Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বৈষম্য ও অবিচার
বড্ড চোখে লাগছে
পি চিদম্বরম

ভারতের সংবিধানটি হল রাজ্যগুলোর মধ্যে একটি দৃঢ়সংবদ্ধ বন্দোবস্ত। সংবিধানের কেন্দ্রীয় স্তম্ভের মধ্যে রয়েছে তিনটি তালিকা—কেন্দ্রীয় তালিকা, রাজ্য তালিকা এবং যুগ্ম তালিকা। দুই নম্বর (রাজ্য তালিকা), এন্ট্রি ১১, যেভাবে কার্যকর হয়েছে, তা পড়তে হবে: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিসহ শিক্ষা, এক নম্বর তালিকার ৬৩, ৬৪, ৬৫ ও ৬৬ নম্বর এন্ট্রি এবং তিন নম্বর তালিকার ২৫ নম্বর এন্ট্রি, বিধান সাপেক্ষে। তিন নম্বর তালিকা (যুগ্ম তালিকা), এন্ট্রি ২৫, যেভাবে কার্যকর হয়েছে, তা পড়তে হবে: শ্রমিকদের বৃত্তিমূলক এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ। 

একটি রামধাক্কা 
৬৩-৬৬ নম্বর এন্ট্রি নিয়ে আদৌ কোনও সমস্যা নেই। কারণ, সেগুলির বিষয় হল কিছু নামী প্রতিষ্ঠান, কেন্দ্রীয় সরকারি তহবিলে পুষ্ট বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিবিদ্যার প্রতিষ্ঠানগুলি, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলি এবং তারা মান নির্ধারণের দায়িত্ব পালন করে। সৃজনশীল ব্যাখ্যায় এন্ট্রি ও নীতিগুলির পুনর্মিলন এমনভাবে করা হয়েছে যে ‘শিক্ষা’ রাজ্য তালিকায় যেমন ছিল সেটাই বহাল রয়েছে। জরুরি তাগিদে সংসদ রাজ্য তালিকার ১১ নম্বর এন্ট্রিতে একটি জোরালো আঘাত করেছিল। ওই এন্ট্রিটা তার সমগ্রতার ভিতরে বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং যুগ্ম তালিকার ২৫ নম্বর এন্ট্রিটা পুনর্লিখিত হল এইভাবে: কারিগরি শিক্ষা, মেডিক্যাল শিক্ষা এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিসহ শিক্ষা, এক নম্বর তালিকার ৬৩, ৬৪, ৬৫ ও ৬৬ নম্বর এন্ট্রি বিধান সাপেক্ষে; শ্রমিকদের বৃত্তিমূলক এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ। 
এই রামধাক্কায় আহত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ধারণা, রাজ্যগুলির অধিকার এবং সামাজিক ন্যায়। জরুরি-অবস্থা-বিরোধী যোদ্ধারা, যাঁরা ৪৪তম সংবিধান সংশোধনী (৪২তম সংশোধনীর অসূয়া দিকগুলি খারিজ করে দেওয়ার জন্য) পাশ করেছিলেন, ‘শিক্ষা’ সংক্রান্ত মূল এন্ট্রিগুলিই ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন বলে তাঁরা মনে করেননি।  
ঐতিহাসিকভাবে, রাজ্যগুলি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিল এবং ব্যক্তি বিশেষকেও মেডিক্যাল কলেজ গড়ার অনুমতি দিয়েছিল। এইসব কলেজে ছাত্রভর্তির বিষয়টি রাজ্যগুলিই নিয়ন্ত্রণ করত। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মানেরও (স্ট্যান্ডার্ড ও কোয়ালিটি) উন্নতি করা হয়। তামিলনাড়ুর ক্ষেত্রে যে নামগুলি প্রথমেই মনে আসে তা হল ডঃ রঙ্গাচারী এবং ডঃ গুরুস্বামী মুদালিয়ার। মাদ্রাজ মেডিক্যাল কলেজের প্রবশেদ্বারে তাঁদের মূর্তি দুটি অভিভাবকের মতোই দণ্ডায়মান। এটা সবাই মানেন যে মেডিক্যাল শিক্ষা এবং হেলথকেয়ার প্রদানে তামিলনাড়ু একটি অগ্রণী রাজ্য—আগেও ছিল, এখনও তা বজায় রয়েছে। উল্লেখ করার মতো বিষয় এই যে, এই প্রখ্যাত ডাক্তারদের (সংখ্যাটি সারা দেশে কয়েক হাজার) সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার ভিত্তিতে ভর্তি হতে হয়নি। 

