Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা: আত্মনির্ভরতার নতুন থিম সং
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সেপ্টেম্বর ১, সাল ২০১৩। দিল্লিতে বিজেপির বাইক র‌্যালি। প্রতিবাদ চলছে পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে... ঠুঁটো কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। সেই বাইক মিছিল সেদিন রওনা দিয়েছিল দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের বাসভবনের উদ্দেশে। পথ রুখেছিল পুলিস। তাণ্ডব ঠেকাতে জলকামানও ব্যবহার করতে হয়েছিল সেদিন। গোটা দেশে সেদিন তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল এই ঘটনা। কারণ, প্রত্যেকটা টিভি চ্যানেল এই ‘প্রতিবাদে’র সম্প্রচার করেছিল। আর তার সঙ্গে চোখা চোখা ভাষায় ইউপিএ সরকারের তুলোধোনা। সাধারণ মানুষ খেপে উঠেছিল কেন্দ্রের উপর। এবং এই প্রতিবাদ যে একদিন শুরু হয়েই থেমে গিয়েছিল, তা নয়! বারেবারে... দেশের প্রায় প্রতিটা রাজ্যে কেন্দ্রবিরোধী এই আওয়াজ ছড়িয়ে দিতে পেরেছিল বিজেপি। মানুষ দেখেছিল তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাংলা বন্‌ধ। বিজেপি বলেছিল, কংগ্রেস তেলের দামে ভর্তুকি ধীরে ধীরে তুলে দেবে বলছে? আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তেলের দাম ঠিক হবে? এ আবার হয় নাকি? সাধারণ মানুষ তাহলে বাঁচবে কীভাবে? কিন্তু এই প্রতিবাদ মানুষের কাছে পৌঁছেছিল কী করে? উপায় ছিল একটাই—মিডিয়া। তখন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। পেট্রল তখন ছিল কলকাতায় ৭০ টাকা ৩৫ পয়সা, আর ডিজেল ৫২ টাকা ৯১ পয়সা। এখন আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যারেল পিছু অপরিশোধিত তেলের দাম ৭০ ডলার। কিন্তু পেট্রল প্রতি লিটার ৯৬ টাকা ৩৪ পয়সা। আর ডিজেল? ৯০ টাকা ১২ পয়সা। কিন্তু বিজেপির সেই জনদরদী মূর্তি আজ কোথায়? সংসদে নম্বরের নিরিখে বিরোধীদের মধ্যে প্রধান দলের নাম এখনও কংগ্রেস। কিন্তু সেই বিরোধী ‘হাইকমান্ডে’রও কি প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে? কংগ্রেস বলবে, আমরা প্রতিবাদ করছি। টিভি চ্যানেলগুলো দেখাচ্ছে না। আর মিডিয়া বলবে, কংগ্রেস তেমন কিছু করছে কই, যে আমরা দেখাব! এই জাঁতাকলে পড়ে আসলে প্রতিবাদের ভাষা হারিয়েছে দেশবাসী। দেশ নির্বাচিত করে জনপ্রতিনিধিদের। যে দলের বা জোটের জনপ্রতিনিধির সংখ্যা বেশি থাকে, তারা বসে শাসকের আসনে। বাকিরা বিরোধী। গণতন্ত্রের ভিত মজবুত করে বিরোধীরা। কারণ, মানুষের যন্ত্রণা, প্রতিবাদ তারা তুলে ধরে সরকারের কাছে। দিল্লির দরবারে। বিরোধীপক্ষ দুর্বল হওয়ার অর্থ, দেশবাসীর মুখে কুলুপ পড়ে যাওয়া। তাই তেলের দাম ১০০ টাকায় পৌঁছে যাওয়া সত্ত্বেও আমরা নির্বাক। মোদি সরকারের জনদরদী ভাবমূর্তির প্রত্যাশা বদলে গিয়েছে জনবিরোধিতায়। মেরুদণ্ড ভেঙে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের। গত এক বছরে... কোভিডকালে যা অভিশাপের মতো প্রতিটি ঘরে হানা দিয়েছে। আমরা এখন ভাবছি, কংগ্রেস জমানা কি এর থেকেও খারাপ ছিল? 
উত্তরটা ‘না’ ছাড়া আর কিছু হবে না। অন্তত তেলের দামের পরিসংখ্যান সেই কথাই বলছে। শুধু পেট্রল-ডিজেলের দাম মাপকাঠি কেন? কারণ, এই ক্ষেত্রটির প্রভাব সরাসরি পড়ে মূল্যবৃদ্ধিতে। তেলের দাম বাড়লে পরিবহণ খরচ বাড়বে। বৃদ্ধি পাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রের উৎপাদন খরচও। সেই ধাক্কা খোলা বাজারে আসবেই। অর্থাৎ, বাড়বে নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম। ইতিমধ্যেই পণ্য পরিবহণ সেক্টর থেকে দাবি উঠছে, টাকা বাড়াতে হবে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। অর্থাৎ, সোজা অঙ্কে তার প্রভাব পড়বে জিনিসপত্রের দামে। এরপরও কি আমরা বলব, আচ্ছে দিন এসে গিয়েছে? সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকনমি সম্প্রতি একটি সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেই অনুযায়ী, ২০২০ সালের তুলনায় গত মে মাস পর্যন্ত দেশজুড়ে কাজ হারিয়েছেন ১ কোটির বেশি মানুষ। আর আয় কমেছে বা একই থেকেছে ৯৭ শতাংশ মানুষের। মানেটা সাফ, মাত্র ৩ শতাংশ মানুষ বলেছেন, এই পর্বে তাঁদের ইনকাম বেড়েছে। তার উপর সোমবার প্রকাশিত পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির হিসেব সর্বকালীন রেকর্ড ছুঁয়েছে—১২.৯৪ শতাংশ। আকাশছোঁয়া দামের পাহাড়ে চাপা পড়ছে মানুষ। আর কেন্দ্রীয় সরকার দর কষছে... আগে রাজ্য তাদের ভ্যাট কমাক, তারপর আমরা তেলের এক্সাইজ ডিউটি বা সেস নিয়ে ভেবে দেখব।
