Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

‘উপেক্ষিত নায়ক’ হয়েই
থেকে গেলেন দিলীপ
তন্ময় মল্লিক

বিজেপির দিল্লির নেতারা ৭৭-এ পৌঁছনোর অঙ্কটা ৩ থেকে শুরু না করে ১২১ থেকেই কষলেন। তাই মেয়াদ শেষের আগেই রাজ্য সভাপতির পদ থেকে অপসারিত হলেন দিলীপ ঘোষ। এটা কি বিজেপির ভাঙন ঠেকানোর পদক্ষেপ, 
নাকি শিক্ষিতদের পাশে পাওয়ার কৌশল! তবে, ব্যর্থতার দায় দিলীপ ঘোষের ঘাড়ে চাপিয়ে দিল্লির নেতাদের হাত ধুয়ে ফেলার অভিসন্ধিও অস্বীকার করা যাচ্ছে না। অপসারণের কারণ যাই হোক না কেন, টাইমিং নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অনেকে বলছেন, উপনির্বাচনের ফল খারাপ হলে দিলীপবাবুকে 
সরাতে পারত। তাতে সাপও মরত, লাঠিও ভাঙত না। আর বঙ্গে বিজেপিকে প্রতিষ্ঠিত করার মূল কাণ্ডারীর বিদায়পর্বটাও অসম্মানজনক হতো না। তা সত্ত্বেও কেন এই আচমকা ‘ঘাড়ধাক্কা’? এটা কি বিজেপির আদিদের প্রতি বিশেষ কোনও বার্তা? প্রশ্নটা তোলা থাকল।
বাংলায় মুখ থুবড়ে পড়ার জন্য দিলীপ ঘোষকে ‘বলির পাঁঠা’ করা হলেও তাঁকে ‘সাইড লাইনে’ রেখেই ‘মিশন-২০২১’ সফল করতে চেয়েছিলেন দিল্লির নেতারা। তারজন্য তাঁরা তৃণমূল ভাঙতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। ওজন না বুঝেই দলবদলুদের জন্য পাঠিয়ে দিয়েছিলেন চার্টার্ড প্লেন। কারণ? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে মরচে ধরা ‘মোদি ম্যাজিকে’র গায়ে রংয়ের প্রলেপ দিয়ে চকচকে করা। সেই বাসনা থেকেই নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ বঙ্গে শুরু করেছিলেন ডেলি প্যাসেঞ্জারি। বাঘের গুহায় ঢুকে বাঘ মেরে তাঁরা ‘বাঘাযতীন’ হতে চেয়েছিলেন। উল্টে বাঘই তাঁদের গিলে খেয়েছে।
দিলীপবাবুর হাত ধরেই এরাজ্যে বিজেপির উত্থান। সেটা তাঁর অতি বড় সমালোচকও মানেন। তবে, যেটা তাঁর সাফল্যের উপাদান, সেটাই সমালোচনার কারণ। দিলীপবাবু সমালোচিত হয়েছেন তাঁর আলটপকা ও গরম গরম মন্তব্যের জন্য। শাসক দলের মোকাবিলায় তাঁর হুমকির ভাষা কখনও কখনও সিনেমায় ভিলেনের সংলাপকেও হার মানিয়েছে। মিঠুন চক্রবর্তীর মারব এখানে লাশ পড়বে শ্মশানের স্টাইলে তিনি তৃণমূলীদের উদ্দেশে বলেছেন, আসবে হেঁটে, ফিরবে খাটিয়ায় চেপে। মুখের ভূগোল এমন করে দেব, মা, বউ দেখলেও চিনতে পারবে না। বুদ্ধিজীবীদের সমালোচনার উত্তরে বলেছেন, ‘রগড়ে দেব’।
বহু ক্ষেত্রেই তাঁর ‘ভাষা-সন্ত্রাস’ শালীনতার গণ্ডি অতিক্রম করেছে। তার জেরে রাজ্যজুড়ে নিন্দার ঝড় বয়েছে। এমনকী, বিজেপির বহু নেতাও প্রকাশ্যে কড়া সমালোচনা করেছেন। কিন্তু, কখনও দিলীপবাবু নিজের কথা থেকে পিছিয়ে আসেননি। আর পাঁচজন রাজনীতিকের মতো বিপাকে পড়ে পাল্টি খাননি। একবারও বলেননি, আমার কথার অপব্যাখ্যা হচ্ছে। এটাই দিলীপ ঘোষের স্টাইল।
