Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পুরভোটের সন্ত্রাসে বিপদ
বাড়ল ত্রিপুরা বিজেপির
তন্ময় মল্লিক

পুরভোটে জোড়াফুল ফুটুক বা না ফুটুক ২০২৩ সাল ত্রিপুরা তৃণমূলের জন্য ‘বসন্ত’। মাত্র চার মাসেই ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের বিরুদ্ধে তাদের লড়াই দেখে রক্তস্নাত ত্রিপুরা বুঝেছে, বিজেপিকে রুখে দেওয়ার ক্ষমতা আছে তৃণমূলেরই। ত্রিপুরাবাসীর এই মনোভাব টের পেয়েছে বিজেপিও। তাই প্রথম থেকেই তৃণমূলকে আটকাতে তারা এত মরিয়া। মারধর, গাড়ি ভাঙচুরের মতো দমনের চিরাচরিত দাওয়াই কাজ না করায় ‘খেলা হবে’ স্লোগানেই দেওয়া হয়েছে খুনের চেষ্টার মতো মারাত্মক কেস। ভয় থেকেই জন্মায় আক্রমণের প্রবৃত্তি। আর এব্যাপারে সাপ থেকে মানুষ, সকলের প্রকৃতিই এক। সেই ভয় থেকেই কি ত্রিপুরায় বিজেপির পাল্টা ভীতি প্রদর্শন! নাকি কংসের মতো ত্রিপুরার বিজেপি নেতৃত্বের উদ্দেশেও আকাশ থেকে বর্ষিত হয়েছে সতর্কবাণী, তোমারে বধিবে যে বাংলায় বাড়িছে সে।
আর মাত্র ২৪ ঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরই জানা যাবে আগরতলা সহ ত্রিপুরার বিভিন্ন পুরসভা ও নগর পরিষদের ২২২টি আসনের ফলাফল। পুরসভা নির্বাচনটা মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব এর জন্য ছিল রাজনীতির ‘ইউনিট টেস্ট’। সিলেবাস অতি সামান্য। প্রশ্নও জানা। তার উপর হোম সেন্টারে বসে পরীক্ষা। গার্ডও ঘরের লোক। তাই বিপ্লববাবুর দল পরিস্থিতির পুরো সুযোগ নিয়েছে। 
ভোটের আগের রাতে বিরোধীদের তো বটেই, বিক্ষুব্ধ বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায়বর্মনের অনুগামীদের বাড়িতে গিয়েও পাইকারি হারে চমকানো হয়েছে। জারি করা হয়েছিল, ভোট দিতে না যাওয়ার ফতোয়া। তারপরেও যাঁরা সুপ্রিম কোর্টের ভরসায় বৃহস্পতিবার ভোট দিতে বেরিয়েছিলেন তাঁদের বেশিরভাগই বুথ পর্যন্ত যেতে পারেননি। বুথে যাওয়ার আগেই ধমকে বাড়ি পাঠিয়েছে। আর যাঁরা অবাধ্য হয়েছিলেন তাঁদের পিটিয়ে পাঠানো হয়েছে হাসপাতালে। শুধু সাধারণ ভোটার নয়, ভোট দিতে যাওয়ায় ফেলে পেটানো হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীকেও। 
বিজেপির নিরঙ্কুশ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার লোভের আগুন থেকে রেহাই পায়নি কেউই। সাতসকালে শুরু হয়ে যায় সিপিএমের ক্যাম্প অফিস ভাঙচুর, তৃণমূল প্রার্থীর মুখ ফাটিয়ে দেওয়া, প্রার্থীর ছেলেকে মারধর। সময় যত গড়িয়েছে মেরে বুথ থেকে এজেন্ট বের করা, ছাপ্পা, রিগিং, সন্ত্রাসের অভিযোগ ততই লম্বা হয়েছে। সুতরাং ‘ইউনিট টেস্টে’ বিপ্লববাবুর দলের ফুল মার্কস একপ্রকার নিশ্চিত। এরপরেও আগরতলার ৫১টি আসনই বিজেপি যদি না পায় তাহলে বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারটা বিপ্লব দেবের জন্য হয়ে যাবে অনিশ্চিত। অনেকে বলছেন, অপসারণের আশঙ্কা থেকেই বিপ্লববাবুর অনুগামীরা পুরভোটে অলআউট খেলেছেন। 
দেবাংশু ভট্টাচার্য, জয়া দত্তদের দিয়ে ত্রিপুরায় তৃণমূলের জমি তৈরির কাজ শুরু। তারপর সুস্মিতা দেব, সায়নী ঘোষরা। মাঝে বার তিনেক গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতেই বিপর্যয়ের আশঙ্কায় থরহরি কম্প ত্রিপুরা বিজেপি। তাও এখনও পা রাখেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতেই পরাজয়ের ভূত তাড়া করেছে গোটা গেরুয়া শিবিরকে। 