কোন কোন ক্ষেত্র থেকে রাজস্ব আসে কেন্দ্রের? উপায় মূলত চারটি—কর্পোরেট ট্যাক্স, ব্যক্তিগত আয়কর, জিএসটি এবং তেলের উপর এক্সাইজ ডিউটি। হিসেব কষে দেখা যাচ্ছে, ২০১৮-১৯ সালে কেন্দ্রের রাজস্বের ১২ শতাংশ এসেছিল পেট্রল-ডিজেলের উপর চাপানো শুল্ক থেকে। ২০১৯-২০ সালে সেই পরিমাণটা ছিল ১৪ শতাংশ এবং ২০২০-২১ সালে উল্লেখযোগ্যভাবে ২০ শতাংশ।  গত এক বছরেই এক্সাইজ ডিউটি পেট্রলে ১৩ টাকা প্রতি লিটার এবং ডিজেলে ১৬ টাকা লিটার পিছু বাড়ানো হয়েছে। অথচ, ২০১৪ সালের মে মাসে ডিলারদের যে দামে কোম্পানিগুলি তেল বিক্রি করত, তা ২৪ শতাংশ কমেছে। কারণ এখন আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম সেই বছরের তুলনায় ব্যারেলে প্রায় ৩০ ডলার কম। তারপরও দাম কেন কমেনি? উত্তর সহজ, মোদি সরকারের এক্সাইজ ডিউটি বেড়েছে তিন গুণ। অর্থাৎ, এই মন্দার বাজারেও তেলের দাম থেকে মোদিজি ভাঁড়ার সমৃদ্ধ করছেন। গত অর্থবর্ষে গোটা দেশই কিন্তু থমকে গিয়েছিল লকডাউনে। গাড়ি কম চলেছে, উৎপাদন ক্ষেত্রও ধাক্কা খেয়েছে। তারপরও এই ‘শ্রীবৃদ্ধি’ নজর করার মতো। তার সুফল কি মানুষ পেয়েছে? পরিকাঠামো খাতে উন্নয়ন কতটা হয়েছে? করোনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে, গ্রামীণ স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আমরা আজও ধুঁকছি। শুধু পকেট না ভরে সাধারণের স্বার্থে এগিয়ে আসার, সাধারণের মধ্যে টাকার জোগান বাড়ানোর দায়িত্ব কি কেন্দ্রের নয়? তাও কেবল রাজ্যের? 
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল দেশ। কেন্দ্রীয় সরকার এবার আর লকডাউনের ঝুঁকি নেয়নি। কিন্তু বিধিনিষেধ চালু হয়েছে কার্যত সব রাজ্যে। যেখানে সংক্রমণের হার বেড়েছে, সেই রাজ্যই হেঁটেছে কঠোর অনুশাসনের পথে। অর্থাৎ, বাস-ট্রেন নেই। অফিস বন্ধ, কারখানার ঝাঁপ ফেলা। পেটের দায়ে বাড়ির বাইরে বেরতে হলে ভরসা ব্যক্তিগত যান। ফলে মাসের বাজেট বাড়ছে অনেকটা। তবে তেলের দাম বৃদ্ধি শুধু ঘর-গৃহস্থে নয়, প্রভাব ফেলছে সর্বত্র। যার মধ্যে প্রধান হল অটোমোবাইল সেক্টর। গাড়ি বিক্রি কমলে ধাক্কা শুধু শিল্পের বহরে নয়, কাজ হারাচ্ছেন বহু মানুষও। অথচ, এই সেক্টরেই অগুনতি কর্মসংস্থান হয়। এই আঁচ এড়াতে পারে না ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র শিল্প সংস্থাগুলিও। কারণ, গাড়িশিল্পের বহু ছোটখাট যন্ত্রাংশ সরবরাহ করে এমএসএমই। ‘আচ্ছে দিনে’ তালা পড়ছে এখানেও। পেট্রল-ডিজেলের মাত্রাতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধিতে ভেঙে পড়ছে কর্মসংস্থানের মেরুদণ্ড। 
তাও আমরা চুপ। প্রতিবাদ নেই। বিহারের আরারিয়া বা কিষানগঞ্জের অনেকেই এখন বেআইনিভাবে নেপাল থেকে পেট্রল-ডিজেল সংগ্রহ করছে। শুরু হয়েছে স্মাগলিং। ‘আত্মনির্ভর ভারতের’ নতুন কর্মসংস্থান। কেন? কারণ, নেপালে পেট্রলের দাম লিটার পিছু ৬৯ টাকা ৫০ পয়সা, আর ডিজেল ৫৮ টাকা ৮৮ পয়সা। কিছুটা সাশ্রয় হল, আবার ব্যবসাও। উপায়ই বা কী? কারণ জন্ম হয়েছে নতুন এক আশঙ্কার—চলতি অর্থবর্ষে মাথাপিছু আয় (পার ক্যাপিটা ইনকাম) কমতে চলেছে আরও ৯ শতাংশ। বাংলাদেশের পরিসংখ্যানও আমাদের থেকে ভালো। তাই চাল, ডাল, ভোজ্য তেল কিনতে হাত পুড়ছে আম জনতার। কেন্দ্রীয় সরকারি তথ্যই বলছে, এক বছরে ভোজ্য তেলের দাম দ্বিগুণ হয়েছে। কেন? মোদি সরকারের যুক্তি অকাট্য, যে পরিমাণ তৈলবীজের উৎপাদন আমাদের দেশে হয়, তার তুলনায় চাহিদা অনেকটাই বেশি। ফলে আমদানি ছাড়া উপায় নেই। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, ভারত এখন মোট চাহিদার ৬০ শতাংশ তৈলবীজই আমদানি করে। ফল—চড়চড় করে দাম বাড়ছে। ‘আত্মনির্ভরতা’ গুলি মারো... কেন্দ্র বলছে, ব্যবস্থা নেওয়া উচিত রাজ্যের। আর সাধারণ মানুষের টান পড়ছে পকেটে। শুধু ভোজ্য তেলের হিসেবটা দেখা যাক নীচের টেবিলে:
ভোজ্য তেল    ২০২০    ২০২১
সূর্যমুখী    ১১০ টাকা    ১৭৫ টাকা
বনস্পতি    ৯০ টাকা    ১৪০ টাকা
সর্ষের তেল    ১১৫ টাকা    ১৭০ টাকা
সয়া তেল    ১০০ টাকা    ১৫৫ টাকা

