Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গণেশ জননী নবপত্রিকাবাসিনী দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

মার্কণ্ডেয় পুরাণের অন্তর্গত সপ্তশতী চণ্ডীতে দেবী দুর্গা শস্যদেবীরূপে যেন জগতে অবতীর্ণা এ বার্তা দৃপ্ত কণ্ঠে বিঘোষিত। সর্বজীবের প্রাণরক্ষার উপযোগী শাক-শস্যের দ্বারা তিনি পৃথিবীকে পালন করেন তাই মহাজননী শারদেশ্বরীর আর এক নাম শাকম্ভরী। 
চণ্ডীতে তাঁর নিজমুখে ঘোষণা, ‘হে দেবগণ, অনন্তর আমি আত্মদেহ সমুদ্ভূত প্রাণধারক শস্য সমূহের দ্বারা যতদিন না বৃষ্টি হয় ততদিন পর্যন্ত সমগ্র ত্রিভূবন পরিপালন করিব। এইজন্য আমি ‘শাকম্ভরী’ বলিয়া জগতে খ্যাতিলাভ করিব।’ শাকের অর্থ শস্য। রামায়ণে ও কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে উল্লেখ আছে, ফলমূলাদি সহ শাকসমূহ ও শস্যাধিষ্ঠাত্রী রূপে দেবী দুর্গা পূজিতা হন। নবপত্রিকার অর্চনা সেই প্রেরণারই জীবন্ত প্রতিমা।
দেবীশক্তির মূল সার্থকতা কৃষি জীবনে শস্যলক্ষ্মীরূপে। কৃষিজ সম্পদের মধ্যেও দেখি মহাশক্তির অস্তিত্ব। ‘যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেণ সংস্থিতা’ এই কথা বলা হয়। মা দুর্গা যে শুধু সমস্ত নারীর মধ্যেই প্রকটিত তা নয়, সকল উদ্ভিদের মধ্যেও তাঁর অধিষ্ঠান। উদ্ভিদ জগতের মধ্যে মাতৃত্বের দর্শন সর্বদেশীয় ব্যাপকতার এক দার্শনিক নিদর্শন। শস্যলক্ষ্মীরূপে মা দুর্গার প্রতিনিধি ‘নবপত্রিকা’র মূল উত্তরণ। এই নবপত্রিকা আসলে দেবীর প্রতীক শস্যবধূর-ই পুজো। নব মানে নয় এবং পত্রিকার অর্থ পাতা আছে এমন কিছু বৃক্ষলতা। মঙ্গলদায়িনী জগন্মাতা দুর্গা এখানে নয়টি গাছগাছড়াকে আশ্রয় করে অধিষ্ঠিতা। নয়টি গাছের চারার সমষ্টিগত মূর্তি নবপত্রিকা ধরিত্রীর উর্বরা শক্তিকে বারবার জাগিয়ে দেয়। যেসব ভেষজদ্রব্য ব্যবহার করলে মানুষ সুস্থ থাকে এইসব বৃক্ষ-লতার মধ্যে তাও বিদ্যমান। এই নয়টি গাছের নাম হল— কলা, কচু, হলুদ, জয়ন্তী, ডালিম, অশোক, বেল, মান ও ধান। এই নয় রকম গাছের চারাকে একসঙ্গে অপরাজিতা লতা দিয়ে বেষ্টন করে নবপত্রিকা তৈরি করা হয়।
কদলী দাড়িমী ধান্যং হরিদ্রা মানকং কচুঃ।
বিল্বাশোকৌ জয়ন্তী চ বিজ্ঞেয়া নবপত্রিকা।
