Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দুঃসময়ের রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী

একতারা হাতে এক বাউল এলেন। কোনও অনুরোধ ছাড়াই একটি প্রচলিত গান গেয়ে হাত পাতলেন। কিছু দেব কি দেব না ইতস্তত করছি। লোকটি আমার মন পড়ে নিলেন নিশ্চয়। কিছু দাবি করার পরিবর্তে প্রশ্ন রাখলেন, ‘বাবু, দুঃসময় কাকে বলে?’ জুতসই উত্তর আমার কাছে নেই বুঝে শূন্যস্থান পূরণের কায়দায় বললেন, ‘মানুষ যে-সময় মানুষকে বিশ্বাস করতে ভয় পায়!’ আমার প্রতিক্রিয়া জানার জন্য অপেক্ষা করলেন না। একতারায় ধুন তুলে বাউল তাঁর পথেই এগিয়ে গেলেন। আমার দিকে পিছন ফিরলেন না। অনেক বাউলের সঙ্গে দেখা হয়েছে এর আগে পরে। কিন্তু নাম না-জানা এই বাউলের সঙ্গে দেখা হয়নি আর কখনও। 
দু-দশক বাদে তাঁর মুখটাই বেশি মনে পড়ছে। সৌজন্যে নরেন্দ্র মোদি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ১৯ নভেম্বর, শুক্রবার জাতির উদ্দেশে এক ভাষণে স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে বড় ঘোষণাটি করলেন, ‘আমরা কৃষি আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি!’ নিজের কানকেও বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল হয়তো কৃষকদের। গুরুনানক জয়ন্তীতে ‘স্ট্রংম্যান’ মোদি শুধু ভাঙলেন 
না, সারা পৃথিবী দেখল তিনি মচকালেনও, নজিরবিহীনভাবে, ‘দেশের কাছে ক্ষমা চাইছি। আন্তরিকভাবে এবং পবিত্র মন নিয়ে বলছি, আমাদের তপস্যায় অবশ্যই কিছু ভুল ছিল। তাই প্রদীপের আলোর মতো সত্য সব কৃষকভাইদের বোঝাতে পারিনি।’
শাসক, বিরোধী সব রাজনৈতিক দল প্রধানমন্ত্রীর এই অপ্রত্যাশিত ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে। মোদির এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছে আন্তর্জাতিক মহলও। প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই আপত্তিকর কৃষি আইন তিনটি সরকার প্রত্যাহার করে নেবে। অতএব তাঁর আর্জি, ‘প্রতিবাদী কৃষকভাইরা এবার তাঁদের গ্রামে এবং পরিবারের কাছে ফিরে যান।’ প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, ‘আসুন, এক নতুনের সূচনা হোক।’
কিন্তু, কৃষকরা এখনই ঘরে ফিরে যেতে রাজি নন। তাঁরা বলছেন, রাস্তাটা থাকার জায়গা নয়, থাকার জায়গা বাড়িই। তবু তাঁরা বাড়ি ফিরবেন না, আইনগুলি খাতাকলেম বাতিল হওয়ার আগে। ওইসঙ্গে আছে আনুষঙ্গিক কিছু দাবিও। পূরণ হওয়া চাই সব, রাস্তা ছেড়ে যাওয়ার আগেই। কেন? দেশের কৃষকরা দেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বাস করতে ভয় পাচ্ছেন। কেন? আচ্ছে দিন-এর উদ্গাতা গোড়া থেকেই কৃষকদের সঙ্গে ছলচাতুরি করেছেন। কোভিড পরিস্থিতির মধ্যগগনে কৃষি সংস্কারের এই ধুয়ো তোলা হয়। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে দিয়ে ঘোষণা করা হয়, কোভিডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আর্থিক বুনিয়াদ আরও মজবুত করা জরুরি। আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের অংশ হিসেবেই কৃষি আইন তিনটি আনা হচ্ছে। ২০২০ সালের ৩ জুন মোদি মন্ত্রিসভা আইন তিনটিকে অর্ডিন্যান্স বা অধ্যাদেশ আকারে অনুমোদন করে। আইন তিনটিতে রাষ্ট্রপতি ভবনের সিলমোহর পড়ে দু’দিন বাদে। অধ্যাদেশ থেকে পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত করার উদ্দেশ্যে সে-বছর বর্ষা অধিবেশনেই (সেপ্টেম্বর, ২০২০) তিনটি বিল আনা হয়। সেসব তড়িঘড়ি পাশও করিয়ে নেন মোদি। 
অধ্যাদেশ জারি এবং কৃষি বিল পেশের দিন থেকেই প্রতিবাদের শুরু। আন্দোলনকারীদের এক ও একমাত্র দাবি ছিল, এসব পত্রপাঠ প্রত্যাহার করতে হবে। কোভিড পরিস্থিতির কারণে গোড়ার দিকের প্রতিবাদটা প্রতীকীই ছিল। বিরোধীরা বলেছিল, পার্লামেন্টারি প্যানেল দিয়ে বিল তিনটির সবদিক স্ক্রুটিনি করতে হবে। অন্যদিকে, শাসক দল ও সরকার পরিস্থিতির এবং মহামারীকালে দেশবাসীর অসহায়তার সুযোগ নিতে মরিয়া ছিল। ভেবেছিল, আন্দোলনের জল বেশিদূর গড়াবে না। অতএব কৃষক এবং বিরোধীদের দাবিগুলি জোরের সঙ্গে খারিজ করা হল। আইন তৈরি হল জবরদস্তি। প্রথম দূরদৃষ্টির পরিচয় দিল মোদি মন্ত্রিসভার শরিক অকালি দল—সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাল। হরসিমরত বাদল মন্ত্রিসভা ছাড়লেন। দলটিও এনডিএ ত্যাগ করল! কক্ষে জোরালো প্রতিবাদের পরিণামে রাজ্যসভার হাফ ডজনের বেশি এমপি-কে একসপ্তাহের জন্য সাসপেন্ড করা হল। অতঃপর সারা পৃথিবী দেখল: ভারতের কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার নিষ্ঠা। আন্দোলন কীভাবে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে হয়। ‘দিল্লি চলো’। দিল্লির উপকণ্ঠে (সিংঘু, গাজিপুর) রাজপথে পড়ে থেকে প্রতিবাদ। কনকনে শীত, গ্রীষ্মের দহনজ্বালা, প্রবল বর্ষা একে একে কাবু হল। যে-সরকার চীনা ফৌজের ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে চরমভাবে ব্যর্থ, সেই সরকার প্রতিবাদী কৃষকদের দিল্লিতে প্রবেশ ঠেকিয়ে রাখে সমস্ত প্রকার বল প্রয়োগের দ্বারা। কৃষকদের বুকের উপর দিয়ে লখিমপুর খেরির মতো বীভৎস কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। নানাভাবে সাতশোর বেশি কৃষক আত্মবলিদান দিয়েছেন। তবু তাঁরা গান্ধীর পথই আঁকড়ে থেকেছেন। হাজার প্ররোচনাতেও হিংসাশ্রয়ী হননি। তাঁরা জানতেন, অহিংসা দিয়েই হিংসা ও ছলনাকে জয় করবেন।
