Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদি-বিরোধী জোটের
মূল কাণ্ডারী মমতা
তন্ময় মল্লিক

সন্তানকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা সব বাবা, মা করেন। ঩সেই চেষ্টা সোনিয়া গান্ধীও করে চলেছেন। এতে অন্যায় নেই, বরং এটাই স্বাভাবিক। সোনিয়াজি প্রধানমন্ত্রিত্বের চেয়ারে ছেলে রাহুলকে বসাতে চান। ‘বিদেশিনী’ তকমা লাগিয়ে তাঁর মুখের সামনে থেকে প্রধানমন্ত্রীর মসনদ কেড়ে নিয়েছিল বিজেপি। ২০২৪, তার ‘মধুর প্রতিশোধ’ নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। সম্ভবত এটাই তাঁর শেষ সুযোগ। দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, যদি মাস পাঁচেক আগে রাহুলের এই বৈঠক হতো এবং তৃণমূল প্রতিনিধি না পাঠাত তাহলে সোনিয়াজি যে কোনও অজুহাতে মমতার সঙ্গে ‘চায়ে পে চর্চা’ ভেস্তে দিতেন। কিন্তু, বাংলার নির্বাচনে তৃণমূলের নজিরবিহীন সাফল্য জাতীয় রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। সোনিয়াজিও বুঝেছেন, মমতাকে বাদ দিয়ে মোদি-বিরোধী জোট মানে, ‘দেবতাশূন্য মন্দির’। মমতা ছাড়া জোটে গর্জন হলেও বর্ষণ হবে না। বুঝেছেন রাহুলও। তাই মমতাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য তিনিও ছিলেন মায়ের পাশেই। এ কি নিছক শিষ্টাচার? নাকি প্রয়োজনের তাগিদ! প্রশ্নটা আপাতত তোলাই থাক।
উত্তরাধিকার সূত্রে ‘অধিকার’ বর্তালেও ‘সম্মান’ অর্জন করতে হয়। আর তা আসে যে কোনও মানুষের ধারাবাহিক লড়াই ও সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে। যাঁর লড়াই যত কঠিন, তাঁর সম্মান তত বেশি। আপোসহীন মমতার লড়াই, সংগ্রাম এবং লক্ষ্যে পৌঁছনোর অদম্য ইচ্ছা, তাঁকে এনে দিয়েছে সেই সম্মান। বাংলার নির্বাচনে মমতা শুধু বিজেপিকেই হারাননি, হারিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে। মোদি-অমিত শাহ জুটিকে এভাবে ঘোল খাওয়াতে আর কেউ পারেননি। তাই জাতীয় রাজনীতিতে মমতাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে গগনচুম্বি প্রত্যাশা। 
এরাজ্যেও এমনটাই হয়েছিল বাম জমানায়। প্রতিবাদী মমতাকে দেখে রাজ্যের মানুষের মনে জেগেছিল প্রত্যাশা। তাঁর লাগাতার লড়াই, আন্দোলন বুঝিয়ে দিয়েছিল, তিনি ‘সেটিং পলিটিক্সে’ বিশ্বাসী নন। তাই মানুষও তাঁকে বিশ্বাস করেছিল। বলাই বাহুল্য, মানুষের সেই বিশ্বাসের মর্যাদা তিনি দিয়েছেন।
টার্গেট স্থির করে লড়াই চালিয়ে যাওয়াই মমতার বৈশিষ্ট্য। লক্ষ্যে না পৌঁছনো পর্যন্ত লড়াই তাঁর চলতেই থাকে। আর লক্ষ্য পূরণের জন্য তিনি লড়াইটা শুরু করেন একেবারে ‘গ্রাউন্ড জিরো’ থেকে। তাই মাটির সঙ্গে সম্পর্ক বড় নিবিড়। লক্ষ্য পূরণের আশায় কখনও নতুন দল গড়েছেন, আবার কখনও ছেড়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব। ঝুঁকি নিয়েছেন, কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট হননি। ঝুঁকি নেওয়ায় প্রমাণ এক আধবার নয়, মিলেছে বহুবার। ফলও পেয়েছেন। তাই গণিখান চৌধুরী, প্রণব মুখোপাধ্যায়, প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি, সোমেন মিত্রের মতো রাজনৈতিক পণ্ডিত এবং বাঘা বাঘা নেতা যা পারেননি, তিনি সেটাই করে দেখিয়েছেন। ‘বাংলা’ ও ‘বাম’ সমার্থক হয়ে ওঠা বঙ্গে তিনি শুধু সিপিএমকে উৎখাতই করেননি, ‘হাঁড়ির হাল’ করে ছেড়েছেন। একের পর এক অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ অগ্নিকন্যার এবার টার্গেট, নরেন্দ্র মোদি। 
