Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সেলিব্রেটি থেকে সংগঠক,
রাজনীতির নতুন ধারা
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতি করে কেউ বিখ্যাত, কেউ আবার নাম করার পর রাজনীতিতে। সেলিব্রেটি হওয়ার পর রাজনীতিতে যোগ দিলে হয়ে যান ‘সেলিব্রেটি পলিটিশিয়ান’। তাঁদের তারকা ইমেজকে কাজে লাগিয়ে ‘টাফ সিটে’ জয় হাসিল করাই রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য। সাকসেস রেট ১০০ শতাংশ না হলেও রাজনীতির মাঠে তাঁরাই ‘স্পুটনিক ভি’। বিশ্বাসযোগ্যতায় ‘কোভ্যাকসিনে’র উপরে। কৃতীদের কৃতিত্বকে হাতিয়ার করে ভোটে জেতা রাজনীতির পুরনো কৌশল। সব দলই এটা করে। তবে, এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাঁটলেন কিছুটা ভিন্নপথে। ‘সেলিব্রেটি’ সায়নী, সায়ন্তিকা, রাজদের নিয়ে এলেন সংগঠনে। এতদিন যাঁরা ‘ভোটের মুখ’ হিসেবে ব্যবহৃত হতেন, এবার তাঁদের দলের ‘খুঁটি’ করার দুঃসাহস দেখালেন মমতা। এমন ঝুঁকি তাঁকেই মানায়। তিনি শুধু সেলিব্রেটিদের লড়াইয়ের মুখে ফেললেন না, নিজেও চ্যালেঞ্জ নিলেন। তবে, তাঁর গেমপ্ল্যান সফল হলে রাজনীতির ইতিহাসে ‘সবুজের অভিযান’ লেখা হবে এক নতুন আঙ্গিকে।
সেলিব্রেটি থেকে রাজনীতিক হওয়ার চলটা শুরু হয়েছিল দক্ষিণ ভারতে। এব্যাপারে দু’জনের নাম প্রায় একই সঙ্গে উচ্চারিত হয়। প্রথমজন তামিল ছবির জনপ্রিয় অভিনেতা এমজি রামচন্দ্রন, অন্যজন ‘তেলুগু সিনেমার ভগবান’ এনটি রামারাও। অভিনেতা থেকে ‘জনতার নেতা’। দু’জনই হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রামচন্দ্রনের ‘ভাবশিষ্যা’ জয়ললিতাও ছিলেন অভিনেত্রী। ‘গ্ল্যামার গার্ল’ থেকে ‘আম্মা’। সুদীর্ঘ এই যাত্রাপথের মাঝে ছ’ ছ’বার মুখ্যমন্ত্রী যেমন হয়েছেন, তেমনই বন্দি হয়েছেন কারাগারে। বিতর্ক পিছু ছাড়েনি। সেলুলয়েডের পর্দা থেকেই এই বর্ণময় জীবনের অভিষেক ঘটেছিল। 
তবে, ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন এনটিআর। সূচনালগ্নেই তাঁর প্রচারের অভিনবত্ব গোটা দেশকে আলোড়িত করেছিল। যে রথযাত্রার জোরে দেশজুড়ে বিজেপির উত্থান, তার পথপ্রদর্শক ছিলেন এনটিআর। সিনেমার জগৎ থেকে ১৯৮৩ সালে রাজনীতিতে পা রেখেই হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্ধ্রপ্রদেশের প্রথম অকংগ্রেসি সরকার গঠনের কৃতিত্ব তাঁরই। তিন, তিনবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। তারপর থেকেই দেশজুড়ে ‘সেলিব্রেটি পলিটিশিয়ান’দের রমরমা। অমিতাভ বচ্চনের মতো ‘জীবন্ত কিংবদন্তি’ও সেই জুতোয় পা গলাতে বাধ্য হয়েছিলেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেলিব্রেটিদের প্রার্থী করায় বামেদের অনেকেই নাক সিঁটকাতে শুরু করেছিলেন। তাঁরা বলেছিলেন, দলের নেতা-কর্মীদের দাঁড় করালে হেরে যাবে বলেই সিনেমার নায়ক, নায়িকাদের দাঁড় করিয়েছে তৃণমূল। এতে নাকি তৃণমূল দলের হাঁড়ির হাল প্রকট হচ্ছে। অথচ এই বঙ্গে সেলিব্রেটিকে প্রার্থী করার পথ দেখিয়ে ছিল এই সিপিএমই। 
কলকাতার চৌরঙ্গী আসনটি বরাবর দক্ষিণপন্থীদের। রাজ্যের ক্ষমতা দখলের পরেও একের পর এক নির্বাচনে বাম প্রার্থীরা হারছিলেন। ১৯৯৩ সালে এই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে সেলিব্রেটি প্রার্থী দিয়েছিল সিপিএম। অভিনেতা অনিল চট্টোপাধ্যায়কে বাম সমর্থিত নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়ে জয় হাসিল করেছিল। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনেও কলকাতার কাশীপুরে অভিনেতা অনুপ কুমারকে প্রার্থী করেছিল সিপিএম। কিন্তু অনুপবাবু জিততে পারেননি।
