Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, দায় কার?
মৃণালকান্তি দাস

জরুরি অবস্থার সময় ইন্দিরা পুত্র সঞ্জয় গান্ধী অতি-সাংবিধানিক ক্ষমতা ভোগ করেছেন। তাঁর নির্দেশে, পরিবার পরিকল্পনার নামে ১৯৭৫-৭৭ সালে কুড়ি মাসে এক কোটিরও বেশি মানুষকে নাসবন্দি (বন্ধ্যাত্বকরণ) করা হয়েছিল। সেদিন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আইন আনার বন্দোবস্ত করতে সংবিধান সংশোধন করে পরিবার পরিকল্পনাকে সংবিধানের যৌথ তালিকায় আনা হয়েছিল। যাতে কেন্দ্র এই বিষয়ে আইন আনতে পারে। সঞ্জয় গান্ধীর সেই যুগ থেকে দুনিয়া আজ অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। সঞ্জয় গান্ধীর পরে মোরারজি দেশাই থেকে অটলবিহারী বাজপেয়ি, মনমোহন সিং সরকারের আমলেও কেন্দ্র স্বেচ্ছায় পরিবার পরিকল্পনার নীতিতেই ভরসা রেখেছে। বাজপেয়ি সরকারের আমলে বেঙ্কটাচেলিয়া কমিশন আইনের সুপারিশ করলেও তা হিমঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু ইউনিসেফের একটা রিপোর্ট সেই আলোচনাকে ফের ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে। সম্প্রতি ইউনিসেফের সেই রিপোর্ট জানিয়েছিল, ২০১৯-এর প্রথম দিনে এই গ্রহে জনসংখ্যা বেড়েছে ৩ লক্ষ ৯৫ হাজার ৭২, আর ভারত সবার শীর্ষে উঠে প্রায় ৭০ হাজার সদ্যোজাতকে স্বাগত জানিয়েছে। চীনের ক্ষেত্রে সেই সংখ্যাটি ৪৪ হাজার ৯৪০। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হিসেব বলছে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই পয়লা নম্বরে চলে আসবে ভারত। অথচ, ১৯৫২ সালে গঠিত প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় ভারতই প্রথম দেশ, যে পরিবার পরিকল্পনার বিষয়টিকে ‘জাতীয় নীতি’ হিসেবে গ্রহণ করেছিল।
ভয়ঙ্কর এই তথ্যে দুনিয়ার কাছে মুখ লুকাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল নয়াদিল্লি। সেই বছরই স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পরিবার পরিকল্পনাকে ‘দেশপ্রেম’-এর সঙ্গে জুড়েছিলেন। ছোট পরিবার সুখী পরিবারের পুরনো মন্ত্র শুনিয়েছিলেন। তারপর থেকেই ভারতীয় জনতা পার্টির বিবিধ নেতানেত্রীর বয়ানে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের আহ্বান ধ্বনিত হচ্ছে। সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের কর্ণধার মোহন ভাগবত সঙ্ঘের বৈঠকে জানিয়েছেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণই তাঁদের পরবর্তী কর্মসূচি।
বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে শুরু হয়েছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কড়া আইন আনার তোড়জোড়। জানুয়ারি ২০২১ থেকে অসমে চালু হয়েছে দুই সন্তান নীতি। রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের উক্ত তারিখ থেকে এক বা একাধিক বিবাহ সূত্রে দুইয়ের বেশি সন্তান হলেই চাকরি চলে যাবে। এবং যাদের এখনও চাকরিতে নিযুক্তি হয়নি, তাদের কারও একইভাবে দুইয়ের অধিক সন্তান থাকলে রাজ্য সরকারের কোনও পদে আবেদন করার যোগ্যতা আর থাকবে না। এমনই কড়া আইন এনে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি দুই সন্তানের নীতি কার্যকরী করতে চাইছে। উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটকেও। বিরোধীদের দাবি, ভারতের বর্তমান শাসকরা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নব উদ্যমে যা শুরু করেছেন তাতে অশিক্ষা এবং অভিসন্ধি— দুইই প্রকট।