লড়াইটা কঠিন। সেটা খুব ভালো করেই জানেন বহু রাজনৈতিক যুদ্ধের সফলতম অধিনায়িকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই অনেক আগেই শুরু করেছেন হোমওয়ার্ক। কারণ ভালো ফলের একমাত্র শর্ত বছরভর পড়াশোনা। সেই জন্যই বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে সকলকে এককাট্টা করার সলতে পাকানোর কাজটা আড়াই বছর আগেই শুরু করে দিয়েছেন।
একথা ঠিক, বাংলার নির্বাচনে বিপুল সাফল্য পাওয়ার পরই তৃণমূল সুপ্রিমো মোদি-বিরোধী অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছেন। কিন্তু, মোদি-বিরোধিতায় তিনি অন্যদের ছাপিয়ে গিয়েছেন অনেক আগেই। জিএসটি থেকে নোট বাতিল, এনআরসি থেকে বেসরকারিকরণ, এমনকী ভ্যাকসিন ইস্যুতে তিনিই সর্বপ্রথম মোদির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মানেই সিবিআই, ইডির রোষের মুখে পড়তে হবে, তা জেনেও তিনি পিছু হটেননি। এমনকী, অন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা যখন উটের মতো বালিতে মুখ গুঁজে প্রলয় থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করেছেন, তখন মমতা প্রতিবাদ করেছেন রাস্তায় নেমে।
নোট বাতিলের প্রতিবাদ করতে গিয়ে জুটেছে ‘কালো টাকার পাহারাদারের’ বদনাম। তালে তাল না মেলানোয় উম-পুন, যশের ক্ষতিপূরণের বরাদ্দ ক্রমশ হয়েছে সঙ্কুচিত। তবুও মমতা লড়াইয়ের ময়দান ছাড়েননি। পেগাসাস ইস্যুতে তদন্ত কমিশন গড়ে তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বিধানসভা ভোটে জিতে গেলেই বেশিরভাগ মুখ্যমন্ত্রীকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু মমতা থাকেন লড়াইয়ের ময়দানে।
এ কি তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ, নাকি পিছনে রয়েছে কোনও সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা, সেটা একমাত্র নেত্রীর পক্ষেই বলা সম্ভব। তবে, মোদি-অমিত শাহের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস দেখানোয় মমতা হয়ে উঠেছেন জাতীয় রাজনীতির চর্চিত চরিত্র। বাংলার নির্বাচনকে ‘প্রেস্টিজ ফাইটে’র জায়গায় নিয়ে যাওয়ায় নরেন্দ্র মোদিই নিজের বিপদ নিজে ডেকে এনেছেন। বাংলায় বিজেপির ভরাডুবির পর থেকেই দেশের মানুষ ভাবতে শুরু করেছেন, মমতাই পারবেন। বাইরে কুস্তি, ভিতরে দোস্তির লাইনের তিনি ঘোরতর বিরোধী। তাই মমতা যতই বলুন, ‘আমি লিডার নই, ক্যাডার’ প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে তাঁর নামটা এসেই যাবে। 
লোকসভায় সদস্য সংখ্যার হিসেব দিয়ে অনেকে এই ভাবনা হাস্যকর প্রমাণের চেষ্টা করবেন। কিন্তু, তাতে তেমন সুবিধে হবে না। কারণ ১৯৯৬ সালে জ্যোতি বসুর সামনে যখন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ এসেছিল তখন বামেদের আসন সংখ্যা প্রধান দুই দলের অনেক নীচেই ছিল। তবুও তিনিই ছিলেন প্রধানমন্ত্রী পদের এক নম্বর পছন্দ। তাই সব সময় ধারে কাটে এমন ভাবনাটা ঠিক নয়। কখনও কখনও ভারেও কাটে। আর বিজেপির দিল্লির নেতারা মমতার ওজনটা বাংলা ভোটে বুঝে গিয়েছেন। তাই ত্রিপুরায় এখন থেকে বাধা দিচ্ছে।