তাপস পালই ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম ‘সেলিব্রেটি প্রার্থী’। ২০০১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের চরম দুর্দিনে কলকাতার আলিপুর কেন্দ্রে ঘাসফুলের প্রার্থী হয়েছিলেন ‘দাদার কীর্তি’র নায়ক। জিতেও ছিলেন। তার পরের নির্বাচনে সিপিএম ‘কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা’র নীতি নিয়েছিল। তাপস পালের বিরুদ্ধে সিপিএমের প্রার্থী হয়েছিলেন অভিনেতা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু, সেবারও সিনেমার ‘নায়ক’ এর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন ‘খলনায়ক’। তারপর একে একে দেবশ্রী রায়, চিরজিৎ চক্রবর্তী, সন্ধ্যা রায়, মুনমুন সেন, শতাব্দী রায় সহ বহু সেলিব্রেটি তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন। কিন্তু, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কেরিয়ারের মধ্যগগনে বিরাজমান দেবকে প্রার্থী করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিয়েছিলেন মমতা।
নির্বাচনে সেলুলয়েডের নায়ক, নায়িকাদের যে একটা আলাদা কদর আছে, তা বারেবারে প্রমাণিত। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে জনপ্রিয় নায়িকা শতাব্দী রায়কে প্রার্থী করাটা ছিল মমতার মাস্টারস্ট্রোক। বীরভূমের লাল কাঁকুড়ে মাটিতেও যে ঘাসফুলের চাষ সম্ভব, সেটা শতাব্দী প্রমাণ করেছিলেন। একই ফর্মুলায় ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ায় অঘটন ঘটিয়েছিলেন সুচিত্রা-তনয়া মুনমুন সেন। বাসুদেব আচারিয়ার মতো পোড়খাওয়া সাংসদকে হারিয়ে দিয়েছিলেন বলতে গেলে রাজনীতির অআকখ না জানা মুনমুন সেন। গ্ল্যামার জগৎ যতই মেকি হোক না কেন, তার প্রতি মানুষের মোহ ছিল, আছে এবং থাকবে।
ভোটের পর প্রার্থীদের টিকি দেখা যায় না, এমন অভিযোগ শোনার জন্য কান পেতে অপেক্ষার প্রয়োজন হয় না। তারপর প্রার্থী যদি হন সেলিব্রেটি কিংবা বহিরাগত, তাহলে তো কথাই নেই। কারণ তাঁদের বেশিরভাগই হয়ে যান ‘ডুমুরের ফুল’। তার ফল ভোগ করতে হয় পরের নির্বাচনের প্রার্থীকে। 
সাংসদ হিসেবে মুনমুন সেনের ভূমিকায় খুশি ছিলেন না বাঁকুড়ার মানুষ। তার জন্য সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে ভুগতে হয়েছিল। রুখাশুখা বাঁকুড়ায় ঘরে ঘরে জল পৌঁছে দিয়েও সেই ক্ষোভ দূর করতে পারেননি সুব্রতবাবু। তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। আবার মানুষের পাশে থাকলে যে চরম প্রতিকূলতার মধ্যে সেলিব্রেটিরাও হাসতে হাসতে বারবার জেতেন, তার প্রমাণ শতাব্দী রায়। প্রথমবার তিনি নায়িকা হিসেবে বাজিমাত করলেও জয়ের হ্যাটট্রিক এসেছে মাটি কামড়ে পড়ে থাকার কারণে।
রাজ্যে ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকলেও বাম জমানায় বিনোদন জগৎ ছিল উপেক্ষিত। তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী ও পরবর্তী সময়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ‘সংস্কৃতি চর্চা’ ছিল নন্দন কেন্দ্রিক। সেখানে কিছু উন্নাসিক ও এলিট গোষ্ঠীর আধিপত্য সযত্নে লালিত পালিত হতো। তার বাইরে বুদ্ধদেববাবু বেরতে পারেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে টেলিউড থেকে টলিউড, সকলেই সুস্বাগতম। কলাকুশলীদের জন্য একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে মমতা বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিনি শুধু শিল্পীদেরই গুরুত্ব দেন না, শিল্পটাকেও বাঁচিয়ে রাখতে চান। তাই তাঁকে ঘিরে শিল্পীদের ভিড় ও উচ্ছ্বাস, দুই-ই বেড়েছে।