বিজেপি নেতা, আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবিতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলাতেই মোদি সরকার জানিয়েছিল, সরকার পরিবার পরিকল্পনার বিষয়ে কোনও রকম জোরাজুরির বিরুদ্ধে। সরকারি তথ্য বলছে, এমনিতেই দেশে জন্মহার কমছে। অধিকাংশ দম্পতিই এখন দু’টির বেশি সন্তান নিতে চান না। দেশে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি একেবারেই মানুষের ইচ্ছের উপরে নির্ভরশীল। স্বামী-স্ত্রী পরিবারের সদস্যের সংখ্যা ঠিক করেন। সেখানে কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। সরকারি অবস্থান এমন হলেও বিজেপি যেভাবে উত্তরপ্রদেশের ভোটের আগে ফের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিতর্ক বাঁধাতে চাইছে, তাতে বিরোধী শিবির নিশ্চিত, এর লক্ষ্য হল মেরুকরণ। বিজেপির আসল উদ্দেশ্য হল, নির্দিষ্ট একটি ধর্মের মানুষের বিরুদ্ধে জনসংখ্যা বৃদ্ধির অভিযোগ তোলা। ‘ওদের তো চারটে বৌ, ডজন দুয়েক বাচ্চা প্রতি ঘরে’—এই কথাগুলি আমাদের মুখের লব্জ। এগুলোর চেয়ে বেশি মিথ্যে কথা আর নেই, আর বিজেপি ভরসা করে আছে অনেকদিন ধরে একটু একটু করে বানানো এই পোক্ত মিথ্যাচারের উপরেই। বিজেপির যুক্তি, সন্তান দু’টির বেশি হওয়ার অর্থ দেশের জনসংখ্যার লাগামহীন বৃদ্ধি। কড়া হাতে এর মোকাবিলা না করলে সমস্ত ন্যাচারাল রিসোর্স কম পড়বে। সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া যাবে না পাওনা সুযোগসুবিধা। সবচেয়ে বড় ব্যাপার, সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে সাম্যাবস্থার জন্য এই আইন খুব জরুরি। নাহলে কোনও বিশেষ ধর্মীয় সম্প্রদায় ধর্মের দোহাই দিয়ে নিজেদের সংখ্যা বাড়িয়েই যাবে, আর সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে অন্যান্য সম্প্রদায়গুলি। সংখ্যালঘুকে সমস্ত রকম চাপে রেখে সংখ্যাগুরুর সমর্থন এককাট্টা করার যে পন্থা বর্তমান শাসকরা একমনে অনুসরণ করে চলেছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে দেখলে এই সব হিসেবনিকেশের অন্তরালে নিহিত অভিসন্ধিটি আর অন্তরালে থাকে না।
জনগণনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুসলিমদের জনসংখ্যা বাড়ছে ঠিকই। কিন্তু স্বাধীনতার পরে ষাট বা সত্তরের দশকে যে হারে মুসলিমদের জনসংখ্যা বাড়ত, এখন আর সে হারে বাড়ছে না বলেই জনগণনার হিসেব। দেশে দশ বছর অন্তর যে জনগণনা হয়, তার পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি দশ বছরে মুসলিমদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধাপে ধাপে কমে আসছে। যদিও আরএসএস কোনও রাখঢাক না করেই জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ার জন্য মুসলিমদের দায়ী করে এসেছে। সঙ্ঘ পরিবারের নেতাদের আশঙ্কা, এ দেশে হিন্দুরা একসময় সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন। আরএসএসের দাবি, ১৯৫১ সালে মুসলিম ছাড়া বাকি ধর্মের মানুষরা ছিলেন জনসংখ্যার ৮৮ শতাংশ। ২০১১-এ তা ৮৩.৮ শতাংশে নেমে এসেছে। কিন্তু এই আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন দেশে জনগণনার ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেন্সাস কমিশনারের কর্তারাই। আরএসএস বলছে, ১৯৫১ থেকে ২০১১— দেশের মোট জনসংখ্যায় মুসলিমদের হার ৯.৮ শতাংশ থেকে ১৪.২৩ শতাংশে পৌঁছেছে। কিন্তু জনগণনার হিসেব বলছে, ২০০১-র তুলনায় ২০১১-তে মুসলিমদের সংখ্যা ২৪.৬ শতাংশ বেড়েছে। যেখানে তার আগের দশকে, অর্থাৎ ১৯৯১-র তুলনায় ২০০১-তে মুসলিম জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার ছিল ২৯.৫ শতাংশ। আগের দশকগুলিতে সেই হার ৩০ শতাংশের বেশি। হিন্দু-খ্রিস্টানদের মতো মুসলিমদের মধ্যেও শিক্ষার হার বেড়ে যাওয়ায় জন্মের হার কমতে শুরু করেছে। অথচ, ২০২১ সালে দাঁড়িয়ে ভারতের শাসকরা ষাটের দশকের দাঁড়িপাল্লায় হিন্দু এবং মুসলিমের জন্মহার মাপছেন। আসলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও লক্ষ্য বিভাজন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে ধর্মকে জুড়ে ফের মেরুকরণও উস্কে দিচ্ছেন তাঁরা।
