Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিরুদ্ধ মত মানেই
দেশদ্রোহ নয়
সমৃদ্ধ দত্ত

 

১৮৭৬ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে অন্তত ১৮টি দুর্ভিক্ষ হয়েছে। প্রায় ২ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়। তা সত্ত্বেও মানুষের উপর ল্যান্ড ট্যাক্সের বোঝা না কমিয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল ব্রিটিশ। যা নিয়ে সবথেকে বেশি সরব হয়েছিলেন বালগঙ্গাধর তিলক। তিনি তাঁর ‘কেশরী’ পত্রিকায় লাগাতার প্রবন্ধ লিখে সরকারকে আক্রমণ করেছেন। এসবের মধ্যেই ১৮৯৭ সালে প্লেগ হানা দিল পুণেতে। সেই রোগকে মোকাবিলা করতে ব্রিটিশ সরকার  চালু করল একটি নতুন আইন। এপিডেমিক ডিজিজ অ্যাক্ট ১৮৯৭। যা আজও বর্তমান। এবং এই আইনই  আজকের কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম হাতিয়ার কোভিড মোকাবিলায়। ১৮৯৭ সালে পুণের প্লেগ মোকাবিলায় একজন স্পেশাল ডিউটি অফিসারকে দায়িত্বে নিয়ে  আসা হয়েছিল। তাঁর নাম, ওয়াল্টার চার্লস র‌্যান্ড। পদের নাম প্লেগ কমিশনার। তিনি এমনই কঠোর শাসক ছিলেন যে, এই আইনটি ব্যবহার করে যখন তখন যাকে তাকে গ্রেপ্তার করা অথবা জরিমানা ধার্য করা কিংবা জেলে পাঠিয়ে দেওয়ার মতো যথেচ্ছাচার শুরু করেন। দ্রুত চূড়ান্ত অত্যাচারী শাসক হিসেবে পরিগণিত হন তিনি। বালগঙ্গাধর তিলক এই অফিসারের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রীতিমতো খড়্গহস্ত ছিলেন। পত্রিকায় তিনি একের পর এক কড়া নিবন্ধে ওয়াল্টারকে মানবতার বিরুদ্ধেই এক ভিলেন হিসেবে প্রতিপন্ন করেছিলেন। ঘটনাচক্রে যখন র‌্যান্ডের এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে বালগঙ্গাধর তিলক চরম সমালোচনামূলক লেখা লিখছেন, তারপরই জুন মাসে ওয়াল্টার চার্লস র‌্যান্ডকে হত্যা করা হয় গুলি করে। অভিযুক্ত দুই ভাই। দামোদর চাপেকর এবং বালকৃষ্ণ চাপেকর। চাপেকর ভ্রাতৃদ্বয়ের বিচার ও ফাঁসি হয়।
এরপরই এভাবে সাধারণ মানুষকে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে উত্তেজিত করে তিনি হিংসা ছড়াচ্ছেন এই অভিযোগে বালগঙ্গাধর তিলককে পুলিস গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই শুরু দেশদ্রোহ আইনের চরম ব্যবহার। যেহেতু তিলককে এই আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তাই স্বাভাবিকভাবেই দেশজুড়ে শুরু হয় আলোড়ন। সবথেকে বড় কথা, দুটি আইনকে একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়। দেশদ্রোহ এবং এপিডেমিক অ্যাক্ট। অর্থাৎ প্লেগ মোকাবিলায় তিনি বাধা সৃষ্টি করছেন এই আইনও চাপানো হয় মামলায়। সমস্যা হল, বম্বে হাইকোর্টে তিলকের হয়ে শুনানি করার জন্য একজনও আইনজীবী পাওয়া গেল না। কেউ রাজি নয় ব্রিটিশদের ভয়ে। তাহলে কী উপায়? 
বম্বে থেকে অনেক দূরের এক শহর কলকাতার তিনজন বাঙালি তিলককে আইনি সহায়তা প্রদান করতে চাঁদা তোলা শুরু করলেন। ওই তিনজনের নাম জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের কনিষ্ঠ সন্তান কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কংগ্রেস নেতা উমেশচন্দ্র ব্যানার্জি এবং অমৃতবাজার পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা মতি লাল ঘোষ। তাঁরা অবিশ্বাস্য প্রয়াসে বিপুল অর্থ জোগাড় করলেন। ২০ হাজার টাকা। সেই টাকা দিয়ে তাঁরা কলকাতা থেকেই দুজন ব্রিটিশ ব্যারিস্টারকে পাঠালেন তিলকের হয়ে মামলা লড়তে। কিন্তু ব্রিটিশ বিচারক কোনও যুক্তি না মেনে তিলককে ১৮ মাসের কারাবাস দিয়েছিলেন। 