জ্যোতিবাবুকে প্রধানমন্ত্রী হতে না দেওয়াটা যে ‘ঐতিহাসিক ভুল’ ছিল তা এখন সিপিএমের অনেকেই মানেন। ফের আরও একটি ভুলের কথা স্বীকার করেছে। পশ্চিমবঙ্গে শূন্য হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে সিপিএমের উপলব্ধি, তাদের ‘বিজেমূল’ থিওরি ভুল ছিল। আব্বাস সিদ্দিকির দলের সঙ্গে জোট করাও তাদের মস্ত ভুল। সিপিএম সেটা চেপে গিয়েছে।
সিপিএম নেতৃত্ব মুখে বিজেপিকে ‘প্রধান শত্রু’ বললেও, এরাজ্যে তারা সব সময় তৃণমূলকেই টার্গেট করে এসেছে। সেই কারণে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও সিপিএমের স্লোগান ছিল, ‘মোদি হটাও তৃণমূল তাড়াও’। সেটা তৃণমূল হটানোর নির্বাচন ছিল না। তা সত্ত্বেও মোদি-মমতাকে এক লাইনেই দাঁড় করিয়েছিল। সিপিএমের শূন্য অভিমুখে অভিযানের সেটাই ছিল শুরু। তখনই যদি তারা আত্মসমীক্ষা করত তাহলে এমন করুণ পরিণতি তাদের দেখতে হতো না।
বিজেপি বিরোধিতায় সিপিএমের লাইন ভুল ছিল। দলের একাংশ এটা বুঝলেও সুজন চক্রবর্তীর মতো কিছু নেতা তৃণমূলকে চিমটি কেটেই যাবেন। কারণ তাঁরা এখনও এরাজ্যে ক্ষমতা দখলের ‘দিবাস্বপ্ন’ দেখেন। তাই বিমান বসু যতই বলুন বিজেপিকে ঠেকাতে তাঁরা যে কোনও দলের হাত ধরতে রাজি, তৃণমূলের সঙ্গে তাঁদের সমঝোতা আপাতত ‘সোনার পাথরবাটি’।
কংগ্রেস হাইকমান্ডও বুঝতে পারছে, মমতাকে শায়েস্তা করতে গিয়ে সিপিএমের হাত ধরায় তাদের কোনও লাভ হয়নি। উল্টে ক্ষতিই হয়েছে। মমতা বিরোধিতা করতে গিয়ে কংগ্রেসও বঙ্গে শূন্য হয়ে গিয়েছে। তাই মমতাকে নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন ভাবনা। সেই ভাবনায় বাধ সাধার কেউ নেই। কারণ কট্টর মমতা বিরোধী অধীর চৌধুরীও বুঝতে পারছেন, তৃণমূলের আর্শীবাদ ছাড়া মুর্শিদাবাদে জেতা অসম্ভব। তাই তাঁর মুখেও আর তেমন মমতা বিরোধী কথা শোনা যাচ্ছে না।
রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ১৪ দলের বৈঠকে তৃণমূলের না থাকার বিষয়টিকে তিনি গুরুত্ব দেননি। রাহুলকে পাশে নিয়েই সোনিয়া মমতার সঙ্গে আলোচনা সেরেছেন। কারণ সোনিয়াও বুঝেছেন, মোদি-বিরোধী জোটের বৃত্ত যত বড়ই হোক না কেন, মমতা না থাকলে তা অসম্পূর্ণ থেকেই যাবে।
ইংরেজিতে একটা কথা আছে, ‘সেল্ফ মেড ম্যান’। এঁরা নিজেরাই নিজেদের মেন্টর। কঠিন পরিস্থিতিতে বুক চিতিয়ে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে আনায় এঁরা সিদ্ধহস্ত। অনিশ্চয়তা আর ধোঁয়াশার জাল ভেদ করে লক্ষ্যে পৌঁছনোর ক্ষমতা এঁদের মজ্জায়।
মমতা তাঁদেরই একজন। কংগ্রেস ভেঙে তৈরি হওয়া আঞ্চলিক দলগুলিকে একছাতার নীচে আনা ভীষণ কঠিন কাজ। সম্ভবত এই কাজটা কুকুরের লেজ সোজা করার চেয়েও শক্ত। মমতা সেটাই করতে চাইছেন। হয়তো নেলসন ম্যান্ডেলার সেই বিখ্যাত উক্তিতেই তাঁর বিশ্বাস, ‘It always seems impossible until it’s done.’ অর্থাৎ যতক্ষণ না কোনও কাজ শেষ হচ্ছে ততক্ষণ তা অসম্ভব বলেই মনে হয়। আপাতত সেই অসম্ভবকে সম্ভব করাই মমতার লক্ষ্য।
31st  July, 2021
আফগান মেয়েদের কথা
ভাবলই না চীন, রাশিয়া
হারাধন চৌধুরী