শারদীয়া পুজোর সপ্তমীর দিন দুর্গা প্রতিমার ডানদিকে নবপত্রিকাকে স্থাপন করার রীতি। এই নবপত্রিকাকে লাল পাড় শাড়ি পরিয়ে সিঁদুর লাগিয়ে ঘোমটা দিলে দেখায়, ঠিক যেন এক নতুন বউ। তাই এই নবপত্রিকার নাম ‘কলা বউ।’ সিদ্ধিদাতা গণেশের পাশে এঁকে রাখা হয় বলে অনেকে গণেশের বউ বলে বর্ণনা করে থাকেন। কেউ কেউ মনে করেন, বাস্তবে এ ধারণা একেবারে ভুল। ইনি গণেশ জননী নবপত্রিকাবাসিনী দুর্গা। নবদুর্গারূপে পূজিতা। মহাকবি কৃত্তিবাস রচিত রামায়ণে নবপত্রিকা পুজোর কথা পাই— ‘বাঁধিলা পত্রিকা নববৃক্ষের বিলাস।’
শস্যদেবীরূপে নবপত্রিকার আরাধনা সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা কৃষিভিত্তিক বঙ্গ জীবনের পরিচায়ক। কলা, কচু, ধান, মান, বেল, হলুদ আমাদের দৈনন্দিন কৃষিনির্ভর জীবনের সম্পদ ও আবশ্যকীয় উপকরণ। বাংলার কৃষক খেত-খামারে যা ফলায়, যা পায় সবকিছুর মধ্যেই সে মাতৃত্বের সৃজনী ও পালনী শক্তিকে দর্শন করে। তাই পরাশর স্মৃতিতে দেখি, ‘কৃষিধন্যা কৃষিন্মেধ্যা জন্তুনাং জীবনং কৃষিঃ’— কৃষি ধন্যা, কৃষি পূজ্যা, কৃষিই প্রাণীগণের জীবন বা জীবিকা স্বরূপ।
শাস্ত্রকারেরা বলেছেন, নবপত্রিকার প্রত্যেক গাছে একজন করে দেবীমূর্তি আছেন। কদলী বৃক্ষকে চিন্তা করা হয়েছে ব্রহ্মাণীরূপে, ডালিম গাছে রক্তদন্তিকা, ধানের দেবী লক্ষ্মী, হলুদে দুর্গা মানে চামুণ্ডা, কচুতে আছেন কালিকা, বেলে শিবা, অশোকের দেবী শোকরহিতা আর জয়ন্তী গাছে কার্তিকী। এই অধিষ্ঠাত্রী দেবীদের সমবেত নামই হল নবপত্রিকাবাসিনী দুর্গা।
অনেকের মতে, বিশ্বাত্মিকা ভগবতী দুর্গা শস্যদায়িনী রূপেই প্রকট। নবপত্রিকার পুজো সে ভাবেরই সঙ্কেত দান করে। সুকুমার সেন তাঁর ‘পূজার পাঁচালি’ নিবন্ধে লিখেছেন, ‘আমাদের বাংলাদেশ বা পাশের রাজ্যগুলি চিরকালই ধান্যোপজীবী। আজ থেকে হাজার-দেড় হাজার বছর আগে এদেশে ফসলের দেবী যিনি ছিলেন, তিনিই আমাদের আসল দুর্গাদেবী। এই ধান্যমাতা দেবীর আসল নাম ছিল শারদা। এই দেবীর পূজাই হল শারদীয়া পূজা। এ পূজা শরৎকালে হতো। শারদাদেবী বৈদিক আমলে পরিচিত ছিলেন ‘উষা’ নামে। দেবীর পূজা হতো উষাকালে। দীর্ঘকাল পরে দেবী উষা মার্কণ্ডেয় পুরাণের মহাদেবীতে পরিণত হলেন। এবং পরবর্তীকালে মহিষমর্দিনীর সঙ্গে এক হয়ে যান। সেই সময় থেকে মহিষমর্দিনী মূর্তিটি পূজার প্রতিমারূপে গৃহীত হয়।’
ভারতের নদনদী, সাগর, সরোবরের জলে অনুষ্ঠিত হয় নবপত্রিকার অভিষেক। পতিতার গৃহের মৃত্তিকা সহ বিভিন্ন স্থানের মাটি, পথ্যশস্য,পঞ্চরত্ন ইত্যাদি নানাবিধ সুগন্ধী তৈলদ্রব্য কলাবউ-এর স্নানে অর্পিত হয়। সেইসঙ্গে লাগে পঁচাত্তর প্রকারের উপকরণ। ‘ওঁ আত্রেয়ী ভারতী গঙ্গা। 