জনগণনা বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, এ দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত পরিকাঠামো ও বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি বা নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কিছু হয়নি। শিক্ষার প্রকৃত প্রসার, ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে জেহাদ এবং সঙ্কীর্ণ রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিরোধ করতে যা ছিল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের এক গবেষণায় জানা গিয়েছে, ২০০৮ থেকে ২০১৬— এই আট বছরে এ দেশে জন্মরোধের সামগ্রী ব্যবহার কমেছে ৫২ শতাংশ, পাশাপাশি বন্ধ্যাত্বকরণ হ্রাস পেয়েছে ৭৩ শতাংশ। দেখা গিয়েছে, গত আট বছরে জন্মনিয়ন্ত্রণে এ দেশের মহিলারা উদ্যোগী হলেও পুরুষেরা এ বিষয়ে দায়িত্ব এড়িয়ে যান। একে ‘পৌরুষ হরণের চক্রান্ত’ বলেও চিহ্নিত করা হয়। এর প্রকৃত সমাধানে সর্ব স্তরে প্রয়োজন সক্রিয় উদ্যোগ বা গণ-সচেতনতা। অথচ বিপুল জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে নেতা-মন্ত্রী-সহ ক্ষমতাশালী বা প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের তেমন উচ্চবাচ্য শোনা যায় না— যেমন ভাবে ভোটের স্বার্থে সব সমস্যার সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাজনৈতিক মঞ্চে তাঁরা প্রবল ভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েন।
বিশেষজ্ঞদের কথায়, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ— এই ক্ষেত্রগুলিতে দুর্দশা, নিরক্ষরতা, ভয়াবহ বেকারি, দারিদ্র, অনুন্নয়ন— সবের সঙ্গেই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির সম্পর্কটি গভীর। ইতিমধ্যে যে বিপুল জনসমষ্টি, বিশেষত অল্পবয়স্করা, শিক্ষা ও কাজের দুনিয়ায় প্রবেশ করেছে, তাদের এক বিরাট অংশের চাহিদা অপূর্ণ। শিক্ষার মান অনেকাংশেই ভয়াবহ, কর্মসংস্থানের চিত্র আতঙ্কজনক, যাঁদের কাজ আছে তাঁদেরও অধিকাংশেরই কাজের গুণমান অত্যন্ত খারাপ। এই সমস্যা মোকাবিলার উপায়, এক কথায়, শিক্ষার প্রসার, পুষ্টি ও জনস্বাস্থ্যের প্রসার, কর্মসংস্থানের প্রসার। অর্থাৎ, যথার্থ সর্বজনীন উন্নয়ন। সেই কাজটি সাধন করতে পারলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বাকি কাজটুকুও আপনিই সম্পন্ন হবে, জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য কোনও অ-গণতান্ত্রিক জবরদস্তির নীতি ঘোষণা করার প্রয়োজন হয় না। এই কার্যকারণ সূত্রটি দুনিয়া জুড়ে প্রমাণিত। সংখ্যালঘু-সর্বস্ব ঠুলিটি চোখ থেকে সরিয়ে মোদিজি যদি একবার বাস্তবকে দেখতে পারেন, তবে তিনি সর্বাগ্রে মুখ্যমন্ত্রী যোগীকে উত্তরপ্রদেশের জনশিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যের প্রসারে মন দিতে বলবেন, তা হলেই জন্মহার নিয়ন্ত্রিত হবে— হিন্দুরও, মুসলিমেরও, অন্যদেরও। দক্ষিণ ও পূর্ব ভারতে তাই-ই হয়েছে। এরজন্য চোখ রাঙানির প্রয়োজন পড়ে না!
তথ্য বলছে, ভারতের জনসংখ্যার প্রায় ২৫ শতাংশ দু’টি রাজ্যে বাস করে। বিহার এবং উত্তরপ্রদেশ। এই দু’টি রাজ্যেই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অত্যন্ত বেশি। পরিসংখ্যান বলছে, ‘ফার্টিলিটি রেট’ (প্রজননক্ষম বয়সে একজন নারী গড়ে যত সন্তানের জন্ম দেবেন বলে প্রত্যাশিত)-এ সবচেয়ে এগিয়ে বিহার। সে রাজ্যে এই হার সাড়ে ৩ শতাংশেরও বেশি। শুধু বিহার নয়, ২০১১-র জনসুমারির ভিত্তিতে উত্তরপ্রদেশ-সহ উত্তর ভারতের প্রতিটি রাজ্যই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারে অনেক এগিয়ে ছিল। অন্যদিকে, দক্ষিণ ভারতের সবগুলি রাজ্যেই ‘ফার্টিলিটি রেট’ ২-এর কম। পশ্চিমবঙ্গেও তা ২-এর কম। অর্থাৎ জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পশ্চিমবঙ্গ তুলনায় অনেকটাই সফল। ‘ফার্টিলিটি রেট’ সবচেয়ে কম পড়শি রাজ্য সিকিমে। মাত্র ১.৫।
দুনিয়ার অভিজ্ঞতা বলে, সার্বিক আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটলেই পরিবারের আয়তন স্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। জবরদস্তি জন্মনিয়ন্ত্রণের ফল শেষ পর্যন্ত ক্ষতিকর হতে বাধ্য, চীন তার সাক্ষ্য বহন করছে।
22nd  July, 2021
বিদ্বেষপূর্ণ এবং মিথ্যে ধর্মযুদ্ধ

