Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কংগ্রেসের বিকল্প তৃণমূল
হলে আপত্তি কোথায়?
হিমাংশু সিংহ

ফিরতে হবে প্রায় ২৩ বছর আগের ঘটনায়। সালটা ১৯৯৮। নেহরু-গান্ধী পরিবারের শেষ প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর সাত বছর কেটে গিয়েছে। কিন্তু দলটা জাতীয় রাজনীতিতে আজকের মতো এমন অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েনি। তবে এরাজ্যে সিপিএম সরকারকে যে এই কংগ্রেস আর তেমন কোনও অস্বস্তিতে ফেলতে পারবে না, তা বারে বারে প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। ক্ষোভ বিক্ষোভ জানাতে মানুষ তখন বিকল্প খুঁজছে। কিন্তু কিছুতেই কোনও ভরসার জায়গা খুঁজে পাচ্ছে না। একটা ধারণা জন্মেছিল, রাজ্যে কংগ্রেসের অধিকাংশ নেতাই আলিমুদ্দিনের কেনা গোলাম হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই কংগ্রেস সম্পর্কে মোহভঙ্গও হয়েছিল সবস্তরে। ঠিক সেই সন্ধিক্ষণেই কংগ্রেস ভেঙে বাংলায় পত্তন হল নতুন রাজনৈতিক দলের, নাম তৃণমূল কংগ্রেস। ঝিমিয়ে পড়া একপেশে রাজ্য রাজনীতিতে সহসা যেন পাহাড়প্রমাণ বিশ্বাস আর জেদের ঝড় বয়ে গেল। দলের নেত্রী অগ্নিকন্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজও যেমন, সেদিনও তিনি ছিলেন ষোলোআনা স্ট্রিট ফাইটার। প্রতিবাদের মুখ। তাঁর রাস্তায় নেমে মুখোমুখি লড়াইয়ে কোনও খাদ ছিল না। চুরাশি সালে সবাইকে চমকে দিয়ে যাদবপুরে সোমনাথবাবুকে হারানোর পর ততদিনে তিনি রাজ্যের এক নম্বর আপসহীন সিপিএম বিরোধী মুখ হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত। আটপৌরে টালির চাল থেকে উঠে আসা এক মহিলা বিলিতি আগমার্কা কমিউনিস্ট জ্যোতি বসুকে কথায় কথায় চ্যালেঞ্জ দিচ্ছেন, রক্তচাপ বাড়িয়ে দিচ্ছেন, শুধু এইটুকু বার্তাতেই যেখানেই তিনি যান প্রকাণ্ড জনসমুদ্র। রাজ্যে সিপিএম বিরোধী শক্তির পালে দমকা হাওয়া। 
তবে চিরদিনই সমাজে কিছু নিন্দুক থাকেন। আজকের মতো সেদিনও তাঁরা অনেকেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের এই ভাঙন আখেরে রাজ্যের বামফ্রন্ট সরকারের হাতকেই শক্ত করবে। তাঁদের যুক্তি ছিল, এর ফলে রাজ্যে বাম বিরোধী ভোট প্রায় সমগোত্রীয় দু’টি দলের মধ্যে আড়াআড়ি ভাগ হয়ে যাবে। বিরোধীরা টুকরো হলে ভোটারও নানা সংশয়ে ভোগে, যা থেকে সবসময়ই লাভ হয় শাসকের। ফলে ভোট ভাগের অভিশাপে এ রাজ্যের বাম সরকারকে আর কোনওদিনই হারানো যাবে না, সেদিন এমনই ছিল রাজনৈতিক পণ্ডিতদের যুক্তি। সেই হিসেব কিন্তু মোটেই মেলেনি। পাটিগণিতকে হারিয়ে জয় হয়েছিল শাসক বিরোধী রসায়নের। বরং সেদিন তৃণমূল জন্ম না নিলে বাংলার রাজনীতি আজ এক পঙ্কিল নালায় পরিণত হতো, এটাই আজ প্রতিষ্ঠিত সত্য।
