Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মুখরক্ষা করল উত্তরবঙ্গ,
পোড়াচ্ছে তাকেই!
হারাধন চৌধুরী

সম্ভাবনা ছিল দু’টো। মমতা ফিরবেন অথবা নতুন শক্তি হিসেবে উঠে আসবে বিজেপি। বিজেপি ফেল করেছে। ফিরেছেন মমতা। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হ্যাট্রিকের শক্তি এতটা প্রবল হবে, অনেকেই বোঝেনি। বিজেপি তো নয়ই। তারা কস্তুরী মৃগের মতো নিজ দেহনিঃসৃত স্বর্গীয় ঘ্রাণে বিমোহিত হয়ে ছিল। টের পায়নি কখন বধ হয়ে যাবে নিজেরই অস্ত্রে। 
মমতা আবার ক্ষমতার কেন্দ্র। ক্ষমতা গুড়ের মতো বিশিষ্ট। ক্ষমতালোভীদের সঙ্গে কিছু রাজনীতিককে পৃথক করার চেষ্টা আর ছায়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা একই। দেখলেন তো—গীতা, কোরান, বাইবেল আউড়ে, এমনকী দলত্যাগ-বিরোধী আইনটাইন করে কিছু হয় না। লোক দেখানো বিতর্ক একটা জিইয়ে রাখা যায় মাত্র। পিপীলিকা দল গুড়ের চারপাশে ভিড় করবেই। যেহেতু নলেন ডেলাটা প্রত্যাশার থেকে বড়, তাই সৌরভ বেশি ছড়িয়েছে, ভিড়টা বাড়ছে দ্রুত এবং অবশ্যই বেশি হচ্ছে। 
এটাই হওয়ার ছিল। দিলীপ ঘোষরাও জানতেন। অন্যদিকে দিলীপবাবুদের খোয়াব পূরণ হলে যা ঘটত, তা অনুমান করার জন্য কোনও পুরস্কার হয় না। কিন্তু দিলীপবাবুদের সর্বনাশের শুরুটা বড় তাড়াতাড়ি হল। এটাই বোধহয় ধাক্কা তাঁদের কাছে। বাড়তি ধাক্কা এই যে ত্রিপুরাতেও ভাঙছে বিজেপি। গড়ছে তৃণমূলের পাড়। স্রোতস্বিনী নদীর ব্লু প্রিন্ট যেমন হয়।  বিজ্ঞানভিত্তিক ‘চর্বিতত্ত্ব’ আউড়ে দিলীপবাবু 
নিজেকে শান্ত করতে পারেন, কিন্তু তাতে দলের শেষরক্ষা হবে কি?
মনে পড়ছে কি বিজেপির বাবুরা? —‘আমাদের সঙ্গে … জন তৃণমূল এমপি, এমএলএ যোগাযোগ রাখছেন! বিজেপিতে জয়েনের অপেক্ষা মাত্র।’ এখনও কি তাঁরা রাখছেন যোগাযোগ? প্রশ্নটা অবশ্যই বোকা বোকা শোনাচ্ছে। কিছুদিন মিডিয়ায় জোর প্রচার হল ‘বঙ্গ বিজেপি’ বলে একটা কথা। অল্পদিনেই প্রমাণ হয়ে গেল, ‘বঙ্গ বিজেপি’ বলে আসলে কিছু ছিল না। বিজেপির বাংলায় তৈরি প্রোডাক্ট কিছু নেই। সবটাই ট্রেডিং। এক্সপোর্টাররা হাত তুলে নিয়েছে, মার্কেটের অবস্থা ভালো নেই বুঝে। এখন ঝগড়াঝাঁটিই সার। আগামী দিনে চরমে উঠবে। কেঁচো খুঁড়তে বেরবে কেউটে। আগে লড়াই ছিল আদি-নব্যের। বিজেপির হাঁড়ির খবর হাতিয়ে কেটে পড়া লোকজনই কেউটে খুঁজতে জান লড়িয়ে দেবে এবার। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও হারাবে ঝগড়া মেটাবার আগ্রহ। বেনিয়াদের দ্বারা পরিচালিত পার্টি জানে, এই মার্কেটে ইনভেস্টমেন্ট করা মানে পুঁজি, উদ্যম—দু’টোই জলে দেওয়া। 
চারজন এমপিকে বিধানসভায় টিকিট দিয়েছিল বিজেপি। কোচবিহারের নিশীথ প্রামাণিক ও রানাঘাটের জগন্নাথ সরকার কোনওক্রমে জিতেও ‘দিল্লি চলো’ ডুয়েট গাইলেন। রাজ্যসভার চেহারা আর উপনির্বাচনের বিপদ মাথায় রেখে তাতে দলেরও সায় রয়েছে। স্বপন দাশগুপ্ত মশায় প্রমাণ করলেন—তিনিও নিতে এসেছিলেন; বাংলাকে, এমনকী বাংলার বিজেপিকে কিছু দিতে আসেননি। বাবা তারকনাথের ক্ষেত্র বিমুখ করতেই তিনি ঝাঁকের কই! রাষ্ট্রপতি ভবনকে ব্যবহার করে পার্টি ফিরিয়ে