Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিমা দুর্নীতির ইতিহাস
ভুলে গিয়েছেন মোদি
মৃণালকান্তি দাস

না খায়ুঙ্গা, না খানে দুঙ্গা!
বড় মুখ করে বলতেন নরেন্দ্র মোদি। সেই প্রধানমন্ত্রীই আজ দেশের ‘দুর্নীতির ইতিহাস’ ভুলে গিয়েছেন। যে ইতিহাসে জড়িয়ে পড়েছিল ভারতীয় জীবনবিমা নিগম (লাইফ ইন্সিওরেন্স কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া)-র নাম। 
১৯৪৬ সাল। স্বাধীনতার দোরগোড়ায় ভারত। এই সময়ে রাম কিষন ডালমিয়া কিনে নিলেন ভারতের প্রখ্যাত মিডিয়া হাউস। প্রভাবশালী শিল্পপতি পা রাখলেন প্রকাশনার জগতে। কিন্তু ডালমিয়া গ্রুপের ক্রমবর্ধমান ব্যবসা একা সামলানো দায়। রাম কিষন তিনভাগ করলেন নিয়ন্ত্রণ-কাঠামো। মূল ভাগ নিজের হাতে। একাংশের দায়িত্ব গেল ভাই জয়দয়াল ডালমিয়ার হাতে। অন্য অংশের দায়িত্বে জামাই শান্তি প্রসাদ জৈন। তৈরি হল ডালমিয়া-জৈন গোষ্ঠী। যাঁদের হাত ধরেই স্বাধীন ভারতের গায়ে লেগেছিল দুর্নীতির কালো দাগ!
দেখতে দেখতে আরও পাঁচ বছর। ১৯৫১-তে ভারতের প্রথম নির্বাচন। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। স্বাধীনতার পর থেকেই বহু দেশীয় বাণিজ্যিক গোষ্ঠী ক্রমশ রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে থাকে। পাশাপাশি দেশে আর্থিক অনিয়মও মাথাচাড়া দিতে থাকে। আর তখনই গোল বাঁধালেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর জামাই। রায়বেরিলির সাংসদ ফিরোজ গান্ধী টের পেলেন, দেশের প্রখ্যাত মিডিয়া হাউস বেচাকেনার পিছনে বড় আর্থিক ঘোটালা রয়েছে। বহু নথি ঘেঁটে ১৯৫৫-র ৬ ডিসেম্বর ফিরোজ গান্ধী পার্লামেন্টে তুলে ধরেছিলেন সেই দুর্নীতির কথা। ১ ঘণ্টা ৫০ মিনিটের লম্বা ভাষণে চমকে দিয়েছিলেন গোটা দেশকে। তথ্য দিয়ে সেদিন ফাঁস করেছিলেন ডালমিয়া-জৈন গোষ্ঠীর মালিকানাধীন ভারত ব্যাঙ্ক ও ভারত ইনস্যুরেন্স কোং লিমিটেড কেমন করে বিমা গ্রাহকদের প্রতারণা করছে। গোপনে বিমা কোম্পানির টাকা কীভাবে অন্যান্য উদ্যোগে কাজে লাগানো হচ্ছে। আর বেআইনি পথে লাভের অর্থ কীভাবে যোগ হচ্ছিল শিল্পগোষ্ঠীর কর্তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে। সংসদে ফিরোজের প্রথম ভাষণের জেরেই বেসরকারি বিমা সংস্থার মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছিল। শ্বশুর প্রধানমন্ত্রী নেহরু যতই বিড়ম্বনায় পড়ুক, তার চেয়েও দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন জামাই ফিরোজ গান্ধী।
এরপর লোকসভায় ক্রমাগত বিমা জাতীয়করণের দাবি তুলে সরব হতে দেখা গিয়েছিল ফিরোজ গান্ধীকে। বেসরকারি সংস্থার হাতে থাকা বিমা ব্যবসার ত্রুটি বিচ্যুতি নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তুলেছিলেন। বিভিন্ন নথিপত্র ঘেঁটে জানিয়েছিলেন, সেই সময় ৬৬টি সংস্থা বিমা নিয়ন্ত্রকের কাছে তাদের হিসাব সংক্রান্ত তথ্য জমা করেনি। ২৩টি সংস্থা তাদের কোম্পানির ‘ভ্যালুয়েশন’ সংক্রান্ত নথি জমা দেয়নি। তাঁর মনে হয়েছিল বিমাকারীদের স্বার্থরক্ষার্থে শুধু বিমা আইন সংশোধনই যথেষ্ট নয়। দেশের সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে প্রয়োজন বিমার জাতীয়করণ। শুরু হয়ে গিয়েছিল প্রবল হইচই। বাধ্য হয়ে নেহরু সরকার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ভিভিয়ান বোসের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করে। কমিশনের রিপোর্ট স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়, ব্যাঙ্ক ও বিমা কোম্পানির অর্থ অবৈধভাবে ব্যবহার করেছেন প্রভাবশালী শিল্পপতি রাম কিষন ডালমিয়া। দু’বছরের কারাদণ্ড হয় রাম কিষনের। তিহার জেলে অবশ্য খুব সামান্য সময়ই থাকতে হয়েছিল তাঁকে। প্রায় গোটা সময়টাই চিকিৎসার অছিলায় বিভিন্ন হাসপাতালেই কাটিয়েছিলেন।