চীন-রাশিয়ারই অস্ত্রে বলীয়ান হয়ে তালিবান এই যে মানবাধিকারকে লাগাতার বলাৎকার করে যাচ্ছে, তাতে সিলমোহর দিচ্ছে কোন নীতিতে এই দুই ‘মহান’ রাষ্ট্র? শুধু চীন, রাশিয়ার ‘অর্ধেক আকাশ’ মুক্ত থাকলেই হল, তাই তো! বিশদ

লগ্ন মেনেই টিকা!
মোদির ভারতের ভবিতব্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

আপনার জন্মদিনের প্রোপাগান্ডায় আড়াই কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ আমাদের মনে কিছু প্রশ্নের ঝড় তুলে দেয়। সেখানেও হিসেবে গরমিলের অভিযোগ ওঠে। আমরা ভাবতে বাধ্য হই, আপনি শুধুই নিজের তূণীর সমৃদ্ধ করতে বেশি আগ্রহী। একদিন ২৫ লক্ষ ভ্যাকসিন, আর একদিন আড়াই কোটি ডোজের অঙ্কে সাধারণ মানুষের জীবনের পথ মসৃণ হয় না। তাতে কাঁটার সংখ্যা বাড়তেই থাকে। 
বিশদ

21st  September, 2021
বৈষম্য ও অবিচার
বড্ড চোখে লাগছে
পি চিদম্বরম

রাজ্য সরকারগুলি রাজ্যের করদাতাদের টাকায় কেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করবে? কেন ছেলেমেয়েরা মাতৃভাষার মাধ্যমে পড়বে? কেন রাজ্য বোর্ডের পরীক্ষায় বসবে? রাজ্য শিক্ষা বোর্ড রেখে দেওয়ার আদৌ যুক্তি আছে কি আর? শহুরে ছাত্ররা কি পিএইচসি এবং মফস্‌সলের হাসপাতালগুলিতে রোগীর সেবা করবে? ‘মেরিট’ সম্পর্কে এক সন্দেহজনক তত্ত্ব খাড়া করে নিট মারাত্মক বৈষম্য ও অবিচারের এক নতুন যুগের সূচনা করছে।
বিশদ