দিয়েছে তাঁর রাজ্যসভার পদ। যেসব অভিনেতা, অভিনেত্রী এসেছিলেন ভোটের নিউ মার্কেট আলো করে, রেজাল্টের পরদিন থেকে তাঁরাও বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁরা শীত বর্ষার কেউ নন, সবাই আসলে বসন্তের কোকিল। বসন্ত আসবে বলেও কথা রাখেনি, তাহলে তাঁরা কথা রাখেন কী করে? ‘বঙ্গ বিজেপি’ অনন্ত শীত-বর্ষায় ডুবে গেলে তাদের কী আসে যায়! একটা জিনিস পরিষ্কার হচ্ছে যে, বাঙালির ক্যারেক্টারের সঙ্গে বিজেপি বস্তুটা মোটে যায় না, শ্যামাপ্রসাদের (মুখোপাধ্যায়) পার্টি হলেও না, তেলে-জলে মিশ খায় না যেমন। 
এই সমস্যা শুধু বাংলার থাকবে বলে মনে হয় না। হাতি হাবরে পড়লে ব্যাঙ প্রজাতিও নিজের পায়ের জোর পরখ করে নিতে ব্যগ্র হয়। ইতিমধ্যেই বার্তা দিতে শুরু করেছে জেডিইউ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদল নিয়ে। এটা একটা উদাহরণ মাত্র। এরকম শরিকের সংখ্যা বাড়বে। অকালি দল, শিবসেনা, এলজেপি প্রভৃতির দিকে ফিরে দেখুন মনে পড়ে যাবে। 
রবিবার দিলীপ ঘোষ বললেন, দলবদল এখন একটা অভ্যাসে পরিণত  হয়েছে। বিজেপি কোনও কামাবার জায়গা নয়। ত্যাগ স্বীকার না করলে বিজেপিতে জায়গা নেই। পুরনো কর্মীরাই নাকি দলের সম্পদ! কান পাতুন, শুনতে পাবেন—ঘোড়াদের বিকট হাস্য! চোর পালাবার পরই রাজনীতিকদের বুদ্ধির স্ফুরণ হয়। আর সেই বুদ্ধিতেই উত্তরবঙ্গ নিয়ে নতুন ব্লু প্রিন্ট রচনা করছে বিজেপি। উত্তরবঙ্গ থেকেও সাফ হয়ে যাওয়ার রাস্তা ক্লিয়ার করছে নাকি তারা? মোদি বাহিনী ভুলে যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গবাসীও প্রথমে বাংলার মানুষ, পরে অন্যকিছু। মোদির ‘সোনার বাংলা’ ফেরির চটক দেখেই বহুজন ভোট দিয়েছিলেন। একটা  কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পাওয়ার জন্য ভোটের লাইনে দাঁড়াননি।
মমতার সঙ্গে সম্মুখসমরে হেরে গিয়েছেন, সেটা নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহদের সমস্যা। বিজেপির এই চরম ব্যর্থতার যন্ত্রণা উত্তরবঙ্গের নিরীহ মানুষজনের উপর চাপানো হলে তাঁরা মানবেন কেন? কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ললিপপে খুশি হওয়ার পরিবর্তে কেন্দ্র-বিরোধী লড়াই এবার অন্যমাত্রা নেবে। ঐতিহাসিকভাবেই বাঙালি কেন্দ্র-বিরোধী। সারা ভারতের রাজধানী যখন কলকাতা ছিল, তখনও রাষ্ট্রের অন্যায়ের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত ছিল। স্বস্তি পেতে ইংরেজ শেষমেশ রাজধানী দিল্লিতে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে সবচেয়ে দীর্ঘ ও আন্তরিক লড়াই যদি কারও থাকে সে এই বাঙালির, বাংলার মাটি থেকে, এবং দিল্লির বুকে দাঁড়িয়েও। 
কংগ্রেস ও বাম আমলে অবহেলিত উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য মমতা গত দশবছরে যা করেছেন তার তুলনা নেই। এখনও অনেক কাজ নিশ্চয় বাকি। সেই অসম্পূর্ণ কাজ করার জন্য তাঁর আন্তরিক চেষ্টা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। এই ভোটে বিজেপির মুখরক্ষা করেছে উত্তরবঙ্গ। এবার সেই মুখটাই পোড়াবার বন্দোবস্ত পাকা হচ্ছে দেখছি!