১৯৯৮ সালের পর যত সময় গিয়েছে ততই আমরা দেখেছি যা খোলা চোখে ভোট ভাগ বলে মনে হচ্ছিল তা আসলে সিপিএম বিরোধী মঞ্চকে নতুন করে আরও শক্তিশালী ও সঙ্ঘবদ্ধ করারই নামান্তর মাত্র। উল্টে প্রমাণ হয়েছে, সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি নতুন দল না গড়ে পুরনো জায়গাতেই পড়ে থাকতেন তাহলে বাংলার রাজনীতি একটা ছোট্ট নালাতে আটকে যেত। পরিবর্তন, পালাবদল শব্দগুলি আমাদের অভিধান থেকে ক্রমেই হারিয়ে যেত। লাল পার্টির কেষ্টবিষ্টুরা আজও বুক ফুলিয়ে দাপিয়ে বেড়াতেন। চোখের উপর গণতন্ত্রকে হত্যা করতেন। বামেদের হাতে ভোট লুট আর সন্ত্রাসের ধারাবাহিক নাটক দেখতে দেখতেই শৈশব থেকে বার্ধক্য কেটে যেত এ রাজ্যের সাধারণ মানুষের। ২০১১ সালের ঐতিহাসিক পালাবদল আর দেখা হতো না। আরও প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, রাজনীতিতে সব সময় যেমন দুই দুই চার হয় না, তেমনি নেতৃত্ব যদি যোগ্য হয়, তাঁর দাবিতে বিশ্বাসযোগ্যতা থাকে, তাহলে ভোট ভাগাভাগির অঙ্কও সবসময় মেলে না। উল্টে যোগ্য নেতা থেকে সতর্ক ভোটার সবাই ছোটে প্রকৃত রাজনৈতিক বিকল্পের দিকেই। 
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর রাজনীতি এই একটা কারণেই গত কয়েক দশক টানা জয়ী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের আস্থা অর্জন করতে পেরেছিলেন এবং এখনও ভোটারের আস্থা তাঁর আঁচলে বাঁধা বলেই চলতি একুশ সালে বিধানসভা দখলের লড়াইতেও কেউ এতটুকু আঁচড় কাটতে পারেননি। ভোট ভাগাভাগির সুযোগ নিয়ে বামফ্রন্ট সরকার সেদিন বেশিদিন টেকেনি। আর আজ জাতীয় স্তরে বিজেপিও মমতার উত্থানে প্রমাদ গুনছে। তৃণমূল তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করার পর এরাজ্যের দুর্জয় ঘাঁটিতে বামেদের সরকার স্থায়ী হয়েছিল আর মাত্র ১৩ বছর।  শেষ কয়েক বছর ক্ষমতায় থাকলেও ভিত নড়ে গিয়েছিল আগেই। এটাই ঐতিহাসিক সত্য! আর বিরোধীরা এবার প্রকৃত অর্থে মমতার নেতৃত্বে দিল্লিতে ঐক্যবদ্ধ হলে মোদি সরকারের আয়ু কতদিন, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। সেই অর্থে ২৩ বছর পথ চলার পর এক আশ্চর্য সমাপতনের সামনে মমতার রাজনীতি। বাংলা থেকে যে উড়ান দিল্লি জয়ের জন্য আজ প্রস্তুত।
জাতীয় রাজনীতি আজ কিন্তু ১৯৯৮ সালের বাংলার মতোই এক ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে। অবিলম্বে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ গর্জে না উঠলে ভারতীয় সংবিধানের অন্তরাত্মাই দ্রুত খতম হয়ে যাবে এক গুজরাতির হাতে। খসে পড়বে আমাদের ধর্মনিরপেক্ষতার অহঙ্কার। সংসদীয় রাজনীতির বৃত্তে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলার যত্নে লালিত মতাদর্শ। বদলে পদে পদে বিভাজন ডেকে আনছে এক অদ্ভুত বিপন্নতা। ধর্মীয় বিপন্নতার সঙ্গে হাত ধরাধরি করেই চলে আর্থিক সঙ্কট। থমকে যায় উন্নয়ন। কংগ্রেস নামক যে মঞ্চ এতদিন