Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দেশে কি সরকার বলে কিছু আছে?
হিমাংশু সিংহ

এ বড় হেঁয়ালির সময় নয়। অসহায় যে পরিবার চোখের সামনে প্রিয়জনকে হাঁপাতে হাঁপাতে শ্বাসকষ্টে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে দেখেছে তার কিচ্ছু যায় আসে না কোন মন্ত্রীর খোঁজ মিলল, আর কে হারের লজ্জায় অন্তরালে মুখ লুকলো, এই অপ্রয়োজনীয় কূটকচালিতে। গোটা দেশ একটা অক্সিজেন সিলিন্ডার আর এক ডোজ টিকার জন্য হন্যে। এই বিপন্ন সময় মানুষকে কঠিন করেছে। জীবনের অভিজ্ঞতাই তাদের শিখিয়েছে, সরকার আর মানুষের চরম দুঃখে পাশে থাকে না। উল্টে সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসতে আর জনসমর্থন ঝালিয়ে নিতে দুর্দিনেও শুধু হাতে গরম স্লোগান খোঁজে। মানুষ নয়, ওদের ভোটের চিন্তা। ফের পরের নির্বাচনে জিতে জমিয়ে বসার তাগিদে জাত, সম্প্রদায়কে একে অপরের বিরদ্ধে লড়িয়ে দেয়। ফায়দা লোটে। আজ একটু অক্সিজেন আর রেমডিসিভিরের অভাবে মানুষ মুহূর্তে লাশে পরিণত হচ্ছে। অথচ তার সীমাহীন কালোবাজারি নিয়ে সরকার নীরব। চরম উদাসীন। অক্সিজেন দূর অস্ত, সামান্য জিঙ্ক আর ভিটামিন সি ট্যাবলেটও বহু জায়গায় অমিল। সম্মান জানিয়ে প্রিয়জনের সৎকারটুকু করার মতো পরিস্থিতিও নেই। মর্গে জমছে মৃতদেহের স্তূপ। বৃদ্ধ বাবা বাইরে অপেক্ষায়। দেশজুড়ে গত দুমাসে মানুষের এই অসহায়তাই নড়িয়ে দিয়েছে বিজেপির ভিত। আরও নির্দিষ্ট করে বললে মোদির মেকি ভাবমূর্তি। দ্রুত ধাক্কা খাচ্ছে জনসমর্থন। 
বাংলার ভোট বিপর্যয়ের সঙ্গে দ্বিতীয় ঢেউয়ের অবিরাম মৃত্যুমিছিল। এবং তার মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের  চূড়ান্ত গাফিলতি। গোটা দেশবাসীকে বিজেপি বিরোধী করে তুলেছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় ফুঁসছে মানুষ। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, শুধু স্লোগান আর ভাষণ দিয়ে এতবড় বিপর্যয় রোখা যায় না। নীরবতা ভেঙে অক্লেশে দায় ঝেড়ে প্রধানমন্ত্রী অবশ্য বলেছেন, কালোবাজারি রোখা কেন্দ্রের কাজ নয়, ওটা রাজ্য করুক! উনি শুধু মন কি বাতের স্ক্রিপ্ট তৈরি করুন। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে দরকার ছিল গত ৬ মাস ধরে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। দ্রুত টিকাকরণ। হাসপাতাল, নার্সিং হোমে শয্যা বাড়ানো। অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ানোর ব্লুপ্রিন্ট। ভোট আর ক্ষমতা দখলের নেশায় বুঁদ গেরুয়া শক্তি ওদিকে নজরই দেয়নি। এখন নির্বাচন নেই, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গে বরবাদ হওয়া পরিবারের পাশে দাঁড়াতে মোদি-অমিত শাহের হাওয়াই জাহাজের ডেলি প্যাসেঞ্জারি আপাতত দেখতে পাওয়া যাবে না। ওসব তোলা থাক আবার কখন ভোট ঘোষণা হয় তার জন্য। টিকার জন্য মিলবে না বাড়তি টাকাও। অথচ বিশ্বের সর্ববৃহৎ টিকা উৎপাদনকারী দেশের নাগরিকরাই আজ একটা ডোজের জন্য রাত জেগে অপেক্ষা করছেন। আগের দিন থেকে ইট পেতে হত্যে দিয়ে বসে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন দূরত্ববিধি শিকেয় তুলে। আবার সুযোগসন্ধানীরা ওই লাইনই বিক্রি করছেন চড়া দামে। এই দুঃসময়ে এও এক অদ্ভুত ব্যবসা! 
