Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

লগ্ন মেনেই টিকা!
মোদির ভারতের ভবিতব্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শ্রদ্ধেয় মোদিজি,
জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। একটু দেরি হয়ে গেল। কিন্তু সাধারণ মানুষ ভেবে ক্ষমা করে দেবেন। সাধারণের এমন একটু ভুলচুক, দেরিটেরি হয়ে থাকে। নানান বাজে কাজের মধ্যে থাকি আমরা। কারও ১০টা-৫টার অফিস, কারও আবার দিনমজুরি। আপনারা দেশ চালান। আপনারাই আমাদের মাই-বাপ। অনেক বড় দায়িত্ব আপনাদের। তাই দু’হাত জড়োসড়ো করে, মনের ভিতর একরাশ ভয় নিয়ে আপনাদের অনুগ্রহের আশায় তাকিয়ে থাকি আমরা... লকডাউনে কাজ হারিয়ে আমরা ভাবি, কখন পাওয়া যাবে বিনা পয়সার রেশন! মাস্টার ডিগ্রি করে বছরের পর বছর বসে থাকা বেকার ছেলেমেয়েগুলো ভাবে, কখন মিলবে একটা চাকরির সুযোগ! নিদেনপক্ষে ডোমের হলেও চলবে। কিছু তো একটা জুটল! কিংবা করোনার আতঙ্কে স্বাভাবিক জীবন ভুলতে বসা আপামর জনসাধারণ ভাবতে বসে... কখন মিলবে ভ্যাকসিন? একটা সুচের ফোঁটা... তাই যে মহামারীর মধ্যে বিশল্যকরণী। এরই মধ্যে দেখলাম, আপনার জন্মদিন, মানে ১৭ সেপ্টেম্বর আড়াই কোটির বেশি মানুষ করোনা টিকা নিয়েছেন। মোট সংখ্যাটা দেখলাম ২ কোটি ৫০ লক্ষ ১০ হাজার ৩৯০। চমকে যাওয়ার মতো পরিসংখ্যান। একদিনে এত ভারতবাসী তাহলে করোনা টিকা পেতে পারে! অপরাধ নেবেন না... সংখ্যাটা দেখতে দেখতেই মনে পড়ে গেল রাজা যযাতির কথা। কেন? একটু ব্যাখ্যা করি। শুক্রাচার্যের অভিশাপে বেজায় বিপাকে পড়েছিলেন যযাতি। রাজশেখর বসুর বর্ণনা অনুযায়ী, ‘শুক্র ক্রুদ্ধ হয়ে অভিশাপ দিলেন, মহারাজ, তুমি ধর্মজ্ঞ হয়ে অধর্ম করেছ... আমার উপদেশ গ্রাহ্য কর নি, অতএব দুর্জয় জরা তোমাকে আক্রমণ করবে। শাপ প্রত্যাহারের জন্য যযাতি বহু অনুনয় করলে শুক্র বললেন, আমি মিথ্যা বলি না, তবে তুমি ইচ্ছা করলে তোমার জরা অন্যকে দিতে পারবে।’ দেবযানী এবং শর্মিষ্ঠার থেকে পাঁচটি সন্তান ছিল যযাতির। একে একে তিনি প্রত্যেককে অনুরোধ করলেন, আমার জরা নিয়ে নাও। কিন্তু কেউ রাজি হল না। তাতে বিষম রেগে গেলেন যযাতি। আর নিজের সন্তানদেরই ভয়ানক সব অভিশাপ দিলেন। তুর্বসুকে বললেন, তোমার বংশলোপ হবে। দ্র্যুহ্যু দুর্গম জায়গায় গিয়ে ভোজ উপাধি নিয়ে থাকবে। অনু জরান্বিত হবে আর তার সন্তান যৌবনকালেই মারা যাবে। শুধু সবচেয়ে ছোট ছেলে পুরু বলেছিলেন, যেমন আপনার আজ্ঞা। পিতা যযাতির জরা নিজের শরীরে নিয়ে নিয়েছিলেন পুরু। আর যযাতি মহাশয়? সন্তানের যৌবন হাতিয়ে তিনি মন দিয়েছিলেন ভোগকর্মে। 