20th  September, 2021
মোদির গৌরব, অগৌরব
ও বিপন্ন সাংবাদিকতা
হিমাংশু সিংহ

আমেদাবাদের সাংবাদিক ধবল প্যাটেল গত প্রায় এক বছর দেশছাড়া। তাঁর অপরাধ কী? সওয়া এক বছর আগে তিনি লিখেছিলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানিকে সরতে হচ্ছে। আজ ১৬ মাস বাদে তাঁর পূর্বাভাস মিলেও গিয়েছে হুবহু। গত ১১ সেপ্টেম্বর নিজেই ইস্তফা দিয়েছেন কিংবা বাধ্য হয়ে সরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী রুপানি। বিশদ

19th  September, 2021
মোদিকে টক্কর দিচ্ছেন মমতা
তন্ময় মল্লিক

ক্ষমতায়, পদমর্যাদায়, দাপটে, প্রভাবে যে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ে প্রধানমন্ত্রী অনেক অনেক এগিয়ে। কিন্তু টাইমের সমীক্ষায় ফারাকটা তেমন কিছু নয়, বরং খুব কাছাকাছি। পৃথিবীর বিখ্যাত ম্যাগাজিন ‘টাইম’ জানিয়ে দিল, এই মুহূর্তে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে টক্কর দেওয়ার ক্ষমতা ভারতবর্ষের একজনেরই আছে। নাম তাঁর মমতা।
বিশদ

18th  September, 2021
আফগান যুদ্ধ: কার লাভ
কার ক্ষতি? এরপর কী?
সমৃদ্ধ দত্ত

চীন অথবা আমেরিকা?  অলক্ষ্যে চলছে এক মরণপণ প্রতিযোগিতা! কে হবে আগামী সুপার পাওয়ার? এই চীন ও আমেরিকার সুপার পাওয়ার হওয়ার যুদ্ধে কোন দেশটির ভূমিকাই হতে পারে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। ভারত!
বিশদ

17th  September, 2021
মোদি জমানায় শিক্ষার গেরুয়াকরণ
মৃণালকান্তি দাস

বিজ্ঞানভিত্তিক মননের জন্ম তাঁরাই দিতে পারেন যাঁরা সর্বপ্রকার কুসংস্কারাচ্ছন্ন চিন্তা এবং অনৈতিহাসিক ভাবনা-ধারণা থেকে মুক্ত। এই শিক্ষানীতিতে ছাত্রমনকে ‘বিজ্ঞান ও যুক্তি নির্ভর’ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সাংবিধানিক পদমর্যাদাসম্পন্ন নানা ব্যক্তির মুখনিঃসৃত বাণী শুনছি যে, ‘মহাভারতের যুগে ইন্টারনেট’,  ‘বেদের যুগে এরোপ্লেন’ ইত্যাদি। সেই তাঁরাই ছাত্রদের বিজ্ঞানসম্মত মনন বিকাশের দায়িত্ব নেবেন?  বিশদ

16th  September, 2021
ব্যর্থতার নিরিখে আগে
মোদিকে সরানো দরকার
সন্দীপন বিশ্বাস

বারবার দেখো, হাজারবার দেখো, দেখনেকা চিজ হ্যায় ইয়ে বিজেপি সরকার। ব্যর্থতার মডেল বিভিন্ন রাজ্যের বিজেপি সরকার। সেখানকার মাথাগুলোকে গিলোটিনের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে যে নাটকের ঘনঘটা, তা সত্যিই দেখার এবং আলোচনার বস্তু। একই সঙ্গে বেজায় কমেডির উপাদানও তার মধ্যে আছে।
বিশদ

