Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এই সামগ্রিক ব্যর্থতার দায় কার?
সমৃদ্ধ দত্ত

ধরা যাক ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নাম ড. মনমোহন সিং। এরকম সময় কাশ্মীরে হিংসার আগুনে জ্বলছে। বিগত বছরগুলিতে কখনও উরিতে সেনাবাহিনীর ছাউনিতে সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় ১৯ জন সেনা জওয়ান শহিদ হয়েছেন, কখনও পুলওয়ামায় একজন মাত্র তরুণ একটি লাল মারুতি চেপে এসে আধা সামরিক বাহিনীর কনভয়ে হামলা চালিয়ে ৪২ জন আধা সেনা জওয়ানকে হত্যা করেছে। আর এখন ২০২১ সালে নিয়ম করে প্রায় প্রতিদিন কাশ্মীরে নিত্যনতুন আক্রমণের শিকার হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন একের পর এক ভারতীয় নাগরিক। কেউ কাশ্মীরের বাসিন্দা। কেউ আবার কাশ্মীরে গিয়ে বসবাস করছিলেন জীবিকার জন্য। সাধারণ স্ট্রিট ভেন্ডার অথবা নিরীহ দোকানি। ঘটনাচক্রে বেছে বেছে হিন্দু অথবা শিখ সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষকেই টার্গেট করা হচ্ছে। কখনও সখনও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও নিহত হয়েছেন। সোজা কথায় সন্ত্রাসবাদীরা যে বার্তা দিতে চাইছে, সেটি হল কাশ্মীর অশান্ত। এবং নিরাপদ নয়। পরিস্থিতি এমনই যে, কাশ্মীরের হিন্দু ও শিখ সম্প্রদায়ের সরকারি কর্মীরা গণছুটির দরখাস্ত করেছেন।  তাঁরা কর্মস্থলে যেতে ভয় পাচ্ছেন। বাড়ি থেকে বেরতে আতঙ্ক। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নাম ড. মনমোহন সিং হলে, এই অবস্থায় কী করতেন ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্ব কিংবা দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিজেপি সমর্থক এবং সংঘ পরিবার? কার কাছে জবাবদিহি চাইতেন? কে হতেন সবথেকে বেশি সমালোচনার টার্গেট? আজ কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। প্রশাসনিক, আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের।  ৩৭০ নং অনুচ্ছেদ অবলুপ্তির পর তো আমাদের বলা হয়েছিল কাশ্মীরের সুদিন এসে গেল! ভারতের যে কোনও নাগরিক নাকি এখন কাশ্মীরে জমি কিনতে পারবেন! সেখানে যে কেউ গিয়ে থাকতে পারবেন। বহু মানুষ সেই স্বপ্নপূরণে বিভোর হয়েছিলেন এবং জয়ধ্বনি দিয়েছিলেন। আজ তাহলে এই অবস্থা কেন? ভারতীয় জনতা পার্টির সমর্থক কিংবা দলের নেতানেত্রীরা এখন কী করছেন? কাকে দায়ী করছেন? ড. মনমোহন সিং অথবা অবিজেপি যে কোনও প্রধানমন্ত্রী অথবা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হলে ভারতীয় জনতা পার্টির আজ ভূমিকাটি ঠিক কেমন হতো? আর প্রকৃতপক্ষে আজ তাদের ভূমিকা কী? তাঁরা ঠিক কী মনে করেন? কাশ্মীরের সমস্যা সমাধান, কাশ্মীরি পণ্ডিত, হিন্দু, শিখ অথবা কাশ্মীর এবং বহিরাগত ভারতীয় নাগরিককে রক্ষা করার দায়িত্ব ২০২১ সালে কার? সোনিয়া গান্ধীর? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের? মনমোহন সিং-এর? দিল্লির মসনদে কে বসে আছেন? 
ধরা যাক, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নাম রাহুল গান্ধী। সেই সময় পূর্ব লাদাখের বিস্তীর্ণ এলাকায় চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি ঢুকে পড়ল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর একঝাঁক জওয়ান জীবন বিপন্ন করে এবং আত্মবলিদান দিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের একাংশকে তাড়িয়ে দিলেন। কিন্তু সেই ঘটনার পর এক বছর ধরে মোট ১৩ বার ভারত ও চীনের সেনাবাহিনী স্তরের বৈঠক সত্ত্বেও চীন নিজেদের সেনাবাহিনীকে প্রত্যাহার করে নিতে নারাজ হল। বৈঠক ব্যর্থ । লাদাখে চীনের সেনাবাহিনী ভারতের নাকের ডগায় বসে রইল। এবং চীন কখনও অরুণাচল প্রদেশ, কখনও উত্তরাখণ্ডে এসে ভারতকে চোখ রাঙিয়ে যাচ্ছে। বৈঠকে সেনা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে না চীন স্পষ্ট দাদাগিরি দেখিয়ে। আজ ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্ব ঠিক কী করতেন যদি প্রধানমন্ত্রীর নাম হতো রাহুল গান্ধী? আর আজ সেই ভারতীয় জনতা পার্টির  চীনের এই আচরণ নিয়ে ভূমিকা কী? আজ তারা নীরব কেন? ১৯৬২ সালে চীনের সঙ্গে  জওহরলাল নেহরু যুদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু বসে বসে অপমানিত হওয়ার তুলনায় যুদ্ধ করা কি অন্তত কিছুটা সম্মানের নয়? আজ চীন যখন তখন ভারতকে হুমকি হুঁশিয়ারি দেয় কেন? যখন ইচ্ছে করছে ঢুকে পড়ছে কেন? তাহলে কি চীন বুঝে গিয়েছে যে, ভারত কোনওদিনই আমাদের পাল্টা জবাব দিতে পারবে না? গত বছর ভারত সরকার চীনের বহু পণ্য বয়কট করেছিল। আজ এক বছর পর খোঁজ নিয়ে দেখা যাক সেই বয়কট কতটা অব্যাহত আছে। আর এই এক বছরে ভারতের আত্মনির্ভরতার কতটাই বা অগ্রসর হয়েছে? সরকার একটি শ্বেতপত্র পেশ করুক যে, এবার থেকে কোন কোন পণ্য আমরা আর কোনওদিন চীন থেকে আমদানি করব না। কোন কোন পণ্য গত এক বছর ধরে সম্পূর্ণ মেড ইন ইন্ডিয়ারই ব্যবহার করা হচ্ছে, যা আগে চীনের উপর নির্ভরশীল ছিল? সেটা জানতে পারলে আমাদের গর্ব হবে! 
