Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এবার পথ দেখাবে উত্তরপ্রদেশই
হিমাংশু সিংহ

দু’বছর আগে উত্তরপ্রদেশ জেলা প্রশাসন মুখ্যসচিবের সার্কুলারটা পেয়ে চমকে উঠেছিল। ১৯৮৪ ব্যাচের আইএএস অনুপকুমার পাণ্ডে ওই নির্দেশে লিখছেন, সাধারণতন্ত্র দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর এনকাউন্টারের ফলেই যে জেলায় জেলায় সর্বত্র শান্তি ফিরেছে তা সবিস্তারে বলতে হবে ডিএমদের। আরও বলতে হবে, অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য থেকে এভাবেই যোগী সরকার উত্তরপ্রদেশকে শান্তির তপোবনে পরিণত করতে উদ্যোগী। এককথায় সরকারের প্রধান অভিমুখটাই এনকাউন্টার। বাংলায় যেখানে জেলাশাসকরা কন্যাশ্রী, যুবশ্রী, দুয়ারে সরকারের সাফল্যের কথা বলেন, সেখানে একটা গোটা সরকারের প্রথম দু’বছরের সাফল্য শুধু এনকাউন্টার (পড়ুন ফেক!) করে লোক মারা? দুর্বৃত্ত দমনের নামে বেছে বেছে গুলি করে বিরোধীদের নিকেশ করা? অভিযোগ সত্যি হোক বা মিথ্যে, অনুপ পাণ্ডে কিন্তু তাঁর পুরস্কার পেয়ে গিয়েছেন। সম্প্রতি অবসর নেওয়ার দু’বছর পর কেন্দ্রের বিজেপি সরকার তাঁকেই দেশের অন্যতম নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ করেছে। ওই পদে থাকবেন চব্বিশ সালের সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত। নিঃসন্দেহে প্রাইজ পোস্টিং! ভোটের সময় কাজে দেবে শাসকের। বাংলার ভোটে তো প্রমাণ হয়েই গিয়েছে স্বয়ংশাসিত নির্বাচন কমিশন কার কথায় চলে!
ধুরন্ধর শাসক এভাবেই নিজের চারপাশটা গুছিয়ে নিয়ে অদ্ভুত প্রশান্তি খোঁজেন। কিন্তু তবু সিঁদ কেটে দুর্নাম জোটে, জনগণেশ ক্ষিপ্ত হয়ে হিসেব উল্টে দেয়। খাতায় কলমে সব ঠিকঠাক থাকলেও ইতিহাস এমনই নিষ্ঠুর। বড় কঠিনভাবে তা ফিরে ফিরে আসে। আচমকা জীবন্ত হয়ে উঠে শাসকের দু’গালে আচমকা কষিয়ে থাপ্পড় মেরে কিছু না বলেই অদৃশ্য হয়ে যায়। কোথাও দু’শো গোল দেওয়ার অলীক স্বপ্ন দেখলেও বাস্তবের মাঠে থেমে যেতে হয় সত্তরের ঘরেই। কখনও আবার হুকুম ফলে না। মাঝখান থেকে টানাটানির কঠিন আবর্ত শিক্ষা দিয়ে যায় নির্মমভাবে। বুঝিয়ে দেয়, তুমি নও, উপর থেকে সুতো ধরে টান মারার লোক আলাদা। এরই মধ্যিখানে কেটে যায় কয়েক দশক। শতাব্দীও হতে পারে। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় ক্ষমতার দৌলতে সময়কে সাময়িক হারিয়ে দেওয়া গেলেও ইতিহাস ঠিক অতীতকে মনে রেখে নীরবে একই দান ফিরিয়ে দেয় অকপটে। ২০১৪ থেকে বিজেপির থুড়ি নরেন্দ্র মোদির অভাবনীয় যে জয়যাত্রায় উত্তরপ্রদেশই ছিল প্রধান ভরসাস্থল, একুশে মহামারীর আবহে তাতেই যেন কোথায় চিড় ধরেছে। দম নিতে না পেরে কখন মানুষের আস্থা হারিয়েছে সরকার। শুধু বিরোধীরাই এতে চাঙ্গা হয়নি, পারস্পরিক বিশ্বাসটাও কোথাও ষোলোআনা টাল