Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কংগ্রেসের বিকল্প তৃণমূল
হলে আপত্তি কোথায়?
হিমাংশু সিংহ

ফিরতে হবে প্রায় ২৩ বছর আগের ঘটনায়। সালটা ১৯৯৮। নেহরু-গান্ধী পরিবারের শেষ প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর সাত বছর কেটে গিয়েছে। কিন্তু দলটা জাতীয় রাজনীতিতে আজকের মতো এমন অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েনি। তবে এরাজ্যে সিপিএম সরকারকে যে এই কংগ্রেস আর তেমন কোনও অস্বস্তিতে ফেলতে পারবে না, তা বারে বারে প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। ক্ষোভ বিক্ষোভ জানাতে মানুষ তখন বিকল্প খুঁজছে। কিন্তু কিছুতেই কোনও ভরসার জায়গা খুঁজে পাচ্ছে না। একটা ধারণা জন্মেছিল, রাজ্যে কংগ্রেসের অধিকাংশ নেতাই আলিমুদ্দিনের কেনা গোলাম হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই কংগ্রেস সম্পর্কে মোহভঙ্গও হয়েছিল সবস্তরে। ঠিক সেই সন্ধিক্ষণেই কংগ্রেস ভেঙে বাংলায় পত্তন হল নতুন রাজনৈতিক দলের, নাম তৃণমূল কংগ্রেস। ঝিমিয়ে পড়া একপেশে রাজ্য রাজনীতিতে সহসা যেন পাহাড়প্রমাণ বিশ্বাস আর জেদের ঝড় বয়ে গেল। দলের নেত্রী অগ্নিকন্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজও যেমন, সেদিনও তিনি ছিলেন ষোলোআনা স্ট্রিট ফাইটার। প্রতিবাদের মুখ। তাঁর রাস্তায় নেমে মুখোমুখি লড়াইয়ে কোনও খাদ ছিল না। চুরাশি সালে সবাইকে চমকে দিয়ে যাদবপুরে সোমনাথবাবুকে হারানোর পর ততদিনে তিনি রাজ্যের এক নম্বর আপসহীন সিপিএম বিরোধী মুখ হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত। আটপৌরে টালির চাল থেকে উঠে আসা এক মহিলা বিলিতি আগমার্কা কমিউনিস্ট জ্যোতি বসুকে কথায় কথায় চ্যালেঞ্জ দিচ্ছেন, রক্তচাপ বাড়িয়ে দিচ্ছেন, শুধু এইটুকু বার্তাতেই যেখানেই তিনি যান প্রকাণ্ড জনসমুদ্র। রাজ্যে সিপিএম বিরোধী শক্তির পালে দমকা হাওয়া। 
তবে চিরদিনই সমাজে কিছু নিন্দুক থাকেন। আজকের মতো সেদিনও তাঁরা অনেকেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের এই ভাঙন আখেরে রাজ্যের বামফ্রন্ট সরকারের হাতকেই শক্ত করবে। তাঁদের যুক্তি ছিল, এর ফলে রাজ্যে বাম বিরোধী ভোট প্রায় সমগোত্রীয় দু’টি দলের মধ্যে আড়াআড়ি ভাগ হয়ে যাবে। বিরোধীরা টুকরো হলে ভোটারও নানা সংশয়ে ভোগে, যা থেকে সবসময়ই লাভ হয় শাসকের। ফলে ভোট ভাগের অভিশাপে এ রাজ্যের বাম সরকারকে আর কোনওদিনই হারানো যাবে না, সেদিন এমনই ছিল রাজনৈতিক পণ্ডিতদের যুক্তি। সেই হিসেব কিন্তু মোটেই মেলেনি। পাটিগণিতকে হারিয়ে জয় হয়েছিল শাসক বিরোধী রসায়নের। বরং সেদিন তৃণমূল জন্ম না নিলে বাংলার রাজনীতি আজ এক পঙ্কিল নালায় পরিণত হতো, এটাই আজ প্রতিষ্ঠিত সত্য।