এখানেই শেষ নয়। ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্তের জেরে প্রবল ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে শামিল হয়েছিল মহারাষ্ট্রও। সেখানেও সমর্থনে অগ্রগামী ছিলেন বালগঙ্গাধর তিলক। ১৯০৮ সালে বিহারের মুজফফপুরে ক্ষুদিরাম বোস এবং প্রফুল্ল চাকী নামে দু‌ই ঩তরুণের নিক্ষেপ করা বোমায় ভ্রান্তিবশত দুই ব্রিটিশ মহিলার মৃত্যু হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার চরম দমনপীড়ন শুরু করে। সেক্ষেত্রেও কেশরী পত্রিকায় তিলক ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণাত্মক ভূমিকা নিলেন। পুনরায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবার দেশদ্রোহের আইনে। এবার ৬ বছরের জেল। সুদূর মান্দালয়ে। কিন্তু দেখা গেল ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন কমে যাওয়ার বদলে আরও বেড়ে গেল। বাংলা, মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, সংযুক্ত প্রদেশ সর্বত্র। যত বেশি ব্রিটিশ চেষ্টা করেছিল ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪এ ধারায় বিরুদ্ধমত দেখ঩লেই দেশদ্রোহের আইনে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়ে দেওয়ার, ততই নতুন নতুন বিপ্লবী আন্দোলনের জন্ম হয়েছে। সুতরাং দমনপীড়নে সরকার বিরোধী অবস্থান কমে না। বরং বৃদ্ধি পায়। 
অনতিঅতীত ইতিহাসের এই জানা প্রসঙ্গ পুনরায় উত্থাপনের কারণ কী? কারণ হল, বিস্ময়করভাবে দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিককালে হঠাৎ দেশদ্রোহী আইন যখন তখন ব্যবহার করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলির অভিযোগ যে, কেন্দ্রের অঙ্গুলিহেলনেই তাদের দলের রাজ্যগুলিতে সরকারের বিরুদ্ধ মতকে দমন করার জন্য এই দেশদ্রোহ আইন বেশি করে প্রয়োগ করা হচ্ছে। সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকর্মী, রাজনৈতিক কর্মীরা বারংবার দেশদ্রোহ আইনের দ্বারা গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং জেলে থাকছেন। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট এবং দিল্লি হাইকোর্টে একের পর এক মামলায় এই আইনের যথেচ্ছ ব্যবহারের চরম সমালোচনা করেছে। একের পর এক আদালতের রায়ে স্পষ্ট বলা হয়েছে, বিরুদ্ধ মত মানেই দেশদ্রোহ নয়। ১৯৬২ সালের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়কে (কেদারনাথ জাজমেন্ট) হাতিয়ার করে বলা হচ্ছে, নাগরিকদের সম্পূর্ণ অধিকার আছে সরকার সম্পর্কে যা ইচ্ছে সেভাবেই মনের ভাব প্রকাশ করার এবং লেখার। শুধু একটাই শর্ত, সেটি যেন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অথবা হিংসায় প্ররোচনা না দেয়। শুধুই মতপ্রকাশ কখনও দেশদ্রোহিতা হতে পারে না। ২০১৪ সাল থেকে দেখা যাচ্ছে ভারতে দেশদ্রোহের মামলা ক্রমবর্ধমান। ২০১৪ সালে দেশদ্রোহের মোট মামলা রুজু হয়েছিল ৭০। সেখানে ২০১৯ সালে ১২০। একই দোষে দুষ্ট ইউপিএ সরকারও। গত এক দশকে দেশদ্রোহ আইন প্রয়োগের শীর্ষস্থানে ছিল ২০১১ সাল। অর্থাৎ ইউপিএ আমল। ১৩০টি মামলা রুজু হয়েছিল। দেশদ্রোহের মামলা কংগ্রেস আমলে ১৯৭৪ সালেই শাস্তিযোগ্য হিসেবে আইনে পরিণত হয়েছিল। বারংবার দাবি উঠেছে যে, এই আইনের পরিমার্জন করা হোক। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অবশ্যই লড়াই জরুরি। কিন্তু সেই আইন যেন স্রেফ বিরুদ্ধমত দমনের হাতিয়ার না হয়। 