খেয়েছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে। সাধারণ মানুষ সেখানে বলছে, বিরোধীদের খতম করতে গিয়ে স্বাস্থ্য, শিক্ষা উন্নয়নে নজরই দেয়নি যোগী সরকার। যার ফলে গঙ্গায় লাশের সারি, হাসপাতালে অক্সিজেন বাড়ন্ত, দ্বিতীয় ঢেউয়ের শুরুতে প্রশাসনের সেই কাহিল অবস্থাটা কতটা এনকাউন্টার আর নির্মীয়মাণ রামমন্দিরের গৌরব দিয়ে ঢেকে দেওয়া যাবে তারই উত্তর দেবে আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচন। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে আসন্ন লোকসভা ভোটেও। কারণ ৮০ আসনের উত্তরপ্রদেশই কেন্দ্রে ক্ষমতা দখলেরও নির্ণায়ক ফ্যাক্টর।
কিন্তু ভোটের ফলের চেয়েও যেটা গেরুয়া শিবিরকে বেশি ভাবাচ্ছে তা হচ্ছে মোদি ও যোগীর এই বাড়তে থাকা ইগোর লড়াই। আর সেখানেই ইতিহাসের আর এক অদ্ভুত সমাপতন দেখছে দেশ। ২০০২ থেকে ২০২১ সময়ের দূরত্ব মাত্র ১৯ বছর। এই উনিশ বছরেই আক্কেলগুড়ুম হয়ে গিয়েছে নরেন্দ্র মোদির।  প্রায় দু’দশক আগের রক্তক্ষয়ী গুজরাত দাঙ্গা সারা বিশ্বের কাছে প্রবাদপ্রতিম অটলবিহারী বাজপেয়ির মাথা হেঁট করে দিয়েছিল। তিনি নিজেও মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে শিষ্য নরেন্দ্র মোদির অপসারণ চেয়ে সরব হয়েছিলেন। কিন্তু দলের কট্টরপন্থী অংশ সেদিন লালকৃষ্ণ আদবানির নেতৃত্বে বাজপেয়িজির অব্যক্ত যন্ত্রণার সঙ্গে সহমত হয়নি। ফলে মোদিজি এতবড় গণহত্যার পরও গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী পদেই আসীন থেকেছিলেন বুক ফুলিয়ে অবলীলায়। আর আজ ঠিক ১৯ বছর পর সেই একই খেলা আবার উত্তরপ্রদেশে। নীরবে ‘গুরুপ্রণাম’ই কি ফিরিয়ে দিচ্ছেন গোরক্ষপুরের যোগী আদিত্যনাথ? একের পর এক ঘটনায় সেখানে বিজেপির জনভিত্তি ধাক্কা খাচ্ছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলের ভরাডুবি হয়েছে। তার উপর কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় যোগী সরকারের চূড়ান্ত ব্যর্থতার হরেক কিসিমের আখ্যান রাজ্যের সীমানা ছাড়িয়ে আজ মুখে মুখে ঘুরছে। প্রধানমন্ত্রীর আত্মনির্ভর ভারতকে দুয়ো দিয়ে, স্বচ্ছ ভারতকে লজ্জা দিয়ে গঙ্গায় লাশের সারি দেখছে মানুষ। এ কার লজ্জা! তবু ১৯ বছর আগের বাজপেয়িজির মতো নরেন্দ্র মোদিও আজ অসহায়। কট্টরপন্থীদের চাপে নেতৃত্বে নতুন মুখ নিয়ে আসা দূরে থাক, গেরুয়া বসন পরিহিত যোগীজিকে একটি কথা বলারও জো নেই তাঁর। নীরবে সয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। এমনও শোনা যাচ্ছে মোদির পর বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীও নাকি তিনিই। বাগে আনতে না পেরে যোগীকে নজরে রাখতে সম্প্রতি এক পোড় খাওয়া আইএএসকে লখনউ পাঠিয়েছেন মোদি। নাম অরবিন্দ শর্মা। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয়নি, উল্টে অবিশ্বাসের ফাটল আরও চওড়া হয়েছে। দিল্লির সাম্প্রতিক বৈঠকও দু’তরফের দূরত্ব মেটাতে পেরেছে বলে মনে হয় না। এরই মাঝে আবার রামমন্দির নির্মাণের জমি কেনাবেচা নিয়েও বিরাট দুর্নীতি সামনে এসেছে। ২ কোটি টাকার জমি মন্দির ট্রাস্ট কিনেছে ১৮ কোটি টাকায়। অগণিত ভক্তের বিশ্বাসের মন্দির নিয়ে অসাধু ব্যবসা? এতবড় দুর্নীতির লাভের গুড় খেল কে? নিশ্চয় গেরুয়া বিরোধী কেউ হতে পারে না। প্রধানমন্ত্রীর তৈরি করে দেওয়া মন্দির ট্রাস্ট কি তাঁর নিয়ন্ত্রণে নেই!
যদি প্রশ্ন ওঠে হঠাৎ বিধানসভা ভোটের আগেই এমনটা হল কেন? অনেকগুলি উত্তর সামনে আসবে। বিগত ২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভোট রাজনীতির স্বার্থে দিল্লি থেকে প্রশ্রয় বড় কম দেওয়া হয়নি যোগীকে। আর সেই সুযোগকে সম্পূর্ণ কাজে লাগিয়ে হিন্দুত্বের পোস্টার বয় সেজে কখনও সংখ্যালঘু, আবার কখনও দুর্বল বিরোধীদের উপর একতরফা হত্যালীলা নামিয়ে এনেছেন উচ্চাকাঙ্ক্ষী আদিত্যনাথ। গুজরাতে মোদিজির ভয়াবহ দাঙ্গা রাজনীতির উল্টোপিঠে যোগীর এনকাউন্টার রাজনীতিতে কি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সায় ছিল না? সম্মতি ছিল না নিরপরাধ সাংবাদিক হত্যায়? আলবাৎ ছিল। গুন্ডাগর্দি খতম করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও আরএসএসের ছত্রছায়ায় সংগঠন বিস্তারের আড়ালে যখন ক্রমাগত অপশাসনের বীজ বপন করা হয়, তখন স্বভাবতই জনসমর্থনেও টান পড়তে বাধ্য। হাতরাস থেকে শুরু করে একের পর এক খুন ও ধর্ষণ, গো রাজনীতির নামে সংখ্যালঘু নিপীড়ন, সবই চলেছে সঙ্ঘের ভাবধারা মেনেই। উপরন্তু রাজপুত মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একটা বড় দূরত্ব তৈরি হয়েছে উত্তরপ্রদেশের প্রভাবশালী ব্রাহ্মণ সমাজের। এই ফাঁকটাও দলকে ভাবাচ্ছে। সেই কারণেই কংগ্রেস ভাঙিয়ে দলে আনা হয়েছে ব্রাহ্মণ সন্তান রাহুল গান্ধী ঘনিষ্ঠ জিতিন প্রসাদকে। বাংলায় দল ভাঙার কৌশল ব্যুমেরাং হয়েছে দেখেও সেই পথেই দল আবার হাঁটছে মানেই গেরুয়া শিবির যথেষ্ট চাপে। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রশ্রয়েই যোগী আদিত্যনাথ আজ কালের নিয়মে ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন। যাই ঘটে যাক মোদির বিজেপি তাঁকে না পারবে গিলতে, না পারবে ওগড়াতে! চোখ রাঙিয়ে যতই বলা হোক আপনি কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না, জনগণের সামনে সত্যিটা একদিন না একদিন বেরিয়ে আসবেই। ভারতবর্ষ এমনই এক গণতন্ত্রের আদর্শকে বহন করে যেখানে একজন ব্যক্তি বা দল সহজে দেশের বহুমাত্রিক এই বিচারধারার বদল ঘটাতে পারে না। বারে বারে তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। আজ স্বাধীনতার হীরক জয়ন্তীর ঠিক আগের বছরেও তা কোনও যোগী বা মোদির পক্ষে যে সম্ভব হবে না। দেশবাসী এই সার সত্যটা জেনে ফেলেছে এবং উপলব্ধিও করছে হাড়ে হাড়ে। তাই এবার একনায়কতন্ত্রের দড়ি ধরেই টান মারার পালা। বাংলা পথ দেখিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ তাকে আরও প্রশস্ত করবে।