কেন এমনটা হবে? কেন আগে পিছে কিছু বিবেচনা না করে নাম কিনতে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি ডোজ রপ্তানি করা হবে বিদেশে। দেশে থাকলে ওই টিকা দিয়ে আরও অন্তত তিন কোটি মানুষকে একটু স্বস্তি, একটু নিরাপত্তা দেওয়া যেত। অসময়ে মনোবল বাড়ানো যেত! সংক্রমণে রাশ টানা যেত। সরকার কেন তা ভাবল না। কেন গত দেওয়ালির পর থেকেই সরকারি প্রচারের ইঞ্জিনকে ঘোড়ার মতো ছুটিয়ে বলা হল, করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভারত জিতে গিয়েছে। জয় মোদিজির জয়! সেই সঙ্গে ফেরি করা হল আত্মনির্ভর ভারতের মিথ্যে ঘোর লাগানো স্বপ্ন। এখন তো ভুটান, বাংলাদেশ থেকেও শুনি সাহায্য নিতে হচ্ছে কোভিড যুদ্ধে। চীন, আমেরিকার কথা নয় বাদই দিলাম। মোদিজির শিরস্ত্রাণে রঙিন পালকের অভাব নেই! দুমাস আগেও কে জানত ওই পালক বিবর্ণ ফ্যাকাশে লাশ হয়ে ভেসে আসবে গঙ্গায়। বেওয়ারিশ পচাগলা মৃতদেহের দুর্গন্ধে স্বচ্ছ ভারত মুখ থুবড়ে পড়বে। ঢেকে যাবে সব আস্ফালন। প্রিয়জনের জন্য অক্সিজেন বাড়ন্ত হয়ে যাবে। তরুণ ছেলের মৃতদেহ আগলে দু’রাত নিঃশব্দে কাটাতে হবে অসহায় বাবাকে। আর জব্বলপুরের হিন্দু পরিষদ নেতা জাল রেমডিসিভিরের চক্র ফেঁদে মোটা মুনাফার ছক কষবেন। গ্রেটার নয়ডার আতর সিং এক ছেলের দাহ করে ঘরে ফিরে আর 
এক ছেলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখবেন। পর 
পর দুবার এককভাবে গরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সুনার ভারত গড়ার স্বপ্নটা মাঝরাতে ভেঙে গিয়ে কেউ 
যদি দেখেন তাঁর শরীরে ঝাঁপিয়ে পড়েছে এক বীভৎস নেকড়ে, তাহলে মনের যা অবস্থা হয় অসহায় দেশবাসী আজ সেই তিমিরেই। 
বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব দেখাতে গিয়ে আজ টিকার পর্যাপ্ত জোগান নেই। তার উপর বারবার বদলাচ্ছে নীতি। কখনও বলা হচ্ছে, দুই ডোজের ব্যবধান হবে ২৮ দিন। পরে তা বদলে হল ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ। সম্প্রতি আবার ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করা হল। জনগণের প্রশ্ন, সত্যি কি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে না পর্যাপ্ত টিকা দিতে না পারার ব্যর্থতা ঢাকতেই বারবার এই বদল। এরপর তো দুই ডোজের মধ্যবর্তী ব্যবধান বেড়ে একবছরও হতে পারে! টিকার জন্য টাকা নেই। চিকিৎসার জন্য বরাদ্দ নেই। অথচ গুজরাতে সর্দার প্যাটেলের সুউচ্চ মূর্তির জন্য তিন হাজার কোটি টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। আড়াই হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে অযোধ্যার মন্দিরের জন্য। কুম্ভমেলার জন্য ব্যায় হয়েছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, দ্বিতীয় ঢেউয়ে দেশ লন্ডভন্ড হওয়ার বড় কারণ এই কুম্ভ মেলা। হঠাৎ রাজার ইচ্ছা হল ইন্ডিয়া গেট থেকে রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যন্ত অভিযাত দিল্লির ভোল বদলে দেওয়ার। যেমন ভাবা তেমন কাজ, মোদিজির স্বপ্নের সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের জন্য খরচ হচ্ছে ২৫ হাজার কোটি। পাকিস্তানকে সমঝে দিতে রাফাল কেনার খরচ ৬০ হাজার কোটি। আর নিজেকে বিশ্ব রাজনীতির নিয়ন্ত্রক হিসেবে তুলে ধরতে গত বছর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আতিথেয়তায় ব্যায় ১৩০ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রীরা এতদিন এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানেই সফর করতেন। মোদিজি ব্যতিক্রমী। নজির তৈরির জন্যই চা ওয়ালার ঘরে তাঁর জন্ম। দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে ৮০০ কোটি টাকা ব্যয় করে তাঁর জন্য এল অতিআধুনিক বিমান। এই পোড়া দেশে এটাও দস্তুর! তার উপর বিদেশ সফরের খরচ তো বাদই দিলাম। তাও গোটা মন্ত্রিসভা ধরলে বছরে দেড় হাজার কোটির আশপাশে গিয়েই দাঁড়াবে। সবারই মনোবাঞ্ছা পূরণ হল, শুধু সাধারণের জন্য টিকা, অক্সিজেন নৈব নৈব চ!