দিলীপবাবু এমন একটা সময় বিজেপির সভাপতি হয়েছিলেন, যখন এরাজ্যে বিরোধী বলে প্রায় কিছুই ছিল না। ভয়ে ঘরে ঢুকে গিয়েছিল সিপিএম। বিজেপি সবে অঙ্কুরিত হচ্ছে। ফাঁকা মাঠে তখন শুধুই শাসক দলের মাতব্বরদের দাপাদাপি। মানুষ ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পেত না। তেমনই এক সময়ে বিজেপির হাল ধরেছিলেন দিলীপবাবু। তিনি বুঝেছিলেন, সিপিএমের ঘরে ঢুকে যাওয়া কর্মীদের কাছে টানতে হলে আগে সাহস জোগাতে হবে। আর তার একটাই রাস্তা, গরম গরম ভাষণ। তাই কথার ফুলঝুরির আগুনে তিনি মিইয়ে যাওয়া বাম কর্মীদের মনোবল সেঁকেছিলেন। তাঁর সেই গেমপ্ল্যান যে সফল, সেটা সবচেয়ে বেশি বুঝতে পারছেন সিপিএম নেতারা।
সভ্য সমাজ যাকে মান্যতা দেয় না সেটাই অশালীন, অশোভন। দিলীপবাবুর বহু কথা সভ্য সমাজে পাতে দেওয়ার অযোগ্য। তবুও তিনি সেই রাস্তাতেই হেঁটেছেন। কারণ দিলীপবাবু রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই বুঝেছিলেন, ঢাল, তরোয়াল বিহীন দলের তিনি হলেন ‘নিধিরাম সর্দার’। তাই সংগঠন দিয়ে তৃণমূলের মোকাবিলা অসম্ভব। টক্কর নেওয়ার রাস্তা একটাই, রক্ত গরম করা ভাষণ। রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সেটাই তিনি নিষ্ঠাভরে করে গিয়েছেন। তারজন্য সুশীল সমাজ তাঁকে অপছন্দ করলেও তিনি লাইন বদল করেননি। কারণ তিনি জানেন, তাঁর গরম গরম ভাষণ দলের নিচুতলার কর্মীদের কাছে ‘ভোকাল টনিকে’র কাজ করে।
ব্যর্থতার যাবতীয় দায় যে দিলীপ ঘোষের ঘাড়েই চাপতে চলেছে, তা তাঁকে দিল্লি তলবের দিন‌ই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। নাড্ডাজির জরুরি তলবের পরেও তাঁকে একটা দিন ‘ওয়েটিং রুমে’ ফেলে রাখা হয়েছিল। তখনই বোঝা গিয়েছিল, রাজ্য সভাপতির পদ থেকে তাঁর বিদায় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। দিলীপবাবুকে না সরালে বঙ্গে ব্যর্থতার দায় 
বিজেপির দিল্লির নেতাদের ঘাড়ে গিয়ে চাপত। কিন্তু রাজা কখনও ভুল করতে পারেন না। তাই দিলীপই হলেন ‘বলির পাঁঠা’।
তাৎপর্যপূর্ণ হল, রাজ্য সভাপতি বদলের টাইমিং। পরিবর্তন নির্দিষ্ট সময়ে হলে চর্চা হয় কম। মেয়াদ শেষে বা উপনির্বাচনের পর দিলীপবাবুকে সরানো হলে হয়তো কোনও প্রশ্নই উঠত না। কিন্তু মমতার উপনির্বাচনের মুখে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বদল করায় অনেকের মনে প্রশ্ন জাগছে, এই সময়ে সভাপতি পরিবর্তনের পিছনে কি অন্য কোনও কৌশল রয়েছে?
ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব যে অনেকেই ফিরিয়ে দিয়েছেন, সেকথা নিজে মুখে কবুল করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। শেষপর্যন্ত প্রিয়াঙ্কা টিবরিওয়ালকে প্রার্থী করে মুখরক্ষার লড়াইয়ে নেমেছে বিজেপি। মমতার সঙ্গে ধারেভারে কোনও কিছুতেই বিজেপি প্রার্থীর তুলনা চলে না। বিধানসভা নির্বাচনে মোদি-অমিত শাহ জুটি ‘ঝড়’ তোলার পরেও ভবানীপুরে তৃণমূল জিতেছিল প্রায় ২৮ হাজার ভোটে। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। মমতা একের পর এক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালন করেছেন। তাঁর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সমস্ত সামাজিক প্রকল্পের জনপ্রিয়তাকে ছাপিয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় মানুষের চর্চার মধ্যে থাকাটাই বিজেপির কাছে মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ।