ভারতবাসীর অবস্থা এখন হয়েছে সেই পুরুর মতো। বিপুল ভোট দিয়ে সরকারের মাথায় আপনাদের বসিয়েছি আমরা। পিতার কাছে সন্তানের কী চাহিদা থাকে? শিক্ষা, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান। মহামহিম সরকার বাহাদুরের কাছেও সাধারণ মানুষের এই এতটুকুই তো চাহিদা! আরও একটা আছে। বেঁচে থাকার অধিকার। একটি ভাইরাসের হামলা... আর তাতেই এক অভাবনীয় পরিস্থিতির মুখে পড়ল মানুষ। পরীক্ষার সুযোগ নেই, পরীক্ষা হলেও রিপোর্ট আসতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে রোগী, হাসপাতালে বেড নেই, মৃতদেহ পোড়ানোর স্থানাভাব, গঙ্গার বুকে ভাসছে লাশ। আর সরকার এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ। আশার আলো বলতে ভ্যাকসিন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনা হয়তো ঠেকানো যাবে না। কিন্তু টিকা নেওয়া থাকলে ভাইরাসের অভিঘাত কমবে। মৃত্যুর থেকে বাঁচবে অধিকাংশ মানুষ। তাই ভ্যাকসিনের দু’টো ডোজ—এটাই আজ আঁকড়ে ধরার একমাত্র সম্বল। বেঁচে থাকার উপায়। মৌলিক অধিকার। মোদিজি... আপনি দেখালেন, কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে একদিনে আড়াই কোটি ভারতবাসীকে টিকা দেওয়া সম্ভব। তাহলে এতদিন হল না কেন? শুধুমাত্র একটি দিন, একটি লগ্নের জন্য মানুষের এই অধীর অপেক্ষা কেন? দিনের পর দিন মানুষ লাইন দিয়েছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে। রাত তিনটে থেকে দাঁড়িয়ে থাকা... বয়স যাই হোক না কেন... ৬০, ৭০ বা ৮০! তাঁরা দাঁড়াচ্ছেন, অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছচ্ছেন। তারপর শুনছেন, আজ আর কোভিশিল্ড নেই। কিংবা কোভ্যাকসিন আজ আর হবে না। সামনে কোলাপসিবল গেটের গায়ে ঝুলে পড়ছে তেরা-বেঁকা হাতের লেখায় ‘নো ভ্যাকসিন’। তাঁরা বাড়ি ফিরেছেন... ক’দিন পর খোঁজ নিচ্ছেন, ভ্যাকসিনের স্টক কি এল? আবার শুরু হয়েছে লাইন দেওয়ার পালা। একবুক আশা নিয়ে। 
১৩০ কোটির দেশ আমাদের। একদিনে, এক সপ্তাহে কিংবা এক মাসেও সবার টিকাকরণ সম্ভব নয়। এতটুকু বোধ আমাদের মতো সাধারণ মানুষেরও আছে। তাও আমরা আশা করেছি। ভেবেছি, আজ হল না... ঠিক আছে। কাল তো হবে! সেই আগামী কাল আর এসে পৌঁছচ্ছে না। কিন্তু এগিয়ে যাচ্ছে সেন্ট্রাল ভিস্তার প্রজেক্ট। আসছে রাফাল। ধুমধাম করে 
পালিত হচ্ছে আপনার জন্মদিনের কর্মসূচি। সাতদিন ধরে তার প্রোগ্রাম তৈরি হচ্ছে। পোস্টার লাগছে। 
খরচ কত? সে তো আবার আরটিআই করতে 
হবে! সরকার বলবে, আমরা তো খরচ করিনি! ওটা পার্টির ব্যাপার। পার্টি বলবে, ভক্তরা ভালোবেসে দিয়েছে। না হয় তাই সই। কিন্তু ওই ভক্তরা একবার যদি ভাবতেন... এই টাকা দিয়ে কত মানুষের ভ্যাকসিন হবে! নাঃ, ভাবেননি। সেটা তাঁদের স্বভাব নয়। বরং সেই সময়টা খোলকরতাল বাজালে কাজে দেবে। নেতাদের কাছে নম্বর বাড়বে। ক্ষমতার অলিন্দে পা পড়বে আরও একটু। 
অনেক কাজ আপনার। এক ছিলেন যুধিষ্ঠির... মাটিতে পা পড়ত না তাঁর। আপনারও পড়ে না। এতটাই ব্যস্ত আপনি। নিয়ম করে রাজ্যে রাজ্যে যাওয়া, মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা, কার কোথায় সমস্যা হচ্ছে... এসব নিশ্চয়ই আপনি খোঁজখবর করেন? ফেডেরাল কাঠামোয় মাথার উপর থাকে কেন্দ্র। আর রাজ্য সরকার কাজ করে তাদের সঙ্গে। একে অপরের পরিপূরক। সেখান রাজনৈতিক দল, বা শাসক-বিরোধী গুরুত্বপূর্ণ নয়। আপনি নিশ্চয়ই এই সাংবিধানিক নিয়মটুকু মেনে চলেন! না হলে এমন