Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতার গতিশীল রাজনীতির
টক্করে ব্যর্থ বিরোধীরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 

মাধ্যমিক পরীক্ষার আড়াই তিনমাস পর ফলপ্রকাশ হতো আগে। এই ধরা যাক, আশি নব্বইয়ের দশকের কথা। এই যে এখন যেমন ফলপ্রকাশ যখনই হোক, পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই একাদশ শ্রেণির টিউশন ক্লাস শুরু হয়ে যায়। পুরোদমে সেইসব টিউটোরিয়ালগুলোয় পড়ার চাপ আবার চালু হয়। এসব প্রচলন তখন খুব বেশি ছিল না। অন্তত কিছুটা শ্বাস ফেলে ছুটির এক অবকাশ ছিল। কিন্তু সেই অবকাশকে অযথা  নষ্ট না করে কিছু একটা করার পরামর্শ দিতেন অভিভাবকরা। যেমন স্পোকেন ইংলিশে ভর্তি হয়ে যা এই সময়টায়। অথবা একটা কম্পিউটার কোর্স করে নেওয়া যেতে পারে। তখন সবেমাত্র কম্পিউটার ঢুকছে। নিদেনপক্ষে শর্টহ্যান্ড টাইপিংটা শিখে নিতে পারিস। পরে কাজে লাগবে। সোজা কথায়, রেগুলার পড়াশোনা এবং পরবর্তী পরীক্ষাগুলিতে পাশ করার প্রতিযোগিতায় প্রবেশ করার আগে সময় নষ্ট না করে নিজেকে একটু এগিয়ে রাখা। একটু উন্নীত করার চেষ্টা। কোনও একটি এক্সট্রা কারিকুলামে ঢুকে পড়া। বলা হতো, জীবনের ধন যায় না ফেলা। যা কিছুই  শেখা যাক, কোনও না কোনও সময় কে বলতে পারে, হয়তো কাজে লেগে যাবে! অর্থাৎ অলস সময় যাপন করে, নিজেদের চলমানতাকে স্থবির করে রেখে, কবে কখন সময় আসবে, তার জন্য অপেক্ষা করার তুলনায়, জীবন ও কেরিয়ারকে গতিশীল রাখতে হয়। পরে কাজে লাগে। 
এই গতিশীলতা হঠাৎ হারিয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির। শুধু বিধানসভা ভোটে জয় নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীদের থেকে  রাজনীতির গতিতেও এগিয়ে যাচ্ছেন। একটি ধাপে পৌঁছনোর পর পরবর্তী স্তরে আরোহণের একটা মরিয়া লক্ষ্য সামনে নিয়ে আবার অগ্রসর হওয়ার একটা প্রাণপণ চেষ্টায় তিনি ঝাঁপিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে একটি বিরোধী জোট তৈরি করা। সেই জোটের মাধ্যমে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মোদির দলকে পরাস্ত করা। তারপর পরিস্থিতি যদি দাবি করে, তাহলে প্রধানমন্ত্রী হওয়া। বাংলাকে স্বাধীনতার পর প্রথম এক বাঙালি প্রধানমন্ত্রী উপহার দেওয়া। ইত্যাদি ইত্যাদি। এই লক্ষ্যগুলির প্রতিটি সফল হতে পারে। আবার প্রতিটিই ব্যর্থ হতে পারে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেমে থাকছেন না। তিনি  হেঁটে চলেছেন রাজনৈতিক কেরিয়ারের পরবর্তী স্টপেজের দিকে। তিনি জানেন না তাঁর জন্য কী অপেক্ষা করে আছে। কিন্তু সেই অনিশ্চয়তার জন্য হাল ছাড়ছেন না।  শত বিদ্রুপ অথবা কটাক্ষ শুনতে হলেও ওই পথেই তিনি হাঁটা শুরু করেছেন। দেখা যাক না কী হয়! চেষ্টা করতে দোষ কী। অনেকটা যেন এরকম মনোভাব। ঠিক এখানেই এ রাজ্যের বিরোধীদের সঙ্গে তাঁর রাজনীতির ফারাকটা ক্রমেই আরও প্রকট হয়ে উঠছে। ভালো হোক, মন্দ হোক, অবিশ্বাস্য হোক, স্বাভাবিক হোক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটা লক্ষ্য‌, একটা ফোকাস, একটা গোলপোস্ট তৈরি করে চলেছেন অবিরত। একটি সাফল্য অর্জনের পর  পরেরটির দিকে অগ্রসর হওয়া।  