ধরা যাক, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরকম সময় পেট্রলের দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। ডিজেলের দাম ১০০ টাকা ছুঁয়ে ফেলবে শীঘ্রই। নিত্যব্যবহার্য খাদ্যপণ্যের দাম আকাশ স্পর্শ করেছে। সরকারি চাকরির সংস্থান ক্রমেই কমছে। সরকার রীতিমতো চৈত্র সেল, ফেস্টিভ্যাল অফার অথবা অ্যামাজন ডিসকাউন্ট উইকের মতো করে সরকারি সংস্থা, ব্যাঙ্ক, বিমা, বিমান বিক্রির পসরা সাজিয়ে বসেছে। সরকারি কর্তা জোর গলায় বলছেন, সরকারের হাতে গুটিকয়েক ব্যাঙ্ক থাকবে। সবই বিক্রি করা হবে। সরকারের হাতে কিছুই থাকবে না। সরকার কোনও সংস্থা পরিচালনা করবে না। সরকার ব্যাঙ্কের দায়িত্ব নেবে না। সেনাবাহিনীর অস্ত্র, সামরিক যন্ত্রাংশ, উপকরণ এসব এবার থেকে যে কোনও বেসরকারি কোম্পানিই উৎপাদন করতে পারবে। মহাকাশ বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিকে সরকার বেসরকারি হাতে দিয়ে দেবে। সরকারি চাকরির সুযোগ ক্রমেই কমছে। আমাদের জানতে ইচ্ছা করছে, তাহলে ভারত সরকার নামক একটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠান আগামী দিনে ঠিক কী করবে? তাদের কী কী কাজ বাকি রইল? ব্যাঙ্কের সুদের হার তলানিতে এসে ঠেকেছে। সরকারকে মানুষ বছর বছর ট্যাক্স দেবে, ভোট দেবে এবং সব কথায় সায় দেবে। কিন্তু বিনিময়ে ভাঙা রাস্তা পাবে, ট্রেনের ওয়েটিং লিস্ট পাবে, ওলা উবের অটোর যথেচ্ছাচার পাবে, ওষুধের আকাল পাবে, মেডিক্লেমের লুটপাট পাবে, কর্পোরেটের সর্ষের তেলের দামের ছ্যাঁকা পাবে, রাজনীতিবিদদের শূন্যগর্ভ লেকচার পাবে। অর্থনীতির মন্দা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, একটি সাধারণ পরিবারও বলতে পারবে না, তাদের আয় অথবা সঞ্চয় বেড়েছে। এরকম একটি অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বিরোধী দলের কেউ প্রধানমন্ত্রী হলে, ভারতীয় জনতা পার্টির সমর্থক ও নেতৃত্ব কী করতেন? তাদের আক্রমণের লক্ষ্য কে হতেন? 
কাশ্মীর আবার এক নতুন অগ্নিবলয়ের মধ্যে প্রবেশ করেছে। চীন চতুর্দিক থেকে ভারতকে চাপ দিচ্ছে। নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ইতিমধ্যেই চীনের অর্থনৈতিক উপনিবেশে পরিণত। এই রাষ্ট্রগুলিতে চীনের প্রভাব অপরিসীম। অর্থনীতি কিছুতেই ঘুরে দাঁড়ানোর পন্থা খুঁজে পাচ্ছে না। জিনিসপত্র অগ্নিমূল্য। রান্নার গ্যাস আকাশছোঁয়া। ব্যাঙ্ক ডাকঘরের সুদ কম। বেকারত্ব এবং অনাহারে ভারত অন্য রাষ্ট্রকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। ব্যাঙ্ক, ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্প, আয়কর, সরকারি স্কিম অথবা নতুন কাজের সুযোগ—সাধারণ নাগরিক প্রত্যক্ষভাবে কোনও সহায়তাই সরকারের থেকে পাচ্ছে না।  মাঝখানে রুল টানা একটি সাদা পৃষ্ঠার একদিকে এই ফ্যাক্টরগুলিকে লিখে অন্য পাশে লিখুন— সফল ও ব্যর্থ! কোনটায় টিক দেবেন? প্রধানমন্ত্রীর নাম যাই হোক। কাল্পনিকভাবেও যদি ধরে নেওয়া যেত যে, এরকম ফ্যাক্টরগুলি  একটি দেশে উপস্থিত হয়েছে, তাহলে সেই সরকারকে সাধারণভাবে সফল বলা হবে? নাকি ব্যর্থ? আর এসব তো কল্পনা নয়, সবটাই বাস্তব। আমরা তো ২০২১ সালে বসে আছি! ১৯৬২ সালেও নয়, আবার ২০১০ সালেও নয় যে, পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু কিংবা ড. মনমোহন সিংকে দোষ দেব! তাই না? 
22nd  October, 2021
তথ্য সুরক্ষা বিল এবং
শাসকের ‘দূরের লক্ষ্য’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এ দেশের ক্ষেত্রে যদি নজরদারি চালানোটা আইনসিদ্ধ হয়ে যায়, তাহলে তো আর আড়াল-আবডালের প্রয়োজনই থাকবে না। সেটাই চাইছে কেন্দ্র। আইনি সিলমোহর। সরকার বিরোধী মতামত দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে সরকারের ভাড়া করা সৈন্যরা। টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাবে গারদের ওপারে।​​​​​
বিশদ