বিজেপি বিধায়ক অরুণচন্দ্র ভৌমিকের ভাষণে মিলেছে তারই ইঙ্গিত। অরুণবাবুর নিদান, ‘তৃণমূল কংগ্রেস দেখলেই তাড়া করুন। আপনাদের জন্য আমি করি। আমার জন্যও আপনাদের করতে হবে।’ কোনও গোপন বৈঠকে নয়, একেবারে প্রকাশ্যে। দলের মস্তান বাহিনীর কাছে একজন প্রবীণ বিধায়কের এমন আবদার! ভাবা যায়? 
সমঝদারোকে লিয়ে ইশারাই কাফি হ্যায়। অরুণবাবু যখন এসব বলছিলেন তখন মঞ্চে ছিলেন স্বয়ং বিপ্লব দেব। তাই বিজেপি কর্মীদের বুঝতে অসুবিধা হয়নি, নির্দেশটা আসলে কার! অতএব যতই মারো, যতই গুলি চালাও পুলিস টিকি ছোঁবে না। ক্রিকেটের পরিভাষায় যাকে বলে, ফ্রি হিট। তার পরিণতি? ত্রিপুরার পুরভোটে মাত্রা ছাড়িয়েছে সন্ত্রাস। সুপ্রিম কোর্টের শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর নির্দেশ সত্ত্বেও রক্ত ঝরেছে ত্রিপুরায়। 
সিপিএমের পার্টি অফিসে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দিয়ে ত্রিপুরায় বামেদের আগেই কোণঠাসা করে ফেলেছে বিজেপি। তবুও মানিক সরকারের জন্য বামেরা লড়াইয়ে আছে। তা সত্ত্বেও বিজেপি বুঝেছে, ২০২৩ সালে তৃণমূলই হবে মাথাব্যথার কারণ। সিপিএমের অতীত দেখিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা গেলেও তৃণমূলকে দমানো কঠিন। সেটা চার মাসেই বুঝে গিয়েছে বিজেপি। তাই পুরভোটে তৃণমূলকেই দুরমুশ করেছে বেশি। 
‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার। কেন্দ্রীয় বাহিনী বা কমিশনের কোনও ভয় নেই। তাই বিরোধীদের পাত্তা দেওয়া তো দূরের কথা, তাদের শায়েস্তা করাই বিপ্লববাবুর পুলিসের লক্ষ্য। সেই জন্য গাড়ির মধ্যে বসে ‘খেলা হবে’ বলায় সায়নী ঘোষকে ‘খুনের চেষ্টার’ অভিযোগে গ্রেপ্তার করতেও পুলিসের হাত কাঁপেনি। একজন অল্পবয়সি মহিলা নেত্রীকে সারা রাত থানায় আটকে রেখে বিপ্লব দেবের পুলিস প্রমাণ করে দিয়েছে, ত্রিপুরা আছে ত্রিপুরাতেই।
পুরসভা নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে বিজেপির দুই বিধায়ক সুদীপ রায়বর্মন ও আশিস সাহা নির্বাচনে গন্ডগোলের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। ত্রিপুরায় সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির জন্য মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন। তাঁর সাফ কথা, উন্নয়ন হলে মারধরের দরকার হতো না। ভোট দিতে না যাওয়ার জন্য হুমকি দিতে হতো না। নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে ত্রিপুরার বুকে এমন সংস্কৃতি আমদানি করছেন ‘প্যারাট্রুপড লিডার’ (পড়ুন বিপ্লব দেব)। সিপিএমের কিছু লোক জার্সি বদলে বিজেপি হয়েছে। তারাই ত্রিপুরার পুরভোটকে প্রহসনে পরিণত করছে। 
সুদীপবাবুর আশঙ্কা অক্ষরে অক্ষরে মিলে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ সত্ত্বেও ত্রিপুরার পুরভোট শান্তিপূর্ণ হয়নি। ভোটের দিনে অশান্তি শুরু হতেই আরও দু’কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানোর নির্দেশ প্রমাণ করেছে, বিপ্লব দেবের পুলিস পুরোপুরি ব্যর্থ। 
বিজেপিতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। এমনকী কোন্দল থামাতে কয়েকটি রা঩জ্যে মুখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত বদল করতে হয়েছে। তবে, যে সব রাজ্যে স্রেফ হাওয়া ও ভাষণের জোরে বিজেপি ক্ষমতা দখল করেছে, সেখানে দ্বন্দ্ব চরম। ত্রিপুরা তারই একটা। এখানে বিপ্লব দেবের আর সুদীপ রায়বর্মনের সম্পর্ক সাপে নেউলের চেয়েও খারাপ। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বারবার চেষ্টা করেও মেটাতে পারেনি। উল্টে লড়াই তীব্র হয়েছে। পুরভোটের প্রচারের শেষদিনে সুদীপবাবু সাংবাদিক সম্মেলন করে বিপ্লববাবুকে ধুইয়ে কাপড় পরিয়ে দিয়েছেন। তারপরেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপই নেয়নি বিজেপি। 
