Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ক্ষুধার দেশে মোদিজিকে
ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা...
হিমাংশু সিংহ

ক্ষুধার বিশ্বে ভারত সেঞ্চুরি পার করেছে। পেয়েছে ১০১তম স্থান। এজন্য অবশ্যই তাঁর বিশেষ ধন্যবাদ প্রাপ্য। গত সাত বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের সব ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু একচ্ছত্র অধিপতি যিনি সেই নরেন্দ্র মোদির। আরও শুভেচ্ছা এই কারণে যে জঙ্গি রাষ্ট্র পাকিস্তান এই তালিকায় ৯২তম স্থানে। আর প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও নেপাল যুগ্মভাবে ৭৬তম স্থানে। থাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা রয়েছে যথাক্রমে ৫৩ ও ৬৫ নম্বর স্থানে। আর আমরা একশো দেশের পিছনে। এককথায় এটাই মোদি জমানার উন্নয়নের লেখচিত্র। গাল ভরা ঘুরে দাঁড়ানোর নির্মম খতিয়ান। কাজ নেই, ব্যবসা ছত্রখান, পেট্রল-ডিজেল প্রতিনিয়ত দামি হচ্ছে। মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কায় মানুষ নাজেহাল। ঘরে ঘরে তাই অনাহার তো বাড়বেই। স্বাভাবিকভাবেই রাষ্ট্রসঙ্ঘ, বিশ্বব্যাঙ্ক এবং ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল (এফএও) সংস্থার তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি ওই রিপোর্টকে সরকার মানেনি। স্বীকার করতে চায়নি বাস্তবটাকে। কিন্তু গদিতে বসে না মানলেই প্রকৃত বাস্তব মিথ্যা হয়ে যায় না। তাই দেশজুড়ে অশুভ শক্তির বিনাশের দশেরার মধ্যেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
সরকারের দাবি মতো, দেশ আত্মনির্ভর হচ্ছে। খুব ভালো কথা। কৃষিতে, বিজ্ঞানে, প্রতিরক্ষায় সমস্ত বিভাগে আমরা আগুয়ান। রেকর্ড ধান চাল উৎপাদনের সরকারি ফিরিস্তি ঢালাও করে কাগজে ও অন্যান্য গণমাধ্যমে বিস্তারিত ছাপাও হয় নিয়মিত। কিন্তু যেটা ছাপা হয় না, সরকার বাহাদুরের কৃপায় আজীবন অন্ধকারেই থেকে যায়, তা হচ্ছে এই রেকর্ড ফসল উৎপাদনের পরেও গরিবের ঘরে ক্ষুধা আর অনাহারের জ্বলন্ত উদাহরণ। তিনটে পাশ করেও মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলের কাজ না পাওয়ার কাহিনি। বিনা পয়সায় চাল গম দেওয়ার ঢালাও প্রচারের পরও অজ্ঞাত কারণে তা গরিবের উঠোনে গিয়ে শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় না। প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা। পিএম কিষান স্কিম। সরকারি প্রকল্পের শেষ নেই। বরাদ্দ টাকাও অঢেল। হাজার হাজার কোটির আয়োজন। কিন্তু অফিসার, দালাল আর কামানেওয়ালা নেতার সৌজন্যে কোথায় যেন আসল উদ্দেশ্য হাওয়া হয়ে যায়। মধ্যিখানে নেপোয় মারে দই! কেন ও কীভাবে? এই রহস্যের পর্দা ফাঁস কোনও সরকারের আমলেই হয় না। এ আমলেও হবে না, এটাই ভারতীয় রাজনীতির চিরন্তন দস্তুর। ইদানীং আবার প্রশ্ন করতেই ভয় হয়, দেশবিরোধী কাজ আখ্যা দিয়ে পাকিস্তানি বলে না দেগে দেয় মোদি সরকার। প্রশাসন কালো দিকটা দেখায় না, আমরাও তাই বাধ্য দেশবাসীর মতো তা সচরাচর দেখতে পাই না। এভাবেই আসল সত্যিটা কখন হারিয়ে যায় কালের গর্ভে। ওসব ছেড়ে নরেন্দ্র মোদি সরকারের মন্ত্রীসান্ত্রি কেষ্টবিষ্টুদের হরেক কিসিমের দাবি নিয়ে উদ্বাহু হই। চোখে পড়ে না গরিব শ্রমিক, কৃষক খেটে খাওয়া মানুষের ঘরের সঙ্কট, ক্ষুধা, অনাহারের ইতিবৃত্ত।