১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার ভিতর দিয়ে তারই সূচনা হয়েছে। তবু আন্দোলন এখনই তুলে নেবেন না তাঁরা। কারণ, ভারতের প্রধানন্ত্রীর মুখের কথাও বিশ্বাস করতে ভয় পাচ্ছেন! গত সাতবছরে এই প্রধানমন্ত্রী বার বার প্রমাণ দিয়েছেন, তাঁর মন আর মুখ এক নয়। তাহলে তিলে তিলে গড়া আন্দোলনটিকে তাঁরা ঠান্ডাঘরে পাঠিয়ে দেবেন কোন বিচক্ষণতায়! রাজনীতির নিম্ন শ্রেণির কারবারিদের একাংশের আয়ারাম গয়ারাম প্রবৃত্তিটা ইতিমধ্যেই আমাদের গা-সওয়া হয়ে গিয়েছে। এবার ক্ষমতার উচ্চাসনের সেই চরিত্র প্রকট হওয়ার আশঙ্কা করছে ভারত। কিছু জনপ্রতিনিধি তাঁদের মতলব মতো আজ এ-দল, কাল সে-দল... করে বেড়ান। রদ হওয়া আইনও যদি কোনও একদিন পুনর্বহাল হয়! 
ভয় পাওয়ার আরও কারণ আছে যে। ভারতের স্বাধীনতার সূর্য মহাত্মা গান্ধী। তাঁকেই উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা হত্যা করেছিল স্বাধীনতার ঊষালগ্নে। দেশবাসীর তীব্র ঘৃণা বর্ষিত হয়েছিল হিন্দু মহাসভা এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) প্রতি। এই দেশবাসী ক্ষমাসুন্দরও হয়ে ওঠে একসময়—‘পাপীকে নয়, পাপকে ঘৃণা করো’ দর্শন থেকে। অটলবিহারী বাজপেয়ির মতো এক প্রিয়মুখ সামনে এনে রাষ্ট্রক্ষমতার সর্বোচ্চ আসন অব্দিও পৌঁছে গিয়েছে তারা। অগ্নিমূল্যের আঁচে ভস্ম হয়ে গিয়েছিল এহেন বাজপেয়ির সরকারও। কিন্তু তার ভিতরে উপ্ত ছিল এক ফিনিক্স পাখির ডিম। মনমোহন সিংহের দশবছরে, জারিজুরির উষ্ণতায় সেই ডিমে তা দিয়ে গিয়েছে বিজেপি। তা থেকেই ২০১৪-য় উঠে এসেছিল মোদি সরকার। মোদির প্রতিশ্রুতি ছিল: ইউপিএ সরকারের দুর্নীতির মূল উপড়ে ফেলবেন। সুসমৃদ্ধ আত্মনির্ভর ভারতীয় অর্থনীতির কল্যাণে সবার জীবনে আসবে আচ্ছে দিন। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, উগ্র হিন্দুত্বের যে জুতোয় স্বাধীনতা-পূর্ব যুগে পা গলিয়েছিল, সেখান থেকে বেরতে রাজি নয় তারা।
আজও মোদিবাবুদের পুঁজি রামমন্দিরকে সামনে রেখে ‘রামরাজ্য’প্রতিষ্ঠার ধাপ্পাবাজি। স্বাধীন ভারতে হিন্দু সাম্প্রদায়িকতার প্রথম বলি কোনও মুসলমান, শিখ, খ্রিস্টান বা বৌদ্ধ নয়। একজন হিন্দু, চূড়ান্তরকমে রামভক্ত তিনি। মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। গান্ধীর ঘাতকদের পুজো করতেও শাসকের লাই-পাওয়া লোকদের রুচিতে বাধে না। সেনাদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া কিংবা দেশের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা শত্রুর কাছে ফাঁস করা