Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতার নির্দেশে
অভিষেকের মাস্টারস্ট্রোক
হিমাংশু সিংহ

এতদিন বাংলার রাজনীতিতে মাস্টারস্ট্রোক কথাটা শুধু জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই সমার্থক ছিল ষোলোআনা। কিন্তু এখন তার আর এক দাবিদার উপস্থিত। পুত্রসম অভিষেক। পেশাদার সংস্থাকে দিয়ে ওয়াররুম সাজিয়ে একুশের ভোটযুদ্ধে মমতার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কোচবিহার থেকে সুন্দরবন, বিজেপির চ্যালেঞ্জের শুধু মোকাবিলাই করেননি, তাকে পর্যুদস্ত করেছেন অবলীলায়। একদিকে জননেত্রী মমতা আর অন্যদিকে অভিষেকের যুগলবন্দিতে একশোরও অনেক আগেই থেমে গিয়েছে বিজেপি। আর সেই ঐতিহাসিক ফলের ৩৯ দিনের মাথায় মুকুল রায়ের ‘ঘর ওয়াপসি’। মমতার তৈরি করে দেওয়া স্ক্রিপ্ট অনুসরণ করে অভিষেকের এই পাল্টা গেরুয়া শিবিরকে ধাক্কা দেওয়ার নিখুঁত অপারেশন বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। গোটা ভোটযুদ্ধে মুকুল যে যুগশ্রেষ্ঠ গদ্দারের মতো কুৎসিত ব্যক্তিগত আক্রমণে যাননি তা অনেক আগেই পরিষ্কার করে দিয়েছেন নেত্রী। বলেছেন, মুকুল অত খারাপ নয়। আর যোগদানের মঞ্চে মমতা আর একটু এগিয়ে বলেন, মুকুলের উপর দিয়ে অনেক ঝড় গিয়েছে। এত চাপে ওর শরীরটাও ভেঙেছে। নেত্রীর এতটা স্নেহ অস্বীকার করে কী করে নিঃশ্বাস নিয়েছেন এতগুলো মাস!
মুকুল অপারেশনের শুরু ২ জুন, সন্ধ্যায়। বিধানসভা ভোটের ফল বেরনোর ঠিক একমাস পরই আচমকা মাস্টারস্ট্রোকটা খেলে দেন অভিষেক। দলনেত্রীর পরামর্শে ছুটে যান দলের একদা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মুকুলবাবুর অসুস্থ স্ত্রীকে দেখতে। ভোটের ফল বেরনো ইস্তক দু’তরফে বরফটা গলছিলই। হাসপাতালে অভিষেকের যাওয়ায় তা যেন মুহূর্তে জল হয়ে গেল। অভিষেকের সৌজন্যে সেদিন আপ্লুত হয়ে পড়েন মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু। যন্ত্রণায় মন ভারী হয়ে ওঠে একদা ছায়াসঙ্গী মুকুলেরও। সংগঠনের এত কাজ যে কোনও বিজেপি নেতা তখনও দলের সর্বভারতীয় সহসভাপতির স্ত্রীর খবরটা নিয়েই উঠতে পারেননি! অথচ ৪৪ মাস আগে প্রাক্তন রেল ও জাহাজ মন্ত্রী মুকুল রায়কে ভাঙিয়েই বাংলায় ডালপালা বিস্তারের ছক কষেছিল বিজেপি। ২০১৭ সালের ৩ নভেম্বর। ভাঙনের সেই শুরু। মোদি-অমিত শাহের সেই স্বপ্ন (দুঃস্বপ্ন পড়ুন!) ধূলিসাৎ করে দিয়েছে বাংলার মানুষ। দলবদলুরা ক্রমশ ছত্রখান। শুধু কাঁচরাপাড়াই নয়, ডোমজুড়, উত্তরপাড়া থেকে বাংলার অলিগলি সর্বত্র আজ ঘরে ফেরার গান। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, বিজেপি আদ্যন্ত একটা বাংলা ও বাঙালি বিরোধী দল। তবু, একুশের ভোটযুদ্ধে আকাশছোঁয়া সাফল্যের পরও ঘরের পুরনো সৈনিককে দুর্দিনে ভুলে যাননি মমতা। এই মুহূর্তে মুকুলকে না ফেরালেও তেমন কিছু যেত আসত না। মহাভারত অশুদ্ধও হতো না। তবু সম্মান দিয়েই তাঁকে তৃণমূল পরিবারে ঠাঁই দিয়ে বড় মনেরই পরিচয় দিয়েছেন মমতা, অভিষেক দু’জনেই।