অধিকাংশ আঞ্চলিক দলকে একটা সুতোয় গেঁথে রাখত, সেই শতাব্দীপ্রাচীন দলটা নেতৃত্বের অপদার্থতায় আজ কোথায় যেন চোরাগলিতে হারিয়ে গিয়েছে। অন্যদলকে চুম্বকের মতো ধরে রাখার ক্ষমতা দূরঅস্ত, ধরে রাখা যাচ্ছে না দলের নেতা কর্মীদেরও। দলের মধ্যেই ২৩ জন প্রথম সারির নেতার ফুঁসে ওঠা উপদল কোন ভাঙনের ইঙ্গিত। কংগ্রেস মুক্ত ভারতের আড়ালে কিছু গেরুয়া নেতা যা খুশি করার লাইসেন্স পেয়ে যাবেন, এ জিনিস কোনওমতেই মেনে নেওয়া যায় না। কৃষক থেকে শ্রমিক খেটে খাওয়া মানুষ প্রতিবাদে গজরাচ্ছে, কিন্তু সবার প্রতিবাদকে চুম্বকে আটকে সরকারকে নড়িয়ে দেওয়ার মতো ঢেউ উঠছে না। এই সঙ্কটে যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সলতে পাকানোর কাজটা করতে এগিয়ে আসেন, তাতে অসুবিধা কোথায়?
আর এইখানেই একেবারে বাম শাসনে পশ্চিমবঙ্গের ‘রিপ্লে’ হচ্ছে যেন! পরিস্থিতিটা ১৯৯৮ সালের পশ্চিমবঙ্গের মতো একপেশে। সেদিনের বাংলার মতো আজ দেশে বিরোধী শিবির দুর্বল। দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ঐতিহ্যশালী কংগ্রেস কার্যত রাজ্যে রাজ্যে অস্তিত্ব সঙ্কটে। উত্তরপ্রদেশে দীর্ঘদিনই পায়ের তলার মাটি নেই। পাঁচ বছর আগে যোগীরাজ্যে বিধানসভা ভোটে তাদের জুটেছিল মাত্র পাঁচটা আসন। এবার কেঁদে ককিয়েও কেউ জোট করতে রাজি হচ্ছে না। কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলান মানেই সর্বনাশ, এই বিশ্বাস থেকেই কেউ ওপথ মাড়াচ্ছেন না। ফলে একলাই লড়তে হবে নুইয়ে পড়া দলটাকে। পাঞ্জাবে মনে করা হয়েছিল সোনিয়া গান্ধী ও তাঁর দল হেলায় বাজিমাত করবে, কিন্তু সেখানেও ভোটের মুখে ক্যাপ্টেন অমরিন্দর দল ছেড়েছেন। সিধু আর নতুন মুখ্যমন্ত্রী চান্নি কী চাইছেন, তা বোঝা ভগবানেরও অসাধ্য। কিন্তু এর মাঝখান দিয়ে দলটা তিন শিবিরে ভেঙে গেলে লাভ কার? বিগত বিধানসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবে কংগ্রেস পেয়েছিল ৩৮.৫ শতাংশ ভোট, দ্বিতীয় স্থানে ছিল আপ। পেয়েছিল ২৩ শতাংশ ভোট। তাই কংগ্রেস তিনভাগে ভাঙলে হিসেবটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে কে জানে! মনে রাখতে হবে, উত্তরপ্রদেশে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ৬ শতাংশ ভোট। সেখান থেকে খুব বেশি ঘুরে দাঁড়ানোর পরিস্থিতি আজও নেই। পশ্চিমবঙ্গে রাহুল গান্ধীর দলের অবস্থা নিয়ে তো আলাদা করে বলার কোনও অর্থই হয় না। রাজ্যে রাজ্যে এভাবেই কংগ্রেসের ভোট ও গ্রহণযোগ্যতা যত কমছে ততই বিকল্প শক্তি হিসেবে উত্থান হচ্ছে তৃণমূলের। এমনকী নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসছেন একদা বাজপেয়ি আদবানির রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণের প্রধান চালিকাশক্তি সুধীন্দ্র কুলকার্নির মতো প্রবীণ নেতাও। তাঁর ক্ষমতাকে স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে সঙ্ঘ পরিবারও। 