এই সবই পাইকারি দাম। খোলা বাজারের দাম এর থেকে বেশি। যেমন কলকাতার বাজারে এখন সর্ষের তেলের দাম ১৯০ টাকার আশপাশে। 
কংগ্রেস চেয়েছিল রাজস্ব বাড়াতে। অর্থনীতি যাতে খানিকটা চাঙ্গা হয়, তাই ধীরে ধীরে তেলের থেকে ভর্তুকি তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল দ্বিতীয় ইউপিএ সরকার। এর প্রেক্ষিতে নতুন পরিকল্পনাও ছিল। মনমোহন সিং সরকার জানিয়েছিল, যে বাড়তি রাজস্ব এর থেকে আসবে, তা খরচ হবে পরিকাঠামো উন্নয়নে। সহ্য হয়নি বিজেপির। আর এখন সেই পথেই ছুটছে তারা। হাতে তরবারি নিয়ে। নাম তার সংস্কার। দিনান্তে মাথা কাটা যাচ্ছে মানুষের। 
২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস। বিজেপির সেই বাইক মিছিলে হেলমেট না পরার জন্য ট্রাফিক কেস হয়েছিল দিল্লির তৎকালীন বিজেপি সভাপতি বিনয় গোয়েল এবং গেরুয়া শিবিরের আর এক নেতা বিজেন্দর গুপ্তার। কিন্তু বিপুল হম্বিতম্বি এবং অশান্ত পরিস্থিতির জন্য ট্রাফিক সার্জেন্ট তাঁদের ১০০ টাকার স্পট ফাইন করতে পারেননি (যদিও সেটাই নিয়ম)। কেস পাঠানো হয়েছিল বাইকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর অনুযায়ী... বাড়িতে। পরে দেখা গেল, বাইকের মালিক তাঁরা ছিলেনই না! কাজেই ফাইন দিয়েছিলেন অন্য কেউ। বিজেপির ওই দুই নেতা নন। 
ধাপ্পা-ট্র্যাডিশন যে সরকারে এসেও বদলাল না!
15th  June, 2021
এই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি হবে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সত্যজিৎ রায়ের ‘অপরাজিত’ ছবিতে স্কুল পরিদর্শকের সামনে স্কুলের এক ছাত্র অপূর্ব কুমার রায় ‘কিশলয়’ কবিতাটি  মনোগ্রাহী ভঙ্গিতে আবৃত্তি করে স্কুলের সম্মান রক্ষা করেছিল।
বিশদ

জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, দায় কার?
মৃণালকান্তি দাস

২০২১ সালে দাঁড়িয়ে ভারতের শাসকরা ষাটের দশকের দাঁড়িপাল্লায় হিন্দু এবং মুসলিমের জন্মহার মাপছেন। আসলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও লক্ষ্য বিভাজন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে ধর্মকে জুড়ে ফের মেরুকরণও উস্কে দিচ্ছেন তাঁরা। বিশদ

22nd  July, 2021
একুশে জুলাইয়ের
লড়াই শেষ হয়ে যায়নি
সন্দীপন বিশ্বাস

আজ একুশে জুলাই হয়ে উঠতে পারে একটা অপ্রতিরোধ্য শক্তির ব্যঞ্জনা। রাজ্যে স্বল্প পরিসরের বাইরে বেরিয়ে সারা দেশকে অনুপ্রাণিত করতে পারে একুশে জুলাইয়ের লড়াই। সেই লড়াইয়ের যোগ্য নেতৃত্ব দিতে পারেন একজনই। তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। সারাদেশে তিনি হয়ে উঠেছেন মোদির অক্ষম শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জননী।
বিশদ

21st  July, 2021
একনায়কতন্ত্রের নজরদারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিকে সদ্য সমাপ্ত বাংলার বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয়ের কারিগর। আর অভিষেক নিজেই দলের কার্যত সেকেন্ড ইন কমান্ড। এই দু’জনের ফোন ট্যাপ করলেই মাথা পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া যায়—অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

