শক্তি অনেক বেশিই রয়ে যাচ্ছে। তাই আঞ্চলিক দলগুলিকে ধ্বংস করতে উদ্যত বিজেপি। ফর্মুলাটি হল, প্রথমে তাদের সঙ্গে জোট করে বন্ধুত্ব পাতানো। তারপর ধীরে ধীরে তাদের ভোটব্যাঙ্কে  ভাগ বসানো। বিশদ

12th  August, 2022
তাইওয়ান নিয়ে সংঘাতের পিছনে চিপযুদ্ধ
মৃণালকান্তি দাস

ন্যান্সি পেলোসির সঙ্গে বেজিংয়ের লড়াই সেই ১৯৮৯ সাল থেকেই। পেলোসি যেমন বরাবরই চীনের ঘোর সমালোচক, তেমনই আমেরিকার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকারকে ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিপূর্ণ তথ্যে ভরপুর’ বলে মনে করে বেজিংও।
বিশদ

11th  August, 2022
পূর্বসূরিদের কলঙ্ক মুছতে প্রয়াসী বিজেপি
সন্দীপন বিশ্বাস

বেলাগাম হয়ে ছুটছে মূল্যবৃদ্ধির অশ্বমেধের ঘোড়া। মানুষকে দলিত করে, আহত করে সে ছুটছে আপন খেয়ালে। তাকে রোখার ক্ষমতা নেই রাজাধিরাজের।
বিশদ

10th  August, 2022
ধন্যি রাজনৈতিক অধ্যাবসায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শ্রদ্ধেয় নীতীশবাবু, রাষ্ট্রপতি আর উপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সৌজন্যে বিরোধী জোট রাজনীতির উনুনটা কেমন যেন নিবু নিবু হয়ে পড়েছিল। আচমকা আপনি তাতে জোরদার একটা ফুঁ মেরেছেন।
বিশদ

09th  August, 2022
আমি যে বক্তব্য
রাখতে পারতাম
পি চিদম্বরম

এই বিতর্ক কয়েকদিন আগে হওয়া উচিত ছিল। বিধি ২৬৭-র অধীনে আলোচনা এবং অন্যকোনও নিয়মের মধ্যে ‘বাস্তবিক’ পার্থক্য বুঝতে আমি ব্যর্থ হয়েছি। সরকার একগুঁয়ে, জনগণ এজন্য তার হামবড়া ভাবকে দায়ী করে।
বিশদ

08th  August, 2022
সোনিয়া গান্ধী কি গ্রেপ্তার হবেন?
হিমাংশু সিংহ

পরতে পরতে নাটক দেখছে দেশের জনগণ। যার স্ক্রিপ্ট রচিত হয়েছে সাততারা দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গের ঝাঁ চকচকে অফিসের কনফারেন্স রুমে। তারই প্রতিফলন আজ দিল্লির রাজপথ থেকে রাজ্যে রাজ্যে অলিগলি তস্য গলিতে। মঞ্চস্থ নাটকের নাম ‘বিরোধী ধরো জেল ভরো’। বিশদ

07th  August, 2022
ভয় থেকেই কি সিআইডি তদন্তে বাধা
তন্ময় মল্লিক

‘এমন সুযোগ আর আসবে না কোনো দিন/ বাছবাছাই না করে হাতের কাছে যা পাস/ তাই দিয়ে পোঁটলাপুঁটলি বেঁধে নে হুট করে।/ বেরিয়ে পড়,/দেরি করলেই পস্তাতে হবে/’ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের ‘উদ্বাস্তু’ কবিতার ভূষণ পাল এভাবেই গোটা পরিবারটাকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। বিশদ

06th  August, 2022
মাননীয় অর্থমন্ত্রী, মূল্যবৃদ্ধি কাকে বলে?
সমৃদ্ধ দত্ত

মূল্যবৃদ্ধিকে ঠিক কেমন দেখতে? জিডিপির মতো? পেট্রল ডিজেলের দামের মতো? ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের মতো? ডলার ও টাকার বিনিময় মূল্যের মতো? আমদানি রপ্তানি শুল্কের কঠিন অঙ্কের মতো? রেপো রেটের মতো? কেমন হয় মূল্যবৃদ্ধি? সরকার কী বলে আমাদের? বিশদ

05th  August, 2022
বিজেপি কি ধোয়া তুলসী পাতা!
মৃণালকান্তি দাস

গত বছর কর্ণাটকের স্টেট কন্ট্রাক্টর অ্যাসোসিয়েশন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল। চিঠিতে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, বেঙ্গালুরুতে যে কোনও নির্মাণকাজ শুরু করতে গেলে আগে টেন্ডারের মূল্যের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দিতে হয়, এর সঙ্গে যুক্ত হয় বিল ক্লিয়ার করার জন্য উপরি ৫ শতাংশ।
বিশদ

04th  August, 2022
এই দুর্দিনে সোনার
ছেলেমেয়েরাই প্রেরণা

হারাধন চৌধুরী

বরং আমাদের প্রেরণা হয়ে উঠুন মীরাবাঈ চানু, জেরেমি লালরিনুঙ্গা, অচিন্ত্য শিউলিরা। তাঁরাই প্রকৃত সোনার মেয়ে ও সোনার ছেলে। আলোচনা চলুক কমনওয়েলথ গেমসে, আন্তর্জাতিক পরিসরে তাঁদের উজ্জ্বল উপস্থিতি নিয়ে। রাজনীতিকরা রোজই কোনও-না-কোনওভাবে আমাদের আশাহত করছেন, মুখ কালো করে দিচ্ছেন। সেই কালো মুখে এইটুকু আশার আলোর মূল্য মোটেই ন্যূন নয়।‌
বিশদ