১৯৯৮ সালের পর যত সময় গিয়েছে ততই আমরা দেখেছি যা খোলা চোখে ভোট ভাগ বলে মনে হচ্ছিল তা আসলে সিপিএম বিরোধী মঞ্চকে নতুন করে আরও শক্তিশালী ও সঙ্ঘবদ্ধ করারই নামান্তর মাত্র। উল্টে প্রমাণ হয়েছে, সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি নতুন দল না গড়ে পুরনো জায়গাতেই পড়ে থাকতেন তাহলে বাংলার রাজনীতি একটা ছোট্ট নালাতে আটকে যেত। পরিবর্তন, পালাবদল শব্দগুলি আমাদের অভিধান থেকে ক্রমেই হারিয়ে যেত। লাল পার্টির কেষ্টবিষ্টুরা আজও বুক ফুলিয়ে দাপিয়ে বেড়াতেন। চোখের উপর গণতন্ত্রকে হত্যা করতেন। বামেদের হাতে ভোট লুট আর সন্ত্রাসের ধারাবাহিক নাটক দেখতে দেখতেই শৈশব থেকে বার্ধক্য কেটে যেত এ রাজ্যের সাধারণ মানুষের। ২০১১ সালের ঐতিহাসিক পালাবদল আর দেখা হতো না। আরও প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, রাজনীতিতে সব সময় যেমন দুই দুই চার হয় না, তেমনি নেতৃত্ব যদি যোগ্য হয়, তাঁর দাবিতে বিশ্বাসযোগ্যতা থাকে, তাহলে ভোট ভাগাভাগির অঙ্কও সবসময় মেলে না। উল্টে যোগ্য নেতা থেকে সতর্ক ভোটার সবাই ছোটে প্রকৃত রাজনৈতিক বিকল্পের দিকেই। 
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর রাজনীতি এই একটা কারণেই গত কয়েক দশক টানা জয়ী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের আস্থা অর্জন করতে পেরেছিলেন এবং এখনও ভোটারের আস্থা তাঁর আঁচলে বাঁধা বলেই চলতি একুশ সালে বিধানসভা দখলের লড়াইতেও কেউ এতটুকু আঁচড় কাটতে পারেননি। ভোট ভাগাভাগির সুযোগ নিয়ে বামফ্রন্ট সরকার সেদিন বেশিদিন টেকেনি। আর আজ জাতীয় স্তরে বিজেপিও মমতার উত্থানে প্রমাদ গুনছে। তৃণমূল তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করার পর এরাজ্যের দুর্জয় ঘাঁটিতে বামেদের সরকার স্থায়ী হয়েছিল আর মাত্র ১৩ বছর।  শেষ কয়েক বছর ক্ষমতায় থাকলেও ভিত নড়ে গিয়েছিল আগেই। এটাই ঐতিহাসিক সত্য! আর বিরোধীরা এবার প্রকৃত অর্থে মমতার নেতৃত্বে দিল্লিতে ঐক্যবদ্ধ হলে মোদি সরকারের আয়ু কতদিন, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। সেই অর্থে ২৩ বছর পথ চলার পর এক আশ্চর্য সমাপতনের সামনে মমতার রাজনীতি। বাংলা থেকে যে উড়ান দিল্লি জয়ের জন্য আজ প্রস্তুত।
জাতীয় রাজনীতি আজ কিন্তু ১৯৯৮ সালের বাংলার মতোই এক ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে। অবিলম্বে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ গর্জে না উঠলে ভারতীয় সংবিধানের অন্তরাত্মাই দ্রুত খতম হয়ে যাবে এক গুজরাতির হাতে। খসে পড়বে আমাদের ধর্মনিরপেক্ষতার অহঙ্কার। সংসদীয় রাজনীতির বৃত্তে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলার যত্নে লালিত মতাদর্শ। বদলে পদে পদে বিভাজন ডেকে আনছে এক অদ্ভুত বিপন্নতা। ধর্মীয় বিপন্নতার সঙ্গে হাত ধরাধরি করেই চলে আর্থিক সঙ্কট। থমকে যায় উন্নয়ন। কংগ্রেস নামক যে মঞ্চ এতদিন অধিকাংশ আঞ্চলিক দলকে একটা সুতোয় গেঁথে রাখত, সেই শতাব্দীপ্রাচীন দলটা নেতৃত্বের অপদার্থতায় আজ কোথায় যেন চোরাগলিতে হারিয়ে গিয়েছে। অন্যদলকে চুম্বকের মতো ধরে রাখার ক্ষমতা