প্রভাবশালী ধনীরা
জবাবদিহির ঊর্ধ্বে
পি চিদম্বরম

ধনীরা প্রভাবশালী হয় এবং প্রভাবশালীরা ধনী হয়। একবার প্রভাবশালী এবং ধনী হয়ে গেলে, স্পষ্টতই তারা জবাবদিহির ঊর্ধ্বে চলে যাবে। এটাই হয়েছে আজেকর বিপদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জন শেরম্যান (প্রথম অ্যান্টিট্রাস্ট অ্যাক্ট, ১৮৯০—সাধারণভাবে যেটিকে শেরম্যান আইন হিসাবে উল্লেখ করা হয়) বিশদ

29th  November, 2021
কংগ্রেসের বিকল্প তৃণমূল
হলে আপত্তি কোথায়?
হিমাংশু সিংহ

গোটা দেশে ঝিমিয়ে পড়া বিরোধীদের শুকনো গাঙে তিনি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বিপ্লবের নয়া কেতন উড়িয়ে দিয়েছেন। ত্রিপুরা থেকে গোয়া। জাতীয় রাজনীতির মঞ্চেও মমতাই আজ মোদির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রতিপক্ষ।
বিশদ

28th  November, 2021
পুরভোটের সন্ত্রাসে বিপদ
বাড়ল ত্রিপুরা বিজেপির
তন্ময় মল্লিক

ত্রিপুরায় তৃণমূলকে শূন্য প্রমাণের জন্য পুরভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাস করে বিজেপি নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারল। ২০২৩ সালে আর ইউনিট টেস্ট নয়, বিপ্লব দেবকে বসতে হবে বোর্ডের পরীক্ষায়। পরীক্ষকের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

