Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতার সিদ্ধান্তের উপর
ঝুলছে বিজেপির ভাঙন
তন্ময় মল্লিক

ঝিরঝিরে বৃষ্টি আর পুবালি বাতাস বইলে জালে ওঠে ইলিশ। বর্ষাকাল ইলিশ ধরার আদর্শ সময়। নেতা জালে ওঠে ভোটের সময়। তাই নির্বাচন হল দলবদলুদের মরশুম। ভোটের আগে দিল্লির নেতাদের আস্ফালনে যশের মতোই বঙ্গ বিজেপিতে দেখা দিয়েছিল প্রবল জলোচ্ছ্বাস। সেই জল নামতেই সেখানে এখন শুধু বালি আর বালি। জলোচ্ছ্বাসের দাপটে উদ্দাম সমুদ্রতটের বিস্তীর্ণ বালিয়াড়ি যে মরুভূমিকেও হার মানাতে পারে, তা অনেকে কল্পনাও করতে পারেনি। জল নেমে যেতেই দলবদলুরা স্রোতে ভেসে এসে ডাঙায় আটকে যাওয়া মাছের মতো ছটফট করছেন। জলে ফেরার প্রবল আকুতি। এর ফলে বঙ্গ বিজেপি এখন ‘তাসের ঘর’। ভাঙার জন্য ধাক্কা নয়, মৃদুমন্দ বাতাসই কাফি। ‘অনুতপ্ত’ দলবদলুর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই অবস্থায় তৃণমূল দরজা খুলে দিলে ‘ঘরে ফেরা’র স্রোত সুনামিকেও হার মানাবে। তাকে ঠেকানোর ক্ষমতা ইডি, সিবিআই, এমনকী ‘ট্যুইটারবাবু’রও নেই। তৃণমূল নেত্রীর সিদ্ধান্তের উপরেই ঝুলে রয়েছে বিজেপির ভাঙন। 
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সংক্রমণের শিখর ছোঁয়ার মুহূর্তে বাংলার দুই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছিল সিবিআই। উদ্দেশ্য স্পষ্ট, সিবিআই দেখিয়ে বিজেপির ভাঙন আটকানো। কারণ ‘চাণক্য’ বুঝেছিলেন, নির্বাচনে গোহারা হারার পর বঙ্গে বিজেপির ভাঙন সময়ের অপেক্ষা। এই অবস্থায় দল অটুট রাখার একটাই অস্ত্র—‘সিবিআই জুজু’। কারণ ভয় দেখিয়ে জয় করাই হল মোদি-অমিত শাহ জুটির ট্র্যাডিশন। 
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে হ্যাটট্রিক করার অনন্য গৌরব সৃষ্টির কারণে বাংলা যখন ‘মমতাময়’, ঠিক তখনই আছড়ে পড়েছিল আঘাত। নির্বাচনে নাস্তানাবুদ হওয়ার পর প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করার এমন নির্লজ্জ, নজিরবিহীন পদক্ষেপে দেশজুড়ে উঠেছিল সমালোচনার ঝড়। বিজেপি নেতৃত্ব মনে করিয়ে দিতে চেয়েছিল ব্রিটিশ লেখক-নাট্যকার জন লিলির লেখা থেকে প্রবাদের রূপ নেওয়া কথাগুলি, ‘অল ইজ ফেয়ার ইন লাভ অ্যান্ড ওয়ার’। তারপরেও বিজেপিতে ভাঙন হয়েছে। নারদায় অভিযুক্ত মুকুল রায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।
মুকুলবাবু যদি কেবল বিজেপির একজন বিধায়ক হতেন, তাহলে তাঁকে নিয়ে চর্চার তেমন কিছু ছিল না। কিন্তু তিনি ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি। তাছাড়া ভোটে না জেতার বিরোধীদের কটাক্ষের জবাব দেওয়ার যোগ্যতা এই প্রথম অর্জন করেছেন। বিধায়ক পদ খোয়ানোর আশঙ্কা সত্ত্বেও তিনি বিজেপি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 
রাজনীতিতে ‘ঠান্ডা মাথার’ লোক বলে পরিচিত মুকুল রায় ভালো করেই জানেন, তৃণমূলে তিনি আগের জায়গাটা কিছুতে ফিরে পাবেন না। তাছাড়া বারবার দল বদলালে নেতার প্রতি মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতায় চিড় ধরে। তারপরেও দেশের সর্ব বৃহৎ পার্টি ছেড়ে তিনি মূলত একটি রাজ্যে সীমাবদ্ধ দলে যোগ দিলেন। আর গুরুত্বটা ঠিক এখানেই। অনেকে বলছেন, মুকুল রায় প্রায় বছর চারেক ভিতরে থেকে বিজেপির প্রকৃত অবস্থাটা বুঝে গিয়েছেন। তাই ‘জাহাজ’ ডোবার আগেই ‘নৌকায়’ চেপে বসেছেন। কারণ নৌকার হালটা মমতার হাতে। তুফানের মধ্যেও তীরে ‘নাও’ ভেড়ানোটাই তাঁর ইউএসপি।