বিমা জাতীয়করণের উদ্যোগকে সেদিন সমর্থন জানিয়েছিল বিরোধীদল কমিউনিস্ট এবং সোশ্যালিস্টরা। ফলে ১৯৫৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ভারতে জীবনবিমা জাতীয়করণ করা হয়। ওই সময় ১৫৪টি ভারতীয় জীবনবিমা সংস্থা, ১৬টি বিদেশি সংস্থা এবং ৭৫টি প্রভিডেন্ট অর্থাৎ মোট ২৪৫টি সংস্থা ছিল। এই সংস্থাগুলিকে জাতীয়করণ করা হয়েছিল দু’টি ধাপে। প্রাথমিকভাবে অর্ডিন্যান্স জারি করে সংস্থাগুলির ম্যানেজমেন্টকে হাতে নেওয়া হয়। তারপরে বিল জারি করে মালিকানা নেওয়া হয়েছিল। ১৯৫৬-র ২৩ মে জীবনবিমা নিগম বিল এবং ১৯ জুন ভারতীয় জীবনবিমা নিগম আইন-১৯৫৬ পাশ হয়। এর কয়েকমাসের মধ্যেই ১৯৫৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর ভারতীয় জীবনবিমা নিগম-এর আত্মপ্রকাশ। নিগমের কেন্দ্রীয় অফিস হয় তৎকালীন বম্বেতে। কেন্দ্রীয় অর্থসচিব এইচ এম প্যাটেলকে নিগমের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনিই তখন হন নতুন এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান। একইসঙ্গে টি টি কৃষ্ণমাচারি হন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। কারণ, তার আগেই পূর্ববর্তী অর্থমন্ত্রী সি ডি দেশমুখ পদত্যাগ করেছিলেন। বিমা জাতীয়করণের পর সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে ফিরোজ বলেছিলেন, ‘ঘোড়া ধরে রাখার জন্য আপনার লাগাম লাগবে, একটি হাতি ধরে রাখার জন্য আপনার একটি শেকল দরকার।’ কিন্তু এরপরও দুর্নীতি পিছু ছাড়েনি!
১৯৫৭ সালেও রায়বেরিলি থেকে ফের জিতে সংসদে ফিরোজ গান্ধী। তখনই তাঁর নজরে আসে কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জের ফাটকাবাজ হরিদাস মুন্দ্রা কেমন করে জীবনবিমা নিগমে তার প্রভাব খাটাচ্ছে। এই মুন্দ্রা ১৯৫৪ সালে ব্যবসা শুরু করে দু’বছরের মধ্যে ধনকুবের হয়ে উঠেছিল। ফলে ১৯৫৭ সালের শেষদিকে জীবনবিমা নিয়ে ফের লোকসভা উত্তাল করেন ফিরোজ। সংসদে প্রশ্ন তোলেন, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জীবন বিমা নিগম কী করে কানপুরে হরিদাস মুন্দ্রা নামে এক শিল্পপতির ব্যক্তি মালিকানাধীন সংস্থায় বিপুল বিনিয়োগ করতে পারে। ট্রেজারি বেঞ্চে বসেই তিনি সরকারের কাছে জানতে চান, নতুন করে গড়ে ওঠা জীবনবিমা নিগম আদৌ কি তাদের সাড়ে পাঁচ কোটি পলিসি হোল্ডারকে জানিয়ে বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে শেয়ার কিনেছে? ওই সময় এলআইসি মুন্দ্রার ছ’টি দুর্বল সংস্থায় ১.২৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে বড় লোকসানের মুখে পড়েছিল। ফিরোজ গান্ধী বললেন, মুন্দ্রাদের শেয়ার কিনে নেওয়ার উদ্দেশ্য হল প্রকৃত বাজারদরের তুলনায় তাদের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে রাখা। অস্বস্তিতে পড়ে যান প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহরু। ক্ষুব্ধ স্বয়ং অর্থমন্ত্রী কৃষ্ণমাচারি। 