দূরঅস্ত, ধরে রাখা যাচ্ছে না দলের নেতা কর্মীদেরও। দলের মধ্যেই ২৩ জন প্রথম সারির নেতার ফুঁসে ওঠা উপদল কোন ভাঙনের ইঙ্গিত। কংগ্রেস মুক্ত ভারতের আড়ালে কিছু গেরুয়া নেতা যা খুশি করার লাইসেন্স পেয়ে যাবেন, এ জিনিস কোনওমতেই মেনে নেওয়া যায় না। কৃষক থেকে শ্রমিক খেটে খাওয়া মানুষ প্রতিবাদে গজরাচ্ছে, কিন্তু সবার প্রতিবাদকে চুম্বকে আটকে সরকারকে নড়িয়ে দেওয়ার মতো ঢেউ উঠছে না। এই সঙ্কটে যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সলতে পাকানোর কাজটা করতে এগিয়ে আসেন, তাতে অসুবিধা কোথায়?
আর এইখানেই একেবারে বাম শাসনে পশ্চিমবঙ্গের ‘রিপ্লে’ হচ্ছে যেন! পরিস্থিতিটা ১৯৯৮ সালের পশ্চিমবঙ্গের মতো একপেশে। সেদিনের বাংলার মতো আজ দেশে বিরোধী শিবির দুর্বল। দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ঐতিহ্যশালী কংগ্রেস কার্যত রাজ্যে রাজ্যে অস্তিত্ব সঙ্কটে। উত্তরপ্রদেশে দীর্ঘদিনই পায়ের তলার মাটি নেই। পাঁচ বছর আগে যোগীরাজ্যে বিধানসভা ভোটে তাদের জুটেছিল মাত্র পাঁচটা আসন। এবার কেঁদে ককিয়েও কেউ জোট করতে রাজি হচ্ছে না। কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলান মানেই সর্বনাশ, এই বিশ্বাস থেকেই কেউ ওপথ মাড়াচ্ছেন না। ফলে একলাই লড়তে হবে নুইয়ে পড়া দলটাকে। পাঞ্জাবে মনে করা হয়েছিল সোনিয়া গান্ধী ও তাঁর দল হেলায় বাজিমাত করবে, কিন্তু সেখানেও ভোটের মুখে ক্যাপ্টেন অমরিন্দর দল ছেড়েছেন। সিধু আর নতুন মুখ্যমন্ত্রী চান্নি কী চাইছেন, তা বোঝা ভগবানেরও অসাধ্য। কিন্তু এর মাঝখান দিয়ে দলটা তিন শিবিরে ভেঙে গেলে লাভ কার? বিগত বিধানসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবে কংগ্রেস পেয়েছিল ৩৮.৫ শতাংশ ভোট, দ্বিতীয় স্থানে ছিল আপ। পেয়েছিল ২৩ শতাংশ ভোট। তাই কংগ্রেস তিনভাগে ভাঙলে হিসেবটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে কে জানে! মনে রাখতে হবে, উত্তরপ্রদেশে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ৬ শতাংশ ভোট। সেখান থেকে খুব বেশি ঘুরে দাঁড়ানোর পরিস্থিতি আজও নেই। পশ্চিমবঙ্গে রাহুল গান্ধীর দলের অবস্থা নিয়ে তো আলাদা করে বলার কোনও অর্থই হয় না। রাজ্যে রাজ্যে এভাবেই কংগ্রেসের ভোট ও গ্রহণযোগ্যতা যত কমছে ততই বিকল্প শক্তি হিসেবে উত্থান হচ্ছে তৃণমূলের। এমনকী নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসছেন একদা বাজপেয়ি আদবানির রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণের প্রধান চালিকাশক্তি সুধীন্দ্র কুলকার্নির মতো প্রবীণ নেতাও। তাঁর ক্ষমতাকে স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে সঙ্ঘ পরিবারও। 
