Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দায়িত্ব নিন, আলোচনা
করুন, প্ল্যান বানান
পি চিদম্বরম

টিকাকরণ নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা হল, তা ইতিহাসে লেখা থাকবে। ৭ জুন, টেলিভিশন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দু’টো ভুল শুধরে নিয়েছেন। আমি মনে করি, এটাই তাঁর ভুল স্বীকার করে নেওয়ার কায়দা। রাজ্য সরকারগুলো এবং বিরোধীদের অবশ্যই উচিত তাদের দিক থেকে এগিয়ে যাওয়া। বিশৃঙ্খল অবস্থাটা অবশ্যই কাটিয়ে উঠব এবং এপিডেমিওলজিস্ট ও হেলথ এক্সপার্টরা যে লক্ষ্য স্থির করেছেন আমরা সেখানে পৌঁছব। 
গত ১৫ মাসে যে ভুলগুলো করা হয়েছে, এই প্রসঙ্গে গুরুত্বসহকারে সেগুলোর দিকে নজর রাখব:
ভুলচুকগুলো
১. কেন্দ্রীয় সরকারের বিশ্বাস ছিল যে, ভাইরাসের প্রথম ঢেউয়ের পর আর কোনও ঢেউ আসবে না। অতএব টিকা পরে সময়-সুযোগে নেওয়া যাবে এবং তার জন্য দেশীয় সরবরাহই যথেষ্ট হবে। সেকেন্ড ওয়েভের হুঁশিয়ারিটা সরকার অগ্রাহ্য করেছিল। সরকার এটাও মানেনি যে, সকলের জন্য দ্রুততার সঙ্গে টিকাকরণটা জরুরি। 
২. দু’টো দেশি সংস্থার নিরপত্তা এবং মুনাফার নিশ্চয়তা নিয়ে সরকার অতি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে। অন্যদের টিকার ইমার্জেন্সি ইয়্যুজ অ্যাপ্রুভাল (ইইউএ) দেওয়া নিয়ে অনাবশ্যক টালবাহানা করে গিয়েছে। এমনও হতে পারে, অন্য টিকা উৎপাদকদের ভীষণভাবে নিরুৎসাহই করা হয়েছিল, যাতে তাঁরা ভারতে ইইউএ-র জন্য আবদেন না করেন। এই প্রসঙ্গে ফাইজারের দৃষ্টান্ত আমাদের সামনে রয়েছে।
৩. সিরাম ইনস্টিটিউটকে ভারত সরকার তাদের প্রথম অর্ডার দিয়েছিল ২০২১-এর ১১ জানুয়ারি। অথচ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইউরোপের অন্যান্য দেশ এবং জাপান অর্ডার দিয়েছিল তার বহু আগে—২০২০ সালর মে-জুনের দিকে। আরও উল্লেখ করতে হয় যে, ভারত অর্ডার দিয়েছিল মাত্র ১ কোটি ১০ লক্ষ ডোজের জন্য! আর ভারত বায়োটেকের কাছে ভারতের অর্ডার জমা পড়েছে আরও পরে। তার তারিখ ও পরিমাণটা অবশ্য জানা নেই। 
৪. সিরাম ইনস্টিটিউট মূলধনী অনুদান বা ভর্তুকির জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু টিকার সাপ্লাই নিশ্চিত করার জন্য সরকার সেই সময় সামান্য অগ্রিমও দুই ভারতীয় টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থাকে দেয়নি। অ্যাডভান্স কিছু অনুমোদন করা হয়েছে অনেক পরে—১৯ এপ্রিল, ২০২১ তারিখে—সিরাম ইনস্টিটিউটের জন্য তিন হাজার কোটি টাকা এবং ভারত বায়োটেকের জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা। 
৫. সরকার এই অ্যাসেসমেন্টটাও করেনি, গত বছর এবং চলতি বছরের কোন মাসে দু’টো ভারতীয় সংস্থার টিকা উৎপাদন কতটা হতে পারে। উৎপাদন বাড়ানোর জন্য তাদের উপর সরকারের তরফে কোনও চাপও ছিল না। এমনকী, ওই দুই সংস্থার প্রকৃত উৎপাদন ও সাপ্লাই কত, মাস ধরে ধরে সেই তথ্যটাও সরকার প্রকাশ করেনি। 
নীতিহীন পরামর্শ