মোদিজিও বিলক্ষণ বুঝতে পারছেন, যোগীর এই অনাচার বেশিদিন চললে তার নিশ্চিত প্রভাব পড়বে আগামী চব্বিশ সালের সাধারণ নির্বাচনেও। এবং তারও আগে আগামী বছরের বিধানসভা ভোটে। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভূতপূর্ব সাফল্য এবং স্বাধীনতার পর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে কেন্দ্রের শাসক দলের বিপর্যয় বিরোধী শক্তিকে চাঙ্গা করেছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে বিজেপি বিরোধী ভোটের বিভাজন রুখে অবিজেপি দলগুলি একজোট হয়ে ময়দানে নামতে পারে তাহলে দেশের রাজনৈতিক মানচিত্র দ্রুত বদলে যেতে বাধ্য। সেই আশাই দেখাচ্ছেন ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোর। কংগ্রেস, অখিলেশের সমাজবাদী পার্টি, মায়াবতীর দলের একটা বড় অংশ মিলে যদি বিরোধী ভোট বিভাজনের রাস্তা আটকাতে পারে সেক্ষেত্রে যোগী আদিত্যনাথের বিপদ অবশ্যম্ভাবী। আর বাইশে উত্তরপ্রদেশে ধাক্কা খেলে দু’বছর বাদে লোকসভা ভোটে মোদির পক্ষে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করা মোটেও খুব সহজ হবে না। কারণ পাঞ্জাব, হরিয়ানা সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের কৃষকরা ক্ষোভে ফুঁসছেন। ফুঁসছেন শ্রমিক ও সাধারণ দিন আনা দিন খাওয়া মানুষও। নিশ্চিত ব্যবসা পথে বসেছে নোট বাতিল আর জিএসটির জোড়া সর্বনাশে। এই অবস্থায় একনায়কতন্ত্রের নাগপাশ থেকে দেশকে মুক্ত করার স্বপ্ন দেখাচ্ছে উত্তরপ্রদেশই। বাংলার ঐতিহাসিক নির্বাচনের পর উত্তরপ্রদেশেও গেরুয়া রথ থামানো গেলে নতুন করে লিখতে হবে ভারতীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ। সেই রেশ ধরেই চব্বিশের সাধারণ নির্বাচনে দিল্লির তখতে অবিজেপি সরকারের প্রত্যাবর্তন হলেই মঙ্গল। সেক্ষেত্রে বাংলার ভাগ্যেও শিকে ছিঁড়তে পারে। স্বাধীনতার ৭৫ বছরে বহু গৌরবের অধিকারী হয়েও প্রধানমন্ত্রী পদ বারবার হাতছাড়া হয়েছে আমাদের। বিরোধীদের মুখ হিসেবে চব্বিশে বাংলার জননেত্রীর হাতে দেশের ভার এলে তা হবে ভারতের স্বাধীনতা পরবর্তী ইতিহাসের সবচেয়ে হীরকখচিত ঘটনা।
20th  June, 2021
এই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি হবে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সত্যজিৎ রায়ের ‘অপরাজিত’ ছবিতে স্কুল পরিদর্শকের সামনে স্কুলের এক ছাত্র অপূর্ব কুমার রায় ‘কিশলয়’ কবিতাটি  মনোগ্রাহী ভঙ্গিতে আবৃত্তি করে স্কুলের সম্মান রক্ষা করেছিল।
বিশদ

জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, দায় কার?
মৃণালকান্তি দাস

২০২১ সালে দাঁড়িয়ে ভারতের শাসকরা ষাটের দশকের দাঁড়িপাল্লায় হিন্দু এবং মুসলিমের জন্মহার মাপছেন। আসলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও লক্ষ্য বিভাজন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে ধর্মকে জুড়ে ফের মেরুকরণও উস্কে দিচ্ছেন তাঁরা। বিশদ

22nd  July, 2021
একুশে জুলাইয়ের
লড়াই শেষ হয়ে যায়নি
সন্দীপন বিশ্বাস

আজ একুশে জুলাই হয়ে উঠতে পারে একটা অপ্রতিরোধ্য শক্তির ব্যঞ্জনা। রাজ্যে স্বল্প পরিসরের বাইরে বেরিয়ে সারা দেশকে অনুপ্রাণিত করতে পারে একুশে জুলাইয়ের লড়াই। সেই লড়াইয়ের যোগ্য নেতৃত্ব দিতে পারেন একজনই। তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। সারাদেশে তিনি হয়ে উঠেছেন মোদির অক্ষম শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জননী।
বিশদ

21st  July, 2021
একনায়কতন্ত্রের নজরদারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিকে সদ্য সমাপ্ত বাংলার বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয়ের কারিগর। আর অভিষেক নিজেই দলের কার্যত সেকেন্ড ইন কমান্ড। এই দু’জনের ফোন ট্যাপ করলেই মাথা পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া যায়—অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

20th  July, 2021
স্বাধীন ভারতের এক সার্বভৌম
পি চিদম্বরম

১৯৪৭-এ আমরা ইংরেজের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছি। তবু, ভারতে আমাদের একজন ‘সার্বভৌম’ রয়েছে। এই সার্বভৌম হল ভারত সরকার।
বিশদ

19th  July, 2021
সত্যি কি তৃতীয় ঢেউ
আটকাতে চান নরেন্দ্র মোদি!
হিমাংশু সিংহ

কোভিড পর্বে ৫৬ ইঞ্চি ছাতির ধ্যাষ্টামি কম দেখেনি দেশ। গতবছর ২২ মার্চ থালা-ঘটি-বাটি বাজানো থেকেই সেই চোর-পুলিস খেলার শুরু। 
বিশদ

18th  July, 2021
পার্টি ম্যান দিলীপ, হতে
পারলেন না ‘ইয়েস ম্যান’
তন্ময় মল্লিক

ফের সেই অঙ্ক। গেরো থেকে কিছুতেই বেরনো যাচ্ছে না। তবে এবার অঙ্কটা একটু অন্য রকম। ৩ থেকে বেড়ে ৭৭, নাকি ১২১ থেকে কমে? কোন দিক থেকে ৭৭-এর অঙ্ক কষা হবে, সেটা বিজেপির অন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনেকে বলছেন, এই অঙ্কের উপরেই নাকি দাঁড়িয়ে আছে দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ!
বিশদ

17th  July, 2021
রাহুল সোনিয়া  কি আদৌ
চান মোদিকে হারাতে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী এক কথার মানুষ। তাঁরা স্বধর্মে অটল। বিগত ২২ বছরে তাঁরা নিজেদের দলের কোনও রাজ্য নেতাকে এককভাবে শক্তিশালী অথবা জনপ্রিয় হওয়াকে মোটেই পছন্দ করেননি।
বিশদ

16th  July, 2021
সেন্ট্রাল ভিস্তা, দম্ভের সৌধ
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের নতুন সংসদ ভবনের আসন সংখ্যা বাড়ানো কি বিজেপির নয়া কৌশল? বিজেপি যে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের যথেষ্ট আগে শেষ করাতে চাইছে, তার পিছনে কি কাজ করছে হিন্দু জাতীয়তাবাদের বড় কোনও পরিকল্পনা?
বিশদ

15th  July, 2021
দিল্লিতে বাংলার চার আব্বুলিশ
হারাধন চৌধুরী

মোদি বাংলা থেকে একজনকেও পূর্ণমন্ত্রী করতে পারলেন না! ... চারজন ‘আব্বুলিশ’ মন্ত্রী রাখার একটাই ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও বাগড়া দেওয়া, যেটা ধনকারকে দিয়ে হয়ে উঠছে না অনেক সময়। এই গুরুত্বহীন সম্প্রসারণে বাংলার কোনও লাভ হবে না। আঞ্চলিক বা সম্প্রদায়গত মলম লেপন কিছু হবে হয়তো, কিন্তু ওই খণ্ডাংশেরও সামান্য উত্থান হবে না এতে।
বিশদ

14th  July, 2021
‘সাফল্যের’ ছাঁটাই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কথায় বলে, ধোঁয়া যখন বেরচ্ছে, আগুনও কোথাও না কোথাও আছে। অর্থাৎ, রেলকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার কানাঘুষো একেবারে গুজব নয়। নতুন মন্ত্রী সেই ইন্ধনে কিন্তু ঘি ঢেলেছেন। কে এই মন্ত্রী? অশ্বিনী বৈষ্ণব।
বিশদ

13th  July, 2021
ভূতটা স্বমূর্তি ধরছে
পি চিদম্বরম

আন্তঃসরকার চুক্তি এবং ২০১৮-র ১৪ ডিসেম্বর বিচারপতি গগৈ কর্তৃক প্রদত্ত রায় ‘রিভিউ’ করে দেখার জন্য আদালতকে রাজি করানো যেতে পারে। সংবাদ মাধ্যমের উপরেও আমি আস্থা রাখব। অনেকে আত্মসমর্পণ করেছে। কিছু হয়েছে দমনপীড়নের শিকার। তা সত্ত্বেও সংবাদ মাধ্যমে এখনও কিছু কলম এবং কণ্ঠ রয়েছে—যারা নিজেদের পাঠযোগ্য এবং শ্রাব্য করে তুলতে পারে।
বিশদ

12th  July, 2021
একনজরে
আগামী ১৮ আগস্ট এএফসি কাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে এটিকে মোহন বাগান। তার আগে দলকে অন্তত দু’সপ্তাহ অনুশীলন করাতে চাইছেন কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। ...