রাজ্যগুলির অধিকারের স্বীকৃতি 
রাজ্যের অধিকার নিশ্চিত করার পক্ষে যুক্তি এই যে রাজ্য সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলি রাজ্যবাসীর অর্থে গড়া হয়েছে। মোটামুটিভাবে তাঁরা চেয়েছিলেন রাজ্যের ছেলেমেয়েদের সেখানে ভর্তি করে ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে চিকিৎসাবিজ্ঞান পড়াতে। পরবর্তী পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সরকারি ভাষায়, অর্থাৎ সেখানকার সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষায় মেডিক্যাল শিক্ষা দেওয়ার কথা তাঁরা ভেবেছিলেন। প্রত্যাশিত যে স্নাতক ডিগ্রিধারী ডাক্তাররা মূলত রাজ্যবাসীর সেবা করবেন, বিশেষ করে সেইসব গ্রামীণ এলাকার মানুষের চিকিৎসা তাঁরা করবেন, যেখানে স্বাস্থ্যপরিষেবা দুঃখজনকভাবে অপ্রতুল। আরও প্রত্যাশিত যে, মোটামুটিভাবে, ডাক্তাররা সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের ভাষায় কথা বলবেন, প্রেসক্রিপশন লিখবেন এবং তাঁদের কাউন্সেলিং করবেন। 
রাজ্য সরকারের বিধিগুলি সামাজিক ন্যায় বিষয়ক সমস্যার সমাধান করে থাকে। রাজ্যগুলি সেইসব ছেলেমেয়েকে ভর্তির জন্য উৎসাহ দেয়—যারা গ্রামে বসবাস করে এবং যাদের বাবা-মা গরিব, পরিবারগুলি পিছিয়ে রয়েছে, শিক্ষাঙ্গনে যারা উঠে আসছে প্রথম প্রজন্ম হিসেবে, যাদের পড়াশোনা সরকারি স্কুলগুলিতে। 
রাজ্যগুলিতে প্রচলিত ব্যবস্থা নিয়ে কেউ অভিযোগ করেননি। অন্তত তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র এবং, যতটুকু আমার জানা আছে, দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির ব্যবস্থা নিয়ে কেউ আপত্তি জানাননি। অবশ্য কিছু গুরুতর অভিযোগের নিষ্পত্তির অবশ্যই প্রয়োজন ছিল। যেমন—ক্যাপিটেশন ফি, অস্বাভাবিক বেশি ফি আদায়, মেডিক্যাল শিক্ষায় ব্যবহৃত সরঞ্জামের নিম্নমান, কলেজের সঙ্গে সংযুক্ত হাসপাতাল, ল্যারেটরি, হস্টেল, খেলার মাঠ প্রভৃতির অপ্রতুলতা এবং এই ধরনের আরও কিছু সমস্যা। এগুলি সমস্যাগুলি ধারাবাহিক—রাজ্য ও কেন্দ্র নির্বিশেষে অভিন্ন—ছাত্রভর্তির নিয়ন্ত্রণ রাজ্যগুলির হাতে থাক কিংবা কিছু কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ তা করে থাকুক। 