তবু সরকার জ্যান্তই আছে বটে, জাতির উদ্দেশে দেওয়া গালভরা ভাষণে। আর দুরন্ত অভিনয়ে। ঠিক যেমন নোট বাতিল করেও কালো টাকা ধরা যায়নি, কিন্তু ভক্তরা উদ্বাহু হয়ে বলেছে, এই প্রথম গরিবের জন্য কোনও প্রধানমন্ত্রী এতটা ঝুঁকি নিয়েছেন। ঢাক ঢোল পিটিয়ে জিএসটি চালু করে ব্যবসার কোনও সুরাহা হয়নি। উল্টে নাভিশ্বাস উঠেছে ছোট ও মাঝারি কারবারিদের। কান পাতলে আজও সেই দীর্ঘশ্বাস শোনা যায়। এনআরসি আর সিএএ’র নামে এক বিরাট অংশের মানুষের মধ্যে অহেতুক আতঙ্ক তৈরি করা হয়েছে। আসলে সুবিচারের আড়ালে হিন্দুত্বের ধ্বজা ওড়ানোই ছিল গোপন অ্যাজেন্ডা। সঙ্গে তীব্র মেরুকরণ। বিতর্কিত কৃষি আইনের আড়ালে খেটে খাওয়া মানুষের জমি কেড়ে বৃহৎ কর্পোরেটদের স্বার্থসিদ্ধির বিরুদ্ধে গত ৭ মাস দিল্লির সীমানায় আন্দোলনে বসে রয়েছেন কৃষকরা। নয়া শ্রম আইনে ব্রাত্য গরিব শ্রমিকের স্বার্থ। তাহলে কার ভালো করলেন নরেন্দ্র মোদি। গত সাত বছরে? সাফল্যটা কোথায়। বিকাশ কি শুধু তাঁর আর তাঁর দলের একচেটিয়া! ভোটের জন্য সাময়িক বিরতি দিয়েই আবার শুরু হয়েছে দৈনিক পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ানোর খেলা। কেন এখন রোজ তেলের দাম বাড়ছে, ভোট এলেই বা তাতে ছেদ পড়ে কেন, সেই জটিল রসায়ন সাধারণে বোঝে না। তাহলে মানুষের স্বস্তি কোথায়? এ তো গরিবের উপর খাঁড়ার ঘা!
পশ্চিমবঙ্গে এত বড় বিপর্যয়ের পরও গেরুয়া নেতা তথা নাগপুরের তাত্ত্বিকরা কোনও শিক্ষা নেননি। উল্টে আরও উচ্চগ্রামে কিছু ফেক ভিডিও ছেড়ে তারা বাংলায় হিন্দু গণহত্যার তত্ত্বকে খাড়া করতে মরিয়া। বাংলায় নাকি ‘জেনোসাইড’ চলছে। গোয়েবলসের ঢঙে প্রচার চলছে বাংলার বিরুদ্ধে, বাঙালির বিরুদ্ধে। কিন্তু এই ভয়ঙ্কর খেলায় লাভ কী? মানুষ আজ আর ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি চায় না। সবাই বুঝেছে মেরুকরণের বিষ এই কঠিন সময় থেকে ভারতবাসীকে মুক্তি দিতে পারবে না। আর বাংলার ডান বাম হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর যে সম্পূর্ণ আস্থাশীল তা স্বীকার করে নিয়েছে আরএসএসও। ধরা পড়ে গিয়েছে ভাড়াটে সেনার কারিকুরি। এই বাংলায় যত মেরুকরণের বিষ ছড়াতে চাইবেন তত ব্যুমেরাং হবে। ‘নো ভোট টু বিজেপি’ আন্দোলন শক্তিশালী হবে। এই দুঃসময় থেকে মুক্তি দিতে পারবেন শুধু জীবন বাজি রাখা নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও ডাক্তাররা। এঁরাই ঝুঁকি নিয়ে এই বিপদে রুখে দাঁড়িয়েছেন। আজ তাঁরাই প্রকৃত ভগবান। হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে দিল্লির ভোল বদলে ইতিহাসে নাম তোলার বাসনা এঁদের নেই। আর মোদিজি আপনার স্লোগান নির্ভর সরকারের শিকড় আলগা হয়ে গিয়েছে। আপনার নোট বাতিল ফ্লপ। আপনার জিএসটি ফ্লপ। আপনার এনআরসি ফ্লপ। গঙ্গায় ভাসছে আত্মনির্ভর ভারতের লাশ। এবার যে আপনার মুখোশটাই খসে পড়ার পালা! 
16th  May, 2021
মমতার সিদ্ধান্তের উপর
ঝুলছে বিজেপির ভাঙন
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতি অনেকটা নাগরদোলার মতো। উপরে উঠলে নামতে হবেই। এটাই ভবিতব্য। অপেক্ষাটা শুধু সময়ের। বিজেপির দিল্লির নেতারা উপরে উঠে নামার কথা ভুলে গিয়েছিলেন। বাংলার নির্বাচন বিজেপির সেই নামার দিকটাই নির্দেশ করে দিয়েছে। বিশদ