দু’সপ্তাহ আগেই স্বীকারোক্তিটা শুরু হয়েছিল আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে দিয়ে। তিনি বাংলায় বিজেপির হারের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেছিলেন, বাংলা থেকে নির্বাচিত ১৮ জন এমপির দু’বছরের কাজ মানুষের মনে দাগ কাটতে পারেনি। অথচ রেলমন্ত্রী হিসেবে মমতা যা করেছেন তার উজ্জ্বল স্মৃতি এখনও বাংলার মানুষের মনে আষ্টেপৃষ্টে গেঁথে রয়েছে। ভাগবতের ওই কথারই প্রায় প্রতিধ্বনি শোনা গেল সম্প্রতি দিল্লিতে বিজেপির পোড় খাওয়া এমপি সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর কথাতেও। দিল্লিতে মমতার সঙ্গে কথা বলতে এসে তিনি বাংলার জননেত্রীর সঙ্গে তুলনা করে বসলেন, মোরারজি দেশাই, জয়প্রকাশ, চন্দ্রশেখর, নরসীমা রাওয়ের মতো প্রধানমন্ত্রীর আসন অলঙ্কৃত করা ব্যক্তিত্বের সঙ্গে। স্বামীর এই কথার ইঙ্গিত একটাই, দিল্লির ক্ষমতার অলিন্দেও পালাবদল হতে পারে একমাত্র মমতার নেতৃত্বেই। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এই সারসত্যটাকে স্বীকার করে নেওয়া কম তাৎপর্যপূর্ণ নয়।
রাজনীতিতে অসম্ভব বলে কিছু হয় না। আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতির অভিমুখ কোনদিকে মোড় নেবে তা সময়ই বলবে, কিন্তু যে আশা ও বিশ্বাসের সঞ্চার আজ মরা গাঙে বাংলার নেত্রী করেছেন তাই বা কম কীসে। বিশেষত বাঙালি হিসেবে দেশের বিরোধী শক্তিকে সামনে থেকে চালিত করার এই কীর্তিও বড় কম নয়! বাংলায় ২৩ বছর আগে যা সম্ভব হয়েছে। এবার জাতীয় রাজনীতিতে তা আর একবার প্রমাণিত হওয়ার সুসময় উপস্থিত। সেদিন জ্যোতি বসুকে  গদিচ্যুত করার মতো বাংলায় কেউ ছিল না। ধূমকেতুর মতো এসে উত্তরোত্তর এরাজ্যের সিপিএম বিরোধী ভোটকে সুসংগঠিত করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। আজ তারই যেন প্রতিধ্বনি জাতীয় রাজনীতিতেও। গোটা দেশে ঝিমিয়ে পড়া বিরোধীদের শুকনো গাঙে তিনি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বিপ্লবের নয়া কেতন উড়িয়ে দিয়েছেন। ত্রিপুরা থেকে গোয়া। এমনকী মেঘালয়ে মুকুল সাংমাও ১৭ জনের মধ্যে ১২ জন বিধায়ককে নিয়ে যেভাবে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন তাতে একটা জিনিস প্রমাণিত হচ্ছে, জাতীয় রাজনীতির মঞ্চেও মমতাই আজ মোদির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রতিপক্ষ। মানুষও মানছে, মোদিকে শিক্ষা দিতে  পারবেন একমাত্র কালীঘাটের ওই অগ্নিকন্যাই। 
ভুললে চলবে না, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সৌভাগ্য কিন্তু সর্বদা সাহসীর পক্ষই নেয়। তাঁর কপালেই বিজয়তিলক এঁকে দেয়। এক্ষেত্রেও...।
28th  November, 2021
বিহারে পালাবদলে
আসল নায়ক তেজস্বীই
তন্ময় মল্লিক