পক্ষান্তরে, আমরা অত্যন্ত বিস্ময়ের সঙ্গে দেখতে পাচ্ছি, বিধানসভা ভোটে পরাজয়ের পর সামনে অখণ্ড অবকাশে নিজেদের আরও উন্নীত করে, তীব্র তাগিদে ভুলত্রুটি মেরামত করে রাজনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার তাগিদটা চোখে পড়ছে না বিরোধীদের মধ্যে। তারা থমকে রয়েছে। সিপিএম ও কংগ্রেসের সবথেকে বড় সঙ্কট হল, তাদের সামনে কোনও লক্ষ্যই নেই। তারা নিজেদের তৈরিও করছে না। কোনও এক্সট্রা কারিকুলাম কোর্স অর্জনে আগ্রহই নেই। 
প্রতিটি সুস্থ সবল এবং কর্মক্ষম জীবনের একটি করে লক্ষ্য থাকে। নতুন জীবিকার লক্ষ্য‌, আরও বেশি টাকা সঞ্চয়ের লক্ষ্য, সিনেমায় সিরিয়ালে চান্স পাওয়ার লক্ষ্য,  বিদেশে পড়াশোনার লক্ষ্য, নেক্সট পরীক্ষায় আরও ভালো ফলের লক্ষ্য, বিয়ে করার লক্ষ্য, চাকরি পাওয়ার লক্ষ্য...ইত্যাদি। এ রাজ্যে এখন বিধানসভা ভোটে পরাস্ত হওয়ার পর লক্ষ্যটা ঠিক কী, সেটা তারা কিছুতেই যেন নিজেরাই বুঝে উঠতে পারছে না। এই যে অবকাশের সময়টা, অর্থাৎ পরবর্তী ভোট আসার আগে পর্যন্ত তারা কীভাবে এই সময়টাকে কাজে লাগাবে, সেটা নিয়ে যে কোনও নির্দিষ্ট প্ল্যান আছে, ক্যালকুলেশন আছে, সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি না। অন্তত মাঠে ময়দানে প্রতিফলন কিছুই দেখা যাচ্ছে না। তাদের রাজনীতিতে কোনও আকর্ষণীয় চমক নেই। যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি কৌতূহল ও আগ্রহের জন্ম দিয়ে ফেলেছেন। আমরা সাধারণ মানুষ অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে 
দেখতে চাইছি তাঁর আগামীদিনের দিল্লি মিশন কোনদিকে এগয়, তিনি রাজ্যে আরও কী কী চমকপ্রদ প্রকল্প নিয়ে আসেন, বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কোনও সম্ভাবনা সত্যিই তৈরি হচ্ছে কি না, ইত্যাদি মনোগ্রাহী ইস্যু তিনি উপহার দিতে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু আমরা বিরোধীদের থেকে কোনও টানটান, বুদ্ধিদীপ্ত অথবা বেশ সুচারু স্ট্র্যাটেজি সংবলিত রাজনীতির সন্ধান পাচ্ছি না। যা নিয়ে আমাদের কৌতূহল জাগ্রত হতে পারে। 
নতুন রাজনীতির অনুশীলন করতে ব্যর্থ হচ্ছে বিরোধীরা। তারা সেই একই পুরনো রীতিতে আটকে যাচ্ছে। সেটা হল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও একটি মন্তব্য, সিদ্ধান্ত, সরকারের কোনও প্রকল্প ঘোষণা নিয়ে সমালোচনা করা, সাংবাদিক সম্মেলনে আক্রমণ কিংবা টিভির প্যানেল ডিসকাশনে ঝগড়া। যা ভোটের আগেও করে এসেছে। ভোটের পরও করছে। কিন্তু তারা নিজেরাও জানে যে কিছু হচ্ছে না। এভাবে হবেও না। 
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুটি বিষয়ে অনেকটা নিশ্চিন্ত করে ফেলেছেন নিজেকে। প্রথমত, মহিলা ভোটব্যাঙ্ক মোটামুটি সিংহভাগই তিনি নিশ্চিত করে ফেলেছেন আপাতত। অন্য কোনও দলকে মহিলারা এখনই হু হু করে সমর্থন করবেন, এরকম কোনও পরিস্থিতি তৈরি করতে আপাতত পারছে না কোনও বিরোধী দল। আর দ্বিতীয়ত, যখনই বাঙালি আবেগ, বাঙালি সংস্কৃতি রক্ষা, মোদি-অমিত শাহের দিল্লি টিমের সঙ্গে বাংলার ইমেজের টক্করের প্রশ্নটি আসছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বাঙালি আবেগের সমর্থনকে পূর্ণ মাত্রায় করায়ত্ত করতে সমর্থ হয়েছেন। এই দুটি ইস্যু দ্রুত তাঁর হাতছাড়া হওয়ার চান্স কম। বিশেষ করে এখন থেকে আবার তৈরি হতে শুরু করেছে বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন সংক্রান্ত একটি নতুন আবেগ। সেটি বাস্তবায়িত হোক, অথবা না হোক, স্বপ্নটা নিয়ে এগতে দোষের কী আছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এরকমই একটি স্ট্র্যাটেজির মাস্টারস্ট্রোক দিয়ে ফেলেছেন। কংগ্রেস, সিপিএম, বিজেপির রাজনীতি আটকে যাচ্ছে অপেক্ষার গ্যাপে। তারা একটি ভোট থেকে পরবর্তী ভোটের মধ্যবর্তী গ্যাপটিতে অপেক্ষা করে যে, আবার কবে ভোট আসবে। আবার প্রার্থী দেব, প্রচার করব, কিছু জিতব, কিছু হারব। ব্যস! কিন্তু মাঝখানের এই সময়টায় কোনও রাজনীতির ইস্যু তৈরি করতে পারে না তারা। একটি ভোট চলে যাওয়ার পর, পরবর্তী ভোটের দরজায় পৌঁছনোর আগে নিজেদের বদলে নিতে পারছে না তারা। গতবারের ভোটে যেমন দেখতে ছিল, তাদের  এবারও সেই একইরকম দেখতে লাগছে। এই যে রাজনীতিতে নন ইন্টারেস্টিং হয়ে যাওয়া, বোরিং 
হয়ে যাওয়া এটা বিপজ্জনক। রাজনীতির গতিশীলতা রক্ষায় তারা ব্যর্থ হচ্ছে।  পরীক্ষামূলকভাবে যে কোনও সাধারণ মানুষকে যদি প্রশ্ন করা হয় যে,  তারা সিপিএম অথবা কংগ্রেসের কাছে কী আশা করে? দেখা যাবে, এই দুই দল যে ঠিক কেমন এবং কী করতে পারে সে সম্পর্কে স্পষ্ট কোনও ধারণাই নেই সিংহভাগ মানুষের এবং তাই কিছুই আশা করে না। কারণ, এই দুই দল ক্ষমতায় এলে অথবা জয়ী হলে, কী যে বিকল্প ব্য‌বস্থা প্রদান করবে সেটি তাদের নিজেদের কাছেও স্পষ্ট নয়। এই ঘূর্ণাবর্তে ঢুকে পড়ছে বঙ্গবিজেপিও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইয়ের ক্ষেত্রে সবকটি তির ছোঁড়া হয়ে গিয়েছে তাদের। সাম্প্রদায়িক তির, দুর্নীতির তির, সিন্ডিকেট, ভাইপো সব অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়ে গিয়েছে। এখন তুণীর শূন্য। এরপর কী? লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ভোটের প্রায় তিন মাস পর বিজেপিকে দিশাহীন দেখতে লাগছে। 
 রাজ্য কংগ্রেস ও সিপিএমের সামনে ব্লাইন্ড লেন। সোনিয়ার সঙ্গে মমতার সাক্ষাৎ, মমতার জোট আহ্বানে সব দলের সবুজ সংকেতের পর এ রাজ্যে এই দু‌ই দলের মমতা বিরোধিতা হাস্যকর। তবু হয়তো এ রাজ্যের বিরোধীরা একটি পথ গ্রহণ করবে। সেটি হল, মমতার দিল্লিমুখী রাজনীতি নিয়ে হাসাহাসি করা, আক্রমণ করা, তাঁকে অতি উচ্চাকাঙ্ক্ষী তকমা দিয়ে কটাক্ষ করা, ব্যঙ্গবিদ্রুপ করা। আসলে এটি একটি নিখুঁত ফাঁদ। বিরোধীরা এই পথটি নিলেই তৃণমূল প্রচার করার অস্ত্র পেয়ে যাবে যে, বাংলার বিরোধীরা চায় না একজন বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হোক। এ যেন উভয়সঙ্কট। মমতা প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন এটা সহ্যও করা যায় না। আবার সরাসরি বিরোধিতাও করা যাবে না। বাংলায় বিরোধী রাজনীতির এহেন ধর্মসঙ্কট আগে কখনও আসেনি! 
30th  July, 2021
আফগান মেয়েদের কথা
ভাবলই না চীন, রাশিয়া
হারাধন চৌধুরী