দু’সপ্তাহ আগেই স্বীকারোক্তিটা শুরু হয়েছিল আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে দিয়ে। তিনি বাংলায় বিজেপির হারের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেছিলেন, বাংলা থেকে নির্বাচিত ১৮ জন এমপির দু’বছরের কাজ মানুষের মনে দাগ কাটতে পারেনি। অথচ রেলমন্ত্রী হিসেবে মমতা যা করেছেন তার উজ্জ্বল স্মৃতি এখনও বাংলার মানুষের মনে আষ্টেপৃষ্টে গেঁথে রয়েছে। ভাগবতের ওই কথারই প্রায় প্রতিধ্বনি শোনা গেল সম্প্রতি দিল্লিতে বিজেপির পোড় খাওয়া এমপি সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর কথাতেও। দিল্লিতে মমতার সঙ্গে কথা বলতে এসে তিনি বাংলার জননেত্রীর সঙ্গে তুলনা করে বসলেন, মোরারজি দেশাই, জয়প্রকাশ, চন্দ্রশেখর, নরসীমা রাওয়ের মতো প্রধানমন্ত্রীর আসন অলঙ্কৃত করা ব্যক্তিত্বের সঙ্গে। স্বামীর এই কথার ইঙ্গিত একটাই, দিল্লির ক্ষমতার অলিন্দেও পালাবদল হতে পারে একমাত্র মমতার নেতৃত্বেই। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এই সারসত্যটাকে স্বীকার করে নেওয়া কম তাৎপর্যপূর্ণ নয়।
রাজনীতিতে অসম্ভব বলে কিছু হয় না। আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতির অভিমুখ কোনদিকে মোড় নেবে তা সময়ই বলবে, কিন্তু যে আশা ও বিশ্বাসের সঞ্চার আজ মরা গাঙে বাংলার নেত্রী করেছেন তাই বা কম কীসে। বিশেষত বাঙালি হিসেবে দেশের বিরোধী শক্তিকে সামনে থেকে চালিত করার এই কীর্তিও বড় কম নয়! বাংলায় ২৩ বছর আগে যা সম্ভব হয়েছে। এবার জাতীয় রাজনীতিতে তা আর একবার প্রমাণিত হওয়ার সুসময় উপস্থিত। সেদিন জ্যোতি বসুকে  গদিচ্যুত করার মতো বাংলায় কেউ ছিল না। ধূমকেতুর মতো এসে উত্তরোত্তর এরাজ্যের সিপিএম বিরোধী ভোটকে সুসংগঠিত করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। আজ তারই যেন প্রতিধ্বনি জাতীয় রাজনীতিতেও। গোটা দেশে ঝিমিয়ে পড়া বিরোধীদের শুকনো গাঙে তিনি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বিপ্লবের নয়া কেতন উড়িয়ে দিয়েছেন। ত্রিপুরা থেকে গোয়া। এমনকী মেঘালয়ে মুকুল সাংমাও ১৭ জনের মধ্যে ১২ জন বিধায়ককে নিয়ে যেভাবে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন তাতে একটা জিনিস প্রমাণিত হচ্ছে, জাতীয় রাজনীতির মঞ্চেও মমতাই আজ মোদির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রতিপক্ষ। মানুষও মানছে, মোদিকে শিক্ষা দিতে  পারবেন একমাত্র কালীঘাটের ওই অগ্নিকন্যাই। 
ভুললে চলবে না, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সৌভাগ্য কিন্তু সর্বদা সাহসীর পক্ষই নেয়। তাঁর কপালেই বিজয়তিলক এঁকে দেয়। এক্ষেত্রেও...।
28th  November, 2021
বিজেপির খিচুড়ি রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘটনাটা লকডাউন শুরুর ঠিক পরের। ২০২০ সালের এপ্রিলের ১০ তারিখ। উত্তরপ্রদেশের কুশীনগরের এক কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। রান্নার লোক আসেনি বলে গ্রামপ্রধান লীলাবতী দেবী নিজেই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছিলেন। ভেবেছিলেন, জনা পাঁচেকের রান্না... একাই সামলে দিতে পারব। বিশদ