এই নিয়ে আট আটবার মুখ্যমন্ত্রিত্বের কুর্সিতে। তারজন্য কখনও কংগ্রেসের, কখনও আরজেডির, কখনও আবার বিজেপির কাঁধে ভর করেছেন। গদির জন্য নীতি বিসর্জন দিয়েছেন বারবার। ডিগবাজি পলিটিক্সে তাঁর সমগোত্রীয় বলতে একমাত্র মুলায়ম সিং যাদব। বিশদ

ভারতবর্ষের গণতন্ত্র এবং
সরকারি সাম্প্রদায়িকতা
হুমায়ুন কবীর

গত জুলাইতে লন্ডনের কিংস কলেজে ভারতীয় ছাত্র এবং অ্যালামনি ইউনিয়নের উদ্যোগে ‘ইন্ডিয়া অ্যাট ৭৫’ নামে এক লেকচার সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়। তাতে ‘গণতন্ত্র এবং উন্নয়নে’র উপর ভাষণ প্রসঙ্গে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন উন্নয়নের লক্ষ্যে শক্তিশালী নেতা, আরও প্রগতিশীল সরকার এবং উন্মুক্ত গণতন্ত্রের নিদান দেন। বিশদ

গরিষ্ঠতা নিয়ে নার্ভাস
বরং নরেন্দ্র মোদিই

সমৃদ্ধ দত্ত

শুধু কংগ্রেসমুক্ত ভারত নির্মাণ করাই যে যথেষ্ট নয়, সেটা মোদি এবং অমিত শাহ বুঝেছেন। কারণ, রাজ্যে রাজ্যে একঝাঁক আঞ্চলিক দল রয়েছে, যাঁদের শক্তি অনেক বেশিই রয়ে যাচ্ছে। তাই আঞ্চলিক দলগুলিকে ধ্বংস করতে উদ্যত বিজেপি। ফর্মুলাটি হল, প্রথমে তাদের সঙ্গে জোট করে বন্ধুত্ব পাতানো। তারপর ধীরে ধীরে তাদের ভোটব্যাঙ্কে  ভাগ বসানো। বিশদ

12th  August, 2022
তাইওয়ান নিয়ে সংঘাতের পিছনে চিপযুদ্ধ
মৃণালকান্তি দাস

ন্যান্সি পেলোসির সঙ্গে বেজিংয়ের লড়াই সেই ১৯৮৯ সাল থেকেই। পেলোসি যেমন বরাবরই চীনের ঘোর সমালোচক, তেমনই আমেরিকার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকারকে ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিপূর্ণ তথ্যে ভরপুর’ বলে মনে করে বেজিংও।
বিশদ

11th  August, 2022
পূর্বসূরিদের কলঙ্ক মুছতে প্রয়াসী বিজেপি
সন্দীপন বিশ্বাস

বেলাগাম হয়ে ছুটছে মূল্যবৃদ্ধির অশ্বমেধের ঘোড়া। মানুষকে দলিত করে, আহত করে সে ছুটছে আপন খেয়ালে। তাকে রোখার ক্ষমতা নেই রাজাধিরাজের।
বিশদ

10th  August, 2022
ধন্যি রাজনৈতিক অধ্যাবসায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শ্রদ্ধেয় নীতীশবাবু, রাষ্ট্রপতি আর উপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সৌজন্যে বিরোধী জোট রাজনীতির উনুনটা কেমন যেন নিবু নিবু হয়ে পড়েছিল। আচমকা আপনি তাতে জোরদার একটা ফুঁ মেরেছেন।
বিশদ

09th  August, 2022
আমি যে বক্তব্য
রাখতে পারতাম
পি চিদম্বরম

এই বিতর্ক কয়েকদিন আগে হওয়া উচিত ছিল। বিধি ২৬৭-র অধীনে আলোচনা এবং অন্যকোনও নিয়মের মধ্যে ‘বাস্তবিক’ পার্থক্য বুঝতে আমি ব্যর্থ হয়েছি। সরকার একগুঁয়ে, জনগণ এজন্য তার হামবড়া ভাবকে দায়ী করে।
বিশদ