শুক্রবার বিকেলে যখন তৃণমূল ভবনে দলের বর্তমান সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক যত্ন করে অগ্রজপ্রতিম প্রাক্তনকে উত্তরীয় পরিয়ে দলে ফিরিয়ে নিচ্ছেন, তখন যেন একটা অদ্ভুত রাজনৈতিক সমাপতনের সাক্ষী থাকলাম আমরা। দক্ষ সংগঠক মুকুল রায়ের ‘ঘর ওয়াপসির’ চেয়েও অভিষেকের এই উত্থান ও বাংলার রাজনীতিতে নিজেকে দাপটের সঙ্গে মেলে ধরা আমার কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। মাত্র এক সপ্তাহ আগে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়েই তিনি বাংলার বাইরে তৃণমূলের বিস্তারে কাজ করার শপথ নিয়েছেন। সেই সঙ্কল্প থেকেই গড়ে তুলেছেন নিজের ইয়ং ব্রিগেড। কাজ শুরুর আগে আশীর্বাদ নিতে ছুটে গিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সৌগত রায়ের মতো প্রবীণদের কাছে। এই পটভূমিতেই দক্ষ সংগঠক মুকুলের প্রত্যাবর্তন জাতীয় আঙিনায় দলের প্রসারে সহায়ক হতে পারে। বিশেষত এখন থেকেই মমতা ও অভিষেক দু’জনেই যখন পাখির চোখ করছেন আগামী ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনকে। এবং সেই লক্ষ্যে একটি সর্বভারতীয় জোট বা বৃহত্তর মঞ্চ গড়ে নরেন্দ্র মোদিকে হারানোই যখন দলের প্রধান অভিমুখ। মমতাকে বিরোধী মুখ করে সর্বভারতীয় স্তরের আসন্ন সেই লড়াইয়ে অভিষেকই হতে চলেছেন নেত্রীর প্রধান সারথি। সঙ্গে মুকুল রায়ের অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেলে এই খেলা হবে দিল্লিতে বিজেপি-বিরোধী শক্তিকে একজোট করে গেরুয়া শিবিরে কাঁপন ধরানোর লক্ষ্যে। 
আর ঠিক এই কারণেই পালাবদলের নির্বাচন না হওয়া সত্ত্বেও সদ্য সমাপ্ত একুশের ভোটের ফলের এত বিরাট তাৎপর্য। দেশের বিরোধীদের যা পুনরায় চাঙ্গা করেছে, লড়াইয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছে। অভিধানে উত্তরাধিকার তো কোনও নিষিদ্ধ শব্দ নয়। তাকে সূর্যের আলোয় প্রতিষ্ঠিত করাও কোনও অপরাধ নয়। বরং যে দল সময়মতো ভবিষ্যতের নেতা তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়,তারাই ইতিহাস থেকে মুছে যায়। ভারতীয় রাজনীতিতে দশকের পর দশক ধরে তা সসম্মানে চলে আসছে। কংগ্রেস তো বটেই একাধিক বিজেপি নেতার ভাই ভাতিজা ছেলেও আজ গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন। তাহলে এক বাঙালি যুবকের ধীরে ধীরে পরিপূর্ণ নেতা হয়ে ওঠায় এত অশালীন আক্রমণ কেন? রাহুল গান্ধী থেকে অখিলেশ, সুপ্রিয়া সুলে, জগন্মোহন রেড্ডি সবাই তো উত্তরাধিকারেরই ফসল। আর যাঁদের নিয়ে সম্প্রতি বিজেপির আদিখ্যেতা চরমে পৌঁছেছে সেই জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, জিতিন প্রসাদরা কিংবা রাজস্থানের দোদুল্যমান শচীন পাইলট কি পরিবারতন্ত্রের প্রতিনিধি নন? কিংবা অমিত শাহের ছেলে না হলে এত সহজে জয় শাহ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অন্যতম নিয়ন্ত্রক হতে পারতেন! ক’টা আর্ন্তজাতিক খেলায় অংশ নিয়েছেন তিনি? আর সিপিএমের অবস্থাটা দেখুন—৩৪টা বসন্ত ক্ষমতায় থেকেও একটা গ্রহণযোগ্য বিকল্প মুখ খাড়া করতে পারেনি। জোতি বসু ও বুদ্ধদেবের পর আর কোনও গ্রহণযোগ্য মুখ নেই। ফলে বার্ধক্য ও অসুস্থতার ভারে নুইয়ে পড়ে দলটা আজ অস্তিত্ব সঙ্কটে দিশাহারা। এখন যখন সব শেষ তখন ছাত্র-যুবদের এগিয়ে দিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করছে। এসব জেনেও খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন মঞ্চে নাটকীয় ঢঙে বাংলার জননেত্রীকে ‘দিদি ও দিদি’ বলে অমার্জনীয় অসভ্যতা করেন। ‘ভাইপো’ বলে অশ্লীল নাটুকে আক্রমণ করেন তখন গোটা বাঙালির আত্মমর্যাদায় আঘাত লাগে। আর প্রধানমন্ত্রীর ওই সীমাহীন নষ্টামির জবাব দিতেই আত্মপ্রকাশ ঘটে এক সংযত মার্জিত নেতার। এখানেই অভিষেকের সাফল্য। এখানেই ৩৪ বছরের যুবকের ঠান্ডা মাথার জয়।
