Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কৃষকরা সকলের জন্যই
দিলেন জীবনের শিক্ষা
সমৃদ্ধ দত্ত

কী শিক্ষা দিয়ে গেল একটি আইন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত? নিছক অনড় অবস্থান থেকে পিছু হটে সরকারের সিদ্ধান্ত বদল? না। এই বার্তা শুধুই বহিরঙ্গে। কিন্তু আদতে অন্তর্নিহিত মেসেজটি অনেক গভীরে। সেটি হল, ২০২১ সালের ভারতে আজও অহিংস গণ আন্দোলনে রাষ্ট্র ভয় পায়। রাষ্ট্র নত হয়। রাষ্ট্র ক্ষমা প্রার্থনা করে। অর্থাৎ রাষ্ট্র যতই নির্বাচনী সংখ্যাগরিষ্ঠতার শক্তিতে এক ইগো সর্বস্ব অতি আত্মবিশ্বাসের উঁচু পাহাড়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার মরিয়া চেষ্টা করুক, তাকে বাস্তবের জল কাদা রোদের মাটিতে টেনে নামানো সম্ভব হয়। 
রাষ্ট্র ও শাসক আজকের এই  অবিশ্বাস্য টেকনোলজি, স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন আর ইনফরমেশন বিস্ফোরণের যুগে পুরনো সব প্রথাকে অতীত ও পরিত্যাজ্য হিসেবে তাচ্ছিল্য করেছিল। ভেবেছিল, আমরা যদি পাত্তা না দিই, আমরা যদি গুরুত্ব না দিই, আমরা যদি অগ্রাহ্য করি, তাহ঩লেই একদিন এই রাস্তায় বসে থাকা কৃষকের দল নিজেরাই চলে যাবে মাথা নিচু করে। আর তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল অবাধ অপপ্রচার, অসম্মান, অপমান। কৃষকদের বলা হয়েছিল অ্যান্টি ন্যাশনাল। খলিস্তানি। আন্দোলনজীবী। কৃষি আইন খুব ভালো। একথা রাষ্ট্র বলেছিল। প্রচার করেছিল। কিন্তু তার থেকে বেশি সেই রাষ্ট্র ও শাসকদের পাশে দাঁড়িয়েছিল নাগরিক সমাজের বিপুল অংশ। তারাও দোহারের মতো বলে গিয়েছে অবিরত যে, হ্যাঁ, কৃষি আইন ভালো। কৃষকদের নিয়ে হাসাহাসি হয়েছে। কেন? কারণ তাদের মধ্যে শিক্ষিত ইংরেজি জানা যুবক যুবতীদের দেখা গিয়েছে পিৎজা খেতে আন্দোলনস্থলে। অর্থাৎ কৃষকদের পিৎজা খাওয়া বারণ। ইংরেজি জানা বারণ। রাষ্ট্র ও তার এই অনুগামীদের প্রবল এক ঝাঁকুনি দিলেন কৃষকরা। 
রাষ্ট্র এটা দেখতে পায়নি যে, দিল্লির সীমানায় রোদে ঝড়ে বৃষ্টিতে, শীতে খোলা আকাশের নীচে বসে এক বৃদ্ধ জানুয়ারির অপরাহ্নে জোরে জোরে পড়ছিলেন জন রিডের বিখ্যাত বই ‘দুনিয়া কাঁপানো দশদিন’। গুরমুখী ভাষায় অনুবাদ। আর তাঁকে ঘিরে একঝাঁক সাধারণ কৃষক শুনছেন সেই কাহিনি। রাষ্ট্র অবজ্ঞা করেছে তাঁদের, আন্দোলনস্থলের মাদুরে শুয়ে যাঁদের হাতে হাতে ঘুরেছে রবীন্দ্রনাথের ‘গোরা’। কৃষকরা যতটা নরেন্দ্র মোদিকে ধাক্কা দিয়েছেন, তার থেকে অনেক বেশি ধাক্কা দিয়েছেন সেই নাগরিক সমাজকে, যারা এতদিন ধরে কৃষি আইনের পক্ষে সওয়াল করেছে। কেন? কারণ, এই নাগরিক সমাজ হুজুগে ভেসে থাকে। 
নাগরিক সমাজের সিংহভাগকে সস্তার ইন্টারনেট ডেটা উপহার দিয়ে রাষ্ট্র এবং কর্পোরেট প্রত্যেককে প্রাইভেট এক সমাজের বাসিন্দা করে দিয়েছে। একজনের সমাজ। একটি করে মোবাইল। অন্তহীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। পোর্টাল। এভাবে রাস্তায় নেমে আন্দোলন অথবা জনস্বার্থে দলমতনির্বিশেষে আন্দোলনে শামিল হওয়া থেকে মানুষকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ক্রমেই। যে কোনও প্রতিবাদে প্রথমেই ফেসবুক খুলে লিখতে ইচ্ছে করে! তাই এই সমাজের কাছে কখনও মিডিয়া ভিলেন। কখনও রাজনীতি ভিলেন। কখনও কর্পোরেট ভিলেন। মনোভাবটি খুব সহজ। আমি ভালো। অন্য সবাই খারাপ। আমাকে মিডিয়া, কর্পোরেট, রাজনীতি খারাপ করে দিচ্ছে। এই ধারণা থেকেই নাগরিক সমাজের বৃহৎ অংশ অনেক বেশি আত্মকেন্দ্রিক হয়ে গিয়েছে। আর তার ফলে গণ আন্দোলনের শক্তির মর্ম তারা বুঝতেই পারেনি। 