দোর্দণ্ডপ্রতাপ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী আপনি হতে পারতেন না। বিমানের জানালায় আমরা দেখি আপনাকে... বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে। তারপর সেই রাজ্য কতটা কেন্দ্রীয় ক্ষতিপূরণ পায়? নিশ্চয়ই পায়! রাজ্য সরকারগুলো সব দুষ্টু... এরপরও অভিযোগ করে, কিছুই পায়নি! নিশ্চয়ই সেসব সত্যি নয়? কেন্দ্রীয় সরকার টিকার পর্যাপ্ত সরবরাহ করছে না বলে কত রাজ্য কতই না আওয়াজ তুলছে... কেন যে এমন সব অভিযোগ করে! আপনার কত কাজ! সবদিক বিবেচনা করে সবাইকে আপনি ভ্যাকসিন পাঠাচ্ছেন। বিজেপি বা বিরোধী রাজ্য দেখে নিশ্চয়ই সিদ্ধান্ত নেন না! অ-বিজেপি দলগুলি কিন্তু এরপরও অভিযোগ করেই চলেছে। ওরা বলছে, আপনার বিরোধিতা করা যায় না। করলেই অসহযোগিতা নাকি অভিশাপের মতো আছড়ে পড়ে সেই দলের উপর... রাজ্যের উপর। জরায় আক্রান্ত হতে চাননি যযাতি। যৌবন ছিল তাঁর লক্ষ্য... তা সে সন্তানেরই হোক না কেন। আপনারও অভীষ্ট একটাই—আনুগত্য। সাধারণ মানুষ আপনাকে ঝুলি উপুড় করে দিয়েছেন ভোটের আশীর্বাদ। দু’বার। আপনি বলেছিলেন, করোনা বিদায় নিয়েছে। একই কথা আউড়েছিলেন আপনার মন্ত্রীও। করোনা যায়নি। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলা সাধারণ মানুষের উপর আছড়ে পড়েছিল দ্বিতীয় ঢেউ। বেড়েছিল মৃত্যুমিছিল। এটাও কি প্রাপ্য ছিল আমাদের? শুধুই আপনাদের বিশ্বাস করেছিলাম বলেই কি মৃত্যুভয়ের শেষ কিনারে পৌঁছে যেতে হয়েছে ভারতকে? তাও আমরা মেনে নিয়েছি। নিঃশব্দে। ভেবেছি, আপনার কীই বা করার আছে! এ তো নিয়তির খেল! ভ্যাকসিন নেব, তাতেই সব ঠিক হয়ে যাবে। আমরাও করোনা নামক এক মহামারীর মোকাবিলা করতে পারব সামনে থেকে। জীবন আবার স্বাভাবিক হবে। জীবিকা ফিরবে চেনা ছন্দে। কিন্তু ততদিনে আবার আমরা অকাল জরায় আক্রান্ত হব না তো? ঠিক যেমন পুরুর হয়েছিল! 
যযাতি ভেবেছিলেন, নাম-যশ-ভোগই জীবন। আপনি নিশ্চয়ই তেমন কিছু ভাবেন না! দেশবাসী আপনার সন্তানসম। তাঁদের প্রত্যেকের অধিকার রক্ষা আপনার কর্তব্য। আমরা এখনও মনে করি, আপনি সেটাই মেনে চলেন। কিন্তু আপনার জন্মদিনের প্রোপাগান্ডায় আড়াই কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ আমাদের মনে কিছু প্রশ্নের ঝড় তুলে দেয়। সেখানেও হিসেবে গরমিলের অভিযোগ ওঠে। আর আমরা ভাবতে বাধ্য হই, আপনি শুধুই নিজের তূণীর সমৃদ্ধ করতে বেশি আগ্রহী। একদিন ২৫ লক্ষ ভ্যাকসিন, আর একদিন আড়াই কোটি ডোজের অঙ্কে সাধারণ মানুষের জীবনের পথ মসৃণ হয় না। তাতে কাঁটার সংখ্যা বাড়তেই থাকে। ‘প্রজারা’ ভাবে, শাসক এই সত্যটা কি বুঝবেন না? 
যযাতি বুঝেছিলেন। পুরুকে তিনি বলেছিলেন, ‘কাম্য বস্তুর উপভোগে কখনও কামনার শান্তি হয় না, ঘৃতসংযোগে অগ্নির ন্যায় আরও বৃদ্ধি পায়।’ ক্ষমতার আগুনে ঘৃতসংযোগ মাটির সঙ্গে শাসকের যোগাযোগ ছিন্ন করে... প্রতিনিয়ত।
ইতি,
সাধারণ মানুষ
21st  September, 2021
দু’টো ডোজ মানেই
বিশল্যকরণী নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