ভারতের প্রশাসনের স্থাপত্য
গোপালকৃষ্ণ গান্ধী

রাজনীতিক-সিভিল সার্ভেন্ট সম্পর্কের মজবুত ভিতটা নির্মাণ করে গঠন, বিশ্বাস ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা। সর্দার প্যাটেল এটা অনুধাবন করেছিলেন।
বিশদ

18th  June, 2021
বিরুদ্ধ মত মানেই
দেশদ্রোহ নয়
সমৃদ্ধ দত্ত

 

১৮৭৬ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে অন্তত ১৮টি দুর্ভিক্ষ হয়েছে। প্রায় ২ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়। তা সত্ত্বেও মানুষের উপর ল্যান্ড ট্যাক্সের বোঝা না কমিয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল ব্রিটিশ।
বিশদ

18th  June, 2021
লাক্ষাদ্বীপে গেরুয়া অ্যাজেন্ডার আতঙ্ক!
মৃণালকান্তি দাস

টলিউড বা বলিউডের মতো প্রচুর ছবি তৈরি হয় না এখানে। নামমাত্র ছবিতেই বিনোদন খোঁজে এই প্রবাল দ্বীপ। তবুও সংবাদ শিরোনামে দ্বীপের এক অভিনেত্রী এবং পরিচালক আয়েশা সুলতানা।
বিশদ

17th  June, 2021
মুখরক্ষা করল উত্তরবঙ্গ,
পোড়াচ্ছে তাকেই!
হারাধন চৌধুরী

সম্ভাবনা ছিল দু’টো। মমতা ফিরবেন অথবা নতুন শক্তি হিসেবে উঠে আসবে বিজেপি। বিজেপি ফেল করেছে। ফিরেছেন মমতা। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হ্যাট্রিকের শক্তি এতটা প্রবল হবে, অনেকেই বোঝেনি।
বিশদ

16th  June, 2021
মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা: আত্মনির্ভরতার নতুন থিম সং
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সেপ্টেম্বর ১, সাল ২০১৩। দিল্লিতে বিজেপির বাইক র‌্যালি। প্রতিবাদ চলছে পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে... ঠুঁটো কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। সেই বাইক মিছিল সেদিন রওনা দিয়েছিল দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের বাসভবনের উদ্দেশে।
বিশদ