এতে দলবদলের খেলা থামবে? মোটেই না। এর সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্কটি বরং রাজনীতিহীনতার। ভারতীয় রাজনীতি যতদিন থাকবে ‘আয়ারাম গয়ারাম’ গল্পের নটেগাছ মুড়োবে না। যাঁকে নিয়ে এই নয়া ঈশপের গল্প রচিত হয়েছে তাঁর আসল নাম গয়ালাল। ১৯৬৭-র বিধানসভা ভোটে হরিয়ানার হাসানপুর থেকে ‘নির্দল’ প্রার্থী হিসেবে জেতেন। অতঃপর যোগ দেন কংগ্রেসে। সপ্তাহ দুইয়ের মধ্যে তিনবার দল বদল করেন: যথাক্রমে কংগ্রেসকে টাটা করে ইউনাইটেড ফ্রন্ট, আবার কংগ্রেস, তার ন’ঘণ্টার ভিতরে ফের ইউনাইটেড ফ্রন্ট! 
গয়ালাল যখন কংগ্রেসে ফিরলেন মাঝখানে, কংগ্রেসের রসিক নেতা রাও বীরেন্দ্র সিং তাঁকে সামনে রেখে প্রেস কনফারেন্সে বললেন, ‘গয়ারাম এখন আয়ারাম।’ অমনি প্রবাদবাক্য হয়ে গেল!
দলবদলের এই পালা যখন মঞ্চস্থ হচ্ছে তখন মুখ্যমন্ত্রী ভগবৎ দয়াল শর্মা। ভদ্রলোকের সেন্স অফ হিউমার ছিল লা জবাব। এমএলএ হস্টেলের দিকে যাওয়ার সময় পার্ষদদের বলছেন, ‘দেখো, বুঝিয়ে সুঝিয়ে কয়েকজনকে আবার দলে ফেরানো যায় কি না।‘ ঠিক তখনই এক অনুচর এসে শোনালেন, ‘স্যার, পণ্ডিত তুহিরামও দল ছেড়েছেন!’ মুখ্যমন্ত্রী হুকুম দেন, ‘ফোন করো তুহিরামকে’। সভয়ে অনুচর বললেন, ‘কোনও লাভ নেই। খবরটা রেডিয়োতেও বেজে গিয়েছে!’ তুরন্ত মন্তব্য বেরিয়ে এল ভগবতের মুখ থেকে, ‘দেখো, পণ্ডিতাইনও (তুহিরামের স্ত্রী) হয়তো অন্যদিকে!’ শেষমেশ রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হয় হরিয়ানায়। 
হাল ছাড়েননি গয়ালাল। ১৯৭২। গয়ালাল প্রবেশ করলেন আর্যসভায়। তার দু’বছর বাদে চরণ সিংয়ের লোকদলে। ১৯৭৭। লড়লেন জনতা পার্টির টিকিটে। জিতলেনও। ১৯৮২। নির্দল হিসেবে লড়লেন। হারলেন। এটাই তাঁর শেষ ভোটসফর। সম্পূর্ণ হল একটি রঙিন বৃত্ত। ২০০৯ সালে মারা যান গয়ালাল।
দেহ সরে গেলেই যবনিকা পড়ে না এই ভারতে। দেহাতীত কিছু একটা রয়েই যায়। তাই বলতেই হচ্ছে, ভারতীয় রাজনীতির দোসর হয়েই থাকবে ‘আয়ারাম গয়ারাম’ কালচার। দল বা রাজনীতিকে বাঁচাতে হলে বঙ্গভঙ্গের নতুন ধুয়ো তুলে কোনও লাভ নেই। রাজনীতির কেন্দ্র বা প্রাণ যে মানুষ তাদের প্রকৃত কল্যাণের জন্য পরিকল্পনা করুন বিজেপির রক্ষাকর্তারা। একুশের বিচ্ছিরি পরাজয়ের ভিতরেই রয়েছে পরিকল্পনা রচনার বিপুল রসদ। পরাজয়ের কারণ ব্যবচ্ছেদ করা দরকার এখনই—আন্তরিকতার সঙ্গে ও নিরপেক্ষভাবে। ৫ মে ‘রাজধর্ম পালনের শপথ’ শিরোনামের বিশেষ নিবন্ধে লিখেছিলাম: ‘কিছু মাননীয় সদস্যের দলবদল শুধু সময়ের অপেক্ষা। তাঁদের দেখাদেখি সরু চ্যানেল খুঁজবেন আরও অনেকে। অর্থাৎ রিভার্স ফ্লো আসন্ন। বিজেপির সাইজ আরও ছোট হবে বলেই আশঙ্কা হচ্ছে।’ ২০২৪-এর আগে এই ছবি সর্বভারতীয় রূপ পাবে বলেই আশঙ্কা করছি আজ।
16th  June, 2021
এই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি হবে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সত্যজিৎ রায়ের ‘অপরাজিত’ ছবিতে স্কুল পরিদর্শকের সামনে স্কুলের এক ছাত্র অপূর্ব কুমার রায় ‘কিশলয়’ কবিতাটি  মনোগ্রাহী ভঙ্গিতে আবৃত্তি করে স্কুলের সম্মান রক্ষা করেছিল।
বিশদ

জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, দায় কার?
মৃণালকান্তি দাস

২০২১ সালে দাঁড়িয়ে ভারতের শাসকরা ষাটের দশকের দাঁড়িপাল্লায় হিন্দু এবং মুসলিমের জন্মহার মাপছেন। আসলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও লক্ষ্য বিভাজন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে ধর্মকে জুড়ে ফের মেরুকরণও উস্কে দিচ্ছেন তাঁরা। বিশদ

22nd  July, 2021
একুশে জুলাইয়ের
লড়াই শেষ হয়ে যায়নি
সন্দীপন বিশ্বাস

আজ একুশে জুলাই হয়ে উঠতে পারে একটা অপ্রতিরোধ্য শক্তির ব্যঞ্জনা। রাজ্যে স্বল্প পরিসরের বাইরে বেরিয়ে সারা দেশকে অনুপ্রাণিত করতে পারে একুশে জুলাইয়ের লড়াই। সেই লড়াইয়ের যোগ্য নেতৃত্ব দিতে পারেন একজনই। তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। সারাদেশে তিনি হয়ে উঠেছেন মোদির অক্ষম শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জননী।
বিশদ

21st  July, 2021
একনায়কতন্ত্রের নজরদারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিকে সদ্য সমাপ্ত বাংলার বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয়ের কারিগর। আর অভিষেক নিজেই দলের কার্যত সেকেন্ড ইন কমান্ড। এই দু’জনের ফোন ট্যাপ করলেই মাথা পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া যায়—অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

20th  July, 2021
স্বাধীন ভারতের এক সার্বভৌম
পি চিদম্বরম

১৯৪৭-এ আমরা ইংরেজের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছি। তবু, ভারতে আমাদের একজন ‘সার্বভৌম’ রয়েছে। এই সার্বভৌম হল ভারত সরকার।
বিশদ