ইতিহাস বলছে, ক্রুসেডস হল কিছু ধর্মযুদ্ধ, যা একাদশ শতকের শেষাশেষি শুরু হয়েছিল। লড়াইগুলো হয়েছিল ১০৯৫ এবং ১২৯১ খ্রিস্টাব্দের ভিতরে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে এসব সংঘটিত হয়েছিল ইউরোপীয় খ্রিস্টানদের দ্বারা। বিশদ

ভবানীপুর থেকেই শুরু হোক নয়া ইতিহাস
হিমাংশু সিংহ

রাজ্য রাজনীতির এই সন্ধিক্ষণে ভবানীপুর থেকেই অশুভ শক্তির বিনাশের শপথ নিতে হবে। বাংলার পবিত্র মাটিতে ভিনদেশি ষড়যন্ত্রকে হারাতে হবে। ৩০ সেপ্টেম্বর ঝড় বৃষ্টি দুর্যোগ যাই হোক ভোট দেওয়া প্রত্যেক ভবানীপুরবাসীর অবশ্য কর্তব্য। বিশদ

26th  September, 2021
‘উপেক্ষিত নায়ক’ হয়েই
থেকে গেলেন দিলীপ
তন্ময় মল্লিক

মুখ বদলে ‘মুখরক্ষা’ মোদি-অমিত শাহ জমানার নয়া কৌশল। গুজরাত থেকে বাংলা, সর্বত্র একই ট্রেন্ড। কেন্দ্রের ব্যর্থতার দায় অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে মানুষকে বোকা বানানোর এই টেকনিক তাঁদেরই আমদানি। দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে দিয়ে সুকান্ত মজুমদারকে বসানো তারই অঙ্গ। বিশদ

25th  September, 2021
ম্যানগ্রোভকে ঘিরেই
সুন্দরবনবাসীর হাসি-কান্না
শ্যামল মণ্ডল

লক্ষ্য সুন্দরবনের মধ্যে আরও একটি ‘সুন্দর’বন গড়ে তোলা। আর এই উদ্দেশ্য সফল করতে নদীবাঁধের ধার বরাবর বিভিন্ন প্রজাতির ম্যানগ্রোভ গাছের প্রাচীর গড়ে তোলা হচ্ছে। গত তিন বছর ধরে চলছে এই কৃত্রিম ‘ম্যানগ্রোভ বন’ তৈরির কাজ। বিশদ

25th  September, 2021
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার চেষ্টায়
অন্যায়ের কী আছে?
সমৃদ্ধ দত্ত

উত্তমকুমার বাংলা সিনেমা জগতে সুপারস্টার হয়ে যাওয়ার পর স্থির করেছিলেন, এবার একবার হিন্দি চলচ্চিত্র সাম্রাজ্যে ভাগ্যান্বেষণের চেষ্টা করলে কেমন হয়? সেই প্রয়াস তিনি করেছিলেন। কিন্তু ভুল গাইডেন্স, সঠিক পরিকল্পনার অভাব এবং কিছু পারিষদবর্গের স্বার্থান্বেষী দিশানির্দেশের সম্মিলিত ফলাফল হিসেবে তাঁর সেই উদ্যোগটি সফল হতে পারেনি।
বিশদ