অথচ সরকার ঠান্ডা ঘরে বসে যাই দাবি করুন, প্রকৃত চিত্র কিন্তু আদৌ গরিবি-রেখা থেকে বেরিয়ে আসা মানুষের গৌরবময় উত্তরণের কথা বলছে না। গরিব আরও গরিব আর আমির আরও আমির হচ্ছে। সেই কারণেই সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র উঠে আসছে গোটা বিশ্বের ক্ষুধার সূচকের (গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স) সাম্প্রতিকতম রিপোর্টে। সেই রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে আমাদের শ্রেষ্ঠ শারদ উৎসবের দিনগুলির মধ্যেই। কোনও ক্ষমতালোভী বিরোধী দল নয়, ঠোঁটকাটা সাংবাদিক নন, ওই রিপোর্ট প্রস্তুত করেছে বেশ কয়েকটি প্রথম সারির আন্তর্জাতিক সংস্থা মিলে। ওই সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছেন মার্কিন ও জার্মান বিশেষজ্ঞরাও। আর তা প্রকাশ করেছে একটি বিখ্যাত বিদেশি সংস্থা, কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড। চলতি একুশ সালে বিশ্বজোড়া ক্ষুধার সূচক বলছে, ভারতের অবস্থা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অত্যন্ত শোচনীয়। দেশে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা কিছুতেই কমছে না। উল্টে অনাহার ও খাদ্যের হাহাকার বাড়ছে। এই গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সের বিচারে একবছর আগেও বিশ্বের ১১৬টি দেশের নিরিখে ভারতের স্থান ছিল ৯৪ নম্বরে। আর এই পুজোর মধ্যে কোভিড বিধি ভেঙে আমরা যখন আনন্দে আত্মহারা, তখন যে রিপোর্ট বেরিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে আমরা নামতে নামতে ১০১ নম্বর স্থানে! মাত্র একবছরে এতটা অবনমন কেন? শোচনীয়ভাবে পাশের পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, মায়ানমারের চেয়েও পিছিয়ে। আরও বড় বিস্ময়, পিছিয়ে ইথিওপিয়ার চেয়েও। আন্তর্জাতিক সংস্থার এই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট নিঃসন্দেহে উৎসবের মধ্যেও প্রতিটি দেশবাসীর চোখ কপালে তোলার পক্ষে যথেষ্ট। 
এই অবনমনের ব্যর্থতা শুধু অনাহার আর ক্ষুধার সূচকেই সীমাবদ্ধ নেই। আছে যুদ্ধক্ষেত্রেও। ৫৬ ইঞ্চি ছাতির সেই দাপট যেন কোথায় স্তিমিত বিগত বেশ কিছুদিন ধরে। নাকি হিসেব তোলা থাকছে আগামী চব্বিশ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে ফের কোনও বিতর্কিত ধামাকার জন্য। আবার জাতীয়তাবাদ উস্কে একটা নাড়া দেওয়া বালাকোট অভিযান, ব্যস! চীন সেনা ঢোকাচ্ছে, ভিতরে ঢুকে নিঃশব্দে আস্ত ব্রিজ উড়িয়ে দিয়ে যাচ্ছে, লাদাখে লালফৌজ অস্ত্র বাড়াচ্ছে, যুদ্ধবিমান চক্কর কাটছে, আর আমরা রাফাল হাতে কেমন নির্বিকার। সংবাদমাধ্যমে প্রায় ছাপা হয় হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে অস্ত্রশস্ত্র কেনার ‘সাফল্য কাহিনি’। শত্রু নিকেশের নানা পরিকল্পনার কথা। শুধু রাফাল আনতেই খরচ ৬০ হাজার কোটি, যা ভারতের আকাশযুদ্ধে আরও শক্তিশালী হওয়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সন্দেহ নেই। আধুনিক হিংসায় উন্মত্ত বিশ্বে এই সমরসজ্জার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলাও নির্বুদ্ধিতা। কিন্তু আসল সময়ে পাল্টা জবাব কই? রাফাল, এস ৪০০ মিসাইল সিস্টেম কি পরের ভোটের আগে দেশবাসীর আবেগকে নাটকীয়ভাবে নাড়া দিতে আচমকা সার্জিকাল স্ট্রাইকের জন্য আপাতত তোলা থাকবে! 
