Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সাম্প্রদায়িক হিংসা জাগিয়ে ফায়দা চায় রাজনীতি
মৃণালকান্তি দাস

‘সংখ্যালঘুরা কার কাছে বিচার চাইবেন?’
সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক সোহরাব হাসান। বলেছেন, কুমিল্লার ঘটনা শুধু উৎসবকেই ম্লান করেনি, মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত স্বাধীনতাকেও লজ্জায় ফেলেছে। কুমিল্লার ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছে।
প্রয়াত শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনিসুজ্জামান একবার খেদের সঙ্গে বলেছিলেন, পাকিস্তান জমানায় রাষ্ট্রটি ছিল সাম্প্রদায়িক, কিন্তু সমাজটি ছিল অসাম্প্রদায়িক। বাংলাদেশ আমলে রাষ্ট্র ও সমাজ— দুটিই সাম্প্রদায়িক হয়ে গিয়েছে। অথচ, সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও রাষ্ট্রধর্ম দুটোই বহাল রয়েছে। বাংলাদেশের গণআন্দোলনের নায়ক মৌলানা ভাসানি বলতেন, নকশাল কারও গায়ে লেখা থাকে না। সাম্প্রদায়িকতাও তেমনই। মুখে দাবি করলেই কেউ অসাম্প্রদায়িক হয়ে যায় না। কাজে এর প্রমাণ দিতে হয়। সোহরাব হাসান ঠিক প্রশ্নই তুলেছেন! কুমিল্লার নানুয়াদীঘির পাড়ের পূজামণ্ডপে কে বা কারা কোরান রেখে গিয়েছে, সেটা কি কখনও জানা যাবে? হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনও মানুষ কেন সেখানে কোরান নিয়ে যাবেন? আবার কোনও ধর্মপ্রাণ মুসলিমও এই কাজ করবেন না। অথচ, সেই রামু থেকে নাসিরনগর এবং সর্বশেষ কুমিল্লায় একই ধরনের সস্তা চালই চালা হয়েছে। কুমিল্লায় দুর্গা মণ্ডপে হামলার পর দুষ্কৃতীদের নিশানা হয়েছে নোয়াখালির ইসকন মন্দিরও। কেন এরকম ঘটনা ঘটে চলেছে একের পর এক? প্রশ্ন উঠেছে, চাঁদপুরে হাজিগঞ্জের মতো এত ছোট্ট জায়গায় ‘তৌহিদি জনতা’-র ব্যানারে এত লোক মিছিল করে মন্দিরে হামলা করল কীভাবে? কারা ছিল এই মিছিলে? প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, মিছিলে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামাত, হেফাজতের পাশাপাশি ছাত্রলিগের নেতা-কর্মীরাও ছিল। নিশ্চিতভাবেই, যারা এই কাজ করছে, তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক স্বার্থ রয়েছে। সেই বিকৃতমনস্করা নিজেদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছে হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসবকে। তারা বেছে নিয়েছে এমন একটি সময়কে, যখন বাংলাদেশ সবে কোভিডের ভয়ঙ্কর ঘেরাটোপ থেকে বেরিয়ে আসছে। 
বাংলাদেশের কুমিল্লা পরিচিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির শহর হিসেবেই। এই শহরই শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মভূমি। এই শহরেই শচীন দেববর্মনের ভিটেমাটি। ১৯২২-এ এই শহরেই বিদ্রোহী কবি কাজি নজরুল ইসলাম কাঁধে হারমোনিয়াম নিয়ে গেয়েছিলেন, ‘ভিক্ষা দাও! ভিক্ষা দাও!/ ফিরে চাও ওগো পুরবাসী,/ সন্তান দ্বারে উপবাসী,/ দাও মানবতা ভিক্ষা দাও!’ আজ সেই শহরে মানবতার লাঞ্ছনা লজ্জায় ফেলেছে ওপার বাংলাকে।
কুমিল্লায় নানুয়ার দিঘির পাড়ে অস্থায়ী মণ্ডপে প্রতি বছর পুজো হয়। ১০ দিনের জন্য নির্মিত মণ্ডপ পুজোর পরই ভেঙে ফেলা হয়। এখানকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অত্যন্ত গভীর। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের সময় নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের নানা প্রান্তে যে জ্বালাও-পোড়াওয়ের ঘটনা বা ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নাসিরনগর, সুনামগঞ্জ বা কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সময়ে যে সাম্প্রদায়িক উসকানি বা অস্থিরতার ঘটনা ঘটেছে, তখনও কুমিল্লার নানুয়া অঞ্চলে অস্থিরতার ছাপ পড়েনি। এখানকার পূজা-পার্বণে কখনওই প্রশাসনের সাহায্য নিতে হয়নি। বরং এবারই প্রথম পুলিসকে টহল দিতে দেখা গিয়েছে, তা-ও ঘটনার আগের দিন। তাহলে কি পুলিসের কাছে কোনও আগাম আশঙ্কার খবর ছিল? তাহলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়নি কেন? এই ব্যর্থতার দায় গোয়েন্দা বাহিনী এড়াবে কীভাবে?