বঙ্গ দখল করে বিজেপির দুই হেভিওয়েট দলের মধ্যে তাঁদের কর্তৃত্বকে আরও মজবুত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, বাংলার মানুষ নাকে ঝামা ঘষে দেওয়ায় দলে তাঁরা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন। বিজেপিতে দ্বন্দ্ব বাড়ছে। শুধু বঙ্গেই নয়, ক্রমশ তা অন্য রাজ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে। পাশের রাজ্য ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বিরুদ্ধে বিজেপি বিধায়কদের ক্ষোভ দীর্ঘদিনের। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের হুইপে তাঁরা এতদিন চুপচাপ ছিলেন। কিন্তু, এখন আর তাঁরা আজ্ঞাবহ দাসের মতো সব নির্দেশ মানতে চাইছেন না। বেচাল দেখলেই ফোঁস করছেন। এটাই রাজনীতির নিয়ম।
নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে টক্কর নিয়ে বিপুল জয় ছিনিয়ে আনতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ত্রিপুরাতেও শুরু হয়েছে স্বপ্ন দেখা। বাজতে শুরু করেছে ‘খেলা হবে ত্রিপুরায়’ গানও। বিজেপির বিক্ষুব্ধরা ফণা তুলছেন। বিপদের গন্ধ পেয়েই বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব তড়িঘড়ি দু‌ই পর্যবেক্ষককে পাঠিয়ে দিয়েছে ত্রিপুরায়। কারণ প্রতিপক্ষ হিসেবে মমতা যে কত ভয়ঙ্কর, তা বিজেপির দিল্লির নেতারা বাংলার নির্বাচনে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন। তাই তাঁরা ফাঁক রাখতে চাইছেন না। তবে, এসব করেও সামাল দেওয়া সম্ভব হবে,  এমন গ্যারান্টি নেই। কারণ তৃণমূল বাংলায় বিজেপির ঘর ভাঙানোর খেলার ‘মধুর প্রতিশোধ’ নেওয়ার সুযোগ কিছুতেই হাতছাড়া করবে না।
রাজনীতি অনেকটা নাগরদোলার মতো। উপরে উঠলে নামতে হবেই। এটাই ভবিতব্য। অপেক্ষাটা শুধু সময়ের। বিজেপির দিল্লির নেতারা উপরে উঠে নামার কথা ভুলে গিয়েছিলেন। বাংলার নির্বাচন বিজেপির সেই নামার দিকটাই নির্দেশ করে দিয়েছে। উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনে নির্ধারিত হবে বিজেপির ‘গ্রাউন্ড জিরো’তে নামার সময়।
তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর মুকুলবাবুর বিরুদ্ধে সিবিআই কোনও ব্যবস্থা নেবে কি না, সেটা সময় বলবে। তবে, এই ইস্যুতে সিবিআই যে পদক্ষেপই করুক না কেন, লাভ তৃণমূলের। তাঁকে গ্রেপ্তার করলে বিজেপির বিরুদ্ধে ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি’র তত্ত্বকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার আরও একটা সুযোগ পেয়ে যাবে তৃণমূল। আর ব্যবস্থা না নিলে বিজেপিকে ভিতর থেকে ফোঁপরা করার তিনিই হবেন মূল হাতিয়ার। ফলে মুকুল-কাণ্ডে বিজেপির যথার্থই ‘শাঁখের করাতে’র অবস্থা।
‘শেষ পাতের চাটনি’ থেকে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হয়েছিলেন মুকুলবাবু। তার জন্য নিশ্চয়ই তাঁকেও যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হয়েছিল। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন বলেই বিজেপি তাঁকে এই পদ দিয়েছিল। অনেকে বলেন, এরাজ্যের গ্রামের দিকে বিজেপির সংগঠন তৈরির অনেকটা মুকুলবাবুর কৃতিত্ব। তাই মুকুলের তৃণমূলে যোগদানে শাসক দলের কোনও লাভ না হলেও বিজেপির যে ক্ষতি হবে, তা একপ্রকার নিশ্চিত।
নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকেই দলবদলু নেতাদের একটা বড় অংশ তৃণমূলে ফেরার জন্য নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সোনালি গুহ খোলা চিঠি লিখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁচলের নীচে আশ্রয় চেয়েছেন। একেবারে সরাসরি আত্মসমর্পণ। এটা ‘সোজাসাপ্টা’ পলিসি। অনেকে আবার ঘুরপথে তৃণমূলে ফেরার রাস্তা তৈরি করতে চাইছেন। তাঁরা বিজেপিকে আক্রমণ করছেন। নির্বাচিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপির ৩৫৬ ধারা জারির চেষ্টার বিরোধিতা করছেন। এটা ‘পেটে খিদে মুখে লাজ’ পলিসি। উদাহরণ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল মণ্ডল। কেউ কেউ আবার রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মাতৃবিয়োগের ঘটনাকেও দলে ফেরার ‘সুযোগ’ হিসেবে কাজে লাগাতে চাইছেন। এটা ‘সৌজন্য’ পলিসি। এই পলিসির ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার’ শোভন-বৈশাখী। 
পলিসি ভিন্ন ভিন্ন হলেও সকলের উদ্দেশ্য এক। তৃণমূলে যোগদান। কারণ তাঁরা বুঝেছেন, মমতার ছত্রছায়ায় বেড়ে ওঠা তৃণমূলের শিকড় বাংলার মাটির অনেক গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত। ঝড়ঝাপ্টায় তার দু’একটা ডাল ভাঙতে পারে, কিন্তু গাছ উপড়ে ফেলা যাবে না। এবারের নির্বাচনে তার প্রমাণও মিলেছে। মুকুল রায়কে তৃণমূলে ফিরিয়ে নেওয়ায় দলবদলুদের মনে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
মুকুল রায়ের কপালে শিকে ছিঁড়লেও বাকি দলবদলুরা এই মুহূর্তে কতটা সুবিধা করতে পারবেন, তা বলা কঠিন। কারণ তাঁরা তৃণমূলে ফিরতে চাওয়ার বাসনা প্রকাশ করতেই বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে প্রতিবাদ। কোথাও দলবদলু নেতাদের বিরুদ্ধে পড়ছে পোস্টার, কোথাও আবার হচ্ছে রাস্তা অবরোধ। তার কারণ একটাই, এই দলবদলুরাই নির্বাচনের আগে তাঁদের প্রিয় নেত্রীকে কুৎসিত আক্রমণ করেছিলেন। তাই তাঁদের দলে ফেরালে মানুষ বিরূপ হবে। দলে বাড়বে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।
শোনা যাচ্ছে, তৃণমূলে ফেরার ও যোগদানের আবেদনের একটা লম্বা তালিকা শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জমা পড়েছে। তার মধ্যে কিছু বিধায়কও রয়েছেন। আবেদনকারীরা ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে বাকি জীবনটা তৃণমূলে থেকে কাজ করতে চেয়েছেন। কিন্তু, তৃণমূল সুপ্রিমো এব্যাপারে নির্লিপ্ত। সম্ভবত তিনি ‘ধীরে চলো’ নীতি নিয়েছেন।
আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ‘ক্লোজড চ্যাপ্টার’। নারদা কাণ্ডে দুই মন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেও তেমন সুবিধে হয়নি। বিজেপিতে ‘বেসুরো’দের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। একের পর এক পঞ্চায়েত বিজেপির হাতছাড়া হচ্ছে। পার্টি অফিসগুলির অবস্থা করোনা আবহে মিষ্টির দোকানের চেয়েও খারাপ। মাছি তাড়ানোর লোক নেই। এমন সঙ্কটকালে বিজেপির ভাঙন ও গেরুয়া শিবিরকে অক্সিজেন জোগানোর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন ‘ট্যুইটারবাবু’। হিল্লি দিল্লি করছেন। হুঙ্কারও ছাড়ছেন। এসব দেখে লোকজন একটা কথাই বলছে, ‘ফোঁপরা ঢেঁকির শব্দ বেশি।’
19th  June, 2021
এই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি হবে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সত্যজিৎ রায়ের ‘অপরাজিত’ ছবিতে স্কুল পরিদর্শকের সামনে স্কুলের এক ছাত্র অপূর্ব কুমার রায় ‘কিশলয়’ কবিতাটি  মনোগ্রাহী ভঙ্গিতে আবৃত্তি করে স্কুলের সম্মান রক্ষা করেছিল।
বিশদ

জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, দায় কার?
মৃণালকান্তি দাস

২০২১ সালে দাঁড়িয়ে ভারতের শাসকরা ষাটের দশকের দাঁড়িপাল্লায় হিন্দু এবং মুসলিমের জন্মহার মাপছেন। আসলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও লক্ষ্য বিভাজন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে ধর্মকে জুড়ে ফের মেরুকরণও উস্কে দিচ্ছেন তাঁরা। বিশদ

22nd  July, 2021
একুশে জুলাইয়ের
লড়াই শেষ হয়ে যায়নি
সন্দীপন বিশ্বাস

আজ একুশে জুলাই হয়ে উঠতে পারে একটা অপ্রতিরোধ্য শক্তির ব্যঞ্জনা। রাজ্যে স্বল্প পরিসরের বাইরে বেরিয়ে সারা দেশকে অনুপ্রাণিত করতে পারে একুশে জুলাইয়ের লড়াই। সেই লড়াইয়ের যোগ্য নেতৃত্ব দিতে পারেন একজনই। তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। সারাদেশে তিনি হয়ে উঠেছেন মোদির অক্ষম শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জননী।
বিশদ

21st  July, 2021
একনায়কতন্ত্রের নজরদারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিকে সদ্য সমাপ্ত বাংলার বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয়ের কারিগর। আর অভিষেক নিজেই দলের কার্যত সেকেন্ড ইন কমান্ড। এই দু’জনের ফোন ট্যাপ করলেই মাথা পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া যায়—অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

20th  July, 2021
স্বাধীন ভারতের এক সার্বভৌম
পি চিদম্বরম

১৯৪৭-এ আমরা ইংরেজের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছি। তবু, ভারতে আমাদের একজন ‘সার্বভৌম’ রয়েছে। এই সার্বভৌম হল ভারত সরকার।
বিশদ