যমুনা চ সরস্বতী’ ইত্যাদি মন্ত্রে সকল নদী ও সাগরের জলে যখন নবপত্রিকা স্নান শুরু হয়, তখন আমাদের স্মরণ করায় অখণ্ড ভারতের মানচিত্রটিকে। এ যেন গোটা ভারতের এক মিলন বন্ধন। এই পবিত্র স্নানের মধ্য দিয়ে জাতির সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় চিন্তার সুমহৎ তত্ত্বটি অতি পরিষ্কার ভাবে ফুটে উঠেছে।
নবপত্রিকার মহাস্নানকালে বিভিন্ন রাগ রাগিণীতে গীত ও বাদ্য বাজানোর বিধি মন্ত্রে দৃষ্ট হয়। যেমন: মালব রাগে বিজয় বাদ্য, ললিত রাগে বেদবাদ্য, বিভাস রাগে দুন্দুভি বাদ্য, ভৈরব রাগে ভীমবাদ্য, কেদার রাগে ইন্দ্রাভিষেক বাদ্য, বারারি রাগে শঙ্খবাদ্য, বসন্ত রাগে পঞ্চশব্দ বাদ্য ও ধানসি রাগে ভৈরব বাদ্য।
এক একটি উদ্ভিদকে এক এক রকম মন্ত্রে  এক এক রকম জলে স্নান করিয়ে তারপর পুজো করার নির্দেশ দিয়েছেন শাস্ত্রকাররা। যেসব পবিত্র মন্ত্রে কলাবউকে অর্চনা করতে হয় তার প্রতিটি মন্ত্র অতি সজীব ও প্রাণস্পর্শী। ঈষৎ উষ্ণজলে কলাগাছকে স্নান করিয়ে বলা হয়— হে চণ্ডিনায়িকা নবপত্রিকে! তুমি কদলীবৃক্ষে অধিষ্ঠান করে আছ। কিন্তু মূলে হচ্ছে তুমি বিষ্ণুবক্ষবিলাসিনী। বিষ্ণুর বক্ষে যে পালনী শক্তি, সেই শক্তি আছে এই কদলী বৃক্ষে। হে দেবি দুর্গা! তুমি পূজার সমীপস্থ হও। কদলী রূপে সর্বত্র শান্তি বিধান কর। ‘রম্ভা রূপেণ সর্বত্র শান্তিং কুরু নমোহস্তুতে।’ হলুদ গাছের অধিষ্ঠাত্রী দেবী দুর্গাকে শিশির জলে স্নান করিয়ে এই মন্ত্রে অর্চনা করতে হয়— হে হরিদ্রে! তুমি শঙ্কর প্রিয়ে। শিবের মতো তোমার রূপ। তুমি রুদ্ররূপে আমায় সর্বসিদ্ধি প্রদান কর। ‘সর্বসিদ্ধিং প্রযচ্ছ মে।’ ধানের অধিষ্ঠাত্রী মা লক্ষ্মীর চরণে প্রণতি জানিয়ে বলি, ধান্যরূপা হে দেবী! জগতের মঙ্গলের জন্য ব্রহ্মা তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। তুমি জগতের প্রাণদায়িনী। তুমি দেবী উমার প্রীতিদায়িকা। স্থিরা হয়ে তুমি আমাদের গৃহে কামপ্রদা হয়ে সর্বদা রক্ষা কর। ‘রক্ষ মাংসদা।’
লেখক প্রাবন্ধিক ও গ্রন্থপ্রণেতা
12th  October, 2021
তথ্য সুরক্ষা বিল এবং
শাসকের ‘দূরের লক্ষ্য’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এ দেশের ক্ষেত্রে যদি নজরদারি চালানোটা আইনসিদ্ধ হয়ে যায়, তাহলে তো আর আড়াল-আবডালের প্রয়োজনই থাকবে না। সেটাই চাইছে কেন্দ্র। আইনি সিলমোহর। সরকার বিরোধী মতামত দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে সরকারের ভাড়া করা সৈন্যরা। টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাবে গারদের ওপারে।​​​​​
বিশদ