করোনা বিদায় নেয়নি। তা সত্ত্বেও আনন্দে মেতেছেন এঁরা... পুজো কমিটির ধারক ও বাহকেরা। তাঁরা প্রভাবশালী। তাই ২০০৯ সালের কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ হেলায় অমান্য করতে পারেন। আদালত তো জানিয়েই দিয়েছিল, কোনওভাবে মণ্ডপের উচ্চতা যেন ৪০ ফুট না ছড়ায়। তা সত্ত্বেও বছরের পর বছর বহু পুজো কমিটি ইচ্ছেমতো প্রভাব খাটিয়ে চলেছে।
বিশদ

মানবাধিকারের পক্ষে ক্ষতিকারক মানসিকতা
পি চিদম্বরম

গত তিন বৎসরাধিককালে প্রধানমন্ত্রী ভীমা কোরেগাঁও মামলায় বন্দিদের মানবাধিকার নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি। এমনকী এনআইএ নামক যে সংস্থার দায়িত্বে তিনি রয়েছেন তার তরফে এই মামলার অভিযোগ গঠনে দীর্ঘ বিলম্বের কারণ নিয়েও তিনি নিশ্চুপ। ... আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত যখন তিনি বলেন, ‘‘এই ধরনের মানসিকতা মানবাধিকারের প্রভূত ক্ষতিসাধন করে।’’ বিশদ

18th  October, 2021
ক্ষুধার দেশে মোদিজিকে
ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা...
হিমাংশু সিংহ

