Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মানবাধিকারের পক্ষে ক্ষতিকারক মানসিকতা
পি চিদম্বরম

জানা যায় যে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘‘সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, কিছু মানুষ তাদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে তাদের মতো করে মানবাধিকারের ব্যাখ্যা দেওয়া শুরু করেছে। তারা একই প্রকৃতির একটি ঘটনায় মানবাধিকারের লঙ্ঘন দেখে কিন্তু অন্য একটি ঘটনায় তা দেখতে পায় না। এই ধরনের মানসিকতা মানবাধিকারের প্রভূত ক্ষতি করে।’’ তিনি যথার্থ বলেছেন।১৯৪৮ সালে, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদ মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র (ইউডিএইচআর) গ্রহণ করে। নথিতে সেইসব অধিকার ও স্বাধীনতার কথা স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, মানুষ যার প্রতিটি সমান এবং একান্তভাবে পাওয়ার অধিকারী।

খারাপ হয়ে যাও
১৯৪৮ সালের বিশ্ববাস্তবতাকে ধারণ করে এই নথির প্রস্তাবনা এবং ইউডিএইচআর নথিভুক্ত করা কেন প্রয়োজন, তা বুঝিয়ে দেয়। কারণ ‘‘মানবাধিকারের প্রতি অবজ্ঞার ফলে সংঘটিত বর্বরোচিত কাজকর্ম যা-সব হয়েছে তাতে মানবজাতির বিবেকের অসম্মান হয়েছে ...।’’ ১৯৪৮ সালের সত্যটি ২০২১ সালেও সত্য। হতে পারে যে এই পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে কিছু দেশে কিন্তু ভারতসহ অন্যকিছু দেশে এটির অবনতিই হয়েছে। গত ৩ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরির ঘটনাটি দিয়ে শুরু করা যাক। কৃষি সংক্রান্ত তিনটি আইনের প্রতিবাদ করছিলেন কৃষকরা, প্রকৃতপক্ষে যেটি সংসদের মাধ্যমে চেপে বসেছে। মিছিলকারীদের পিছনে দুরন্ত গতিতে ছুটে আসা একটি কনভয়ের গাড়ি (যার মধ্যে অন্তত দুটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে) চার বিক্ষোভকারীকে চাপা দিয়ে মেরে ফেলে। এরপর তা থেকে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। ক্রুদ্ধ জনতার হাতে ওই গাড়ির তিন সওয়ার ধরা পড়ে, তাদের পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। একজন সাংবাদিকও মারা গিয়েছেন। প্রধান গাড়িটি ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর (এমওএস)। অভিযোগ উঠেছিল যে তাঁর ছেলে ছিল গাড়ির দখলদারদের একজন।  এই ঘটনায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। ইউডিএইচআর-এর অনুচ্ছেদ ১৯ ঘোষণা করে যে, ‘‘প্রত্যেকেরই মতামত ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও অধিকার রয়েছে; এই অধিকারের মধ্যে রয়েছে কোনওরকম হস্তক্ষেপ ছাড়াই মতামত রক্ষার স্বাধীনতা ...।’’ অনুচ্ছেদ ২০ ঘোষণা করে যে ‘‘প্রত্যেকেরই শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হওয়ার ও সমাবেশ করার স্বাধীনতা রয়েছে।’’ আন্দোলনকারী কৃষকরা শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হয়েছিলেন এবং কৃষি আইন সম্পর্কে তাঁদের মতামতের প্রকাশ ঘটেছিল মিছিলটিতে। অনুচ্ছেদ ৩ ঘোষণা করে যে ‘‘প্রত্যেকেরই জীবন, স্বাধীনতা এবং ব্যক্তি নিরাপত্তার অধিকার রয়েছে।’’ দ্রুতগতির গাড়িটি মুহূর্তের মধ্যে তিনটি জীবনদীপ নিভিয়ে  দিল। লখিমপুর খেরিতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী এখনও নীরব রয়েছেন।