08th  August, 2022
সোনিয়া গান্ধী কি গ্রেপ্তার হবেন?
হিমাংশু সিংহ

পরতে পরতে নাটক দেখছে দেশের জনগণ। যার স্ক্রিপ্ট রচিত হয়েছে সাততারা দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গের ঝাঁ চকচকে অফিসের কনফারেন্স রুমে। তারই প্রতিফলন আজ দিল্লির রাজপথ থেকে রাজ্যে রাজ্যে অলিগলি তস্য গলিতে। মঞ্চস্থ নাটকের নাম ‘বিরোধী ধরো জেল ভরো’। বিশদ

07th  August, 2022
ভয় থেকেই কি সিআইডি তদন্তে বাধা
তন্ময় মল্লিক

‘এমন সুযোগ আর আসবে না কোনো দিন/ বাছবাছাই না করে হাতের কাছে যা পাস/ তাই দিয়ে পোঁটলাপুঁটলি বেঁধে নে হুট করে।/ বেরিয়ে পড়,/দেরি করলেই পস্তাতে হবে/’ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের ‘উদ্বাস্তু’ কবিতার ভূষণ পাল এভাবেই গোটা পরিবারটাকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। বিশদ

06th  August, 2022
মাননীয় অর্থমন্ত্রী, মূল্যবৃদ্ধি কাকে বলে?
সমৃদ্ধ দত্ত

মূল্যবৃদ্ধিকে ঠিক কেমন দেখতে? জিডিপির মতো? পেট্রল ডিজেলের দামের মতো? ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের মতো? ডলার ও টাকার বিনিময় মূল্যের মতো? আমদানি রপ্তানি শুল্কের কঠিন অঙ্কের মতো? রেপো রেটের মতো? কেমন হয় মূল্যবৃদ্ধি? সরকার কী বলে আমাদের? বিশদ

05th  August, 2022
বিজেপি কি ধোয়া তুলসী পাতা!
মৃণালকান্তি দাস

গত বছর কর্ণাটকের স্টেট কন্ট্রাক্টর অ্যাসোসিয়েশন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল। চিঠিতে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, বেঙ্গালুরুতে যে কোনও নির্মাণকাজ শুরু করতে গেলে আগে টেন্ডারের মূল্যের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দিতে হয়, এর সঙ্গে যুক্ত হয় বিল ক্লিয়ার করার জন্য উপরি ৫ শতাংশ।
বিশদ

04th  August, 2022
এই দুর্দিনে সোনার
ছেলেমেয়েরাই প্রেরণা

হারাধন চৌধুরী

বরং আমাদের প্রেরণা হয়ে উঠুন মীরাবাঈ চানু, জেরেমি লালরিনুঙ্গা, অচিন্ত্য শিউলিরা। তাঁরাই প্রকৃত সোনার মেয়ে ও সোনার ছেলে। আলোচনা চলুক কমনওয়েলথ গেমসে, আন্তর্জাতিক পরিসরে তাঁদের উজ্জ্বল উপস্থিতি নিয়ে। রাজনীতিকরা রোজই কোনও-না-কোনওভাবে আমাদের আশাহত করছেন, মুখ কালো করে দিচ্ছেন। সেই কালো মুখে এইটুকু আশার আলোর মূল্য মোটেই ন্যূন নয়।‌
বিশদ

03rd  August, 2022
একনজরে
টিভিতে অনুষ্ঠান চলাকালীন পুতিনের ইউক্রেন আক্রমণের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন সাংবাদিক মারিনা অবসিয়ানিকোভা। এমনকী অনুষ্ঠানের মাঝে ‘যুদ্ধ নয়’ পোস্টারও তুলে ধরেছিলেন তিনি। তা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। এবার ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে অক্টোবর পর্যন্ত তাঁকে গৃহবন্দি করার নির্দেশ দিল আদালত। ...

কালনার বাঘনাপাড়ায় শারীরিক অসুস্থতার কারণে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। মৃতের নাম শুভেন্দু রায়(৩৪)। শুক্রবার কালনা হাসপাতালে মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়। ...