03rd  August, 2022
একনজরে
দেশজুড়ে বন্ধ্যাত্ব এবং সারোগেসির নয়া আইন কার্যকর করার জন্য গঠিত হল নতুন পরিচালন বোর্ড। ন্যাশনাল অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাক্টিভ টেকনোলজি অ্যান্ড সারোগেসি বোর্ড নামক এই কেন্দ্রীয় সরকারি বোর্ডের সদস্যরা হলেন ডাঃ শুভা ফাড়কে, ডাঃ নীতীজ মুরদিয়া, ডাঃ নীতা সিং, ডাঃ আর জি ...

পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে (পিওকে) ‘আজাদ কাশ্মীর’ উল্লেখ করে বিতর্কে জড়ালেন কেরলের শাসক দলের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী কে টি জলিল। একটি ফেসবুকে পোস্টে তিনি লেখেন, কাশ্মীরের যে অংশ পাকিস্তানের দখলে রয়েছে, তা একটা স্বাধীন অঞ্চল। ...

দক্ষিণবঙ্গের অনেক জায়গায় বৃষ্টি কম হওয়ায় ধান চাষ কিছুটা প্রতিকূল অবস্থার সম্মুখীন হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আরও বেশি সংখ্যক চাষি যাতে বাংলা শস্য বিমা প্রকল্পের সুবিধা পান, তার জন্য সক্রিয় হয়েছে রাজ্য সরকার। ...

ময়দানের পড়ন্ত বিকেলে প্রতিদিনের মতো এদিনও জোরকদমে চলছিল মোহন বাগানের অনুশীলন। হঠাত্ই এক অনুরাগীর ডাকে সাড়া দিয়ে ফেন্সিংয়ের ধারে ছুটে এলেন হুগো বোমাস। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পরিবারে অশান্তির জেরে মানসিক অস্থিরতা। কর্মপ্রার্থীরা কোনও শুভ খবর পেতে পারেন। ব্যবসায় শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বাঁ-হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৬৭: শব্দকোষপ্রণেতা উইলিয়াম আলেকজান্ডার ক্রেইগির জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৮৯: উইলিয়াম গ্রে কয়েন টেলিফোন প্যাটেন্ট করেন
১৮৯৯: ইংরেজ চিত্র পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬২: অভিনেত্রী অনিতা রাজের জন্ম
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৬৪: ব্রিটেনে সর্বশেষ ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৭৭: নাট্যসম্রাজ্ঞী মলিনা দেবীর মৃত্যু
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০০০: পাকিস্তানি গায়ক ও গীতিকার তথা ‘ডিস্কোনাজিয়া হাসানের মৃত্যু
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৭.৮৪ টাকা ৮১.৩৭ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৮০ টাকা ৯৯.৪১ টাকা
ইউরো ৮০.২১ টাকা ৮৪.১০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,১০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,১৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ, ১৪২৯, শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২। দ্বিতীয়া ৪৯/৫ রাত্রি ১২/৫৪। শতভিষা নক্ষত্র ৪৫/৩০ রাত্রি ১১/২৮। সূর্যোদয় ৫/১৫/১৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/৫০। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ গতে ১০/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে ৩/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৩/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/১৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৩০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি। 
২৭ শ্রাবণ, ১৪২৯, শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২। প্রতিপদ প্রাতঃ ৫/৩০ পরে দ্বিতীয়া রাত্রি ৩/৩৮। শতভিষা নক্ষত্র রাত্রি ৩/০। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১২/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৮ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৪৮ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫২ মধ্যে ও ১/১৯ গতে ২/৫৬ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৩ মধ্যে ও ৩/৫২ গতে ৫/১৬ মধ্যে। 
১৪ মহরম।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ময়নাগুড়িতে চিতাবাঘের আতঙ্ক
চিতাবাঘের আতঙ্কে কাবু গোটা একটা গ্রাম। আজ সকাল থেকেই চিতাবাঘের ...বিশদ

03:23:56 PM

ময়নাগুড়িতে টোটো দৌরাত্ম্য রুখতে পদক্ষেপ পুলিসের
ময়নাগুড়ি শহরের টোটো দৌরাত্ম্য রুখতে ট্রাফিক পুলিসের কড়া পদক্ষেপ। ট্রাফিক ...বিশদ

02:39:00 PM

কালনায় মহিষমর্দিনী ভাণ্ডারায় প্রসাদ বিতরণ

02:36:00 PM

ফের করোনা আক্রান্ত সোনিয়া গান্ধী
আরও একবার করোনা আক্রান্ত হলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। আজ, ...বিশদ

01:59:01 PM

কয়েক ঘণ্টায় ছিনতাইয়ের ঘটনার সমাধান করল পুলিস
গতকাল, সন্ধ্যায় জয়পুর থানায় একটি ছিনতাইয়ের ঘটনার অভিযোগ করেন কলকাতার ...বিশদ

01:21:07 PM

অণ্ডালে আগ্নেয়াস্ত্র মাথায় ঠেকিয়ে ডাকাতি
এক অবসরপ্রাপ্ত ইসিএল কর্মীর বাড়িতে ডাকাতি করে পালাল সশস্ত্র ডাকাতদল।  ...বিশদ

01:02:41 PM