উৎসবের মধ্যেও সুদূর কাশ্মীরে যে একঝাঁক জওয়ান মারা গেল তাঁদের পরিবারের কথা সরকার, সাধারণ মানুষ কেউ আমরা ভেবেছি? ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হলেই আমরা সব ভুলতে শুরু করি। এই উৎসবের আবহেও পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হাতে আবার নয় নয় করে সাতজন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন গত এক সপ্তাহে। গত ১০ অক্টোবরই প্রাণ হারান পাঁচ জন সেনা। পুজোর মধ্যেই আরও দু’তিনজন। তাঁদের আত্মবলিদানের কথা আলোচনা করার চেয়ে নকল ‘বুর্জ খালিফা’ নিয়ে মেতে থাকাটাই চকমকি আলোর নীচে দাঁড়িয়ে আমাদের মতো সুখবিলাসী মধ্যবিত্তের অগ্রাধিকার। তাই ওঁরা, দেশের আসল নায়করা আপাতত ব্রাত্য। বদলে সিনেমার নকল হিরোদের নিয়ে মাতামাতিতে মগ্ন হই আমরা। একটা না চলা সিরিয়ালে মুখ দেখাতে পারলেও কেল্লা ফতে। এঁরাই নাকি আধুনিক যুগের চকচকে সেলিব্রিটি। যুবক যুবতীদের রোল মডেল! আর কার্গিল যুদ্ধের শহিদ বীর সেনার পরিবার অন্ধকারে দিন কাটায়। সেদিকে প্রচারের আলো পৌঁছয় না। এ দুঃখও অনাহারের চেয়ে কম কীসে? সেদিকে নজর না দিয়ে এই উৎসবের মধ্যেও বিএসএফ নিয়ে সরকার এক আশ্চর্য নির্দেশিকা জারি করেছে। এবং দ্রুত তার গেজেট নোটিফিকেশনও বেরিয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও পাঞ্জাবে এখন থেকে সীমান্তের ভিতর ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান চালাতে পারবে সীমান্ত রক্ষীরা। নিঃসন্দেহে পশ্চিমবঙ্গ ও পাঞ্জাবের রাজ্য পুলিসের ক্ষমতা খর্ব করতেই এই ব্যবস্থা। এবং এর পিছনে ভোটসর্বস্ব রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ষোলোআনা কাজ করছে। পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার তার প্রতিবাদও করেছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রাজ্যের বিষয় হলেও তাতে কেন্দ্রের নাক গলানোর এই অতি সক্রিয়তা কমার কোনও লক্ষণ নেই। আর বিএসএফ সীমান্তটাই ঠিকমতো সামলাতে পারে না, তাদের হাতে বাড়তি এই বিরাট এলাকা পাহারা দেওয়ার ভার দিলে তার ফল কী হবে সহজেই অনুমান করা যায়!
আসলে উপর থেকে নীচ সব কিছুই রাজনৈতিক স্বার্থে চালিত হলে তার পরিণাম বিষময় হতে বাধ্য। হচ্ছেও তাই। কোভিড পর্বে বিনা পয়সায় গত প্রায় দু’বছর ধরে সরকার ঢালাও চাল-গম দিচ্ছে। মাঝে মাঝে এও প্রকাশিত হচ্ছে, ঠিক কত কোটি মানুষ সেই সুবিধা পেয়েছেন তার ঢালাও পরিসংখ্যান। সংখ্যাটা কোনও মাসেই ৮০ কোটির কম নয়। তবু দেশে অনাহার বাড়ছে কোন হিসেবে? তাহলে কি বিনা পয়সায় দেওয়া ওই চাল গম ডাল প্রকৃত গরিবের ঘরে পৌঁছচ্ছে না। মাঝপথে কোথাও গায়েব হয়ে যাচ্ছে। অবিলম্বে এর সর্বোচ্চ পর্যায়ের তদন্ত হওয়া উচিত। সরকার বাহাদুর মানুন আর নাই মানুন, বিদেশি সংস্থার রিপোর্ট চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে হাজারো ডিজিটাল ব্যবস্থা কার্যকর করার পরও সরকারি গণবণ্টন ব্যবস্থায় ঘুঘুর বাসা আগের মতোই রয়ে গিয়েছে। একটুও ভাঙা যায়নি। ফড়ে দালালরা আগের মতোই সমান সক্রিয়। যেমন নোট বাতিল করে কালো টাকাকে খতম করা যায়নি তেমনি এই নয়া ব্যবস্থাতেও সরকারি চাল-গম বণ্টনের আকাশপ্রমাণ দুর্নীতিও শেষ হয়নি! তাই কোষাগার থেকে যত টাকাই খরচ হোক না কেন গরিব মানুষ সেই তিমিরেই। মোদিজি আপনি এবারও পারলেন না।
17th  October, 2021
তথ্য সুরক্ষা বিল এবং
শাসকের ‘দূরের লক্ষ্য’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এ দেশের ক্ষেত্রে যদি নজরদারি চালানোটা আইনসিদ্ধ হয়ে যায়, তাহলে তো আর আড়াল-আবডালের প্রয়োজনই থাকবে না। সেটাই চাইছে কেন্দ্র। আইনি সিলমোহর। সরকার বিরোধী মতামত দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে সরকারের ভাড়া করা সৈন্যরা। টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাবে গারদের ওপারে।​​​​​
বিশদ