নিশ্চয় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে এখন দেশদ্রোহিতা বলে গণ্য হয় মোদি-শাহ-যোগীর সমালোচনা কিংবা কৃষক আন্দোলন। শুধু ছাড় পেয়ে যাচ্ছে গান্ধীর ঘাতকদের পূজারিরা। না-হলে জামনগরে, গোয়ালিয়রে তাদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে কী করে? কেন তাদের ফাটকে ভরা হচ্ছে না? রক্তমাংসের কোনও মানুষই সমালোচনার ঊর্ধ্বে নন। গান্ধীকে নিয়ে যেকোনও মানুষের পক্ষে বিপক্ষে মত থাকতে পারে। তাই বলে গান্ধীহত্যাকে সমর্থন! তাঁর ঘাতকদের ভিতরে বীররসের সন্ধান! একটি মতবাদ কতটা দেউলিয়া হলে এটা সম্ভব? এই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। কীসের বলিদান দিবস? ‘বলিদান’ কথাটির সঙ্গে মিশে রয়েছে ‘শ্রদ্ধা’। দেশের শত্রুকে নিধনের কারণে কারও জীবন বলিপ্রদত্ত হলে তা বলা যায়। গান্ধী কি তাহলে দেশের শত্রু ছিলেন! গান্ধীর ঘাতকদের নিয়ে নতুন এই মাতামাতি কি বৃহত্তর কোনও পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়? এর পিছনে রাষ্ট্রের প্রচ্ছন্ন মদত কি নেই? ‘দেশদ্রোহ’-এর সংজ্ঞা কি নতুন করে লেখার চেষ্টায় আছে মোদির ভারত? গডসে, আপ্তে, সাভারকারদের ইতিহাস পুনর্লিখনে প্রয়াসীদের কী করে বিশ্বাস করবেন কৃষকরা, দেশবাসী?
ক্ষমা একবার দু’বার যুক্তিগ্রাহ্য। কিন্তু বার বার নয়। মোদি কোম্পানির হাতযশে এই যে অবিশ্বাসের বাতারণ সমগ্র রাজনীতিকে স্পর্শ করল, একে আপনি দুঃসময় ছাড়া কী বলবেন? মোদির চাতুরির ফাঁদে পড়ে বিরোধী-ঐক্য হাঁসফাঁস করেছে এতকাল। ব্যতিক্রম কৃষক আন্দোলন। বিজেপি-বিরোধী প্রায় সব দল মতের মানুষ স্মরণকালের মধ্যে এতটা এককাট্টা হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের ছবিটাই বিম্বিত হয়েছে। সেদিন কংগ্রেস বাধ্য হয়েছিল বাংলায় মমতার হাত ধরতে। এবারের কৃষক আন্দোলন থেকে কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে, আরজেডি, সপা, অকালি, বাম প্রভৃতি বিরোধীরা কি মোদির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রেরণা নেবে?
24th  November, 2021
চোপ! গণতন্ত্র নয়,
স্বৈরতন্ত্র চলছে
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের দেশের মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন, মোদিজি কীভাবে দিনের পর দিন মুখে গণতন্ত্রের মুখোশ এঁটে একের পর এক স্বৈরতান্ত্রিক কাজের মধ্য দিয়ে দেশটাকে রসাতলে পাঠাচ্ছেন। একটা অস্থির, দুর্বল ভারত গড়ে তুলছেন। ক্রমশ স্লো পয়জনিংয়ের মতো দেশের মধ্যে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন সমস্যা, অভাব, দারিদ্র, হিংসা, ঘৃণা, পাপাচার।
বিশদ