15th  June, 2021
দায়িত্ব নিন, আলোচনা
করুন, প্ল্যান বানান
পি চিদম্বরম

টিকাকরণ নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা হল, তা ইতিহাসে লেখা থাকবে। ৭ জুন, টেলিভিশন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দু’টো ভুল শুধরে নিয়েছেন। আমি মনে করি, এটাই তাঁর ভুল স্বীকার করে নেওয়ার কায়দা।
বিশদ

14th  June, 2021
মমতার নির্দেশে
অভিষেকের মাস্টারস্ট্রোক
হিমাংশু সিংহ

এতদিন বাংলার রাজনীতিতে মাস্টারস্ট্রোক কথাটা শুধু জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই সমার্থক ছিল ষোলোআনা। কিন্তু এখন তার আর এক দাবিদার উপস্থিত। পুত্রসম অভিষেক।
বিশদ

13th  June, 2021
সেলিব্রেটি থেকে সংগঠক,
রাজনীতির নতুন ধারা
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই বলে থাকেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন, তৃণমূল ততদিন। তারপর পার্টিটাই আর থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জবাবও দিয়েছেন। তিনি বহুবার বলেছেন, ‘যাঁরা ভাবছেন, আমি চলে গেলে দলটা উঠে যাবে, তাঁরা ভুল ভাবছেন। তৃণমূলের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরি।’ এতদিন তিনি যে কথা মুখে বলতেন, এবার সেটা করে দেখাচ্ছেন।
বিশদ

12th  June, 2021
পুরুষ আধিপত্যের ভিড়ে
সফল শাসক দুই বাঙালি নারী
সমৃদ্ধ দত্ত

রাজনীতির হিসেব-নিকেশ বাদ দিয়ে নিছকই জাতিগত আকাঙক্ষার তাগিদে ২০২৪ সালের দিকে আমরা বাঙালিরা অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে লক্ষ করব এই জাতিটির জার্নিতে সত্যিই কি একটি নতুন ইতিহাস রচিত হবে? একদা একসঙ্গে থাকা দু’টি পাশাপাশি দেশের দুই প্রধানমন্ত্রীই কি বাঙালি নারী হবেন? বিশদ

11th  June, 2021
অবলুপ্তির আত্মঘাতী
পথে সিপিএম
মৃণালকান্তি দাস

গোটা দেশের লোক যখন মোদি-মমতার মরণপণ দ্বৈরথ দেখছে, সিপিএম তখন চোখ বন্ধ রেখে বলেছে, ও-সব ‘সেটিং’। আসলে দল তো একটাই, তার নাম বিজেমূল। ছায়ার সঙ্গে এই পুরো যুদ্ধটাই করা হয়েছে বিজেপি-তৃণমূল বাইনারি ভাঙার নাম করে। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। বিজেমূল নামক এই বকচ্ছপ ধারণাটাকে জনতা স্রেফ ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।
বিশদ

10th  June, 2021
দেশ নিয়ে মোদির ভাবার
এত সময়ই নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

মোদির জনপ্রিয়তার পাড় ভাঙছে। অন্য পাড়ে ক্রমেই জেগে উঠছে মমতা নামের এক নতুন সবুজ, স্বপ্নের ভূমি। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে চোখে চোখ রেখে পাঙ্গা লড়ার শক্তি তিনি আপন ক্ষমতাবলে অর্জন করেছেন। বিশদ

09th  June, 2021
একনজরে
বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের প্রথম দিনের খেলা। তবে এমটা যে হতে পারে, তার পূর্বাভাস ছিলই। তাই এমন মেগা ম্যাচের ভেন্যু নির্বাচনের ক্ষেত্রে ...

আমতার বিধায়ক সুকান্ত পালের উদ্যোগে ঘরে ফিরলেন প্রায় শ’খানেক বিজেপি কর্মী। ভোটের আগে বিজেপি’র প্রলোভনে পা দিয়ে অনেকেই সেই সময় দলবদল করেন। শুধু তাই নয়, তাঁরা বহু মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বিজেপির দিকে টানারও চেষ্টা করেন। ...

ঘাটাল মহকুমায় ঝুমি নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইতে থাকায় শুক্রবার নতুন করে বেশকিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্লাবিত হয়েছে ঘাটাল ব্লকের মনশুকা-১ এবং ...