কৃষকরা প্রথম থেকেই বুঝেছিলেন যে, কৃষি আইন নিয়ে সবথেকে বেশি কথা বলছে এই দেশে তারাই, যারা কৃষিটাই বোঝে না। কতটা মাটিতে কতটা সার, কতটা বীজে কতটা জমিতে ফসল হবে, এই দুরূহ সমীকরণের পিছনে যে এক নিবিড় অনুশীলন, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা আর অভিনিবেশ থাকে, সেটা ক’জন মনে রাখে? তাই নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দল, আইন আদালত কারও উপর একান্ত ভরসা করে না থেকে কৃষকরা একটাই কাজ করে গিয়েছেন। দাঁত দাঁত চেপে রাস্তায় বসে থাকা। নাগরিক সমাজের সকলেই কি দূরে সরে থেকেছেন? একেবারেই নয়। লাগাতার কৃষকদের এই অনড় আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ হয়ে বহু যুবক যুবতী মধ্যবয়সি এসে হাজির হয়েছেন আন্দোলনের তাঁবু ও মঞ্চের সামনে।  
লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, কেন্দ্রীয় সরকার প্রথম প্রথম কৃষকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। যখন বৈঠক করেছে, তখন কৃষকদের সঙ্গে একসঙ্গে লাঞ্চ করার ছবি পোস্ট করা হয়েছে। কৃষি মন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রীরা সৌহার্দ্য  দেখিয়েছেন। যাতে প্রমাণ হয়, তাঁরা কৃষকদরদি। কিন্তু তিন কৃষি আইনে সবথেকে লাভ হবে কর্পোরেটের। আর সেই কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে অনড় হয়ে রইলেন কৃষকরা। একদিন সেটা বুঝে গেল সরকার। আর তারপর থেকেই কৃষক দরদি মুখোশটা খুলে গেল। আধুনিক রাষ্ট্র কৃষক দরদি, শ্রমিক দরদি হতেই পারে না। তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য সর্বদাই ঩বিশ্ববাণিজ্যে প্রমাণ করা যে, এই রাষ্ট্র প্রাইভেটাইজেশনের পূজারি। আর সেটা করতে হলে সবার আগে কর্পোরেট এবং কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থের মধ্যে যে কোনও একটি দিক বেছে নিতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাশিতভাবেই বেছে নিয়েছে কর্পোরেটের দিকটি। তাই দ্রুত কৃষকদের গায়ে তকমা দেওয়া হয়েছে অ্যান্টি ন্যাশনাল। 
নরেন্দ্র মোদির বিরোধীদের কাছে একটাই সুসংবাদ যে, তিনি ইতিহাস চর্চা করেন না। যদি করতেন, তাহলে বহু পদক্ষেপ নেওয়ার আগে একবার ভারতের ইতিহাসের দিকে চোখ রাখতেন। খুব বেশি পরিশ্রমও করতে হতো না। কারণ তাঁর হাতের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে। তাঁর নিজের রাজ্যে। ১৯২৮ সালে গুজরাতের বরদোলিতে (তখন গুজরাত নামক রাজ্য ছিল না) প্রবল কৃষক আন্দোলন শুরু হয়েছিল ব্রিটিশ সরকারের কালা কানুনের বিরুদ্ধে। কৃষকদের উপর প্রভূত অত্যাচার হয়। বিপুল ট্যাক্স আরোপ করা হয়। কারারুদ্ধ করা হয় আন্দোলনরতদের। কিন্তু কৃষকদের দমানো যায়নি। এবং কৃষকদের ওই লাগাতার বিদ্রোহ ও আন্দোলনের চাপে পিছু হটে ব্রিটিশ সরকার। ২২ শতাংশ করবৃদ্ধি কমিয়ে আনা হয় ৬ শতাংশে। জয় হয় কৃষকদের।  