কর্মীরা জঙ্গি!
২০১৮ সালে সংঘটিত মহারাষ্ট্রের ভীমা কোরেগাঁওয়ের একটি ঘটনায় ফেরা যাক। ২০১৮ সালের ৬ জুন পাঁচ সমাজকর্মীকে পুলিস গ্রেপ্তার করে। ২০১৮-র জানুয়ারিতে ভীমা কোরেগাঁওয়ে সংঘটিত একটি জাতিগত হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয় তাঁদের বিরুদ্ধে। ওই পাঁচজন কারা ছিলেন? একজন আইনজীবী, একজন ইংরেজির অধ্যাপিকা, একজন কবি ও প্রকাশক এবং দু’জন মানবাধিকার কর্মী। তাঁরা এখনও কারাবন্দি। তাঁদের জামিনের আর্জি বারবার খারিজ হয়েছে (২০১৮-র ২৮ আগস্ট আরও পাঁচ সমাজকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে)। ‘সাইবার আইন এবং মানবাধিকার’ খতিয়ে দেখার অনুমতি চেয়েছিলেন আইনজীবী সুরেন্দ্র গ্যাডলিং। তাঁর আর্জি খারিজ করা হয়েছে। অভিযোগ জানাবার একবছর পর ইংরেজির অধ্যাপিকা সোমা সেনের সেলে একটি চেয়ার দেওয়া হয়েছে। তাঁর আর্থারাইটিসের সমস্যা রয়েছে জানা সত্ত্বেও মেঝেতে পাতা একটি পাতলা ম্যাট্রেসে তাঁকে শুতে বাধ্য করা হয়েছে। প্রথম কয়েক মাস তাঁকে অপরাধীদেরই সঙ্গে রাখা হয়েছিল। অধিকাররক্ষা কর্মী মহেশ রাউতের আলসারেটিভ কোলাইটিসের জন্য তাঁর পরিবারের তরফে কিছু আয়ুর্বেদিক ওষুধ আনা হয়, সেগুলিও তাঁকে দিতে দেওয়া হয়নি। কবি ও প্রকাশক সুধীর ধাওয়ালে তাঁর সহকর্মী এবং বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পাননি। কারণ কী? তাঁদের সঙ্গে তো তাঁর রক্তের সম্পর্ক নয়! ভীমা কোরেগাঁও মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যে ক্রিমিনাল প্রসিডিংস হয়েছে, ২০২১ সালের ২ জানুয়ারি,  তাতে ১৬টি আইন লঙ্ঘনের বিষয় চিহ্নিত করেন সাংবাদিক প্রতীক গোয়েল। এর মধ্যে রয়েছে মারাত্মক রকমের কিছু বাড়াবাড়ি, যেমন ওয়ারেন্ট ছাড়াই তল্লাশি এবং বাজেয়াপ্তকরণ; ট্রানজিট রিমান্ডের আদেশ ছাড়াই একজন বন্দিকে দূরে সরিয়ে দেওয়া; বন্দিকে তাঁর পছন্দের আইনজীবী দেওয়ার দাবি খারিজ করা; হাসপাতালে একজন বন্দির চিকিৎসার খরচ বহনের দায় গ্রহণে রাজ্যের তরফে অস্বীকার; একজন বন্দিকে তাঁর মেডিক্যাল রিপোর্ট দিতে অস্বীকার করা; আর্থারাইটিসে আক্রান্ত একজন বন্দির জন্য কমোড চেয়ার দেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করা; একটি ফুল-স্লিভ সোয়েটার দেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করা; স্বামী বিবেকানন্দ রচিত বইপত্র দেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করা; বিজেপি সরকারকে সরিয়ে মহারাষ্ট্রে নতুন এক সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার দিন দুই পর মামলাটি একতরফাভাবে মহারাষ্ট্র পুলিসের হাত থেকে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটিং এজেন্সিকে (সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড ও অপরাধের তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন সংস্থা) হস্তান্তর করা হয়; এক বন্দির তরফে তাঁর মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেওয়ার জন্য প্যারোলের দাবি প্রত্যাখ্যান করা; এবং এইরকম আরও কিছু।