তার কিছুক্ষণের মধ্যেই ত্রিপুরা বিজেপির মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তী পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। সেখানে তিনি সুদীপবাবুর তোলা সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করলেও তাঁকে ঘাঁটানোর সাহস দেখাননি।
সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী বা শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দলের কেউ তোপ দাগলে তাঁর বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়াটাই দস্তুর। বিজেপির হাওড়া সদর সাংগঠনিক জেলা সভাপতির ক্ষেত্রে তেমনটাই দেখা গিয়েছে। বিরোধী দলনেতার সমালোচনা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। কিন্তু সুদীপবাবুর ক্ষেত্রে তেমনটা ঘটল না। কারণ বিজেপি নেতৃত্ব স্টেপ নিতে ভয় পাচ্ছে। সিপিএম বিরোধী ক্ষোভ কাজে লাগিয়ে ক্ষমতা দখল করলেও ত্রিপুরায় বিজেপির মাটি এখনও জমাট বাঁধেনি। উল্টে প্রায় কোনও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে না পারায় ত্রিপুরায় বিজেপি কাযর্ত বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। এই অবস্থায় বিদ্রোহীদের শাস্তি  না দিয়ে তোয়াজ করার রাস্তায় কি বিজেপি হাঁটতে চাইছে?
ত্রিপুরায় যদি কেবল সিপিএম বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকত তাহলে বিজেপি নেতৃত্ব সুদীপবাবুকে কিছুতেই রেয়াত করত না। কিন্তু বঙ্গ জয়ের পর তৃণমূল ত্রিপুরায় পা রাখতেই বদলে গিয়েছে রাজনৈতিক সমীকরণ। বাংলায় হ্যাটট্রিক করার পর মমতাকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে জাতীয় রাজনীতি। বিভিন্ন রাজ্যের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা মোদি বিরোধী লড়াইয়ে তাঁর সঙ্গী ও সহযোদ্ধা হতে চাইছেন। বিজেপি শাসিত ত্রিপুরাতেও সেই একই প্রবণতা। সেখানে শাসক দলের বিধায়ক যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলে। কারণ সম্ভাবনা জাগিয়েছে তৃণমূল।
এই পরিস্থিতিতে বিজেপির দুই বিধায়কের বিদ্রোহ গেরুয়া শিবিরে নতুন সঙ্কট তৈরি করেছে। বিক্ষুব্ধদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই চলে যাবে তৃণমূলে। আবার স্টেপ না নিলে বিপ্লব দেবের অনুগামীরা ছেড়ে কথা বলবে না। তাই পুরসভা ভোটের ফলের নয়, চর্চার বিষয় হয়েছে বিজেপি বিধায়কদের বিদ্রোহ। অনেকেই বলছেন, ত্রিপুরায় তৃণমূলকে শূন্য প্রমাণের জন্য পুরভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাস করে বিজেপি নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারল। ২০২৩ সালে আর ইউনিট টেস্ট নয়, বিপ্লব দেবকে বসতে হবে বোর্ডের পরীক্ষায়। পরীক্ষকের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুকলি করে তাঁর প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যায় না। সেটা বাংলায় পরীক্ষা দিতে এসে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন মোদি-অমিত শাহ জুটি। বুঝবেন বিপ্লব দেবও।
27th  November, 2021
বিহারে পালাবদলে
আসল নায়ক তেজস্বীই
তন্ময় মল্লিক