প্রভাবশালী ধনীরা
জবাবদিহির ঊর্ধ্বে
পি চিদম্বরম

ধনীরা প্রভাবশালী হয় এবং প্রভাবশালীরা ধনী হয়। একবার প্রভাবশালী এবং ধনী হয়ে গেলে, স্পষ্টতই তারা জবাবদিহির ঊর্ধ্বে চলে যাবে। এটাই হয়েছে আজেকর বিপদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জন শেরম্যান (প্রথম অ্যান্টিট্রাস্ট অ্যাক্ট, ১৮৯০—সাধারণভাবে যেটিকে শেরম্যান আইন হিসাবে উল্লেখ করা হয়) বিশদ

29th  November, 2021
কংগ্রেসের বিকল্প তৃণমূল
হলে আপত্তি কোথায়?
হিমাংশু সিংহ

গোটা দেশে ঝিমিয়ে পড়া বিরোধীদের শুকনো গাঙে তিনি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বিপ্লবের নয়া কেতন উড়িয়ে দিয়েছেন। ত্রিপুরা থেকে গোয়া। জাতীয় রাজনীতির মঞ্চেও মমতাই আজ মোদির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রতিপক্ষ।
বিশদ

28th  November, 2021
পুরভোটের সন্ত্রাসে বিপদ
বাড়ল ত্রিপুরা বিজেপির
তন্ময় মল্লিক

ত্রিপুরায় তৃণমূলকে শূন্য প্রমাণের জন্য পুরভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাস করে বিজেপি নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারল। ২০২৩ সালে আর ইউনিট টেস্ট নয়, বিপ্লব দেবকে বসতে হবে বোর্ডের পরীক্ষায়। পরীক্ষকের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

27th  November, 2021
কৃষকরা সকলের জন্যই
দিলেন জীবনের শিক্ষা
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদির বিরোধীদের কাছে একটাই সুসংবাদ যে, তিনি ইতিহাস চর্চা করেন না। যদি করতেন, তাহলে বহু পদক্ষেপ নেওয়ার আগে একবার ভারতের ইতিহাসের দিকে চোখ রাখতেন। খুব বেশি পরিশ্রমও করতে হতো না। কারণ তাঁর হাতের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে। তাঁর নিজের রাজ্যে।
বিশদ