বিচারের আগেই শাস্তি
ইউডিএইচআর-এর প্রাসঙ্গিক অনুচ্ছেগুলি পড়ুন, অন্যান্য সবকিছুর মধ্যে, নিম্নরূপ: 
অনুচ্ছেদ ৫: কাউকে নির্যাতন বা নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তির শিকার হতে হবে না।
ধারা ৯: গ্রেপ্তার, আটক বা নির্বাসনের ব্যাপারে কাউকে স্বেচ্ছাচারিতার শিকার হতে হবে না।  
অনুচ্ছেদ ১০: একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ট্রাইব্যুনালে স্বচ্ছতার সঙ্গে গৃহীত পাবলিক হিয়ারিংয়ে প্রত্যেকেরই সমান অধিকার স্বীকৃত—তাঁর অধিকার, দায় এবং তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত যেকোনও ফৌজদারি অভিযোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে।
অনুচ্ছেদ ১১: একটি পাবলিক ট্রায়ালে আইন অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত না-হওয়া পর্যন্ত, দণ্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত, প্রত্যেকেরই নির্দোষ বলে মনে করার অধিকার আছে ...।
আমি যত দূর জানি, গত তিন বৎসরাধিককালে প্রধানমন্ত্রী ভীমা কোরেগাঁও মামলায় বন্দিদের মানবাধিকার নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি। এমনকী এনআইএ নামক যে সংস্থার দায়িত্বে তিনি রয়েছেন তার তরফে এই মামলার অভিযোগ গঠনে দীর্ঘ বিলম্বের কারণ নিয়েও তিনি নিশ্চুপ। বলা বাহুল্য যে, এই মামলার ট্রায়াল বা বিচার এখনও শুরু হয়নি।আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত যখন তিনি বলেন, ‘‘এই ধরনের মানসিকতা মানবাধিকারের প্রভূত ক্ষতিসাধন করে।’’
 লেখক সাংসদ ও ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত
18th  October, 2021
তথ্য সুরক্ষা বিল এবং
শাসকের ‘দূরের লক্ষ্য’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এ দেশের ক্ষেত্রে যদি নজরদারি চালানোটা আইনসিদ্ধ হয়ে যায়, তাহলে তো আর আড়াল-আবডালের প্রয়োজনই থাকবে না। সেটাই চাইছে কেন্দ্র। আইনি সিলমোহর। সরকার বিরোধী মতামত দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে সরকারের ভাড়া করা সৈন্যরা। টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাবে গারদের ওপারে।​​​​​
বিশদ

প্রভাবশালী ধনীরা
জবাবদিহির ঊর্ধ্বে
পি চিদম্বরম

ধনীরা প্রভাবশালী হয় এবং প্রভাবশালীরা ধনী হয়। একবার প্রভাবশালী এবং ধনী হয়ে গেলে, স্পষ্টতই তারা জবাবদিহির ঊর্ধ্বে চলে যাবে। এটাই হয়েছে আজেকর বিপদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জন শেরম্যান (প্রথম অ্যান্টিট্রাস্ট অ্যাক্ট, ১৮৯০—সাধারণভাবে যেটিকে শেরম্যান আইন হিসাবে উল্লেখ করা হয়) বিশদ

29th  November, 2021
কংগ্রেসের বিকল্প তৃণমূল
হলে আপত্তি কোথায়?
হিমাংশু সিংহ

গোটা দেশে ঝিমিয়ে পড়া বিরোধীদের শুকনো গাঙে তিনি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বিপ্লবের নয়া কেতন উড়িয়ে দিয়েছেন। ত্রিপুরা থেকে গোয়া। জাতীয় রাজনীতির মঞ্চেও মমতাই আজ মোদির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রতিপক্ষ।
বিশদ

28th  November, 2021
পুরভোটের সন্ত্রাসে বিপদ
বাড়ল ত্রিপুরা বিজেপির
তন্ময় মল্লিক

ত্রিপুরায় তৃণমূলকে শূন্য প্রমাণের জন্য পুরভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাস করে বিজেপি নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারল। ২০২৩ সালে আর ইউনিট টেস্ট নয়, বিপ্লব দেবকে বসতে হবে বোর্ডের পরীক্ষায়। পরীক্ষকের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

27th  November, 2021
কৃষকরা সকলের জন্যই
দিলেন জীবনের শিক্ষা
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদির বিরোধীদের কাছে একটাই সুসংবাদ যে, তিনি ইতিহাস চর্চা করেন না। যদি করতেন, তাহলে বহু পদক্ষেপ নেওয়ার আগে একবার ভারতের ইতিহাসের দিকে চোখ রাখতেন। খুব বেশি পরিশ্রমও করতে হতো না। কারণ তাঁর হাতের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে। তাঁর নিজের রাজ্যে।
বিশদ