ভারতীয় অর্থনীতি নিয়ে বৃথা অহঙ্কার
পি চিদম্বরম

মানুষের কথাবার্তায় আলোচনায় অবশ্য জিডিপির চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে গ্যাস, ডিজেল ও পেট্রলের দাম। বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। সিএমআইই-র হিসেবে, শহুরে বেকারত্বের হার ৮.৫১ শতাংশ এবং গ্রামীণ বেকারত্বের হার ৬.৭৪ শতাংশ। তবে বাস্তবটা আরও ভয়াবহ! বিশদ

17th  January, 2022
উত্তরপ্রদেশ মোদির
ওয়াটারলু হবে না তো!
হিমাংশু সিংহ

গত এপ্রিলে যখন কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে মিরাট থেকে শাহাজাহানপুর, অযোধ্যা থেকে বারাণসী, তখন এক যুবক ক্রমাগত ছুটছেন উত্তরপ্রদেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত। দলিত আর পিছড়ে বর্গের মানুষের ঘরে ঘরে। কোনওকিছুতেই যেন ভ্রুক্ষেপ নেই তাঁর। বয়স ৪৮।
বিশদ

16th  January, 2022
বিজেপির গেম প্ল্যানে জল
ঢেলে দিল সুপ্রিম কোর্ট
তন্ময় মল্লিক

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা এবং কার গাফিলতিতে ফিরোজপুরের ঘটনা তার যথাযথ তদন্ত চায় সুপ্রিম কোর্ট। দেশের মানুষের সামনে সত্যিটা তুলে ধরতে চায়। তাই গঠন করেছে তদন্ত কমিটি। এই কমিটি যেমন বিজেপির তোলা প্রধানমন্ত্রীকে খুনের চক্রান্তের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে, তেমনি তদন্তের আতসকাচের নীচে যাচাই হবে এসপিজির সেদিনের ভূমিকাও। সুপ্রিম কোর্ট বুঝিয়ে দিল, তদন্তের অজুহাতে রাজনীতি আর চলবে না।
বিশদ

15th  January, 2022
সার্বিক টিকাকরণ ও কোভিড
স্বাস্থ্যবিধিতেই বাগ মানবে ওমিক্রন
মৃন্ময় চন্দ

গোটা পৃথিবীর রাতের ঘুম কেড়েছে ওমিক্রন। সংক্রমণ লাগামছাড়া, ডেল্টার তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি। মানবশরীরে ডেল্টার তুলনায় পাঁচগুণ দ্রুতগতিতে বংশবিস্তার শুরু করে ওমিক্রন। ওমিক্রনের ‘আরনট’ বর্তমানে ১০-এর (ল্যানসেট রেসপিরেটরি মেডিসিন, ১৭ ডিসেম্বর ২০২১) বেশি। হাম বা মিজলস-এর মতোই ছোঁয়াচে ওমিক্রন। বিশদ

15th  January, 2022
দেশের যে সমস্যাগুলি
আড়ালে থেকে যাচ্ছে
সমৃদ্ধ দত্ত

লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের এডিটোরিয়াল পেজ এডিটর সিউয়েল চ্যান বলেছিলেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে, কেবল নিউজের মাধ্যমে জন্ম হচ্ছে নন স্টপ ওপিনিয়ন মেশিনের।
বিশদ

14th  January, 2022
স্বামীজি ধর্মের নামে কারবার ঘৃণা করতেন
মৃণালকান্তি দাস

 

ছেলেবেলায় বাবার বৈঠকখানায় সব গড়গড়ার নল মুখে নিয়ে জাত যায় কী করে, পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন।
বাবা বিশ্বনাথ দত্তের রসুইখানার বাবুর্চিও ছিলেন মুসলিম।
বিশদ

13th  January, 2022
নেমে আসুক সেই
উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের আলো
সন্দীপন বিশ্বাস