১২৪এ ধারাটি  প্রথমে অন্তর্ভুক্ত ছিল না লর্ড মেকলে দ্বারা গঠিত ভারতীয় দণ্ডবিধির খসড়া আইনে। ১৮৭০ সালে ওয়াহাবি আন্দোলনকে মোকাবিলা করতে স্যার জেমস ফিটজেমস স্টিফেস এই আইনটি অন্তর্ভুক্ত করেন প্রথমবার। বিল পেশ করার সময় তিনি বলেছিলেন, ওয়াহাবি আন্দোলনকারীরা গ্রাম থেকে গ্রামে গিয়ে ব্রিটিশ উপনিবেশের বিরুদ্ধে মানুষকে প্ররোচিত করছে। এভাবে একদিন সরাসরি যুদ্ধে নামবে এই আন্দোলনকারীরা। তাই এখন থেকেই এদের মোকাবিলা করতে হবে। সেই শুরু। ১৯২২ সালে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীকেও এই আ‌঩‌ইনে গ্রেপ্তার করা হয়। জওহরলাল নেহরুও গ্রেপ্তার হয়েছেন এই আইনে। আজও চলছে ওই একই আইন। ব্রিটিশ চলে গেলেও সেই বিদেশি শাসকের মনোভাব কিন্তু রয়ে গিয়েছে। তাই আজ ২০২১ সালেও সরকারের সিদ্ধান্ত অথবা অবস্থানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের সরকারের সর্বোচ্চ স্তর থেকে  ব্যঙ্গ করে বলা হয়েছে, আন্দোলনজীবী! অথচ সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা বাবাসাহেব আম্বেদকরের বিখ্যাত বক্তৃতাই ছিল, এডুকেট, অ্যাজিটেট অ্যান্ড অর্গানাইজ! অর্থাৎ শিক্ষাদান করো, আন্দোলন করো এবং সংগঠিত করো। 
 ক্রমেই যেন বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে, সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা, নীতির বিরুদ্ধাচারণ মানেই হল দেশের বিরুদ্ধাচারণ। সরকার যা করবে, যা বলবে সেটাই মেনে নিতে হবে বিনা প্রশ্নে। এটা স্বাস্থ্যকর গণতন্ত্র নয়। একটি শাসক দলের কাছে সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ হল, বিরুদ্ধ মতের থেকেও সমর্থন আদায় করে নেওয়া। বিরুদ্ধ মতকে সম্মান দিয়ে একটি আলোচনা ও চর্চার স্পেস দেওয়া। বিরুদ্ধ মতকে দূরে সরিয়ে দিলে, ভয় দেখালে সেটি কিন্তু স্তিমিত হয় না। বরং আরও ক্ষোভ বৃদ্ধি পায়। ছড়িয়ে পড়ে। ইতিহাসই সাক্ষী। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার অমিত শক্তিশালী। আশা করা যায়, তারা নীতির পরিবর্তন করে এই আগ্রাসী প্রবণতা থেকে সরে আসবে। 
এই প্রবণতা প্রতিবেশী একটি দেশের কথা মনে করিয়ে দেয়।  চীন। ওই দেশটি  চলছে ‘ওয়ান নেশন ওয়ান পার্টি’ সিস্টেমে। তাদের দেশকে সকলে হয়তো সমীহ করে, কিন্তু বিশ্বাস করে না। আমাদের দেশে আজকাল এই ধরনের স্লোগান সরকারের কাছে খুব প্রিয়। মাঝেমধ্যেই শোনা যায় ওইসব প্রকল্প। ‘ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন’, ‘ওয়ান নেশন ওয়ান রেশন কার্ড’, ‘ওয়ান নেশন ওয়ান হেলথ কার্ড’ ইত্যাদি। আমরা এভাবে ওই প্রতিবেশী দেশটিকেই আমাদের গোপন আদর্শ মডেল হিসেবে পরিণত করছি না তো? গোটা পৃথিবী কিন্তু আমাদের শত দারিদ্র্য, বহু সঙ্কট, জনসংখ্যার চাপ সত্ত্বেও এক ও একমাত্র একটি কারণে শ্রদ্ধা করে, সমীহ করে এবং সম্মান দেয়। যেটা আমাদের পাশের ওই দেশে নেই। আমাদের ৭৫ বছর ধরে আছে। আজকের দুনিয়ায় যা সবথেকে মূল্যবান! ডেমোক্রেসি! বাক স্বাধীনতা! ১৯৭৫ সালে একবারই এই ব্যবস্থাকে রুদ্ধ করা হয়েছিল। পরিণতি কী হয়েছিল? ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়াই বুদ্ধিমানের লক্ষণ! 
18th  June, 2021
এই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি হবে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সত্যজিৎ রায়ের ‘অপরাজিত’ ছবিতে স্কুল পরিদর্শকের সামনে স্কুলের এক ছাত্র অপূর্ব কুমার রায় ‘কিশলয়’ কবিতাটি  মনোগ্রাহী ভঙ্গিতে আবৃত্তি করে স্কুলের সম্মান রক্ষা করেছিল।
বিশদ

জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, দায় কার?
মৃণালকান্তি দাস

২০২১ সালে দাঁড়িয়ে ভারতের শাসকরা ষাটের দশকের দাঁড়িপাল্লায় হিন্দু এবং মুসলিমের জন্মহার মাপছেন। আসলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও লক্ষ্য বিভাজন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে ধর্মকে জুড়ে ফের মেরুকরণও উস্কে দিচ্ছেন তাঁরা। বিশদ

22nd  July, 2021
একুশে জুলাইয়ের
লড়াই শেষ হয়ে যায়নি
সন্দীপন বিশ্বাস

আজ একুশে জুলাই হয়ে উঠতে পারে একটা অপ্রতিরোধ্য শক্তির ব্যঞ্জনা। রাজ্যে স্বল্প পরিসরের বাইরে বেরিয়ে সারা দেশকে অনুপ্রাণিত করতে পারে একুশে জুলাইয়ের লড়াই। সেই লড়াইয়ের যোগ্য নেতৃত্ব দিতে পারেন একজনই। তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। সারাদেশে তিনি হয়ে উঠেছেন মোদির অক্ষম শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জননী।
বিশদ

21st  July, 2021
একনায়কতন্ত্রের নজরদারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিকে সদ্য সমাপ্ত বাংলার বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয়ের কারিগর। আর অভিষেক নিজেই দলের কার্যত সেকেন্ড ইন কমান্ড। এই দু’জনের ফোন ট্যাপ করলেই মাথা পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া যায়—অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

20th  July, 2021
স্বাধীন ভারতের এক সার্বভৌম
পি চিদম্বরম

১৯৪৭-এ আমরা ইংরেজের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছি। তবু, ভারতে আমাদের একজন ‘সার্বভৌম’ রয়েছে। এই সার্বভৌম হল ভারত সরকার।
বিশদ