19th  July, 2021
সত্যি কি তৃতীয় ঢেউ
আটকাতে চান নরেন্দ্র মোদি!
হিমাংশু সিংহ

কোভিড পর্বে ৫৬ ইঞ্চি ছাতির ধ্যাষ্টামি কম দেখেনি দেশ। গতবছর ২২ মার্চ থালা-ঘটি-বাটি বাজানো থেকেই সেই চোর-পুলিস খেলার শুরু। 
বিশদ

18th  July, 2021
পার্টি ম্যান দিলীপ, হতে
পারলেন না ‘ইয়েস ম্যান’
তন্ময় মল্লিক

ফের সেই অঙ্ক। গেরো থেকে কিছুতেই বেরনো যাচ্ছে না। তবে এবার অঙ্কটা একটু অন্য রকম। ৩ থেকে বেড়ে ৭৭, নাকি ১২১ থেকে কমে? কোন দিক থেকে ৭৭-এর অঙ্ক কষা হবে, সেটা বিজেপির অন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনেকে বলছেন, এই অঙ্কের উপরেই নাকি দাঁড়িয়ে আছে দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ!
বিশদ

17th  July, 2021
রাহুল সোনিয়া  কি আদৌ
চান মোদিকে হারাতে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী এক কথার মানুষ। তাঁরা স্বধর্মে অটল। বিগত ২২ বছরে তাঁরা নিজেদের দলের কোনও রাজ্য নেতাকে এককভাবে শক্তিশালী অথবা জনপ্রিয় হওয়াকে মোটেই পছন্দ করেননি।
বিশদ

16th  July, 2021
সেন্ট্রাল ভিস্তা, দম্ভের সৌধ
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের নতুন সংসদ ভবনের আসন সংখ্যা বাড়ানো কি বিজেপির নয়া কৌশল? বিজেপি যে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের যথেষ্ট আগে শেষ করাতে চাইছে, তার পিছনে কি কাজ করছে হিন্দু জাতীয়তাবাদের বড় কোনও পরিকল্পনা?
বিশদ

15th  July, 2021
দিল্লিতে বাংলার চার আব্বুলিশ
হারাধন চৌধুরী

মোদি বাংলা থেকে একজনকেও পূর্ণমন্ত্রী করতে পারলেন না! ... চারজন ‘আব্বুলিশ’ মন্ত্রী রাখার একটাই ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও বাগড়া দেওয়া, যেটা ধনকারকে দিয়ে হয়ে উঠছে না অনেক সময়। এই গুরুত্বহীন সম্প্রসারণে বাংলার কোনও লাভ হবে না। আঞ্চলিক বা সম্প্রদায়গত মলম লেপন কিছু হবে হয়তো, কিন্তু ওই খণ্ডাংশেরও সামান্য উত্থান হবে না এতে।
বিশদ

14th  July, 2021
‘সাফল্যের’ ছাঁটাই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কথায় বলে, ধোঁয়া যখন বেরচ্ছে, আগুনও কোথাও না কোথাও আছে। অর্থাৎ, রেলকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার কানাঘুষো একেবারে গুজব নয়। নতুন মন্ত্রী সেই ইন্ধনে কিন্তু ঘি ঢেলেছেন। কে এই মন্ত্রী? অশ্বিনী বৈষ্ণব।
বিশদ

13th  July, 2021
ভূতটা স্বমূর্তি ধরছে
পি চিদম্বরম

আন্তঃসরকার চুক্তি এবং ২০১৮-র ১৪ ডিসেম্বর বিচারপতি গগৈ কর্তৃক প্রদত্ত রায় ‘রিভিউ’ করে দেখার জন্য আদালতকে রাজি করানো যেতে পারে। সংবাদ মাধ্যমের উপরেও আমি আস্থা রাখব। অনেকে আত্মসমর্পণ করেছে। কিছু হয়েছে দমনপীড়নের শিকার। তা সত্ত্বেও সংবাদ মাধ্যমে এখনও কিছু কলম এবং কণ্ঠ রয়েছে—যারা নিজেদের পাঠযোগ্য এবং শ্রাব্য করে তুলতে পারে।
বিশদ

12th  July, 2021
একনজরে
আগামী ১৮ আগস্ট এএফসি কাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে এটিকে মোহন বাগান। তার আগে দলকে অন্তত দু’সপ্তাহ অনুশীলন করাতে চাইছেন কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। ...