26th  November, 2021
মোদির পিছু হটা কীসের ইঙ্গিত!
মৃণালকান্তি দাস

কে না জানে, একটি শাসকদল পিছু হটে তখনই, যখন সে বুঝতে পারে তার পায়ের তলার মাটি সরছে। পায়ের তলার মাটি একবার সরতে শুরু করলে কী হয় তা বাংলার মানুষ জানেন। সিঙ্গুরেও পিছু হটে নজির গড়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বুদ্ধবাবু ডুবেছিলেন, সিঙ্গুরের মানুষের মতামত না নিয়েই জোরজবরদস্তি জমি অধিগ্রহণ করে। মোদির ক্ষেত্রেও তাই। দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা ছাড়া কৃষিতে সংস্কারমূলক তিনটি আইন আনতে গিয়ে তিনিও ডুবেছেন।
বিশদ

25th  November, 2021
দুঃসময়ের রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী

একতারা হাতে এক বাউল এলেন। কোনও অনুরোধ ছাড়াই একটি প্রচলিত গান গেয়ে হাত পাতলেন। কিছু দেব কি দেব না ইতস্তত করছি। লোকটি আমার মন পড়ে নিলেন নিশ্চয়। কিছু দাবি করার পরিবর্তে প্রশ্ন রাখলেন, ‘বাবু, দুঃসময় কাকে বলে?’ বিশদ

24th  November, 2021
জনতার দাবি মানুন,
প্রায়শ্চিত্ত করুন
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তিনি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের নামে কুৎসা করেছেন... তাও তিনি রাষ্ট্রদ্রোহী নন। কারণ, তিনি ভারতের ‘অধিনায়ক’। ভোট প্রচারে রাজ্যে রাজ্যে গিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করেছেন, শালীনতার সীমা ছাড়িয়েছেন। তাও তিনি বীর দাস নন। তিনি প্রধানমন্ত্রী। ভোট আসছে... পাঁচ রাজ্যের। মোদিতন্ত্রের রাজদণ্ড এখন কথা বলছে গণতন্ত্রের। ক্ষমা চাইছে দেশবাসীর কাছে।
বিশদ

23rd  November, 2021
আমার হিন্দুধর্ম নিয়ে খুশি
পি চিদম্বরম

হিন্দুধর্মে একটি চার্চ, একটি পোপ, একজন প্রফেট বা নবী, একটি পবিত্র গ্রন্থ বা একটিমাত্র পালনীয় আচার নেই। প্রত্যেকটিই আছে অনেকগুলি করে। একজন হিন্দুর এই বহুর মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নেওয়ার অথবা সবগুলিকেই প্রত্যাখ্যান করার স্বাধীনতা আছে। কিছু পণ্ডিত যুক্তি দিয়েছেন যে হিন্দু হয়েও একজন আস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী অথবা নাস্তিক হতে পারেন!
বিশদ

22nd  November, 2021
নির্মম ইতিহাসের
সামনে ৫৬ ইঞ্চি ছাতি
হিমাংশু সিংহ

প্রধানমন্ত্রীর এই পিছু হটা যে কৃষকদের প্রতি সমবেদনা থেকে নয়, সম্পূর্ণ ভোট পাটিগণিতের প্রয়োজনে তা আজ সূর্যের আলোর মতোই পরিষ্কার। এখানেই তিনি সম্পূর্ণ ‘এক্সপোজড’। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসেও অন্নদাতা কৃষকরা আজ ভরসা রাখতে পারছেন না। এটা মোটেই সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতার পক্ষে ভালো বিজ্ঞাপন নয়। বিশদ

21st  November, 2021
দুয়ারে রেশন: দীর্ঘ
দুর্ভোগের অবসান
তন্ময় মল্লিক

রেশন তোলার দিন হলেই অযোধ্যা পাহাড়ের বাঁধঘুট গ্রামের ববিতা মুর্মু, লক্ষ্মীমণি মুর্মুদের গায়ে জ্বর আসে। সাতসকালে উঠে একমুঠো পান্তা নাকেমুখে গুঁজেই বেরিয়ে পড়া। তাড়াতাড়ি পা চালায়। পাহাড়ি পথ ভেঙে যেতে হবে সেই পাথরডিহি। পাক্কা ১১কিলোমিটার। বিশদ