20th  July, 2021
স্বাধীন ভারতের এক সার্বভৌম
পি চিদম্বরম

১৯৪৭-এ আমরা ইংরেজের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছি। তবু, ভারতে আমাদের একজন ‘সার্বভৌম’ রয়েছে। এই সার্বভৌম হল ভারত সরকার।
বিশদ

19th  July, 2021
সত্যি কি তৃতীয় ঢেউ
আটকাতে চান নরেন্দ্র মোদি!
হিমাংশু সিংহ

কোভিড পর্বে ৫৬ ইঞ্চি ছাতির ধ্যাষ্টামি কম দেখেনি দেশ। গতবছর ২২ মার্চ থালা-ঘটি-বাটি বাজানো থেকেই সেই চোর-পুলিস খেলার শুরু। 
বিশদ

18th  July, 2021
পার্টি ম্যান দিলীপ, হতে
পারলেন না ‘ইয়েস ম্যান’
তন্ময় মল্লিক

ফের সেই অঙ্ক। গেরো থেকে কিছুতেই বেরনো যাচ্ছে না। তবে এবার অঙ্কটা একটু অন্য রকম। ৩ থেকে বেড়ে ৭৭, নাকি ১২১ থেকে কমে? কোন দিক থেকে ৭৭-এর অঙ্ক কষা হবে, সেটা বিজেপির অন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনেকে বলছেন, এই অঙ্কের উপরেই নাকি দাঁড়িয়ে আছে দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ!
বিশদ

17th  July, 2021
রাহুল সোনিয়া  কি আদৌ
চান মোদিকে হারাতে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী এক কথার মানুষ। তাঁরা স্বধর্মে অটল। বিগত ২২ বছরে তাঁরা নিজেদের দলের কোনও রাজ্য নেতাকে এককভাবে শক্তিশালী অথবা জনপ্রিয় হওয়াকে মোটেই পছন্দ করেননি।
বিশদ

16th  July, 2021
সেন্ট্রাল ভিস্তা, দম্ভের সৌধ
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের নতুন সংসদ ভবনের আসন সংখ্যা বাড়ানো কি বিজেপির নয়া কৌশল? বিজেপি যে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের যথেষ্ট আগে শেষ করাতে চাইছে, তার পিছনে কি কাজ করছে হিন্দু জাতীয়তাবাদের বড় কোনও পরিকল্পনা?
বিশদ

15th  July, 2021
দিল্লিতে বাংলার চার আব্বুলিশ
হারাধন চৌধুরী

মোদি বাংলা থেকে একজনকেও পূর্ণমন্ত্রী করতে পারলেন না! ... চারজন ‘আব্বুলিশ’ মন্ত্রী রাখার একটাই ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও বাগড়া দেওয়া, যেটা ধনকারকে দিয়ে হয়ে উঠছে না অনেক সময়। এই গুরুত্বহীন সম্প্রসারণে বাংলার কোনও লাভ হবে না। আঞ্চলিক বা সম্প্রদায়গত মলম লেপন কিছু হবে হয়তো, কিন্তু ওই খণ্ডাংশেরও সামান্য উত্থান হবে না এতে।
বিশদ

14th  July, 2021
‘সাফল্যের’ ছাঁটাই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কথায় বলে, ধোঁয়া যখন বেরচ্ছে, আগুনও কোথাও না কোথাও আছে। অর্থাৎ, রেলকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার কানাঘুষো একেবারে গুজব নয়। নতুন মন্ত্রী সেই ইন্ধনে কিন্তু ঘি ঢেলেছেন। কে এই মন্ত্রী? অশ্বিনী বৈষ্ণব।
বিশদ