কিছু দুঃখজনক ঘটনা
ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (এনইইটি বা নিট) গ্রহণের এটাই যুক্তি যে, ‘উচ্চশিক্ষা, সেটা পেশাদারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, মেধাই একমাত্র বিবেচ্য’ (মডার্ন ডেন্টাল কলেজ বনাম মধ্যপ্রদেশ রাজ্য মামলায় সুপ্রিম কোর্টের অভিমত) এবং কেবলমাত্র একটি কমন এন্ট্রান্স টেস্টই পারে মেধাভিত্তিক ছাত্রভর্তির ব্যাপারটি নিশ্চিত করতে। ভর্তির ক্ষেত্রে সততা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং শোষণ-বঞ্চনা রোধের ব্যাপারটিও এর দ্বারা নিশ্চিত করা সম্ভব। মেডিক্যাল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার (তখন থেকেই সংস্থাটির মর্যাদা নষ্ট হয়েছে) তৈরি একটি বিধির বলে নিট গোপনে প্রবেশ করেছে। ২০১৬ সালে গৃহীত একটি সংশোধনী বলে বিষয়টি পরে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল কাউন্সিল আইনের ১০ডি ধারায় সংযোজিত হয়েছে। 
‘মেধা’ (মেরিট) নামক অত্যন্ত বিতর্কিত বিষয়টি আর একদিন আলোচনা করার জন্য তুলে রাখলাম। তামিলনাড়ুর মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ছাত্রভর্তির প্রক্রিয়ার উপর নিট-এর প্রভাব কী? তা প্রকাশিত হয়েছে বিচারপতি এ কে রাজন কমিটির রিপোর্টে। আমার আজকের আলোচনার কেন্দ্র ওই রিপোর্টের ‘ফ্যাক্টস’।
 নিজেকে কয়েকটি প্রশ্ন করুন: রাজ্য সরকারগুলি রাজ্যের করদাতাদের টাকা কেন খরচ করবে এবং কেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলি প্রতিষ্ঠা করবে? কেন ছেলেমেয়েরা মাতৃভাষার (যেমন তামিল) মাধ্যমে পড়বে? কেন ছেলেমেয়েরা রাজ্য বোর্ডের স্কুলে পড়বে এবং সেই বোর্ডের পরীক্ষায় বসবে? রাজ্য শিক্ষা বোর্ড রেখে দেওয়ার আদৌ যুক্তি আছে কি আর? শহুরে ছাত্ররা কি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে (পিএইচসি) এবং মফস্‌সলের (তালুক স্তরের) হাসপাতালগুলিতে রোগীর সেবা করবে?
উপরের সারণিতে দেওয়া সংখ্যাগুলিই এর উত্তর। ‘মেরিট’ সম্পর্কে এক সন্দেহজনক তত্ত্ব খাড়া করে নিট মারাত্মক বৈষম্য ও অবিচারের এক নতুন যুগের সূচনা করছে।  
লেখক সাংসদ ও ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত
20th  September, 2021
দু’টো ডোজ মানেই
বিশল্যকরণী নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

করোনা বিদায় নেয়নি। তা সত্ত্বেও আনন্দে মেতেছেন এঁরা... পুজো কমিটির ধারক ও বাহকেরা। তাঁরা প্রভাবশালী। তাই ২০০৯ সালের কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ হেলায় অমান্য করতে পারেন। আদালত তো জানিয়েই দিয়েছিল, কোনওভাবে মণ্ডপের উচ্চতা যেন ৪০ ফুট না ছড়ায়। তা সত্ত্বেও বছরের পর বছর বহু পুজো কমিটি ইচ্ছেমতো প্রভাব খাটিয়ে চলেছে।
বিশদ

মানবাধিকারের পক্ষে ক্ষতিকারক মানসিকতা
পি চিদম্বরম

গত তিন বৎসরাধিককালে প্রধানমন্ত্রী ভীমা কোরেগাঁও মামলায় বন্দিদের মানবাধিকার নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি। এমনকী এনআইএ নামক যে সংস্থার দায়িত্বে তিনি রয়েছেন তার তরফে এই মামলার অভিযোগ গঠনে দীর্ঘ বিলম্বের কারণ নিয়েও তিনি নিশ্চুপ। ... আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত যখন তিনি বলেন, ‘‘এই ধরনের মানসিকতা মানবাধিকারের প্রভূত ক্ষতিসাধন করে।’’ বিশদ