এই অবনমনের ব্যর্থতা শুধু অনাহার আর ক্ষুধার সূচকেই সীমাবদ্ধ নেই। আছে যুদ্ধক্ষেত্রেও। ৫৬ ইঞ্চি ছাতির সেই দাপট যেন কোথায় স্তিমিত বিগত বেশ কিছুদিন ধরে। নাকি হিসেব তোলা থাকছে আগামী চব্বিশ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে ফের কোনও বিতর্কিত ধামাকার জন্য।
বিশদ

17th  October, 2021
সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া
স্কুল খোলা উচিত নয়
মৃন্ময় চন্দ

ভারতে স্কুল বন্ধ ১৭ মাস। লকডাউন পর্বে বেহাল শিক্ষার হালহকিকত জানতে বিহারের, ঔরাঙ্গাবাদের বিজেপি সাংসদ সুশীল কুমার সিং, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন লিখিত আকারে পেশ করেছেন। যেমন, করোনা অতিমারীর কারণে রাজ্যভিত্তিক স্কুলছুটের সঠিক তথ্য-পরিসংখ্যান সরকারের কাছে আছে কি না? বিশদ

17th  October, 2021
গণেশ জননী নবপত্রিকাবাসিনী দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

মার্কণ্ডেয় পুরাণের অন্তর্গত সপ্তশতী চণ্ডীতে দেবী দুর্গা শস্যদেবীরূপে যেন জগতে অবতীর্ণা এ বার্তা দৃপ্ত কণ্ঠে বিঘোষিত। সর্বজীবের প্রাণরক্ষার উপযোগী শাক-শস্যের দ্বারা তিনি পৃথিবীকে পালন করেন তাই মহাজননী শারদেশ্বরীর আর এক নাম শাকম্ভরী।  বিশদ

12th  October, 2021
১৮ লক্ষ প্রদীপ এবং কিছু বাস্তব
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উত্তরপ্রদেশে ১৮ লক্ষ দিয়া জ্বালিয়ে এই অবিচারের অন্ধকার দূর হবে কি? কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে, আপনার তরফ থেকে একটাও বিবৃতি জারি হয়নি। এখনও না। কেন? ওই মানুষগুলো কি এতটুকুরও যোগ্য নয়? করুণা তারা চায়নি। টাকাও নয়। তারা চেয়েছিল বিচার। বিশদ

12th  October, 2021
কার আইন, কার আদেশ?
পি চিদম্বরম

শব্দগুলি জোরে এবং স্পষ্ট, উচ্চাঙ্গে, প্রায় নাটকীয়ভাবে বেজে ওঠে, ‘আমরা, ভারতের জনগণ ... নিজেদেরকে এই সংবিধান দিয়েছি।’ এবং স্বাধীনতা, সৌভ্রাতৃত্ব এবং অন্যান্য উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সবাইকে সুরক্ষিত করার জন্য আমরা আমাদেরকে এই সংবিধান দিয়েছি।
বিশদ

11th  October, 2021
কৃষকের রক্ত লেগেছে
হাতে তবু পুলিস নির্বিকার...
হিমাংশু সিংহ

সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় কেন্দ্রকে নিশানা করে যোগী সরকারকে জোরালো ভর্ৎসনা না করলে হয়তো গ্রেপ্তারির প্রক্রিয়া শুরু হতো না। সমনের নোটিসও ইস্যু হতো না মন্ত্রিপুত্রের নামে। শুধু একটা এফআইআর করেই দায় সারতে চেয়েছিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। যেন মৃতদের পরিবারের জন্য নেহাতই একটা সান্ত্বনা পুরস্কার।​​​
বিশদ