24th  September, 2021
বিমা দুর্নীতির ইতিহাস
ভুলে গিয়েছেন মোদি
মৃণালকান্তি দাস

সরকারি জীবন বিমা সংস্থায় আমজনতা টাকা রাখেন নিরাপদ মনে করে। একের পর এক দুরবস্থা সামাল দিতে তাকেই এগিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত পুঁজিকে ঝুঁকির মুখে ফেলা হচ্ছে কেন? যে রুগ্ন সংস্থাগুলিকে এলআইসি টাকা ধার দিয়েছে, তা শোধ না হলে কী হবে?
বিশদ

23rd  September, 2021
আফগান মেয়েদের কথা
ভাবলই না চীন, রাশিয়া
হারাধন চৌধুরী

চীন-রাশিয়ারই অস্ত্রে বলীয়ান হয়ে তালিবান এই যে মানবাধিকারকে লাগাতার বলাৎকার করে যাচ্ছে, তাতে সিলমোহর দিচ্ছে কোন নীতিতে এই দুই ‘মহান’ রাষ্ট্র? শুধু চীন, রাশিয়ার ‘অর্ধেক আকাশ’ মুক্ত থাকলেই হল, তাই তো! বিশদ

22nd  September, 2021
লগ্ন মেনেই টিকা!
মোদির ভারতের ভবিতব্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

আপনার জন্মদিনের প্রোপাগান্ডায় আড়াই কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ আমাদের মনে কিছু প্রশ্নের ঝড় তুলে দেয়। সেখানেও হিসেবে গরমিলের অভিযোগ ওঠে। আমরা ভাবতে বাধ্য হই, আপনি শুধুই নিজের তূণীর সমৃদ্ধ করতে বেশি আগ্রহী। একদিন ২৫ লক্ষ ভ্যাকসিন, আর একদিন আড়াই কোটি ডোজের অঙ্কে সাধারণ মানুষের জীবনের পথ মসৃণ হয় না। তাতে কাঁটার সংখ্যা বাড়তেই থাকে। 
বিশদ

21st  September, 2021
বৈষম্য ও অবিচার
বড্ড চোখে লাগছে
পি চিদম্বরম

রাজ্য সরকারগুলি রাজ্যের করদাতাদের টাকায় কেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করবে? কেন ছেলেমেয়েরা মাতৃভাষার মাধ্যমে পড়বে? কেন রাজ্য বোর্ডের পরীক্ষায় বসবে? রাজ্য শিক্ষা বোর্ড রেখে দেওয়ার আদৌ যুক্তি আছে কি আর? শহুরে ছাত্ররা কি পিএইচসি এবং মফস্‌সলের হাসপাতালগুলিতে রোগীর সেবা করবে? ‘মেরিট’ সম্পর্কে এক সন্দেহজনক তত্ত্ব খাড়া করে নিট মারাত্মক বৈষম্য ও অবিচারের এক নতুন যুগের সূচনা করছে।
বিশদ

20th  September, 2021
মোদির গৌরব, অগৌরব
ও বিপন্ন সাংবাদিকতা
হিমাংশু সিংহ

আমেদাবাদের সাংবাদিক ধবল প্যাটেল গত প্রায় এক বছর দেশছাড়া। তাঁর অপরাধ কী? সওয়া এক বছর আগে তিনি লিখেছিলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানিকে সরতে হচ্ছে। আজ ১৬ মাস বাদে তাঁর পূর্বাভাস মিলেও গিয়েছে হুবহু। গত ১১ সেপ্টেম্বর নিজেই ইস্তফা দিয়েছেন কিংবা বাধ্য হয়ে সরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী রুপানি। বিশদ

19th  September, 2021
মোদিকে টক্কর দিচ্ছেন মমতা
তন্ময় মল্লিক

ক্ষমতায়, পদমর্যাদায়, দাপটে, প্রভাবে যে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ে প্রধানমন্ত্রী অনেক অনেক এগিয়ে। কিন্তু টাইমের সমীক্ষায় ফারাকটা তেমন কিছু নয়, বরং খুব কাছাকাছি। পৃথিবীর বিখ্যাত ম্যাগাজিন ‘টাইম’ জানিয়ে দিল, এই মুহূর্তে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে টক্কর দেওয়ার ক্ষমতা ভারতবর্ষের একজনেরই আছে। নাম তাঁর মমতা।
বিশদ