18th  October, 2021
ক্ষুধার দেশে মোদিজিকে
ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা...
হিমাংশু সিংহ

এই অবনমনের ব্যর্থতা শুধু অনাহার আর ক্ষুধার সূচকেই সীমাবদ্ধ নেই। আছে যুদ্ধক্ষেত্রেও। ৫৬ ইঞ্চি ছাতির সেই দাপট যেন কোথায় স্তিমিত বিগত বেশ কিছুদিন ধরে। নাকি হিসেব তোলা থাকছে আগামী চব্বিশ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে ফের কোনও বিতর্কিত ধামাকার জন্য।
বিশদ

17th  October, 2021
সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া
স্কুল খোলা উচিত নয়
মৃন্ময় চন্দ

ভারতে স্কুল বন্ধ ১৭ মাস। লকডাউন পর্বে বেহাল শিক্ষার হালহকিকত জানতে বিহারের, ঔরাঙ্গাবাদের বিজেপি সাংসদ সুশীল কুমার সিং, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন লিখিত আকারে পেশ করেছেন। যেমন, করোনা অতিমারীর কারণে রাজ্যভিত্তিক স্কুলছুটের সঠিক তথ্য-পরিসংখ্যান সরকারের কাছে আছে কি না? বিশদ

17th  October, 2021
গণেশ জননী নবপত্রিকাবাসিনী দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

মার্কণ্ডেয় পুরাণের অন্তর্গত সপ্তশতী চণ্ডীতে দেবী দুর্গা শস্যদেবীরূপে যেন জগতে অবতীর্ণা এ বার্তা দৃপ্ত কণ্ঠে বিঘোষিত। সর্বজীবের প্রাণরক্ষার উপযোগী শাক-শস্যের দ্বারা তিনি পৃথিবীকে পালন করেন তাই মহাজননী শারদেশ্বরীর আর এক নাম শাকম্ভরী।  বিশদ

12th  October, 2021
১৮ লক্ষ প্রদীপ এবং কিছু বাস্তব
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উত্তরপ্রদেশে ১৮ লক্ষ দিয়া জ্বালিয়ে এই অবিচারের অন্ধকার দূর হবে কি? কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে, আপনার তরফ থেকে একটাও বিবৃতি জারি হয়নি। এখনও না। কেন? ওই মানুষগুলো কি এতটুকুরও যোগ্য নয়? করুণা তারা চায়নি। টাকাও নয়। তারা চেয়েছিল বিচার। বিশদ

12th  October, 2021
কার আইন, কার আদেশ?
পি চিদম্বরম

শব্দগুলি জোরে এবং স্পষ্ট, উচ্চাঙ্গে, প্রায় নাটকীয়ভাবে বেজে ওঠে, ‘আমরা, ভারতের জনগণ ... নিজেদেরকে এই সংবিধান দিয়েছি।’ এবং স্বাধীনতা, সৌভ্রাতৃত্ব এবং অন্যান্য উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সবাইকে সুরক্ষিত করার জন্য আমরা আমাদেরকে এই সংবিধান দিয়েছি।
বিশদ

11th  October, 2021
কৃষকের রক্ত লেগেছে
হাতে তবু পুলিস নির্বিকার...
হিমাংশু সিংহ

সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় কেন্দ্রকে নিশানা করে যোগী সরকারকে জোরালো ভর্ৎসনা না করলে হয়তো গ্রেপ্তারির প্রক্রিয়া শুরু হতো না। সমনের নোটিসও ইস্যু হতো না মন্ত্রিপুত্রের নামে। শুধু একটা এফআইআর করেই দায় সারতে চেয়েছিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। যেন মৃতদের পরিবারের জন্য নেহাতই একটা সান্ত্বনা পুরস্কার।​​​
বিশদ