চীন-রাশিয়ারই অস্ত্রে বলীয়ান হয়ে তালিবান এই যে মানবাধিকারকে লাগাতার বলাৎকার করে যাচ্ছে, তাতে সিলমোহর দিচ্ছে কোন নীতিতে এই দুই ‘মহান’ রাষ্ট্র? শুধু চীন, রাশিয়ার ‘অর্ধেক আকাশ’ মুক্ত থাকলেই হল, তাই তো! বিশদ

লগ্ন মেনেই টিকা!
মোদির ভারতের ভবিতব্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

আপনার জন্মদিনের প্রোপাগান্ডায় আড়াই কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ আমাদের মনে কিছু প্রশ্নের ঝড় তুলে দেয়। সেখানেও হিসেবে গরমিলের অভিযোগ ওঠে। আমরা ভাবতে বাধ্য হই, আপনি শুধুই নিজের তূণীর সমৃদ্ধ করতে বেশি আগ্রহী। একদিন ২৫ লক্ষ ভ্যাকসিন, আর একদিন আড়াই কোটি ডোজের অঙ্কে সাধারণ মানুষের জীবনের পথ মসৃণ হয় না। তাতে কাঁটার সংখ্যা বাড়তেই থাকে। 
বিশদ

21st  September, 2021
বৈষম্য ও অবিচার
বড্ড চোখে লাগছে
পি চিদম্বরম

রাজ্য সরকারগুলি রাজ্যের করদাতাদের টাকায় কেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করবে? কেন ছেলেমেয়েরা মাতৃভাষার মাধ্যমে পড়বে? কেন রাজ্য বোর্ডের পরীক্ষায় বসবে? রাজ্য শিক্ষা বোর্ড রেখে দেওয়ার আদৌ যুক্তি আছে কি আর? শহুরে ছাত্ররা কি পিএইচসি এবং মফস্‌সলের হাসপাতালগুলিতে রোগীর সেবা করবে? ‘মেরিট’ সম্পর্কে এক সন্দেহজনক তত্ত্ব খাড়া করে নিট মারাত্মক বৈষম্য ও অবিচারের এক নতুন যুগের সূচনা করছে।
বিশদ