৬. রাজ্য সরকারগুলোর সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা করার বা পরামর্শ গ্রহণের ধার ধারেনি। ভ্যাকসিনেশন বা টিকাকরণের পুরো ব্যাপারটাই কেন্দ্রীয় সরকার একতরফাভাবে ঠিক করেছে। সুপ্রিম কোর্টের মনে হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের টিকাকরণ নীতি হল একটা ‘স্বেচ্ছাচার এবং অযৌক্তিক’ ব্যাপার।  
৭. কেন্দ্রীয় সরকার ভ্যাকসিন সংগ্রহের ব্যবস্থাটা বিকেন্দ্রিত করল এবং ১৮-৪৪ বর্ষীয়দের টিকাকরণের দায়টা ঝেড়ে ফেলল রাজ্য সরকারগুলোর ঘাড়ে। ভ্যাকসিন সংগ্রহের ব্যবস্থাটা যে কারণে এবং যারই বুদ্ধিতে বিকেন্দ্রিত হয়ে থাক, এটা ছিল এক‍টা মস্ত বড় ভুল। পূর্ব সিদ্ধান্ত মতো, রাজ্য সরকারগুলোর টেন্ডার নিয়ে কোনও প্রতিযোগিতা ছিল না। সব মিলিয়ে ভ্যাকসিন প্রোকিয়োরমেন্ট বা টিকা সংগ্রহের ব্যাপারটাকে একটা ধোঁয়াশার মধ্যে রেখে দেওয়া হয়। 
৮. কেন্দ্র, রাজ্য সরকার এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলোর জন্য ভ্যাকসিন সরবরাহের ভিন্ন ভিন্ন দাম নির্ধারণ করে দিয়ে মোদি সরকার এক‍টা মারাত্মক ভুল করেছে। দামের ভিন্নতার ফলে কী হয়েছে— প্রসস্তুতকারকরা বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে বেশি পরিমাণে সাপ্লাই করেছে। পরিণামে সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনমতো টিকা পৌঁছয়নি, সেখানে তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে এবং কিছু রাজ্যে সাময়িকভাবে টিকাকরণ বন্ধও রাখতে হয়। বিতর্কটা আরও চড়ে গিয়েছে এই কারণে যে, বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে প্রতি ডোজ কোভিশিল্ড, স্পুটনিক ভি এবং কোভ্যাকসিনের দাম যথাক্রমে ৭৮০ টাকা, ১১৪৫ টাকা এবং ১৪১০ টাকা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
৯. কোউইন অ্যাপে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকাকরণের নিয়মের গেরোও একটা বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা। ব্যাপারটাকে সুপ্রিম কোর্টও ভালোভাবে নেয়নি। শীর্ষ আদালত মনে করে, এতে ডিজিটাল ব্যবস্থায় বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে এবং এটা বৈষম্যমূলক। 
এই ত্রুটিগুলোকে সরিয়ে রাখা যাক। ভ্যাকসিনের উৎপাদন এবং সাপ্লাই দু’টোরই উন্নতি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। রাশিয়ার স্পুটনিক ভি ভ্যাকসিনের আমদানিতে আমাদের সুবিধা হয়েছে। ৬ জুন যে সপ্তাহের সূচনা হল, সেখান থেকে দৈনিক টিকাকরণের গড় সংখ্যাটা ৩০-৩৪ লক্ষ ডোজে উঠে এসেছে। কিন্তু এই গতিতেও যদি টিকাকরণ এগতে থাকে তবে এবছরের বাকি দিনগুলোতে (২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) ৬০ কোটি ডোজের মতো টিকা দেওয়া সম্ভব হবে। লক্ষ্যমাত্রা যেখানে ৯০-১০০ কোটি পূর্ণবয়স্ক নাগরিকের প্রত্যেককে দু’টো করে ডোজ টিকা দেওয়া, সেখানে টিকাকরণের এই ছবিটা অত্যন্ত পরিতাপের। (উল্লেখ্য, যে ৫ কোটি পূর্ণবয়স্ক মানুষের দু’টো করে ডোজ টিকা নেওয়া হয়ে গিয়েছে, এই হিসেবের মধ্যে তাঁদেরকে রাখা হয়নি।) 
রকেট বিজ্ঞান নয়
এটা পরিষ্কার যে, পরবর্তী পদক্ষেপগুলো জুন, ২০২১-এর আগেই সম্পন্ন করে ফেলতে হবে। এর একটা তালিকা এইরকম:
১. প্রতিটা দেশীয় উৎপাদকের (দুই, তিন বা তারও বেশি) জন্য একটা বিশ্বাসযোগ্য উৎপাদন সূচি—জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২১ সময়ের, মাস ধরে ধরে তৈরি করা হোক। তার সঙ্গে যোগ করা হোক স্পু‍টনিক ভি আমদানির পরিমাণ। আরও যোগ করা হোক মাস ধরে ধরে তার উৎপাদনের পরিমাণ। তারা ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারকের যে-কোনও ধরনের লাইসেন্সি হতে পারে। 
২. ফাইজার-বায়োএনটেক, মডার্না, জনসন অ্যান্ড জনসন এবং সিনোফার্মের মতো যারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) অনুমোদিত, অবিলম্বে তাদের কাছে ভ্যাকসিনের অর্ডার দিতে হবে। তাদের অগ্রিম পেমেন্ট করে দিয়ে সরবরাহের সূচি নিয়ে চুক্তি করা হোক। মোট সরবরাহের হিসেবের মধ্যে এইগুলোকেও ধরা হোক। 
৩. ভ্যাকসিন সংগ্রহের (৭ জুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৭৫ শতাংশ ভ্যাকসিন সংগ্রহের দায়িত্ব স্বীকার করেছেন) এবং রাজ্যগুলোকে তাদের প্রয়োজন অনুসারে বণ্টনের পুরো দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারকে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে ভ্যাকসিন বণ্টনে রাজ্যগুলোও যেন কোনওরকম বৈষম্য না করে।  
৪. প্রয়োজন অনুযায়ী ভ্যাকসিন সংগ্রহের সমস্যা হবে বলেই আশঙ্কা হয়। তাই সরকারের প্রকাশ্যে জানিয়ে দেওয়া উচিত, এই ‘গ্যাপ’ বা ফাঁক‍টা তারা কীভাবে পূরণ করবে। গ্যাপটা যদি ডিসেম্বর, ২০২১-এর আগে পূরণ করা যাবে না বলে মনে হয়, তবে সরকার টিকাদানের অগ্রাধিকার অবশ্যই নতুন করে ঠিক করুক। আর এই সিদ্ধান্ত তারা যেন একতরফাভাবে না নেয়, অবশ্যই রাজ্য সরকারগুলোর পরমর্শ নিক। 
৫. কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলোকে আরও দু’টো জিনিসের উপর অবশ্য করে জোর দিতে হবে—স্বাস্থ্য পরিকাঠামো বজায় রাখা এবং তার উন্নতি বিধান। এর মধ্যে হাসপাতালগুলোতে বেড সংখ্যা বৃদ্ধির ব্যবস্থাও করতে হবে।
উপর্যুক্ত পাঁচটা ব্যবস্থা অবশ্য রকেট সায়েন্স নয়। এসব করার জন্য উপযুক্ত প্ল্যানিং বা পরিকল্পনা জরুরি। প্ল্যানিং কমিশনের অবলুপ্তির কারণে মোদি সরকারের কাছে এর কিছু কিছু বাইরের ব্যাপার বলেই মনে হবে। কিন্তু, অন্য দেশগুলো এসব রুটিন মাফিক করেই থাকে। প্ল্যানিং করার ব্যাপারে এই সরকারের মধ্যে একটা যে বিদ্বেষভাব রয়েছে, সেটা অবশ্যই ঝেড়ে ফেলতে হবে। ওইসঙ্গে একটা ‘ডেডিকেটেড গ্রুপ’ তৈরি করা দরকার, যারা অচিন্তনীয় ঘটনাগুলো সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করবে এবং প্রতিটা সম্ভাব্য অঘটন মোকাবিলার জন্য প্ল্যান রেডি রাখবে। 
দেখা যাক, এটার আগে কেন্দ্রীয় সরকার চ্যালেঞ্জিং কাজটা কীভাবে উতরোয়। 
• লেখক সাংসদ ও ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত
14th  June, 2021
এই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি হবে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সত্যজিৎ রায়ের ‘অপরাজিত’ ছবিতে স্কুল পরিদর্শকের সামনে স্কুলের এক ছাত্র অপূর্ব কুমার রায় ‘কিশলয়’ কবিতাটি  মনোগ্রাহী ভঙ্গিতে আবৃত্তি করে স্কুলের সম্মান রক্ষা করেছিল।
বিশদ

জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, দায় কার?
মৃণালকান্তি দাস

২০২১ সালে দাঁড়িয়ে ভারতের শাসকরা ষাটের দশকের দাঁড়িপাল্লায় হিন্দু এবং মুসলিমের জন্মহার মাপছেন। আসলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও লক্ষ্য বিভাজন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে ধর্মকে জুড়ে ফের মেরুকরণও উস্কে দিচ্ছেন তাঁরা। বিশদ

22nd  July, 2021
একুশে জুলাইয়ের
লড়াই শেষ হয়ে যায়নি
সন্দীপন বিশ্বাস

আজ একুশে জুলাই হয়ে উঠতে পারে একটা অপ্রতিরোধ্য শক্তির ব্যঞ্জনা। রাজ্যে স্বল্প পরিসরের বাইরে বেরিয়ে সারা দেশকে অনুপ্রাণিত করতে পারে একুশে জুলাইয়ের লড়াই। সেই লড়াইয়ের যোগ্য নেতৃত্ব দিতে পারেন একজনই। তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। সারাদেশে তিনি হয়ে উঠেছেন মোদির অক্ষম শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জননী।
বিশদ

21st  July, 2021
একনায়কতন্ত্রের নজরদারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিকে সদ্য সমাপ্ত বাংলার বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয়ের কারিগর। আর অভিষেক নিজেই দলের কার্যত সেকেন্ড ইন কমান্ড। এই দু’জনের ফোন ট্যাপ করলেই মাথা পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া যায়—অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

20th  July, 2021
স্বাধীন ভারতের এক সার্বভৌম
পি চিদম্বরম

১৯৪৭-এ আমরা ইংরেজের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছি। তবু, ভারতে আমাদের একজন ‘সার্বভৌম’ রয়েছে। এই সার্বভৌম হল ভারত সরকার।
বিশদ

19th  July, 2021
সত্যি কি তৃতীয় ঢেউ
আটকাতে চান নরেন্দ্র মোদি!
হিমাংশু সিংহ

কোভিড পর্বে ৫৬ ইঞ্চি ছাতির ধ্যাষ্টামি কম দেখেনি দেশ। গতবছর ২২ মার্চ থালা-ঘটি-বাটি বাজানো থেকেই সেই চোর-পুলিস খেলার শুরু। 
বিশদ

18th  July, 2021
পার্টি ম্যান দিলীপ, হতে
পারলেন না ‘ইয়েস ম্যান’
তন্ময় মল্লিক

ফের সেই অঙ্ক। গেরো থেকে কিছুতেই বেরনো যাচ্ছে না। তবে এবার অঙ্কটা একটু অন্য রকম। ৩ থেকে বেড়ে ৭৭, নাকি ১২১ থেকে কমে? কোন দিক থেকে ৭৭-এর অঙ্ক কষা হবে, সেটা বিজেপির অন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনেকে বলছেন, এই অঙ্কের উপরেই নাকি দাঁড়িয়ে আছে দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ!
বিশদ

17th  July, 2021
রাহুল সোনিয়া  কি আদৌ
চান মোদিকে হারাতে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী এক কথার মানুষ। তাঁরা স্বধর্মে অটল। বিগত ২২ বছরে তাঁরা নিজেদের দলের কোনও রাজ্য নেতাকে এককভাবে শক্তিশালী অথবা জনপ্রিয় হওয়াকে মোটেই পছন্দ করেননি।
বিশদ

16th  July, 2021
সেন্ট্রাল ভিস্তা, দম্ভের সৌধ
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের নতুন সংসদ ভবনের আসন সংখ্যা বাড়ানো কি বিজেপির নয়া কৌশল? বিজেপি যে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের যথেষ্ট আগে শেষ করাতে চাইছে, তার পিছনে কি কাজ করছে হিন্দু জাতীয়তাবাদের বড় কোনও পরিকল্পনা?
বিশদ

15th  July, 2021
দিল্লিতে বাংলার চার আব্বুলিশ
হারাধন চৌধুরী

মোদি বাংলা থেকে একজনকেও পূর্ণমন্ত্রী করতে পারলেন না! ... চারজন ‘আব্বুলিশ’ মন্ত্রী রাখার একটাই ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও বাগড়া দেওয়া, যেটা ধনকারকে দিয়ে হয়ে উঠছে না অনেক সময়। এই গুরুত্বহীন সম্প্রসারণে বাংলার কোনও লাভ হবে না। আঞ্চলিক বা সম্প্রদায়গত মলম লেপন কিছু হবে হয়তো, কিন্তু ওই খণ্ডাংশেরও সামান্য উত্থান হবে না এতে।
বিশদ

14th  July, 2021
‘সাফল্যের’ ছাঁটাই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কথায় বলে, ধোঁয়া যখন বেরচ্ছে, আগুনও কোথাও না কোথাও আছে। অর্থাৎ, রেলকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার কানাঘুষো একেবারে গুজব নয়। নতুন মন্ত্রী সেই ইন্ধনে কিন্তু ঘি ঢেলেছেন। কে এই মন্ত্রী? অশ্বিনী বৈষ্ণব।
বিশদ