এই নিয়ে আট আটবার মুখ্যমন্ত্রিত্বের কুর্সিতে। তারজন্য কখনও কংগ্রেসের, কখনও আরজেডির, কখনও আবার বিজেপির কাঁধে ভর করেছেন। গদির জন্য নীতি বিসর্জন দিয়েছেন বারবার। ডিগবাজি পলিটিক্সে তাঁর সমগোত্রীয় বলতে একমাত্র মুলায়ম সিং যাদব। বিশদ

ভারতবর্ষের গণতন্ত্র এবং
সরকারি সাম্প্রদায়িকতা
হুমায়ুন কবীর

গত জুলাইতে লন্ডনের কিংস কলেজে ভারতীয় ছাত্র এবং অ্যালামনি ইউনিয়নের উদ্যোগে ‘ইন্ডিয়া অ্যাট ৭৫’ নামে এক লেকচার সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়। তাতে ‘গণতন্ত্র এবং উন্নয়নে’র উপর ভাষণ প্রসঙ্গে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন উন্নয়নের লক্ষ্যে শক্তিশালী নেতা, আরও প্রগতিশীল সরকার এবং উন্মুক্ত গণতন্ত্রের নিদান দেন। বিশদ

গরিষ্ঠতা নিয়ে নার্ভাস
বরং নরেন্দ্র মোদিই

সমৃদ্ধ দত্ত

শুধু কংগ্রেসমুক্ত ভারত নির্মাণ করাই যে যথেষ্ট নয়, সেটা মোদি এবং অমিত শাহ বুঝেছেন। কারণ, রাজ্যে রাজ্যে একঝাঁক আঞ্চলিক দল রয়েছে, যাঁদের শক্তি অনেক বেশিই রয়ে যাচ্ছে। তাই আঞ্চলিক দলগুলিকে ধ্বংস করতে উদ্যত বিজেপি। ফর্মুলাটি হল, প্রথমে তাদের সঙ্গে জোট করে বন্ধুত্ব পাতানো। তারপর ধীরে ধীরে তাদের ভোটব্যাঙ্কে  ভাগ বসানো। বিশদ

12th  August, 2022
তাইওয়ান নিয়ে সংঘাতের পিছনে চিপযুদ্ধ
মৃণালকান্তি দাস

ন্যান্সি পেলোসির সঙ্গে বেজিংয়ের লড়াই সেই ১৯৮৯ সাল থেকেই। পেলোসি যেমন বরাবরই চীনের ঘোর সমালোচক, তেমনই আমেরিকার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকারকে ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিপূর্ণ তথ্যে ভরপুর’ বলে মনে করে বেজিংও।
বিশদ

11th  August, 2022
পূর্বসূরিদের কলঙ্ক মুছতে প্রয়াসী বিজেপি
সন্দীপন বিশ্বাস

বেলাগাম হয়ে ছুটছে মূল্যবৃদ্ধির অশ্বমেধের ঘোড়া। মানুষকে দলিত করে, আহত করে সে ছুটছে আপন খেয়ালে। তাকে রোখার ক্ষমতা নেই রাজাধিরাজের।
বিশদ

10th  August, 2022
ধন্যি রাজনৈতিক অধ্যাবসায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শ্রদ্ধেয় নীতীশবাবু, রাষ্ট্রপতি আর উপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সৌজন্যে বিরোধী জোট রাজনীতির উনুনটা কেমন যেন নিবু নিবু হয়ে পড়েছিল। আচমকা আপনি তাতে জোরদার একটা ফুঁ মেরেছেন।
বিশদ

09th  August, 2022
আমি যে বক্তব্য
রাখতে পারতাম
পি চিদম্বরম

এই বিতর্ক কয়েকদিন আগে হওয়া উচিত ছিল। বিধি ২৬৭-র অধীনে আলোচনা এবং অন্যকোনও নিয়মের মধ্যে ‘বাস্তবিক’ পার্থক্য বুঝতে আমি ব্যর্থ হয়েছি। সরকার একগুঁয়ে, জনগণ এজন্য তার হামবড়া ভাবকে দায়ী করে।
বিশদ