নির্বাচনে হারলে ঘরে ঢুকে যাওয়াটাই প্রথা। তার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর নির্দেশে জয়ীদের পাশাপাশি পরাজিত তৃণমূল প্রার্থীরাও করোনায় মানুষের পাশে থাকছেন। সায়নী, সায়ন্তিকার প্রমাণ করতে চাইছেন, নির্বাচনে জয় পরাজয়টাই শেষ কথা নয়, মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার রক্ষাই পবিত্র কর্তব্য।
অনেকেই বলে থাকেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন, তৃণমূল ততদিন। তারপর পার্টিটাই আর থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জবাবও দিয়েছেন। তিনি বহুবার বলেছেন, ‘যাঁরা ভাবছেন, আমি চলে গেলে দলটা উঠে যাবে, তাঁরা ভুল ভাবছেন। তৃণমূলের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরি।’ এতদিন তিনি যে কথা মুখে বলতেন, এবার সেটা করে দেখাচ্ছেন। 
সিপিএমের এই করুণ পরিণতির কারণ কী? উত্তর একটাই, তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে না পারা। সিপিএম ‘বৃদ্ধতন্ত্রে’র বাইরে বেরতে পারল না। অসুস্থ না হলে সাধারণত কেউ পদ ছাড়তে চান না। ফলে ময়দানে নেমে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো নেতা তৈরি হচ্ছে না। সঙ্কটটা এখানেই।
একুশের নির্বাচনে প্রবল আক্রমণের মুখেও সিনা উঁচু করে বিজেপি নেতাদের পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘ধমকে লাভ হবে না। যদি ক্ষমতা থাকে আমাকে গ্রেপ্তার করে দেখাক।’ বিজেপি পারেনি। আক্রমণকারী প্রবল পরাক্রমশালী হওয়া সত্ত্বেও অভিষেক ভয়ে কুঁকড়ে যাননি। উল্টে বিজেপি নেতাদের চোখে চোখ রেখে তাঁদের কীর্তি ফাঁস করে দিয়েছিলেন। বুনো ওল বাঘা তেঁতুলেই জব্দ হয়। তার পুরস্কার অভিষেক পেয়েছেন। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। ‘ভাইপো’ হিসেবে কোনও অনুগ্রহ বা অনুকম্পা নয়, এটা যুবনেতার যোগ্য নেতৃত্বের অর্জিত সম্মান।
সায়নী ঘোষ জিততে পারেননি। তবুও তাঁর লড়াই প্রতিটি লড়াকু মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। ঝড়ের সঙ্গে পাঙ্গা নিয়ে তাঁর প্রচার, আসানসোলের বস্তিতে খেটেখাওয়া মানুষকে বুকে টেনে নেওয়ার আন্তরিক ছবি ঘুরছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সায়নীর লড়াই রবীন্দ্রনাথের ‘সবুজের অভিযান’ এর লাইনগুলিকে মনে করিয়ে দেয়, ‘রক্ত আলোয় মদে মাতাল ভোরে/ আজকে যে যা বলে বলুক তোরে/ সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করে/ পুচ্ছটি তোর ঊর্ধ্বে তুলে নাচা/ আয় দূরন্ত, আয় রে আমার কাঁচা’। 
সায়নীর লড়াই প্রমাণ করেছে, তিনি লম্বা রেসের ঘোড়া। মমতার জহুরির চোখের নজর এড়ায়নি তাঁর লড়াই। তাই ‘রিলের নায়িকা’কে ঠেলে দিয়েছেন ‘রিয়েল লাইফে’র লড়াইয়ে। উত্তরণের একটাই রাস্তা, লড়াই। মতি নন্দীর খিদ্দাও কোনিকে শিখিয়েছিলেন, ফাইট, ফাইট অ্যান্ড ফাইট।
12th  June, 2021
দাবিসর্বস্ব ‘চাঙ্গা অর্থনীতি’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারবার বলেন, কংগ্রেস ৭০ বছর সরকারে থেকে কী করেছে? এ কথা ঠিক, কংগ্রেসের জমানায় জরুরি অবস্থা আছে, পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি আছে, খানকতক যুদ্ধও আছে। কিন্তু যে ভিতের উপর দাঁড়িয়ে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন-ঘোষণা করেছেন, সেটা তৈরি কংগ্রেসেরই এক অর্থমন্ত্রীর—মনমোহন সিং। আপনার তো সরকারের একচ্ছত্র আধিপত্য পাওয়া মাত্র দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর খোলনলচে বদলে দেওয়া  উচিত ছিল। সেটাও আপনি করেননি।
বিশদ