শিশু সুরক্ষা নিয়ে মালদহ জেলা প্রশাসন ও পুলিসের সঙ্গে বৈঠক করলেন জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের পদাধিকারী। শুক্রবার মালদহ জেলা প্রশাসনিক ভবনে ওই বৈঠক হয়। ...

পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে (পিওকে) ‘আজাদ কাশ্মীর’ উল্লেখ করে বিতর্কে জড়ালেন কেরলের শাসক দলের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী কে টি জলিল। একটি ফেসবুকে পোস্টে তিনি লেখেন, কাশ্মীরের যে অংশ পাকিস্তানের দখলে রয়েছে, তা একটা স্বাধীন অঞ্চল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পরিবারে অশান্তির জেরে মানসিক অস্থিরতা। কর্মপ্রার্থীরা কোনও শুভ খবর পেতে পারেন। ব্যবসায় শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বাঁ-হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৬৭: শব্দকোষপ্রণেতা উইলিয়াম আলেকজান্ডার ক্রেইগির জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৮৯: উইলিয়াম গ্রে কয়েন টেলিফোন প্যাটেন্ট করেন
১৮৯৯: ইংরেজ চিত্র পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬২: অভিনেত্রী অনিতা রাজের জন্ম
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৬৪: ব্রিটেনে সর্বশেষ ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৭৭: নাট্যসম্রাজ্ঞী মলিনা দেবীর মৃত্যু
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০০০: পাকিস্তানি গায়ক ও গীতিকার তথা ‘ডিস্কোনাজিয়া হাসানের মৃত্যু
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৭.৮৪ টাকা ৮১.৩৭ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৮০ টাকা ৯৯.৪১ টাকা
ইউরো ৮০.২১ টাকা ৮৪.১০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,১০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,১৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ, ১৪২৯, শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২। দ্বিতীয়া ৪৯/৫ রাত্রি ১২/৫৪। শতভিষা নক্ষত্র ৪৫/৩০ রাত্রি ১১/২৮। সূর্যোদয় ৫/১৫/১৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/৫০। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ গতে ১০/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে ৩/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৩/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/১৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৩০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি। 
২৭ শ্রাবণ, ১৪২৯, শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২। প্রতিপদ প্রাতঃ ৫/৩০ পরে দ্বিতীয়া রাত্রি ৩/৩৮। শতভিষা নক্ষত্র রাত্রি ৩/০। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১২/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৮ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৪৮ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫২ মধ্যে ও ১/১৯ গতে ২/৫৬ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৩ মধ্যে ও ৩/৫২ গতে ৫/১৬ মধ্যে। 
১৪ মহরম।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ময়নাগুড়িতে চিতাবাঘের আতঙ্ক
চিতাবাঘের আতঙ্কে কাবু গোটা একটা গ্রাম। আজ সকাল থেকেই চিতাবাঘের ...বিশদ

03:23:56 PM

ময়নাগুড়িতে টোটো দৌরাত্ম্য রুখতে পদক্ষেপ পুলিসের
ময়নাগুড়ি শহরের টোটো দৌরাত্ম্য রুখতে ট্রাফিক পুলিসের কড়া পদক্ষেপ। ট্রাফিক ...বিশদ

02:39:00 PM

কালনায় মহিষমর্দিনী ভাণ্ডারায় প্রসাদ বিতরণ

02:36:00 PM

ফের করোনা আক্রান্ত সোনিয়া গান্ধী
আরও একবার করোনা আক্রান্ত হলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। আজ, ...বিশদ

01:59:01 PM

কয়েক ঘণ্টায় ছিনতাইয়ের ঘটনার সমাধান করল পুলিস
গতকাল, সন্ধ্যায় জয়পুর থানায় একটি ছিনতাইয়ের ঘটনার অভিযোগ করেন কলকাতার ...বিশদ

01:21:07 PM

অণ্ডালে আগ্নেয়াস্ত্র মাথায় ঠেকিয়ে ডাকাতি
এক অবসরপ্রাপ্ত ইসিএল কর্মীর বাড়িতে ডাকাতি করে পালাল সশস্ত্র ডাকাতদল।  ...বিশদ

01:02:41 PM