08th  August, 2022
সোনিয়া গান্ধী কি গ্রেপ্তার হবেন?
হিমাংশু সিংহ

পরতে পরতে নাটক দেখছে দেশের জনগণ। যার স্ক্রিপ্ট রচিত হয়েছে সাততারা দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গের ঝাঁ চকচকে অফিসের কনফারেন্স রুমে। তারই প্রতিফলন আজ দিল্লির রাজপথ থেকে রাজ্যে রাজ্যে অলিগলি তস্য গলিতে। মঞ্চস্থ নাটকের নাম ‘বিরোধী ধরো জেল ভরো’। বিশদ

07th  August, 2022
ভয় থেকেই কি সিআইডি তদন্তে বাধা
তন্ময় মল্লিক

‘এমন সুযোগ আর আসবে না কোনো দিন/ বাছবাছাই না করে হাতের কাছে যা পাস/ তাই দিয়ে পোঁটলাপুঁটলি বেঁধে নে হুট করে।/ বেরিয়ে পড়,/দেরি করলেই পস্তাতে হবে/’ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের ‘উদ্বাস্তু’ কবিতার ভূষণ পাল এভাবেই গোটা পরিবারটাকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। বিশদ

06th  August, 2022
মাননীয় অর্থমন্ত্রী, মূল্যবৃদ্ধি কাকে বলে?
সমৃদ্ধ দত্ত

মূল্যবৃদ্ধিকে ঠিক কেমন দেখতে? জিডিপির মতো? পেট্রল ডিজেলের দামের মতো? ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের মতো? ডলার ও টাকার বিনিময় মূল্যের মতো? আমদানি রপ্তানি শুল্কের কঠিন অঙ্কের মতো? রেপো রেটের মতো? কেমন হয় মূল্যবৃদ্ধি? সরকার কী বলে আমাদের? বিশদ

05th  August, 2022
বিজেপি কি ধোয়া তুলসী পাতা!
মৃণালকান্তি দাস

গত বছর কর্ণাটকের স্টেট কন্ট্রাক্টর অ্যাসোসিয়েশন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল। চিঠিতে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, বেঙ্গালুরুতে যে কোনও নির্মাণকাজ শুরু করতে গেলে আগে টেন্ডারের মূল্যের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দিতে হয়, এর সঙ্গে যুক্ত হয় বিল ক্লিয়ার করার জন্য উপরি ৫ শতাংশ।
বিশদ

04th  August, 2022
এই দুর্দিনে সোনার
ছেলেমেয়েরাই প্রেরণা

হারাধন চৌধুরী

বরং আমাদের প্রেরণা হয়ে উঠুন মীরাবাঈ চানু, জেরেমি লালরিনুঙ্গা, অচিন্ত্য শিউলিরা। তাঁরাই প্রকৃত সোনার মেয়ে ও সোনার ছেলে। আলোচনা চলুক কমনওয়েলথ গেমসে, আন্তর্জাতিক পরিসরে তাঁদের উজ্জ্বল উপস্থিতি নিয়ে। রাজনীতিকরা রোজই কোনও-না-কোনওভাবে আমাদের আশাহত করছেন, মুখ কালো করে দিচ্ছেন। সেই কালো মুখে এইটুকু আশার আলোর মূল্য মোটেই ন্যূন নয়।‌
বিশদ

03rd  August, 2022
একনজরে
শিশু সুরক্ষা নিয়ে মালদহ জেলা প্রশাসন ও পুলিসের সঙ্গে বৈঠক করলেন জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের পদাধিকারী। শুক্রবার মালদহ জেলা প্রশাসনিক ভবনে ওই বৈঠক হয়। ...

দেশজুড়ে বন্ধ্যাত্ব এবং সারোগেসির নয়া আইন কার্যকর করার জন্য গঠিত হল নতুন পরিচালন বোর্ড। ন্যাশনাল অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাক্টিভ টেকনোলজি অ্যান্ড সারোগেসি বোর্ড নামক এই কেন্দ্রীয় সরকারি বোর্ডের সদস্যরা হলেন ডাঃ শুভা ফাড়কে, ডাঃ নীতীজ মুরদিয়া, ডাঃ নীতা সিং, ডাঃ আর জি ...