ওই যে বললাম, যতই বিজেপির আক্রমণ ধেয়ে আসুক কতই বা বয়স তাঁর।  জন্ম ১৯৮৭তে। এরাজ্যে বামফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার দশ বছর পরে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল প্রতিষ্ঠার ১১ বছর আগে। আজ তিনিই রাজ্য-রাজনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। মাথার উপর অভিবাবক ৬৫ বছরের হার না মানা অগ্নিকন্যা। নিজেকে সাধারণ কর্মী বলে এড়িয়ে গেলেও তৃণমূলের ক্ষমতার অলিন্দে নাম্বার টু। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এই অসামান্য উত্তরণ এত কম সময়ে! পরপর দু’বারের এমপি। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা ভোটে এই শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী নেত্রীর হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি তাঁর এই জেট গতির উত্থানটাই বা কম কীসে? পিসি-ভাইপোকে একসূত্রে গেঁথে বিজেপির ছোট-বড় নেতারা যতই কুৎসিত ব্যক্তিগত আক্রমণের রাস্তায় হেঁটেছেন, তিনি মনে মনে ততই আরও সঙ্ঘবদ্ধ ও সংযত হয়েছেন। মাথা ঠান্ডা রেখে প্রতিটি আক্রমণের জবাব দিয়েছেন। যার অভিঘাতে ভেঙে পড়েছে দলবদলু বেইমানদের মিথ্যে দিয়ে সাজানো গড়। বলতেই হবে, জননেত্রীর ছায়ায় আটকে  না থেকে নিজের একটা ধীর স্থির পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিও তৈরি করেছেন। লড়াইয়ের সঙ্গে বাংলা ও বাঙালির হৃদসম্পন্দনকে একসূত্রে জড়িয়ে নিতে মমতার কোনও জুড়ি নেই। এটা পরীক্ষিত সত্য। নেত্রী এখনও বাংলা তথা জাতীয় রাজনীতির মধ্যগগনে। সূর্যের মতো আলো আর উত্তাপ ছড়িয়ে যাচ্ছেন। সেই উত্তাপে হালে পানি পাননি প্রধানমন্ত্রী থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। তাঁদের ডেলি প্যাসেঞ্জারি বিফলে গিয়েছে। কিন্তু মমতার ছত্রছায়া থেকেই সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো এক নেতার আত্মপ্রকাশও এই একুশের নির্বাচনের অসামান্য প্রাপ্তি, যা দলের সাফল্যকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। 
কিন্তু যতটা সহজে কথাগুলো বলছি, পথটা মোটেই অতটা মসৃণ ছিল না। ফিরে যাই ২০১৯ সালের জুন মাসে। লোকসভা ভোটে কয়েকটা আসনে জিতেই বাংলা দখলে মরিয়া সঙ্ঘ পরিবার সহ সামগ্রিক গেরুয়া শিবির। বিপুল টাকা ছড়িয়ে তৃণমূল ভাঙার ছক কষাও তখন থেকেই শুরু। দলের সেই সন্ধিক্ষণে সুন্দরবন থেকে পাহাড়, মমতা আবেগের সঙ্গে একটা পেশাদারিত্ব আনার চেষ্টায় ব্রতী হন অভিষেক। মমতার সঙ্গে কথা বলে ডাক পড়ে ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোরের। দলের ভিতরে ও বাইরে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। কিন্তু অভিষেক স্থির বুঝেছিলেন, মমতা-আবেগের সঙ্গে একটু পেশাদারিত্ব ও ম্যানেজমেন্ট কৌশল মেশানোর প্রয়োজন আছে। সেইমতো চুক্তি হয় প্রশান্ত কিশোরের আইপ্যাক সংস্থার সঙ্গে। বাকিটা আজ ইতিহাস। এই ইতিহাসকে সামনে রেখেই আগামী দিনেরও পথ চলা। রাজনীতি সম্ভাবনার শিল্প, সেখানে শেষকথা বলে কিছু হয় না। শত্রু-মিত্রও সময়ের সঙ্গে বদলে যায়। অভিষেককে বিজয়রথের সারথি করে মমতার আপসহীন মোদি-বিরোধী লড়াই আগামী দিনে সফল হবেই, বাঙালি হিসেবে এটাই একমাত্র প্রার্থনা। 
13th  June, 2021
এই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি হবে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সত্যজিৎ রায়ের ‘অপরাজিত’ ছবিতে স্কুল পরিদর্শকের সামনে স্কুলের এক ছাত্র অপূর্ব কুমার রায় ‘কিশলয়’ কবিতাটি  মনোগ্রাহী ভঙ্গিতে আবৃত্তি করে স্কুলের সম্মান রক্ষা করেছিল।
বিশদ

জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, দায় কার?
মৃণালকান্তি দাস

২০২১ সালে দাঁড়িয়ে ভারতের শাসকরা ষাটের দশকের দাঁড়িপাল্লায় হিন্দু এবং মুসলিমের জন্মহার মাপছেন। আসলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও লক্ষ্য বিভাজন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে ধর্মকে জুড়ে ফের মেরুকরণও উস্কে দিচ্ছেন তাঁরা। বিশদ

22nd  July, 2021
একুশে জুলাইয়ের
লড়াই শেষ হয়ে যায়নি
সন্দীপন বিশ্বাস

আজ একুশে জুলাই হয়ে উঠতে পারে একটা অপ্রতিরোধ্য শক্তির ব্যঞ্জনা। রাজ্যে স্বল্প পরিসরের বাইরে বেরিয়ে সারা দেশকে অনুপ্রাণিত করতে পারে একুশে জুলাইয়ের লড়াই। সেই লড়াইয়ের যোগ্য নেতৃত্ব দিতে পারেন একজনই। তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। সারাদেশে তিনি হয়ে উঠেছেন মোদির অক্ষম শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জননী।
বিশদ

21st  July, 2021
একনায়কতন্ত্রের নজরদারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিকে সদ্য সমাপ্ত বাংলার বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয়ের কারিগর। আর অভিষেক নিজেই দলের কার্যত সেকেন্ড ইন কমান্ড। এই দু’জনের ফোন ট্যাপ করলেই মাথা পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া যায়—অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

20th  July, 2021
স্বাধীন ভারতের এক সার্বভৌম
পি চিদম্বরম

১৯৪৭-এ আমরা ইংরেজের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছি। তবু, ভারতে আমাদের একজন ‘সার্বভৌম’ রয়েছে। এই সার্বভৌম হল ভারত সরকার।
বিশদ