বিজেপির ৩৮ শতাংশ ভোটের বেশিরভাগটাই সিপিএম থেকে আসা। মমতার সরকার উল্টে যাবে এমন আশায় বহু কট্টর বামকর্মীও বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তাঁরা বুঝেছেন, সবটাই ছিল প্রচারের ধাপ্পাবাজি। তাই তাঁদের অনেকেরই মোহভঙ্গ হচ্ছে। এর পাশাপাশি যত দিন যাচ্ছে বিজেপি ততই ভাঙছে। দলবদলু নেতারা একে একে ফিরছেন তৃণমূলে। এমনকী, ঘরের ছেলেদেরও বিজেপি ধরে রাখতে পারছে না। এই অবস্থায় বিজেপির ভোট কোথায় গিয়ে ঠেকবে বলা কঠিন।
ভবানীপুরের উপনির্বাচনের লড়াইয়ে কংগ্রেস না থাকলেও আছে সিপিএম। বিজেপির সেটাই চিন্তার জায়গা। ভবানীপুরে বিজেপিকে সিপিএম টেক্কা দিয়ে বেরিয়ে যাবে, এমনটা নয়। কিন্তু সিপিএমের কিছুটা শক্তি বাড়ালেই চাপে পড়বে বিজেপি। আচমকা দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে সেই চাপ থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছেন অমিত শাহরা। এর আগেও একইভাবে নানা ইস্যু তৈরি করে প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেছে বিজেপি।
২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে ১৮টি আসন পাওয়ার পর দিলীপ ঘোষকে নিয়ে কর্মী সমর্থকদের বাড়াবাড়ি বিজেপির প্রভাবশালীরা ভালো চোখে দেখেননি। সম্ভবত তখন থেকেই দিলীপবাবুকে টেনে নামানোর ব্লুপ্রিন্ট তৈরি শুরু। তাঁর ‘ডানহাত’ বলে পরিচিত সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সংগঠন থেকে সরিয়ে দেওয়াটা ছিল সেই নীল নকশার প্রথম পদক্ষেপ। বাংলার ভোটেও তাঁকে গুরুত্বহীন করে রাখা 
হয়েছিল। প্রার্থী ঠিক করার ব্যাপারে তাঁর চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্ব পেয়েছেন ‘দলবদলু’ নেতারা। এমনকী, বিজেপি ক্ষমতা দখল নিশ্চিত বোঝাতে মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য চার চারজন সাংসদকে বিধানসভার টিকিট দেওয়া হয়েছিল। সেখানেও দিলীপ ঘোষের নাম ছিল না। মোদিজির মন্ত্রিসভায় বাংলায় তাঁর হাঁটুর বয়সি নেতারা জায়গা পেলেও 
তাঁর ঠাঁই হয়নি। এরপরেও যাঁরা দিলীপবাবুর সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হওয়াকে প্রোমোশন বলছেন, তাঁরা বিদ্রুপ করছেন।
মুখ বদলে ‘মুখরক্ষা’ মোদি-অমিত শাহ জমানার নয়া কৌশল। গুজরাত থেকে বাংলা, সর্বত্র একই ট্রেন্ড। কেন্দ্রের ব্যর্থতার দায় অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে মানুষকে বোকা বানানোর এই টেকনিক তাঁদেরই আমদানি। দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে দিয়ে সুকান্ত মজুমদারকে বসানো তারই অঙ্গ। 
এভাবে দলের ভাঙন ঠেকানো যাবে কি না, বিভাজনের রাজনীতি চালিয়ে গিয়েও সুশীল সমাজকে পাশে পাবে কি না, সেটা সময়ের উপর ছেড়ে দেওয়াই ভালো। তবে, বঙ্গে বিজেপিকে প্রতিষ্ঠিত করার কাণ্ডারীর এই ‘ঘাড়ধাক্কা’ খাওয়াটা দলের আদিদের জন্য অশনি সঙ্কেত। ৩ থেকে ৭৭-এ পৌঁছে দিয়েও দিলীপ ঘোষ সম্মান পেলেন না। বঙ্গ বিজেপির ইতিহাসে তিনি ‘উপেক্ষিত নায়ক’ হয়েই থেকে গেলেন।
25th  September, 2021
দু’টো ডোজ মানেই
বিশল্যকরণী নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