ফের কেতুগ্রামে বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। বৃহস্পতিবার ভোরে বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভেঙে পড়েছে কংক্রিটের বাড়ির একাংশ। ...

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই একের পর এক পঞ্চায়েত হাতছাড়া হয়েছে বিজেপি’র। পরাজয়ের পর তাদের নেতা-কর্মীদের একাংশ দল ভেঙে যোগ দিয়েছে তৃণমূলে। তাহলে কি দলীয় কর্মীদের উপর রাশ আলগা হচ্ছে বিজেপি’র? ...

করোনা পরিস্থিতিতে অনেক সাজাপ্রাপ্ত বা বিচারাধীন বন্দিকে প্যারোলে ছাড়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সংশোধনাগারে সংক্রমণ এড়াতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। বন্দিদের শ্রমে বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের কাজও গত বেশ কয়েকমাস বন্ধ রাখা হয়েছিল করোনার সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৯- আমেরিকাতে টাইপরাইটারের পূর্বসুরী টাইপোগ্রাফার পেটেন্ট করেন উইলিয়াম অস্টিন বার্ড
১৮৪৩ - সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বাগ্মী রায়বাহাদুর কালীপ্রসন্ন ঘোষের জন্ম
১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
১৮৮১ - আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলির মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিক ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত 
১৮৯৩ - কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ পূর্বতন বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার স্থাপিত
১৮৯৫- চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
১৮৯৮ - বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯০৬ - চন্দ্রশেখর আজাদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী
১৯২৭ - সালের এই দিনে ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানি বোম্বাইয়ে ভারতের প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু করে
১৯৩৩ - ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লবী ও আইনজীবী যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তের মৃত্যু
১৯৪৯ -  দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার ক্লাইভ রাইসের জন্ম
১৯৫৩ - ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার গ্রাহাম গুচের জন্ম
১৯৯৫- হেল-বপ ধূমকেতু আবিস্কার হয়, পরের বছরের গোড়ায় সেটি খালি চোখে দৃশ্যমান হয়
২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৬৪ টাকা ৭৫.৩৬ টাকা
পাউন্ড ১০০.৪১ টাকা ১০৩.৯২ টাকা
ইউরো ৮৬.৩১ টাকা ৮৯.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৩০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫, ৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬, ৫৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭, ৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭, ৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী ১৪/০ দিবা ১০/৪৪। পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র ২৩/১৪ দিবা ২/২৬।  সূর্যোদয় ৫/৭/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১৮/৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৬ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/২ গতে ২/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ২/৫৮ গতে ৩/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৮ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/০ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
৬ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী দিবা ১০/৩। পূর্ব্বাষাঢ়া নক্ষত্র দিবা ২/৪৫। সূর্যোদয় ৫/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৪৯ গতে ১০/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৯ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৪/২৬ গতে ৬/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ৩/১ গতে ৩/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৫ গতে ১১/২০ মধ্যে ও ৩/৪৫ গতে ৫/৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে। 
১২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় ওয়ান ডে: শ্রীলঙ্কা ৬৮/১ (১১ ওভার), টার্গেট ২২৬ 

09:11:30 PM

করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত ৮৪২, মৃত ১৬ 

08:53:07 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২২৫ রানে অলআউট 

08:03:45 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২১৮/৮ (৪০ ওভার)  

07:46:45 PM

জুহুর বাড়িতে শিল্পা শেট্টিকে জিজ্ঞাসাবাদ মুম্বই পুলিসের 

07:34:57 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ফের শুরু হল খেলা, বৃষ্টির জন্য ম্যাচ হবে ৪৭ ওভারে  

06:38:25 PM