10th  October, 2021
 মমতাকে আটকানোই যেন লক্ষ্য না হয়
 
​​​​​​​

কেউ উপরে উঠতে গেলেই শুরু হয়ে যায় টেনে নামানোর মরিয়া চেষ্টা। কর্মক্ষেত্র থেকে রাজনীতি, সর্বত্র একই ছবি। সেই কারণে মুখে মুখে ছড়ানো ‘বাঙালি কাঁকড়া’র গল্প এত জনপ্রিয়। জাতীয় রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুরুত্ব বাড়তেই শুরু হয়েছে তাঁকে টেনে নামানোর লড়াই।​​​​​​
বিশদ

09th  October, 2021
সিপিএমের রাজনৈতিক
ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে?
সমৃদ্ধ দত্ত

মানুষ তৃণমূলকে কেন ভোট দিচ্ছে? এসব বিশ্লেষণ না করে, সিপিএমের বিশ্লেষণ করা উচিত ছিল যে, আমাদের কেন দিচ্ছে না? এখন বিশ্লেষণ করে কাজ হবে? না হবে না। দেরি হয়ে গিয়েছে। বাংলায় সিপিএম ক্রমেই পরিণত হয়ে যাবে একটি অতীত পার্টিতে! স্মৃতির রাজনীতি হয়ে! বাঙালির নতুন নস্টালজিয়া-সিপিএম!
বিশদ

08th  October, 2021
এ নরেন সে নরেন নয়!
মৃণালকান্তি দাস

বিশ্বকে মানবতার মূল্য শিখিয়েছিলেন স্বামীজি...
তারিখটি ছিল ৯/১১। শিকাগো ভাষণের বর্ষপূর্তিতে স্বামী বিবেকানন্দকে স্মরণ করে এমনই মন্তব্য করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি বলেছিলেন, মানবতার মূল্য বুঝতে আজও ১৮৯৩ সালের সেই বক্তৃতার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রধানমন্ত্রী বেলুড় মঠের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে থাকা স্বামীজির বাণী সংযুক্ত করেছিলেন নিজের টুইটে।
বিশদ

07th  October, 2021
মোদি সরকারের ভ্যাকসিন ব্যর্থতা
হারাধন চৌধুরী

টিকাকরণের স্বল্পতা এবং ধীরগতির পুরো দায় সরকারের। ভ্যাকসিন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশের মাথা হেঁট হয়ে যাওয়ার দায়ও নিতে হবে মোদি সরকারকে। বিদেশের মাটিতে এই যে উপর্যুপরি মর্যাদাহানি, এটা ভারতের বিরাট কূটনৈতিক ব্যর্থতাও বটে। বিশদ

06th  October, 2021
একনজরে
‘বর্তমান’-এর প্রাক্তন কর্মী গণেশচন্দ্র দাস প্রয়াত। বেলঘরিয়ার বাসিন্দা গণেশবাবু গত ১০ অক্টোবর বেলা ১টা ২০ মিনিট নাগাদ একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর ...

ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়ার বছর থেকেই সিপিএম তথা বামেদের জনসমর্থনের গ্রাফ ক্রমশ নিম্নগামী হয়েছে। একের পর এক ভোটে তাদের প্রতি মানুষের সমর্থন প্রায় তলানিতে এসে ...

সাইকেল চোর সন্দেহে বছর বত্রিশের এক হাইস্কুল শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠল ইংলিশবাজার পুরসভার ওয়ার্ড কোঅর্ডিনেটর তৃণমূল কংগ্রেসের পরিতোষ চৌধুরী ওরফে সেভেন ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে। ...