19th  July, 2021
সত্যি কি তৃতীয় ঢেউ
আটকাতে চান নরেন্দ্র মোদি!
হিমাংশু সিংহ

কোভিড পর্বে ৫৬ ইঞ্চি ছাতির ধ্যাষ্টামি কম দেখেনি দেশ। গতবছর ২২ মার্চ থালা-ঘটি-বাটি বাজানো থেকেই সেই চোর-পুলিস খেলার শুরু। 
বিশদ

18th  July, 2021
পার্টি ম্যান দিলীপ, হতে
পারলেন না ‘ইয়েস ম্যান’
তন্ময় মল্লিক

ফের সেই অঙ্ক। গেরো থেকে কিছুতেই বেরনো যাচ্ছে না। তবে এবার অঙ্কটা একটু অন্য রকম। ৩ থেকে বেড়ে ৭৭, নাকি ১২১ থেকে কমে? কোন দিক থেকে ৭৭-এর অঙ্ক কষা হবে, সেটা বিজেপির অন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনেকে বলছেন, এই অঙ্কের উপরেই নাকি দাঁড়িয়ে আছে দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ!
বিশদ

17th  July, 2021
রাহুল সোনিয়া  কি আদৌ
চান মোদিকে হারাতে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী এক কথার মানুষ। তাঁরা স্বধর্মে অটল। বিগত ২২ বছরে তাঁরা নিজেদের দলের কোনও রাজ্য নেতাকে এককভাবে শক্তিশালী অথবা জনপ্রিয় হওয়াকে মোটেই পছন্দ করেননি।
বিশদ

16th  July, 2021
সেন্ট্রাল ভিস্তা, দম্ভের সৌধ
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের নতুন সংসদ ভবনের আসন সংখ্যা বাড়ানো কি বিজেপির নয়া কৌশল? বিজেপি যে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের যথেষ্ট আগে শেষ করাতে চাইছে, তার পিছনে কি কাজ করছে হিন্দু জাতীয়তাবাদের বড় কোনও পরিকল্পনা?
বিশদ

15th  July, 2021
দিল্লিতে বাংলার চার আব্বুলিশ
হারাধন চৌধুরী

মোদি বাংলা থেকে একজনকেও পূর্ণমন্ত্রী করতে পারলেন না! ... চারজন ‘আব্বুলিশ’ মন্ত্রী রাখার একটাই ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও বাগড়া দেওয়া, যেটা ধনকারকে দিয়ে হয়ে উঠছে না অনেক সময়। এই গুরুত্বহীন সম্প্রসারণে বাংলার কোনও লাভ হবে না। আঞ্চলিক বা সম্প্রদায়গত মলম লেপন কিছু হবে হয়তো, কিন্তু ওই খণ্ডাংশেরও সামান্য উত্থান হবে না এতে।
বিশদ

14th  July, 2021
‘সাফল্যের’ ছাঁটাই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কথায় বলে, ধোঁয়া যখন বেরচ্ছে, আগুনও কোথাও না কোথাও আছে। অর্থাৎ, রেলকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার কানাঘুষো একেবারে গুজব নয়। নতুন মন্ত্রী সেই ইন্ধনে কিন্তু ঘি ঢেলেছেন। কে এই মন্ত্রী? অশ্বিনী বৈষ্ণব।
বিশদ

13th  July, 2021
ভূতটা স্বমূর্তি ধরছে
পি চিদম্বরম

আন্তঃসরকার চুক্তি এবং ২০১৮-র ১৪ ডিসেম্বর বিচারপতি গগৈ কর্তৃক প্রদত্ত রায় ‘রিভিউ’ করে দেখার জন্য আদালতকে রাজি করানো যেতে পারে। সংবাদ মাধ্যমের উপরেও আমি আস্থা রাখব। অনেকে আত্মসমর্পণ করেছে। কিছু হয়েছে দমনপীড়নের শিকার। তা সত্ত্বেও সংবাদ মাধ্যমে এখনও কিছু কলম এবং কণ্ঠ রয়েছে—যারা নিজেদের পাঠযোগ্য এবং শ্রাব্য করে তুলতে পারে।
বিশদ

12th  July, 2021
একনজরে
করোনার চতুর্থ ঢেউ ঢুকে পড়ল ফ্রান্সে। লকডাউন থেকে বাঁচতে ফের করোনা বিধিতে জোর দিয়েছে সরকার। সিনেমা, মিউজিয়াম বা খেলার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে অবশ্যই টিকার ডোজ সম্পূর্ণ করতে হবে। অথবা থাকতে হবে করোনার নেগেটিভ রিপোর্ট। ...