27th  November, 2021
কৃষকরা সকলের জন্যই
দিলেন জীবনের শিক্ষা
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদির বিরোধীদের কাছে একটাই সুসংবাদ যে, তিনি ইতিহাস চর্চা করেন না। যদি করতেন, তাহলে বহু পদক্ষেপ নেওয়ার আগে একবার ভারতের ইতিহাসের দিকে চোখ রাখতেন। খুব বেশি পরিশ্রমও করতে হতো না। কারণ তাঁর হাতের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে। তাঁর নিজের রাজ্যে।
বিশদ

26th  November, 2021
মোদির পিছু হটা কীসের ইঙ্গিত!
মৃণালকান্তি দাস

কে না জানে, একটি শাসকদল পিছু হটে তখনই, যখন সে বুঝতে পারে তার পায়ের তলার মাটি সরছে। পায়ের তলার মাটি একবার সরতে শুরু করলে কী হয় তা বাংলার মানুষ জানেন। সিঙ্গুরেও পিছু হটে নজির গড়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বুদ্ধবাবু ডুবেছিলেন, সিঙ্গুরের মানুষের মতামত না নিয়েই জোরজবরদস্তি জমি অধিগ্রহণ করে। মোদির ক্ষেত্রেও তাই। দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা ছাড়া কৃষিতে সংস্কারমূলক তিনটি আইন আনতে গিয়ে তিনিও ডুবেছেন।
বিশদ

25th  November, 2021
দুঃসময়ের রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী

একতারা হাতে এক বাউল এলেন। কোনও অনুরোধ ছাড়াই একটি প্রচলিত গান গেয়ে হাত পাতলেন। কিছু দেব কি দেব না ইতস্তত করছি। লোকটি আমার মন পড়ে নিলেন নিশ্চয়। কিছু দাবি করার পরিবর্তে প্রশ্ন রাখলেন, ‘বাবু, দুঃসময় কাকে বলে?’ বিশদ

24th  November, 2021
জনতার দাবি মানুন,
প্রায়শ্চিত্ত করুন
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তিনি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের নামে কুৎসা করেছেন... তাও তিনি রাষ্ট্রদ্রোহী নন। কারণ, তিনি ভারতের ‘অধিনায়ক’। ভোট প্রচারে রাজ্যে রাজ্যে গিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করেছেন, শালীনতার সীমা ছাড়িয়েছেন। তাও তিনি বীর দাস নন। তিনি প্রধানমন্ত্রী। ভোট আসছে... পাঁচ রাজ্যের। মোদিতন্ত্রের রাজদণ্ড এখন কথা বলছে গণতন্ত্রের। ক্ষমা চাইছে দেশবাসীর কাছে।
বিশদ

23rd  November, 2021
আমার হিন্দুধর্ম নিয়ে খুশি
পি চিদম্বরম

হিন্দুধর্মে একটি চার্চ, একটি পোপ, একজন প্রফেট বা নবী, একটি পবিত্র গ্রন্থ বা একটিমাত্র পালনীয় আচার নেই। প্রত্যেকটিই আছে অনেকগুলি করে। একজন হিন্দুর এই বহুর মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নেওয়ার অথবা সবগুলিকেই প্রত্যাখ্যান করার স্বাধীনতা আছে। কিছু পণ্ডিত যুক্তি দিয়েছেন যে হিন্দু হয়েও একজন আস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী অথবা নাস্তিক হতে পারেন!
বিশদ

22nd  November, 2021
নির্মম ইতিহাসের
সামনে ৫৬ ইঞ্চি ছাতি
হিমাংশু সিংহ

প্রধানমন্ত্রীর এই পিছু হটা যে কৃষকদের প্রতি সমবেদনা থেকে নয়, সম্পূর্ণ ভোট পাটিগণিতের প্রয়োজনে তা আজ সূর্যের আলোর মতোই পরিষ্কার। এখানেই তিনি সম্পূর্ণ ‘এক্সপোজড’। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসেও অন্নদাতা কৃষকরা আজ ভরসা রাখতে পারছেন না। এটা মোটেই সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতার পক্ষে ভালো বিজ্ঞাপন নয়। বিশদ