অজুহাতের কোনও অভাব হয় না। অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ, অন্য ধর্মমতের মানুষকে নির্মূল করে ফেলা কোনও ধর্ম অনুমোদন করে না। তারপরও ঘটনা থেমে নেই। ঘটছে একের পর এক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কুমিল্লা কাণ্ডে ধর্ম দেখব না, দোষীদের খুঁজে খুঁজে শাস্তি দেব। তাদের এমন শাস্তি দিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা ঘটাতে কেউ সাহস না পায়। বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। বাংলাদেশে সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করবেন। যাঁর যাঁর ধর্ম, তাঁরা পালন করবেন। অর্থাৎ ধর্ম যাঁর যাঁর, কিন্তু উৎসব সকলের। বাংলাদেশে এটা সবসময় ছিল, থাকবেও। প্রত্যেকে সেই উৎসবে শামিল হয়ে একসঙ্গে উপভোগ করেন। কিন্তু মাঝেমাঝে কিছু কিছু দুষ্টচক্র কিছু ঘটনা ঘটিয়ে মানুষের এই চেতনাকে নষ্ট করতে চায়। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’ হাসিনার এই বক্তব্য আক্রান্ত সংখ্যালঘুদের কতটা আশ্বস্ত করেছে, সেই প্রশ্নের জবাব ভবিষ্যৎ–ই দিতে পারবে। 
কুমিল্লার ঘটনা মনে করিয়ে দেয়, কীভাবে যুদ্ধাপরাধী দেলোয়ার হোসেন সাঈদির আদালতে বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন ধর্মান্ধগোষ্ঠীরা ‘তাকে চাঁদে দেখতে পাওয়া’-র ছবি ছড়ানোর মাধ্যমে দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। ঠিক একইভাবে দুষ্কৃতীরা একজন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীর নামে খোলা ভুয়ো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে কোরান অবমাননার ছবি ছড়িয়ে দেয় এবং সংগঠিত হয় ভয়ঙ্কর রামু ট্র্যাজেডি। সামাজিক মাধ্যমের অপব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার রাস্তা খুব সহজেই খুঁজে পেয়ে গিয়েছে ধর্মান্ধগোষ্ঠীরা। অতীতে এরকম ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কোনও সাজা হয়নি। অথচ প্রয়োজন ছিল দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া। হয়তো তাই হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত খেদের সঙ্গে বলেছেন, ‘রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি আমাদের আস্থা নেই। ১৯৯০ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত হামলার মাত্রা ছিল এক রকম। আওয়ামি লিগ ক্ষমতায় আসার পর ২০১১ সাল থেকে থেমে থেমে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা হয়েছে। এর পিছনে যেমন সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আছে, তেমনই আছে সরকারি দলের ভিতরে লুকিয়ে থাকা অপশক্তিও। আওয়ামি লিগ সরকার এবং প্রশাসনের মধ্যে পাকিস্তানি ভূত রয়েছে। সংকটের মূল এখানেই।’ এই অনাস্থা একদিনে তৈরি হয়নি। দিনে দিনে আক্রান্ত হতে হতে তাঁদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে। 
আটের দশকে ইসলামের নামে সন্ত্রাস কতটা ব্যাপক ও ভয়াবহ হতে পারে তার সাক্ষী হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সময় বাংলাদেশের মৌলবাদীরা তথাকথিত জিহাদে অংশগ্রহণের জন্য দলে দলে আফগানিস্তানে গিয়েছিল। আর দেশে ফিরে তারাই স্লোগান তুলেছিল: ‘আমরা সবাই তালিবান, বাংলা হবে আফগান।’