10th  October, 2021
 মমতাকে আটকানোই যেন লক্ষ্য না হয়
 
​​​​​​​

কেউ উপরে উঠতে গেলেই শুরু হয়ে যায় টেনে নামানোর মরিয়া চেষ্টা। কর্মক্ষেত্র থেকে রাজনীতি, সর্বত্র একই ছবি। সেই কারণে মুখে মুখে ছড়ানো ‘বাঙালি কাঁকড়া’র গল্প এত জনপ্রিয়। জাতীয় রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুরুত্ব বাড়তেই শুরু হয়েছে তাঁকে টেনে নামানোর লড়াই।​​​​​​
বিশদ

09th  October, 2021
সিপিএমের রাজনৈতিক
ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে?
সমৃদ্ধ দত্ত

মানুষ তৃণমূলকে কেন ভোট দিচ্ছে? এসব বিশ্লেষণ না করে, সিপিএমের বিশ্লেষণ করা উচিত ছিল যে, আমাদের কেন দিচ্ছে না? এখন বিশ্লেষণ করে কাজ হবে? না হবে না। দেরি হয়ে গিয়েছে। বাংলায় সিপিএম ক্রমেই পরিণত হয়ে যাবে একটি অতীত পার্টিতে! স্মৃতির রাজনীতি হয়ে! বাঙালির নতুন নস্টালজিয়া-সিপিএম!
বিশদ

08th  October, 2021
এ নরেন সে নরেন নয়!
মৃণালকান্তি দাস

বিশ্বকে মানবতার মূল্য শিখিয়েছিলেন স্বামীজি...
তারিখটি ছিল ৯/১১। শিকাগো ভাষণের বর্ষপূর্তিতে স্বামী বিবেকানন্দকে স্মরণ করে এমনই মন্তব্য করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি বলেছিলেন, মানবতার মূল্য বুঝতে আজও ১৮৯৩ সালের সেই বক্তৃতার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রধানমন্ত্রী বেলুড় মঠের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে থাকা স্বামীজির বাণী সংযুক্ত করেছিলেন নিজের টুইটে।
বিশদ

07th  October, 2021
মোদি সরকারের ভ্যাকসিন ব্যর্থতা
হারাধন চৌধুরী

টিকাকরণের স্বল্পতা এবং ধীরগতির পুরো দায় সরকারের। ভ্যাকসিন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশের মাথা হেঁট হয়ে যাওয়ার দায়ও নিতে হবে মোদি সরকারকে। বিদেশের মাটিতে এই যে উপর্যুপরি মর্যাদাহানি, এটা ভারতের বিরাট কূটনৈতিক ব্যর্থতাও বটে। বিশদ

06th  October, 2021
একনজরে
পুজোর আগে থেকেই সব্জির বাজার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। টোম্যাটো, পটল, বেগুন বা অন্যান্য সব্জি কিনতে গিয়ে ক্রেতাদের মাথায় হাত পড়েছে। অনেকেই আশা করেছিলেন, পুজোর কয়েকটা দিন ...

‘বর্তমান’-এর প্রাক্তন কর্মী গণেশচন্দ্র দাস প্রয়াত। বেলঘরিয়ার বাসিন্দা গণেশবাবু গত ১০ অক্টোবর বেলা ১টা ২০ মিনিট নাগাদ একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর ...

এটিকে মোহন বাগানের নতুন সহকারী কোচ হচ্ছেন বাস্তব রায়। সঞ্জয় সেন টানা পাঁচ মাস জৈব বলয়ে থাকতে চাইছেন না বলেই তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হল। যুব উন্নয়নের দায়িত্বে রাখা হচ্ছে সঞ্জয় সেনকে। ...