19th  July, 2021
সত্যি কি তৃতীয় ঢেউ
আটকাতে চান নরেন্দ্র মোদি!
হিমাংশু সিংহ

কোভিড পর্বে ৫৬ ইঞ্চি ছাতির ধ্যাষ্টামি কম দেখেনি দেশ। গতবছর ২২ মার্চ থালা-ঘটি-বাটি বাজানো থেকেই সেই চোর-পুলিস খেলার শুরু। 
বিশদ

18th  July, 2021
পার্টি ম্যান দিলীপ, হতে
পারলেন না ‘ইয়েস ম্যান’
তন্ময় মল্লিক

ফের সেই অঙ্ক। গেরো থেকে কিছুতেই বেরনো যাচ্ছে না। তবে এবার অঙ্কটা একটু অন্য রকম। ৩ থেকে বেড়ে ৭৭, নাকি ১২১ থেকে কমে? কোন দিক থেকে ৭৭-এর অঙ্ক কষা হবে, সেটা বিজেপির অন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনেকে বলছেন, এই অঙ্কের উপরেই নাকি দাঁড়িয়ে আছে দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ!
বিশদ

17th  July, 2021
রাহুল সোনিয়া  কি আদৌ
চান মোদিকে হারাতে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী এক কথার মানুষ। তাঁরা স্বধর্মে অটল। বিগত ২২ বছরে তাঁরা নিজেদের দলের কোনও রাজ্য নেতাকে এককভাবে শক্তিশালী অথবা জনপ্রিয় হওয়াকে মোটেই পছন্দ করেননি।
বিশদ

16th  July, 2021
সেন্ট্রাল ভিস্তা, দম্ভের সৌধ
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের নতুন সংসদ ভবনের আসন সংখ্যা বাড়ানো কি বিজেপির নয়া কৌশল? বিজেপি যে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের যথেষ্ট আগে শেষ করাতে চাইছে, তার পিছনে কি কাজ করছে হিন্দু জাতীয়তাবাদের বড় কোনও পরিকল্পনা?
বিশদ

15th  July, 2021
দিল্লিতে বাংলার চার আব্বুলিশ
হারাধন চৌধুরী

মোদি বাংলা থেকে একজনকেও পূর্ণমন্ত্রী করতে পারলেন না! ... চারজন ‘আব্বুলিশ’ মন্ত্রী রাখার একটাই ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও বাগড়া দেওয়া, যেটা ধনকারকে দিয়ে হয়ে উঠছে না অনেক সময়। এই গুরুত্বহীন সম্প্রসারণে বাংলার কোনও লাভ হবে না। আঞ্চলিক বা সম্প্রদায়গত মলম লেপন কিছু হবে হয়তো, কিন্তু ওই খণ্ডাংশেরও সামান্য উত্থান হবে না এতে।
বিশদ

14th  July, 2021
‘সাফল্যের’ ছাঁটাই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কথায় বলে, ধোঁয়া যখন বেরচ্ছে, আগুনও কোথাও না কোথাও আছে। অর্থাৎ, রেলকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার কানাঘুষো একেবারে গুজব নয়। নতুন মন্ত্রী সেই ইন্ধনে কিন্তু ঘি ঢেলেছেন। কে এই মন্ত্রী? অশ্বিনী বৈষ্ণব।
বিশদ

13th  July, 2021
ভূতটা স্বমূর্তি ধরছে
পি চিদম্বরম

আন্তঃসরকার চুক্তি এবং ২০১৮-র ১৪ ডিসেম্বর বিচারপতি গগৈ কর্তৃক প্রদত্ত রায় ‘রিভিউ’ করে দেখার জন্য আদালতকে রাজি করানো যেতে পারে। সংবাদ মাধ্যমের উপরেও আমি আস্থা রাখব। অনেকে আত্মসমর্পণ করেছে। কিছু হয়েছে দমনপীড়নের শিকার। তা সত্ত্বেও সংবাদ মাধ্যমে এখনও কিছু কলম এবং কণ্ঠ রয়েছে—যারা নিজেদের পাঠযোগ্য এবং শ্রাব্য করে তুলতে পারে।
বিশদ

12th  July, 2021
একনজরে
আদিবাসী পরিবারের জমি দখল করে বেসরকারি স্কুল বানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী। ...