13th  July, 2021
ভূতটা স্বমূর্তি ধরছে
পি চিদম্বরম

আন্তঃসরকার চুক্তি এবং ২০১৮-র ১৪ ডিসেম্বর বিচারপতি গগৈ কর্তৃক প্রদত্ত রায় ‘রিভিউ’ করে দেখার জন্য আদালতকে রাজি করানো যেতে পারে। সংবাদ মাধ্যমের উপরেও আমি আস্থা রাখব। অনেকে আত্মসমর্পণ করেছে। কিছু হয়েছে দমনপীড়নের শিকার। তা সত্ত্বেও সংবাদ মাধ্যমে এখনও কিছু কলম এবং কণ্ঠ রয়েছে—যারা নিজেদের পাঠযোগ্য এবং শ্রাব্য করে তুলতে পারে।
বিশদ

12th  July, 2021
একনজরে
করোনার চতুর্থ ঢেউ ঢুকে পড়ল ফ্রান্সে। লকডাউন থেকে বাঁচতে ফের করোনা বিধিতে জোর দিয়েছে সরকার। সিনেমা, মিউজিয়াম বা খেলার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে অবশ্যই টিকার ডোজ সম্পূর্ণ করতে হবে। অথবা থাকতে হবে করোনার নেগেটিভ রিপোর্ট। ...

করোনা আতঙ্কে দীর্ঘ দিন কঠোর বিধি পালন করছে দেশবাসী। দূরত্ব বিধি, স্যানিটাইজেশন, লকডাউন—নানা রক্ষ্মণাত্মক কৌশলের মধ্য দিয়ে চলছে দেশ। এমন অবস্থায় আতঙ্কের ভয়ঙ্কর ছবি সামনে এল অন্ধ্রপ্রদেশের পূর্ব গোদাবরী জেলায়। ...

আদিবাসী পরিবারের জমি দখল করে বেসরকারি স্কুল বানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী। ...

আগামী ১৮ আগস্ট এএফসি কাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে এটিকে মোহন বাগান। তার আগে দলকে অন্তত দু’সপ্তাহ অনুশীলন করাতে চাইছেন কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৯- আমেরিকাতে টাইপরাইটারের পূর্বসুরী টাইপোগ্রাফার পেটেন্ট করেন উইলিয়াম অস্টিন বার্ড
১৮৪৩ - সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বাগ্মী রায়বাহাদুর কালীপ্রসন্ন ঘোষের জন্ম
১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
১৮৮১ - আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলির মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিক ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত 
১৮৯৩ - কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ পূর্বতন বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার স্থাপিত
১৮৯৫- চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
১৮৯৮ - বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯০৬ - চন্দ্রশেখর আজাদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী
১৯২৭ - সালের এই দিনে ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানি বোম্বাইয়ে ভারতের প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু করে
১৯৩৩ - ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লবী ও আইনজীবী যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তের মৃত্যু
১৯৪৯ -  দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার ক্লাইভ রাইসের জন্ম
১৯৫৩ - ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার গ্রাহাম গুচের জন্ম
১৯৯৫- হেল-বপ ধূমকেতু আবিস্কার হয়, পরের বছরের গোড়ায় সেটি খালি চোখে দৃশ্যমান হয়
২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৬৪ টাকা ৭৫.৩৬ টাকা
পাউন্ড ১০০.৪১ টাকা ১০৩.৯২ টাকা
ইউরো ৮৬.৩১ টাকা ৮৯.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৩০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫, ৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬, ৫৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭, ৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭, ৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী ১৪/০ দিবা ১০/৪৪। পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র ২৩/১৪ দিবা ২/২৬।  সূর্যোদয় ৫/৭/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১৮/৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৬ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/২ গতে ২/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ২/৫৮ গতে ৩/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৮ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/০ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
৬ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী দিবা ১০/৩। পূর্ব্বাষাঢ়া নক্ষত্র দিবা ২/৪৫। সূর্যোদয় ৫/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৪৯ গতে ১০/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৯ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৪/২৬ গতে ৬/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ৩/১ গতে ৩/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৫ গতে ১১/২০ মধ্যে ও ৩/৪৫ গতে ৫/৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে। 
১২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় ওয়ান ডে: শ্রীলঙ্কা ৬৮/১ (১১ ওভার), টার্গেট ২২৬ 

09:11:30 PM

করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত ৮৪২, মৃত ১৬ 

08:53:07 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২২৫ রানে অলআউট 

08:03:45 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২১৮/৮ (৪০ ওভার)  

07:46:45 PM

জুহুর বাড়িতে শিল্পা শেট্টিকে জিজ্ঞাসাবাদ মুম্বই পুলিসের 

07:34:57 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ফের শুরু হল খেলা, বৃষ্টির জন্য ম্যাচ হবে ৪৭ ওভারে  

06:38:25 PM