26th  November, 2021
মোদির পিছু হটা কীসের ইঙ্গিত!
মৃণালকান্তি দাস

কে না জানে, একটি শাসকদল পিছু হটে তখনই, যখন সে বুঝতে পারে তার পায়ের তলার মাটি সরছে। পায়ের তলার মাটি একবার সরতে শুরু করলে কী হয় তা বাংলার মানুষ জানেন। সিঙ্গুরেও পিছু হটে নজির গড়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বুদ্ধবাবু ডুবেছিলেন, সিঙ্গুরের মানুষের মতামত না নিয়েই জোরজবরদস্তি জমি অধিগ্রহণ করে। মোদির ক্ষেত্রেও তাই। দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা ছাড়া কৃষিতে সংস্কারমূলক তিনটি আইন আনতে গিয়ে তিনিও ডুবেছেন।
বিশদ

25th  November, 2021
দুঃসময়ের রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী

একতারা হাতে এক বাউল এলেন। কোনও অনুরোধ ছাড়াই একটি প্রচলিত গান গেয়ে হাত পাতলেন। কিছু দেব কি দেব না ইতস্তত করছি। লোকটি আমার মন পড়ে নিলেন নিশ্চয়। কিছু দাবি করার পরিবর্তে প্রশ্ন রাখলেন, ‘বাবু, দুঃসময় কাকে বলে?’ বিশদ

24th  November, 2021
জনতার দাবি মানুন,
প্রায়শ্চিত্ত করুন
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তিনি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের নামে কুৎসা করেছেন... তাও তিনি রাষ্ট্রদ্রোহী নন। কারণ, তিনি ভারতের ‘অধিনায়ক’। ভোট প্রচারে রাজ্যে রাজ্যে গিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করেছেন, শালীনতার সীমা ছাড়িয়েছেন। তাও তিনি বীর দাস নন। তিনি প্রধানমন্ত্রী। ভোট আসছে... পাঁচ রাজ্যের। মোদিতন্ত্রের রাজদণ্ড এখন কথা বলছে গণতন্ত্রের। ক্ষমা চাইছে দেশবাসীর কাছে।
বিশদ

23rd  November, 2021
আমার হিন্দুধর্ম নিয়ে খুশি
পি চিদম্বরম

হিন্দুধর্মে একটি চার্চ, একটি পোপ, একজন প্রফেট বা নবী, একটি পবিত্র গ্রন্থ বা একটিমাত্র পালনীয় আচার নেই। প্রত্যেকটিই আছে অনেকগুলি করে। একজন হিন্দুর এই বহুর মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নেওয়ার অথবা সবগুলিকেই প্রত্যাখ্যান করার স্বাধীনতা আছে। কিছু পণ্ডিত যুক্তি দিয়েছেন যে হিন্দু হয়েও একজন আস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী অথবা নাস্তিক হতে পারেন!
বিশদ

22nd  November, 2021
নির্মম ইতিহাসের
সামনে ৫৬ ইঞ্চি ছাতি
হিমাংশু সিংহ

প্রধানমন্ত্রীর এই পিছু হটা যে কৃষকদের প্রতি সমবেদনা থেকে নয়, সম্পূর্ণ ভোট পাটিগণিতের প্রয়োজনে তা আজ সূর্যের আলোর মতোই পরিষ্কার। এখানেই তিনি সম্পূর্ণ ‘এক্সপোজড’। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসেও অন্নদাতা কৃষকরা আজ ভরসা রাখতে পারছেন না। এটা মোটেই সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতার পক্ষে ভালো বিজ্ঞাপন নয়। বিশদ

21st  November, 2021
দুয়ারে রেশন: দীর্ঘ
দুর্ভোগের অবসান
তন্ময় মল্লিক

রেশন তোলার দিন হলেই অযোধ্যা পাহাড়ের বাঁধঘুট গ্রামের ববিতা মুর্মু, লক্ষ্মীমণি মুর্মুদের গায়ে জ্বর আসে। সাতসকালে উঠে একমুঠো পান্তা নাকেমুখে গুঁজেই বেরিয়ে পড়া। তাড়াতাড়ি পা চালায়। পাহাড়ি পথ ভেঙে যেতে হবে সেই পাথরডিহি। পাক্কা ১১কিলোমিটার। বিশদ