করোনা বিদায় নেয়নি। তা সত্ত্বেও আনন্দে মেতেছেন এঁরা... পুজো কমিটির ধারক ও বাহকেরা। তাঁরা প্রভাবশালী। তাই ২০০৯ সালের কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ হেলায় অমান্য করতে পারেন। আদালত তো জানিয়েই দিয়েছিল, কোনওভাবে মণ্ডপের উচ্চতা যেন ৪০ ফুট না ছড়ায়। তা সত্ত্বেও বছরের পর বছর বহু পুজো কমিটি ইচ্ছেমতো প্রভাব খাটিয়ে চলেছে।
বিশদ

মানবাধিকারের পক্ষে ক্ষতিকারক মানসিকতা
পি চিদম্বরম

গত তিন বৎসরাধিককালে প্রধানমন্ত্রী ভীমা কোরেগাঁও মামলায় বন্দিদের মানবাধিকার নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি। এমনকী এনআইএ নামক যে সংস্থার দায়িত্বে তিনি রয়েছেন তার তরফে এই মামলার অভিযোগ গঠনে দীর্ঘ বিলম্বের কারণ নিয়েও তিনি নিশ্চুপ। ... আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত যখন তিনি বলেন, ‘‘এই ধরনের মানসিকতা মানবাধিকারের প্রভূত ক্ষতিসাধন করে।’’ বিশদ

18th  October, 2021
ক্ষুধার দেশে মোদিজিকে
ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা...
হিমাংশু সিংহ

এই অবনমনের ব্যর্থতা শুধু অনাহার আর ক্ষুধার সূচকেই সীমাবদ্ধ নেই। আছে যুদ্ধক্ষেত্রেও। ৫৬ ইঞ্চি ছাতির সেই দাপট যেন কোথায় স্তিমিত বিগত বেশ কিছুদিন ধরে। নাকি হিসেব তোলা থাকছে আগামী চব্বিশ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে ফের কোনও বিতর্কিত ধামাকার জন্য।
বিশদ

17th  October, 2021
সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া
স্কুল খোলা উচিত নয়
মৃন্ময় চন্দ

ভারতে স্কুল বন্ধ ১৭ মাস। লকডাউন পর্বে বেহাল শিক্ষার হালহকিকত জানতে বিহারের, ঔরাঙ্গাবাদের বিজেপি সাংসদ সুশীল কুমার সিং, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন লিখিত আকারে পেশ করেছেন। যেমন, করোনা অতিমারীর কারণে রাজ্যভিত্তিক স্কুলছুটের সঠিক তথ্য-পরিসংখ্যান সরকারের কাছে আছে কি না? বিশদ

17th  October, 2021
গণেশ জননী নবপত্রিকাবাসিনী দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

মার্কণ্ডেয় পুরাণের অন্তর্গত সপ্তশতী চণ্ডীতে দেবী দুর্গা শস্যদেবীরূপে যেন জগতে অবতীর্ণা এ বার্তা দৃপ্ত কণ্ঠে বিঘোষিত। সর্বজীবের প্রাণরক্ষার উপযোগী শাক-শস্যের দ্বারা তিনি পৃথিবীকে পালন করেন তাই মহাজননী শারদেশ্বরীর আর এক নাম শাকম্ভরী।  বিশদ

12th  October, 2021
১৮ লক্ষ প্রদীপ এবং কিছু বাস্তব
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উত্তরপ্রদেশে ১৮ লক্ষ দিয়া জ্বালিয়ে এই অবিচারের অন্ধকার দূর হবে কি? কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে, আপনার তরফ থেকে একটাও বিবৃতি জারি হয়নি। এখনও না। কেন? ওই মানুষগুলো কি এতটুকুরও যোগ্য নয়? করুণা তারা চায়নি। টাকাও নয়। তারা চেয়েছিল বিচার। বিশদ

12th  October, 2021
কার আইন, কার আদেশ?
পি চিদম্বরম

শব্দগুলি জোরে এবং স্পষ্ট, উচ্চাঙ্গে, প্রায় নাটকীয়ভাবে বেজে ওঠে, ‘আমরা, ভারতের জনগণ ... নিজেদেরকে এই সংবিধান দিয়েছি।’ এবং স্বাধীনতা, সৌভ্রাতৃত্ব এবং অন্যান্য উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সবাইকে সুরক্ষিত করার জন্য আমরা আমাদেরকে এই সংবিধান দিয়েছি।
বিশদ