20th  September, 2021
মোদির গৌরব, অগৌরব
ও বিপন্ন সাংবাদিকতা
হিমাংশু সিংহ

আমেদাবাদের সাংবাদিক ধবল প্যাটেল গত প্রায় এক বছর দেশছাড়া। তাঁর অপরাধ কী? সওয়া এক বছর আগে তিনি লিখেছিলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানিকে সরতে হচ্ছে। আজ ১৬ মাস বাদে তাঁর পূর্বাভাস মিলেও গিয়েছে হুবহু। গত ১১ সেপ্টেম্বর নিজেই ইস্তফা দিয়েছেন কিংবা বাধ্য হয়ে সরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী রুপানি। বিশদ

19th  September, 2021
মোদিকে টক্কর দিচ্ছেন মমতা
তন্ময় মল্লিক

ক্ষমতায়, পদমর্যাদায়, দাপটে, প্রভাবে যে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ে প্রধানমন্ত্রী অনেক অনেক এগিয়ে। কিন্তু টাইমের সমীক্ষায় ফারাকটা তেমন কিছু নয়, বরং খুব কাছাকাছি। পৃথিবীর বিখ্যাত ম্যাগাজিন ‘টাইম’ জানিয়ে দিল, এই মুহূর্তে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে টক্কর দেওয়ার ক্ষমতা ভারতবর্ষের একজনেরই আছে। নাম তাঁর মমতা।
বিশদ

18th  September, 2021
আফগান যুদ্ধ: কার লাভ
কার ক্ষতি? এরপর কী?
সমৃদ্ধ দত্ত

চীন অথবা আমেরিকা?  অলক্ষ্যে চলছে এক মরণপণ প্রতিযোগিতা! কে হবে আগামী সুপার পাওয়ার? এই চীন ও আমেরিকার সুপার পাওয়ার হওয়ার যুদ্ধে কোন দেশটির ভূমিকাই হতে পারে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। ভারত!
বিশদ

17th  September, 2021
মোদি জমানায় শিক্ষার গেরুয়াকরণ
মৃণালকান্তি দাস

বিজ্ঞানভিত্তিক মননের জন্ম তাঁরাই দিতে পারেন যাঁরা সর্বপ্রকার কুসংস্কারাচ্ছন্ন চিন্তা এবং অনৈতিহাসিক ভাবনা-ধারণা থেকে মুক্ত। এই শিক্ষানীতিতে ছাত্রমনকে ‘বিজ্ঞান ও যুক্তি নির্ভর’ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সাংবিধানিক পদমর্যাদাসম্পন্ন নানা ব্যক্তির মুখনিঃসৃত বাণী শুনছি যে, ‘মহাভারতের যুগে ইন্টারনেট’,  ‘বেদের যুগে এরোপ্লেন’ ইত্যাদি। সেই তাঁরাই ছাত্রদের বিজ্ঞানসম্মত মনন বিকাশের দায়িত্ব নেবেন?  বিশদ

16th  September, 2021
ব্যর্থতার নিরিখে আগে
মোদিকে সরানো দরকার
সন্দীপন বিশ্বাস

বারবার দেখো, হাজারবার দেখো, দেখনেকা চিজ হ্যায় ইয়ে বিজেপি সরকার। ব্যর্থতার মডেল বিভিন্ন রাজ্যের বিজেপি সরকার। সেখানকার মাথাগুলোকে গিলোটিনের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে যে নাটকের ঘনঘটা, তা সত্যিই দেখার এবং আলোচনার বস্তু। একই সঙ্গে বেজায় কমেডির উপাদানও তার মধ্যে আছে।
বিশদ

15th  September, 2021
সবার উপর সত্য ক্ষমতার দম্ভ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উন্নয়ন, সংস্কার... সংখ্যাগরিষ্ঠতার দম্ভে অনেক কৌশলই মানুষের উপর চাপানো হয়েছে গত সাত বছরে। কিন্তু সবটাই কাঁচকলায় পর্যবসিত হয়েছে। অগত্যা উপায় এবং ব্রহ্মাস্ত্র একটাই—হিন্দুত্ব। কিছু রগরগে প্রচার, কিছু টেনশন আর খানিকটা দেশাত্মবোধ। মারাত্মক সুস্বাদু চাটনি বিশেষ। এই দিয়েই তো এত বছর ভোটারদের আপ্যায়ন চালিয়ে এসেছেন। কিন্তু একটাই অনুরোধ, দয়া করে স্বামীজিকে বারবার এই সমীকরণের মধ্যে টেনে আনবেন না। বিশদ