যে ভারত গড়ার স্বপ্ন স্বামীজি দেখেছিলেন, সেই ভারতকে আজ খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেই মহামানব নরেন্দ্রর বাণীকে জীবনে ও কর্মে আত্মস্থ করতে পারেননি। বারবার তাঁর কথায় স্বামীজির প্রতি ভক্তির প্রকাশ দেখা যায় বটে, কিন্তু কর্মে তাঁর অবস্থান একেবারে বিপরীত মেরুতে। বিগত কয়েক বছরে তাঁর শাসন দক্ষতার নিদর্শন বুঝিয়ে দিয়েছে, যে ভরসা মানুষ তাঁর উপর করেছিলেন, সেখানে তিনি পুরোপুরি ব্যর্থ।
বিশদ

12th  January, 2022
মহামারীর ব্যবসা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শিয়ালদহ স্টেশন। রাত ৯টা ৩৭ মিনিট। তীব্র হর্নে কেঁপে উঠল শিয়ালদহ সাউথ। লাস্ট ক্যানিং লোকাল ছেড়ে যাচ্ছে। আর ব্যাগ কাঁধে পিছন পিছন ছুটছেন এক বৃদ্ধ। বছর ৬৫ বয়স। এই ট্রেনটা বেরিয়ে গেলে রাতটা কাটাতে হবে প্ল্যাটফর্মেই। তাই ছুটছেন তিনি। কোনওমতে শেষ কামরার রডটা ধরলেন। বিশদ

11th  January, 2022
বেলাগাম গোঁড়ামি
পি চিদম্বরম

প্রথমে ওরা কমিউনিস্টদের জন্য এসেছিল, এবং আমি প্রতিবাদ করিনি—
কারণ আমি কমিউনিস্ট নই।
তারপরে তারা সমাজতন্ত্রীদের জন্য এসেছিল, এবং আমি প্রতিবাদ করিনি—
কারণ আমি সমাজতন্ত্রী নই।
বিশদ

10th  January, 2022
বাংলারই রিপ্লে দেখছি পাঞ্জাবে...
হিমাংশু সিংহ

আপাতভাবে বিরোধীরা হীনবল হলেও আন্দোলন আর প্রতিবাদের নতুন চালিকা শক্তি আজ কৃষকরা। যাঁদের সামনে মাথা ঝোঁকাতে হয়েছে সর্বশক্তিমানকেও। পার্লামেন্টে গরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও। সেই পথ ধরেই শ্রমিক, সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ তাঁদের হক বুঝে নিতে চাইছে। লোকসভা ভোটের দু’বছর আগে এই বার্তা মোটেও শুভ সঙ্কেত নয় নোট বাতিলের ব্যর্থ নায়কের পক্ষে!
বিশদ

09th  January, 2022
মনমোহন পারলেও
মোদি পারলেন না
তন্ময় মল্লিক

মোদিজির ‘বেঁচে ফেরা’র মন্তব্য প্রাণহানির আশঙ্কা থেকে নাকি রাজনৈতিক গিমিক, তা নিয়ে বিতর্ক চলবে। তবে যখন কমান্ডো পরিবেষ্টিত একজন প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজের দেশে দাঁড়িয়ে প্রাণ সংশয়ের কথা বলেন, তখন তাঁর রাজনৈতিক দেউলিয়াপনাই প্রকাশ পেয়ে যায়।
বিশদ

08th  January, 2022
একনজরে
সোমবার সকালে তমলুকের শ্রীরামপুর থেকে পাঁশকুড়া যাওয়ার গ্রামীণ সড়ক যোজনার রাস্তায় দোবাঁধি এলাকায় ধস নেমে প্রায় ২০ ফুট নীচে চলে গেল ২৫টি দোকানঘর। ভেঙে পড়েছে ...

হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট সারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে হোম সিরিজে ফিরতে চলেছেন রোহিত শর্মা। ফেব্রুয়ারির গোড়ায় ভারতে আসছে ক্যারিবিয়ানরা। খেলবে তিনটি ওয়ান ডে এবং তিনটি টি-২০ ম্যাচ। ...

নিউ দোমোহনি ও নিউ ময়নাগুড়ি স্টেশনের মাঝে কীভাবে বিকানির এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়েছিল, সোমবার তার সরেজমিনে তদন্ত করল ফরেন্সিক দল। বিধ্বস্ত ট্রেনটির বগি ও ইঞ্জিন খতিয়ে ...