জ্যোতি নিভবে, ইতিহাসের
রং গেরুয়া হবে না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

মোদিজি, ভারতের ঐতিহ্য বা সম্মান এত ঠুনকো নয়, যা ধর্মের নামে দালালি করা কিছু অশিক্ষিতের জন্য ধসে যাবে। এই ভারতকে মহান করেছেন স্বামী বিবেকানন্দ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, এ পি জে আব্দুল কালাম বা এই দেশের মাটিতে জন্ম নেওয়া সৈনিকরা। সেই কৃতিত্ব তাঁদেরই। আপনি, আপনার দল বা সরকার... তাঁদের কৃতিত্ব কেড়ে নিতে পারবেন না। মুছে দিতে পারবেন না ৭০ বছরের ইতিহাসও।
বিশদ

25th  January, 2022
এখনও রাজনৈতিক মূল্য চোকাতে হয়নি
পি চিদম্বরম

ভিন্ন সুরের গানের কণ্ঠ শুনতে পেলে ভালো লাগে। একসময়ের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, ডঃ অরবিন্দ সুব্রামনিয়ান বর্তমানে ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে ওয়াটসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের সিনিয়র ফেলো।
বিশদ

24th  January, 2022
ওমিক্রনের মতোই ছড়াচ্ছে
বঙ্গ বিজেপির বিদ্রোহ
তন্ময় মল্লিক

বিক্ষুব্ধদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নেওয়ায় একের পর এক জেলাকে গ্রাস করছে বিদ্রোহের আগুন। বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতেও শোনা যাচ্ছে বিদ্রোহের সুর। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল। উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন না মেটা পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত বিক্ষুব্ধদের সামনে এনে দিয়েছে ‘ফ্রি হিট’এর সুযোগ। তাই তাঁরা ব্যাট চালাচ্ছেন হাঁকিয়ে। কারণ আউটের ভয় নেই।
বিশদ

22nd  January, 2022
নেতাজি: বহু অসম্মান
জয় করা এক মহাপ্রাণ
সমৃদ্ধ দত্ত

বন্দেমাতরমকে কি কংগ্রেসের অধিবেশনে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করা উচিত হবে? ১৯৩৭ সালে এই বিতর্ক তুঙ্গে উঠল। কারণ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলিম নেতা কর্মী সদস্যরা আপত্তি তুললেন যে, এখানে সরাসরি মা দুর্গার সঙ্গে দেশমাতৃকাকে তুলনা করা হয়েছে। বিশদ

21st  January, 2022
কাশ্মীর দখলের নতুন চক্রান্ত!
মৃণালকান্তি দাস

জম্মুতে জয়ধ্বনি। কাশ্মীর থমথমে। দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রবল প্রকোপে যখন ভারতীয় উপমহাদেশীয় ভূখণ্ড ভেঙে দু’টুকরো হচ্ছিল, সেই সময় ‘দুই জাতি’র কাল্পনিক দ্বন্দ্বের জাঁতাকলের মাঝখানে পড়ে গিয়েছিল যে কয়েকটি অঞ্চল, তার মধ্যে কাশ্মীরের পরিস্থিতিই ছিল সবচেয়ে জটিল।
বিশদ

20th  January, 2022
মেরুদণ্ড বাঁচাবার লড়াই
হারাধন চৌধুরী 

অর্থনীতি ধুঁকছে। তির গতি নিয়েছে দারিদ্র। আর যেসব ক্ষতির পরিমাপ টাকার অঙ্কে অসম্ভব, সেটাই হয়তো সবচেয়ে বড়। ... শিক্ষা যদি মেরুদণ্ড হয়ে থাকে, তবে আমাদের আজকের সমস্যা ও লড়াইটা মেরুদণ্ড বাঁচাবার।  
বিশদ

19th  January, 2022
বিজেপির খিচুড়ি রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘটনাটা লকডাউন শুরুর ঠিক পরের। ২০২০ সালের এপ্রিলের ১০ তারিখ। উত্তরপ্রদেশের কুশীনগরের এক কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। রান্নার লোক আসেনি বলে গ্রামপ্রধান লীলাবতী দেবী নিজেই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছিলেন। ভেবেছিলেন, জনা পাঁচেকের রান্না... একাই সামলে দিতে পারব। বিশদ

18th  January, 2022
ভারতীয় অর্থনীতি নিয়ে বৃথা অহঙ্কার
পি চিদম্বরম

মানুষের কথাবার্তায় আলোচনায় অবশ্য জিডিপির চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে গ্যাস, ডিজেল ও পেট্রলের দাম। বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। সিএমআইই-র হিসেবে, শহুরে বেকারত্বের হার ৮.৫১ শতাংশ এবং গ্রামীণ বেকারত্বের হার ৬.৭৪ শতাংশ। তবে বাস্তবটা আরও ভয়াবহ! বিশদ