নেতা ও সভাপতি
পি চিদম্বরম

কংগ্রেস দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন ঘিরে এক ধরনের অস্বাভাবিক এবং প্রায় গায়ে-পড়া গোছের আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। দু’বছর আগে জে পি নাড্ডা যখন বিজেপির সভাপতি ‘নির্বাচিত’ হন তখন বিষয়টিকে সাধারণ বিজেপি কর্মীসহ ভারতের কেউই এবং অবশ্যই কংগ্রেস দলের কোনও সদস্য একটুও গুরুত্ব দেননি।
বিশদ

26th  September, 2022
কংগ্রেসের ভোটরঙ্গ ও চিতার অট্টহাসি!
হিমাংশু সিংহ

পরিবারই আশীর্বাদ, আবার পরিবারই অভিশাপ! তাকে বাদ দিয়ে কংগ্রেসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আর বৃদ্ধ বয়সে আলেকজান্ডারের দাঁতের মাজন বেচা, প্রায় সমার্থক। নেহরু-গান্ধী পরিবার বাদে শতাব্দী প্রাচীন এই রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মটা অনেকটাই সোনার পাথরবাটির মতো! বিশদ

25th  September, 2022
বিজেপির গিমিক পলিটিক্স
বনাম ‘লালগুণ্ডা’
তন্ময় মল্লিক

শত্রুর শত্রু, আমার বন্ধু। এই নীতিতেই বিজেপি ও সিপিএমের মধ্যে গড়ে উঠেছিল পারস্পরিক বোঝাপড়া। এক সুরে বাঁধা ছিল মমতা বিরোধী লড়াই। বিজেপিকে দিয়েই সিপিএম তাদের ‘পথের কাঁটা’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে চেয়েছিল। তাই শুরু হয়েছিল গোপন ক্যাম্পেন, ‘একুশে রাম ছাব্বিশে বাম’। তার পরিণতি? বিজেপি ৭৭, সিপিএম জিরো।
বিশদ

24th  September, 2022
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সিলেবাস
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কিন্তু একদিনের জন্যও নিজের অস্তিত্ব ও উপস্থিতি জনগণকে ভুলতে দিতে চান না। তাই নিয়ম হল, প্রতিদিনই কোনও না কোনও অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছেন,  উদ্বোধন করছেন, এমনকী রাজ্যের ক্ষুদ্র প্রকল্পেরও সূচনা করছেন তিনি। ফলে ভারতবাসী রোজ তাঁর কথা শুনছে। অতীতের প্রধানমন্ত্রীরা ভাবতেন, কাজের মাধ্যমেই ইতিহাসে স্থান হয়। মোদি ভাবেন, কাজ করছি এই প্রচারটি এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, যাতে জনমনে বিভ্রম তৈরি হয় যে, হ্যাঁ, তাহলে বোধহয় সত্যিই কাজ হচ্ছে। ওই বিভ্রমই হবে ইতিহাস।
বিশদ