18th  September, 2021
আফগান যুদ্ধ: কার লাভ
কার ক্ষতি? এরপর কী?
সমৃদ্ধ দত্ত

চীন অথবা আমেরিকা?  অলক্ষ্যে চলছে এক মরণপণ প্রতিযোগিতা! কে হবে আগামী সুপার পাওয়ার? এই চীন ও আমেরিকার সুপার পাওয়ার হওয়ার যুদ্ধে কোন দেশটির ভূমিকাই হতে পারে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। ভারত!
বিশদ

17th  September, 2021
একনজরে
ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে মৃত্যু হল তিন জনের। ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকার মন্টানায়। শিকাগো থেকে সিয়াটেলের মধ্যে রেল পরিষেবা প্রদানকারী আমট্রাক কর্পোরেশনের ট্রেনটিতে মোট ১৪১ জন যাত্রী ও ১৬ জন ক্রু ছিলেন। ...

শান্তিস্বরূপ ভাটনাগর পুরস্কার ঘোষণা হবে, আর তাতে বাঙালি বিজ্ঞানীদের রমরমা থাকবে না, এমন ছবি বহু বছর দেখা যায়নি। এবারের ১১ জন পুরস্কার প্রাপকদের তালিকাতেও রয়েছেন চারজন বাঙালি। ...

লেসলি ক্লিভলিকে গোলরক্ষক কোচ নিযুক্ত করল এসসি ইস্ট বেঙ্গল। তিনি এর আগে চেলসিতে কাজ করেছেন। ক্লিভলির উয়েফা ‘এ’ লাইসেন্স রয়েছে। ...

‘কাকা আভি জিন্দা হ্যায়…।’ ‘কাকা’ নামেই ছত্তিশগড়ে খ্যাত ভূপেশ বাঘেল। মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেসের শীর্ষনেতাকে এই নামেই ডাকতে অভ্যস্ত দলের কর্মী-সমর্থকরা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সন্তানের সাফল্যে গর্ব বোধ। আর্থিক অগ্রগতি হবে। কর্মে বিনিয়োগ বৃদ্ধি। ঘাড়, মাথায় যন্ত্রণা বৃদ্ধিতে বিব্রত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব পর্যটন দিবস
১৯৫৮ - ভারতীয় হিসাবে প্রথম মিহির সেন ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন।
১৯০৭ - বিপ্লবী শহিদ ভগৎ সিংয়ের জন্ম
১৮৩৩: বিশ্বপথিক রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু
১৯৩২: ভারতীয় চিত্রপরিচালক যশ চোপড়ার জন্ম
২০০৮: প্রখ্যাত ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী মহেন্দ্র কাপুরের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার    
পাউন্ড    
ইউরো    
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম)  
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম)  
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম)  
রূপার বাট (প্রতি কেজি)  
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি)  
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ১০ আশ্বিন ১৪২৮, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ষষ্ঠী ২৫/৩৩ দিবা ৩/৪৪। রোহিণী নক্ষত্র ৩০/২৮ সন্ধ্যা ৫/৪২। সূর্যোদয় ৫/৩০/২১, সূর্যাস্ত ৫/২৫/১১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে। 
১০ আশ্বিন ১৪২৮, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ষষ্ঠী দিবা ১/৮। রোহিণী নক্ষত্র অপরাহ্ন ৪/২৭। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৮ গতে ৩/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৯ মধ্যে।
 ১৯ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল ২০২১ : রাজস্থানের বিরুদ্ধে ৭ উইকেটে জয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের

11:06:59 PM

আইপিএল ২০২১ : হায়দরাবাদ : ৯১/১ (১০ ওভার)

10:14:16 PM

আইপিএল ২০২১ : সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৬৫ রান

09:38:30 PM

আইপিএল ২০২১ : রাজস্থান ৮১/৩ (১১ ওভার)

08:27:31 PM

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে অনেকটাই কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ
গতকালের তুলনায় রাজ্যে অনেকটাই কমল করোনার দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ...বিশদ

08:25:56 PM

কয়লাপাচার কাণ্ডে গ্রেপ্তার লালা ঘনিষ্ঠ ৪ অভিযুক্ত
আজ, সোমবার কয়লাপাচার কাণ্ডে লালা ওরফে অনুপ মাজি ঘনিষ্ঠ ৪ ...বিশদ

05:31:00 PM