ফের কেতুগ্রামে বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। বৃহস্পতিবার ভোরে বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভেঙে পড়েছে কংক্রিটের বাড়ির একাংশ। ...

করোনার চতুর্থ ঢেউ ঢুকে পড়ল ফ্রান্সে। লকডাউন থেকে বাঁচতে ফের করোনা বিধিতে জোর দিয়েছে সরকার। সিনেমা, মিউজিয়াম বা খেলার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে অবশ্যই টিকার ডোজ সম্পূর্ণ করতে হবে। অথবা থাকতে হবে করোনার নেগেটিভ রিপোর্ট। ...

করোনা পরিস্থিতিতে অনেক সাজাপ্রাপ্ত বা বিচারাধীন বন্দিকে প্যারোলে ছাড়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সংশোধনাগারে সংক্রমণ এড়াতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। বন্দিদের শ্রমে বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের কাজও গত বেশ কয়েকমাস বন্ধ রাখা হয়েছিল করোনার সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৯- আমেরিকাতে টাইপরাইটারের পূর্বসুরী টাইপোগ্রাফার পেটেন্ট করেন উইলিয়াম অস্টিন বার্ড
১৮৪৩ - সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বাগ্মী রায়বাহাদুর কালীপ্রসন্ন ঘোষের জন্ম
১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
১৮৮১ - আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলির মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিক ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত 
১৮৯৩ - কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ পূর্বতন বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার স্থাপিত
১৮৯৫- চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
১৮৯৮ - বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯০৬ - চন্দ্রশেখর আজাদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী
১৯২৭ - সালের এই দিনে ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানি বোম্বাইয়ে ভারতের প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু করে
১৯৩৩ - ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লবী ও আইনজীবী যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তের মৃত্যু
১৯৪৯ -  দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার ক্লাইভ রাইসের জন্ম
১৯৫৩ - ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার গ্রাহাম গুচের জন্ম
১৯৯৫- হেল-বপ ধূমকেতু আবিস্কার হয়, পরের বছরের গোড়ায় সেটি খালি চোখে দৃশ্যমান হয়
২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৬৪ টাকা ৭৫.৩৬ টাকা
পাউন্ড ১০০.৪১ টাকা ১০৩.৯২ টাকা
ইউরো ৮৬.৩১ টাকা ৮৯.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৩০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫, ৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬, ৫৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭, ৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭, ৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী ১৪/০ দিবা ১০/৪৪। পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র ২৩/১৪ দিবা ২/২৬।  সূর্যোদয় ৫/৭/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১৮/৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৬ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/২ গতে ২/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ২/৫৮ গতে ৩/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৮ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/০ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
৬ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী দিবা ১০/৩। পূর্ব্বাষাঢ়া নক্ষত্র দিবা ২/৪৫। সূর্যোদয় ৫/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৪৯ গতে ১০/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৯ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৪/২৬ গতে ৬/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ৩/১ গতে ৩/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৫ গতে ১১/২০ মধ্যে ও ৩/৪৫ গতে ৫/৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে। 
১২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় ওয়ান ডে: শ্রীলঙ্কা ১২৭/১ (২০ ওভার), টার্গেট ২২৬ 

09:53:36 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: শ্রীলঙ্কা ৬৮/১ (১১ ওভার), টার্গেট ২২৬ 

09:11:30 PM

করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত ৮৪২, মৃত ১৬ 

08:53:07 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২২৫ রানে অলআউট 

08:03:45 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২১৮/৮ (৪০ ওভার)  

07:46:45 PM

জুহুর বাড়িতে শিল্পা শেট্টিকে জিজ্ঞাসাবাদ মুম্বই পুলিসের 

07:34:57 PM