19th  July, 2021
সত্যি কি তৃতীয় ঢেউ
আটকাতে চান নরেন্দ্র মোদি!
হিমাংশু সিংহ

কোভিড পর্বে ৫৬ ইঞ্চি ছাতির ধ্যাষ্টামি কম দেখেনি দেশ। গতবছর ২২ মার্চ থালা-ঘটি-বাটি বাজানো থেকেই সেই চোর-পুলিস খেলার শুরু। 
বিশদ

18th  July, 2021
পার্টি ম্যান দিলীপ, হতে
পারলেন না ‘ইয়েস ম্যান’
তন্ময় মল্লিক

ফের সেই অঙ্ক। গেরো থেকে কিছুতেই বেরনো যাচ্ছে না। তবে এবার অঙ্কটা একটু অন্য রকম। ৩ থেকে বেড়ে ৭৭, নাকি ১২১ থেকে কমে? কোন দিক থেকে ৭৭-এর অঙ্ক কষা হবে, সেটা বিজেপির অন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনেকে বলছেন, এই অঙ্কের উপরেই নাকি দাঁড়িয়ে আছে দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ!
বিশদ

17th  July, 2021
রাহুল সোনিয়া  কি আদৌ
চান মোদিকে হারাতে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী এক কথার মানুষ। তাঁরা স্বধর্মে অটল। বিগত ২২ বছরে তাঁরা নিজেদের দলের কোনও রাজ্য নেতাকে এককভাবে শক্তিশালী অথবা জনপ্রিয় হওয়াকে মোটেই পছন্দ করেননি।
বিশদ

16th  July, 2021
সেন্ট্রাল ভিস্তা, দম্ভের সৌধ
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের নতুন সংসদ ভবনের আসন সংখ্যা বাড়ানো কি বিজেপির নয়া কৌশল? বিজেপি যে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের যথেষ্ট আগে শেষ করাতে চাইছে, তার পিছনে কি কাজ করছে হিন্দু জাতীয়তাবাদের বড় কোনও পরিকল্পনা?
বিশদ

15th  July, 2021
দিল্লিতে বাংলার চার আব্বুলিশ
হারাধন চৌধুরী

মোদি বাংলা থেকে একজনকেও পূর্ণমন্ত্রী করতে পারলেন না! ... চারজন ‘আব্বুলিশ’ মন্ত্রী রাখার একটাই ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও বাগড়া দেওয়া, যেটা ধনকারকে দিয়ে হয়ে উঠছে না অনেক সময়। এই গুরুত্বহীন সম্প্রসারণে বাংলার কোনও লাভ হবে না। আঞ্চলিক বা সম্প্রদায়গত মলম লেপন কিছু হবে হয়তো, কিন্তু ওই খণ্ডাংশেরও সামান্য উত্থান হবে না এতে।
বিশদ

14th  July, 2021
‘সাফল্যের’ ছাঁটাই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কথায় বলে, ধোঁয়া যখন বেরচ্ছে, আগুনও কোথাও না কোথাও আছে। অর্থাৎ, রেলকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার কানাঘুষো একেবারে গুজব নয়। নতুন মন্ত্রী সেই ইন্ধনে কিন্তু ঘি ঢেলেছেন। কে এই মন্ত্রী? অশ্বিনী বৈষ্ণব।
বিশদ

13th  July, 2021
ভূতটা স্বমূর্তি ধরছে
পি চিদম্বরম

আন্তঃসরকার চুক্তি এবং ২০১৮-র ১৪ ডিসেম্বর বিচারপতি গগৈ কর্তৃক প্রদত্ত রায় ‘রিভিউ’ করে দেখার জন্য আদালতকে রাজি করানো যেতে পারে। সংবাদ মাধ্যমের উপরেও আমি আস্থা রাখব। অনেকে আত্মসমর্পণ করেছে। কিছু হয়েছে দমনপীড়নের শিকার। তা সত্ত্বেও সংবাদ মাধ্যমে এখনও কিছু কলম এবং কণ্ঠ রয়েছে—যারা নিজেদের পাঠযোগ্য এবং শ্রাব্য করে তুলতে পারে।
বিশদ

12th  July, 2021
একনজরে
করোনা পরিস্থিতিতে অনেক সাজাপ্রাপ্ত বা বিচারাধীন বন্দিকে প্যারোলে ছাড়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সংশোধনাগারে সংক্রমণ এড়াতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। বন্দিদের শ্রমে বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের কাজও গত বেশ কয়েকমাস বন্ধ রাখা হয়েছিল করোনার সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে। ...