23rd  September, 2022
জ্ঞানবাপী মামলা, উত্তেজনার চোরাস্রোত
মৃণালকান্তি দাস

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সভাপতি অলোক কুমার নাকি উত্তেজনার চোরাস্রোতে ভাসছেন! ইতিউতি যা মন্তব্য করছেন তাতেই টের পাওয়া যাচ্ছে সেই উত্তেজনা। 
বিশদ

22nd  September, 2022
চিতা নিয়ে নৌটঙ্কি বনাম আত্মহত্যার পাঁচালি
সন্দীপন বিশ্বাস

এরাজ্যে শুরু থেকেই বিজেপির অস্তিত্ব অনেকটা নেতিয়ে যাওয়া বাসি কচুরির মতো। মোদি-শাহরা মাঝেমাঝে এসে কিছুটা গরম করে দিয়ে যান বটে, কিন্তু আবার তাঁরা দিল্লি ফিরে গেলেই এখানকার নেতৃত্ব নেতিয়ে পড়ে।
বিশদ

21st  September, 2022
মহাত্মা হওয়ার লড়াই!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কর্তৃত্বের সঙ্কট? নাকি অস্তিত্বের? ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র ১২ দিন পরও এই প্রশ্নটার উত্তর কিছুতেই মিলছে না। রাহুল গান্ধী হাঁটছেন। আমরাও দেখছি, শুনছি এবং বোঝার চেষ্টা করছি।
বিশদ

20th  September, 2022
আজাদি, স্বায়ত্তশাসন ও গুলাম নবি আজাদ
পি চিদম্বরম

কাশ্মীর নিয়ে ১৯৪৭ সাল থেকে দুটি বিরুদ্ধ ধারণা রয়েছে। সময়ে সময়ে ধারণাগুলির রূপান্তরিত হয়েছে নানাভাবে। এই ঘটনার প্রভাবে এটাই মনে হয় যে কাশ্মীর সম্পর্কে ধারণা রয়েছে দুটির বেশিই।
বিশদ

19th  September, 2022
প্রধানমন্ত্রীই দেশের পরিকাঠামো উন্নয়নের কাণ্ডারী  
নীতিন গাদকারি

একটি স্বনির্ভর জাতি গঠনের জন্য, নরেন্দ্র মোদি ২০১৪ সাল থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু করেন। তাঁর ভারতে সমাজের সমস্ত অংশের মানুষ মৌলিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে। 
বিশদ

18th  September, 2022
দেবীপক্ষের আগেই মোদিপক্ষ!
হিমাংশু সিংহ

একই সপ্তাহে বঙ্গজীবনে পরপর দুটো চমক। প্রথমটা, ৬১ বছর পর উত্তমকুমার ও সুচিত্রা সেনের সাড়া জাগানো ছবি সপ্তপদীর রোমহর্ষক ‘রিমেক’ এবং নাটকীয়ভাবে রাজপথে পুলিসি ঘেরাটোপে পুরুষ রিনা ব্রাউনের সন্ধান! আন্দোলনের ময়দানে দাঁড়িয়ে ‘জেন্ডার নিউট্রাল’ পুলিসের কাছে দলবদলু এক নেতার করুণ আর্তি ‘আমাকে ছুঁয়ে দিও না’।
বিশদ

18th  September, 2022
বাঘ ও বাঘের মাসির
ফারাক দেখল বাংলা
তন্ময় মল্লিক

বঙ্গ বিজেপি বুঝিয়ে দিল, রাজ্যে দ্বিতীয় হওয়ার লড়াইয়ে সিপিএমকে তারা এক ইঞ্চি মাটিও ছাড়তে নারাজ। তাদের বিশ্বাস, জঙ্গি আন্দোলন করলেই ফিরবে নেতৃত্বের প্রতি কর্মীদের আস্থা। তাই সিপিএম ও বিজেপির মধ্যে শুরু হয়েছে গুণ্ডামির প্রতিযোগিতা। পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে দুই দলের মধ্যে ‘সুপার লিগে’ টিকে থাকার লড়াই ততই হবে তীব্র।
বিশদ

17th  September, 2022
একনজরে
কোথাও গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া শিল্প, আবার কোথাও সভ্যতার বিবর্তনে মেহনতি মানুষের অবদান, আবার কোনও জায়গায় স্থানীয় ইতিহাসকে তুলে ধরার প্রচেষ্টা। এমন সব থিমের লড়াই ...