সিপিআই নেতা ভূপেশ গুপ্ত রাজ্যসভায় কৃষ্ণমাচারির বিরুদ্ধে অভিযোগের ঝড় তোলেন। কৃষ্ণমাচারি দাবি করেছিলেন, “আমি হরিদাস মুন্দ্রা নামটাই কোনও দিন শুনিনি।” কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বিধান রায় নেহরুকে চিঠি দিয়ে বলেন, অসত্য বলছেন অর্থমন্ত্রী। আর মৌলানা আবুল কালাম আজাদ নেহরুকে বলেছিলেন, “তুমি যদি ওর ইস্তফা গ্রহণ না করো, তা হলে আমি ইস্তফা দেব।” সরকার বাধ্য হয় বম্বে হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এম সি চাগলাকে নিয়ে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গড়তে। প্রায় সওয়া কোটি ঘাপলা! মুন্দ্রা স্ক্যান্ডাল। ২৪ দিন ধরে চলেছিল সেই শুনানি। বহু বিখ্যাত স্টক ব্রোকার যাঁরা জীবনবিমার লগ্নি কমিটিতে ছিলেন, তাঁরাও জানিয়ে দেন, এইভাবে শেয়ার কেনার মাধ্যমে বাজার চাঙ্গা হবে বলে অর্থমন্ত্রক দাবি করলেও তা আদৌ ঠিক নয়। তাছাড়া জীবনবিমা তার বিনিয়োগ কমিটির কাছ থেকে পরামর্শ নিতে গেলে তাঁরা মুন্দ্রার জাল শেয়ারের কথা ফাঁস করে দিয়েছিলেন। স্ক্যান্ডালটি উঠে এসেছিল ‘টাইম’ ম্যাগাজিনের পাতায়! এর জেরে কৃষ্ণমাচারি বাধ্য হন পদত্যাগ করতে। এইচ এম প্যাটেল চাকরি ছেড়ে দেন। আর দিল্লির বিলাসবহুল হোটেল থেকে হরিদাস মুন্দ্রাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রক্ষা পায় দেশের আমআদমির বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন— এলআইসি।
আজ মোদি জমানায় সেই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে নিগমের শেয়ার বেচে দিতে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্র। লক্ষ্য একটাই, এলআইসির কিছু শেয়ার বেচে সরকারের কোষাগারে অর্থ তোলা। মোদি সরকারের অভিমত, এই মেগা ইস্যুতে এদেশের শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকারীদের কাছে একটা বিরাট সুযোগ আসছে। আর বিরোধীদের অভিযোগ, এলআইসি ফের তুলে দেওয়া হচ্ছে রাম কিষন ডালমিয়া কিংবা হরিদাস মুন্দ্রাদের হাতেই। অথচ, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে এই সংস্থাটি ২.১৯ কোটি ম্যাচিউরিটি ক্লেম, মানিব্যাক ক্লেম এবং অ্যানুইটি মিটিয়েছে, যার পরিমাণ ১.১৬ লক্ষ কোটি টাকা। আর এই সময়ে সংস্থাটি ১১.৪৭ লক্ষ ডেথ ক্লেম মিটিয়েছে, যার পরিমাণ ২৪,১৯৫.০১ কোটি টাকা।
শুধু তাই-ই নয়, মোদি জমানায় ২০১৫ সালে কোল ইন্ডিয়ার বিলগ্নিতে এলআইসি ১০ হাজার কোটি ঢেলেছে। লোকসানে বিপর্যস্ত আইডিবিআই ব্যাঙ্ককে উদ্ধার করতে আরও ২০ হাজার কোটি। আবাসন শিল্পকে বাঁচানোর তহবিল গড়তেও স্টেট ব্যাঙ্কের সঙ্গে টাকা ঢালছে এলআইসি। সেই তালিকায় রয়েছে ডেকান ক্রনিক্যাল, এসার পোর্ট, গ্যামন, ভূষণ পাওয়ার, ভিডিয়োকন, অলোক ইন্ডাস্ট্রিজ়, এবিজি শিপইয়ার্ড, ইউনিটেক, জিভিকে পাওয়ার। এমন বহু সংস্থায় এলআইসির ঋণ আটকে রয়েছে, যেখান থেকে সিংহভাগ পুঁজিই ফেরত আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ফলে উঠছে প্রশ্ন, এই সরকারি জীবন বিমা সংস্থায় আমজনতা টাকা রাখেন নিরাপদ মনে করে। একের পর এক দুরবস্থা সামাল দিতে তাকেই এগিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত পুঁজিকে ঝুঁকির মুখে ফেলা হচ্ছে কেন? যে রুগ্ন সংস্থাগুলিকে এলআইসি টাকা ধার দিয়েছে, তা শোধ না হলে কী হবে? সকলকে বাঁচাতে গিয়ে শেষে এলআইসির লাভে টান পড়বে না তো?
এলআইসির টাকা নিয়ে যথেচ্ছাচার আসলে সাধারণ মানুষের লগ্নি নিয়ে ছেলেখেলা। অন্তত পঁচিশ কোটি গ্রাহক টের পাচ্ছেন, কেন মোদি সরকারকে বিশ্বাস করা উচিত নয়!
23rd  September, 2021
মানবাধিকারের পক্ষে ক্ষতিকারক মানসিকতা
পি চিদম্বরম