করোনা আতঙ্কে দীর্ঘ দিন কঠোর বিধি পালন করছে দেশবাসী। দূরত্ব বিধি, স্যানিটাইজেশন, লকডাউন—নানা রক্ষ্মণাত্মক কৌশলের মধ্য দিয়ে চলছে দেশ। এমন অবস্থায় আতঙ্কের ভয়ঙ্কর ছবি সামনে এল অন্ধ্রপ্রদেশের পূর্ব গোদাবরী জেলায়। ...

ফের কেতুগ্রামে বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। বৃহস্পতিবার ভোরে বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভেঙে পড়েছে কংক্রিটের বাড়ির একাংশ। ...

আদিবাসী পরিবারের জমি দখল করে বেসরকারি স্কুল বানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৯- আমেরিকাতে টাইপরাইটারের পূর্বসুরী টাইপোগ্রাফার পেটেন্ট করেন উইলিয়াম অস্টিন বার্ড
১৮৪৩ - সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বাগ্মী রায়বাহাদুর কালীপ্রসন্ন ঘোষের জন্ম
১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
১৮৮১ - আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলির মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিক ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত 
১৮৯৩ - কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ পূর্বতন বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার স্থাপিত
১৮৯৫- চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
১৮৯৮ - বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯০৬ - চন্দ্রশেখর আজাদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী
১৯২৭ - সালের এই দিনে ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানি বোম্বাইয়ে ভারতের প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু করে
১৯৩৩ - ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লবী ও আইনজীবী যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তের মৃত্যু
১৯৪৯ -  দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার ক্লাইভ রাইসের জন্ম
১৯৫৩ - ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার গ্রাহাম গুচের জন্ম
১৯৯৫- হেল-বপ ধূমকেতু আবিস্কার হয়, পরের বছরের গোড়ায় সেটি খালি চোখে দৃশ্যমান হয়
২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৬৪ টাকা ৭৫.৩৬ টাকা
পাউন্ড ১০০.৪১ টাকা ১০৩.৯২ টাকা
ইউরো ৮৬.৩১ টাকা ৮৯.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৩০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫, ৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬, ৫৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭, ৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭, ৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী ১৪/০ দিবা ১০/৪৪। পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র ২৩/১৪ দিবা ২/২৬।  সূর্যোদয় ৫/৭/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১৮/৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৬ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/২ গতে ২/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ২/৫৮ গতে ৩/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৮ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/০ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
৬ শ্রাবণ, ১৪২৮, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১।  চতুর্দ্দশী দিবা ১০/৩। পূর্ব্বাষাঢ়া নক্ষত্র দিবা ২/৪৫। সূর্যোদয় ৫/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৪৯ গতে ১০/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৯ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৪/২৬ গতে ৬/২১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ৩/১ গতে ৩/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৫ গতে ১১/২০ মধ্যে ও ৩/৪৫ গতে ৫/৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৫ গতে ১১/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে। 
১২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় ওয়ান ডে: শ্রীলঙ্কা ১২৭/১ (২০ ওভার), টার্গেট ২২৬ 

09:53:36 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: শ্রীলঙ্কা ৬৮/১ (১১ ওভার), টার্গেট ২২৬ 

09:11:30 PM

করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত ৮৪২, মৃত ১৬ 

08:53:07 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২২৫ রানে অলআউট 

08:03:45 PM

তৃতীয় ওয়ান ডে: ভারত ২১৮/৮ (৪০ ওভার)  

07:46:45 PM

জুহুর বাড়িতে শিল্পা শেট্টিকে জিজ্ঞাসাবাদ মুম্বই পুলিসের 

07:34:57 PM