প্রভাবশালী ধনীরা
জবাবদিহির ঊর্ধ্বে
পি চিদম্বরম

ধনীরা প্রভাবশালী হয় এবং প্রভাবশালীরা ধনী হয়। একবার প্রভাবশালী এবং ধনী হয়ে গেলে, স্পষ্টতই তারা জবাবদিহির ঊর্ধ্বে চলে যাবে। এটাই হয়েছে আজেকর বিপদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জন শেরম্যান (প্রথম অ্যান্টিট্রাস্ট অ্যাক্ট, ১৮৯০—সাধারণভাবে যেটিকে শেরম্যান আইন হিসাবে উল্লেখ করা হয়) বিশদ

29th  November, 2021
কংগ্রেসের বিকল্প তৃণমূল
হলে আপত্তি কোথায়?
হিমাংশু সিংহ

গোটা দেশে ঝিমিয়ে পড়া বিরোধীদের শুকনো গাঙে তিনি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বিপ্লবের নয়া কেতন উড়িয়ে দিয়েছেন। ত্রিপুরা থেকে গোয়া। জাতীয় রাজনীতির মঞ্চেও মমতাই আজ মোদির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রতিপক্ষ।
বিশদ

28th  November, 2021
পুরভোটের সন্ত্রাসে বিপদ
বাড়ল ত্রিপুরা বিজেপির
তন্ময় মল্লিক

ত্রিপুরায় তৃণমূলকে শূন্য প্রমাণের জন্য পুরভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাস করে বিজেপি নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারল। ২০২৩ সালে আর ইউনিট টেস্ট নয়, বিপ্লব দেবকে বসতে হবে বোর্ডের পরীক্ষায়। পরীক্ষকের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

27th  November, 2021
কৃষকরা সকলের জন্যই
দিলেন জীবনের শিক্ষা
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদির বিরোধীদের কাছে একটাই সুসংবাদ যে, তিনি ইতিহাস চর্চা করেন না। যদি করতেন, তাহলে বহু পদক্ষেপ নেওয়ার আগে একবার ভারতের ইতিহাসের দিকে চোখ রাখতেন। খুব বেশি পরিশ্রমও করতে হতো না। কারণ তাঁর হাতের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে। তাঁর নিজের রাজ্যে।
বিশদ

26th  November, 2021
মোদির পিছু হটা কীসের ইঙ্গিত!
মৃণালকান্তি দাস

কে না জানে, একটি শাসকদল পিছু হটে তখনই, যখন সে বুঝতে পারে তার পায়ের তলার মাটি সরছে। পায়ের তলার মাটি একবার সরতে শুরু করলে কী হয় তা বাংলার মানুষ জানেন। সিঙ্গুরেও পিছু হটে নজির গড়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বুদ্ধবাবু ডুবেছিলেন, সিঙ্গুরের মানুষের মতামত না নিয়েই জোরজবরদস্তি জমি অধিগ্রহণ করে। মোদির ক্ষেত্রেও তাই। দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা ছাড়া কৃষিতে সংস্কারমূলক তিনটি আইন আনতে গিয়ে তিনিও ডুবেছেন।
বিশদ

25th  November, 2021
দুঃসময়ের রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী

একতারা হাতে এক বাউল এলেন। কোনও অনুরোধ ছাড়াই একটি প্রচলিত গান গেয়ে হাত পাতলেন। কিছু দেব কি দেব না ইতস্তত করছি। লোকটি আমার মন পড়ে নিলেন নিশ্চয়। কিছু দাবি করার পরিবর্তে প্রশ্ন রাখলেন, ‘বাবু, দুঃসময় কাকে বলে?’ বিশদ

24th  November, 2021
জনতার দাবি মানুন,
প্রায়শ্চিত্ত করুন
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তিনি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের নামে কুৎসা করেছেন... তাও তিনি রাষ্ট্রদ্রোহী নন। কারণ, তিনি ভারতের ‘অধিনায়ক’। ভোট প্রচারে রাজ্যে রাজ্যে গিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করেছেন, শালীনতার সীমা ছাড়িয়েছেন। তাও তিনি বীর দাস নন। তিনি প্রধানমন্ত্রী। ভোট আসছে... পাঁচ রাজ্যের। মোদিতন্ত্রের রাজদণ্ড এখন কথা বলছে গণতন্ত্রের। ক্ষমা চাইছে দেশবাসীর কাছে।
বিশদ

23rd  November, 2021
আমার হিন্দুধর্ম নিয়ে খুশি
পি চিদম্বরম

হিন্দুধর্মে একটি চার্চ, একটি পোপ, একজন প্রফেট বা নবী, একটি পবিত্র গ্রন্থ বা একটিমাত্র পালনীয় আচার নেই। প্রত্যেকটিই আছে অনেকগুলি করে। একজন হিন্দুর এই বহুর মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নেওয়ার অথবা সবগুলিকেই প্রত্যাখ্যান করার স্বাধীনতা আছে। কিছু পণ্ডিত যুক্তি দিয়েছেন যে হিন্দু হয়েও একজন আস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী অথবা নাস্তিক হতে পারেন!
বিশদ

22nd  November, 2021
নির্মম ইতিহাসের
সামনে ৫৬ ইঞ্চি ছাতি
হিমাংশু সিংহ

প্রধানমন্ত্রীর এই পিছু হটা যে কৃষকদের প্রতি সমবেদনা থেকে নয়, সম্পূর্ণ ভোট পাটিগণিতের প্রয়োজনে তা আজ সূর্যের আলোর মতোই পরিষ্কার। এখানেই তিনি সম্পূর্ণ ‘এক্সপোজড’। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসেও অন্নদাতা কৃষকরা আজ ভরসা রাখতে পারছেন না। এটা মোটেই সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতার পক্ষে ভালো বিজ্ঞাপন নয়। বিশদ

21st  November, 2021
দুয়ারে রেশন: দীর্ঘ
দুর্ভোগের অবসান
তন্ময় মল্লিক

রেশন তোলার দিন হলেই অযোধ্যা পাহাড়ের বাঁধঘুট গ্রামের ববিতা মুর্মু, লক্ষ্মীমণি মুর্মুদের গায়ে জ্বর আসে। সাতসকালে উঠে একমুঠো পান্তা নাকেমুখে গুঁজেই বেরিয়ে পড়া। তাড়াতাড়ি পা চালায়। পাহাড়ি পথ ভেঙে যেতে হবে সেই পাথরডিহি। পাক্কা ১১কিলোমিটার। বিশদ

20th  November, 2021
নেহরুকে অপমান ও
এক প্রচারসর্বস্ব সরকার
সমৃদ্ধ দত্ত

তিনি কোনও কৃতিত্বই অন্য কেউ নিয়ে নিক, এটা পছন্দ করেন না। তাই লক্ষ্য করা যায়, সরকারের যে কোনও বৃহৎ প্রকল্প কিংবা সাফল্যের ঘোষণা সর্বদাই প্রধানমন্ত্রী মোদি করে থাকেন টিভিতে এসে অথবা কোনও মঞ্চে। অন্য কোনও মন্ত্রীকে কোনও বড়সড় ঘোষণাই করতে দেখি না। আর সমালোচকদের তিনি কখনও গুরুত্ব দেন না। মনে করেন শত্রু।
বিশদ

19th  November, 2021
একনজরে
দক্ষিণ আফ্রিকা, বৎসোয়ানায় হদিশ মেলার পরেই গত সপ্তাহে ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। সোমবার করোনা ভাইরাসের নয়া রূপকে ‘অত্যন্ত ঝুঁকিপ্রবণ’ আখ্যা ...