14th  September, 2021
স্কুলশিক্ষার চরম ক্ষতির প্রতিবিধান জরুরি
পি চিদম্বরম

দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থা এবং যুবসমাজের ভবিষ্যৎ, প্রধানমন্ত্রী চান, বিশ্ব প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তুলতে। ... কিন্তু আমাদের সর্বপ্রথম বাচ্চাদের সেইভাবে তৈরি করা উচিত নয় কি যে, তারা পাঠ্যবই পড়বে এবং যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগের অঙ্কগুলো কষতে পারবে?
  বিশদ

13th  September, 2021
ভবানীপুরের খেলা ও বামেদের
ফের ঐতিহাসিক ভুল
হিমাংশু সিংহ

বিধানসভা ভোটে তিনি একপায়ে খেলা দেখিয়েছেন। ভবানীপুরে গোটা বাংলা তাঁর দু’পায়ের খেলা দেখার জন্য তৈরি। ৩০ সেপ্টেম্বর ভোট এবং ফল ৩ অক্টোবর। দেবীপক্ষ শুরুর ৭২ ঘণ্টা আগে। দেশ চায় ভবানীপুরের জয়ের দ্যুতি ছড়িয়ে একটা শক্তিশালী মোদি বিরোধী জোট আত্মপ্রকাশ করুক।
বিশদ

12th  September, 2021
ব্যুমেরাং হবে বিজেপির
‘প্রেসার পলিটিক্স’
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই বলছেন, এর আগে দিল্লির কোনও সরকার এত নির্লজ্জভাবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করেনি। বিজেপির বিরুদ্ধে মাথা তুললেই মেরে ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। আর লড়াইয়ে এঁটে উঠতে না পারলে আছে ইডি কিংবা সিবিআই। তৃণমূলের নজর এখন ত্রিপুরায়। আর তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিজেপি।
  বিশদ

11th  September, 2021
একনজরে
প্রতিশ্রুতিই সার। ছাত্রীদের স্কুলে যাওয়ার উপর ইতিমধ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। এবার অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করলেও কোনও মহিলাকে ঠাঁই দিল না তালিবান। মঙ্গলবার ডেপুটি মন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করেছে তালিবান নেতৃত্ব। কিন্তু সব সদস্যই পুরুষ। ...

উত্তর দিনাজপুর জেলায় দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে সুবিধা পেয়েছেন ৭২ হাজার শ্রমিক। নানা কারণে দেড় বছর ধরে শ্রমিকদের পিএফের পাশবুক আপডেট করা বন্ধ ছিল। এবার দুয়ারে ...

পুজোর আগে‌ই রামপুরহাট শহরের বাসিন্দাদের করোনা ভ্যাকসিন দেবে পুরসভা। ইতিমধ্যেই শহরের বেশিরভাগ বাসিন্দা‌ই ভ্যাকসিন পেয়ে গিয়েছেন বলে পুরসভার দাবি। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, শহরের বহু মানুষ এখনও ভ্যাকসিন পাননি।   ...