ওই কৃষক সত্যাগ্রহের অন্যতম নেতা ছিলেন এক কৃষকসন্তান। তিনি ১৯৩১ সালে করাচিতে আয়োজিত ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আপ্লুত সেই নতুন কংগ্রেস সভাপতি ভাষণে বলেছিলেন, আজ আপনারা সামান্য এক কৃষকসন্তানকে ভারতের এই সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত করলেন। এ আমার কাছে বিরাট প্রাপ্তি। আমি নিশ্চিত যে এই সম্মান আসলে গুজরাতের কৃষকদের। এই নতুন সভাপতির নাম ছিল বল্লভভাই প্যাটেল। বরদোলি সত্যাগ্রহের নেতৃত্ব দেওয়ার সময় থেকেই তাঁকে অভিহিত করা হয়েছিল ‘সর্দার’ নামে। সর্দার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছিলেন সাধারণ মহিলাদের। যাঁরা খাদি পরে, চরকা কেটে, গান গেয়ে, প্রতিদিন রান্না করে, খাবার বিলি করে কৃষক আন্দোলনকে সজীব রেখেছেন দিনের পর দিন, মাসের পর মাস। 
ঠিক এই চিত্রই দেখা যায় ২০২০ থেকে ২০২১ সালের গত এক বছরে। কৃষক আন্দোলনে। এই এক বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাতবার বিদেশ সফরে গিয়েছেন। একবারও কৃষকদের আন্দোলনস্থলে আসেননি। এলে দেখতে পেতেন, ১৯২৮ সালের বরদোলি আন্দোলনেরই পুনরাবৃত্তি হচ্ছে দিল্লির সীমান্তে। রাষ্ট্র যখন নিজের দেশের ইতিহাস ভুলে গিয়ে নিজের ঐতিহ্যকেই অস্বীকার করে, তখনই সেই রাষ্ট্রের আসে দুঃসময়। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল মোদিজির কাছে রোল মডেল।  তাহলে তাঁর একটি অমোঘ বাক্য মোদি রাখলেন না কেন? সর্দার বলেছিলেন, ‘কৃষক প্রাণের সঞ্চার ঘটায়, গোটা বিশ্বের মুখে খাদ্য জোগায়। আর সবথেকে বেশি পীড়নের শিকার হয় এই কৃষকই। তাই কৃষকের শক্তিকে অবহেলা করা সবথেকে বড় ভুল শাসকের।’ মোদি একই ভুল করেছেন প্যাটেলের অনুগামী হয়েও। 
আমরা সাধারণ নাগরিক সমাজ বিগত কয়েকমাস ধরে ক্রমেই আগ্রহ ও উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছিলাম। আমরা আর অত বেশি বেশি আলোচনা করতাম না কৃষক আন্দোলন নিয়ে। তাঁরা যে এখনও ওই একইভাবে অহিংস আন্দোলনে বসে আছেন, এটা আমরা ধীরে ধীরে ভোট, দুর্গাপুজো, আইপিএলের স্রোতে ভুলেই যাচ্ছিলাম। কম কম আলোচনা হতো আজকাল। আচমকা জিতে গিয়ে আমাদের সজোরে ধাক্কা দিলেন কৃষকরা। আমরা হতচকিত হয়ে দেখলাম, আত্মবিশ্বাসী আন্দোলনের কী বিপুল শক্তি! 
কৃষকরা জানতেন, এই লড়াই তাঁদের আগামীতে বাঁচার লড়াই। অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। তাই তাঁরা অনড় রইলেন। ভারতবর্ষকে আবার উদ্বুদ্ধ করে বার্তা দিলেন যে, যত বড় শক্তিশালীই হোক, কোনও শাসকই লার্জার দ্যান লাইফ নয়। কেউ সুপারম্যান নয়। কেউ অপরাজেয় নয়। জনগণমনঅধিনায়ক হতে হলে মাটিতে নামতে হবে। নামতে রাজি না হলে? বাধ্য করতে হবে। কৃষকরা পারলেন! তাঁরা আমাদের মতো সাধারণ মানুষকেও আজীবনের মন্ত্র দিলেন যে, ধৈর্য আর সহনশীলতা বজায় রেখে, কঠোর আত্মত্যাগেও লক্ষ্য অবিচল থাকলে, জয় একদিন আসবেই! আমাদের যেন ভরসা হল, আমরাও তাহলে জীবনের ছোট ছোট লড়াইগুলো জিততে পারি! হাল ছাড়তে নেই!
26th  November, 2021
বিহারে পালাবদলে
আসল নায়ক তেজস্বীই
তন্ময় মল্লিক