আবু ধাবিতে জোড়া ড্রোন হামলা। সোমবারের এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দুই ভারতীয় নাগরিকের। এদিন আবু ধাবি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকা ও একটি তেল সংরক্ষণ কেন্দ্রে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায়িক কর্মোন্নতির প্রবল যোগ। আর্থিক প্রাপ্তি হবে মোটা অঙ্কে। কর্মপ্রাপ্তির সুখবরে মনে প্রফুল্লতা। স্বাস্থ্য এক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৮ - ব্রিটিশ অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন জেমস কুক হাওয়াই দ্বীপ আবিষ্কার করেন
১৮৫৪ -আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেলের সহকারী তথা টেলিফোন আবিষ্কারের অন্যতম প্রবর্তক  টমাস আউগুস্তুস ওয়াটসনের জন্ম
১৮৬২ - বঙ্গীয় আইন পরিষদ গঠিত হয়
১৯৪৭: সঙ্গীতশিল্পী কে এল সায়গলের মৃত্যু
১৯৪৮ - হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা বন্ধ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গান্ধী তার ১২১ ঘণ্টার অনশনের অবসান ঘটিয়েছিলেন ১৯৭২: ক্রিকেটার বিনোদ কাম্বলির জন্ম
১৯৯৬: রাজনীতিক ও অভিনেতা এন টি রামারাওয়ের মৃত্যু
২০০৩: কবি হরিবংশ রাই বচ্চনের মৃত্যু
২০১৮: বিশিষ্ট বাঙালি সাংবাদিক ও কার্টুনিস্ট চন্ডী লাহিড়ীর মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৩৭ টাকা ৭৫.০৮ টাকা
পাউন্ড ৯৯.৮২ টাকা ১০৩.২৭ টাকা
ইউরো ৮৩.২৪ টাকা ৮৬.৩০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৮০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ মাঘ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২২। প্রতিপদ অহোরাত্র। পুষ্যা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৬/২৩/৩, সূর্যাস্ত ৫/১০/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩২ গতে ১০/৪১ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ২/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/০ গতে ৪/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১১/১৯ মধ্যে পুনঃ ১/৫৮ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ গতে ৯/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৭ গতে ২/২৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৪৯ গতে ৮/২৮ মধ্যে। 
৪ মাঘ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৮  জানুয়ারি ২০২২। প্রতিপদ শেষরাত্রি ৬/১৫। পুষ্যা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১০। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩১ গতে ১০/৪৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ২/২৫ মধ্যে ও ৩/৯ গতে ৪/৩৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৩ মধ্যে ও ৮/৪৯ গতে ১১/২৪ মধ্যে ও ১/৫৯ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৬ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ১/৮ গতে ২/২৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৪৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে। 
১৪ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রেড রোডের কুচকাওয়াজে থাকছে নেতাজি-ট্যাবলো
সাধারণতন্ত্র দিবসে দেশের রাজধানীতে মূল অনুষ্ঠান থেকে নেতাজির ট্যাবলো বাদ ...বিশদ

09:36:39 AM

পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাটতেই রাজ্যজুড়ে শীতের দাপট
পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাটতেই রাজ্যজুড়ে শীতের দাপট। আজ, মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন ...বিশদ

09:36:03 AM

উচ্চ মাধ্যমিকের প্রজেক্ট খাতা সংগ্রহ ২০ জানুয়ারি থেকে
স্কুল থেকে নন-ল্যাবরেটরি বিষয়ের প্রজেক্ট নোটবুক সংগ্রহ করতে শুরু করবে ...বিশদ

09:31:14 AM

দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ৩৮ হাজারের বেশি
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ...বিশদ

09:30:45 AM

কাশ্মীরে অস্ত্র পাচারের ঘটনায় চার্জশিট
গত বছর লস্করের সহযোগী জঙ্গিনেতাকে গ্রেপ্তার করে নাশকতার ছক বানচাল ...বিশদ

09:22:05 AM

পিএফ পেনশন ৫ হাজার চায় বিএমএস
প্রভিডেন্ট ফান্ডের (পিএফ) অন্তর্ভুক্ত দেশের ৬৫ লক্ষ পেনশনভোগীর হয়ে দাবি ...বিশদ

09:21:04 AM