রাজ্যের শস্যভাণ্ডার পূর্ব বর্ধমান জেলায় কৃষি যন্ত্রপাতি কেনা নিয়ে বড়সড় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। খোদ জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ জেলা কৃষিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছে। ...

হিমঘর খোলা রাখার সরকার নির্ধারিত সময়সীমা আজ মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। কিন্তু এখনও হিমঘরে ১০ লক্ষ টনের বেশি আলু মজুত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সময়সীমা বৃদ্ধি করার ...

উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার থেকে ডালখোলা পর্যন্ত ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে জোরকদমে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এই কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহসুখে মনে আনন্দ। শত্রুকে দুর্বল না ভেবে সতর্ক থাকুন। কর্মে বাধার মধ্যেই অগ্রগতির যোগ। অর্থকড়ি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর
১৮৫৮: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর জন্ম
১৮৬৬: জলের নিচে শিকাগোতে প্রথম হাইওয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়
১৮৭৪ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের জন্ম
১৯০৩ - কবি রাধারানী দেবীর জন্ম
১৯০৮: কবি বুদ্ধদেব বসুর জন্ম
১৯০৯: ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তের মৃত্যু
১৯১৭: জগদীশচন্দ্র বসুর ৬০তম জন্মদিবসে কলকাতায়  বসু বিজ্ঞান মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন
১৯৩৩: নারীশিক্ষার পথপ্রদর্শক শিক্ষাবিদ মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮৪: অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দুবালা দেবীর মৃত্যু
১৯৮৪: বিশিষ্ট তবলা শিল্পী রাধাকান্ত নন্দীর মৃত্যু
২০১২ - প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৯ টাকা ৭৫.৮১ টাকা
পাউন্ড ৯৮.২৪ টাকা ১০১.৬৬ টাকা
ইউরো ৮৩.০২ টাকা ৮৬.০৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৮০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী ৫০/২৭ রাত্রি ২/১৪। হস্তা নক্ষত্র ৩৬/১৭ রাত্রি ৮/৩৪। সূর্যোদয় ৬/৩/১১, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে। পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী  রাত্রি ৯/৫৩। হস্তা নক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
২৪ রবিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ছেলের অত্যাচারে আড়াই কোটির সম্পত্তি সরকারকে
ছেলের অত্যাচারে নাজেহাল হয়ে রাজ্য সরকারকে প্রায় আড়াই কোটি টাকার ...বিশদ

08:42:43 AM

টুইটারের নয়া সিইও পরাগ আগরওয়াল 
 ইস্তফা দিলেন টুইটারের সিইও জ্যাক ডরসে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন ভারতীয় ...বিশদ

08:38:14 AM

পার্কিং ফি দ্বিগুণ হচ্ছে শহরে
শহরের রাস্তায় পার্কিং ফি দ্বিগুণ হচ্ছে। প্রায় ১০ বছর পর ...বিশদ

08:29:12 AM

আইসিএসই: পরীক্ষার প্রথম দিনেই সার্ভার বিভ্রাট
প্রশ্নপত্রে বিরাট জুজু না থাকলেও মসৃণভাবে শুরু হল না আইসিএসই ...বিশদ

08:15:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর ১৮৫৮: ...বিশদ

08:14:28 AM

শীঘ্রই শুরু হতে পারে করোনার বুস্টার ডোজ
আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যেই বাজারে আসতে পারে কোভিডের  বুস্টার ডোজ। সোমবার ...বিশদ

08:12:00 AM