এই নিয়ে আট আটবার মুখ্যমন্ত্রিত্বের কুর্সিতে। তারজন্য কখনও কংগ্রেসের, কখনও আরজেডির, কখনও আবার বিজেপির কাঁধে ভর করেছেন। গদির জন্য নীতি বিসর্জন দিয়েছেন বারবার। ডিগবাজি পলিটিক্সে তাঁর সমগোত্রীয় বলতে একমাত্র মুলায়ম সিং যাদব। বিশদ

ভারতবর্ষের গণতন্ত্র এবং
সরকারি সাম্প্রদায়িকতা
হুমায়ুন কবীর

গত জুলাইতে লন্ডনের কিংস কলেজে ভারতীয় ছাত্র এবং অ্যালামনি ইউনিয়নের উদ্যোগে ‘ইন্ডিয়া অ্যাট ৭৫’ নামে এক লেকচার সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়। তাতে ‘গণতন্ত্র এবং উন্নয়নে’র উপর ভাষণ প্রসঙ্গে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন উন্নয়নের লক্ষ্যে শক্তিশালী নেতা, আরও প্রগতিশীল সরকার এবং উন্মুক্ত গণতন্ত্রের নিদান দেন। বিশদ

গরিষ্ঠতা নিয়ে নার্ভাস
বরং নরেন্দ্র মোদিই

সমৃদ্ধ দত্ত

শুধু কংগ্রেসমুক্ত ভারত নির্মাণ করাই যে যথেষ্ট নয়, সেটা মোদি এবং অমিত শাহ বুঝেছেন। কারণ, রাজ্যে রাজ্যে একঝাঁক আঞ্চলিক দল রয়েছে, যাঁদের শক্তি অনেক বেশিই রয়ে যাচ্ছে। তাই আঞ্চলিক দলগুলিকে ধ্বংস করতে উদ্যত বিজেপি। ফর্মুলাটি হল, প্রথমে তাদের সঙ্গে জোট করে বন্ধুত্ব পাতানো। তারপর ধীরে ধীরে তাদের ভোটব্যাঙ্কে  ভাগ বসানো। বিশদ

12th  August, 2022
তাইওয়ান নিয়ে সংঘাতের পিছনে চিপযুদ্ধ
মৃণালকান্তি দাস

ন্যান্সি পেলোসির সঙ্গে বেজিংয়ের লড়াই সেই ১৯৮৯ সাল থেকেই। পেলোসি যেমন বরাবরই চীনের ঘোর সমালোচক, তেমনই আমেরিকার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকারকে ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিপূর্ণ তথ্যে ভরপুর’ বলে মনে করে বেজিংও।
বিশদ

11th  August, 2022
পূর্বসূরিদের কলঙ্ক মুছতে প্রয়াসী বিজেপি
সন্দীপন বিশ্বাস

বেলাগাম হয়ে ছুটছে মূল্যবৃদ্ধির অশ্বমেধের ঘোড়া। মানুষকে দলিত করে, আহত করে সে ছুটছে আপন খেয়ালে। তাকে রোখার ক্ষমতা নেই রাজাধিরাজের।
বিশদ

10th  August, 2022
ধন্যি রাজনৈতিক অধ্যাবসায়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শ্রদ্ধেয় নীতীশবাবু, রাষ্ট্রপতি আর উপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সৌজন্যে বিরোধী জোট রাজনীতির উনুনটা কেমন যেন নিবু নিবু হয়ে পড়েছিল। আচমকা আপনি তাতে জোরদার একটা ফুঁ মেরেছেন।
বিশদ