21st  November, 2021
দুয়ারে রেশন: দীর্ঘ
দুর্ভোগের অবসান
তন্ময় মল্লিক

রেশন তোলার দিন হলেই অযোধ্যা পাহাড়ের বাঁধঘুট গ্রামের ববিতা মুর্মু, লক্ষ্মীমণি মুর্মুদের গায়ে জ্বর আসে। সাতসকালে উঠে একমুঠো পান্তা নাকেমুখে গুঁজেই বেরিয়ে পড়া। তাড়াতাড়ি পা চালায়। পাহাড়ি পথ ভেঙে যেতে হবে সেই পাথরডিহি। পাক্কা ১১কিলোমিটার। বিশদ

20th  November, 2021
নেহরুকে অপমান ও
এক প্রচারসর্বস্ব সরকার
সমৃদ্ধ দত্ত

তিনি কোনও কৃতিত্বই অন্য কেউ নিয়ে নিক, এটা পছন্দ করেন না। তাই লক্ষ্য করা যায়, সরকারের যে কোনও বৃহৎ প্রকল্প কিংবা সাফল্যের ঘোষণা সর্বদাই প্রধানমন্ত্রী মোদি করে থাকেন টিভিতে এসে অথবা কোনও মঞ্চে। অন্য কোনও মন্ত্রীকে কোনও বড়সড় ঘোষণাই করতে দেখি না। আর সমালোচকদের তিনি কখনও গুরুত্ব দেন না। মনে করেন শত্রু।
বিশদ

19th  November, 2021
একনজরে
গঙ্গার তীরের এই শহরকে বলা হয় ‘পূর্বের ম্যাঞ্চেস্টার’। বস্ত্রশিল্পে উন্নতির জন্যই এহেন নামকরণ। যদিও এখন টেক্সটাইল শিল্পে আগের রমরমা নেই। ঠিক যেমন ধার কমেছে গ্রিন ...

বিজেপি ছাড়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সোমবার তৃণমূলের এক অনুষ্ঠান মঞ্চে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতি সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিল। ...

হিমঘর খোলা রাখার সরকার নির্ধারিত সময়সীমা আজ মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। কিন্তু এখনও হিমঘরে ১০ লক্ষ টনের বেশি আলু মজুত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সময়সীমা বৃদ্ধি করার ...

উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার থেকে ডালখোলা পর্যন্ত ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে জোরকদমে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এই কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহসুখে মনে আনন্দ। শত্রুকে দুর্বল না ভেবে সতর্ক থাকুন। কর্মে বাধার মধ্যেই অগ্রগতির যোগ। অর্থকড়ি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর
১৮৫৮: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর জন্ম
১৮৬৬: জলের নিচে শিকাগোতে প্রথম হাইওয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়
১৮৭৪ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের জন্ম
১৯০৩ - কবি রাধারানী দেবীর জন্ম
১৯০৮: কবি বুদ্ধদেব বসুর জন্ম
১৯০৯: ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তের মৃত্যু
১৯১৭: জগদীশচন্দ্র বসুর ৬০তম জন্মদিবসে কলকাতায়  বসু বিজ্ঞান মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন
১৯৩৩: নারীশিক্ষার পথপ্রদর্শক শিক্ষাবিদ মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮৪: অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দুবালা দেবীর মৃত্যু
১৯৮৪: বিশিষ্ট তবলা শিল্পী রাধাকান্ত নন্দীর মৃত্যু
২০১২ - প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৯ টাকা ৭৫.৮১ টাকা
পাউন্ড ৯৮.২৪ টাকা ১০১.৬৬ টাকা
ইউরো ৮৩.০২ টাকা ৮৬.০৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৮০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী ৫০/২৭ রাত্রি ২/১৪। হস্তা নক্ষত্র ৩৬/১৭ রাত্রি ৮/৩৪। সূর্যোদয় ৬/৩/১১, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে। পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী  রাত্রি ৯/৫৩। হস্তা নক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
২৪ রবিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আপনার আজকের দিনটি
মেষ: অর্থকড়ি উপার্জনের শুভ যোগ। বৃষ: সামাজিক কর্মে সাফল্য ও সুনাম ...বিশদ

08:01:54 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর ১৮৫৮: ...বিশদ

07:55:00 AM

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ৫১১
গতকালের তুলনায় রাজ্যে বেশ কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ...বিশদ

29-11-2021 - 08:39:29 PM

কানপুর টেস্ট ড্র
কম আলোর জন্য খেলা বন্ধ। কানপুর টেস্ট ড্র হিসেবে ঘোষণা ...বিশদ

29-11-2021 - 04:36:16 PM

তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট

29-11-2021 - 03:12:45 PM

ডিসেম্বর থেকে অন্যান্য দেশে কোভ্যাক্সিন রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত বায়োটেক

29-11-2021 - 03:10:06 PM