15th  September, 2021
সবার উপর সত্য ক্ষমতার দম্ভ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উন্নয়ন, সংস্কার... সংখ্যাগরিষ্ঠতার দম্ভে অনেক কৌশলই মানুষের উপর চাপানো হয়েছে গত সাত বছরে। কিন্তু সবটাই কাঁচকলায় পর্যবসিত হয়েছে। অগত্যা উপায় এবং ব্রহ্মাস্ত্র একটাই—হিন্দুত্ব। কিছু রগরগে প্রচার, কিছু টেনশন আর খানিকটা দেশাত্মবোধ। মারাত্মক সুস্বাদু চাটনি বিশেষ। এই দিয়েই তো এত বছর ভোটারদের আপ্যায়ন চালিয়ে এসেছেন। কিন্তু একটাই অনুরোধ, দয়া করে স্বামীজিকে বারবার এই সমীকরণের মধ্যে টেনে আনবেন না। বিশদ

14th  September, 2021
স্কুলশিক্ষার চরম ক্ষতির প্রতিবিধান জরুরি
পি চিদম্বরম

দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থা এবং যুবসমাজের ভবিষ্যৎ, প্রধানমন্ত্রী চান, বিশ্ব প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তুলতে। ... কিন্তু আমাদের সর্বপ্রথম বাচ্চাদের সেইভাবে তৈরি করা উচিত নয় কি যে, তারা পাঠ্যবই পড়বে এবং যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগের অঙ্কগুলো কষতে পারবে?
  বিশদ

13th  September, 2021
ভবানীপুরের খেলা ও বামেদের
ফের ঐতিহাসিক ভুল
হিমাংশু সিংহ

বিধানসভা ভোটে তিনি একপায়ে খেলা দেখিয়েছেন। ভবানীপুরে গোটা বাংলা তাঁর দু’পায়ের খেলা দেখার জন্য তৈরি। ৩০ সেপ্টেম্বর ভোট এবং ফল ৩ অক্টোবর। দেবীপক্ষ শুরুর ৭২ ঘণ্টা আগে। দেশ চায় ভবানীপুরের জয়ের দ্যুতি ছড়িয়ে একটা শক্তিশালী মোদি বিরোধী জোট আত্মপ্রকাশ করুক।
বিশদ

12th  September, 2021
ব্যুমেরাং হবে বিজেপির
‘প্রেসার পলিটিক্স’
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই বলছেন, এর আগে দিল্লির কোনও সরকার এত নির্লজ্জভাবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করেনি। বিজেপির বিরুদ্ধে মাথা তুললেই মেরে ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। আর লড়াইয়ে এঁটে উঠতে না পারলে আছে ইডি কিংবা সিবিআই। তৃণমূলের নজর এখন ত্রিপুরায়। আর তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিজেপি।
  বিশদ

11th  September, 2021
একনজরে
উত্তর দিনাজপুর জেলায় দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে সুবিধা পেয়েছেন ৭২ হাজার শ্রমিক। নানা কারণে দেড় বছর ধরে শ্রমিকদের পিএফের পাশবুক আপডেট করা বন্ধ ছিল। এবার দুয়ারে ...

পুজোয় সোনার গয়নার নতুন সম্ভার আনল তানিশ্ক। এবারের পুজো কালেকশনের নাম ‘সাজ’। মঙ্গলবার ওই গয়নার উদ্বোধন করলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। উপস্থিত ছিলেন তানিশ্ক-এর রিজিওনাল বিজনেস ...

রাতের হাওড়ায় রুটি কিনতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হল দুই যুবক। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ব্যাঁটরা থানা থেকে ছিৱ ছোড়া দূরে। এই ঘটনায় দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে ব্যাঁটরা থানার পুলিস।  ...