20th  November, 2021
নেহরুকে অপমান ও
এক প্রচারসর্বস্ব সরকার
সমৃদ্ধ দত্ত

তিনি কোনও কৃতিত্বই অন্য কেউ নিয়ে নিক, এটা পছন্দ করেন না। তাই লক্ষ্য করা যায়, সরকারের যে কোনও বৃহৎ প্রকল্প কিংবা সাফল্যের ঘোষণা সর্বদাই প্রধানমন্ত্রী মোদি করে থাকেন টিভিতে এসে অথবা কোনও মঞ্চে। অন্য কোনও মন্ত্রীকে কোনও বড়সড় ঘোষণাই করতে দেখি না। আর সমালোচকদের তিনি কখনও গুরুত্ব দেন না। মনে করেন শত্রু।
বিশদ

19th  November, 2021
একনজরে
দক্ষিণ আফ্রিকা, বৎসোয়ানায় হদিশ মেলার পরেই গত সপ্তাহে ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। সোমবার করোনা ভাইরাসের নয়া রূপকে ‘অত্যন্ত ঝুঁকিপ্রবণ’ আখ্যা ...

রাজ্যের শস্যভাণ্ডার পূর্ব বর্ধমান জেলায় কৃষি যন্ত্রপাতি কেনা নিয়ে বড়সড় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। খোদ জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ জেলা কৃষিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছে। ...

আরও কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে সংবাদ মাধ্যমের প্রবেশাধিকার। করোনা সংক্রমণের পর থেকে লোকসভা ও রাজ্যসভায় সংসদীয় কাজকর্ম কভার করার জন্য প্রেস গ্যালারিতে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। এবার করোনার প্রকোপ স্তিমিত হয়ে যাচ্ছে এবং ক্রমেই সব স্বাভাবিক হওয়ার উপর কেন্দ্র যখন জোর ...

উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার থেকে ডালখোলা পর্যন্ত ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে জোরকদমে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এই কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহসুখে মনে আনন্দ। শত্রুকে দুর্বল না ভেবে সতর্ক থাকুন। কর্মে বাধার মধ্যেই অগ্রগতির যোগ। অর্থকড়ি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর
১৮৫৮: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর জন্ম
১৮৬৬: জলের নিচে শিকাগোতে প্রথম হাইওয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়
১৮৭৪ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের জন্ম
১৯০৩ - কবি রাধারানী দেবীর জন্ম
১৯০৮: কবি বুদ্ধদেব বসুর জন্ম
১৯০৯: ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তের মৃত্যু
১৯১৭: জগদীশচন্দ্র বসুর ৬০তম জন্মদিবসে কলকাতায়  বসু বিজ্ঞান মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন
১৯৩৩: নারীশিক্ষার পথপ্রদর্শক শিক্ষাবিদ মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮৪: অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দুবালা দেবীর মৃত্যু
১৯৮৪: বিশিষ্ট তবলা শিল্পী রাধাকান্ত নন্দীর মৃত্যু
২০১২ - প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৯ টাকা ৭৫.৮১ টাকা
পাউন্ড ৯৮.২৪ টাকা ১০১.৬৬ টাকা
ইউরো ৮৩.০২ টাকা ৮৬.০৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৮০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী ৫০/২৭ রাত্রি ২/১৪। হস্তা নক্ষত্র ৩৬/১৭ রাত্রি ৮/৩৪। সূর্যোদয় ৬/৩/১১, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে। পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী  রাত্রি ৯/৫৩। হস্তা নক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
২৪ রবিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আপনার আজকের দিনটি
মেষ: অর্থকড়ি উপার্জনের শুভ যোগ। বৃষ: সামাজিক কর্মে সাফল্য ও সুনাম ...বিশদ

08:01:54 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর ১৮৫৮: ...বিশদ

07:55:00 AM

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ৫১১
গতকালের তুলনায় রাজ্যে বেশ কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ...বিশদ

29-11-2021 - 08:39:29 PM

কানপুর টেস্ট ড্র
কম আলোর জন্য খেলা বন্ধ। কানপুর টেস্ট ড্র হিসেবে ঘোষণা ...বিশদ

29-11-2021 - 04:36:16 PM

তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট

29-11-2021 - 03:12:45 PM

ডিসেম্বর থেকে অন্যান্য দেশে কোভ্যাক্সিন রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত বায়োটেক

29-11-2021 - 03:10:06 PM