সেই আফগানিস্তানে তালিবানের ক্ষমতা দখলে বাংলাদেশে স্বাধীনতাবিরোধী, জঙ্গি মৌলবাদীরা আবারও উল্লসিত হয়েছে, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মারাত্মক ভাইরাসের মতো বিস্তার লাভ করছে। এই মাধ্যমটি সম্পূর্ণভাবে এখন ব্যবহৃত হচ্ছে গুজব ছড়িয়ে দুর্বলের উপর সবলের আক্রমণের হাতিয়ার হিসেবে। ব্যক্তি-আক্রমণ, কুৎসা রটনা এবং মিথ্যা সংবাদ সাজিয়ে মানুষকে উস্কে দেওয়ার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যে বাংলাদেশে ভয়ঙ্কর নজির স্থাপন করেছে তার প্রমাণ কুমিল্লা, রামু, বাঁশখালি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভোলা, সুনামগঞ্জসহ বাংলাদেশের সর্বত্র ছড়ানো। বাংলাদেশের প্রায় সব ঘরানার ‘ইসলামপন্থী’দের কাছে তালিবানের ক্ষমতা দখলের ঘটনা তাদের রাজনীতির বিজয় বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেকটা কোণঠাসা হয়ে পড়া ‘ইসলামপন্থী’রা আঞ্চলিক এবং জাতীয় রাজনীতির সমীকরণের দিকে না তাকিয়ে তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আশার আলো দেখতে শুরু করেছে। বহু দল এবং উপদলে বিভক্ত ‘ইসলামপন্থী’দের কাছে আজ তালিবান নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তান একটি ‘মডেল রাষ্ট্র’। দলের ম্যানিফেস্টোতে যাই লেখা থাকুক, এই সমস্ত দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতাকর্মীদের বড় অংশটি তালিবানি শাসনকে মডেল ধরে বাংলাদেশের রাষ্ট্র এবং সমাজের ‘শরিয়া-ভিত্তিক’ রূপান্তর ঘটাতে চায়। ভয়টা সেখানেই।
সাম্প্রদায়িক শক্তি যে কোনও জনপদেই লঘুদের উপর চড়াও হয়। এটাই আধিপত্যবাদের ধর্ম। ২০২০-র ফেব্রুয়ারিতে তা টের পেয়েছিলেন দিল্লিবাসীরাও। আধুনিক ঝাঁ-চকচকে নাগরিক জীবনের পরতে পরতে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা, বিদ্বেষের চাষবাস, কিন্তু প্রাণঘাতী হামলাগুলো হয়েছিল শহরের সেই সব প্রান্তিক ঘিঞ্জি এলাকায়। নন-এলিট এলাকায়। খেটে-খাওয়া নিম্নমধ্যবিত্ত, দিন-আনা দিন-খাওয়াদের বসবাস দিল্লির সীলমপুর, যমুনা বিহার, মৌজপুর, ভজনপুরা, জাফরাবাদ, উত্তর-পূর্বে ৬২ বর্গকিলোমিটার এলাকায়। খেটে-খাওয়া, মধ্য-নিম্নবিত্ত রোজগারের যে শহরাঞ্চল, সেখানেই উর্বর জমি পেয়েছিল মারমুখী হিংস্র সাম্প্রদায়িক শক্তি। আর এর মাঝে খেলা খেলে কিছু ধর্মের ব্যবসায়ী। ঠিক যেমন অসমে। ঠিক যেমন পশ্চিমবঙ্গে ভোটের সময় ধর্মীয় মেরুকরণের কদর্য প্রকাশ হয়েছিল। এপারে বাংলার মানুষ ভুলবে কীভাবে? এই সবের ভয়াবহ পরিণাম এই রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকেরা বোঝেন না, তা নয়। কিন্তু ক্ষমতার অঙ্ক তাঁদের শুভবুদ্ধিকে আচ্ছন্ন করে রাখে। হয়তো তাতে কিছু মানুষকে কিছু সময়ের জন্য প্ররোচিতও করা যায়। দিনের শেষে চরম পরিণতির দায় এড়ানো যায় কি?
আসলে আধিপত্যবাদের সঙ্গে অস্ত্র হিসেবে যখন ধর্মের ব্যবহার শুরু হয়, তখন থেকেই ব্যক্তি, গোষ্ঠী, রাষ্ট্র সাম্প্রদায়িক হতে শুরু করে। বাংলাদেশের নিপীড়িতরাও প্রথম প্রথম কারও কারও প্রতি বিশ্বাস রাখত। কিন্তু তাতে আগুন নেভেনি। সিদুঁর রাঙা মেঘ সর্বত্র তাদের তাড়া করেই বেড়ায়। কারণ, ইতিহাসের শিক্ষা, ‘সাম্প্রদায়িকতা’র মতো আর কোনও ‘পণ্য’ এতটা বাজারজাত হয়নি। দুয়ার বন্ধ রেখে এই পণ্যের প্রবেশ রোধ করা যায়নি। ফলে ধর্মকে জোর করে ধর্মান্ধতায় পৌঁছে দেওয়ার খেলা চলছেই। আর বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন মানেই এপারে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির ভোটের পালে হাওয়া। এপারে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটের সেই অঙ্ক কষা। যতটা পারো বিদ্বেষ ছড়াও! কিন্তু বিভাজনবিষ আর অনিশ্চয়তা মিলে যে অস্থির সমাজের জন্ম দেয়, সেখান থেকে রেহাই পাওয়া কি খুব সহজ?
কে না জানে, মৃত্যুর ও-পারে ধর্ম নেই। হানাহানির অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকে শুধু বিহ্বল বিপন্ন শোক। এপার-ওপার... সর্বত্র!
21st  October, 2021
তথ্য সুরক্ষা বিল এবং
শাসকের ‘দূরের লক্ষ্য’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এ দেশের ক্ষেত্রে যদি নজরদারি চালানোটা আইনসিদ্ধ হয়ে যায়, তাহলে তো আর আড়াল-আবডালের প্রয়োজনই থাকবে না। সেটাই চাইছে কেন্দ্র। আইনি সিলমোহর। সরকার বিরোধী মতামত দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে সরকারের ভাড়া করা সৈন্যরা। টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাবে গারদের ওপারে।​​​​​
বিশদ