রাতের হাওড়ায় রুটি কিনতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হল দুই যুবক। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ব্যাঁটরা থানা থেকে ছিৱ ছোড়া দূরে। এই ঘটনায় দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে ব্যাঁটরা থানার পুলিস।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মে শুভ অগ্রগতি। ব্যবসায়ে বিনিয়োগের পরিকল্পনা। পেট ও গলায় সংক্রমণে ভোগান্তি হতে পারে। গৃহের সংস্করণ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব গাড়িমুক্ত দিবস
১৫৩৯: পাঞ্জাবের শহর কর্তারপুরে প্রয়াত গুরু নানক
১৫৯৯: লন্ডনে ফাউন্ডার্স হলে ২৪ জন ব্যবসায়ী ভারতে ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নেন। এভাবেই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গড়ে উঠে
১৭৯১: ইংরেজ বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডের জন্ম
১৮৮৮: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিন প্রথম প্রকাশিত
১৯১৫:  নদিয়া পৌরসভার নামকরণ বদল করে করা হয় নবদ্বীপ পৌরসভা
১৯৩৯: প্রথম এভারেস্ট জয়ী মহিলা জুনকো তাবেইয়ের জন্ম
১৯৬২:  নিউজিল্যাণ্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা ধারাভাষ্যকার মার্টিন ক্রোর জন্ম
১৯৬৫: শেষ হল ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। রাষ্ট্রসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দু’দেশ যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করল
১৯৭০: লেখক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮০: ইরান আক্রমণ করল ইরাক
১৯৯১: মারাঠি ও হিন্দি চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী পদ্মশ্রী দুর্গা খোটের মৃত্যু
১৯৯৫: নাগারকোভিল স্কুলে বোমা ফেলল শ্রীলঙ্কার বায়ুসেনা। মৃত্যু হয় ৩৪টি শিশুর। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই তামিল
২০১১: ক্রিকেটার মনসুর আলি খান পতৌদির মৃত্যু
২০১১: অভিনেতা বিভু ভট্টাচার্যের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৭৯ টাকা ৭৪.৫০ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৯৬ টাকা ১০২.৪০ টাকা
ইউরো ৮৪.৮৪ টাকা ৮৭.৯৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,০৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৪,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬০,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬০,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৮, বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। প্রতিপদ ০/৫৯ প্রাতঃ ৫/৫২। রেবতী নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/২৮/৫০, সূর্যাস্ত ৫/৩০/১০। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৭/৫৩ মধ্যে পুনঃ ১০/১৮ গতে ১২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৬/১৯ গতে ৭/৭ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৩ গতে ৩/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/১৬ গতে ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ৩/৫৫ মধ্যে। রাববেলা ৮/২৯ গতে ৯/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৩০ গতে ১/০ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫৯ মধ্যে।
৫ আশ্বিন ১৪২৮, বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। দ্বিতীয়া অহোরাত্র। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৪৫। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩২।  অমৃতযোগ দিবা ৬/২১ মধ্যে ও ৭/৮ গতে ৭/৫৪ মধ্যে ও ১০/১৪ গতে ১২/৩৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১ গতে ৬/৫১ মধ্যে ও ৮/৩০ গতে ৩/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ  দিবা ৬/২১ গতে ৭/৮ মধ্যে ও ১/১৯ গতে ৩/৩৯ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/০ মধ্যে ও ১১/৩০ গতে ১২/২ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে  ৩/৫৯ মধ্যে।
১৪ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইতিহাসে আজকের দিনে
বিশ্ব গাড়িমুক্ত দিবস ১৫৩৯: পাঞ্জাবের শহর কর্তারপুরে প্রয়াত গুরু নানক ১৫৯৯: লন্ডনে ...বিশদ

07:55:00 AM

আপনার আজকের দিনটি
মেষ: ব্যবসায়ে বিনিয়োগের পরিকল্পনা। বৃষ: অর্থলাভ হতে পারে একাধিক সূত্রে। মিথুন: শিল্পী ও বিদ্যার্থীদের শুভ ...বিশদ

07:50:00 AM

আইপিএল ২০২১: পাঞ্জাব ১০৬/০ (১০ ওভার)

21-09-2021 - 10:44:30 PM

আইপিএল ২০২১: পাঞ্জাবের জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৮৬ রান

21-09-2021 - 09:34:27 PM

ভারতীয় বায়ুসেনার পরবর্তী প্রধান হচ্ছেন ভিআর চৌধুরি

21-09-2021 - 09:09:03 PM

আইপিএল ২০২১: রাজস্থান ১৬৪/৪ (১৬ ওভার)

21-09-2021 - 08:58:07 PM