গত তিন বৎসরাধিককালে প্রধানমন্ত্রী ভীমা কোরেগাঁও মামলায় বন্দিদের মানবাধিকার নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি। এমনকী এনআইএ নামক যে সংস্থার দায়িত্বে তিনি রয়েছেন তার তরফে এই মামলার অভিযোগ গঠনে দীর্ঘ বিলম্বের কারণ নিয়েও তিনি নিশ্চুপ। ... আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত যখন তিনি বলেন, ‘‘এই ধরনের মানসিকতা মানবাধিকারের প্রভূত ক্ষতিসাধন করে।’’ বিশদ

ক্ষুধার দেশে মোদিজিকে
ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা...
হিমাংশু সিংহ

এই অবনমনের ব্যর্থতা শুধু অনাহার আর ক্ষুধার সূচকেই সীমাবদ্ধ নেই। আছে যুদ্ধক্ষেত্রেও। ৫৬ ইঞ্চি ছাতির সেই দাপট যেন কোথায় স্তিমিত বিগত বেশ কিছুদিন ধরে। নাকি হিসেব তোলা থাকছে আগামী চব্বিশ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে ফের কোনও বিতর্কিত ধামাকার জন্য।
বিশদ

17th  October, 2021
সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া
স্কুল খোলা উচিত নয়
মৃন্ময় চন্দ

ভারতে স্কুল বন্ধ ১৭ মাস। লকডাউন পর্বে বেহাল শিক্ষার হালহকিকত জানতে বিহারের, ঔরাঙ্গাবাদের বিজেপি সাংসদ সুশীল কুমার সিং, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন লিখিত আকারে পেশ করেছেন। যেমন, করোনা অতিমারীর কারণে রাজ্যভিত্তিক স্কুলছুটের সঠিক তথ্য-পরিসংখ্যান সরকারের কাছে আছে কি না? বিশদ

17th  October, 2021
গণেশ জননী নবপত্রিকাবাসিনী দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

মার্কণ্ডেয় পুরাণের অন্তর্গত সপ্তশতী চণ্ডীতে দেবী দুর্গা শস্যদেবীরূপে যেন জগতে অবতীর্ণা এ বার্তা দৃপ্ত কণ্ঠে বিঘোষিত। সর্বজীবের প্রাণরক্ষার উপযোগী শাক-শস্যের দ্বারা তিনি পৃথিবীকে পালন করেন তাই মহাজননী শারদেশ্বরীর আর এক নাম শাকম্ভরী।  বিশদ