টিভিতে অনুষ্ঠান চলাকালীন পুতিনের ইউক্রেন আক্রমণের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন সাংবাদিক মারিনা অবসিয়ানিকোভা। এমনকী অনুষ্ঠানের মাঝে ‘যুদ্ধ নয়’ পোস্টারও তুলে ধরেছিলেন তিনি। তা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। এবার ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে অক্টোবর পর্যন্ত তাঁকে গৃহবন্দি করার নির্দেশ দিল আদালত। ...

ময়দানের পড়ন্ত বিকেলে প্রতিদিনের মতো এদিনও জোরকদমে চলছিল মোহন বাগানের অনুশীলন। হঠাত্ই এক অনুরাগীর ডাকে সাড়া দিয়ে ফেন্সিংয়ের ধারে ছুটে এলেন হুগো বোমাস। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পরিবারে অশান্তির জেরে মানসিক অস্থিরতা। কর্মপ্রার্থীরা কোনও শুভ খবর পেতে পারেন। ব্যবসায় শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বাঁ-হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৬৭: শব্দকোষপ্রণেতা উইলিয়াম আলেকজান্ডার ক্রেইগির জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৮৯: উইলিয়াম গ্রে কয়েন টেলিফোন প্যাটেন্ট করেন
১৮৯৯: ইংরেজ চিত্র পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬২: অভিনেত্রী অনিতা রাজের জন্ম
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৬৪: ব্রিটেনে সর্বশেষ ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৭৭: নাট্যসম্রাজ্ঞী মলিনা দেবীর মৃত্যু
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০০০: পাকিস্তানি গায়ক ও গীতিকার তথা ‘ডিস্কোনাজিয়া হাসানের মৃত্যু
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৭.৮৪ টাকা ৮১.৩৭ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৮০ টাকা ৯৯.৪১ টাকা
ইউরো ৮০.২১ টাকা ৮৪.১০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,১০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,১৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ, ১৪২৯, শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২। দ্বিতীয়া ৪৯/৫ রাত্রি ১২/৫৪। শতভিষা নক্ষত্র ৪৫/৩০ রাত্রি ১১/২৮। সূর্যোদয় ৫/১৫/১৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/৫০। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ গতে ১০/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে ৩/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৩/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/১৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৩০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি। 
২৭ শ্রাবণ, ১৪২৯, শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২। প্রতিপদ প্রাতঃ ৫/৩০ পরে দ্বিতীয়া রাত্রি ৩/৩৮। শতভিষা নক্ষত্র রাত্রি ৩/০। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১২/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৮ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৪৮ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫২ মধ্যে ও ১/১৯ গতে ২/৫৬ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৩ মধ্যে ও ৩/৫২ গতে ৫/১৬ মধ্যে। 
১৪ মহরম।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ময়নাগুড়িতে চিতাবাঘের আতঙ্ক
চিতাবাঘের আতঙ্কে কাবু গোটা একটা গ্রাম। আজ সকাল থেকেই চিতাবাঘের ...বিশদ

03:23:56 PM

ময়নাগুড়িতে টোটো দৌরাত্ম্য রুখতে পদক্ষেপ পুলিসের
ময়নাগুড়ি শহরের টোটো দৌরাত্ম্য রুখতে ট্রাফিক পুলিসের কড়া পদক্ষেপ। ট্রাফিক ...বিশদ

02:39:00 PM

কালনায় মহিষমর্দিনী ভাণ্ডারায় প্রসাদ বিতরণ

02:36:00 PM

ফের করোনা আক্রান্ত সোনিয়া গান্ধী
আরও একবার করোনা আক্রান্ত হলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। আজ, ...বিশদ

01:59:01 PM

কয়েক ঘণ্টায় ছিনতাইয়ের ঘটনার সমাধান করল পুলিস
গতকাল, সন্ধ্যায় জয়পুর থানায় একটি ছিনতাইয়ের ঘটনার অভিযোগ করেন কলকাতার ...বিশদ

01:21:07 PM

অণ্ডালে আগ্নেয়াস্ত্র মাথায় ঠেকিয়ে ডাকাতি
এক অবসরপ্রাপ্ত ইসিএল কর্মীর বাড়িতে ডাকাতি করে পালাল সশস্ত্র ডাকাতদল।  ...বিশদ

01:02:41 PM