পূর্ব বর্ধমান জেলার মধ্যে প্রথম আইএসও তকমা পেল কাটোয়া থানা। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ প্রতিরোধ থেকে নাগরিকদের প্রতি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির নিরিখে এই স্বীকৃতি পেয়েছে কাটোয়া থানা।  ...

অনিল আম্বানিকে কালো টাকা আইনে শোকজ নোটিস পাঠিয়েছিল আয়কর দপ্তর। সোমবার বম্বে হাইকোর্ট বলল, ওই নোটিসের ভিত্তিতে আগামী ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একতরফাভাবে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। ...

দু’বছর ধরে বাঙালির চোখ ছিল করোনার পজিটিভিটির দিকে। পজিটিভিটি বাড়লে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার উপক্রম হতো। এবার দৃশ্যপট বদলেছে। করোনার পর এখন রাজ্যজুড়ে নজরে ডেঙ্গুর পজিটিভিটি।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

তুচ্ছ কারণে অশান্তিতে দাম্পত্যে চাপ বৃদ্ধি। ব্যবসায় ভালো কেনাবেচা হবে। আর্থিক উপার্জন বাড়বে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব পর্যটন দিবস
১৮৩৩ -  বিশ্বপথিক রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু
১৯৪৯  -  বেইজিংকে আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের রাজধানী হিসাবে ঘোষণা করা হয়
১৯৫৮ - ভারতীয় হিসাবে প্রথম মিহির সেন ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন
১৯০৭ - বিপ্লবী শহিদ ভগৎ সিংয়ের জন্ম
১৯৩২ -  ভারতীয় চিত্রপরিচালক যশ চোপড়ার জন্ম
১৯৮০  -  বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়ে আসছে
১৯৯৮ - জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল (google)এর যাত্রা শুরু
২০০৮ -  প্রখ্যাত ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী মহেন্দ্র কাপুরের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.৬৮ টাকা ৮২.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩৯ টাকা ৮৭.৪৬ টাকা
ইউরো ৭৭.২১ টাকা ৮০.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,৩০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৫,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৫,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ আশ্বিন, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২। দ্বিতীয়া ৫২/২৬ রাত্রি ২/২৯। হস্তা নক্ষত্র ১/৫৫ প্রাতঃ ৬/১৬। সূর্যোদয় ৫/৩০/১৬, সূর্যাস্ত ৫/২৫/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৭ মধ্যে পুনঃ ৭/৫ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ৮/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১১/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/২৯ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৪/৪১ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৪৯। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৭ গতে ২/২৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫৬ গতে ৮/২৬ মধ্যে।
১০ আশ্বিন, ১৪২৯, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২। দ্বিতীয়া রাত্রি ২/৫০। হস্তা নক্ষত্র দিবা ৭/৩৮। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/২১ মধ্যে ও ৭/৮ গতে ১১/০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪১ গতে ৮/৩০ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১১/৪৮ মধ্যে ও ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে ও ৪/৪৫ গতে ৫/৩০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৪১ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/২৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫৮ গতে ৮/২৮ মধ্যে। 
৩০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মালদার ইংলিশবাজারে রেলের আন্ডারপাসের উদ্বোধন
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে মালদার ইংলিশবাজারে রেলের আন্ডারপাসের উদ্বোধন।  রাজনৈতিক ...বিশদ

03:40:00 PM

স্নান করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু
পুকুরে স্নান করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম ...বিশদ

03:27:38 PM

পাকা রাস্তার দাবিতে বিক্ষোভ
পাকা রাস্তার দাবিতে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির আমগুড়ি ...বিশদ

03:17:00 PM

এমপিএস চিটফান্ড কেলেঙ্কারি কাণ্ডে শহরে নানা জায়গায় তল্লাশি

02:53:10 PM

প্রাথমিকে টেটের উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট নষ্ট করার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

02:32:42 PM

মানিক ভট্টাচার্যকে সিবিআই দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ
প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে সিবিআই দপ্তরে হাজিরার ...বিশদ

02:30:28 PM