17th  January, 2022
উত্তরপ্রদেশ মোদির
ওয়াটারলু হবে না তো!
হিমাংশু সিংহ

গত এপ্রিলে যখন কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে মিরাট থেকে শাহাজাহানপুর, অযোধ্যা থেকে বারাণসী, তখন এক যুবক ক্রমাগত ছুটছেন উত্তরপ্রদেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত। দলিত আর পিছড়ে বর্গের মানুষের ঘরে ঘরে। কোনওকিছুতেই যেন ভ্রুক্ষেপ নেই তাঁর। বয়স ৪৮।
বিশদ

16th  January, 2022
বিজেপির গেম প্ল্যানে জল
ঢেলে দিল সুপ্রিম কোর্ট
তন্ময় মল্লিক

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা এবং কার গাফিলতিতে ফিরোজপুরের ঘটনা তার যথাযথ তদন্ত চায় সুপ্রিম কোর্ট। দেশের মানুষের সামনে সত্যিটা তুলে ধরতে চায়। তাই গঠন করেছে তদন্ত কমিটি। এই কমিটি যেমন বিজেপির তোলা প্রধানমন্ত্রীকে খুনের চক্রান্তের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে, তেমনি তদন্তের আতসকাচের নীচে যাচাই হবে এসপিজির সেদিনের ভূমিকাও। সুপ্রিম কোর্ট বুঝিয়ে দিল, তদন্তের অজুহাতে রাজনীতি আর চলবে না।
বিশদ

15th  January, 2022
সার্বিক টিকাকরণ ও কোভিড
স্বাস্থ্যবিধিতেই বাগ মানবে ওমিক্রন
মৃন্ময় চন্দ

গোটা পৃথিবীর রাতের ঘুম কেড়েছে ওমিক্রন। সংক্রমণ লাগামছাড়া, ডেল্টার তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি। মানবশরীরে ডেল্টার তুলনায় পাঁচগুণ দ্রুতগতিতে বংশবিস্তার শুরু করে ওমিক্রন। ওমিক্রনের ‘আরনট’ বর্তমানে ১০-এর (ল্যানসেট রেসপিরেটরি মেডিসিন, ১৭ ডিসেম্বর ২০২১) বেশি। হাম বা মিজলস-এর মতোই ছোঁয়াচে ওমিক্রন। বিশদ

15th  January, 2022
একনজরে
সাংবাদিকের প্রশ্ন শুনে মেজাজ হারালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বিড়বিড় করে অশ্লীল ভাষাও বলতে শোনা গিয়েছে তাঁকে। ঘটনাটি সোমবারের। হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে একটি বৈঠক চলছিল। বৈঠক শেষে সাংবাদিকরা কক্ষ ছাড়ছিলেন। ...

মঙ্গলকোটের লাখুরিয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাস খুনে ধৃত শ্যুটার আজিজুল শেখকে নিজেদের হেফাজতে নিল সিআইডি। ...

তাঁর সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর সাপে-নেউলে সম্পর্ক। যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশেই তাঁর চাকরি গিয়েছিল। বিতর্কিত সেই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ কাফিল খান এবার যোগীর বিরুদ্ধে গোরক্ষপুর থেকে ভোটে দাঁড়ানোর জল্পনা উস্কে দিলেন। ...

নিরাপত্তায় জোর দিতে নালাগোলা রাজ্য সড়কের হবিবপুর ব্লকের আইহো সদরে পুলিসবুথ তৈরি করা হচ্ছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আর্থিক বিবাদে আইনি বিজয় এবং আটকে থাকা অর্থ প্রাপ্তি। পরিবারের কোনও সদস্যের অনৈতিক কর্মে গৃহে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