ফের কেতুগ্রামে বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। বৃহস্পতিবার ভোরে বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভেঙে পড়েছে কংক্রিটের বাড়ির একাংশ। ...

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই একের পর এক পঞ্চায়েত হাতছাড়া হয়েছে বিজেপি’র। পরাজয়ের পর তাদের নেতা-কর্মীদের একাংশ দল ভেঙে যোগ দিয়েছে তৃণমূলে। তাহলে কি দলীয় কর্মীদের উপর রাশ আলগা হচ্ছে বিজেপি’র? ...

করোনা পরিস্থিতিতে অনেক সাজাপ্রাপ্ত বা বিচারাধীন বন্দিকে প্যারোলে ছাড়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সংশোধনাগারে সংক্রমণ এড়াতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। বন্দিদের শ্রমে বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের কাজও গত বেশ কয়েকমাস বন্ধ রাখা হয়েছিল করোনার সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৯- আমেরিকাতে টাইপরাইটারের পূর্বসুরী টাইপোগ্রাফার পেটেন্ট করেন উইলিয়াম অস্টিন বার্ড
১৮৪৩ - সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বাগ্মী রায়বাহাদুর কালীপ্রসন্ন ঘোষের জন্ম
১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
১৮৮১ - আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলির মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিক ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত 
১৮৯৩ - কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ পূর্বতন বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার স্থাপিত
১৮৯৫- চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
১৮৯৮ - বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯০৬ - চন্দ্রশেখর আজাদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী
১৯২৭ - সালের এই দিনে ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানি বোম্বাইয়ে ভারতের প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু করে
১৯৩৩ - ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লবী ও আইনজীবী যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তের মৃত্যু
১৯৪৯ -  দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার ক্লাইভ রাইসের জন্ম
১৯৫৩ - ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার গ্রাহাম গুচের জন্ম
১৯৯৫- হেল-বপ ধূমকেতু আবিস্কার হয়, পরের বছরের গোড়ায় সেটি খালি চোখে দৃশ্যমান হয়
২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৬৪ টাকা ৭৫.৩৬ টাকা
পাউন্ড ১০০.৪১ টাকা ১০৩.৯২ টাকা
ইউরো ৮৬.৩১ টাকা ৮৯.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৩০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫, ৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬, ৫৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭, ৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭, ৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী ১৪/০ দিবা ১০/৪৪। পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র ২৩/১৪ দিবা ২/২৬।  সূর্যোদয় ৫/৭/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১৮/৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৬ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/২ গতে ২/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ২/৫৮ গতে ৩/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৮ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/০ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
৬ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী দিবা ১০/৩। পূর্ব্বাষাঢ়া নক্ষত্র দিবা ২/৪৫। সূর্যোদয় ৫/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৪৯ গতে ১০/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৯ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৪/২৬ গতে ৬/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ৩/১ গতে ৩/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৫ গতে ১১/২০ মধ্যে ও ৩/৪৫ গতে ৫/৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে। 
১২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় ওয়ান ডে: শ্রীলঙ্কা ৬৮/১ (১১ ওভার), টার্গেট ২২৬ 

09:11:30 PM

করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত ৮৪২, মৃত ১৬ 

08:53:07 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২২৫ রানে অলআউট 

08:03:45 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২১৮/৮ (৪০ ওভার)  

07:46:45 PM

জুহুর বাড়িতে শিল্পা শেট্টিকে জিজ্ঞাসাবাদ মুম্বই পুলিসের 

07:34:57 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ফের শুরু হল খেলা, বৃষ্টির জন্য ম্যাচ হবে ৪৭ ওভারে  

06:38:25 PM