12th  October, 2021
১৮ লক্ষ প্রদীপ এবং কিছু বাস্তব
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উত্তরপ্রদেশে ১৮ লক্ষ দিয়া জ্বালিয়ে এই অবিচারের অন্ধকার দূর হবে কি? কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে, আপনার তরফ থেকে একটাও বিবৃতি জারি হয়নি। এখনও না। কেন? ওই মানুষগুলো কি এতটুকুরও যোগ্য নয়? করুণা তারা চায়নি। টাকাও নয়। তারা চেয়েছিল বিচার। বিশদ

12th  October, 2021
কার আইন, কার আদেশ?
পি চিদম্বরম

শব্দগুলি জোরে এবং স্পষ্ট, উচ্চাঙ্গে, প্রায় নাটকীয়ভাবে বেজে ওঠে, ‘আমরা, ভারতের জনগণ ... নিজেদেরকে এই সংবিধান দিয়েছি।’ এবং স্বাধীনতা, সৌভ্রাতৃত্ব এবং অন্যান্য উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সবাইকে সুরক্ষিত করার জন্য আমরা আমাদেরকে এই সংবিধান দিয়েছি।
বিশদ

11th  October, 2021
কৃষকের রক্ত লেগেছে
হাতে তবু পুলিস নির্বিকার...
হিমাংশু সিংহ

সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় কেন্দ্রকে নিশানা করে যোগী সরকারকে জোরালো ভর্ৎসনা না করলে হয়তো গ্রেপ্তারির প্রক্রিয়া শুরু হতো না। সমনের নোটিসও ইস্যু হতো না মন্ত্রিপুত্রের নামে। শুধু একটা এফআইআর করেই দায় সারতে চেয়েছিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। যেন মৃতদের পরিবারের জন্য নেহাতই একটা সান্ত্বনা পুরস্কার।​​​
বিশদ

10th  October, 2021
 মমতাকে আটকানোই যেন লক্ষ্য না হয়
 
​​​​​​​

কেউ উপরে উঠতে গেলেই শুরু হয়ে যায় টেনে নামানোর মরিয়া চেষ্টা। কর্মক্ষেত্র থেকে রাজনীতি, সর্বত্র একই ছবি। সেই কারণে মুখে মুখে ছড়ানো ‘বাঙালি কাঁকড়া’র গল্প এত জনপ্রিয়। জাতীয় রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুরুত্ব বাড়তেই শুরু হয়েছে তাঁকে টেনে নামানোর লড়াই।​​​​​​
বিশদ

09th  October, 2021
সিপিএমের রাজনৈতিক
ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে?
সমৃদ্ধ দত্ত

মানুষ তৃণমূলকে কেন ভোট দিচ্ছে? এসব বিশ্লেষণ না করে, সিপিএমের বিশ্লেষণ করা উচিত ছিল যে, আমাদের কেন দিচ্ছে না? এখন বিশ্লেষণ করে কাজ হবে? না হবে না। দেরি হয়ে গিয়েছে। বাংলায় সিপিএম ক্রমেই পরিণত হয়ে যাবে একটি অতীত পার্টিতে! স্মৃতির রাজনীতি হয়ে! বাঙালির নতুন নস্টালজিয়া-সিপিএম!
বিশদ

08th  October, 2021
এ নরেন সে নরেন নয়!
মৃণালকান্তি দাস

বিশ্বকে মানবতার মূল্য শিখিয়েছিলেন স্বামীজি...
তারিখটি ছিল ৯/১১। শিকাগো ভাষণের বর্ষপূর্তিতে স্বামী বিবেকানন্দকে স্মরণ করে এমনই মন্তব্য করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি বলেছিলেন, মানবতার মূল্য বুঝতে আজও ১৮৯৩ সালের সেই বক্তৃতার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রধানমন্ত্রী বেলুড় মঠের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে থাকা স্বামীজির বাণী সংযুক্ত করেছিলেন নিজের টুইটে।
বিশদ

07th  October, 2021
মোদি সরকারের ভ্যাকসিন ব্যর্থতা
হারাধন চৌধুরী

টিকাকরণের স্বল্পতা এবং ধীরগতির পুরো দায় সরকারের। ভ্যাকসিন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশের মাথা হেঁট হয়ে যাওয়ার দায়ও নিতে হবে মোদি সরকারকে। বিদেশের মাটিতে এই যে উপর্যুপরি মর্যাদাহানি, এটা ভারতের বিরাট কূটনৈতিক ব্যর্থতাও বটে। বিশদ