11th  October, 2021
কৃষকের রক্ত লেগেছে
হাতে তবু পুলিস নির্বিকার...
হিমাংশু সিংহ

সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় কেন্দ্রকে নিশানা করে যোগী সরকারকে জোরালো ভর্ৎসনা না করলে হয়তো গ্রেপ্তারির প্রক্রিয়া শুরু হতো না। সমনের নোটিসও ইস্যু হতো না মন্ত্রিপুত্রের নামে। শুধু একটা এফআইআর করেই দায় সারতে চেয়েছিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। যেন মৃতদের পরিবারের জন্য নেহাতই একটা সান্ত্বনা পুরস্কার।​​​
বিশদ

10th  October, 2021
 মমতাকে আটকানোই যেন লক্ষ্য না হয়
 
​​​​​​​

কেউ উপরে উঠতে গেলেই শুরু হয়ে যায় টেনে নামানোর মরিয়া চেষ্টা। কর্মক্ষেত্র থেকে রাজনীতি, সর্বত্র একই ছবি। সেই কারণে মুখে মুখে ছড়ানো ‘বাঙালি কাঁকড়া’র গল্প এত জনপ্রিয়। জাতীয় রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুরুত্ব বাড়তেই শুরু হয়েছে তাঁকে টেনে নামানোর লড়াই।​​​​​​
বিশদ

09th  October, 2021
সিপিএমের রাজনৈতিক
ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে?
সমৃদ্ধ দত্ত

মানুষ তৃণমূলকে কেন ভোট দিচ্ছে? এসব বিশ্লেষণ না করে, সিপিএমের বিশ্লেষণ করা উচিত ছিল যে, আমাদের কেন দিচ্ছে না? এখন বিশ্লেষণ করে কাজ হবে? না হবে না। দেরি হয়ে গিয়েছে। বাংলায় সিপিএম ক্রমেই পরিণত হয়ে যাবে একটি অতীত পার্টিতে! স্মৃতির রাজনীতি হয়ে! বাঙালির নতুন নস্টালজিয়া-সিপিএম!
বিশদ

08th  October, 2021
এ নরেন সে নরেন নয়!
মৃণালকান্তি দাস

বিশ্বকে মানবতার মূল্য শিখিয়েছিলেন স্বামীজি...
তারিখটি ছিল ৯/১১। শিকাগো ভাষণের বর্ষপূর্তিতে স্বামী বিবেকানন্দকে স্মরণ করে এমনই মন্তব্য করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি বলেছিলেন, মানবতার মূল্য বুঝতে আজও ১৮৯৩ সালের সেই বক্তৃতার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রধানমন্ত্রী বেলুড় মঠের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে থাকা স্বামীজির বাণী সংযুক্ত করেছিলেন নিজের টুইটে।
বিশদ

07th  October, 2021
মোদি সরকারের ভ্যাকসিন ব্যর্থতা
হারাধন চৌধুরী

টিকাকরণের স্বল্পতা এবং ধীরগতির পুরো দায় সরকারের। ভ্যাকসিন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশের মাথা হেঁট হয়ে যাওয়ার দায়ও নিতে হবে মোদি সরকারকে। বিদেশের মাটিতে এই যে উপর্যুপরি মর্যাদাহানি, এটা ভারতের বিরাট কূটনৈতিক ব্যর্থতাও বটে। বিশদ

06th  October, 2021
একনজরে
সাইকেল চোর সন্দেহে বছর বত্রিশের এক হাইস্কুল শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠল ইংলিশবাজার পুরসভার ওয়ার্ড কোঅর্ডিনেটর তৃণমূল কংগ্রেসের পরিতোষ চৌধুরী ওরফে সেভেন ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে। ...

পুজোর আগে থেকেই সব্জির বাজার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। টোম্যাটো, পটল, বেগুন বা অন্যান্য সব্জি কিনতে গিয়ে ক্রেতাদের মাথায় হাত পড়েছে। অনেকেই আশা করেছিলেন, পুজোর কয়েকটা দিন ...

‘বর্তমান’-এর প্রাক্তন কর্মী গণেশচন্দ্র দাস প্রয়াত। বেলঘরিয়ার বাসিন্দা গণেশবাবু গত ১০ অক্টোবর বেলা ১টা ২০ মিনিট নাগাদ একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর ...