সাধারণতন্ত্র দিবস
১৮৪১: আনুষ্ঠানিকভাবে হংকং দখল করল ব্রিটিশরা
১৯৩০: পরাধীন ভারতে এই দিনটিকে ‘পূর্ণ স্বরাজ দিবস’ বা ‘স্বাধীনতা দিবস’ হিসাবে ঘোষণা করল জাতীয় কংগ্রেস
১৯৫০: লাগু হল ভারতের সংবিধান। রাষ্ট্রপতি পদে রাজেন্দ্র প্রসাদ দায়িত্ব গ্রহণ করে সূচনা করলেন গণতন্ত্রের।
১৯৫৪: রাজনীতিবিদ মানবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যু
১৯৬৫- হিন্দিকে সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিল কেন্দ্র
১৯৬৯ - বাঙালি ধর্মসংস্কারক অনুকূলচন্দ্র ঠাকুরের মৃত্যু
১৯৯২: পরমাণু অস্ত্রের মাধ্যমে আমেরিকার বিভিন্ন শহরকে নিশানা করা থেকে রাশিয়া বিরত হবে বলে জানালেন বরিস ইয়েলৎসেন
২০০১: গুজরাতের ভুজে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হল প্রায় ২০ হাজার মানুষের
২০০৪: আফগানিস্তানের নয়া সংবিধানে স্বাক্ষর করলেন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই
২০১৮ - অভিনেত্রী সুপ্রিয়া দেবীর মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৯১ টাকা ৭৬.২০ টাকা
পাউন্ড ৯৮.১৬ টাকা ১০২.৮৯ টাকা
ইউরো ৮২.৪১ টাকা ৮৬.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৪০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৫৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৪,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৪,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ মাঘ, ১৪২৮, বুধবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২২। অষ্টমী ০/১০ প্রাতঃ ৬/২৬ পরে নবমী ৫৫/৩২ রাত্রি ৪/৩৫। স্বাতী নক্ষত্র ৯/২২ দিবা ১০/৬। সূর্যোদয় ৬/২১/৪৭, সূর্যাস্ত ৫/১৬/৩৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/০ গতে ১১/২৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৯ গতে ৮/৪৬ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৩৮ গতে ৩/৫ মধ্যে। রাত্রি ৮/৪৬ গতে ১০/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ১/১০ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/৬ গতে ৪/৪৪ মধ্যে।
১২ মাঘ, ১৪২৮, বুধবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২২। নবমী রাত্রি ১২/৫৮। স্বাতী নক্ষত্র দিবা ৭/১৮ পরে বিশাখা নক্ষত্র শেষরাত্রি ৫/৫৬। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১০/০ গতে ১১/২৯ মধ্যে ও ৩/১০ গতে ৪/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৫ গতে ৮/৫০ মধ্যে ও ২/০ গতে ৬/২৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪২ গতে ৩/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৫০ গতে ১০/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৯/৮ গতে ১০/২৯ মধ্যে ও ১১/৫০ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/৮ গতে ৪/৪৬ মধ্যে। 
২২ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শুভেচ্ছা ও ছুটি
আজ, বুধবার ২৬ জানুয়ারি দেশের ৭৩তম সাধারণতন্ত্র দিবস। এই ঐতিহাসিক ...বিশদ

04:00:00 AM

পদ্মভূষণ ফেরাচ্ছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যও
গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ও তবলিয়া অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের পর রাজ্যের প্রাক্তন ...বিশদ

25-01-2022 - 09:30:00 PM

এবার পদ্মশ্রী ফিরিয়ে দিলেন তবলিয়া অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়
গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের পর এবার আরও এক শিল্পী। এবার পদ্মশ্রী ...বিশদ

25-01-2022 - 09:09:43 PM

পদ্মশ্রী পুরস্কার ফেরালেন গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়
কেন্দ্রীয় সরকারের পদ্মশ্রী সম্মান ফিরিয়ে দিলেন প্রবীণ সঙ্গীতশিল্পী গীতশ্রী সন্ধ্যা ...বিশদ

25-01-2022 - 07:49:15 PM

কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরপিএন সিং

25-01-2022 - 03:59:00 PM

দুর্ঘটনার কবলে জাকির হোসেনের কনভয়ের পাইলট গাড়ি
দুর্ঘটনার কবলে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেনের ...বিশদ

25-01-2022 - 03:35:12 PM