20th  November, 2021
নেহরুকে অপমান ও
এক প্রচারসর্বস্ব সরকার
সমৃদ্ধ দত্ত

তিনি কোনও কৃতিত্বই অন্য কেউ নিয়ে নিক, এটা পছন্দ করেন না। তাই লক্ষ্য করা যায়, সরকারের যে কোনও বৃহৎ প্রকল্প কিংবা সাফল্যের ঘোষণা সর্বদাই প্রধানমন্ত্রী মোদি করে থাকেন টিভিতে এসে অথবা কোনও মঞ্চে। অন্য কোনও মন্ত্রীকে কোনও বড়সড় ঘোষণাই করতে দেখি না। আর সমালোচকদের তিনি কখনও গুরুত্ব দেন না। মনে করেন শত্রু।
বিশদ

19th  November, 2021
একনজরে
গঙ্গার তীরের এই শহরকে বলা হয় ‘পূর্বের ম্যাঞ্চেস্টার’। বস্ত্রশিল্পে উন্নতির জন্যই এহেন নামকরণ। যদিও এখন টেক্সটাইল শিল্পে আগের রমরমা নেই। ঠিক যেমন ধার কমেছে গ্রিন ...

উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার থেকে ডালখোলা পর্যন্ত ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে জোরকদমে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এই কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ...

আরও কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে সংবাদ মাধ্যমের প্রবেশাধিকার। করোনা সংক্রমণের পর থেকে লোকসভা ও রাজ্যসভায় সংসদীয় কাজকর্ম কভার করার জন্য প্রেস গ্যালারিতে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। এবার করোনার প্রকোপ স্তিমিত হয়ে যাচ্ছে এবং ক্রমেই সব স্বাভাবিক হওয়ার উপর কেন্দ্র যখন জোর ...

বিজেপি ছাড়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সোমবার তৃণমূলের এক অনুষ্ঠান মঞ্চে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতি সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহসুখে মনে আনন্দ। শত্রুকে দুর্বল না ভেবে সতর্ক থাকুন। কর্মে বাধার মধ্যেই অগ্রগতির যোগ। অর্থকড়ি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর
১৮৫৮: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর জন্ম
১৮৬৬: জলের নিচে শিকাগোতে প্রথম হাইওয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়
১৮৭৪ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের জন্ম
১৯০৩ - কবি রাধারানী দেবীর জন্ম
১৯০৮: কবি বুদ্ধদেব বসুর জন্ম
১৯০৯: ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তের মৃত্যু
১৯১৭: জগদীশচন্দ্র বসুর ৬০তম জন্মদিবসে কলকাতায়  বসু বিজ্ঞান মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন
১৯৩৩: নারীশিক্ষার পথপ্রদর্শক শিক্ষাবিদ মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮৪: অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দুবালা দেবীর মৃত্যু
১৯৮৪: বিশিষ্ট তবলা শিল্পী রাধাকান্ত নন্দীর মৃত্যু
২০১২ - প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৯ টাকা ৭৫.৮১ টাকা
পাউন্ড ৯৮.২৪ টাকা ১০১.৬৬ টাকা
ইউরো ৮৩.০২ টাকা ৮৬.০৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৮০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী ৫০/২৭ রাত্রি ২/১৪। হস্তা নক্ষত্র ৩৬/১৭ রাত্রি ৮/৩৪। সূর্যোদয় ৬/৩/১১, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে। পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী  রাত্রি ৯/৫৩। হস্তা নক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
২৪ রবিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ছেলের অত্যাচারে আড়াই কোটির সম্পত্তি সরকারকে
ছেলের অত্যাচারে নাজেহাল হয়ে রাজ্য সরকারকে প্রায় আড়াই কোটি টাকার ...বিশদ

08:22:00 AM

আইসিএসই: পরীক্ষার প্রথম দিনেই সার্ভার বিভ্রাট
প্রশ্নপত্রে বিরাট জুজু না থাকলেও মসৃণভাবে শুরু হল না আইসিএসই ...বিশদ

08:15:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর ১৮৫৮: ...বিশদ

08:14:28 AM

শীঘ্রই শুরু হতে পারে করোনার বুস্টার ডোজ
আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যেই বাজারে আসতে পারে কোভিডের  বুস্টার ডোজ। সোমবার ...বিশদ

08:12:00 AM

আপনার আজকের দিনটি
মেষ: অর্থকড়ি উপার্জনের শুভ যোগ। বৃষ: সামাজিক কর্মে সাফল্য ও সুনাম ...বিশদ

08:05:49 AM

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ৫১১
গতকালের তুলনায় রাজ্যে বেশ কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ...বিশদ

29-11-2021 - 08:39:29 PM