দেশের শেয়ার বাজার যথেষ্ট চাঙ্গা। ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী সূচক। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ঝোঁক বাড়ছে মিউচুয়াল ফান্ডের উপর। আর তার জেরেই দেশে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের অঙ্ক লাফিয়ে বাড়ছে। মিউচুয়াল ফান্ড সংস্থাগুলির সর্বভারতীয় সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মিউচুয়াল ফান্ডস ইন ইন্ডিয়ার দেওয়া তথ্য বলছে, ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মে বাধা থাকলেও অগ্রগতি হবে। ব্যবসায় লাভ হবে সর্বাধিক। অর্থাগম যোগটি শুভ। কর্মক্ষেত্রে এবং রাজনীতিতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৩৮৬: জার্মানীর সর্বাপেক্ষা প্রাচীন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়
১৮৬৯: স্বাধীনতা সংগ্রামী মাতঙ্গিনী হাজরার জন্ম
১৮৮৮: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন
১৯০৩:বিশিষ্ট সুরকার তথা সঙ্গীত পরিচালক রাইচাঁদ বড়ালের জন্ম
১৯২৪: কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর জন্ম
১৯৫৬: বলিউড তারকা সানি দেওলের জন্ম
২০০৫: বাগদাদে শুরু হয় সাদ্দাম হুসেনের বিচার প্রক্রিয়া



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৬০ টাকা ৭৬.৯২ টাকা
পাউন্ড ১০০.৯৮ টাকা ১০৫.৮৩ টাকা
ইউরো ৮৫.১৫ টাকা ৮৯.২৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,০০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৫৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,২৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

দিনপঞ্জি----------------------

দৃকসিদ্ধ: ২ কার্তিক, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১। চর্তুদ্দশী ৩৩/৩৩ রাত্রি ৭/৪। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৬/২৫ দিবা ১২/১২। সূর্যোদয় ৫/৩৮/১৪, সূর্যাস্ত ৫/৫/২। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৪ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ১০/৫৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৭ গতে ৮/২৭ মধ্যে পুনঃ ৯/১৬ গতে ১১/৪৭ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৮ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪ গতে ৮/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৩৯ গতে ৮/১৩ মধ্যে। 
১ কার্তিক, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১। চর্তুদ্দশী রাত্রি ৬/৪৫। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১/৮। সূর্যোদয় ৫/৩৯, সূর্যাস্ত ৫/৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে ও ৭/১৭ গতে ১০/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৭ গতে ৮/১৯ মধ্যে ও ৯/১৯ গতে ১১/৪৬ মধ্যে ও ১/৩০ গতে ৩/১৩ মধ্যে ও ৪/৫৭ গতে ৫/৪০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৫ গতে ৮/৩১ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৪০ গতে ৮/১৪ মধ্যে।
১২ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে মহিলাদের ৪০ শতাংশ টিকিট দেবে কংগ্রেস
আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে মহিলাদের ৪০ শতাংশ টিকিট দেবে কংগ্রেস। ...বিশদ

03:35:25 PM

ভারত-পাক ম্যাচের আগে একসঙ্গে দুই কোচ
রবিবার মরুশহরে আয়োজিত হবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। ভারত-পাক ম্যাচ শুরু হওয়ার ...বিশদ

03:13:30 PM

বিশ্ব ক্রমতালিকায় প্রথম দশ থেকে ছিটকে গেলেন ফেডেরার
লন টেনিসের অন্যতম কিংবদন্তি রজার ফেডেরোর। এখনও পর্যন্ত ২০টি গ্র্যান্ড ...বিশদ

02:51:17 PM

সাপের কামড়ে মৃত্যু গৃহবধূর
ঘরে ঘুমানোর সময় সাপের কামড়ে মৃত্যু হল এক গৃহবধূর। গুসকরা ...বিশদ

02:44:10 PM

নৈনিতালের লেকের জল উপচে পড়ছে রাস্তায়
একটানা বৃষ্টির ফলে উত্তরাখণ্ডের নৈনিতালে লেকের জল উপচে পড়ছে রাস্তায়। ...বিশদ

02:13:39 PM

হলদিয়ার এলপিজি বটলিং প্ল্যান্টে জখম শ্রমিকের সঙ্গে দেখা করলেন তাপস মাইতি
হলদিয়ার এলপিজি বটলিং প্ল্যান্টে দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম শ্রমিকের সঙ্গে মঙ্গলবার ...বিশদ

02:09:58 PM