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে এলেও চোখ রাঙাচ্ছে তৃতীয় ঢেউ। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আগামী অক্টোবরেই ফের মাথাচাড়া দিতে পারে ভাইরাস সংক্রমণ। এই অবস্থায় কোভিড মোকাবিলায় আটদফা জরুরি পদক্ষেপের সুপারিশ করল আন্তর্জাতিক মেডিক্যাল জার্নাল ল্যানসেট। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা। গুপ্ত শত্রুতার মোকাবিলায় সতর্কতা প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় বিলম্বিত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 
১৫৯৫ - ষষ্ঠ শিখ গুরু  গুরু হরগোবিন্দের জন্ম
১৯০৭ - শিক্ষাবিদ ও নারী শিক্ষা প্রচারক উমেশচন্দ্র দত্তের মৃত্যু
১৯৪৭- লেখক সলমন রুশদির জন্ম
১৯৬২ - অভিনেতা আশিষ বিদ্যার্থীর জন্ম
১৯৭০- রাজনীতিক রাহুল গান্ধীর জন্ম
১৯৮১- ভারতে টেস্ট টিউব বেবির জনক সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮৫ - অভিনেত্রী কাজল আগরওয়ালের জন্ম
২০০৮- বর্তমানের প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক বরুণ সেনগুপ্তের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৪৬ টাকা ৭৫.৭৪ টাকা
পাউন্ড ১০০.৮০ টাকা ১০৫.৬৮ টাকা
ইউরো ৮৬.২৭ টাকা ৯০.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,০০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৫৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,২৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭০,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭০,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আষাঢ় ১৪২৮, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১। নবমী ৩৪/৩৪ রাত্রি ৬/৪৬। হস্তা নক্ষত্র ৩৮/৫০ রাত্রি ৮/২৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৬, সূর্যাস্ত ৬/১৯/২৮। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২ গতে ৭/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/১৬ গতে ১/২৪ মধ্যে পুনঃ ২/৪৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ প্রাতঃ ৫/৫০ মধ্যে পুনঃ ৯/২৪ গতে ১২/৪ মধ্যে। বারবেলা দিবা ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১/১৮ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি রাত্রি ৭/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে উদয়াবধি। 
৪ আষাঢ় ১৪২৮, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১। নবমী দিবা ২/৩০।  হস্তা নক্ষত্র অপরাহ্ন ৫/১। সূর্যোদয় ৪/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/২২। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪২ গতে ৬/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ গতে ৭/৪৭ মধ্যে ও ১১/২০ গতে ১/২৮ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৫৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৫/৫৪ মধ্যে ও ৯/২৮ গতে ১২/৮ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/২০ গতে ৩/০ মধ্যে ও ৪/৪১ গতে ৬/২২ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪১ মধ্যে ও ৩/৪৬ গতে ৪/৫৫ মধ্যে।  
৮ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রয়াত সাংবাদিক বরুণ সেনগুপ্তের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য মুখ্যমন্ত্রীর
প্রয়াত কিংবদন্তি সাংবাদিক বরুণ সেনগুপ্তের ১৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির ...বিশদ

11:39:25 AM

নিউ দীঘায় হোটেল মালিকের রহস্যমৃত্যু
নিউ দীঘায় নিজের হোটেলেই রহস্যমৃত্যু মালিকের। মৃতের নাম সুব্রত সরকার ...বিশদ

11:13:00 AM

বারুইপুরে শ্যুটআউট
একমাস কাটতে না কাটতেই ফের শ্যুট আউটের ঘটনা দক্ষিণ ২৪ ...বিশদ

11:04:50 AM

আরও ৫০ হাজার কিউসেক জল ছাড়ছে দুর্গাপুর ব্যারেজ
দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে এই মুহূর্তে ৫০ হাজার ৫২৫ কিউসেক জল ...বিশদ

09:33:00 AM

করোনা: টানা ৩৭ দিন দৈনিক সুস্থতা টেক্কা দিচ্ছে  দৈনিক সংক্রমণকে
ধীরে ধীরে নিম্নমূখী করোনার গ্রাফ।  পাশাপাশি টানা ৩৭ দিন দৈনিক ...বিশদ

09:32:21 AM

পরিবারের চারজনকে খুন করে পুঁতে রাখার অভিযোগ, ধৃত যুবক
উদয়নকাণ্ডের ছায়া এবার মালদহের কালিয়াচকে। মা-বাবা সহ পরিবারের ৪ জনকে নৃশংসভাবে ...বিশদ

08:59:00 AM