প্রভাবশালী ধনীরা
জবাবদিহির ঊর্ধ্বে
পি চিদম্বরম

ধনীরা প্রভাবশালী হয় এবং প্রভাবশালীরা ধনী হয়। একবার প্রভাবশালী এবং ধনী হয়ে গেলে, স্পষ্টতই তারা জবাবদিহির ঊর্ধ্বে চলে যাবে। এটাই হয়েছে আজেকর বিপদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জন শেরম্যান (প্রথম অ্যান্টিট্রাস্ট অ্যাক্ট, ১৮৯০—সাধারণভাবে যেটিকে শেরম্যান আইন হিসাবে উল্লেখ করা হয়) বিশদ

29th  November, 2021
কংগ্রেসের বিকল্প তৃণমূল
হলে আপত্তি কোথায়?
হিমাংশু সিংহ

গোটা দেশে ঝিমিয়ে পড়া বিরোধীদের শুকনো গাঙে তিনি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বিপ্লবের নয়া কেতন উড়িয়ে দিয়েছেন। ত্রিপুরা থেকে গোয়া। জাতীয় রাজনীতির মঞ্চেও মমতাই আজ মোদির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রতিপক্ষ।
বিশদ

28th  November, 2021
পুরভোটের সন্ত্রাসে বিপদ
বাড়ল ত্রিপুরা বিজেপির
তন্ময় মল্লিক

ত্রিপুরায় তৃণমূলকে শূন্য প্রমাণের জন্য পুরভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাস করে বিজেপি নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারল। ২০২৩ সালে আর ইউনিট টেস্ট নয়, বিপ্লব দেবকে বসতে হবে বোর্ডের পরীক্ষায়। পরীক্ষকের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

27th  November, 2021
কৃষকরা সকলের জন্যই
দিলেন জীবনের শিক্ষা
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদির বিরোধীদের কাছে একটাই সুসংবাদ যে, তিনি ইতিহাস চর্চা করেন না। যদি করতেন, তাহলে বহু পদক্ষেপ নেওয়ার আগে একবার ভারতের ইতিহাসের দিকে চোখ রাখতেন। খুব বেশি পরিশ্রমও করতে হতো না। কারণ তাঁর হাতের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে। তাঁর নিজের রাজ্যে।
বিশদ