06th  October, 2021
পিতৃপক্ষ আর দেবীপক্ষের
সমন্বয়েই শরৎ ঋতু
জয়ন্ত কুশারী 

প্রার্থনা সমবেতভাবে হলে তা ব্যর্থ হয় না। বিশ্বকল্যাণ কামনায় দেবী দুর্গার কাছে আমরা সমবেত হই দেবীপক্ষে। বিশদ

06th  October, 2021
একনজরে
রবিবার থেকে দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ের দুয়ারে রেশন কর্মসূচি শুরু হল। এদিন তিন জেলায় মোট ১১৫২ জন এমআর ডিলার ওই কর্মসূচিতে অংশ ...

তরল মাদক পাচারের সময় সীমান্তের বাসিন্দা ও জওয়ানদের তাড়া খেয়ে পালাতে গিয়ে গুরুতরভাবে আহত হল ২ বাংলাদেশি পাচারকারী। সীমান্তরক্ষীরা তাদের উদ্ধার করে বসিরহাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে। ...

স্কুলের ফি দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না। অভিযোগ, স্কুলের তরফে পরীক্ষায় বসার অনুমতি মেলেনি। মানসিক অবসাদে তাই আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল ১৬ বছরের কিশোরীটি। ...

কাল মঙ্গলবার তারা মায়ের আবির্ভাব তিথি। বহুকাল ধরে শুক্লা চতুর্দশী তিথিতে মায়ের আবির্ভাব তিথি পালিত হয়ে আসছে তারাপীঠে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সময় মতো চিকিৎসায় ও যত্ন গ্রহণে দেহে রোগারোগ্য। মানসিক অস্থিরতা বৃদ্ধি কর্মে বাধার সৃষ্টি করতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭১: কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজের মৃত্যু
১৯১৮: চিত্রশিল্পী পরিতোষ সেনের জন্ম
১৯৩১: গ্রামাফোনের আবিষ্কারক টমাস আলভা এডিসনের মৃত্যু
১৯৪০: টলিউড অভিনেতা পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা ওমপুরীর জন্ম 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৪৯ টাকা ৭৬.২১ টাকা
পাউন্ড ১০১.০৮ টাকা ১০৪.৬০ টাকা
ইউরো ৮৫.৬৩ টাকা ৮৮.৭৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
12th  October, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,০০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,২৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
17th  October, 2021

দিন পঞ্জিকা

 ১ কার্তিক, ১৪২৮, সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১।  ত্রয়োদশী ৩১/১৫ সন্ধ্যা ৬/৮। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র ১২/৫৯ দিবা ১০/৫৯। সূর্যোদয় ৫/৩৭/৫৮, সূর্যাস্ত ৫/৫/৫২।  অমৃতযোগ দিবা ৭/১০ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে ৩/৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪ গতে ৮/৩০ মধ্যে পুনঃ ২/১৩ গতে ৩/৩৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৪৭ গতে ১১/২২ মধ্যে। 
৩১ আশ্বিন, ১৪২৮, সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১। ত্রয়োদশী রাত্রি ৬/২৫। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র  দিবা ১২/১৮। সূর্যোদয় ৫/৩৯, সূর্যাস্ত ৫/৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৭ মধ্যে ও ৮/৪৫ গতে ১০/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ১০/৫৪ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৩/১৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৫ গতে ৮/৩১ মধ্যে ও ২/১৫ গতে ৩/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৪৯ গতে ১১/২৩ মধ্যে। 
১১  রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করে কৃষ্ণনগরে চলছে রেল রোকো কর্মসূচি

01:27:39 PM

উঃ দিনাজপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু বিজেপির যুব মোর্চার সহ-সভাপতির, অভিযুক্ত তৃণমূল
দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হল উত্তর দিনাজপুর জেলা যুব মোর্চার সহ-সভাপতি ...বিশদ

11:41:00 AM

হিমাচলের লাহুলে ব্যাপক তুষারপাত

11:31:31 AM

খাপোলি সংলগ্ন পুনে-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা, মৃত ৩, জখম ৬

11:29:13 AM

দেশে কমছে দৈনিক করোনা  আক্রান্তের সংখ্যা
ভারতে ক্রমশ কমতে শুরু করেছে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ...বিশদ

11:26:57 AM

৪৫৭ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স

11:20:04 AM