09th  August, 2022
আমি যে বক্তব্য
রাখতে পারতাম
পি চিদম্বরম

এই বিতর্ক কয়েকদিন আগে হওয়া উচিত ছিল। বিধি ২৬৭-র অধীনে আলোচনা এবং অন্যকোনও নিয়মের মধ্যে ‘বাস্তবিক’ পার্থক্য বুঝতে আমি ব্যর্থ হয়েছি। সরকার একগুঁয়ে, জনগণ এজন্য তার হামবড়া ভাবকে দায়ী করে।
বিশদ

08th  August, 2022
সোনিয়া গান্ধী কি গ্রেপ্তার হবেন?
হিমাংশু সিংহ

পরতে পরতে নাটক দেখছে দেশের জনগণ। যার স্ক্রিপ্ট রচিত হয়েছে সাততারা দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গের ঝাঁ চকচকে অফিসের কনফারেন্স রুমে। তারই প্রতিফলন আজ দিল্লির রাজপথ থেকে রাজ্যে রাজ্যে অলিগলি তস্য গলিতে। মঞ্চস্থ নাটকের নাম ‘বিরোধী ধরো জেল ভরো’। বিশদ

07th  August, 2022
ভয় থেকেই কি সিআইডি তদন্তে বাধা
তন্ময় মল্লিক

‘এমন সুযোগ আর আসবে না কোনো দিন/ বাছবাছাই না করে হাতের কাছে যা পাস/ তাই দিয়ে পোঁটলাপুঁটলি বেঁধে নে হুট করে।/ বেরিয়ে পড়,/দেরি করলেই পস্তাতে হবে/’ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের ‘উদ্বাস্তু’ কবিতার ভূষণ পাল এভাবেই গোটা পরিবারটাকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। বিশদ

06th  August, 2022
মাননীয় অর্থমন্ত্রী, মূল্যবৃদ্ধি কাকে বলে?
সমৃদ্ধ দত্ত

মূল্যবৃদ্ধিকে ঠিক কেমন দেখতে? জিডিপির মতো? পেট্রল ডিজেলের দামের মতো? ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের মতো? ডলার ও টাকার বিনিময় মূল্যের মতো? আমদানি রপ্তানি শুল্কের কঠিন অঙ্কের মতো? রেপো রেটের মতো? কেমন হয় মূল্যবৃদ্ধি? সরকার কী বলে আমাদের? বিশদ

05th  August, 2022
বিজেপি কি ধোয়া তুলসী পাতা!
মৃণালকান্তি দাস

গত বছর কর্ণাটকের স্টেট কন্ট্রাক্টর অ্যাসোসিয়েশন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল। চিঠিতে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, বেঙ্গালুরুতে যে কোনও নির্মাণকাজ শুরু করতে গেলে আগে টেন্ডারের মূল্যের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দিতে হয়, এর সঙ্গে যুক্ত হয় বিল ক্লিয়ার করার জন্য উপরি ৫ শতাংশ।
বিশদ

04th  August, 2022
এই দুর্দিনে সোনার
ছেলেমেয়েরাই প্রেরণা

হারাধন চৌধুরী

বরং আমাদের প্রেরণা হয়ে উঠুন মীরাবাঈ চানু, জেরেমি লালরিনুঙ্গা, অচিন্ত্য শিউলিরা। তাঁরাই প্রকৃত সোনার মেয়ে ও সোনার ছেলে। আলোচনা চলুক কমনওয়েলথ গেমসে, আন্তর্জাতিক পরিসরে তাঁদের উজ্জ্বল উপস্থিতি নিয়ে। রাজনীতিকরা রোজই কোনও-না-কোনওভাবে আমাদের আশাহত করছেন, মুখ কালো করে দিচ্ছেন। সেই কালো মুখে এইটুকু আশার আলোর মূল্য মোটেই ন্যূন নয়।‌
বিশদ

03rd  August, 2022
একনজরে
টিভিতে অনুষ্ঠান চলাকালীন পুতিনের ইউক্রেন আক্রমণের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন সাংবাদিক মারিনা অবসিয়ানিকোভা। এমনকী অনুষ্ঠানের মাঝে ‘যুদ্ধ নয়’ পোস্টারও তুলে ধরেছিলেন তিনি। তা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। এবার ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে অক্টোবর পর্যন্ত তাঁকে গৃহবন্দি করার নির্দেশ দিল আদালত। ...

পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে (পিওকে) ‘আজাদ কাশ্মীর’ উল্লেখ করে বিতর্কে জড়ালেন কেরলের শাসক দলের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী কে টি জলিল। একটি ফেসবুকে পোস্টে তিনি লেখেন, কাশ্মীরের যে অংশ পাকিস্তানের দখলে রয়েছে, তা একটা স্বাধীন অঞ্চল। ...

কালনার বাঘনাপাড়ায় শারীরিক অসুস্থতার কারণে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। মৃতের নাম শুভেন্দু রায়(৩৪)। শুক্রবার কালনা হাসপাতালে মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়। ...

শিশু সুরক্ষা নিয়ে মালদহ জেলা প্রশাসন ও পুলিসের সঙ্গে বৈঠক করলেন জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের পদাধিকারী। শুক্রবার মালদহ জেলা প্রশাসনিক ভবনে ওই বৈঠক হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পরিবারে অশান্তির জেরে মানসিক অস্থিরতা। কর্মপ্রার্থীরা কোনও শুভ খবর পেতে পারেন। ব্যবসায় শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বাঁ-হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৬৭: শব্দকোষপ্রণেতা উইলিয়াম আলেকজান্ডার ক্রেইগির জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৮৯: উইলিয়াম গ্রে কয়েন টেলিফোন প্যাটেন্ট করেন
১৮৯৯: ইংরেজ চিত্র পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬২: অভিনেত্রী অনিতা রাজের জন্ম
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৬৪: ব্রিটেনে সর্বশেষ ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৭৭: নাট্যসম্রাজ্ঞী মলিনা দেবীর মৃত্যু
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০০০: পাকিস্তানি গায়ক ও গীতিকার তথা ‘ডিস্কোনাজিয়া হাসানের মৃত্যু
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৭.৮৪ টাকা ৮১.৩৭ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৮০ টাকা ৯৯.৪১ টাকা
ইউরো ৮০.২১ টাকা ৮৪.১০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,১০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,১৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৮,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৮,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ, ১৪২৯, শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২। দ্বিতীয়া ৪৯/৫ রাত্রি ১২/৫৪। শতভিষা নক্ষত্র ৪৫/৩০ রাত্রি ১১/২৮। সূর্যোদয় ৫/১৫/১৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/৫০। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ গতে ১০/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে ৩/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৩/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/১৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৩০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি। 
২৭ শ্রাবণ, ১৪২৯, শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২। প্রতিপদ প্রাতঃ ৫/৩০ পরে দ্বিতীয়া রাত্রি ৩/৩৮। শতভিষা নক্ষত্র রাত্রি ৩/০। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১২/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৮ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৪৮ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫২ মধ্যে ও ১/১৯ গতে ২/৫৬ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৩ মধ্যে ও ৩/৫২ গতে ৫/১৬ মধ্যে। 
১৪ মহরম।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ময়নাগুড়িতে চিতাবাঘের আতঙ্ক
চিতাবাঘের আতঙ্কে কাবু গোটা একটা গ্রাম। আজ সকাল থেকেই চিতাবাঘের ...বিশদ

03:23:56 PM

ময়নাগুড়িতে টোটো দৌরাত্ম্য রুখতে পদক্ষেপ পুলিসের
ময়নাগুড়ি শহরের টোটো দৌরাত্ম্য রুখতে ট্রাফিক পুলিসের কড়া পদক্ষেপ। ট্রাফিক ...বিশদ

02:39:00 PM

কালনায় মহিষমর্দিনী ভাণ্ডারায় প্রসাদ বিতরণ

02:36:00 PM

ফের করোনা আক্রান্ত সোনিয়া গান্ধী
আরও একবার করোনা আক্রান্ত হলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। আজ, ...বিশদ

01:59:01 PM

কয়েক ঘণ্টায় ছিনতাইয়ের ঘটনার সমাধান করল পুলিস
গতকাল, সন্ধ্যায় জয়পুর থানায় একটি ছিনতাইয়ের ঘটনার অভিযোগ করেন কলকাতার ...বিশদ

01:21:07 PM

অণ্ডালে আগ্নেয়াস্ত্র মাথায় ঠেকিয়ে ডাকাতি
এক অবসরপ্রাপ্ত ইসিএল কর্মীর বাড়িতে ডাকাতি করে পালাল সশস্ত্র ডাকাতদল।  ...বিশদ

01:02:41 PM