আগামী ১৮ আগস্ট এএফসি কাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে এটিকে মোহন বাগান। তার আগে দলকে অন্তত দু’সপ্তাহ অনুশীলন করাতে চাইছেন কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। ...

করোনা আতঙ্কে দীর্ঘ দিন কঠোর বিধি পালন করছে দেশবাসী। দূরত্ব বিধি, স্যানিটাইজেশন, লকডাউন—নানা রক্ষ্মণাত্মক কৌশলের মধ্য দিয়ে চলছে দেশ। এমন অবস্থায় আতঙ্কের ভয়ঙ্কর ছবি সামনে এল অন্ধ্রপ্রদেশের পূর্ব গোদাবরী জেলায়। ...

করোনা পরিস্থিতিতে অনেক সাজাপ্রাপ্ত বা বিচারাধীন বন্দিকে প্যারোলে ছাড়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সংশোধনাগারে সংক্রমণ এড়াতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। বন্দিদের শ্রমে বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের কাজও গত বেশ কয়েকমাস বন্ধ রাখা হয়েছিল করোনার সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৯- আমেরিকাতে টাইপরাইটারের পূর্বসুরী টাইপোগ্রাফার পেটেন্ট করেন উইলিয়াম অস্টিন বার্ড
১৮৪৩ - সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বাগ্মী রায়বাহাদুর কালীপ্রসন্ন ঘোষের জন্ম
১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
১৮৮১ - আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলির মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিক ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত 
১৮৯৩ - কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ পূর্বতন বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার স্থাপিত
১৮৯৫- চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
১৮৯৮ - বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯০৬ - চন্দ্রশেখর আজাদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী
১৯২৭ - সালের এই দিনে ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানি বোম্বাইয়ে ভারতের প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু করে
১৯৩৩ - ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লবী ও আইনজীবী যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তের মৃত্যু
১৯৪৯ -  দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার ক্লাইভ রাইসের জন্ম
১৯৫৩ - ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার গ্রাহাম গুচের জন্ম
১৯৯৫- হেল-বপ ধূমকেতু আবিস্কার হয়, পরের বছরের গোড়ায় সেটি খালি চোখে দৃশ্যমান হয়
২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৬৪ টাকা ৭৫.৩৬ টাকা
পাউন্ড ১০০.৪১ টাকা ১০৩.৯২ টাকা
ইউরো ৮৬.৩১ টাকা ৮৯.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৩০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫, ৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬, ৫৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭, ৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭, ৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী ১৪/০ দিবা ১০/৪৪। পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র ২৩/১৪ দিবা ২/২৬।  সূর্যোদয় ৫/৭/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১৮/৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৬ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/২ গতে ২/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ২/৫৮ গতে ৩/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৮ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/০ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
৬ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী দিবা ১০/৩। পূর্ব্বাষাঢ়া নক্ষত্র দিবা ২/৪৫। সূর্যোদয় ৫/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৪৯ গতে ১০/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৯ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৪/২৬ গতে ৬/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ৩/১ গতে ৩/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৫ গতে ১১/২০ মধ্যে ও ৩/৪৫ গতে ৫/৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে। 
১২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় ওয়ান ডে: শ্রীলঙ্কা ৬৮/১ (১১ ওভার), টার্গেট ২২৬ 

09:11:30 PM

করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত ৮৪২, মৃত ১৬ 

08:53:07 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২২৫ রানে অলআউট 

08:03:45 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২১৮/৮ (৪০ ওভার)  

07:46:45 PM

জুহুর বাড়িতে শিল্পা শেট্টিকে জিজ্ঞাসাবাদ মুম্বই পুলিসের 

07:34:57 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ফের শুরু হল খেলা, বৃষ্টির জন্য ম্যাচ হবে ৪৭ ওভারে  

06:38:25 PM