26th  November, 2021
মোদির পিছু হটা কীসের ইঙ্গিত!
মৃণালকান্তি দাস

কে না জানে, একটি শাসকদল পিছু হটে তখনই, যখন সে বুঝতে পারে তার পায়ের তলার মাটি সরছে। পায়ের তলার মাটি একবার সরতে শুরু করলে কী হয় তা বাংলার মানুষ জানেন। সিঙ্গুরেও পিছু হটে নজির গড়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বুদ্ধবাবু ডুবেছিলেন, সিঙ্গুরের মানুষের মতামত না নিয়েই জোরজবরদস্তি জমি অধিগ্রহণ করে। মোদির ক্ষেত্রেও তাই। দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা ছাড়া কৃষিতে সংস্কারমূলক তিনটি আইন আনতে গিয়ে তিনিও ডুবেছেন।
বিশদ

25th  November, 2021
দুঃসময়ের রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী

একতারা হাতে এক বাউল এলেন। কোনও অনুরোধ ছাড়াই একটি প্রচলিত গান গেয়ে হাত পাতলেন। কিছু দেব কি দেব না ইতস্তত করছি। লোকটি আমার মন পড়ে নিলেন নিশ্চয়। কিছু দাবি করার পরিবর্তে প্রশ্ন রাখলেন, ‘বাবু, দুঃসময় কাকে বলে?’ বিশদ

24th  November, 2021
জনতার দাবি মানুন,
প্রায়শ্চিত্ত করুন
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তিনি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের নামে কুৎসা করেছেন... তাও তিনি রাষ্ট্রদ্রোহী নন। কারণ, তিনি ভারতের ‘অধিনায়ক’। ভোট প্রচারে রাজ্যে রাজ্যে গিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করেছেন, শালীনতার সীমা ছাড়িয়েছেন। তাও তিনি বীর দাস নন। তিনি প্রধানমন্ত্রী। ভোট আসছে... পাঁচ রাজ্যের। মোদিতন্ত্রের রাজদণ্ড এখন কথা বলছে গণতন্ত্রের। ক্ষমা চাইছে দেশবাসীর কাছে।
বিশদ

23rd  November, 2021
আমার হিন্দুধর্ম নিয়ে খুশি
পি চিদম্বরম

হিন্দুধর্মে একটি চার্চ, একটি পোপ, একজন প্রফেট বা নবী, একটি পবিত্র গ্রন্থ বা একটিমাত্র পালনীয় আচার নেই। প্রত্যেকটিই আছে অনেকগুলি করে। একজন হিন্দুর এই বহুর মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নেওয়ার অথবা সবগুলিকেই প্রত্যাখ্যান করার স্বাধীনতা আছে। কিছু পণ্ডিত যুক্তি দিয়েছেন যে হিন্দু হয়েও একজন আস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী অথবা নাস্তিক হতে পারেন!
বিশদ

22nd  November, 2021
নির্মম ইতিহাসের
সামনে ৫৬ ইঞ্চি ছাতি
হিমাংশু সিংহ

প্রধানমন্ত্রীর এই পিছু হটা যে কৃষকদের প্রতি সমবেদনা থেকে নয়, সম্পূর্ণ ভোট পাটিগণিতের প্রয়োজনে তা আজ সূর্যের আলোর মতোই পরিষ্কার। এখানেই তিনি সম্পূর্ণ ‘এক্সপোজড’। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসেও অন্নদাতা কৃষকরা আজ ভরসা রাখতে পারছেন না। এটা মোটেই সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতার পক্ষে ভালো বিজ্ঞাপন নয়। বিশদ

21st  November, 2021
দুয়ারে রেশন: দীর্ঘ
দুর্ভোগের অবসান
তন্ময় মল্লিক

রেশন তোলার দিন হলেই অযোধ্যা পাহাড়ের বাঁধঘুট গ্রামের ববিতা মুর্মু, লক্ষ্মীমণি মুর্মুদের গায়ে জ্বর আসে। সাতসকালে উঠে একমুঠো পান্তা নাকেমুখে গুঁজেই বেরিয়ে পড়া। তাড়াতাড়ি পা চালায়। পাহাড়ি পথ ভেঙে যেতে হবে সেই পাথরডিহি। পাক্কা ১১কিলোমিটার। বিশদ