দেশের শেয়ার বাজার যথেষ্ট চাঙ্গা। ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী সূচক। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ঝোঁক বাড়ছে মিউচুয়াল ফান্ডের উপর। আর তার জেরেই দেশে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের অঙ্ক লাফিয়ে বাড়ছে। মিউচুয়াল ফান্ড সংস্থাগুলির সর্বভারতীয় সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মিউচুয়াল ফান্ডস ইন ইন্ডিয়ার দেওয়া তথ্য বলছে, ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মে বাধা থাকলেও অগ্রগতি হবে। ব্যবসায় লাভ হবে সর্বাধিক। অর্থাগম যোগটি শুভ। কর্মক্ষেত্রে এবং রাজনীতিতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৩৮৬: জার্মানীর সর্বাপেক্ষা প্রাচীন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়
১৮৬৯: স্বাধীনতা সংগ্রামী মাতঙ্গিনী হাজরার জন্ম
১৮৮৮: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন
১৯০৩:বিশিষ্ট সুরকার তথা সঙ্গীত পরিচালক রাইচাঁদ বড়ালের জন্ম
১৯২৪: কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর জন্ম
১৯৫৬: বলিউড তারকা সানি দেওলের জন্ম
২০০৫: বাগদাদে শুরু হয় সাদ্দাম হুসেনের বিচার প্রক্রিয়া



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৬০ টাকা ৭৬.৯২ টাকা
পাউন্ড ১০০.৯৮ টাকা ১০৫.৮৩ টাকা
ইউরো ৮৫.১৫ টাকা ৮৯.২৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,০০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৫৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,২৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

দিনপঞ্জি----------------------

দৃকসিদ্ধ: ২ কার্তিক, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১। চর্তুদ্দশী ৩৩/৩৩ রাত্রি ৭/৪। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৬/২৫ দিবা ১২/১২। সূর্যোদয় ৫/৩৮/১৪, সূর্যাস্ত ৫/৫/২। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৪ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ১০/৫৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৭ গতে ৮/২৭ মধ্যে পুনঃ ৯/১৬ গতে ১১/৪৭ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৮ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪ গতে ৮/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৩৯ গতে ৮/১৩ মধ্যে। 
১ কার্তিক, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১। চর্তুদ্দশী রাত্রি ৬/৪৫। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১/৮। সূর্যোদয় ৫/৩৯, সূর্যাস্ত ৫/৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে ও ৭/১৭ গতে ১০/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৭ গতে ৮/১৯ মধ্যে ও ৯/১৯ গতে ১১/৪৬ মধ্যে ও ১/৩০ গতে ৩/১৩ মধ্যে ও ৪/৫৭ গতে ৫/৪০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৫ গতে ৮/৩১ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৪০ গতে ৮/১৪ মধ্যে।
১২ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে মহিলাদের ৪০ শতাংশ টিকিট দেবে কংগ্রেস
আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে মহিলাদের ৪০ শতাংশ টিকিট দেবে কংগ্রেস। ...বিশদ

03:35:25 PM

ভারত-পাক ম্যাচের আগে একসঙ্গে দুই কোচ
রবিবার মরুশহরে আয়োজিত হবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। ভারত-পাক ম্যাচ শুরু হওয়ার ...বিশদ

03:13:30 PM

বিশ্ব ক্রমতালিকায় প্রথম দশ থেকে ছিটকে গেলেন ফেডেরার
লন টেনিসের অন্যতম কিংবদন্তি রজার ফেডেরোর। এখনও পর্যন্ত ২০টি গ্র্যান্ড ...বিশদ

02:51:17 PM

সাপের কামড়ে মৃত্যু গৃহবধূর
ঘরে ঘুমানোর সময় সাপের কামড়ে মৃত্যু হল এক গৃহবধূর। গুসকরা ...বিশদ

02:44:10 PM

নৈনিতালের লেকের জল উপচে পড়ছে রাস্তায়
একটানা বৃষ্টির ফলে উত্তরাখণ্ডের নৈনিতালে লেকের জল উপচে পড়ছে রাস্তায়। ...বিশদ

02:13:39 PM

হলদিয়ার এলপিজি বটলিং প্ল্যান্টে জখম শ্রমিকের সঙ্গে দেখা করলেন তাপস মাইতি
হলদিয়ার এলপিজি বটলিং প্ল্যান্টে দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম শ্রমিকের সঙ্গে মঙ্গলবার ...বিশদ

02:09:58 PM