আইপিএল অভিষেকেই নজর কেড়েছেন বেঙ্কটেশ আয়ার। মধ্যপ্রদেশের এই ব্যাটসম্যানটির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান। সোমবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু বিরুদ্ধে ৪১ রানে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মে শুভ অগ্রগতি। ব্যবসায়ে বিনিয়োগের পরিকল্পনা। পেট ও গলায় সংক্রমণে ভোগান্তি হতে পারে। গৃহের সংস্করণ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব গাড়িমুক্ত দিবস
১৫৩৯: পাঞ্জাবের শহর কর্তারপুরে প্রয়াত গুরু নানক
১৫৯৯: লন্ডনে ফাউন্ডার্স হলে ২৪ জন ব্যবসায়ী ভারতে ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নেন। এভাবেই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গড়ে উঠে
১৭৯১: ইংরেজ বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডের জন্ম
১৮৮৮: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিন প্রথম প্রকাশিত
১৯১৫:  নদিয়া পৌরসভার নামকরণ বদল করে করা হয় নবদ্বীপ পৌরসভা
১৯৩৯: প্রথম এভারেস্ট জয়ী মহিলা জুনকো তাবেইয়ের জন্ম
১৯৬২:  নিউজিল্যাণ্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা ধারাভাষ্যকার মার্টিন ক্রোর জন্ম
১৯৬৫: শেষ হল ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। রাষ্ট্রসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দু’দেশ যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করল
১৯৭০: লেখক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮০: ইরান আক্রমণ করল ইরাক
১৯৯১: মারাঠি ও হিন্দি চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী পদ্মশ্রী দুর্গা খোটের মৃত্যু
১৯৯৫: নাগারকোভিল স্কুলে বোমা ফেলল শ্রীলঙ্কার বায়ুসেনা। মৃত্যু হয় ৩৪টি শিশুর। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই তামিল
২০১১: ক্রিকেটার মনসুর আলি খান পতৌদির মৃত্যু
২০১১: অভিনেতা বিভু ভট্টাচার্যের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৭৯ টাকা ৭৪.৫০ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৯৬ টাকা ১০২.৪০ টাকা
ইউরো ৮৪.৮৪ টাকা ৮৭.৯৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,০৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৪,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬০,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬০,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৮, বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। প্রতিপদ ০/৫৯ প্রাতঃ ৫/৫২। রেবতী নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/২৮/৫০, সূর্যাস্ত ৫/৩০/১০। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৭/৫৩ মধ্যে পুনঃ ১০/১৮ গতে ১২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৬/১৯ গতে ৭/৭ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৩ গতে ৩/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/১৬ গতে ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ৩/৫৫ মধ্যে। রাববেলা ৮/২৯ গতে ৯/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৩০ গতে ১/০ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫৯ মধ্যে।
৫ আশ্বিন ১৪২৮, বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। দ্বিতীয়া অহোরাত্র। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৪৫। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩২।  অমৃতযোগ দিবা ৬/২১ মধ্যে ও ৭/৮ গতে ৭/৫৪ মধ্যে ও ১০/১৪ গতে ১২/৩৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১ গতে ৬/৫১ মধ্যে ও ৮/৩০ গতে ৩/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ  দিবা ৬/২১ গতে ৭/৮ মধ্যে ও ১/১৯ গতে ৩/৩৯ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/০ মধ্যে ও ১১/৩০ গতে ১২/২ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে  ৩/৫৯ মধ্যে।
১৪ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইতিহাসে আজকের দিনে
বিশ্ব গাড়িমুক্ত দিবস ১৫৩৯: পাঞ্জাবের শহর কর্তারপুরে প্রয়াত গুরু নানক ১৫৯৯: লন্ডনে ...বিশদ

07:55:00 AM

আপনার আজকের দিনটি
মেষ: ব্যবসায়ে বিনিয়োগের পরিকল্পনা। বৃষ: অর্থলাভ হতে পারে একাধিক সূত্রে। মিথুন: শিল্পী ও বিদ্যার্থীদের শুভ ...বিশদ

07:50:00 AM

আইপিএল ২০২১: পাঞ্জাব ১০৬/০ (১০ ওভার)

21-09-2021 - 10:44:30 PM

আইপিএল ২০২১: পাঞ্জাবের জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৮৬ রান

21-09-2021 - 09:34:27 PM

ভারতীয় বায়ুসেনার পরবর্তী প্রধান হচ্ছেন ভিআর চৌধুরি

21-09-2021 - 09:09:03 PM

আইপিএল ২০২১: রাজস্থান ১৬৪/৪ (১৬ ওভার)

21-09-2021 - 08:58:07 PM