13th  July, 2021
ভূতটা স্বমূর্তি ধরছে
পি চিদম্বরম

আন্তঃসরকার চুক্তি এবং ২০১৮-র ১৪ ডিসেম্বর বিচারপতি গগৈ কর্তৃক প্রদত্ত রায় ‘রিভিউ’ করে দেখার জন্য আদালতকে রাজি করানো যেতে পারে। সংবাদ মাধ্যমের উপরেও আমি আস্থা রাখব। অনেকে আত্মসমর্পণ করেছে। কিছু হয়েছে দমনপীড়নের শিকার। তা সত্ত্বেও সংবাদ মাধ্যমে এখনও কিছু কলম এবং কণ্ঠ রয়েছে—যারা নিজেদের পাঠযোগ্য এবং শ্রাব্য করে তুলতে পারে।
বিশদ

12th  July, 2021
একনজরে
করোনা পরিস্থিতিতে অনেক সাজাপ্রাপ্ত বা বিচারাধীন বন্দিকে প্যারোলে ছাড়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সংশোধনাগারে সংক্রমণ এড়াতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। বন্দিদের শ্রমে বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের কাজও গত বেশ কয়েকমাস বন্ধ রাখা হয়েছিল করোনার সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে। ...

আগামী ১৮ আগস্ট এএফসি কাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে এটিকে মোহন বাগান। তার আগে দলকে অন্তত দু’সপ্তাহ অনুশীলন করাতে চাইছেন কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। ...

ফের কেতুগ্রামে বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। বৃহস্পতিবার ভোরে বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভেঙে পড়েছে কংক্রিটের বাড়ির একাংশ। ...

আদিবাসী পরিবারের জমি দখল করে বেসরকারি স্কুল বানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৯- আমেরিকাতে টাইপরাইটারের পূর্বসুরী টাইপোগ্রাফার পেটেন্ট করেন উইলিয়াম অস্টিন বার্ড
১৮৪৩ - সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বাগ্মী রায়বাহাদুর কালীপ্রসন্ন ঘোষের জন্ম
১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
১৮৮১ - আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলির মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিক ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত 
১৮৯৩ - কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ পূর্বতন বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার স্থাপিত
১৮৯৫- চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
১৮৯৮ - বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯০৬ - চন্দ্রশেখর আজাদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী
১৯২৭ - সালের এই দিনে ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানি বোম্বাইয়ে ভারতের প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু করে
১৯৩৩ - ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লবী ও আইনজীবী যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তের মৃত্যু
১৯৪৯ -  দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার ক্লাইভ রাইসের জন্ম
১৯৫৩ - ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার গ্রাহাম গুচের জন্ম
১৯৯৫- হেল-বপ ধূমকেতু আবিস্কার হয়, পরের বছরের গোড়ায় সেটি খালি চোখে দৃশ্যমান হয়
২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৬৪ টাকা ৭৫.৩৬ টাকা
পাউন্ড ১০০.৪১ টাকা ১০৩.৯২ টাকা
ইউরো ৮৬.৩১ টাকা ৮৯.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৩০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫, ৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬, ৫৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭, ৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭, ৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী ১৪/০ দিবা ১০/৪৪। পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র ২৩/১৪ দিবা ২/২৬।  সূর্যোদয় ৫/৭/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১৮/৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৬ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/২ গতে ২/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ২/৫৮ গতে ৩/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৮ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/০ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
৬ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী দিবা ১০/৩। পূর্ব্বাষাঢ়া নক্ষত্র দিবা ২/৪৫। সূর্যোদয় ৫/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৪৯ গতে ১০/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৯ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৪/২৬ গতে ৬/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ৩/১ গতে ৩/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৫ গতে ১১/২০ মধ্যে ও ৩/৪৫ গতে ৫/৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে। 
১২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২২৫ রানে অলআউট 

08:03:45 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২১৮/৮ (৪০ ওভার)  

07:46:45 PM

জুহুর বাড়িতে শিল্পা শেট্টিকে জিজ্ঞাসাবাদ মুম্বই পুলিসের 

07:34:57 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ফের শুরু হল খেলা, বৃষ্টির জন্য ম্যাচ হবে ৪৭ ওভারে  

06:38:25 PM

শুরু হল ওলিম্পিক্স 

06:03:00 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে : বৃষ্টির জন্য বন্ধ খেলা, ভারত ১৪৭/৩ (২৩.৩ ওভার)  

06:00:00 PM