এটিকে মোহন বাগানের নতুন সহকারী কোচ হচ্ছেন বাস্তব রায়। সঞ্জয় সেন টানা পাঁচ মাস জৈব বলয়ে থাকতে চাইছেন না বলেই তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হল। যুব উন্নয়নের দায়িত্বে রাখা হচ্ছে সঞ্জয় সেনকে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মে বাধা থাকলেও অগ্রগতি হবে। ব্যবসায় লাভ হবে সর্বাধিক। অর্থাগম যোগটি শুভ। কর্মক্ষেত্রে এবং রাজনীতিতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৩৮৬: জার্মানীর সর্বাপেক্ষা প্রাচীন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়
১৮৬৯: স্বাধীনতা সংগ্রামী মাতঙ্গিনী হাজরার জন্ম
১৮৮৮: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন
১৯০৩:বিশিষ্ট সুরকার তথা সঙ্গীত পরিচালক রাইচাঁদ বড়ালের জন্ম
১৯২৪: কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর জন্ম
১৯৫৬: বলিউড তারকা সানি দেওলের জন্ম
২০০৫: বাগদাদে শুরু হয় সাদ্দাম হুসেনের বিচার প্রক্রিয়া



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৬০ টাকা ৭৬.৯২ টাকা
পাউন্ড ১০০.৯৮ টাকা ১০৫.৮৩ টাকা
ইউরো ৮৫.১৫ টাকা ৮৯.২৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,০০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৫৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,২৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

দিনপঞ্জি----------------------

দৃকসিদ্ধ: ২ কার্তিক, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১। চর্তুদ্দশী ৩৩/৩৩ রাত্রি ৭/৪। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৬/২৫ দিবা ১২/১২। সূর্যোদয় ৫/৩৮/১৪, সূর্যাস্ত ৫/৫/২। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৪ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ১০/৫৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৭ গতে ৮/২৭ মধ্যে পুনঃ ৯/১৬ গতে ১১/৪৭ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৮ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪ গতে ৮/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৩৯ গতে ৮/১৩ মধ্যে। 
১ কার্তিক, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১। চর্তুদ্দশী রাত্রি ৬/৪৫। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১/৮। সূর্যোদয় ৫/৩৯, সূর্যাস্ত ৫/৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে ও ৭/১৭ গতে ১০/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৭ গতে ৮/১৯ মধ্যে ও ৯/১৯ গতে ১১/৪৬ মধ্যে ও ১/৩০ গতে ৩/১৩ মধ্যে ও ৪/৫৭ গতে ৫/৪০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৫ গতে ৮/৩১ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৪০ গতে ৮/১৪ মধ্যে।
১২ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে মহিলাদের ৪০ শতাংশ টিকিট দেবে কংগ্রেস
আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে মহিলাদের ৪০ শতাংশ টিকিট দেবে কংগ্রেস। ...বিশদ

03:35:25 PM

ভারত-পাক ম্যাচের আগে একসঙ্গে দুই কোচ
রবিবার মরুশহরে আয়োজিত হবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। ভারত-পাক ম্যাচ শুরু হওয়ার ...বিশদ

03:13:30 PM

বিশ্ব ক্রমতালিকায় প্রথম দশ থেকে ছিটকে গেলেন ফেডেরার
লন টেনিসের অন্যতম কিংবদন্তি রজার ফেডেরোর। এখনও পর্যন্ত ২০টি গ্র্যান্ড ...বিশদ

02:51:17 PM

সাপের কামড়ে মৃত্যু গৃহবধূর
ঘরে ঘুমানোর সময় সাপের কামড়ে মৃত্যু হল এক গৃহবধূর। গুসকরা ...বিশদ

02:44:10 PM

নৈনিতালের লেকের জল উপচে পড়ছে রাস্তায়
একটানা বৃষ্টির ফলে উত্তরাখণ্ডের নৈনিতালে লেকের জল উপচে পড়ছে রাস্তায়। ...বিশদ

02:13:39 PM

হলদিয়ার এলপিজি বটলিং প্ল্যান্টে জখম শ্রমিকের সঙ্গে দেখা করলেন তাপস মাইতি
হলদিয়ার এলপিজি বটলিং প্ল্যান্টে দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম শ্রমিকের সঙ্গে মঙ্গলবার ...বিশদ

02:09:58 PM