20th  November, 2021
নেহরুকে অপমান ও
এক প্রচারসর্বস্ব সরকার
সমৃদ্ধ দত্ত

তিনি কোনও কৃতিত্বই অন্য কেউ নিয়ে নিক, এটা পছন্দ করেন না। তাই লক্ষ্য করা যায়, সরকারের যে কোনও বৃহৎ প্রকল্প কিংবা সাফল্যের ঘোষণা সর্বদাই প্রধানমন্ত্রী মোদি করে থাকেন টিভিতে এসে অথবা কোনও মঞ্চে। অন্য কোনও মন্ত্রীকে কোনও বড়সড় ঘোষণাই করতে দেখি না। আর সমালোচকদের তিনি কখনও গুরুত্ব দেন না। মনে করেন শত্রু।
বিশদ

19th  November, 2021
একনজরে
বিজেপি ছাড়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সোমবার তৃণমূলের এক অনুষ্ঠান মঞ্চে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতি সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিল। ...

দক্ষিণ আফ্রিকা, বৎসোয়ানায় হদিশ মেলার পরেই গত সপ্তাহে ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। সোমবার করোনা ভাইরাসের নয়া রূপকে ‘অত্যন্ত ঝুঁকিপ্রবণ’ আখ্যা ...

রাজ্যের শস্যভাণ্ডার পূর্ব বর্ধমান জেলায় কৃষি যন্ত্রপাতি কেনা নিয়ে বড়সড় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। খোদ জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ জেলা কৃষিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছে। ...

আরও কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে সংবাদ মাধ্যমের প্রবেশাধিকার। করোনা সংক্রমণের পর থেকে লোকসভা ও রাজ্যসভায় সংসদীয় কাজকর্ম কভার করার জন্য প্রেস গ্যালারিতে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। এবার করোনার প্রকোপ স্তিমিত হয়ে যাচ্ছে এবং ক্রমেই সব স্বাভাবিক হওয়ার উপর কেন্দ্র যখন জোর ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহসুখে মনে আনন্দ। শত্রুকে দুর্বল না ভেবে সতর্ক থাকুন। কর্মে বাধার মধ্যেই অগ্রগতির যোগ। অর্থকড়ি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর
১৮৫৮: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর জন্ম
১৮৬৬: জলের নিচে শিকাগোতে প্রথম হাইওয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়
১৮৭৪ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের জন্ম
১৯০৩ - কবি রাধারানী দেবীর জন্ম
১৯০৮: কবি বুদ্ধদেব বসুর জন্ম
১৯০৯: ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তের মৃত্যু
১৯১৭: জগদীশচন্দ্র বসুর ৬০তম জন্মদিবসে কলকাতায়  বসু বিজ্ঞান মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন
১৯৩৩: নারীশিক্ষার পথপ্রদর্শক শিক্ষাবিদ মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮৪: অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দুবালা দেবীর মৃত্যু
১৯৮৪: বিশিষ্ট তবলা শিল্পী রাধাকান্ত নন্দীর মৃত্যু
২০১২ - প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৯ টাকা ৭৫.৮১ টাকা
পাউন্ড ৯৮.২৪ টাকা ১০১.৬৬ টাকা
ইউরো ৮৩.০২ টাকা ৮৬.০৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৮০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী ৫০/২৭ রাত্রি ২/১৪। হস্তা নক্ষত্র ৩৬/১৭ রাত্রি ৮/৩৪। সূর্যোদয় ৬/৩/১১, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে। পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী  রাত্রি ৯/৫৩। হস্তা নক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
২৪ রবিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইতিহাসে আজকের দিনে
১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর ১৮৫৮: ...বিশদ

07:55:00 AM

আপনার আজকের দিনটি
মেষ: অর্থকড়ি উপার্জনের শুভ যোগ। বৃষ: সামাজিক কর্মে সাফল্য ও সুনাম ...বিশদ

07:50:00 AM

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ৫১১
গতকালের তুলনায় রাজ্যে বেশ কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ...বিশদ

29-11-2021 - 08:39:29 PM

কানপুর টেস্ট ড্র
কম আলোর জন্য খেলা বন্ধ। কানপুর টেস্ট ড্র হিসেবে ঘোষণা ...বিশদ

29-11-2021 - 04:36:16 PM

তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট

29-11-2021 - 03:12:45 PM

ডিসেম্বর থেকে অন্যান্য দেশে কোভ্যাক্সিন রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত বায়োটেক

29-11-2021 - 03:10:06 PM